চুল পড়া কমায় যে ভেষজে

চুল পড়া কি বেড়ে গেছে? আধুনিক সব ট্রিটমেন্টের পরেও চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে? নানা কারণে চুল পড়া বেড়ে যেতে পারে। যেমন ধরুন- পরিবেশ দূষণ, বয়স, স্ট্রেস, স্মোকিং, পুষ্টির অভাব, হরমোনাল ইমব্যালেন্স, জেনেটিক কারণ, স্কাল্প ইনফেকশন, হেয়ার প্রোডাক্টের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার, বেশ কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, থাইরয়েড, অটোইমিউন ডিজিজ, পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম, অ্যানিমিয়া প্রভৃতি। আমাদের মাথায় স্বাভাবিক অবস্থায়…

Bangla Lifestyle Tips

অবসর জীবন হোক ভাবনাহীন

অবসর নেওয়ার জন্য আগে থেকেই চিন্তাভাবনা করা উচিত। কিভাবে অবসর নিলে বাকি জীবনটা শান্তিমতো কাটানো যায়, তা আগেই ঠিক করা উচিত। এ ক্ষেত্রে কিছু বিষয় জেনে রাখলে অবসরের সময়টা স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে কাটানো সম্ভব হবে। টাকাই সব নয় এটি অনেকের কাছেই উভয় সংকটের মতো। অবসরে বেশ কিছু পরিমাণ অর্থ থাকলেই আপনি কি স্বাচ্ছন্দ্যে থাকতে পারবেন? বিশেষজ্ঞরা…

Hollywood Celebrity News

হলিউড সেলিব্রিটিদের সংগ্রহে থাকা ব্যক্তিগত বিমান

তারকা মানেই ‘জেট সেট লাইফস্টাইল’। শ্যুটিংয়ের প্রয়োজনে কিংবা অন্য কোনও দরকারে বিমানবন্দরে লাইন দিয়ে বোর্ডিং পাস নেওয়ার কী দরকার? ব্যক্তিগত বিমান রয়েছে তো! জ্যাকি চ্যানের কথাই ধরা যাক, একখানা আস্ত বিমান উপহার পেয়েছেন অভিনেতা। কারণ, তাঁকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাস্যাডর করার পর লাভের মুখ দেখেছে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থা। তাই জ্যাকিকে সংস্থার সামান্য উপহার। জ্যাকি ছাড়াও অনেক হলিউড…

সামুদ্রিক খাবারে অ্যালার্জি থেকে বাঁচতে এগুলো মাথায় রাখুন। অ্যালার্জি সারানোর উপায়, অ্যালার্জি প্রতিরোধক উপাদান

সামুদ্রিক খাবারে অ্যালার্জি থেকে বাঁচতে এগুলো মাথায় রাখুন। অ্যালার্জি সারানোর উপায়, অ্যালার্জি প্রতিরোধক উপাদান

ফুড অ্যালার্জির মধ্য যা আমাদের সবচেয়ে বেশি ভোগায় তা হল সি ফুড অ্যালার্জি। বহু মানুষই রয়েছেন যাদের শরীরে সি ফুড সহ্য হয় না। সাধারণত অপরিষ্কার ও সহজে সংক্রমিত হওয়ার কারণেই এমনটা হয়ে থাকে। সি ফুড কেনা, সংরক্ষণ ও রান্নার ব্যাপারে কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চললে অ্যালার্জি এড়িয়ে চলা যায়। ১. বাজার থেকে কেনা কাঁচা, টাটকা…

১০ মুসলিম সুন্দরী যারা হিন্দু সেলিব্রিটিদের বিয়ে করেছেন

১০ মুসলিম সুন্দরী যারা হিন্দু সেলিব্রিটিদের বিয়ে করেছেন

বলিউডের কথা যদি বলি এখানে অনেকে সেলিব্রিটি পাবেন যাদের মধ্যে ভালোবাসা হওয়াটা সাধারণ ব্যাপার। এখানে অনেক এমন সেলিব্রিটি আছেন যারা inter caste marriage করেছেন। মানে যারা বিয়ে করার সময় কোনো জাতি ধর্ম দেখেননি। ভারতে এখনো inter caste marriage কে ভালো চোখে দেখা হয় না। তার মধ্যে যদি হিন্দু-মুসলিমের বিবাহের কথা আসে তাহলে তো অনেক বড়ই…

ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্রের অধিকারী ১০ দেশ

ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্রের অধিকারী ১০ দেশ

প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পরাশক্তিদের সমরাস্ত্রের প্রতিযোগিতা। নিত্য নতুন ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ বাড়িয়ে চলছে রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, উত্তর কোরিয়া ও ইরান। চলুন জেনে নিই ভয়ঙ্কর সব ক্ষেপণাস্ত্রের অধিকারী শীর্ষ ১০টি দেশ ও তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের নাম- ১. রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে বিশ্বে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে রাশিয়া। পৃথিবীর সবচেয়ে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র আর-৩৬এম রয়েছে রাশিয়ারই হাতে। এর পাল্লা…

