ফুটবলের ‘ভোটযুদ্ধ’ আজ

uiey

নির্বাচনের ফল যা-ই হোক, ‘সিগন্যাল’-এর একটা দফারফা হয়ে গেল। ‘সিগন্যাল’—বাফুফে নির্বাচনে বড় আলোড়ন তোলা এক শব্দ। রাস্তায় তার পরও লাল-সবুজ বাতিতে এর মহিমা বোঝা যায়, থামা-চলা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে বাফুফে নির্বাচনের সিগন্যাল বড় দুর্বোধ্য। নির্বাচনের দুই দিন আগেও এটি বেশ ভুগিয়েছে। নাস্তানাবুদ করেছে কাজী সালাউদ্দিন ও তাঁর প্যানেলকে আর বিভ্রান্ত করেছে বাকি সবাইকে। বিভ্রান্তিও একদম সর্বোচ্চ পর্যায়ে। চেনা লোক হন্তদন্ত হয়ে হঠাৎ খবর দেন, ‘ওমুক ভাইয়ের ভোটের খেলা শেষ। সিগন্যাল নাই। একটু পরেই বসে পড়ার খবর পাবেন।’ তাই তো, সেই ভাইয়ের মুখ যে শুকিয়ে গেছে! কয়েক ঘণ্টা বাদেই আবার সেই মুখে স্বাভাবিক রক্ত চলাচল। লালবাতি বোধ হয় সবুজ হচ্ছে। সিগন্যালের এমন খেলা নিত্য ঘটনা হয়ে উঠেছিল। গৌণ হয়ে পড়েছিল নির্বাচন, ভোটাভুটির যেন প্রয়োজন হবে না আর। কিন্তু ৩০ এপ্রিল আসতে আসতেই সব অদৃশ্য বাতি নিভে গিয়ে নির্বাচনই সত্যি হলো। ২৯ দিনের লম্বা ‘এপ্রিল ফুল’ শেষে আজ ফুটবলের ভোট। গোপন ব্যালটে বাফুফে নির্বাচনে আগামী চার বছরের ফুটবল ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে।

প্রথমবারের মতো বাফুফে ভবন ছেড়ে র‌্যাডিসন হোটেলে গিয়ে উঠেছে ফুটবলের ভোট। পাঁচ তারা হোটেলে নেওয়ার কারণও নাকি ভোট পণ্ড করে দেওয়ার ভয়। সেই যে ভয় দিয়ে শুরু, এরপর হুজুগে মানুষের গুজবের সংক্রমণে ফিফা নিষেধাজ্ঞার ভয়ও পেয়ে বসেছিল ফুটবলকে। একমাত্র নির্ভীক চরিত্র মেজবাহ উদ্দিন, চারদিকে যতই শঙ্কা প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঠিক ততটাই আশাবাদী। হুমকি-ধমকি এবং নিরাপত্তাহীনতার ইস্যুগুলোকে লঘু করে তিনি ১৩৪ জন ভোটারের নির্বাচনকেই বড় করে দেখছেন। ভোটারদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের ৬৭ ভোট। তাঁরা কমবেশি জোটবদ্ধ এবং প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণে তাঁদের ভোটকেই গুরুত্বপূর্ণ ধরা হয়। বাকিগুলোর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন ক্লাবের ৫৩টি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি, শিক্ষাবোর্ডের পাঁচটি এবং কোচেস অ্যাসোসিয়েশন, রেফারিজ অ্যাসোসিয়েশন ও মহিলা ক্রীড়া সংস্থার একটি করে। তাঁদের ভোটেই নির্বাচিত হবে ফুটবল ফেডারেশনের ২১ সদস্যের কমিটি। ভোটের আগেই অবশ্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সিনিয়র সহসভাপতি নির্বাচিত হয়ে গেছেন আব্দুস সালাম মুর্শেদী। নির্বাচনী ময়দানে মুর্শেদী বরাবরই ফেভারিট, এর পরও এই পদ থেকে তিন হেভিওয়েট মনজুর কাদের, লোকমান হোসেন ভূঁইয়া ও দেওয়ান শফিউল আরেফিন টুটুলের সরে দাঁড়ানোটা বড় রহস্যময়। এই একটি পদ বাদে সভাপতিসহ বাকি ২০টি পদের জন্য আজ লড়ছেন ৪৬ জন। সভাপতি পদে চারজন, চার সহসভাপতি পদে ১০ জন আর ১৫টি সদস্য পদে ৩২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোট হবে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

ব্যালটে সভাপতি পদে চারজনের নাম থাকলেও এরই মধ্যে দুজন দুই দিকে সমর্থন দেওয়ায় শেষ লড়াইটা দ্বিমুখী হয়ে গেছে। গোলাম রব্বানী হেলাল গেছেন পুরনো সুহৃদ কাজী সালাউদ্দিনের পক্ষে আর কামরুল আশরাফ খানের পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন নুরুল ইসলাম নুরু। একজন ফুটবলের লোক অন্যজন ফুটবলে অনুপ্রবেশকারী। কিন্তু সার ব্যবসায়ী কামরুলের ফুটবলে অনুপ্রবেশ কী করে? গত আট বছর ফুটবল তারকা কাজী সালাউদ্দিনের আমলে দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি বলেই প্রতিপক্ষ দুঃসাহসী। সত্যি বললে আসল প্রতিপক্ষ মনজুর কাদের, হঠাৎ তিনি বন্ধু সালাউদ্দিনকে লাল পতাকা দেখিয়ে বাঁচাও ফুটবলের ডাক দিয়েছেন। চট্টগ্রামে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ টুর্নামেন্টকে ঘিরে তাঁদের বন্ধুত্বে ফাটল। আর বন্ধু শত্রু হলে যে কী হয়, সেটা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন সালাউদ্দিন। সমালোচনা এমন উত্তুঙ্গ আর উলঙ্গ রূপ নিয়েছিল সেখানে আর ফুটবল ছিল না। ফুটবল বাঁচানোর নামে আসলে একটা গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয়। এই গোষ্ঠীতে যোগ দিয়ে মোহামেডানের ডিরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভূঁইয়াও উচ্চকণ্ঠ হয়েছেন সালাউদ্দিনের ব্যর্থতা নিয়ে। কি দিনকাল পড়েছে, চালনি খুঁজছে সুইয়ের ছিদ্র! এতে সালাউদ্দিনের ব্যর্থতা চাপা পড়ে বরং ধাক্কা খেয়েছে ফুটবল বাঁচানোর স্লোগান। শেষ ধাক্কাটা খেয়েছে ফুটবলের বাইরের এক ভদ্রলোককে এনে বাফুফের সভাপতি পদে দাঁড় করিয়ে দিয়ে।

