বাঘের সঙ্গে সিংহের লড়াই আজ, কে হাসবে শেষ হাসি, মালিঙ্গা না মাশরাফি শিবির?

এশিয়া কাপ ২০১৬ আসরে বাংলাদেশের টিকে থাকার লড়াই আজ । প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে । তবে দ্বিতীয় ম্যাচে আরব আমিরাতের বিরুদ্ধে দাপুটে জয় পেয়েছে তারা । যাতে হারিয়ে যাওয়া আত্ববিশ্বাস খুঁজে পায় মাশরাফি বাহিনীরা। এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলার স্বপ্ন টিকিয়ে রাখতে আজ বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ গতবারের চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা।

টি২০ ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের রেকর্ড নেই স্বাগতিক বাংলাদেশের। ২০০৭ সাল থেকে ২০১৪ পর্যন্ত চারবার মুখোমুখি হয়েছে দল দুটি। প্রতিবারই হারের লজ্জা নিয়ে মাঠ ছেড়েছে টাইগাররা। তবে এবার ঘরের মাঠে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে মাশরাফি বাহিনী। কিন্তু শঙ্কা জাগছে দুর্বল ব্যাটিংলাইন। কোন পরীক্ষা-নিরীক্ষাতেও কাজ হচ্ছে না। আজ হবে কি?

বিশেষ করে আটোসাটো বোলিংয়ের পরও ম্যাচ হারতে হচ্ছে বাজে ব্যাটিংয়ের কারণে। প্রত্যেক ম্যাচের আগে বাংলাদেশের চিন্তা যে এখানেই। এশিয়া কাপের শিরোপা লড়াইয়ে টিকে থাকতে হলে আজ শ্রীলংকার বিপক্ষে জিততে হবে স্বাগতিকদের। এশিয়া কাপে বাংলাদেশ নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে প্রতিপক্ষ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন লাসিথ মালিঙ্গার শ্রীলংকা। রোববার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়। ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে গাজী টিভি ও বিটিভি।

এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে হারের পর নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ওই জয়েও ব্যাটিংয়ে অতৃপ্তি রয়েই গেছে টাইগারদের। ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের বড় সমস্যা ১০ থেকে ১৫ ওভারে। এই সময়টায় কোনোভাবেই দ্রুত রান তুলতে পারছে না মাশরাফি বাহিনী। আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্রথম ১০ ওভারে ৭৪ রান তোলার পরও রানের চাকা সচল করতে পারেনি। এই পুঁচকেদের বিপক্ষেও মাত্র ১৩৩ রানে থামতে হয়। এরপরেও অবশ্য বোলারদের কল্যানে বড় জয়ই পায় মাশরাফি বাহিনী।

এদিকে এশিয়া কাপে শ্রীলংকার একমাত্র ম্যাচটিও ছিল আরব আমিরাতের বিপক্ষে। তারাও অবশ্য রানের জন্য লড়াই করেছে। এই দলের বিপক্ষেও তারা মাত্র করেছিল ১২৯ রান। হারতে হারতেই ১৪ রানে জিতে যায় শ্রীলঙ্কা।

সর্বশেষ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষদুটি ম্যাচে হারের পর ভারতের বিপক্ষে হেরেছিল বাংলাদেশ। একটা জয় খুঁজছিল তখন স্বাগতিক শিবির। আরব আমিরাতের বিপক্ষে অবশ্য সেটা পেয়ে এর ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে প্রস্তুত সাব্বির-মুস্তাফিজরা।

শনিবার টি২০র সফল ব্যাটসম্যান সাব্বির রহমান রুম্মান বলেন, ‘প্রথম ম্যাচ হারের পর আমাদের আত্মবিশ্বাস অনেকটা কমে গিয়েছিল। ছোট-বড় যাই হোক আমিরাতের সঙ্গে আমরা জিতে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছি। আমরা খুব ভালোভাবে জিতেছি বলে আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে গেছে।’ কিন্তু স্বাগতিক দলের ব্যাটিংয়ে সমস্যা থেকেই গেছে। তাই ব্যাটিং সমস্যা নিয়ে সাব্বির বলেন, ‘কেউ হয়তো ভালো করছে আবার হয়তো কেউ ক্লিক করতে পারছে না। ব্যাটিং নিয়ে আর কিছু আমি বলতে পারছি না।’

অপরদিকে লংকাদের এই দলে কুমার সাঙ্গাকারা, মাহেলা জয়াবর্ধনের মতো বড়মানের ক্রিকেটার খুব কমই আছে। তবে সর্বশেষ বাংলাদেশ সফরে তারা টানা সফলতা পেয়েছিল।

আর তাই সাঙ্গা, মাহেলা ছাড়াও লংকাদের সমীহ করছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘টি২০তে আসলে জয়া-সাঙ্গার সময়ই শ্রীলংকার আরও অনেক ম্যাচ উইনার ছিল। এই দলেও আছে। দিলশান ফর্মে ফিরলে বিপজ্জনক, মালিঙ্গা প্রথম ম্যাচ জিতিয়েছে। পেরেরা-চান্ডিমালরা আছে। তাই টি২০তে যে কেউ ম্যাচ জেতাতে পারে।’

বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা বাংলাদেশে এসেছে আরও একটি শিরোপা জেতার লক্ষ্য নিয়ে। প্রথম ম্যাচে কষ্টের জয়ের পর নিজেদের অনেকটাই গুছিয়ে নিয়েছে তারা। তাই বলে বাংলাদেশকেও হালকাভাবে নিচ্ছে না লংকানরা। অধিনায়ক মালিঙ্গা বলেন, ‘আগামীকালের (আজ) ম্যাচটাও স্বাভাবিক একটা খেলা। ৫ দল এশিয়া কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে এবং প্রতিটি দলই কঠিন। আমরা কোনো দলকেও হাল্কাভাবে দেখছি না। সবাই নিজেরা ম্যাচে কি করতে সক্ষম এবং কিভাবে নিজেদের সেরাটা দিতে পারে সেদিকে মনোযোগী। প্রতিপক্ষ নিয়ে আমরা তেমন কিছু ভাবছি না।’

সাম্প্রতিক পারফর্মেন্স, বর্তমান দলীয় শক্তির বিচারে আজকের ম্যাচে বাঘ-সিংহের ধুন্ধুমার লড়াই হবে বলে অনুমান। অন্যদিকে স্বাগতিকদের হারিয়ে শিরোপা লড়াইয়ে একধাপ এগিয়ে যেতে চায় শ্রীলংকা। ঘরের মাঠের কারণে বাংলাদেশ যেমন এগিয়ে, তেমনি দলের ইতিহাস ও ধারাবাহিকতার নিরিখে শ্রীলঙ্কাকেও পিছিয়ে রাখার উপায় নেই।

সম্ভাব্য বাংলাদেশ দল: মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, মোহাম্মদ মিথুন/নাসির হোসেন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান, মুস্তাফিজুর রহমান, আল-আমিন হোসেন, আরাফাত সানি এবং নুরুল হাসান সোহান।

সম্ভাব্য শ্রীলঙ্কা দল: তিলেকারত্নে দিলশান, লাসিথ মালিঙ্গা (অধিনায়ক), দিনেশ চান্দিমাল, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস, ধানুশ সানাকা, থিসারা পেরেরা, সুচিত্রা সেনানায়েক, নিরোসান দিখুয়েলা, মিলিন্ডা সিরিবর্ধনে, চামারা কাপুগেদারা, ও দাশমাথ চামিরা।

ক্রিকেট নিয়ে খবরা-খবর রাখা ‘টি-২০ টিকি’ ওয়েবসাইটের চালানো জরিপে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচে দুই দলের জয়ের সম্ভাবনা ৪৫-৫৫।

এবার দেখার বিষয়, মিরপুরে শেষ হাসি আজ কে হাসে, মালিঙ্গা না মাশরাফি শিবির?