পরপর দুই দিনের ভূমিকম্পে নিহত ৪১

oijbvhu

প্রকৃতি যেন আবারও মনে করিয়ে দিল, বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে এত অগ্রগতির পরও তার কাছে কতটা অসহায় জাপানবাসীর জীবন। দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমের প্রধান দ্বীপ কিউশুর কুমামোতো জেলায় বৃহস্পতিবার ভূমিকম্প আঘাত হানার পর যখন উদ্ধার তৎপরতা চালাতে কর্তৃপক্ষ দিশেহারা; তার মধ্যেই শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে আরও শক্তিশালী ভূমিকম্প একই এলাকায় আঘাত হেনেছে।
জাপানের আবহাওয়া এজেন্সি বলছে, রিখটার স্কেলে সর্বশেষ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৩। এই আঘাতে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তৃতি অনেকটাই বেড়ে গেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার আঘাত হানে ৬ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প। সব মিলিয়ে দুই দিনের ভূমিকম্পে অন্তত ৪১ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে এক হাজারের বেশি মানুষ।
পাঁচ বছর আগে প্রচণ্ড শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর সুনামি জাপানের প্রায় ২০ হাজার প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল। মাত্র এক মাস আগে জাপান পালন করেছে সেই ধ্বংসযজ্ঞের বার্ষিকী। পাঁচ বছর আগে প্রকৃতি তার খামখেয়ালিপনার খেলা দেখিয়েছিল উত্তর-পশ্চিম জাপানের বিস্তৃত এলাকাজুড়ে। আর ঠিক পাঁচ বছর পর প্রকৃতি বেছে নিয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলকে।

কুমামোতোর পর্যায়ক্রমিক ভূমিকম্প থেকে সুনামি দেখা না দেওয়াকে অনেকেই আংশিক সৌভাগ্য হিসেবে দেখছেন। কেননা, সে রকম কিছু হলে পরিণতি হয়তো হতে পারত আরও ভয়াবহ।

দ্বিতীয় ভূমিকম্পের পর কুমামোতো এবং আশপাশের অন্যান্য শহর ও বসতির অনেক লোকজন বাড়িঘর ছেড়ে বাইরে খোলা জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন। অটোমোবাইল এবং ইলেকট্রনিকস কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। প্রায় দুই লাখ বাড়িঘরে বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং প্রায় সমপরিমাণ আবাসন পানি সরবরাহ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে। এ ছাড়া দূরবর্তী অনেক জায়গায় ধসে পড়া বাড়িঘরের নিচে আটকা পড়ে যাওয়া লোকজন সম্পর্কেও খবরাখবর সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

কুমামোতো শহর ও আশপাশের অন্যান্য জনবসতির যেসব লোক বাড়িঘর ছেড়ে বাইরে আশ্রয় নিয়েছে, তাদের সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন আশ্রয়কেন্দ্রে উঠে আসার অনুরোধ জানিয়েছে।

জাপানের আবহাওয়া সংস্থা বলেছে, ভূমিকম্প আঘাত হানা এলাকাসহ কুমামোতো ও পাশের কয়েকটি জেলায় টানা বর্ষণ শুরু হতে পারে। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ হতে পারে ১০০ থেকে ১৫০ মিলিমিটার। ভূমিকম্পে বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় উপরিভাগের মাটি আলগা হয়ে পড়ায় বৃষ্টি থেকে কাদার ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণেই স্থানীয় অধিবাসীদের সতর্ক করে দিয়ে উন্মুক্ত জায়গায় অবস্থান না করে অস্থায়ী বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে উঠে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কুমামোতো জেলার স্থানীয় প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, ৯২ হাজার লোক বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। এদিকে দুর্গত এলাকায় গতকাল শনিবার ভূমিকম্প-পরবর্তী কম্পন দিনব্যাপী অনুভূত হওয়ায় স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক বেড়ে গেছে।

ব্রেকিং নিউজ !! এবার কলেজ ছাত্রী তনু হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চলছে !! অভিযোগ !