এই ভদ্রলোকের নাম কামরুল আশরাফ খান পোটন। নরসিংদী-২ আসনের এই সংসদ সদস্য রাজনীতির ময়দানের খেলোয়াড়। বড় সার ব্যবসায়ী হিসেবে তাঁর সুনাম আছে, অর্থ আছে। কিন্তু ব্যাপক সংশয় আছে তাঁর ফুটবল-জ্ঞান নিয়ে। যাঁরা তাঁকে এই পদে ঠেলে দিয়েছেন, তাঁরা অবশ্য এই প্রার্থীর মধ্যে বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপনের প্রতিভা দেখছেন, ‘পাপন সাহেব ক্রিকেটটাকে কোন জায়গায় তুলে নিয়ে গেছেন। ফুটবল পরিচালনা করতে ফুটবলার হতে হয় না।’ হয়তো তাই। সফল সার ব্যবসায়ী হিসেবে কামরুল আশরাফ ফুটবল উন্নয়নে সব সময় তুলনা টেনেছেন ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের। ডিএফএ তো আছেই, পাশাপাশি সারের ডিলাররাই হবে জেলা ফুটবলের বড় অনুঘটক! আর ফুটবলের স্পন্সর নতুন সভাপতি প্রার্থীর জন্য নস্যি, সুতরাং উন্নয়নে আর টাকার সংকট হচ্ছে না।

শুধু শেষ মুহূর্তে সংকটে পড়ে গেছেন ‘সিগন্যালের’। এটা এক অদৃশ্য বস্তু, কোথা থেকে এসে আবার হাওয়া হয়ে যায়, বোঝা মুশকিল। দুই দিন আগেও সেই সিগন্যাল-জাত গুজবে-হুজুগে কামরুল আশরাফ এগিয়ে থাকলেও আজ আর তা নয়। জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক পরিষদের আশীর্বাদ নিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন কাজী সালাউদ্দিন। সুতরাং লেভেল-প্লেয়িং ফিল্ডে আজ ফুটবলের সিগন্যালহীন ভোটযুদ্ধ।

পুনম পাণ্ডের পানি খাওয়ার ছবি প্রকাশ

টচ

ফের সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠেছে পুনম পাণ্ডেকে নিয়ে। মুখরোচক বিষয়, হট পুনমের গরম লাগা আর পানি তেষ্টা পাওয়া নিয়ে। সম্প্রতি খুব গরম পড়েছে গোটা দেশ জুড়েই। এই গরমের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না পুনমও। তাই তাঁর বারবার পানি তেষ্টা পাচ্ছে, আর তাই তিনি পানি খাচ্ছেন। এই পর্যন্ত খুবই স্বাভাবিক ঘটনা।

কিন্তু পুনম পাণ্ডে যেখানে, সেখানে স্বাভাবিক ঘটনাও অস্বাভাবিক হয়ে যায়। আসলে পুনম পানি খাওয়ার যে ছবিটা পোস্ট করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়, তাতে পানি খাওয়া অনেক দূরে চলে গেছে। প্রকট হয়ে উঠেছে পুনমের শরীর। সেই জন্যই সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর আলোচনা পুনমকে নিয়ে। যে পানি খাওয়ার ছবিও যদি এমন হয়, তাহলে এরপর…। দেখেই নিন, কী ছবি পোস্ট করেছেন পুনম।

সূত্র: জিনিউজ

বজলুর রহমান স্মৃতিপদক পাচ্ছেন আলী যাকের

াি৫

সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘খেলাঘর’ প্রবর্তিত ‘সাংবাদিক বজলুর রহমান স্মৃতিপদক’ পাচ্ছেন নাট্য ব্যক্তিত্ব আলী যাকের। সংস্কৃতি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তাকে এই পদক দেওয়া হচ্ছে। আগামী ২ মে বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ পদক তুলে দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক আবুল ফারাহ পলাশ এই তথ্য জানান।

প্রতি বছর চারজনকে এই পদক দেওয়া হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ৭ম বারের মতো এবার এই পদক আলী যাকের এবং আরও তিন গুণীজনকে দেওয়া হচ্ছে। তারা হলেন- মাখন লাল দাশ, সেলিম রেজা ও খন্দকার মুনীরুজ্জামান।

খেলাঘরের ৬৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজ্জাম্মেল হক। বিশেষ অতিথি থাকবেন সাংবাদিক আবেদ খান। সভাপতিত্ব করবেন খেলাঘরের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক পান্না কায়সার।

শাহরুখের সঙ্গে নয়বার…! কী করলেন সানি লিওন?

টিচুি

না! যেটা ভাবছেন সেটা একেবারেই নয়।

আহা! খারাপ কিছু তো নয়ই। বরং ঘাবড়ে গিয়ে শাহরুখ খানকে একটু বেশি পরিশ্রম করিয়েছেন সানি লিওন।

কিন্তু কীভাবে?

শাহরুখের আসন্ন ছবি ‘রইস’এর একটি গানে কোমর দোলাবেন সানি। এতো আপনারা সকলেই জানেন। সম্প্রতি একটি সাক্ষাত্কারে সানি জানিয়েছেন, তাঁর শুটিংয়ের সময় সেটে আসতেন বলি-বাদশা। আর তাঁকে দেখে নায়িকা এতটাই টেনসড্ হয়ে গিয়েছিলেন, যে একটা দৃশ্য গুনে গুনে নয়বার রি-টেক দিতে হয়েছে তাঁকে! জানা গেছে, ‘কুরবানি’ ছবির ‘লায়লা ও লায়লা’ গানটি ব্যবহার করা হবে ‘রইস’-এ। এমনকী সানির সঙ্গে নাচতে দেখা যেতে পারে বলি-বাদশাকেও।

সানির কথায়, ‘প্রত্যেক দিন যে স্বপ্নটা দেখতাম, শাহরুখের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে সেটাই পূরণ হল। এতটাই ইমোশনাল হয়ে গিয়েছিলাম, যে মেকআপ করতে করতে চোখে পানি এসে গিয়েছিল। শাহরুখ ভীষণ ভাল মানুষ এবং প্রফেশনাল। আমি এতটাই বোকা যে, ওঁর সামনে গিয়ে অভিনয় করতে লজ্জা পাচ্ছিলাম।’

