আজব হলেও গুজব নয়,,,ছাগলের পেটে মানুষের মত বাচ্চা (ভিডিওসহ দেখুন)

মুনিয়ার ছেলে হয়েছে। কিন্তু এ কেমন ছেলে! চোখ-মুখ কিছুই তো মুনিয়া বা অন্য ছাগলের মতো নয়! জিভটা তো একেবারে মানুষের মতো! দুই চোখ একসঙ্গে নাকের জায়গায়! এমনই এক ছাগ-শিশু নিয়ে তোলপাড় ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগোনার সুবিবপুর গ্রাম। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসছেন সুবিবপুরে। দেখতে আসছেন আবদার আলি মোল্লার বাড়িতে জন্ম নেওয়া ছাগল ছানাটিকে। চাষাবাদের পাশাপাশি বাড়তি রোজগারের জন্য ছাগল পোষেন আবদার আলি

একটি ছাগলের নাম রেখেছিলেন মুনিয়া। সেই মুনিয়াই মা হয়ে অবাক করে দিয়েছে সবাইকে। রবিবার দুপুরে মুনিয়া বাচ্চা প্রসব করলে দেখা যায় অদ্ভুত আকৃতির এক পুরুষ বাচ্চার জন্ম দিয়েছে সে। নাক নেই, মানুষের মত জিভ, দু’চোখ একসঙ্গে নাকের জায়গায়। তবে দিব্যি সুস্থ। মুহূর্তে মুখে মুখে খবর ছড়িয়ে পড়ে। আশেপাশের তালপুকুর, কুমোরডাঙ্গা, মাথাগাছা-সহ বিভিন্ন গ্রাম থেকে মুনিয়ার ছেলেকে দেখতে ভিড় উপচে পড়ে। ইতিমধ্যেই অদ্ভুত আকৃতির ছাগ-শিশুটি কেনার জন্য একাধিক প্রস্তাব এলেও তা ফিরিয়ে দিয়েছেন আবদার আলি। তবে ছাগলছানাটি শেষ পর্যন্ত বাঁচে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকে।

প্রবাসী স্বামী ও বাচ্চা রেখে পালিয়ে বিয়ে..অবশেষে প্রেমিকের সাথে যে ভিডিও আপলোড করলো ফেসবুকে ! (ভিডিওসহ দেখুন)

মিম নামের এই প্রবাশীর স্ত্রী…দুধের বাচ্ছা ফেলে পরকীয়ার টানে প্রমিকের সাথে পালিয়ে যে ভিডিও প্রকাশ করল ( ভিডিওসহ দেখুন)

সুন্দরিদের গোপন ভিডিও করে ভয় দেখিয়ে সেক্স করার চেষ্টা চলছে কিভাবে ! (ভিডিওসহ দেখুন)

সুন্দরিদের গোপন ভিডিও করে ভয় দেখিয়ে সেক্স করার চেষ্টা চলছে কিভাবে ! (ভিডিওসহ দেখুন)

১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে বিছানায় টিভি অভিনেত্রীরা (দেখুন ভিডিওসহ)

দেশের বিভিন্ন স্থানে মধুচক্র ফাঁসের বিষয়টি নতুন নয়। কিন্তু এ ধরনের কিছু কিছু ঘটনা ঘটে যেখানে মধুচক্রে জড়িত থাকেন হাই প্রোফাইলরা। এমনই একটি মধুচক্র ধরা পড়েছে মুম্বইয়ের আন্ধেরিতে। পুলিশের হানায় ফাঁস হয়েছে একটি হাইপ্রোফাইল মধুচক্র।
আন্ধেরির আম্বোলিতে এই মধুচক্র চলত। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হানা দেয় মুম্বই পুলিশের স্পেশ্যাল ব্র্যাঞ্চ। পুলিশের হানায় যে সব মহিলা ধরা পড়েছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন এক নামী টেলিভিশন অভিনেত্রীও।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই অভিনেত্রী বেশ কয়েকটি টিভি সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন। আন্ধেরিরএকটি হোটেলে ওই মধুচক্রের হদিশ মেলে। এই চক্রটিকে হাতেনাতে ধরতে ফাঁদ পাতে পুলিশ।