বাংলাদেশে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় একজন শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ তুলে কুমিল্লা এবং রাজধানী ঢাকায় আজ বিভিন্ন সংগঠন বিক্ষোভ করেছে। তাঁর পরিবারও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচার দাবি করেছে।গত রোববার কুমিল্লা সেনানিবাসেরই বাসিন্দা সোহাগী জাহান তনু নামের ঐ শিক্ষার্থীর মৃতদেহ পাওয়া যায় ।নারী অধিকার আন্দোলনকারীরা বলেছেন, আগে ধর্ষণের জন্য নারীদের পোশাক-আশাককে দায়ী করা হতো। এখন এই ঘটনার পর পোশাকের শালীনতার সঙ্গে ধর্ষণের যোগাযোগ কতটা সম্পর্কিত তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।সোহাগী জাহান তনুর বাবা কুমিল্লা সেনানিবাসে বোর্ডে একজন বেসামরিক কর্মচারী।সেই সুবাদে সেনানিবাসে কোয়াটারে তাদের বসবাস ।তিন ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট সোহাগী জাহান তনু কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে ইতিহাস বিভাগে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।তাঁকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ তুলে তাঁর কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বুধবার কুমিল্লায় বিক্ষোভ করেছে।ঢাকাতেও শাহবাগ এলাকায় গণজাগরণ মঞ্চ এবং ছাত্র ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সংগঠন বিক্ষোভ করেছে।সোহাগী জাহান তনু লেখাপড়ার পাশাপাশি তাঁর কলেজে নাটকসহ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথেও জড়িত ছিলেন।টানাটানির সংসারে তিনি কুমিল্লা সেনানিবাসের ভিতরেই টিউশনি করে নিজের খরচের কিছুটা যোগাতেন। তাঁর বড় ভাই নাজমুল হোসেন বলেছেন, গত রোববার ২০শে মার্চ বিকেলে তাঁর বোন টিউশনি করতে গিয়েছিল। কিন্তু রাত আটটাতেও না ফিরলে তাদের মা খুঁজতে রাস্তায় খুঁজতে যান।মি: হোসেন আরও জানিয়েছেন, তাঁর বোন যে বাসায় পড়াতে যেতেন, সেই বাসায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সন্ধ্যা সাতটাতেই তনু চলে গেছে। রাত দশটার দিকে তাদের বাবা বাসায় ফিরলে তখন আবার তারা খুঁজতে বের হন। যে পথ দিয়ে টিউশনির বাসায় যেতেন, সেই পথেই সেনানিবাসের ভিতরে একটি কালভার্টের নীচে মৃতদেহ পাওয়া যায়।ঢাকায় বিক্ষোভ থেকে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বিক্ষোভে অংশ নেয়া কয়েকজন বলছিলেন, ঘটনার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ পরিষ্কার করে কিছু বলছে না, সেজন্য তাদের সন্দেহ হচ্ছে।কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন বলেছেন,ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হত্যা করা হতে পারে ,পুলিশ প্রাথমিকভাবে এমন ধারণা করছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই তিনি বিস্তারিত বলতে রাজি নন।সোহাগী জাহান তনু হিজাব পড়তেন। এ ধরণের ছবি সামাজিক নেটওয়ার্কে প্রকাশ হয়েছে।নারী অধিকার নিয়ে আন্দোলনকারী সংগঠনগুলো বলছে, এর আগে কোনো নারী ধর্ষণের শিকার হলে তার পোশাক নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলতেন।এখন সেই প্রশ্ন অবান্তর বলে মনে করেন নারী আন্দোলনের অন্যতম একজন নেত্রী ফরিদা আকতার। তিনি বলেছেন, “যারা নারীদের ওপর শারীরিকভাবে আক্রমণ করে, পোশাক বা বয়স কোন কিছুই তাদের কাছে বিষয় নয়। এটা বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে”।ফরিদা আকতার আরও বলেছেন, “ধর্ষণের শিকার নারীর পোশাককে যারা দায়ী করতে চায়, তারা আসলে ক্ষতিগ্রস্ত নারীকে দোষী বানাতে চায়।তারা নারীর বিরুদ্ধেই কথা বলে”।ঘটনাটিকে ঘিরে সামাজিক নেটওয়ার্ক ফেসবুকে কিছু তৎপরতা দেখা যায়। মুল ধারার সংবাদমাধ্যমে এই ঘটনা নিয়ে সেভাবে খবর চোখে পড়েনি। সূত্র: বিবিসি বাংলা

অর্থনৈতিক অবরোধ প্রত্যাহার করুন

কিউবার প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর সঙ্গে নিজের প্রথম সংবাদ সম্মেলনে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘নতুন দিনের’ আগমনের সূচনা বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। কিউবার রাজধানী হাভানার প্যালেস অব দ্য রেভল্যুশনে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে মানবাধিকার প্রশ্নে দুই নেতা অবশ্য মতবিরোধেও জড়ান।

ওবামার ঐতিহাসিক সফরের দ্বিতীয় দিন সোমবার বৈঠকে বসেন ওবামা ও রাউল। পরে সংবাদ সম্মেলনে গুয়ানতানামো বে কারাগার, কিউবার রাজনৈতিক বন্দিসহ মানবাধিকার ইস্যুতে তাঁদের মধ্যে বাদানুবাদ হয়।

গতকাল মঙ্গলবার তিন দিনের সফরের শেষ দিন গতকাল মঙ্গলবার ওবামার কিউবাবাসীর উদ্দেশে টেলিভিশনে সরাসরি ভাষণ দেওয়ার কথা। ভাষণ শেষে তাঁর দেশটির ভিন্নমতাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সূচি নির্ধারিত ছিল।

কিউবায় অনেক ভিন্নমতাবলম্বীদের কারাগারে আটক রাখা হয়েছে—এর প্রতিক্রিয়ায় রাউল বলেন, যদি তাঁকে তালিকা দেওয়া হয় তবে তিনি ‘আজ রাতের (সোমবার) মধ্যেই তাদের মুক্তি দেবেন।’

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে বলা হয়, ভিন্নমতাবলম্বীদের তালিকা কিউবার কাছে আগেই দেওয়া হয়েছে।

কিউবার প্রেসিডেন্ট বলেন, সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে কিউবার ওপর ৫৪ বছর ধরে আরোপ করে রাখা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে। গুয়ানতানামো নৌ-ঘাঁটিও কিউবাকে ফেরত দিতে হবে। ওবামা নিষেধাজ্ঞার প্রশ্নে বলেন, সময়ের সঙ্গে তা পুরোপুরি তুলে নেওয়া হবে।

কিউবার মানবাধিকার পরিস্থিতির নিয়ে অভিযোগ অস্বীকার করে রাউল যুক্তরাষ্ট্রের সমস্যার দিকে আঙুল তোলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা মানবাধিকার রক্ষা করি, আমাদের দৃষ্টিতে বেসামরিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক অধিকার আলাদা করা যায় না, এগুলো পরস্পর নির্ভরশীল এবং বিশ্বব্যাপী তা সত্য।’

স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সম-অধিকারে কিউবা শক্তিশালী রেকর্ডের অধিকারী দাবি করে রাউল যুক্তরাষ্ট্রের বর্ণবাদ, পুলিশি সহিংসতা এবং গুয়ানতানামো কারাগারে বন্দিদের ওপর অকথ্য নির্যাতনের বিষয় তুলে ধরেন। খোলাখুলি আলোচনার জন্য রাউলের প্রশংসা করে ওবামা বলেন, মানবাধিকারের ইস্যুতে অগ্রগতি হলে তাঁদের সম্পর্কের ফুল ‘পূর্ণভাবে ফুটবে।’ সূত্র : এএফপি, বিবিসি।