নবম শ্রেণির ছাত্রীর কাণ্ড: স্কুলেই সন্তান প্রসব

প্রতিদিনের মতো ক্লাস করছিল নবম শ্রেণির এক ছাত্রী। হঠাৎ করেই পেটে অসহ্য ব্যথা শুরু হয়। শিক্ষককে জানালে তিনি তাকে ওয়াশরুমে যেতে বলেন। কিন্তু, সেখানে যেতেই ঘটে গেল অদ্ভুত ঘটনা। ওয়াশরুমে ঢুকেই যন্ত্রণায় কাতরাতে কাতরাতে ছাত্রীটি একটি সন্তানের জন্ম দেয়। কলকাতার সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা এক প্রতিবেদনে এমন তথ্যই জানিয়েছে।

ভারতের হায়দরাবাদের মাধাপুরের একটি স্কুলের এই ঘটনায় অবাক ছাত্রীর অভিভাবক থেকে শিক্ষক-শিক্ষিকারা।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, স্কুলের শিক্ষক ও কর্মীরা সকলেই জানিয়েছেন মেয়েটিকে দেখে কখনওই মনে হয়নি সে গর্ভবতী। ছাত্রীটির শ্রেণি শিক্ষক আবার বলেছেন, ‘সে খুব একটা মোটাসোটা নয়। খুব সাধারণ ভাবেই ক্লাসে আসত। কোলের উপর ব্যাগ রেখে বেঞ্চে বসত। কখনও মনে হয়নি ও গর্ভবতী।’

বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পরই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের কাছে এ বিষয়ে একটি ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, প্রতিবেশীদের মধ্যে কেউ মেয়েটির এই অবস্থার জন্য দায়ী। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

অন্যদিকে, এই ঘটনার কথা জেলা শিক্ষা দফতরে পৌঁছনোর পরই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। জেলা শিক্ষা আধিকারিক জানান, মেয়েটির বাবা-মা যদি বিষয়টি ঠিকভাবে লক্ষ্য করত এবং পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাত, তা হলে এ ধরনের ঘটনা ঘটত না।

প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, এক সহপাঠী জানিয়েছে, বেশ কিছু দিন ধরেই একা একা থাকত ছাত্রীটি। সবাই যখন খেলাধুলা করলেও সে চুপ করে বসে থাকত।

সমাজসেবীরা বলছেন, এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে দিল যে শিশুদের যৌন নির্যাতন নিয়ে সমাজ এখনও সচেতন নয়। মেয়েটির চারপাশে অনেক মানুষ ঘোরাঘুরি করেছে, অথচ কেউই বিষয়টি টের পেল না!

বিয়ের পর থেকে শুধু দেখতেই নয়, খেলতেও ভালোলাগে

শুধু খেলা দেখতেই নয়। খেলতেও ভালো লাগে পূর্ণিমার। আর দিন দিন যেন ক্রিকেট খেলার প্রতি ভালোবাসা বাড়ছে। ক্রিকেট খেলা দেখে আনন্দও পাই।

আমি ছোট বেলা থেকেই ক্রিকেট খেলা দেখি, কিন্তু বিয়ের পর থেকে আমি বাংলাদেশের খেলা একটাও মিস করি না। বাংলাদেশের ক্রিকেট আমার কাছে অনেক ভাল লাগে। ক্রিকেট কে আমি এত ভালোবাসি যে মাজে মাজে আমি আমার বাচ্চার সাথে ক্রিকেট খেলি।

পূর্ণিমা বলেছেন, আমি খেলাধুলো ভালোবাসি। ভালোবাসি সকারও। এটি আমার অন্যতম প্রিয় খেলা। ছোটো থেকেই ক্রিকেটও ভালোলাগত। তবে এই খেলার প্রতি উৎসাহ বা অনুরাগ যেন আরও বাড়ছে।

এখানেই শেষ নয়। খুব ছোটো থেকেই তিনি সকার খেলতেন বলে জানিয়েছেন।

এমনকী পিং পং, ভলিবল, বাস্কেটবল ছাড়া আরও অনেক ধরনের খেলাধুলোর সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। আগামী দিনে বাংলাদেশ সাফল্য পাবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন পূর্ণিমা।

এই যুবকটির মুখে এত সুন্দর কোরআন তেলাওয়াত শুনে সারা বিশ্ব অবাক! (ভিডিও সহ)

এই যুবকটির মুখে এত সুন্দর কোরআন তেলাওয়াত শুনে সারা বিশ্ব অবাক! এই যুবকটির মুখে এত সুন্দর কোরআন তেলাওয়াত শুনে সারা বিশ্ব অবাক!

এই যুবকটির মুখে এত সুন্দর কোরআন তেলাওয়াত শুনে সারা বিশ্ব অবাক! এই যুবকটির মুখে এত সুন্দর কোরআন তেলাওয়াত শুনে সারা বিশ্ব অবাক!

সে প্রতিরাতেই জোর করে শারীরিক সম্পর্ক করেছে এবং তা মোবাইলেও ভিডিও করেছে (ভিডিও)

ও যে বিবাহিত এটা ঐ মেয়ে জানে। সে ওর ছোট মামাকে ডেকে এনেছিল মিটমাট করার জন্য। মামা বলেছে ঐ মেয়ের সাথে ওর বিয়ের কথা চলছিল বাট আমার শ্বশুর মেয়েকে পছন্দ না করায় বিয়েটা হয়নি। মামা আমার সামনে ওকে শাসন করেছে। স্বামীও ক্ষমা চেয়েছে। আমার স্বামী যথেষ্ট কেয়ারিং, সারাক্ষণ সাথে থাকতে চায়। এখানে বলে রাখি আমার পোষ্টিং ঢাকায় হলেও তারটা ঢাকা থেকে কিছুটা দূরে। সে আমাকে রেখে কর্মস্থলে যেতে চায়না, ঠেলে আমার পাঠাতে হয়। প্রতি বৃহ:স্পতিবার সে ঢাকায় আসে, রবিবার চলে যায়। জানেন আপু, ওর কাছ থেকে একটু দূরে সরলে এমনকী এক রুম থেকে অন্য রুমে গেলেই সে খুঁজতে খুঁজতে চলে আসে। আমার সাথে যথেষ্ট ভালো আচরণ করে, শ্বশুর বাড়ির সবাই আমাকে খুব আদর করে। আগামী ৬ মাস সন্তান নেবার কোন পরিকল্পনা ছিলনা আমাদের। আমাদের দুই পরিবারই আমাকে অনেক আদর করে। আমার স্বামীর ছোট আরেকটি ভাই আছে।

যাই হোক, সবাই আমার স্বামীকে অনেক নিরীহ, ভদ্র ছেলে হিসেবে জানে। মনে হয়না আমার কথা কেউ বিশ্বাস করবে। তবে আমি ওদের চ্যাট হিস্টোরির সব প্রমাণ রেখে দিয়েছি। তার প্রতি কখনোই কোন অযত্ন আমি করিনি, এমনকী বিছানাতেও না। শুনতে খারাপ লাগলেও আপনাকে বলি আপু দিনে সে ৪ বার শারীরিক সম্পর্ক করতে চাইলেও আমি কখনোই বাঁধা দেইনি। তার সব ধরণের আবদারই আমি রেখে এসেছি। এখন তাকে আমি বলেছি তার সাথে বসবাস করা আমার পক্ষে সম্ভব না। সে বলছে আমাকে ছাড়া সে থাকতে পারবেনা। সে শুরু থেকেই বলতো আমাদেরটা লাভ ম্যারেজ (যদিও দুই পরিবারের ইচ্ছাতেই আমাদের যোগাযোগ হয়) । আজই রাগ করে বাবার বাড়ি চলে যেতাম,আমাকে যেতেও দিচ্ছেনা। শুনেছি নতুন বিয়ে হলে বউ এর প্রতি ছেলেদের অনেক টান থাকে, বাচ্চা হলে বা সময় গড়াতে থাকলে আকর্ষণ কমে যায়। এখনই সে এমন করছে, আর তো দিন পড়েই আছে। সে খুবই ভয় পাচ্ছে দুই পরিবারের মুরুব্বীরা যাতে ওর এসব কর্মকান্ড না জানে।

এমনিতেই নিজের বাবা মা কে ছেড়ে এসে অনেক কষ্টে আছি, তার উপর স্বামী এতো দুঃখ দিল..আমি কিছুতেই ওকে ক্ষমা করতে পারছি না আপু। সারাটা দিন সে এক নাগারে ক্ষমা চাইছে, আমার হাতে পায়ে ধরছে। কী করব আপু? ওকে কি আরেকটা সুযোগ দিয়ে দেখব? অনেক কষ্ট পাচ্ছি আপু।”