পুলিশ রাজ সিংহ নামের এক এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে। ক্রেতার ছদ্মবেশে পুলিশের এক আধিকারিক রাজের কাছে যান। রাজ তাঁকে বেশ কয়েকজন মহিলার ছবি দেখায়।

তখনই পুলিশ অফিসার ওই টিভি অভিনেত্রীকে চিনতে পারেন। ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে রফা হয়। পুলিশ আগেভাগেই হোটেলে ফাঁদ পেতে রেখেছিল। এজেন্ট রাজ যখন ওই অভিনেত্রীকে নিয়ে হোটেলে পৌঁছয় সঙ্গে সঙ্গেই তাদের গ্রেফতার করা

হয়। একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, পুলিশ রাজের কাছ থেকে অর্থ ও মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে। অভিনেত্রী ও আরও এক মহিলাকে সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে।

যে গোপন ভিডিও নিয়ে বিব্রত মেহজাবিন! (ভিডিওসহ) দেখুন

যে গোপন ভিডিও নিয়ে বিব্রত মেহজাবিন সেটি দেখুন খবরের শেষে।
তার আগে জেনে নিন লাক্স সুন্দরী মেহজাবিন ফের বিব্রত হয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে মেহজাবিনকে জড়িয়ে উঠতি মডেল ফারিয়া শবনম ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য ছুড়েছে।

এ নিয়ে মেহজাবিন ও ফারিয়ার মধ্যে ফেসবুকে বাকবিতন্ডা হয়। তাদের এ দ্বন্দ্ব নিয়ে অনেকে নানা ধরনের পোস্ট শেয়ার করেছেন ফেসবুকে। এ বিষয়ে মেহজাবিন বলেন, ‘মডেল ফারিয়া শবনম আমাকে নিয়ে আপত্তিজনক স্ট্যাটাস দিয়েছেন ফেসবুকে। কেন দিয়েছেন তা আমি জানি না। তার সঙ্গে আমার তেমন কোনো পরিচয়ও নেই। কার প্ররোচনায় তিনি এ ধরনের কাজ করেছেন সেটা আমার বোধগম্য নয়। এ ঘটনায় আমি দারুণ বিব্রত হচ্ছি।’

মেহজাবিন আরও বলেন, “গতকাল ফারিয়া এ বিষয়টি নিয়ে ‘সরি’ বলে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। আমিও তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি।” শবনম ফারিয়া লাক্স সুন্দরী মেহজাবিনকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে মিডিয়ায় আলোচনায় আসতে এ ধরনের কাজ করেছেন বলে ধারণা করছেন মিডিয়াকর্মীরা।

নারীর পিঠ সামান্য খুলা রাখে কেন ?? এবং নারীর কোন জিনিসগুলো পুরুষদের পাগল করে দেয়?? (বিস্তারিত দেখুন এবং জানুন)

নারির রূপের পূজারি পুরুষ। প্রতিটি পুরুষই চায় তার সঙ্গী অবশ্যয় স্মার্ট এবং আকর্ষণী হতে হবে এবং তাকে আকৃষ্ট করতে হবে। আর নারীর কিছু আলাদা গুন আছে যা একজন পুরুষকে তার দিকে আকৃষ্ট করার জন্য যথেষ্ট। চলুন জানা যাক কি সেই সব গুন।

১. লম্বা পাঃ বেশিরভাগ পুরুষ সুঠাম লম্বা পা এর নারীকে সুন্দরী নারী মনে করে। সম্প্রতি টুইটারে চালানো জরিপে এই ফলাফল পাওয়া গেছে।
২. হাই হিলঃ নারীর হাই-হিল পুরুষের জন্য আরো একটি অবসেশ্যান।পুরুষ নারীর সুন্দর পা তথা সুন্দর জুতা যুক্ত পা পছন্দ করে।
৩. শক্তিশালী ধর্মীয় বিশ্বাসঃ নারী কতটা ধার্মিক তার ছেয়ে সে ধর্মিয় অনুভুতি সম্পর্কে কতটা আস্থাশীল তার উপর একজন পুরুষের ওই নারীর প্রতি ভালোগার মাত্রা নির্ভর করে।