শুটিং শেষ হয়ে গেলেও এখনো শাহরুখ খানের ঘোরে রয়েছেন সানি। প্রায় সব সময়ই সেই অভিজ্ঞতার কথা মনে পড়ছে তাঁর। সানির দাবি, এই প্রথম কোনো অভিনেতার জন্য আবেগে প্রায় কেঁদে ফেলেছিলেন তিনি।

সূত্র: আনন্দবাজার

আবারও সালাউদ্দিন, না পরিবর্তন?

xdezs

একদিকে বাংলাদেশের কিংবদন্তি ফুটবলার কাজী সালাউদ্দিন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ সার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নরসিংদী-২ আসনের স্বতন্ত্র সাংসদ কামরুল আশরাফ খান। প্রসঙ্গ যখন ফুটবল, দুজন দুই অঙ্গনের হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই নাম দুটির মধ্যে পার্থক্য অনেক। তবে আজ তাঁরা মিলে যাচ্ছেন একই বিন্দুতে।
পরিবেশ, পরিস্থিতি এই দুজনকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি পদের নির্বাচনে। কামরুল আশরাফের জন্য এটি পরীক্ষা নয়। বাফুফের সভাপতি পদে নির্বাচন করে হারলে তাঁর কিছুই আসবে যাবে না। বরং জিতলে পাবেন অনেক কিছুই। পরীক্ষা আসলে দেশজ ফুটবলের মহাতারকা কাজী সালাউদ্দিনের সামনে। ৪০ বছরের সাধনায় যে জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছেন, সেই জায়গাটা আরও শক্ত করবেন, নাকি হারাবেন?
উত্তর মিলবে আজ স্থানীয় একটি পাঁচ তারকা হোটেলে বাফুফের বার্ষিক সাধারণ সভার পর দুপুর দুইটায় শুরু বহুল আলোচিত নির্বাচনে। বাফুফে সভাপতির চেয়ারে গত আটটি বছর কাটিয়ে সালাউদ্দিন মনে করছেন তাঁর ভিত্তি আরও শক্তই হবে। দেশের ফুটবলকে এগিয়ে নেবেন সামনে। হ্যাঁ, এটা ঠিক, বাফুফে সভাপতি হিসেবে তাঁর সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। জাতীয় দল শেষ কয়েক মাসে খারাপ করেছে বলে সমালোচনাও শুনতে হয়েছে।
কিন্তু সত্যটা হলো এই, সালাউদ্দিনের সময় খেলার দাবিতে ফুটবলারদের অন্তত আন্দোলন করতে হয়নি। মোটা দাগে ঢাকার সব স্তরের ফুটবল মাঠে ছিল। ফুটবল মাঠে ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েই তিনি আট বছর আগে দায়িত্বে এসেছিলেন। ঢাকার বাইরেও কিছু খেলা হয়েছে, প্রথমবারের মতো জেলাগুলো পেয়েছে কিছু আর্থিক প্রণোদনাও।
সালাউদ্দিন চেষ্টা করেছেন, প্রথম মেয়াদে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় মেজর জেনারেল আমিন আহমদ চৌধুরীকে হারিয়ে নতুন প্রশাসকের ভূমিকায় মঞ্চে আগমন। সেবার হারুনুর রশিদ, বাদল রায়রা তাঁর বিপক্ষে ছিলেন। সেই বৈরী পরিবেশের উজান ঠেলে লক্ষ্যে পৌঁছান সালাউদ্দিন। দ্বিতীয় মেয়াদে তাঁর বিরুদ্ধে সংগঠক আবদুর রহিম সভাপতি পদে দাঁড়ালেও পরে প্রত্যাহার করলে সালাউদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে যান।
এবার চেনাজানা ও শীর্ষ সংগঠকেরা বেশির ভাগই তাঁর পক্ষে। তবে বিপক্ষে চলে গেছেন একসময় তাঁরই বন্ধু মনজুর কাদের। সালাউদ্দিন প্রথমবার দায়িত্ব নেওয়ার পর শেখ জামাল ধানমন্ডি নাম ধারণ করা ধানমন্ডি ক্লাবকে প্রিমিয়ার লিগে তুলে আনেন। সেই ক্লাবের সভাপতি কাদেরই এবার বাঁচাও ফুটবলের ব্যানারে সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে সভাপতি প্রার্থী হিসেবে সামনে নিয়ে এসেছেন কামরুল আশরাফকে।প্রার্থী তালিকাফুটবল অঙ্গনে নামটি উচ্চারিত হচ্ছে আসলে বাফুফের এই নির্বাচনে মনোনয়নপত্র কেনার দিন ১৮ এপ্রিল থেকে। এর আগে ফুটবল তো বটেই, কখনোই তাঁর নাম শোনা যায়নি অন্য কোনো খেলায়ও। এই অঙ্গনে তিনি নতুন মুখ। এই কদিনে তাঁর কথাবার্তায়ও এমন কিছু বেরিয়ে আসেনি, যা শুনে আলাদা কিছু মনে হতে পারে।
বরং জানা কথাবার্তাই তাঁর মুখে শোনা গেছে। যেমন সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের ফুটবলে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দ সম্ভবত তৃণমূল, সবাই তৃণমূলে যাওয়ার কথা বলেন। বাঁচাও ফুটবল পরিষদের প্রার্থী হিসেবে কামরুলও একই কথা বলেছেন, ‘নির্বাচিত হলে জেলার দিকেই বেশি নজর দেব। খেলোয়াড় তৈরি করব, জেলা থেকে ফুটবলার আনব।’
কামরুলের কথাবার্তায় বারবারই আসে সার প্রসঙ্গ। সারা দেশে সারের ডিলারদের ফুটবল উন্নয়নে কাজে লাগাতে চান। সালাউদ্দিনও দিয়েছেন নানা প্রতিশ্রুতি, বিশেষ করে কয়েক বছর ধরে চলে আসা বিভিন্ন আয়োজনের ধারাবাহিকতা রাখাসহ একাডেমিকে শক্তিশালী করে অনেক কিছুই করার লক্ষ্য তাঁর।
শুরুর দিকে নির্বাচনী মাঠে একটু চাপে থাকলেও যত দিন গড়িয়েছে, সালাউদ্দিন পরিষদ যেন আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে নির্বাচনী মাঠে ফোনে হুমকি-ধমকির জেরে অনুষ্ঠান করতে না পারার ব্যাপারটা সালাউদ্দিনের জন্য শাপে বরই হয়েছে। গতকাল নির্বাচন নিয়ে বলছিলেন, ‘আমি যেখানেই যাচ্ছি, সমর্থন পাচ্ছি। কাউন্সিলরসহ সবাই বলছেন আমার পাশে থাকবেন। আমি তো ফুটবলেরই লোক।’
সভাপতি পদ নিয়ে এত কথা হচ্ছে যে মনে হতে পারে শুধু এই পদেই বুঝি ভোট হচ্ছে। আসলে সবার নজরটা এদিকেই। তাই প্রায় দুই ডজন সাবেক ফুটবলার এই নির্বাচন করলেও ভোটের মঞ্চে হইচই নেই তাঁদের নিয়ে। জাতীয় ফুটবল ফেডারেশনটা সভাপতি শাসিত, তাই সভাপতির ওপরই সব আলো।
সেই আলো সরে গেলে ফুটবল অঙ্গনকেই চিরতরে বিদায় দিতে পারেন সালাউদ্দিন। তাঁর সমর্থকেরা সবকিছু ছেড়ে দিয়েছেন ১৩৪ জন ভোটারের ওপর। টাকা ওড়াউড়ির কথা শোনা যাচ্ছে, নির্বাচন নিয়ে আছে শঙ্কাও। তবে সব শঙ্কা আর প্রলোভন এড়িয়ে যোগ্য প্রার্থীদেরই কাউন্সিলররা নির্বাচিত করবেন, এটিই ফুটবল অঙ্গনের চাওয়া।