পরামর্শ:
আপু, আপনি হয়তো ইতিমধ্যেই স্বামীকে আরেকটি সুযোগ দিয়ে ফেলেছেন। কারণ আপনার চিঠি পড়ে বুঝতে পারছি যে আপনি তাঁকে খুবই ভালোবাসেন। তবুও সত্য কথাই বলবো আপু। আমার মনে হয় না যে ধরণের ভালোবাসা আপনি খুঁজছেন, সেই ধরণের ভালোবাসা এই লোকটি কখনো আপনাকে দিতে পারবে। আমরা মেয়েরা কী চাই বলুন? শুধু এটুকুই তো চাই যে একজন পুরুষ আমাদের এতটা বেশি ভালবাসুক যেন অন্য কোন নারীর দিকে সে ফিরেও না তাকায়। যার সংস্পর্শে আপনার নিজেকে মনে হবে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ নারী। যে স্বামী চোখের আড়াল হলেই পরনারীর দিকে আকৃষ্ট হয়, ফেসবুকে বা বাস্তবেও সেক্সুয়াল কথা বলে, সেই স্বামীর সাথে কখনো মানসিক শান্তিতে থাকা সম্ভব না।

যেহেতু বিয়ে হয়েছে মাত্র ১০ দিন, আপনি আর একবার স্বামীকে সুযোগ দিতে পারেন। তবে দ্বিতীয়বার যদি এই ধরণের কিছু ধরা পড়ে, আপনার উচিত হবে অবিলম্বে সম্পর্ক থেকে সরে যাওয়া। আর এই লোকটি আপনাকে খুব ভালোবাসে, এই ভ্রান্ত ধারণা মনে রাখবেন না। বিয়ের পর আসলেই কিছুদিন স্বামীরা বউয়ের জন্য পাগল থাকে। আপনার স্বামী কিন্তু হানিমুনের পর ওই মেয়ের সাথে এসব করেছে। তাই বুঝতেই পারছেন, আপনার জন্য এত পাগলও সে নয়। আরেকটি কথা আপু। সে যে হাতে পায়ে ধরে ক্ষমা চাইছে, সেটাও কিন্তু পারিবারিক আর সামাজিক কারণে। বৌ চলে গেলে সবাইকে কী জবাব দেবে? তাছাড়া সে তো আলাদাই থাকে। সেখানে বসে কী করলো আপনি তো জানতেও পারবেন না। আর আপু, আপনি আপনার কষ্ট হচ্ছে কি হচ্ছে না, এটা চিন্তা না করেই যে স্বামী দিনে ৪ বার শারীরিক সম্পর্ক করতে চায়, তার ভালোবাসায় আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। দাম্পত্য মানে তো কেবল যৌনতা না। আমার মনে হচ্ছে আপনার স্বামীর কাছে যৌনতাই আসল। এবং সত্যি বলি আপু, ভয়ও হচ্ছে আপনার জন্য।

আপনার জন্য একটাই পরামর্শ। আপাতত ক্ষমা করে দিন। এমন ভাব করুন যে সব ভুলে গিয়েছেন। এই বিষয় নিয়ে আর কথাই বাড়াবেন না। চুপচাপ সবদিকে লক্ষ্য রাখুন। দেখুন স্বামীর গতিবিধি। আমি নিশ্চিত যে কিছুদিনের মাঝে আবারও কিছু একটা আপনার হাতে ধরা পড়বেই। কারণ এই অভ্যাস ত্যাগ করা খুব কঠিন। যদি দুর্ভাগ্যবশত প্রমাণ পেয়েই যান, তখন যে সিদ্ধান্ত আপনার জন্য ভালো হবে মনে করেন, সেটাই নেবেন।

ব্রিটেনে একটা পরিস্কার জামা দিলেই মিলছে শরীর

ডেস্ক : ব্রিটেনে শরীর বিকোচ্ছে জলের দরে।

মাত্র ৫ পাউন্ড। তাতেই চলে আসছেন মহিলারা। ব্রিটেনে এমনই ভয়াবহ ছবি ধরা পড়েছে। বলা হচ্ছে, গৃহহীন মহিলারা দলে দলে নেমে পড়েছেন দেহব্যবসায়। একে বলা হচ্ছে “সার্ভাইভাল সেক্স”।

পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়েছে এই সব মহিলাদের নেশার জন্য। এঁদের অনেকেই বিভিন্ন রকম নেশা করেন। ফলে, খাবার আর নেশার তাড়নায় এঁরা শরীর বিকোচ্ছেন প্রায় বিনামূল্যে।

‘চেঞ্জিং লাইভস’ নামে একটি সংস্থা ব্রিটেনে দেহব্যবসায়ীদের নিয়ে কাজ করে চলেছে ২০০৭ সাল থেকে। তাদের সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মাত্র ২ পাউন্ডের বিনিময়ে শরীর বিকিয়েছে, এমন নজিরও আছে।

সংস্থার তরফে বলা হয়েছে, আরও গুরুতর সমস্যা লুকিয়ে আছে এই অন্ধকার বাস্তবের আড়ালে। সেটা কী? ১৬-২০ বছরের মেয়েরা চলে আসছে এই পেশায়। সহজে খাবার, নেশার জিনিস, জামাকাপড় পেয়ে যাচ্ছে তারা।

জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ

ডেস্ক ::: এশিয়া কাপে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ। রবিবার টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে শ্রীলঙ্কাকে ১৪৮ রানের টার্গেট দেয় বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ২০ রানেই উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। সাকিব-মুস্তাফিজদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে ১০৮ রানে ৬ উইকেট করে শ্রীলঙ্কা।
০ রানের মধ্যেই শ্রীলঙ্কার প্রথম উইকেট পড়লেও দ্বিতীয় উইকেটের জন্য অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় বাংলাদেশকে। সাকিব আল হাসানের বলে আউট হন শ্রীলঙ্কান ওপেনার তিলকরত্নে দিলশান। ব্যক্তিগত ১২ রানে সাকিবের বলে সৌম্য সরকারের হাতে ধরা পড়েন তিনি।
এরপর দলীয় ৭৬ রানের সময় ওপেনার চন্ডিমালকে সাজঘরে ফেরান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এরপরের ওভারেই থিয়ানে জয়সুরিয়ার উইকেট নেন সাকিব।ম্যাচের ১৫ তম ওভারে আঘাত হানেন অধিনায়ক মাশরাফি। দলীয় ৯২ রানে সাজঘরে পাঠান সিরিওয়ার্দানাকে।

এর আগে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শ্রীলঙ্কাকে ১৪৮ রানের টার্গেট দেয় বাংলাদেশ। সাব্বির রহমানের ৮০ ও সাকিব আল হাসানের ৩২ রানের উপর ভর করে ২০ ওভার শেষে এই রান করে বাংলাদেশ। এছাড়া মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ করেন ২১ রান।

সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত পারেননি সাব্বির রহমান। ৫৪ বলে ৮০ রান করে থামে তার রানের চাকা। মূলত তার অর্ধশতকে ম্যাচে ফিরে বাংলাদেশ।রবিবার এশিয়া কাপে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দলীয় ২ রানের মাথায় ২ ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেসময় কুলাসেকারের এক ওভারে ৩টি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারিতে বাংলাদেশকে কিছুটা চাপমুক্ত করেন সাব্বির। ওই এক ওভারেই ১৮ রান করে বাংলাদেশ। কিন্তু পরের ওভারেই রান আউটের শিকার হন মুশফিকুর রহিম।

তবে সাকিবকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে থাকেন সাব্বির। ১০টি চার ও তিন ছক্কায় করেন ৮০ রান। পরে চামিরার বলে জয়সুরিয়ার হাতে তালুবন্দী হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। এর কিছুক্ষন পরেই আউট হন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। চামিরার বলে আউট হন তিনিও। ৩৪ বলে করেন ৩৪ রান।