৪. সুগন্ধীঃ নারীর শরীরের মিষ্টি সুগন্ধ পুরুষের আকৃষ্টতায় নেশা ধরায়। এটি বাধ্যতামুলন নয় যে নারীকে কোন একটি পারফিউম ব্যবহার করতে হবে; নারীর শরীরে প্রাকৃতিক ভাবে যে গন্ধ থাকে তা পুরুষ বধে একধরনের প্রাকৃতিক অস্ত্র।
৫. আত্মবিশ্বাসঃ পুরুষকে আকৃষ্ট করতে নারীর আত্মবিশ্বাসের বিকল্প নেই। যে নারী তার সৌন্দর্য্য এবং ব্যাক্তিত্ব নিয়ে আত্মবিশ্বাসী পুরুষ তাকে ততটা বেশি পছন্দ করে।

৬. হাস্যজ্জলতাঃ সদা হাস্যজ্জল নারীকে পুরুষের পছন্দের শীর্ষে রাখে। ঘোমরামুখো নারী পুরুষের প্রধান অপছন্দ।
৭. সামান্য পিঠ উলঙ্গঃ শুনতে বিশ্রী শুনাচ্ছে? আসলে পুরুষ নারীর পিঠ সামান্য খোলা অবস্থায় দেখতে পছন্দ করে। তবে অবশ্যই কাপড় থাকতে হবে পিঠের কটি হাড্ডির উপর পর্যন্ত। (উল্লেখ্য – বাংলাদেশের সংস্কৃতি এবং ধর্মীয় বিশ্বাসে এটি অবশ্যই অমার্জনীয় অপরাধ)

৮. স্বামীর নাম ধরে ডাকাঃ অনেক পুরুষ তাদের স্ত্রীর মুখে তাদের নাম শুনতে চান। বিশেষ করে স্বামী-স্ত্রী একা থাকলে স্বামীর কানে ফিসফিস করে তার নাম উচ্চারন করে কথা বলা অনেক পুরুষের জন্য আনন্দদায়ক বিষয়।
৯. বক্রাকার কোমরঃ পুরুষ নারীর কোমরের খাঁজ তথা কার্ভ দেখতে পছন্দ করে। নিতম্ব শরীরের সাথে মানানসই হওয়া সৌন্দর্য্যের অন্যতম একটি আনুষাঙ্গিকতা।
১০. পরিপাটি জামা-কাপড়ঃ পুরুষ নারীর পরিপাটি সাজের আশিক।

জিবনে ওনেক ভিডিও দেখেছেন দয়াকরে এই ভিডিওটি দেখুন একবার আর বিশেষ করে মেয়েদেরকে বলছি! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হবেন

মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হবেন। মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হবেন। মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হব।

মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হবেন।মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হবেন।মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হবেন। মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হবেন। মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হব।

দৌলতদিয়া যৌনপল্লির অধিকাংশই নাবালিকা, বাধ্য করা হচ্ছে গ্রুপ পার্টিতে (ভিডিওতে দেখুন)