এক নজরে
সভাপতি প্রার্থী

৪ জন, ২ জন নিষ্ক্রিয় (১টি পদে)
সহসভাপতি প্রার্থী
১০ জন
(৪টি পদে)
সদস্য প্রার্থী
৩২ জন
(১৫টি পদে)

ভোটার
জেলার ভোটার: ৬৭
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়: ৬
শিক্ষা বোর্ড: ৫
রেফারি অ্যাসোসিয়েশন: ১
কোচেস অ্যাসোসিয়েশন: ১
মহিলা ক্রীড়া সংস্থা: ১
ক্লাব: ৫৩
মোট: ১৩৪ ভোট

সেমিফাইনালে মোহামেডান

q

ক্লাব কাপ হকির ‘ক’ গ্রুপ থেকে আগেই সেমিফাইনালে উঠেছে ঊষা ও মেরিনার্স। কাল ‘খ’ গ্রুপ থেকেও সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে মোহামেডান।
মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে মোহামেডান ৭-১ গোলে হারিয়েছে সোনালী ব্যাংককে। মোহামেডানের রুবেল হোসেন, রাসেল মাহমুদ জিমি ও দ্বীন ইসলাম ইমন ২টি করে গোল করেছেন, কামরুজ্জামান রানা ১টি। সোনালী ব্যাংকের সান্ত্বনার গোলটি অজিতের। দিনের অন্য ম্যাচে বাংলাদেশ স্পোর্টিং ক্লাব ৫-০ গোলে হারিয়েছে ওয়ারী ক্লাবকে। বাংলাদেশ স্পোর্টিংয়ের বেলাল ও সোহেল ২টি করে গোল করেছেন, হোসনে মোবারক ১টি।
আজকের খেলা: সাধারণ বীমা-অ্যাজাক্স, ঊষা-মেরিনার্স (বেলা ২-৩০ মি., ও বিকেল ৪-১৫ মি., হকি স্টেডিয়াম)

‘রঙে ভরা গ্রীষ্ম’

gvuyc

নব কুমার ভদ্র ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে রিকশাচিত্রের প্রাচীন ঐতিহ্যকে লালন করছেন, ধারণ করছেন তার তুলিতে, টিনের ক্যানভাসে। তিনি আশির দশকে পেশাদার চিত্রকর হিসেবে ঢাকাই চলচ্চিত্রের রঙিন পোস্টার আর ব্যানার আঁকতে শুরু করেন। একপর্যায়ে প্রবেশ করেছেন বহুবর্ষী প্রাচীন এবং ঐতিহ্যবাহী রিকশাচিত্রের ভুবনে। শুক্রবার আলিয়ঁস ফ্রঁসেস দো ঢাকার গ্যালারি জুমে শুরু হলো শিল্পী নব কুমার ভদ্র এর ‘রঙে ভরা গ্রীষ্ম’ শীর্ষক তৃতীয় একক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী।
লেখক ও গবেষক পিয়্যের-অ্যাঁলা বো এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প-সমালোচক মইনুদ্দিন খালেদ, আলোকচিত্র শিল্পী আনোয়ার হোসেন প্রমুখ। আলিয়ঁস ফ্রঁসেস দো ঢাকার পরিচালক ব্রুনো প্লাস সম্মানিত অতিথিদের স্বাগত জানান এবং অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন।
‘রঙে ভরা গ্রীষ্ম’ প্রদর্শনী দেখছেন দর্শক। ছবি: প্রথম আলোপ্রদর্শনীতে মোট ২৪টি চিত্রকর্ম এবং ১৭টি পেনসিল স্কেচ এবং টিনের ওপর আঁকা ২৪টি চিত্রকর্ম স্থান পেয়েছে। শিল্পীর কাজে উঠে এসেছে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ‘অ্যাকশনে থাকা’ মুখভঙ্গি ও নাটকীয় মুহূর্তগুলো; বাংলার গ্রামীণ জনপদের নৈসর্গিক শোভা এবং প্রাচীন লোককথা। রিকশাচিত্রের পাশাপাশি শিল্পী তাঁর আঁকা খুদে মডেল রিকশা, বিলুপ্ত হলুদ বেবি-ট্যাক্সি, মাটির সরা প্রভৃতিও।
চিত্র প্রদর্শনীটি চলবে ১৪ই মে পর্যন্ত। গ্যালারি খোলা থাকে সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা এবং শুক্রবার ও শনিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা এবং বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। রবিবার সাপ্তাহিক বন্ধ।