এর আগে দলীয় দুই রানের মাথায় প্যাভিলিযনে ফিরে বাংলাদেশের দুই ওপেনার। কোনো রান না করেই আউট হন বাংলাদেশি ওপেনার মোহাম্মদ মিঠুন ও সৌম্য সরকার। ম্যাচের প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের বলে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন বাংলাদেশি ওপেনার মোহাম্মদ মিঠুন। পরের ওভারেই কুলাসেকারার বলে ম্যাথিউসের তালুবন্দী হন সৌম্য।

ফের দুই শিশু খুন (ভিডিওসহ)

হ্যালোটুডে ডটকম: কুমিল্লার সিটি করপোরেশন এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী দুই সৎ ভাইকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হবিগঞ্জের বাহুবলে পঞ্চায়েতের বিরোধ নিয়ে চার স্কুলছাত্রকে হত্যায় দেশজুড়ে প্রতিবাদের মধ্যে খুন হল দুই শিশু।

শনিবার বিকালে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ঢুলিপাড়ার একটি বাড়ি থেকে জয় (৭) ও মণি (৫) নামে এই দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয় বলে ইপিজেড ফাঁড়ির এসআই আজিজুল হক জানান।

জয় শহরের হাউজিং এস্টেট এলাকার হলিচাইল্ড স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে পড়ত। মণি ওই স্কুলের নার্সারির ছাত্র।

দুই শিশু ঢুলিপাড়ার মুদি দোকানি আবুল কালামের দ্বিতীয় স্ত্রী রেখা আক্তারের ছেলে। তার বড় স্ত্রী রোকেয়া বেগমের ছেলে মেহেদী আল ছোটন (২১) ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, তার দুই মেয়ের বিয়ে হয়েছে। মেহেদীই দুই শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে বলে সন্দেহ পুলিশের।

ঢুলিপাড়ার ওই বাড়িতে কালামের দ্বিতীয় স্ত্রী রেখা এবং তার এক মেয়ে (দশম শ্রেণি পড়ুয়া) ও দুই ছেলের সঙ্গেই রোকেয়া বেগম থাকতেন।

পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত বলে এসআই আজিজুল জানান।

তিনি বলেন, “এ বিবাদের জের ধরে কালামের প্রথম স্ত্রীর ছেলে মেহেদী উত্তেজিত হয়ে জয় ও মণিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির এমবিএর ছাত্র মেহেদী ঢাকায় হোস্টেলে থেকে লেখাপড়া করেন। সম্প্রতি তিনি বাড়িতে আসেন। ঘটনার পর থেকে তার খোঁজ মিলছে না।

কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) আবদুল্লাহ আল মামুন পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

খুনি ধরতে চেষ্টা চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, “শিগগিরই তাকে গ্রেপ্তার করা যাবে বলে আশা করছি।”

দুই ভাইয়ের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ মর্গে নেওয়া হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে একের পর এক শিশু নির্যাতন ও হত্যার ঘটনায় বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের পক্ষ থেকে উদ্বেগ জানানো হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে কোথাও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে মামলা নিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা থেকে।

গত ৮ জুলাই সিলেটের কুমারগাঁওয়ে চুরির অভিযোগ তুলে শিশু সামিউল ইসলাম রাজনকে পিটিয়ে হত্যা করে কয়েকজন। ওই নির্যাতনের দৃশ্য ভিডিও করে তারা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিলে সারা দেশে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

রাজন হত্যার পর মাস না পেরোতেই খুলনায় একটি গ্যারেজে মলদ্বার দিয়ে হাওয়া ঢুকিয়ে হত্যা করা হয় মো. রাকিব নামে ১২ বছর বয়সী আরেক শিশুকে।

পরদিন বরগুনার তালতলী উপজেলায় মাছ চুরির অভিযোগে রবিউল আউয়াল নামে ১০ বছরের এক শিশুকে শাবল দিয়ে আঘাত করে হত্যার অভিযোগ পাওয়া যায়।

সর্বশেষ গত ১৭ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় বিল এলাকায় মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় চার শিশুর লাশ পাওয়া যায়, যারা পাঁচ দিন আগে নিখোঁজ হয়েছিল।

পঞ্চায়েতের বিরোধের জের ধরেই ওই চার শিশুকে অপহরণের পর হত্যা করে মাটিচাপা দেওয়া হয় বলে গ্রেপ্তারদের স্বীকারোক্তিতে উঠে আসে।

নারায়নগঞ্জে পুত্র বধুকে ধর্ষণ করতে গিয়ে গোপনাঙ্গ হারালেন শ্বশুর!

ডেস্ক : পুত্র বধুকে ধর্ষণ করতে গিয়ে পুত্রবধুর ব্লেডের আঘাতে গোপনাঙ্গ হারালেন শ্বশুর! ঘটনাটি ঘটেছে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাচঁপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামে।

জানা যায়, অভিযুক্ত শ্বশুরের বিচারের দাবীতে বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসীরা এবং এক ঘরে করে গৃহবন্দি করে রেখেছে ওই পুত্র বধুকে।

পুত্র বধু জানান, সোমবার গভীর রাতে তিনি তার কক্ষে একা ঘুমিয়ে ছিলেন। এসময় তার আপন শ্বশুর তার কক্ষে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্ঠা করে। এসময় তিনি ক্ষোভে শ্বশুররের গোপনাঙ্গের কিছু অংশ ব্লেড দিয়ে কেটে দেন।

ওই নারী জানান, ঘটনার পর থেকে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে এক ঘরে করে গৃহবন্দী করে রেখেছে এ ঘটনায় আইনের আশ্রয় নিলে প্রান নাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারাত্মক আহত শ্বশুর জানান, তিনি ষড়যন্ত্রের স্বীকার।

এ ব্যাপারে সোনারগাঁ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে দায়ী ব্যাক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

মহিলাদের যৌন সম্পর্কে চরম-তৃপ্তি নিয়ে একটি ওয়েব সিরিজ (ভিডি্ওসহ)

হ্যালোটুডে ডটকম: অভিনয় হোক বা পরিচালনা বরাবরই ব্যতিক্রমী পূজা ভট্ট। এ বার মহিলাদের যৌন সম্পর্কে চরম-তৃপ্তি নিয়ে একটি ওয়েব সিরিজ করতে চলেছেন মহেশ-কন্যা। ১২ জন মহিলার ১২ টি আলাদা গল্প এবং তাঁদের বিভিন্ন প্রকাশ মাধ্যমের ভিত্তিতে ওই সিরিজ হবে বলে জানা গিয়েছে।

সিরিজটির নাম ‘ওহ’। এর কয়েকটি গল্প পরিচালনা করবেন পূজা। আগামী এপ্রিলেই এর কাজ শুরু হবে। পূজার মতে, সুইমস্যুট পরে বা নগ্ন হয়ে ছবি তুললেই তা সাহসিকতা হয়ে যায় না। সমাজ যে বিষয় সম্পর্কে মুখ ঘুরিয়ে থাকে সে বিষয়ে আলোচনা করাটাই সাহসিকতা। যেমন মহিলাদের চরম তৃপ্তির বিষয়ে সমাজ মুখে কুলুপ এঁটে থাকে। এর ফলে বিষয়টি রহস্যের পর্যায়ে পৌঁছেছে।

পূজার কথায়, ‘‘৮০ শতাংশ মহিলাই চরম-সুখ থেকে বঞ্চিত। আমার মতে মহিলারা যতদিন আর্থিক ও যৌনতার দিক থেকে স্বাধীন হতে পারবেন না, ততদিন তাঁদের ক্ষমতায়ণ সম্ভব নয়।’’ আসলে এখনও সমাজে মহিলাদের কোনও সরব উপস্থিতি নেই, যৌন সম্পর্কের সময় তাঁদের পছন্দকে গুরুত্বও দেওয়া হয় না। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। বিয়ে করা, যৌন সম্পর্ক, গর্ভবতী হওয়া বা গর্ভপাত করা, কোনও কিছুতেই বেশিরভাগ মহিলারই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই বলে মনে করেন পরিচালক।

শুভ জন্মদিন আব্দুল রশিদ সেলিম সালমান খান

২৭ ডিসেম্বর ৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের। কখনো ব্যাড বয় আবার কখনো সুপারস্টার, দীর্ঘদিনের অভিনয় জীবনে অনেক কারণেই আলোচনায় এসেছেন তিনি। বলিউডে ২৫ বছরের ক্যারিয়ারে ৮০টির বেশি হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ভালো অভিনয়ের জন্য পেয়েছেন পুরস্কার আবার বিভিন্ন সমালোচনার কারণে পেয়েছেন তিরস্কারও।