বাংলাদেশের দৌলতদিয়া যৌনপল্লি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রচার করেছে মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেল-ভাইস নিউজ। আর তাতে উঠে এসেছে ভয়াবহ চিত্র। যৌনপল্লির অধিকাংশের বয়স ১৮ বছরের নীচে। এমনকি ১০ বছরের শিশুকেও যৌনব্যবসায় বাধ্য করা হচ্ছে। এসব শিশুদের হয় অপহরণ অথবা চাকরির কথা বলে এই পল্লিতে বিক্রি করা হয়। আর এই শিশুদের সঙ্গে গ্রুপ সেক্স করে মানুষ নামের একদল বিকৃত রুচির যৌন নিপীড়ক। ইয়াবা আর মদের ‘কিটি পার্টি’তে তাদের ওপর চলে যৌন নির্যাতন।
মর্কিন টেলিভিশন চ্যানেলটি তাদের ভিডিও প্রতিবেদন প্রচার করে গত ফেব্রুয়ারিতে। আর তা ইউটিউবে আপ করার পর এখন এ নিয়ে চলছে তোলপাড়। এরইমধ্যে ইউটিউবে ১২ লাখেরও বেশি ভিডিওটি সাবসক্রাইব হয়েছে। আর তাতে শনিবার পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১ হাজার ১শ ৮জন মন্তব্য করেছেন। আর তাদের মন্তব্যে বাংলাদেশের দৌলতদিয়া যৌনপল্লির এই নির্মম ও ভয়াবহ চিত্রে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে।
প্রতিবেদনে এক শিশু যৌনকর্মী(১৪) জানান, কিভাবে তাকে জোর করে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে। এখন যে ফিরে যেতে চাইলেও আর পরছে না। তার ফিরে যাওয়ার আর কোন সুযোগ নাই। আরো একজন শিশু যৌনকর্মী জানান, খদ্দেররা তাদের ওপর শারীরীক নির্যাতন চালায়। কখনো কখনো ১০ থেকে ১২ জন নরপশু একসঙ্গে এসে এই যৌন নির্যাতন চালায়। তাদের করার কিছুই থাকে না।
যৌনপল্লির সর্দারনী স্বীকার করেন, অল্প বয়স্ক কন্যা শিশুদের এনে ওষুধ খাইয়ে মোটা করা হয়। তাদের যৌন ব্যবসার উপযোগী করা হয়। আর এসব ওষুধ সেখানেই কিনতে পাওয়া যায়।
একজন দালাল জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রধানত চাকররি লোভ দেখিয়ে অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েদের যৌন পল্লিতে এনে বিক্রি করে দেয় তারা। তাদের ২০ থেকে ৩০ হাজার ঢাকায় বিক্রি করা হয়। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার তৈরি পোশাক কারখানায় টার্গেট করে এইসব শিশুদের তারা ফাঁদে ফেলে। আবার কখনো অপহরণ করে নিয়ে আসে।
দৌলতদিয়া যৌনপল্লির একজন খদ্দের শিকার করেন যে, তিনি ১০ বছর বয়সের শিশুদের ঘরেও গিয়েছেন। তার শিশুদেরই পছন্দ। সে যাদের ঘরে যায় তাদের সবার বয়স ১০ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে। তার শিশুদের সঙ্গে এই আচরণ করতে খারাপ লাগে কীনা প্রশ্নের জবাবে সে জানায়,‘ খারাপ লাগে না, ভাল লাগে ’ এজন্য তার কোন অনুশোচনাও নেই।
খদ্দের নামের এই যৌনবিকৃত মানুষেরা শিশুদের নিয়ে গ্রুপ সেক্স করে। তাদের ব্যবহার করে ‘কিটি পার্টিতে’। কিটি পার্টি হল মদ আর ইয়াবা সেবনের বিকৃত যৌন আসর। সেখানে শিশুদেরও এই কাজে বাধ্য করা হয়। মদ ও ইয়াবা সেবন করে নরপশুরা তাদের ওপর চালায় যৌন নির্যাতন।
সীমা নামের এক যৌনকর্মী জানান, তাঁকে ১৪ বছর বয়স থেকে এই পল্লিতে যৌন ব্যবসায় নামন হয় জোর করে। তাকে কৌশলে দালালরা এখানে নিয়ে আসে। সে এখন তাঁর পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন। তাঁর পরিবারের সদস্যরাও জানে না সে কেথায় আছে। একটি সংসার, পরিবার আর বাবা-মা’র জন্য সে এখন কাঁদছে। কিন্তু তারা কান্না কেউ শোনে না।
রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দ থানা এলাকায় দৌলতদিয়া যৌনপল্লির অবস্থান।
স্থানীয় একজন সাংবাদিক প্রিয়. কমকে জানান, এই পল্লিতে নিবন্ধিত যৌনকর্মীর সংখ্যা দুই হাজারের বেশি না। তবে বাস্তবে আছে সাড়ে চার হাজারের মত। অনিবন্ধিত দুই হাজারেরও বেশি যৌনকর্মীর অধিকাংশই শিশু। তাদের বয়স ১০ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে। যৌনকর্মী হিসেবে নিবন্ধ নিতে বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হয়। আর কেউ এই পেশা বেছে নিলে তা আদালতে গিয়ে নিজেকে ঘোষণা করতে হয়। ওই সাংবাদিক জানান , দৌলতদিয়া যৌনপল্লি থেকে মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। তারাই সব সামাল দেন। পুলিশ প্রশাসন-সব কিছু।
গোয়ালন্দ থানার ওসি নাসিরুল্লাহ প্রিয়.কমকে বলেন,‘আমরা এধরণের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেই।’
তিনি জানান, ‘চার মাস আগে পুলিশ ২১ জনকে উদ্ধার করেছে যাদের জোর করে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন ব্যবসায় নিয়োজিত করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ১৩ জনই ছিল অপ্রাপ্ত বয়স্ক।’ তবে যারা তাদের জোর করে এই কাজে বাধ্য করেছেন সেই দালালদের আটক করা যায়নি।
ওসি স্বীকার করেন দালালরা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েদের অপহরণ অথবা প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে এসে দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেয়। তিনি জানান, ‘গত মাসে তারা ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া একটি মেয়েকে উদ্ধার করেছেন যাকে ফরিদপুর থেকে জোর করে এনে এখানে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছিল। নরপশুরা তাঁকে অপহরণের পর প্রথমে ধর্ষণ করে। তারপর বিক্রি করে দেয়।’ কিন্তু মেয়েটি উদ্ধার হলেও অপরাধীরা আটক হয়নি।
তবে ওসির দাবী চারমাস আগে তিনি এই থানায় যোদানের পর থেকে এধরণের ঘটনা কমে এসেছে।

