সুস্থ জীবনযাপনের জন্য সঠিক খাবারের বিকল্প নেই। অনেক সময় আমরা খাবার খাওয়ার দিকে নজর দিলেও, রান্নার পদ্ধতির গুরুত্বকে উপেক্ষা করি। অথচ খাবার কীভাবে রান্না হচ্ছে সেটিই নির্ধারণ করে খাবার কতটা স্বাস্থ্যকর হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রান্নার ধরনে সামান্য পরিবর্তন আনলেই খাবার হতে পারে আরও পুষ্টিকর ও নিরাপদ। চলুন জেনে নেওয়া যাক স্বাস্থ্যকর রান্নার ৭টি সহজ উপায়—

১. হোল গ্রেইন ফুড বেছে নিন

সাদা ভাত বা ময়দার বদলে লাল চাল, ওটস, কুইনোয়া বা বাজরার মতো হোল গ্রেইন খাবার খেতে হবে। এতে পাওয়া যায় জটিল কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার, যা ধীরে ধীরে গ্লুকোজ নিঃসরণ করে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে।

২. কম তেল দিয়ে রান্না করুন

অলিভ অয়েল, রাইস ব্রান, তিসি বা আখরোটের তেলের মতো স্বাস্থ্যকর তেল ব্যবহার করা ভালো। তবে অল্প তেলেই রান্না করতে হবে। এতে ইনসুলিন প্রতিরোধ কমে, ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৩. শাক-সবজি বাড়ান

স্টার্চবিহীন মৌসুমী শাক-সবজি প্লেটের অর্ধেক জুড়ে রাখুন। এতে ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ হবে এবং খাবারের ভারসাম্য বজায় থাকবে।

৪. লবণ গ্রহণ সীমিত করুন

অতিরিক্ত লবণ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় লবণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।

৫. স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস বেছে নিন

প্যাকেটজাত খাবারের পরিবর্তে বাড়িতে তৈরি স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস খান। এতে অপ্রয়োজনীয় চিনি ও সোডিয়ামের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।

৬. হাইড্রেটেড থাকুন

চিনিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে পানি, ভেষজ চা বা জিরা পানি পান করুন। এগুলো শরীরকে সতেজ রাখবে এবং হজম ও বিপাক প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবে।

৭. প্রোটিন যোগ করুন

প্রতিদিনের খাবারে ডাল, মুরগি, ডিম বা মাছ রাখুন। প্রোটিন রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং গ্লাইসেমিক সূচক কমাতে সাহায্য করে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাবারের পদ্ধতিতে এই পরিবর্তনগুলো আনলে সুস্থ থাকা অনেক সহজ হয়ে উঠবে।

তথ্য সূত্র : দৈনিক জনকণ্ঠ