১৯৬৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর, ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইনদোরে জন্ম হয় সালমান খানের। তার বাবা বলিউডের জনপ্রিয় চিত্রনাট্যকার সেলিম খান এবং মা সালমা খান। সালমানের প্রকৃত নাম আব্দুল রশিদ সেলিম সালমান খান। পরে সিনেমায় অভিনয়ের জন্য নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় সালমান খান। নিজেকে হিন্দু এবং মুসলমান দুই ধর্মের মানুষ বলে পরিচয় দেন এ অভিনেতা।

সালমানের সৎ মা অভিনেত্রী হেলেন। তার ভাই আরবাজ খান, সোহেল খান এবং বোন আলভিরা খান। এছাড়া পালক বোন অর্পিতা খান।

১৯৮৯ সালে সুরাজ বার্জাতিয়া পরিচালিত ম্যায়নে পেয়ার কিয়া সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বলিউডে অভিষেক হয় সালমান খানের। এরপর ১৯৯০ সালে মুক্তি পায় তার পরবর্তী সিনেমা বাঘি : অ্যা রেবেল ফর লাভ। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি সালমানকে। সাজন, হাম আপকে হ্যায় কৌন, করণ অর্জুন, জড়ুয়া, হাম দিল দে চুকে সানাম, হাম সাথ সাথ হ্যায়, তেরে নাম, দাবাং, এক থা টাইগার, ওয়ান্টেড, কিক, বাজরাঙ্গি ভাইজানসহ বেশকিছু জনপ্রিয় সিনেমা দর্শকদের উপহার দিয়ে ভক্তদের ভালোবাসা পেয়েছেন তিনি। পাশাপাশি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বলিউডের সুপারস্টার হিসেবে।

দীর্ঘ ক্যারিয়ার জীবনে অনেকবারই বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ডে মনোনয়ন এবং বিজয়ী হয়েছেন সালমান খান। তার মধ্যে রয়েছে ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস, স্টার স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডস, আইফা অ্যাওয়ার্ডস, জি সিনে অ্যাওয়ার্ডস, অপসরা ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন প্রডিউসার গিল্ড অ্যাওয়ার্ড, স্টারডাস্ট অ্যাওয়ার্ডস, বিগ স্টার এন্টারটেইনমেন্ট অ্যাওয়ার্ডসসহ অন্যান্য পুরস্কার।

অভিনেতা হিসেবে জনপ্রিয় হওয়ার পাশাপাশি গায়ক হিসেবেও নিজেকে পরিচিত করেছেন সালমান খান। তার গানের মধ্যে রয়েছে, ‘চাঁদনি কি ডাল পার সোনে কা মোর’ (হ্যালো ব্রাদার), ‘হ্যাংওভার’ (কিক), ‘জুম্মে কি রাত’ (কিক), ‘তু হি তু হার জাগা’ (কিক) এবং ‘ম্যায় হু হিরো তেরা’ (হিরো)।

সালমান খান যে শুধু সিনেমায় অভিনয় করেছেন তা নয়। ছোট পর্দাতেও সমান জনপ্রিয় তিনি। দশ কা দম, বিগ বস অনুষ্ঠানগুলো দিয়ে ছোট পর্দাতে নিজের রাজত্ব তৈরি করেছেন।

৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে প্রকাশ পাচ্ছে তার প্রথম আত্মজীবনী। বইটি লিখেছেন জসিম খান নামের দিল্লির একজন সাংবাদিক। বইটির প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া। সালমানের আত্মজীবনীমূলক এ বইয়ের নাম ‘বিয়িং সালমান’। বইটিতে থাকবে তার ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক অনেক অজানা তথ্য।

সিনেমার পাশাপাশি ব্যক্তিগত নানা কারণে খবরের শিরোনামে দেখা যায় সালমানকে। সাবেক প্রেমিকা ঐশ্বরিয়া রাই-এর সঙ্গে প্রেম, এরপর বিচ্ছেদ নিয়ে অনেক সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি। এ জন্য অনেকের সঙ্গে হাতাহাতি করে সমালোচিতও হয়েছেন সালমান। পরবর্তীতে ক্যাটরিনা কাইফ, সঙ্গীতা বিজলানি, সোমি আলি, লুলিয়া ভেন্তুরের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন শোনা গেছে সালমানের।

এ ছাড়া ‘হিট অ্যান্ড রান’ এবং ‘কৃষ্ণসার হরিণ’ মামলা নিয়ে প্রায়ই আলোচনায় আসেন এ তারকা। ২০০২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর, সালমানের গাড়ি বান্দ্রায় বেকারিতে ধাক্কা মারে। ওই সময় বেকারির বাইরে ঘুমিয়ে থাকা এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। আহত হন চারজন। এরপর সালমানের বিরুদ্ধে নারকীয় হত্যার (ইন্ডিয়ান পেনাল কোর্ট ৩০৪ ধারা) পাশাপাশি বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে মানুষ হত্যা (২৭৯ ধারা), ব্যক্তিকে আঘাত (৩৩৭ ধারা) এবং সম্পত্তি নষ্ট (৪২৭ ধারা) বিষয়ে মামলা করা হয়।

দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে চলে আসা হিট অ্যান্ড রান মামলা থেকে সম্প্রতি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন সালমান খান। চলতি বছরের ৬ মে, সালমানকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয় মুম্বাইয়ের স্থানীয় দায়রা আদালত । পরে সালমানকে জামিনে মুক্তি দেয় উচ্চ আদালত। তারপর থেকেই এ মামলা উচ্চ আদালতে বিচারাধীন ছিল। গত ১০ ডিসেম্বর, হিট অ্যান্ড রান মামলার সকল অভিযোগ থেকে সালমানকে মুক্তি দেন উচ্চ আদালত।

তবে, ব্যক্তিগতভাবে নানা সামাজিক কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত এ অভিনেতা। ‘বিয়িং হিউম্যান’ নামে তার একটি দাতব্য সংস্থাও রয়েছে।

বলিউডে ভক্তদের কাছে ভাইজান বলেই পরিচিত সালমান। চলতি বছর মুক্তি পেয়েছে এ অভিনেতার বাজরাঙ্গি ভাইজান। এরপর তার ভাইজান উপাধিটি আর তার ভক্তদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এখন সকলের কাছে ভাইজান হিসেবেই পরিচিত তিনি।

সালমানের পরবর্তী সিনেমা সুলতান। বর্তমানে সেই সিনেমার শুটিং নিয়েই ব্যস্ত আছেন তিনি। সুলতান সিনেমায় সালমানকে দেখা যাবে একজন কুস্তিগীরের ভূমিকায়। তাই নিজেকে প্রস্তুত করতে বেশ শারীরিক কসরত করেছেন তিনি। এ ছাড়া নিয়েছেন বিশেষ ট্রেনিং। সালমান ছাড়াও সুলতান সিনেমায় আরো অভিনয় করছেন, রণদীপ হুদা, অমিত সাধ। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন আব্বাস জাফর। আগামী ঈদুল ফিতরে সিনেমাটি মুক্তি দেয়ার কথা রয়েছে।

মুস্তাফিজের প্রশংসা করে নিজেদের পরিকল্পনার কথা জানালেন মালিঙ্গা

ভারতের বিপক্ষে এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে হেরে কিছুটা হতাশ ছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে আরব আমিরাতের বিপক্ষে দাপুটে জয়ে আবারও শিরোপা স্বপ্ন বুনছে মাশরাফি বাহিনী। পেয়েছে আত্মবিশ্বাসের জ্বালানীও। সেই সাথে অভিষেকের পর থেকে দুর্দান্ত বোলিং করে আসছেন বাংলাদেশের নতুন পেস বোলিং সেনসেশন মুস্তাফিজুর রহমান। সে সুবাদে পৃথিবীর বড় বড় ক্রিকেটারদের সমীহ আদায় করে নিয়েছেন তিনি।