– See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/deshe-deshe/2016/03/23/339149#sthash.BQbm3vWp.dpuf

ক্ষমতার ভারসাম্য, গণতন্ত্র ও খালেদা জিয়ার উপলব্ধি

এপ্রিল ২০০৩। চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা তখন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট। দুই দিনের সফরে ঢাকায় এসেছিলেন। তখন তিনি ঢাকার শেরাটন হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, শ্রীলঙ্কার সংবিধান দেশটির প্রেসিডেন্টকে এত বেশি ক্ষমতা দিয়েছে যে তিনি নারীকে পুরুষ এবং পুরুষকে নারীতে পরিণত করা ছাড়া সবই পারেন। তাঁর সেই শ্লেষাত্মক জবাব শুনে অনেকেই তখন হো হো করে হেসেছিলেন। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় সে বক্তব্য খুবই তাত্পর্যপূর্ণ বলে মনে করি।

বাংলাদেশের সংবিধানও কিন্তু প্রধানমন্ত্রীকে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী করেছে। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপরই সবকিছু নির্ভর করে। অন্যদের কিছুই করার নেই। অন্যরা শুধু প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মোতাবেক কাজ করেন। বর্তমান ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির কোনো ক্ষমতা নেই। স্রেফ একটি আলংকারিক পদ।

এ প্রসঙ্গে সাবেক রাষ্ট্রপতি ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেছিলেন, মৃত ব্যক্তির জানাজায় অংশ নেওয়া ও কোনো অনুষ্ঠানের ফিতা কাটা ছাড়া রাষ্ট্রপতির আর কোনো কাজ নেই। তিনি এ-ও বলেছিলেন, তিনি রাষ্ট্রপতি পদটিকে অপরিহার্য করে তুলবেন। তবে সেটা করতে গিয়েই তিনি বেশ বিপদে পড়েন এবং একপর্যায়ে পদত্যাগ করতেও বাধ্য হন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া হয়তো তখনো উপলব্ধি করতে পারেননি, রাষ্ট্রপতিকে কিছু ক্ষমতা দেওয়া দরকার। তিনি পূর্ণ মেয়াদে দুবার এবং অতি অল্প সময়ের জন্য একবার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। সব কিছুই চলত তাঁর নির্দেশ মোতাবেক। একচ্ছত্র সেই ক্ষমতার ভাগ রাষ্ট্রপতিকে দেওয়ার কথা চিন্তাও করেননি; বরং বি. চৌধুরী একটু নড়াচড়া করতে গিয়ে রীতিমতো বিপদে পড়েছিলেন। এখন খালেদা জিয়াই বলছেন, তিনি ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতার শেয়ার দেবেন। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর কিছু ক্ষমতা রাষ্ট্রপতিকেও দেওয়া হবে।

এ কথা শুনে বেরসিক লোকেরা বলা শুরু করেছে, ভবিষ্যতে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে খালেদা জিয়া হয়তো রাষ্ট্রপতির আসনে বসবেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী তো ছিলেনই। এখন তাঁর লক্ষ্য রাষ্ট্রপতি হওয়া। আসলে দেশের অভিভাবক তো রাষ্ট্রপতিই। সে কারণে তিনি আগে থেকেই রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে রেখেছেন। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে তিনি যে ক্ষমতা উপভোগ করেছেন রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর ক্ষমতাশূন্য হবেন; তা কী করে হয়! শুধু ফিতা কেটে তো আর দিন পার করা যায় না!

তবে এটা ঠিক, বাংলাদেশের মতো গণতান্ত্রিক দেশে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য থাকা দরকার। একচ্ছত্র ক্ষমতা অনেক সময়ই বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়েও অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীকে একনায়ক করে তুলতে পারে। তাতে গণতান্ত্রিক চর্চা ব্যাহত হয়। সহনশীলতা ও সহমর্মিতার পরিবর্তে স্বেচ্ছাচারী রাজনীতির উদ্ভব ঘটায়। গণতন্ত্রের স্বার্থেই রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিএনপির প্রস্তাব ইতিবাচক বলে মনে করি।

একই সঙ্গে বিএনপি আরেকটি ভালো প্রস্তাব দিয়েছে। ক্ষমতায় গেলে তারা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ করবে বলে অঙ্গীকার করেছে। একসময় জাসদ নেতা আ স ম আবদুর রব দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের ব্যাপারে খুব সোচ্চার ছিলেন। কিন্তু তাঁর বক্তব্যকে তখন বলা হতো পাগলের প্রলাপ। সেই একই ধরনের প্রস্তাব এবার বড় একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে উত্থাপন করা হলো।

আমাদের সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় সংসদের একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল সংবিধানও পরিবর্তন করতে পারে। সংগত কারণেই একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল সংবিধানকে ওলটপালট করে দিতে পারে। এটা অনেক সময় বিপদ ডেকে আনতে পারে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল সব সময়ই যে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে, তা কিন্তু নয়। অনেক সময় অতি জনপ্রিয় দলও সংসদের বাইরে থাকতে পারে।