অল্পবয়সী তরুনীকে বিয়ে করার জ্বালা যেভাবে মেটাচ্ছেন ৭০ বছর বয়সী মুরুব্বী! (দেখুন ভিডিওতে)

বয়সে সব কিছু মানায় না। অনেক পুরুষ মানিয়ে নিতে চেষ্টা করেন, কিন্তু পরিবেশ পরিস্থিতি সব যেন বেমানান করে তোলে। তেমনি একজন, বউ ছেলে মেয়ের অনুপস্থিতিতে নিজের একাকীত্ব দূর করতে ৭০ বছরে কাউকে না জানিয়ে ঘরে তোলেন ১৬ বছরের তরুণীকে। সুখেই যাচ্ছিলো তাদের সংসার। কিন্তু কিছু দিন যেতেই আর বুড়ো মিয়াকে ভালো লাগছেনা টিনেজ কন্যার। সে…

ধর্মমতে যৌন মিলন দীর্ঘস্থায়ী করবেন যেভাবে! (শুধুমাত্র বিবাহিতদের জন্য)(সরাসরি ভিডিওতে দেখুন)

পৃথিবীতে অধিকাংশ দম্পতিই কোনও না কোনও এক সময় এই অভিযোগটা করেন! যে বিয়ের কিছু বছর পরেই পরস্পরের প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে যায়। বিশেষ করে স্বামীরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন স্ত্রীদের প্রতি। আবার স্ত্রীরাও আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন স্বামীর প্রতি। আর ফলাফল হয় পরকীয়া! সংসার ভাঙুক বা না ভাঙুক, সম্পর্ক ঠিকই ভাঙে। কিন্তু কখনো কি ভেবেছেন এমন কেন হয়? দুটো মানুষ পরস্পরকে খুব ভালোবেসে বিয়ে করলেও কেন হারিয়ে যায় আকর্ষণ? জবাব মিলবে এখানে–