শনিবার ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে দলের অনুশীলন শেষে লঙ্কান টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা সম্পদ বলে আখ্যায়িত করলেন। ‘বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্যও মুস্তাফিজ দারুণ এক সম্পদ। সে সত্যিই খুব ভালো খেলছে।’ সেই সাথে মুস্তাফিজের পাশাপাশি পুরো বাংলাদেশের বোলিং লাইনআপের প্রশংসা করেছেন তিনি। তবে বাংলাদেশের বোলিংয়ের বিপক্ষে কিভাবে খেলতে হবে তা ভালো করেই জানেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নিশ্চিতভাবেই বাংলাদেশের বোলিং বিভাগ বেশ ভালো। আমরা সবাই তা জানি। তারা যদি নিজেদের সেরাটা নিয়ে প্রস্তুত থাকে, আমরাও সেরাটা দিতে মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে আছি। বাংলাদেশের পেস আক্রমণ ঠেকানোর জন্য কী করতে হবে, তা আমাদের জানা আছে। বোলার কে, তা নিয়ে আমরা ভাবছি না; বরং একটা একটা বল খেলার চিন্তা করছি।’

তবে ম্যাচটি নিয়ে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা নেই শ্রীলঙ্কার। কোনভাবেই টাইগারদের হালকাভাবে নিচ্ছে না তারা। এ প্রসঙ্গে মালিঙ্গা বলেন, ‘কালকের ম্যাচটি আমাদের জন্য সাধারণ একটি ম্যাচই। এশিয়া কাপ খেলছে পাঁচটি দল। প্রতিটি দলই কঠিন। কোনো দলকেই আমরা হালকাভাবে ধরে বসে থাকতে পারি না। কালকের প্রতিপক্ষ কে- সে দিকে আমাদের মনোযোগ নেই। ম্যাচে সময় কে কী করতে পারে, কে কিভাবে নিজেদের সেরাটা দিতে পারে; আমাদের সবাই চিন্তা করছে সেটা নিয়েই। প্রতিপক্ষ নিয়ে আমরা খুব বেশি ভাবছি না।’

প্রথম ম্যাচে আরব আমিরাতের বিপক্ষে কোনোভাবে জিতলেও এই ম্যাচে শ্রীলঙ্কা দারুণ খেলবে এমনটা প্রত্যাশা মালিঙ্গার। আর সে পার্থ্যক্য তৈরী হবে আলাদা পিচ বলেই। এ প্রসঙ্গে মালিঙ্গার ভাষ্য, ‘সেদিনের উইকেট মনে হয় ১২৭ রানের উইকেটই ছিলো। ব্যাটসম্যানরা কষ্ট করে সেই উইকেটে জেতার মতো রান করেছে। কালকের উইকেট আলাদা। কালকের মনোভাবও থাকবে ভিন্ন রকম। দেখা যাক ব্যাটসম্যানরা কাল কী করতে পারে।’

সাম্প্রতিক সময়ে টাইগারদের শক্তিশালী পেস আক্রমন প্রতিপক্ষের কাছে আতঙ্কের মতো। বাংলাদেশের শক্তিশালী বোলিং বিভাগ নিয়ে মালিঙ্গা বলেন, ‘নিশ্চিতভাবেই বাংলাদেশের বোলিং বিভাগ বেশ ভালো। আমরা সবাই তা জানি। তারা যদি তাদের সেরাটা নিয়ে প্রস্তুত থাকে, আমরাও কালকের ম্যাচে মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে আছি। বাংলাদেশের পেস আক্রমণ ঠেকানোর জন্য কী করতে হবে, তা আমাদের জানা আছে। বোলার কে, তা নিয়ে আমরা ভাবছি না; বরং একটা একটা বল খেলার চিন্তা করছি।’

এশিয়া কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা। তবে প্রথমবারের মতো এই টুর্নামেন্টটি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে হওয়ায় তা আলাদাভাবে দেখছেন লঙ্কান অধিনায়ক। এ প্রসঙ্গে মালিঙ্গা বলেন, ‘এশিয়া কাপ আগে ফিফটি ওভারের খেলা ছিলো, এবার টি-টোয়েন্টি; দুই ফরম্যাটের সঙ্গে তুলনা করা কঠিন। এক বা দুই ওভারের মধ্যেই একটা ম্যাচ বদলে যেতে পারে। এই টুর্নামেন্টে কে সেরা; তা বলা খুব কঠিন। আমরা সব সময় আমাদের শক্তি এবং ম্যাচে আমাদের সামর্থ্য নিয়েই চিন্তা করি। আমরা যদি ব্যাটিং-বোলিং- ফিল্ডিং; তিন বিভাগেই ভালো খেলি, তাহলে আমার বিশ্বাস, এই টুর্নামেন্টে আমরা বেশ ভালো একটা অবস্থানে থাকবো।’

উল্লেখ্য, মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে সন্ধায় সাড়ে সাতটায় বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নামবে শ্রীলঙ্কা।

বলিউডের সবচেয়ে সাহসী দশ নগ্ন দৃশ্য ! (প্রতিটি দৃশ্যের ভিডিওসহ)

দিন দিন সাহসী হয়ে উঠছে বলিউড। যত বয়স বাড়ছে বলিউডের সাহস তত বাড়ছে। আর তাই সাহস ছাঁটতে কাঁচি হাতে বাজারে নেমে পড়তে হচ্ছে পেহলাজ নেহলানিদের মত হেডস্যারদের। আসুন এমন সময় দেখে নেওয়া যাক বলিউডের সেরা দশ সাহসী দৃশ্য–

১০) মন্দাকিনি (রাম তেরি গঙ্গা মৈলি)-রাজ কাপুরের এই সিনেমায় সাহসকে আলাদা মাত্রা দেন ছবির নায়িকা মন্দাকিনি।

জি-মেইলে যুক্ত হলো নতুন ৫ সুবিধা

আজকাল বেশিরভাগ মানুষ জরুরি সমস্ত কাজই সেরে ফেলেন ই-মেইলের মাধ্যমে। আর ই-মেইল মানেই তো জি-মেইল। ইন্টারনেটে বার্তা আদান-প্রদানের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম জি-মেইল ব্যবহার করে খুশি প্রত্যেক ব্যবহারকারী। এর দ্রুত পরিষেবা এক নিমেষে বহু কাজ সেরে ফেলতে সাহায্য করে। এবার সেই জি-মেইল তাদের পরিষেবাকে আরও দ্রুত এবং আরও উন্নত করতে নিয়ে এসেছে নতুন অনেকগুলো সুবিধা।

-টেক্সটের ফরম্যাট বদলানোটা বেশ জটিল ব্যাপার। বিশেষ করে যারা মোবাইলে মেইল করেন তাদের পক্ষে। এবার অ্যান্ড্রয়েড ফোনে জি-মেইল করলে সেই সুবিধা পাওয়া যাবে। খুব সহজেই বদলাতে পারবেন টেক্সটের ফরম্যাট।

 

-জি-মেইল ব্যবহারকারীদের জন্য এসে গেল ক্যালেন্ডার। এবার জি-মেইলে ক্যালেন্ডারের সুবিধাও ভোগ করতে পারবেন। আর এর ফলে মেইলেই আপনারা জরুরি সমস্ত কাজের শিডিউল করে রাখতে পারবেন।

 

-আপনি যদি ইয়াহু বা হটমেইল থেকে বেশি পছন্দ করেন জি-মেইল ব্যবহার করতে, তাহলে আপনি বেশি কী পেলেন জানেন? যদি না জেনে থাকেন তো জেনে নিন। গুগলের জি-মেইল অ্যান্ড্রয়েড অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আপনি জি-মেইল ছাড়া অন্য যেকোনো মেইল থেকে আপনার মেইল ব্যবহার করতে পারবেন।

 

-জি-মেইলে চালু করা হলো টিএলএস এনক্রিপশন অ্যালার্ট। এর মাধ্যমে আপনি আপনার মেইল বক্সের কোনটা ইনকামিং মেল আর কোনটা আউটগোইং মেল তা চিহ্নিত করতে পারবেন।

 