বর্তমান ব্যবস্থায় সংসদের বাইরে থাকা রাজনৈতিক দলের কোনো ভূমিকা নেই। দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হলে সংসদের ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে কোনো বিতর্কিত বিল পাস হওয়ার আশঙ্কা অনেকটা কমে যায়। সংবিধানকে কথায় কথায় কাটাছেঁড়া করাও কঠিন হবে। জনবিরোধী বিল পাসের ক্ষেত্রেও চরম বাধার মুখে পড়বে ক্ষমতাসীনরা।

ভারত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ চালু রয়েছে। এর ফলে সংসদেও একটা ‘চেক অ্যান্ড ব্যালান্স’-এর ব্যবস্থা আছে। এর মধ্য দিয়েই গণতন্ত্র পরিশীলিত হয়। গণতন্ত্রের মুখোশ পরে কেউ যদি ক্ষমতার অপব্যবহার করতে চায়, তাহলে আটকাবে কে? একটা ব্যবস্থা তো রাখতে হবে!  আমরা মুখে মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে ফেনা তুললেও করি তার উল্টোটা। প্রতিপক্ষকে যতভাবে ঘায়েল করা যায়, তা করতে একটুও দ্বিধা করি না। আবার দেশের গণতন্ত্রের কথা যত বেশি জোর দিয়ে বলি, দলের গণতন্ত্রের ব্যাপারে ততটাই নীরব থাকি। আর ব্যক্তির গণতন্ত্র, সে তো অনেক দূরের ব্যাপার! খুব কম মানুষই আছেন, যাঁরা অন্যের মতকে গুরুত্ব দেন। সবাই ‘আমি’তে বিশ্বাসী। আর সেই আমিত্বই মানুষকে স্বেচ্ছাচারী করে তোলে।

আজকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের যে সংকট, সেটা মূলত স্বেচ্ছাচারী মনোভাবের কারণে। কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে বিএনপি বলতে বাধ্য হচ্ছে, তারা ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে প্রতিহিংসার রাজনীতি করবে না। কারো ওপর জুলুম করবে না। তার মানে কী? অতীতে তারা যে প্রতিহিংসার রাজনীতি করেছে, জোরজবরদস্তি করেছে, তা স্বীকার করে নিয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে না করার অঙ্গীকার করেছে। এটা একটা শুভ লক্ষণ বলে মনে করি।

এ ধরনের উপলব্ধি ক্ষমতাসীন দলেরও হওয়া দরকার। ‘ধরি-মারি-খাই’ নীতি বাদ দিয়ে তারা যদি কিছুটা গণতন্ত্রের চর্চা করে, প্রতিপক্ষকে রাজনীতি করার সুযোগ দেয়, তাহলে দেশের অনেক উপকার হবে। তারা যে প্রক্রিয়ায় গণতন্ত্র চর্চা করছে, তা যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে গণতন্ত্রের সংজ্ঞা ভিন্নভাবে রচিত হবে। প্রতিপক্ষকেও রাজনীতি করার সুযোগ দিতে হবে। প্রতিপক্ষের মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। সেই দৃশ্য কি আমরা দেখতে পাব?

২.

বিএনপি নেত্রী মুখে গণতন্ত্রের বুলি আওড়ান। অথচ তাঁর দলে কোনো গণতন্ত্র নেই। এত বছর পর একটা কাউন্সিল হলো; তার কোনো কার্যকারিতা আমরা দেখলাম না। শুধু লোকদেখানো কাউন্সিল করার কী দরকার ছিল? তিনি এবং তাঁর ছেলে তারেক রহমান তো আগেভাগেই নিজেদের পদ বাগিয়ে নিয়েছেন। এটা না করে কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচিত হলে কী এমন ক্ষতি হতো? খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের পদে কে লড়তে যেত? কার ঘাড়ে কয়টা মাথা? অথচ তাঁরা কাউন্সিলের আগেই কাজ সেরে ফেলেছেন। হাস্যকর সব কাণ্ডকীর্তি।

এবার কাউন্সিলে দলের গঠনতন্ত্র সংশোধন করে বিএনপি চেয়ারপারসনের ক্ষমতা নাকি আরো বাড়ানো হয়েছে। কাউন্সিলে দল পুনর্গঠন কিংবা পদ-পদবি পুনর্বণ্টনের কোনো ঘোষণা আসেনি। সব দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে খালেদা জিয়াকে। তিনি যা ভালো মনে করেন তা করবেন এবং তাই মেনে নেওয়া হবে। স্থায়ী কমিটি, নির্বাহী কমিটি বাতিল ও পুনর্গঠনের ক্ষমতা খালেদা জিয়ার হাতেই ন্যস্ত করা হয়েছে। ঠিক যেন এরশাদীয় কায়দা। সব নিজের হাতে! তিনি নাকি ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রপতিকে আরো বেশি ক্ষমতা দেবেন! তিনি নিজে রাষ্ট্রপতি হলে হয়তো নিজের ক্ষমতা বাড়িয়ে নিতে পারেন। সেটাই হয়তো বলতে চেয়েছেন।

তবে মুক্তিযুদ্ধ এবং জামায়াত ইস্যুতে বিএনপির অবস্থান আরো পরিষ্কার করা দরকার ছিল। এ বিষয়ে তাঁদের অবস্থান যদি হয় ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’, তাহলে তা দেশের মানুষ ভালো চোখে দেখবে না। রাজনীতিতে নানা কৌশল করা যায়। কিন্তু জনগণের সঙ্গে ছলচাতুরী করা যায় না। তারা তা মেনে নেবে না। তা ছাড়া খালেদা জিয়া কেন জাতীয় শোক দিবসে জন্মদিন পালন করবেন? এ বিষয়েও তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করা দরকার ছিল। তিনি বলতে পারতেন, জাতীয় শোক দিবসে তিনি জন্মদিন পালন করা থেকে বিরত থাকবেন। তাহলে তিনি আপামর জনগোষ্ঠীর বাহ্বা পেতেন।

