বাতরোগ দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যা। এটি শরীরের বড়–ছোট সব ধরনের জয়েন্টে প্রদাহ, ফোলা ও ব্যথা সৃষ্টি করে। একই সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ, যেমন ত্বক, ফুসফুস, চোখ, হার্ট এবং রক্তনালিতেও প্রদাহ সৃষ্টি করে। অনেক সময় ছোটদেরও রোগটি হতে দেখা যায়।

কেন হয় শিশুর বাত

বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বাতরোগের কারণ অজানা। ধারণা করা হয়, এটি শরীরের প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ভুল–বোঝাবুঝির কারণে সৃষ্ট একটা রোগ। এখানে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা ভুলবশত শরীরের সুস্থ কোষকলার ওপর আক্রমণ করে প্রদাহ ও ক্ষত সৃষ্টি করে। এই রোগের পেছনে কখনো কখনো বংশ, পরিবেশ ও বিভিন্ন রকম জীবাণুর প্রভাবও থাকে।

কারা ঝুঁকিতে

  • মেয়েশিশুরা তুলনামূলক বেশি ঝুঁকিতে থাকে। 
  • যাদের ভাইবোন বা পরিবারের অন্য কেউ বা কোনো নিকটাত্মীয় বাত বা অন্য কোনো ইমিউন রোগে ভুগছেন। 
  • যাদের পরিবারে ধূমপায়ী সদস্য আছে।
  • যাদের ওজন বেশি।

কীভাবে বোঝা যাবে শিশুর বাতরোগ

  • হাঁটতে সমস্যা।
  • হাত বা পায়ের গিরার জড়তা, বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর এটা বেশি হয়।
  • অস্বাভাবিক ক্লান্তি, ক্ষুধামান্দ্য।
  • কোনো কারণ ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে অল্প অল্প জ্বর।
  • ছোট ছোট গিরায় ব্যথা, কিছুটা ফোলা।
  • ত্বকে ফুসকুড়ি।

চিকিৎসা কী

বাতরোগ ভালো হয় না। নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। যেহেতু এই রোগের জটিলতা অনেক বেশি, তাই নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকা জরুরি। 

 

তথ্য সূত্র : প্রথম আলো