-আমাদের চারপাশের সমাজটা ক্রমশ প্রতারকে ভরে যাচ্ছে। এই প্রতারণা থেকে ব্যবহারকারীদের বাঁচানোর ব্যবস্থা নিয়েছে জি-মেইল। এবার আনঅথিন্টিকেটেড মেল এলেই সেটাকে চিহ্নত করে দেবে জি-মেইল। খবর: জি-নিউজ।

ইসলামের নির্দেশ অনুযায়ী স্বামীকে পূরণ করতে হবে স্ত্রীর মৌলিক ১০ টি হক!তানাহলে হয় স্ত্রীরা পরকীয়ায় অাসক্ত হবে!দেখুন,,,

বাসর রাত মুমিন জীবনের অন্যতম রাত। যারা পরকীয়া করে, লিভ টুগেদার করে, তারা এ রাতের মর্ম বুঝবে না। যারা বেশ্যা বা বহুগামিতা তাদের কাছে এ রাত বাতুলতা মাত্র। আমরা এ পর্বে বাসর রাতে অবশ্য পালনীয় কিছু টিপ্স নিয়ে আলোচনা করব।

 

০১. গোলাপ ফুল দিয়ে দুজন দুজনাকে বরণ করে নিতে হবে।
০২. উভয়ই মহান আল্লাহকে যে ভালবাসবেন তা পরিষ্কার ভাবে দুজনা বোঝা পড়া করবেন।
০৩. হানিমুনে কোথায় যাবেন তা বাসর রাতেই ঠিক করবেন, সে ক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রীকে এটা ঠিক করতে হবে যে, সবচেয়ে পৃথিবীর মূল্যবান যায়গা মক্কা মদীনায় যাওয়া এবং ওমরা করার পরিকল্পনা করা।
০৪. ছোট খাট ভুলের জন্য কাউকে তিরষ্কার না করা। কাউকে ছোট না করা।
০৫. কোন পক্ষের আত্নীয় স্বজনকে ছোট না করা, গালি না দেওয়া, অপমান না করা।
০৬. জীবনের প্রথম ভালবাসার রাত, তাই ভালবাসা অক্ষুন্ন রাখা।
০৭. দুজনাতে একটু খোশ গল্প করা, জীবন থেকে কোন গল্প বলা।
০৮. ভবিষ্যত জেনারেশনের ব্যাপারে আলাপ সেরে নেওয়া। তবে বেশী দূর অগ্রসর না হওয়াই ভাল।
০৯. মোহরানা যদি বাকি থাকে সেটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া, অল্প দিনের মধ্যেই মোহরানা পরিশোধ করা। স্ত্রী যদি চাকুরি করে তবে টাইম টেবিলটা নিয়ে একটু পরিষ্কার
১০. এ রাতই হল উত্তম ভালবাসার রাত। দুজনার সব আকুতি মেশানো ভালবাসা দিয়ে দুজনাকে জয় করা। কোন ভাবেই যেন ফজরের নামাজ কাজা না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখা ।

 

ইসলামে নারী-পুরুষের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য বিয়েই হচ্ছে একমাত্র বৈধ উপায়। বিয়েতে মোহরানা ধার্য করা এবং তা যথারীতি আদায় করার জন্য ইসলামে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রীকে মোহরানা প্রদান করা ফরজ।

কোরআন ও হাদীসের আলোকে মোহরানা :

মোহরানা সম্পর্কে কোরআনের বানী :

আল্লাহ তায়ালা বলেন,
‘তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের নিকট যে যৌন স্বাধ গ্রহন কর, তার বিনিময়ে তাদের মোহরানা ফরজ মনে করে আদায় কর।’ (সূরা নিসা-২৪)

 

আল্লাহ তায়ালা বলেন,
‘অতঃপর নারীদের অভিভাবকের অনুমুতি নিয়ে তাদের বিয়ে কর এবং তাদের মোহর যথাযথভাবে আদায় করে দাও।’ (সূরা নিসা-২৫)

 

আল্লাহ তায়ালা বলেন,
“স্ত্রীদের প্রাপ্য মোহরানা আদায় করে দাও, খূশী হয়ে ও তাদের প্রাপ্য অধিকার মনে করে।’ (সূরা নিসা-৪)

 

অত্র আয়াত সমুহ প্রমাণ করে যে, মোহরানা ফরজ বা আদায় করা অপরিহার্য।

 

মোহরানা সম্পর্কে রাসুল (সাঃ) এর বানী :

উক্ববা ইবনু আমের (রাঃ) বলেন, রাসুল (সাঃ) বলেছেন, “অবশ্যই পূরণীয় শর্ত হচ্ছে, যার বিনিময়ে তোমরা স্ত্রীর যৌনাঙ্গ নিজেদের জন্য হালাল মনে কর।’ (বুখারী,মুসলিম)

 

মহানবী (স.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোন মেয়েকে মোহরানা দেয়ার ওয়াদায় বিয়ে করেছে, কিন্তু সে মোহরানা আদায় করার তার ইচ্ছে নেই, সে কেয়ামতের দিন আল্লাহর সামনে অপরাধী হিসেবে দাঁড়াতে বাধ্য হবে।’ (মুসনাদে আহমেদ)।

 

সুতরাং মোহরানা স্ত্রীর এমন একটি প্রাপ্য যা তিনি স্বামীর সঙ্গে মিলিত হওয়ার আগে পাওনা হন, তবে স্ত্রী (স্বেচ্ছায় ও স্বত:স্ফূর্তভাবে) সময় দিলে বাকি রাখা যাবে। কিন্তু মোহরানার অর্থ আবশ্যিকভাবে পরিশোধ করতে হবে। বিবাহিত স্ত্রীকে অসহায় মনে করে ছলে-বলে-কৌশলে বা অজ্ঞতার সুযোগে মাফ করিয়ে নিলে মাফ না হয়ে তা হবে জুলুম-প্রতারণা। এ জুলুম প্রতিরোধকল্পে মহান আল্লাহপাক ঘোষণা করেন – ‘যদি স্ত্রী নিজের পক্ষ থেকে স্বত:প্রবৃত্ত হয়ে মোহরের কিছু অংশ ক্ষমা করে দেয়, তবে তোমরা তা হৃষ্টচিত্তে গ্রহণ করতে পার।’ (সূরা নিসা, আয়াত-৪)।

 

মোহরানা এককালীন আদায় করতে অক্ষম হলে, উত্তম হল কিছু অংশ নগদ আদায় করে বাকি অংশ পরে আদায় করা, তা ধীরে ধীরে কিস্তিতে পরিশোধ করা। তবে মোহরানা নির্ধারণ করতে হবে স্বামীর সামর্থ্য অনুযায়ী যাতে তিনি সহজেই তা পরিশোধ করতে পারেন। কিন্তু বর্তমান সমাজের দু:খজনক ঘটনা হলো-বিশাল আকারের মোহরানা বাধা হয় নামে মাত্র অথচ বহুলাংশে তা পরিশোধ করতে দেখা যায় না।

 

আমাদের সমাজে কি দেখতে পাচ্ছি ?

আজ থেকে ২০/২৫ বছর আগেও বিয়েতে অল্প পরিমান মোহরানা ধার্য করা হতো। স্ত্রীকে প্রদান করতো কিনা আমার জানা নেই। তবে বর্তমানে বিয়েতে বেশী পরিমানে মোহরানা ধার্য করা হচ্ছে তার অন্যতম কারন হচ্ছে –

বিবাহ বিচ্ছেদ দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই মোহরানা বেশী ধার্য করা হয় যাতে স্বামী স্ত্রীকে তালাক দিতে ভয় পায়।

 

*** বর্তমানে ধনী পরিবারের বিয়েতে লোক দেখানোর জন্য কোটি টাকা মোহরানা ধার্য করা হয়।
*** মধ্যেবিত্ত পরিবারের বিয়েতেও ১০ লক্ষ টাকার উপরে মোহরানা ধার্য করা হয়।
*** নিম্মবিত্ত পরিবারের বিয়েতে ২ লাখ টাকার উপরে মোহরানা ধার্য করা হয়।
*** বিয়েতে স্ত্রীকে দেয়া স্বর্ন ক্রয়ের টাকাটা অর্ধেক অথবা পুরাটাই মোহরানা থেকে কর্তন করা হয়। আর বাকীটা পরে প্রদান করার প্রতিশ্রতি দিয়ে থাকে।