আমরা মনে করি, দেশের এবং গণতন্ত্রের স্বার্থে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য থাকা দরকার। একই সঙ্গে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদও বর্তমান বাস্তবতায় খুবই প্রয়োজন। এ দুটি বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনা হতে পারে। শুধু আলোচনার জন্য আলোচনা নয়, কার্যকর সমঝোতাও হতে হবে। এটা সময়ের দাবি।

– See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2016/03/23/339210#sthash.PkpJdFK1.dpuf

বাংলাদেশের টাকা লোপাটে অভিযুক্ত ফিলিপিনোকে দেশ ত্যাগে বাধা

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে টাকা চুরি করে ফিলিপাইনে পাচারের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যাংক কর্মকর্তা রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসির) শাখা ব্যবস্থাপককে দেশ ত্যাগ করতে দেয়নি সে দেশের ইমিগ্রেশন। গতকাল শুক্রবার দুপুরে ফিলিপাইন এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মাইআ সান্তোষ দেগুইতো নামে ওই কর্মকর্তা জাপান যাচ্ছিলেন। দেগুইতো অবশ্য দাবি করেছেন, তিনি দেশ ছেড়ে পালাচ্ছিলেন না । তার ছোট ছেলের জন্মদিন পালন শেষে আগামী মঙ্গলবার তার ফেরার কথা ছিল। ফিলিপাইনের দৈনিক ইনকোয়েরার গতকাল এ খবর দিয়েছে। খবর সমকাল’র।

এদিকে ফিলিপাইন সিনেট (সংসদের উচ্চকক্ষ) আগামী মঙ্গলবার দেশের ইতিহাসে বৃহত্তম এ মানি লন্ডারিংয়ের ঘটনা তদন্ত করবে। আগামী মঙ্গলবার সিনেটের দুটি কমিটি এ বিষয়ে শুনানি ডেকেছে। শুনানিতে আরসিবিসির ওই শাখা ব্যবস্থাপকসহ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ডাকা হয়েছে। ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কমিশনার, অভিযুক্ত তিনটি ক্যাসিনোর মালিক, আরসিবিসি এবং আরও তিনটি ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তাকে এ শুনানিতে ডাকা হয়েছে।

গত ৪ ফেব্রুয়ারি হ্যাকাররা বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিশোধ নেটওয়ার্কে ঢুকে বেশ কিছু পেমেন্ট অর্ডার দেয় যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কের কাছে। ব্যাংকটি তাদের তিনটি করেসপন্ডেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে ৪টি অর্ডার ফিলিপাইনের আরসিবিসির ৪টি অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করে। মোট ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার স্থানান্তরিত হয় ৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের ঋণ ও পরামর্শক ফি পরিশোধের নামে। ফিলিপাইনের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ কাউন্সিল (এএমএলসি) আরসিবিসির ৫ হিসাবধারীসহ ৬ ব্যক্তির সম্ভাব্য জড়িত থাকার বিষয়ে তদন্ত করছে। এসব ব্যক্তির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ৬ মাসের জন্য ফ্রিজ করতে ইতিমধ্যে আদালত নির্দেশনা দিয়েছেন।

মাকাতি শহরে জুপিটার স্ট্রিটে আরসিবিসির শাখা ব্যবস্থাপক দেগুইতো ওই শাখায় সন্দেহভাজন ৫ নাগরিকের হিসাব খোলেন গত বছরের মে মাসে। হিসাব খোলা এবং সেখানে বড় অঙ্কের অর্থ স্থানান্তর-সংক্রান্ত কাজে তিনি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধের নিয়ম-কানুন অনুসরণ করেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযুক্ত হিসাবধারীদের ব্যাংক হিসাব খোলার সময় গ্রাহকের পরিচিতি ভালোভাবে জানা-সংক্রান্ত নিয়ম মানেননি তিনি। দেগুইতোর কাছে আরসিবিসির প্রধান কার্যালয় থেকে ইতিমধ্যে এসব বিষয়ে একটি ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। এর জবাবে তিনি বলেছেন, ব্যাংকটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) নির্দেশক্রমে তিনি ওই ৮১ মিলিয়ন ডলার ৪ ব্যক্তির হিসাবে স্থানান্তর করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, আরসিবিসি মানি লন্ডারিং প্রতিরোধের নিয়ম-কানুন ঠিকমতো অনুসরণ করলে পাচার হওয়া ওই অর্থ আটকানো যেত। ঘটনা জানার পরপরই বাংলাদেশ ব্যাংক গত ৮ ফেব্রুয়ারি এসব পেমেন্ট স্থগিত করতে আরসিবিসিকে অনুরোধ জানায়। ততক্ষণে তহবিল স্থানান্তর হয়ে গেছে। যে ৪ জনের অ্যাকাউন্টে পাচার করা টাকা ঢোকে তারা সবাই ৫০০ ডলার করে জমা রেখে আরসিবিসিতে অ্যাকাউন্ট খোলেন গত বছরের ১৫ মে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসব অ্যাকাউন্টে কোনো লেনদেন হয়নি। ফিলিপাইনের কোর্ট অব আপিল (সিএ) মনে করছে, এসব অ্যাকাউন্ট মানি লন্ডারিংয়ের উদ্দেশ্যেই খোলা হয়। তাদের হিসাবের কাগজপত্রে কোনো নির্দিষ্ট আয়ের খাত উল্লেখ করা হয়নি।