আজ বিপাশার বিয়ে

ed567

অপেক্ষার পালা সাঙ্গ হলো। কন্যার আইবুড়ো ভাত সম্পন্ন হয়েছে। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। আজ শনিবার সকাল থেকেই বাজবে বিয়ের সানাই। এরপর এক হবে বিপাশা বসু এবং করণ সিং গ্রোভারের চার হাত।
এ নিয়ে মুম্বাইয়ের বসু পরিবারে এখন তুমুল ব্যস্ততা। এর মধ্যেই হবু বর-কনে বিপাশা বসু ও করণ সিং গ্রোভারের নানা পোজের ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করছেন বিপাশার বন্ধু ও ফিটনেস এক্সপার্ট ড্যানি পাণ্ডে। গতকাল সকালে বাঙালি মতে পুজো হওয়ার পর বিকেলে জুহুর ক্লাবে বসেছিল মেহেদি ও সংগীতের আসর। এর আগে সকালে বিপাশার বাড়িতে হয়েছে হলুদ কোটার অনুষ্ঠান। আত্মীয়, বন্ধুদের উপস্থিতিতে বিপাশা সেজেছিলেন বেবি পিংক লেহেঙ্গায়।
আজ একেবারে বাঙালি মতে হতে চলেছে বিপাশা-করণের বিয়ে। জানা গেছে, ইতিমধ্যে এক্কেবারে খাঁটি বাঙালি আচার মেনে সব হয়েছে। দধিমঙ্গল থেকে নান্দীমুখ-সব বাঙালি নিয়মই পালন করা হচ্ছে বিয়েতে। কিন্তু আজ কোন পোশাকে সাজবেন কনে তা এখনও অজানা। কেউ কেউ বলছেন, লাল টুকটুকে বেনারসী পড়বেন। আবার কোনও কোনও মহলের মতে, ভারি জরির এমব্রয়ডারি করা লেহেঙ্গায় বিয়ের আসরে হাজির হবেন কন্যা।

তাঁরা ফিরলেন

nbbuio

দুজনের মধ্যে আপাতত সবচেয়ে বড় মিলটা হলো, দুজনকেই সর্বশেষ বড় পর্দায় দেখা গিয়েছিল ২০১৩ সালে। ৪০ পেরিয়ে নিজেদের ভোকাট্টা ক্যারিয়ারটাকে আবারও উড়াল দেওয়ার চেষ্টায় ফিরে আসছেন প্রীতি জিনতা ও আমিশা প্যাটেল। দুজনই কাজ করছেন কমেডি ধাঁচের অ্যাকশন ছবি ভাইয়াজি সুপারটিহ-এ। ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ভুলভুলাইয়ার পর আর তেমন কোনো সাফল্য পাননি আমিশা। পরে তো আমিশার ক্যারিয়ারটাই চলে গেল অমানিশায়। একই বছর মুক্তি পাওয়া ঝুম বারাবার ঝুম ছিল প্রীতির সর্বশেষ বড় সাফল্য।
দুই মাস আগে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন প্রীতি। বর জিন গুডএনাফ তাঁর জীবনে শুভ কিছু নিয়ে আসবেন কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়। আমিশা অবশ্য এখনো শুভকাজ সারেননি। দুজনের ক্যারিয়ার, ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন, হতাশা—সব মিলিয়েই আমিশা ও প্রীতির মধ্যে এখন দারুণ সম্পর্ক। দুজনই দুজনকে দারুণ সাহায্য করছেন। পরিচালক নীরাজ পাঠক জানিয়েছেন, ‘ছবিতে আমিশা অভিনয় করেছেন নায়িকার চরিত্রে, প্রীতিকে দেখা যাবে ছোট্ট একটা শহরের তরুণী হিসেবে। ছবিতে দুজনের মধ্যে দ্বন্দ্ব থাকলেও পর্দার বাইরে কিন্তু দুজন দুজনকে অনেক সাহায্য করছেন। দুজনই একে অন্যের ভ্যানিটি ভ্যানে দীর্ঘ সময় কাটাচ্ছেন। এমনকি কোন দৃশ্যে কার কোন পোশাক পরা উচিত, তা নিয়েও পরামর্শ আদান-প্রদান করছেন।’
নিজেদের ক্যারিয়ারের তুঙ্গে একে অন্যের প্রতিদ্বন্দ্বীই ছিলেন। কঠিন সময়ের ভালো দিক বোধ হয় এটাই—‘শত্রু’কেও তা আপন করতে শেখায়! মুম্বাই মিরর।

কবরী পেলেন আজীবন সম্মাননা

৬৭ট

‘পুরস্কারের আরেকটি নাম হচ্ছে ভালোবাসা। পুরস্কার যখন যাঁকেই দেওয়া হোক না কেন, সেটা নিশ্চয়ই ভালোবেসেই দেওয়া হয়। তাঁর কর্মকে, তাঁকে ভালোবাসার মোড়কে মেরিল-প্রথম আলো বন্দী করেছে। আমি সবাইকে নিয়েই এটি উপভোগ করতে চাই।’ কর্মের সেই স্বীকৃতি, বাঙালির আজীবনের ভালোবাসার সেই সম্মাননা স্মারক হাতে নিয়ে গত সন্ধ্যায় কথাগুলো বললেন বাংলা চলচ্চিত্রের মিষ্টি মেয়ে কবরী। দেশের সংস্কৃতি ও বিনোদন অঙ্গনের অন্যতম প্রধান ও আকর্ষণীয় আয়োজন মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-২০১৫-এ ‘আজীবন সম্মাননা ২০১৬’ গ্রহণ করেছেন অভিনেত্রী কবরী। সম্মাননার জন্য নাম ঘোষণার পর তিনি মঞ্চে উঠে আসেন। এ সময় মিলনায়তনভর্তি দর্শক স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসন থেকে দাঁড়িয়ে তাঁকে শ্রদ্ধা জানান।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেমে আয়োজিত জমকালো এই অনুষ্ঠানের প্রথম দিকেই তাঁর হাতে সম্মাননার ক্রেস্ট ও চেক তুলে দেওয়া হয়। এ সময় মঞ্চে ছিলেন নাট্যজন সৈয়দ হাসান ইমাম, স্কয়ার টয়লেট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী ও প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান। কবরীর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দিয়ে তাঁর গলায় উত্তরীয় পরিয়ে দেন সৈয়দ হাসান ইমাম ও সম্মাননার চেক তুলে দেন অঞ্জন চৌধুরী।