ত্বকের যত্ন নিন:

সবচাইতে বড় যে ভুলটি করেন বেশিরভাগ মানুষ, সেটা হলো বিয়ের পর নিজেকে আর আগের মত যত্ন না করা। নিজেকে সাজানো, নিজের সৌন্দর্য রক্ষা করা, শরীর সুগঠিত রাখা ইত্যাদি কাজগুলো করেন না। সময়ের সাথে সাথে জীবন থেকে হারিয়ে যায় নিজেকে সুন্দর দেখাবার প্রয়াস। স্বভাবতই সঙ্গীর চোখেও আপনি হয়ে পড়তে থাকেন সাদামাটা। অনেক ক্ষেত্রে কুৎসিতও!

রোম্যান্টিসিজম প্র্যাকটিস করুন:

বিয়ে হয়ে গেলো মানেই ফুরিয়ে গেছে সব? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাই হয়। কেবল দুজনে কোথাও বেড়াতে যাওয়া, একটা রোম্যান্টিক ডেট, রোম্যান্টিক মেসেজ চালাচালি এসব যেন কোথায় হারিয়ে যায়। এমনকি যৌন জীবনটাও হয়ে পড়ে একদম একঘেয়ে। অনেকেই মনে করেন, বিয়ে তো হয়েই গেছে! এখন আর এসব করে কী লাভ? আরে, বিয়ের পরই তো এসবের বেশী প্রয়োজন। রোমান্টিকতার চর্চা করুন মানসিক ও শারীরিক ভাবে। প্রেম ও যৌনতার দুনিয়া, দুটোকেই ভরিয়ে রাখুন নতুনত্বে।

সম্পর্ককে সময় না দেওয়া:

খুব ব্যস্ত আপনারা দুজন? একসঙ্গে বসে এক কাপ চা খাবার, একটু নিরিবিলি কথা বলার অবসর মেলে না? সবসময়েই আশেপাশে থাকে কেউ না কেউ? মানসিক আকর্ষণ হারিয়ে যাবার এটাও একটা কারণ, ভাবনা শেয়ার করতে না পারা।

সবসময় একসাথে কাটানো:

একটি খাবার যদি আপনি প্রতিদিন খান, কেমন লাগবে আপনার? কিংবা এক সিনেমা যদি রোজ দেখেন? সারাক্ষণ পরস্পরের সঙ্গে থাকলেও তাই হয়। কখনো তাঁকে ছাড়াই বেড়াতে যান। বন্ধুদের সঙ্গে মিশুন, নিজেকেও সময় দিন। একটু দূরত্ব সম্পর্কের জন্য ভালো।

সবসময় আগোছালো থাকা:

আচ্ছা, প্রতিদিন আপনার ঘরে পরার পোশাকটি কি খেয়াল করে দেখেছেন কখনও? বেশির ভাগ মানুষই ঘরের মাঝে নিজেকে গুছিয়ে রাখেন না। ভুলে যান যে প্রিয় মানুষটি আপনাকে এই ঘরের মাঝেই দেখছে। তাই নিজেকে একটু গুছিয়ে রাখুন। একটা বিচ্ছিরি পোশাকের চাইতে একটু টিপটপ পোশাক পরুন, চুলটা আঁচড়ে রাখুন। দেখতে সুন্দর দেখালে আকর্ষণটা অটুট থাকবে চিরকাল।

খিটখিটে হয়ে যাওয়া:

একটা জিনিষ সব সময় মনে রাখবেন যে, তিনি আপনার স্ত্রী বা স্বামী হলেই তার সাথে খারাপ ব্যবহার করার অধিকার আপনি রাখেন না। বরং তার সঙ্গেই করতে হবে সবচেয়ে ভালো ব্যবহার। কী বা যাবে আসবে, বিয়েই তো করেছি। এই ভাবনা অবিলম্বে ত্যাগ করুন।