ক্যাবল টিভি কর্মীকে গুলি, এএসআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা

ক্যাবল টিভি কর্মীকে গুলির ঘটনায় রাজধানীর বংশাল থানার এএসআই শামীম রেজার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

হত্যাচেষ্টার অভিযোগে শুক্রবার বিকালে রাজধানীর খিলগাঁও থানায় মামলাটি করেন গুলিবিদ্ধ ক্যাবল টিভি কর্মী আল আমিন (২২)।

খিলগাঁও থানার ডিউটি অফিসার এসআই ফারুক হোসেন যুগান্তর অনলাইনকে জানান, ৩২৬ ও ৩০৭ ধারায় দায়ের হওয়া এ মামলার নম্বর ১৭।

তিনি আরও জানান, মামলাটির তদন্তভার দেয়া হয়েছে খিলগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেনকে।

পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এরই মধ্যে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।

এর আগে আটকের পর এএসআই শামীম রেজাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

জানা যায়, বকেয়া বিল চাওয়ার অভিযোগে শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে নন্দিপাড়ার পাঁচ নম্বর সড়কের মসজিদের পাশের একটি বাসায় গুলি আল আমিনকে গুলি করে এএসআই শামীম রেজা।

পিঠে গুলিবিদ্ধ আল আমিনকে প্রথমে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সে প্রতিরাতেই জোর করে শারীরিক সম্পর্ক করেছে এবং তা মোবাইলেও ভিডিও করেছে (ভিডিও)

ও যে বিবাহিত এটা ঐ মেয়ে জানে। সে ওর ছোট মামাকে ডেকে এনেছিল মিটমাট করার জন্য। মামা বলেছে ঐ মেয়ের সাথে ওর বিয়ের কথা চলছিল বাট আমার শ্বশুর মেয়েকে পছন্দ না করায় বিয়েটা হয়নি। মামা আমার সামনে ওকে শাসন করেছে। স্বামীও ক্ষমা চেয়েছে। আমার স্বামী যথেষ্ট কেয়ারিং, সারাক্ষণ সাথে থাকতে চায়। এখানে বলে রাখি আমার পোষ্টিং ঢাকায় হলেও তারটা ঢাকা থেকে কিছুটা দূরে। সে আমাকে রেখে কর্মস্থলে যেতে চায়না, ঠেলে আমার পাঠাতে হয়। প্রতি বৃহ:স্পতিবার সে ঢাকায় আসে, রবিবার চলে যায়। জানেন আপু, ওর কাছ থেকে একটু দূরে সরলে এমনকী এক রুম থেকে অন্য রুমে গেলেই সে খুঁজতে খুঁজতে চলে আসে। আমার সাথে যথেষ্ট ভালো আচরণ করে, শ্বশুর বাড়ির সবাই আমাকে খুব আদর করে। আগামী ৬ মাস সন্তান নেবার কোন পরিকল্পনা ছিলনা আমাদের। আমাদের দুই পরিবারই আমাকে অনেক আদর করে। আমার স্বামীর ছোট আরেকটি ভাই আছে।

যাই হোক, সবাই আমার স্বামীকে অনেক নিরীহ, ভদ্র ছেলে হিসেবে জানে। মনে হয়না আমার কথা কেউ বিশ্বাস করবে। তবে আমি ওদের চ্যাট হিস্টোরির সব প্রমাণ রেখে দিয়েছি। তার প্রতি কখনোই কোন অযত্ন আমি করিনি, এমনকী বিছানাতেও না। শুনতে খারাপ লাগলেও আপনাকে বলি আপু দিনে সে ৪ বার শারীরিক সম্পর্ক করতে চাইলেও আমি কখনোই বাঁধা দেইনি। তার সব ধরণের আবদারই আমি রেখে এসেছি। এখন তাকে আমি বলেছি তার সাথে বসবাস করা আমার পক্ষে সম্ভব না। সে বলছে আমাকে ছাড়া সে থাকতে পারবেনা। সে শুরু থেকেই বলতো আমাদেরটা লাভ ম্যারেজ (যদিও দুই পরিবারের ইচ্ছাতেই আমাদের যোগাযোগ হয়) । আজই রাগ করে বাবার বাড়ি চলে যেতাম,আমাকে যেতেও দিচ্ছেনা। শুনেছি নতুন বিয়ে হলে বউ এর প্রতি ছেলেদের অনেক টান থাকে, বাচ্চা হলে বা সময় গড়াতে থাকলে আকর্ষণ কমে যায়। এখনই সে এমন করছে, আর তো দিন পড়েই আছে। সে খুবই ভয় পাচ্ছে দুই পরিবারের মুরুব্বীরা যাতে ওর এসব কর্মকান্ড না জানে।

এমনিতেই নিজের বাবা মা কে ছেড়ে এসে অনেক কষ্টে আছি, তার উপর স্বামী এতো দুঃখ দিল..আমি কিছুতেই ওকে ক্ষমা করতে পারছি না আপু। সারাটা দিন সে এক নাগারে ক্ষমা চাইছে, আমার হাতে পায়ে ধরছে। কী করব আপু? ওকে কি আরেকটা সুযোগ দিয়ে দেখব? অনেক কষ্ট পাচ্ছি আপু।”