কবরী বলেন, ‘আলোয় আলোয় আমরা আবার নতুন করে মুক্তি পেতে চাই। আজ একদিকে আমার পুরস্কার পাওয়ার আনন্দ, আরেক দিকে মুক্তির প্রত্যাশা। একদিকে কান্না, একদিকে ভালোবাসা। কাকে রেখে কাকে গ্রহণ করব, এ রকম একটা সময় আমরা কাটাচ্ছি। পুরস্কার পাওয়ার যে আনন্দ, সেটা সবার সঙ্গে শেয়ার করতে চাই। প্রতিবছর এই দিনে অনেক মানুষের সমাগমে আমরা নতুন করে উদ্দীপ্ত হই, আমাদের নতুন করে বাঁচার সাধ হয়। আবার নতুন করে একটা উদ্দীপনা নিয়ে এখান থেকে ফিরে যাই। যখনই রাস্তায় যাই, তখনই আবার সেই পিছুটান, আসলে কি আমরা ভালো থাকতে পারব? আমরা অবশ্যই ভালো থাকতে পারব, যদি সবার সম্মিলিত চেষ্টা থাকে। জীবন কিন্তু একটা যুদ্ধক্ষেত্র। এই যুদ্ধক্ষেত্রে কিন্তু আমরা পরাজয় বরণ করতে রাজি নই। আমি যেমন সেই ছোটবেলা থেকে এ পর্যন্ত আসতে পেরেছি, আমি আশা করি, আমার মতো অনেকেই এ পর্যন্ত এসেছেন, আমার চেয়ে অনেক ভালো কাজ করেছেন এবং আগামীতেও আসবেন। এই প্রত্যাশা রেখেই আমি আমার ভালোবাসা সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিলাম।’

আনন্দ–গানে ভরা তারকাসন্ধ্যা

ুডটৃু

গান, নাচ তো ছিলই, আর ছিল দুটি অবুঝ মনের সবুজ ভালোবাসার ছবি। আর হ্যাঁ, পুরস্কার বিতরণী, সে তো থাকবেই। মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার-২০১৫ অনুষ্ঠানটি আনন্দঘন হয়ে উঠেছিল সব মিলিয়ে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেমে দেশের বিনোদন ও সংস্কৃতিক্ষেত্রের অন্যতম প্রধান এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হলো।
শুরুতেই সঞ্চালক প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আনিসুল হক শ্রোতাদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, দর্শক-শ্রোতাদের ভোট ও সমালোচকদের রায়ে ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। এটি ছিল মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের ১৮তম আয়োজন। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, ‘আপনাদের উষ্ণ সম্ভাষণ জানাই। যদিও প্রকৃতির এখন যে উষ্ণতা, তা দুঃসহ হয়ে উঠছে। চারপাশে হত্যা, গুম, সন্ত্রাসের ঘটনা আমাদের ভাবিত করে তুলেছে কীভাবে এর পরিবর্তন করতে পারি।’ তিনি বলেন, ‘এই বৈরী পরিবেশ কাটিয়ে উঠতে সবাইকে হাতে হাত, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। যে অন্ধকার চারপাশে ঘনিয়ে আসছে, শিল্প-সংস্কৃতির আলো জ্বালিয়ে সেই অন্ধকারকে দূর করতে হবে। আমরা সেই চেষ্টা করছি। প্রথম আলোর ওপরে নানা রকম চাপ আছে। কিন্তু চাপে নত না হয়ে আমরা সৎ, স্বাধীন সাংবাদিকতা অব্যাহত রাখতে চাই।’
স্কয়ার টয়লেট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী বলেন, মিডিয়ার প্রসার ঘটায় দেশের শিল্পীদের কাজের ক্ষেত্র বেড়েছে। তাঁরা কে কেমন করছেন, সারা বিশ্বের কাছে তা পৌঁছে যাচ্ছে। শিল্পীদের কাজের স্বীকৃতি ও অনুপ্রেরণা দিতে এই পুরস্কারের আয়োজন করা হয়েছে। এই পুরস্কার অব্যাহত থাকবে।
গতকাল ছিল আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস। তাই মূল অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে ছিল দেশের তিন বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী শর্মিলা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুনমুন আহমেদ ও তামান্না রহমানের দল নৃত্য নন্দন, রেওয়াজ পারফর্মিং স্কুল, নৃত্যম নৃত্যশীলনের শিল্পীদের পরিবেশনায় মণিপুরি, ওডিশি ও কত্থক নৃত্য। তাদের সমবেত আয়োজনটি শেষ হয় ‘আমার মুক্তি আলোয় আলোয়’ গানের সঙ্গে অপরূপ সমবেত নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে।
এরপর আজীবন সম্মাননা। এবার এই সম্মাননা পান অভিনেত্রী কবরী। তাঁর হাতে সম্মাননা পদক, চেক ও উত্তরীয় পরিয়ে দেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম।
মঞ্চের বিশাল এলইডি পর্দায় শুরু হলো একটি চলচ্চিত্র—অবুঝ মনের সবুজ ভালোবাসা। চৌধুরী সাহেব (শহীদুল আলম সাচ্চু) হুংকার দিচ্ছেন তাঁর আভিজাত্যের গৌরব নিয়ে। আর ওদিকে মঞ্চে তাঁর মেয়ে রেশমীর (নূসরাত ফারিয়া) গায়েহলুদের আয়োজন চলছে। ‘লীলাবালি লীলাবালি’ গানের সঙ্গে চিরায়ত বিয়ে উৎসবের নাচ। নাচ যখন প্রায় শেষ, তখন পেছনের এলইডি পর্দায় দেখা যায় লাল মোটরসাইকেল হাঁকিয়ে আসছেন রেশমীর প্রেমিক রাজ (আরিফিন শুভ)। মুঠোফোনের বোতাম চেপে কানে নিলেন তিনি। রিং বেজে উঠল মঞ্চে গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে বসা রেশমীর মুঠোফোনে। কথোপকথনে প্রেমিকের কাছে পালিয়ে যাওয়ার আহ্বান পেয়ে গায়েহলুদের অনুষ্ঠান থেকে লুকিয়ে বেরিয়ে গেলেন রেশমী। তারপর তাঁর বাবার মঞ্চে আগমন। সঙ্গে পিএস (আফজাল শরীফ)। তাঁরা কন্যা অপহরণের অভিযোগ করলেন থানায়। দ্রুত নির্দেশ দিলেন মেয়েকে উদ্ধার ও অপহরণকারীকে গ্রেপ্তারের। এসপি (মৌসুমী হামিদ) সহকর্মীদের (মাজনুন মিজান ও সাঈদ বাবু) নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসলেন। যে করেই হোক চৌধুরীর মেয়েকে উদ্ধার করতেই হবে তাঁদের। গোপন সংবাদে জানা গেল মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আসতে পারেন রাজ। সিদ্ধান্ত হলো অপহরণকারীকে ধরার জন্য জেমস বন্ডকে নিয়ে আসার। ওদিকে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের উপস্থাপক নেই। জেমস বন্ডরূপী তাহসানকে অনুষ্ঠান উপস্থাপনার অনুরোধ করা হলো।
একদিকে চৌধুরীর মেয়ে আর তাঁর প্রেমিককে খুঁজে বের করা, অন্যদিকে বিভিন্ন বিভাগের পুরস্কার বিতরণের ফাঁকে ফাঁকে এগিয়ে চলে রাজ-রেশমীর বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় পালিয়ে বেড়ানো। এই জুটি উপস্থিত হয় চট্টগ্রামে। সেখানে পূর্ণিমা-নোবেল ও ইগল ডান্স গ্রুপের শিল্পীদের নৃত্য পরিবেশনায় চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গান ‘কইলজার ভিতর গাঁথি রাইগগুম তোয়ারে/ মধু খই খই বিষ খাওয়াইলা’। এরপর তাঁরা পালিয়ে যান সিলেট। সেখানে ফেরদৌস ও মিম এবং নৃত্যভূমের শিল্পীদের নৃত্য পরিবেশনায় হাসন রাজার গান ‘সোনা বন্দে আমারে দিওয়ানা বানাইলো’। সিলেট থেকে কুষ্টিয়া। সেখানে ‘মিলন হবে কত দিনে’ গানটি সহশিল্পীদের নিয়ে পরিবেশন করেন সালমা ও পুলক। শেষে রংপুর। ‘আজি ভাল করিয়া বাজানরে দোতারা’ গানের সঙ্গে সজল, মেহ্জাবীন, তানজিন তিশা ও সাবিলা নূরের নৃত্য।
এর ফাঁকে মঞ্চে অনুসন্ধান কাজে জেমস বন্ড মঞ্চ ছেড়ে গেলে সাজু খাদেম আসেন মঞ্চে সঞ্চালকের দায়িত্ব নিয়ে। তিনি ডেকে নেন জাহিদ হাসান, মোশাররফ করিম ও মীর সাব্বিরকে। তাঁদের সরস কথোপকথনে হাসিতে ফেটে পড়ে পুরো মিলনায়তন। শেষে মঞ্চে সেই লাল মোটরসাইকেলযোগে দুই প্রেমিকের উপস্থিতি। নানা ঘটনার ভেতর দিয়ে মধুরেণ সমাপয়েৎ।