 

মিথ্যা ওয়াদা দিয়েই নব-দম্পর্তির সংসার জীবন শুরু হয় :

স্ত্রীকে মোহরানা আদায় করা ফরজ। আর এই ফরজ কাজটি না করে কিভাবে সংসার জীবন শুরু করবে? তাই বিয়ের পর স্ত্রীর সাথে প্রথম সাক্ষাতেই এই বিষয়টি ফয়সালা করা হয়। বউকে পরবর্তীতে প্রদান করার ঘোষনা দিয়েই সংসার জীবন শুরু করতে হয়। অচত আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের নিকট যে যৌন স্বাধ গ্রহন কর, তার বিনিময়ে তাদের মোহরানা ফরজ মনে করে আদায় কর।’ তারপর মোহরানা আদায় না করে বছরের পর বছর স্ত্রীর সাথে বসবাস করে। স্ত্রীও সংসারের সুখ-শান্তি নষ্ট হবার ভয়ে স্বামীর কাছে মোহরানা অর্থ চাইতে সংকোচ করে। অনেকে স্বামী মোহরানার অর্থ আদায় না করেই কোন এক সময় না ফেরার দেশে চলে যায়। অনেকে সংসারে অশান্তি দেখা দিলে তালাকের মাধ্যমে দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘঁটান আর তখনই স্বামীকে আদালতের রায়ের মাধ্যমে মোহরানার অর্থ পরিশোধ করতে বাধ্য হয়।

আল্লাহ ও রাসুল (সাঃ) এর নির্দেশকে অমান্য করে আজ আমরা বিয়েতে মোহরানা কে কত বেশী দিতে পারি, কে কত নিতে পারি সেই প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছি। যার ফলে সংসারে অশান্তি,ভূল-বোঝাবুঝি, পরিশেষে বিচ্ছেদের মত ঘঁটনা ঘটে।

 

তাই সবাইকে বলছি, বিয়েতে সমতা রক্ষা করুন। কম মোহরানা ধার্য করুন। আর মোহরানা আদায় করেই সংসার জীবন শরুন। মনে রাখবেন, পরবর্তীতে প্রদান করার মিথ্যা প্রতিশ্র“তি দিয়ে সংসার শুরু করলেও যে কোন মুহুত্বে আপনার মৃত্যু হতে পারে। তখন আপনার স্ত্রী কার কাছে মোহরানা চাইবে? যদি মোহরানা আদায় করার মত কিছু না থাকে? স্ত্রীর মোহরানা আদায় না করে আপনি কি জান্নাতে যেতে পারবেন?

 

তাই কেবল সামাজিক স্টাটাস রক্ষার জন্য মোটা অংকের মোহরানা নয়; বরং সামর্থ্যরে মধ্যে মোহরানা বেঁধে নির্দিষ্ট সময়ে বাসর হওয়ার আগেই তা পরিশোধ করে দেয়া উচিত।

 

কাহিনীঃ জাফর তানিয়াকে ১৬ লাখ টাকা মোহরানা ধার্য করে বিয়ে করেছে। বিয়েতে জাফর তানিয়াকে দশ ভরি স্বর্ণ উপহার দেয়। দুই পরিবারের সম্মতিতে স্বর্নের মূল্য থেকে তিন লাখ টাকা উসুল দেখিয়ে বাকী টাকা পরে পরিশোধ করার অঙ্গীকার করে বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পরে বাসর রাতে জাফরের ভাবী রুমে প্রবেশ করে মোহরানার বাকী টাকাটা কিভাবে পরিশোধ করবে জাফরের কাছে জানতে চায়। জাফর পরবর্তীতে পরিশোধ করবে বলে ভাবীর সামনে তানিয়াকে জানায়। তানিয়া এই প্রস্তাবে রাজী হয়ে জাফরকে নিয়ে স্বপ্নের বাসর রাত পার করে।

 

বাসর রাতে বিড়াল মারা নিয়ে বিবাহিত/অবিবাহিত নারী/পুরুষরা নানা গুঞ্জন করে থাকে। একেক একজন একেক দৃষ্টি ভঙ্গিতে দেখে। সবাই এই বিষয়টিকে নিয়ে হাসি-তামাশা করে। বিড়াল মারতে পারলে সবাই খুশী। তবে দুঃখ জনক হলেও সত্য যে আজকাল স্বামীরা বাসর রাতে বিড়াল মারা তো দুরের কথা উল্টো বউয়ের কাছে মাফ চাইতে হয়। কেন মাফ চাইতে হয় জানেন? তাহলে শুনুন।

 

আজ থেকে কয়েক দশক আগেও বিয়েতে খুব অল্প পরিমান মোহরানা ধার্য করা হত। বেশীর ভাগ স্বামী মোহরানা আদায় করে দিত। কেউবা বউয়ের নামে জমি লিখে দিত। কিন্তু আজকাল মোহরানা নিয়ে বর-কনে দু’পক্ষের মধ্যে দর কষাকষি শুরু হয়।

 

ডিজিটাল এই যুগে তালাকের পরিমান দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই তালাক ঠেকাতে এখন মোহরানার পরিমান বেশী ধার্য করা হয়। মোহরানার টাকা স্বামী স্ত্রীকে দিতে পারবে কি পারবে না তা আর কেউ দেখে না। এখন বেশী টাকা মোহরানা ধার্য করে বিয়ে ঠিকিয়ে রাখার জন্য সবাই চেষ্টা করে। স্বামীকে চাপের মধ্যে রাখে। এই সুযোগে স্ত্রীদের পক্ষ থেকে তালাকের প্রস্তাব বেশী আসছে। তাই তালাকের পরিমান দিন দিন বেড়েই চলেছে।

 

ইসলামে মোহরানা আদায় করে স্ত্রীর কাছে যেতে বলা হয়েছে। বর্তমানে বিয়েতে স্ত্রীকে উপহার দেয়া স্বর্নের মূল্য হিসাব করে কিছু টাকা উসুল দেখিয়ে মোহরানার বাকী টাকাটা বাকীর খাতায় রেখে দেয়া হয়। তাই মোহরানার টাকা শত ভাগ পরিশোধ না করে বাসর রাতে স্বামী স্ত্রীকে মোহরানার বাকী টাকা পরে পরিশোধ করার ওয়াদা করে থাকে। স্ত্রীও স্বামীর কথায় বিশ্বাস করে সংসার জীবন শুরু করে। তাই বাসর রাতে বিড়াল মারার পরিবর্তে উল্টো স্ত্রীর কাছে মোহরানার টাকা নিয়ে ছোট হতে হয়।

 

দাম্পত্য জীবনে কোন এক সময় ভুল-বুঝাবুঝি হলে তালাকের মাধ্যমে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাইলে স্বামী স্ত্রীকে মোহরানার টাকা পরিশোধ করতে হয়। মোহরানার টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে স্বামী জেলের ভাত খেতে হয়।

 

তাই বাসর রাতে বিড়াল মারা নিয়ে যারা অতি উৎসাহী তাদেরকে বলতে চাই, বাসর রাতে বিড়াল মারার আগে স্ত্রীর মোহরানা আদায় করুন। মোহরানা আদায় না করে যদি আপনার মৃত্যু হয় তাহলে আপনাকে কঠিন শাস্তি পেতে হবে –

 

ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে বাসর রাতে স্বামী-স্ত্রীর করণীয় কি পড়ে দেখুনঃ

বাসরঘর ও কনে সাজানো এবং তাদের জন্য দোয়া করাঃ

নতুন বর ও কনের জন্য একটি ঘরের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন, যেখানে সুন্দরভাবে সাজিয়ে সুসজ্জিত করে বরের নিকট পেশ করা হবে। যেসব মহিলারা কনেকে সাজাবে তারা তাদের (বর-কনে) জন্য কল্যাণ, বরকত ও সৌভাগ্যবান হওয়ার জন্য দোয়া করবে।

 

বর-কনের জন্য ঘরের ব্যবস্থা করা এবং কনেকে সাজানো সুন্নত। আসমা বিনতে ইযাযিদ (রাঃ) বলেন, আমি রাসুল (সাঃ) এর জন্য আয়েশাকে সুসজ্জিত করেছিলাম।