পরামর্শ:
আপু, আপনি হয়তো ইতিমধ্যেই স্বামীকে আরেকটি সুযোগ দিয়ে ফেলেছেন। কারণ আপনার চিঠি পড়ে বুঝতে পারছি যে আপনি তাঁকে খুবই ভালোবাসেন। তবুও সত্য কথাই বলবো আপু। আমার মনে হয় না যে ধরণের ভালোবাসা আপনি খুঁজছেন, সেই ধরণের ভালোবাসা এই লোকটি কখনো আপনাকে দিতে পারবে। আমরা মেয়েরা কী চাই বলুন? শুধু এটুকুই তো চাই যে একজন পুরুষ আমাদের এতটা বেশি ভালবাসুক যেন অন্য কোন নারীর দিকে সে ফিরেও না তাকায়। যার সংস্পর্শে আপনার নিজেকে মনে হবে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ নারী। যে স্বামী চোখের আড়াল হলেই পরনারীর দিকে আকৃষ্ট হয়, ফেসবুকে বা বাস্তবেও সেক্সুয়াল কথা বলে, সেই স্বামীর সাথে কখনো মানসিক শান্তিতে থাকা সম্ভব না।

যেহেতু বিয়ে হয়েছে মাত্র ১০ দিন, আপনি আর একবার স্বামীকে সুযোগ দিতে পারেন। তবে দ্বিতীয়বার যদি এই ধরণের কিছু ধরা পড়ে, আপনার উচিত হবে অবিলম্বে সম্পর্ক থেকে সরে যাওয়া। আর এই লোকটি আপনাকে খুব ভালোবাসে, এই ভ্রান্ত ধারণা মনে রাখবেন না। বিয়ের পর আসলেই কিছুদিন স্বামীরা বউয়ের জন্য পাগল থাকে। আপনার স্বামী কিন্তু হানিমুনের পর ওই মেয়ের সাথে এসব করেছে। তাই বুঝতেই পারছেন, আপনার জন্য এত পাগলও সে নয়। আরেকটি কথা আপু। সে যে হাতে পায়ে ধরে ক্ষমা চাইছে, সেটাও কিন্তু পারিবারিক আর সামাজিক কারণে। বৌ চলে গেলে সবাইকে কী জবাব দেবে? তাছাড়া সে তো আলাদাই থাকে। সেখানে বসে কী করলো আপনি তো জানতেও পারবেন না। আর আপু, আপনি আপনার কষ্ট হচ্ছে কি হচ্ছে না, এটা চিন্তা না করেই যে স্বামী দিনে ৪ বার শারীরিক সম্পর্ক করতে চায়, তার ভালোবাসায় আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। দাম্পত্য মানে তো কেবল যৌনতা না। আমার মনে হচ্ছে আপনার স্বামীর কাছে যৌনতাই আসল। এবং সত্যি বলি আপু, ভয়ও হচ্ছে আপনার জন্য।

আপনার জন্য একটাই পরামর্শ। আপাতত ক্ষমা করে দিন। এমন ভাব করুন যে সব ভুলে গিয়েছেন। এই বিষয় নিয়ে আর কথাই বাড়াবেন না। চুপচাপ সবদিকে লক্ষ্য রাখুন। দেখুন স্বামীর গতিবিধি। আমি নিশ্চিত যে কিছুদিনের মাঝে আবারও কিছু একটা আপনার হাতে ধরা পড়বেই। কারণ এই অভ্যাস ত্যাগ করা খুব কঠিন। যদি দুর্ভাগ্যবশত প্রমাণ পেয়েই যান, তখন যে সিদ্ধান্ত আপনার জন্য ভালো হবে মনে করেন, সেটাই নেবেন।

এইচএসসি পরীক্ষা ৩ এপ্রিল শুরু

২০১৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী ৩ এপ্রিল। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে মঙ্গলবার পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে।

সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ড, একটি কারিগরি ও মাদ্রাসা বোর্ডসহ মোট দশটি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী ৩ এপ্রিল শুরু হয়ে ৯ জুন এইচএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে। এরপর শুরু হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১১ থেকে ২০ জুনের মধ্যে।

সময়সূচি পাওয়া যাবে এই ওয়েবসাইটে- http://www.moedu.gov.bd/

অবাক হয়ে যাবেন ! ভূমিকম্পের ১৪৮ বছর পরেও কাঁপছে সেই জায়গা! (ভিডিও)

ভূমিকম্পের ১৪৮ বছর পরেও এখনো হঠাৎ কেঁপে ওঠে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের কিছু জায়গা। অগ্নুৎপাত হয়।

ভয়াবহ ভূমিকম্পটা হয়েছিল ১৮৬৮ সালে। ৭.৯ মাত্রার সেই ভূমিকম্পে কেঁপে গিয়েছিল হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ। বিকেল ৪টার সময় হওয়া কম্পনে সুনামি ধেয়ে এসেছিলো। ধ্বসে প্রাণ হারিয়েছিলো ৭৭ জন। সেই ভূমিকম্পের তীব্রতা এতোটা জোরালো ছিল যে, এখনো হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের বেশ কিছু জায়গা মাঝেমধ্যে কেঁপে ওঠে। এ পর্যন্ত হওয়া কম্পনে ৫বার অগ্নুৎপাত হয়েছে।২০০০ সালের পর থেকে কম্পনের মাত্রা কমে এলেও, একেবারে থামেনি। তাই ওই এলাকার বাসিন্দারা হাসি মুখে কম্পনকে সাথে নিয়ে বেঁচে আছেন।