কাল বিপাশার বিয়ে

cth

বলিউডের অভিনেত্রী বিপাশা বসু আগামীকাল ৩০ এপ্রিল বসছেন বিয়ের পিঁড়িতে। গতকাল থেকে শুরু হয়েছে তাঁর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। বাঙালি রীতিতে বিয়ের সব তত্ত্ব সাজিয়ে দিনের শুরুতেই হয়েছে পূজা। এরপর সন্ধ্যায় সংগীত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বিপাশার মুম্বাইয়ের বাড়িতে।
দীর্ঘদিন প্রেমের পর বিপাশা বসু বিয়ে করছেন তাঁর অ্যালোন ছবির সহ-অভিনেতা করণ সিং গ্রোভারকে। বিপাশার বন্ধু ফিটনেস ট্রেইনার ডিয়ানা পান্ডে গতকাল ইনস্টাগ্রামের একটি ছবি দিয়ে জানান দেন বিপাশার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর।
আজ হবে বিপাশা-করণের মেহেদি অনুষ্ঠান। আগামীকাল বাঙালি রীতিতে উলুধ্বনি ও শাঁখ বাজিয়ে হবে বিয়ে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

সবার আগে নাচ

vgc

নাচ তো জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে

অপি করিম
নাচ সব সময়ই আমার কাছে অভিনয়ের আগে। নাচ শিখেছি সেই ছোটবেলায়। নাচ তো জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। তবে এখন নিয়মিত নাচ করা হয় না। খুব মিস করি। যে জিনিসটা বেশি মিস করা হয়, সেটাই কিন্তু একজন মানুষের হৃদয়ের কাছাকাছি থাকে। আমার ক্ষেত্রে তাই নাচটা থাকে হৃদয়ের কাছাকাছি। নাচের শিক্ষা আমার অভিনয়জীবনকে সহজ করেছে অনেক। আগে বুঝতাম না। যখন মঞ্চে অভিনয় শুরু করলাম, তখনই বুঝতে পারলাম অভিনয়কে এগিয়ে দিতে নাচটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। নাটকের দৃশ্যে যখন সংলাপ থাকে না, শুধু অভিব্যক্তি থাকে, তখন নাচের অভিজ্ঞতাটা কিন্তু অনেক সাহায্য করে।

অভিব্যক্তি প্রকাশ সহজ হয় নাচের কারণে
বিজরী বরকতউল্লাহ
একটা কথা আছে, ‘ড্যান্স ইজ দ্য মাদার অব অল আর্টস’। বুঝতেই পারছেন, নাচ শিল্পের অনেক শাখার জননী। আমার সৌভাগ্য যে আমি নাচটা ছোটবেলা থেকেই শিখেছি ও করেছি। কিন্তু অনেক দিন ধরে নাচ থেকে দূরে আছি। তবে একটা ব্যাপার হলো, আমি নাচ থেকে অভিনয়ে এসেছি, এমন নয়। অভিনয়ে হুট করেই আসা। তবে অভিনয়ের ক্ষেত্রে নাচ আমাকে অনেক বেশি সাহায্য করেছে। নাচ তো মঞ্চে পরিবেশন করতে হয়। অভিনয়ের বেলায় মঞ্চে পরিবেশন করার ওই সাহসটুকু কাজে লাগে। একই সঙ্গে অভিনয়ের বেলায় অভিব্যক্তি প্রকাশ সহজ হয় নাচ জানার কারণেই।

আমি একজন নৃত্যশিল্পী
চাঁদনী
আমার প্রথম পরিচয়—আমি একজন নৃত্যশিল্পী। আর নাচ করতে গিয়ে যেটা বুঝেছি তা হলো, এই শিল্পে ভাবটা আসল। ভাব বা এক্সপ্রেশন দিয়েই বোঝাতে হয় আপনি কী ধরনের নাচ করছেন। যাঁরা অভিনয় করেন, তাঁদের জন্যও এটা খুব দরকারি। ভাব প্রকাশের কৌশলটা রপ্ত করা গেলে অভিনয়টাও সহজ হয়ে যায়। নাচের ভেতরেই অনেক কথা বলা হয়ে যায়। তাই নাচ থেকে অনেকেই অভিনয়ে এসেছেন। আর একজন অভিনয়শিল্পীকে অভিনয়ের বেলায় সবই করতে হয়। নাচের অভিনয়ও তো করতে হয়। তাই আমি বলব, নাচ জেনে অভিনয়ে এলে চলার পথটা অনেক বেশি সহজ হয়, যা আমার ক্ষেত্রে ঘটেছে।

অভিনয়জীবনে নাচের বড় ভূমিকা রয়েছে
নাদিয়া
নিজেকে নৃত্যশিল্পী হিসেবে পরিচয় দিতেই সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। এরপর আমি অভিনয়শিল্পী। কারণ, আমার বেড়ে ওঠার পুরোটা সময়ই নাচ আমার সঙ্গী ছিল। স্কুলে ভর্তি হওয়ার আগেই নাচ শিখতে শুরু করি। জীবনের অনেক সেরা অর্জনই আমি নাচ থেকে পেয়েছি। আবার আমার অভিনয়জীবনেও নাচের বড় ভূমিকা রয়েছে। একজন নৃত্যশিল্পীর জন্য অভিনয়টা অনেকখানি সহজ হয়। ক্যামেরার সামনে অভিনয়ের জড়তা কাটাতে সাহায্য করে। নাচের শরীরী ভাষা অভিনয়ের সময় অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তোলাকে সহজ করে।
গ্রন্থনা: শফিক আল মামুন ও হাবিবুল্লাহ সিদ্দিক

স্মৃতিশক্তি বাড়াতে চান? শুধু সুগন্ধ শুঁকলেই চলবে

cvtf

৬৫ বছরের বেশি বয়সী ১৫০ জন মানুষের ওপর রোজমেরি আর ল্যাভেন্ডার তেলের সুগন্ধের প্রভাব পরীক্ষা করে ইতিবাচক ফল লাভ করেছেন গবেষকরা। বয়সের কারণে স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। সম্প্রতি একটি গবেষণা থেকে জানা গেছে, গন্ধ শুঁকেই স্মৃতিশক্তিজনিত সেই সমস্যার সমাধান সম্ভব।

ইংল্যান্ডের নর্দাম্ব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের একটি দল এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। তাঁদের গবেষণা কেন্দ্রীভূত ছিল যা ঘটতে চলেছে আর নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট কাজ শেষ করার দায়িত্বসংক্রান্ত স্মৃতির বিষয়ে।

গবেষকরা সমীক্ষা চালিয়ে দেখেছেন, রোজমেরি আর ল্যাভেন্ডারের তেলের সু‌গন্ধ আঘ্রাণে বেড়ে যায় বয়স্ক মানুষদের স্মৃতিশক্তি। ৬৫ বছরের বেশি বয়সী ১৫০ জন মানুষের ওপর রোজমেরি আর ল্যাভেন্ডার তেলের সুগন্ধের প্রভাব পরীক্ষা করে ইতিবাচক ফল লাভ করেছেন তাঁরা। তবে স্মৃতির ওপর এই জাতীয় সুগন্ধের প্রভাব কতটা স্থায়ী হবে সেই বিষয়ে এখনও কোনো নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেননি গবেষকরা।

শিক্ষা অর্জনকে আরো সহজ করতে পারে ফেসবুক

gyf

ফেসবুক কেবল বন্ধুদের সঙ্গেই যোগাযোগ ঘটায় তা নয়, এটা শিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখে বলে নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে। আর এ জন্যে বিশেষজ্ঞরা ফেসবুকে অনলাইন কোর্স চালু করতে ডেভেলপারদের প্রতি আহ্ববান জানিয়েছেন। এতে করে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখায় আরো আগ্রহী হবেন।

পেনসিলভেনিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির সাবেক ডক্টোরাল সাইজিং ঝেং জানান, বর্তমানের ওপেন কোর্স প্লাটফর্ম শিক্ষার্থীদের একত্রীভূত করতে পারেনি। শিক্ষার্থীদের মাঝে যোগাযোগ সৃষ্টিও হয়নি। তা ছাড়া শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ অন্তত্য জরুরি বিষয়। এ কাজগুলো সুষ্ঠুভাবে করতে ভূমিকা রাখতে পারে সোশাল মিডিয়া।

যারা ওপেন কোর্সের শিক্ষার্থীদের প্রায় সবই সোশাল মিডিয়ায় দারুণভাবে যুক্ত থাকেন। কাজেই এই প্লাটফর্মেই তারা শিক্ষা অর্জনে বেশি আগ্রহী হবেন।

মাইক্রোসফটের গবেষক ও বিজ্ঞানী ঝেং আরো জানান, ওপেন কোর্সকে আরো জনপ্রিয় করা যায় সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে। ফেসবুকে গ্রুপের মাধ্যমে কাজটি আরো বেশি উপভোগ্য হত পারে। বিশেষ করে ফেসবুক অনেকেই ভুয়া নামে অ্যাকাউন্ট খুলে থাকেন। শিক্ষার্থীরা তাদের আসল নামে গ্রুপ খুলে শিক্ষার উপাদানগুলো আদান-প্রদান করলে তাদের বিশেষ কমিউনিটি গড়ে উঠতে পারে। এ ছাড়া আরো বেশি শিক্ষকদের কাছাকাছি হতে পারেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের গ্রুপের সদস্যরা দেখা করেও লেখাপড়ার করতে পারেন।

ফেসবুকের কমেন্ট, পোস্ট বা মেসেজিং ব্যবস্থা তাদের যাবতীয় কার্যক্রমকে আরো সহজ ও স্বাবলীল করতে সক্ষম।

এ গবেষণাপত্রটি ব্রিটেনের ইউনিভার্সিটি অব এডিনবার্গের এসিএম কনফারেন্সে তুলে ধরা হয়। সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস