মেইকআপের সহজ কৌশল

e8p[-e7

শুধু নিজেকে সাজালেই চলবে না, সাজসজ্জ্বা সুন্দর করতে এবং তা ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলতে বেশ কিছু পন্থা জানা থাকা দরকার।

রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্র্রতিবেদন অবলম্বনে এমনই কিছু কৌশল উল্লেখ করা হল।

– লিপস্টিক সারাদিন স্থায়ী রাখতে লিপস্টিক লাগানোর পর ঠোঁটের উপর একটি টিস্যু ধরে তার উপর একটি ব্রাশের সাহায্যে ট্রান্সলুসেন্ট পাউডার বুলিয়ে নিলে লিপস্টিক ম্যাট থাকবে এবং অনেক সময় স্থায়ী থাকবে।

– প্রথম কোট মাস্কারা লাগানোর পর তা শুকিয়ে গেলে চোখের পাপড়িতে হালকা করে বেবি পাউডার ছড়িয়ে নিতে হবে। এরপর দ্বিতীয় কোট মাস্কারা লাগাতে হবে। এতে চোখের পাপড়ি আরও ঘন দেখাবে।

– লাল লিপস্টিক দিলেও ঠোঁট দেখতে পাতলা লাগতে পারে। এক্ষেত্রে ঠোঁটের ঠিক মাঝামাঝি রূপালি বা নীল আইশ্যাডোর ‍গুঁড়া বুলিয়ে নিতে হবে। ঠোঁটের মাঝে এই রংয়ের আইশ্যাডো দিলে তা আলো প্রতিফলিত করবে আর এতে ঠোঁট দেখতে ফোলা লাগবে।

– আইশ্যাডো দেওয়ার আগে চোখের পাতায় প্রাইমার লাগিয়ে এরপর পুরো পাতায় সাদা কাজল লাগিয়ে আঙুল দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে। এর উপর আইশ্যাডো লাগালে তা দীর্ঘক্ষণ একই রকম থাকবে এবং রংগুলোও ফুটবে ভালোভাবে।

– কাজলের রং হালকা মনে হলে একটি লাইটারের সামনে কাজল নিয়ে কয়েক সেকেন্ড গরম করতে হবে। এতে কাজল ভালোভাবে বসবে এবং রংও গাঢ় হবে।

ছবি: দীপ্ত।

হাত পায়ের যত্নে রিফ্লেক্সোলজি

uyaeyi

ম্যানিকিউর এবং পেডিকিউরের আধুনিক পদ্ধতি।

আমরা অনেক সময়ই হাত-পায়ের যত্ন নিতে একটু গাফিলতি করি। দেখা যায় মুখটা অনেক সুন্দর তবে হাত পা রুক্ষ, শুষ্ক। অনেকেরই হাতের ত্বকে এক ধরনের কালো ছোপ পড়ে। সাধারণত যারা বাইরে বেশি বের হন; স্কুল, কলেজ, অফিসে যাওয় আসা করেন তাদের এরকম সমস্যা হতে পারে।

একটু সচেতনতা আপনার হাত পা সুন্দর রাখতে পারে। আর এ জন্য করাতে পারেন রিফ্লেক্সোলজি ম্যানিকিউর এবং পেডিকিউর।

এ বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন আকাঙ্ক্ষা’স গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড’য়ের কর্ণধার অ্যারোমা থেরাপিস্ট জুলিয়া আজাদ।

দিনের বেলা যখনই বাইরে বের হন হাতে অবশ্যই সান্সক্রিন লোশন লাগিয়ে পাঁচ দশ মিনিট পর বের হন। এতে হাতের ত্বক কালো হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পাবে।

বাসায় ফিরে ভালো ভাবে হাত মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার বা হ্যান্ড ও বডি লোশন লাগিয়ে নিন। হাত-পা ধুয়ে হাল্কা করে মুছেই সঙ্গে সঙ্গে লোশন লাগাতে ভুলবেন না। এতে আপনার হাত ও পা নরম থাকবে।

সপ্তাহে একদিন বডি স্কার্ব বা বাথ-সল্ট দিয়ে হাত পা ভালো ভাবে মালিশ করতে ভুলবেন না। এরপর বেশি পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। হাল্কা করে শুকিয়ে ময়েশ্চারাইজিং করুন।

রাতের বেলা ভালোভাবে হাত-পা ধুয়ে পেট্রোলিয়াম জেলি অল্প পরিমাণে নিয়ে মালিশ করুন। পাঁচ মিনিট পর ভেজা রুমাল দিয়ে মুছে ফেলুন। এভাবে করলেও আপনার হাত পায়ের ত্বক সুন্দর হবে।

এছাড়া মাসে একবার ভালো কোনো পার্লারে গিয়ে ম্যানিকিউর ও পেডিকিউর করান। ম্যানিকিউর প্যাডিকিউর নানা ধরনের হয়। সমস্যা অনুযায়ী একজন অভিজ্ঞ রূপবিশেষজ্ঞ ঠিক করে দেবেন আপনার জন্য কী ধরনের যত্ন দরকার।

ম্যানিকিউর এবং প্যাডিকিউরের নতুন সংযোজন রিফ্লেক্সোলজিক্যাল ম্যানিকিউর প্যাডিকিউর।

এটা প্রাথমিকভাবে হাত ও পায়ের পাতার নিচে একটি নির্দিষ্ট অংশে টিপে শরীরের নির্দিষ্ট অংশগুলো পরিবর্তন ঘটানোর সদ্ব্যবহার করার থেরাপি।

এটা অ্যারোমা থেরাপির মাধ্যমে নির্দিষ্ট নিয়মে করা হয়। সাধারণত যাদের ত্বক খুব রুক্ষ বা অসুন্দর অথবা পা ফেটে খারাপ অবস্থা তাদের এই ধরনের একটি সিটিংয়ের মাধ্যমে সমস্যা অনেকটা কমে যাবে।

অনেক সময় দেখা যায় নখের রং হলদে বা কালো হয়ে গেছে। তারাও এই থেরাপির মাধ্যমে নখের রং ফিরিয়ে আনতে পারবেন।

সমস্যা যাই হোক এই থেরাপি সমস্যা অনেকাংশে সারিয়ে তুলতে সক্ষম। এ ধরনের একটি পেডিকিউর করতে সময় লাগে এক ঘণ্টা। নখে নখকুনি, পায়ে কড়া, পা ফাটা, নখ কালো বা বিবর্ণ হয়ে যাওয়া সব কিছুই ধীরে ধীরে কমে যাবে।

এতে ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন এসেনশিয়াল অয়েল, পেরাফিন ওয়াক্স, বাথ সল্ট, সমস্যা অনুযায়ী ফলের রস। সঙ্গে স্টিমিউলেটিং মালিশের মাধ্যমে এই ধরনের ম্যানিকিওর পেডিকিওর করা হয়।

প্রতীকী মডেল: তাসমিয়া মীম। ছবি: দীপ্ত। কৃতজ্ঞতায়: আকাঙ্ক্ষা’স গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড।

চুলের সমস্যা! সমাধান হাতের কাছে

i99i

চুল শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যাওয়া, আগা ফাটা, খুশকি ও মাথার ত্বকে চুলকানি হওয়া, চুল পড়া ইত্যাদি— এই ধরনের বিভিন্ন জটিলতার জন্য রয়েছে সহজ প্রতিকার।

সাজসজ্জাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এমনই কিছু সমস্যা ও সমাধান উল্লেখ করা হয়। এই সমস্যাগুলো সাধারণ হলেও এ থেকে মুক্তির উপায় পেতে অনেকেরই বেগ পেতে হয়। তাই এই প্রতিবেদনে কিছু উপায় উল্লেখ করা হল।

শুষ্ক চুল: শুষ্কতার কারণে চুল দেখতে উশকোখুশকো ও অস্বাস্থ্যকর দেখায়। চুলের আগা ফেটে যায় এবং ভঙ্গুর হয়ে যায়। তাই চুল কোমল ও স্বাস্থ্যজ্জ্বোল রাখতে কিছুটা বাড়তি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

অলিভ অয়েল, ডিমের সাদা অংশ, মেয়োনেইজ’য়ের মিশ্রণ চুল ও মাথার ত্বকে ব্যবহার করলে চুল ময়েশ্চারাইজ হবে এবং আর্দ্রতা বজায় থাকবে। এর পাশাপাশি হেয়ার স্টাইলিং যেমন: স্ট্রেইটনার ও কার্লারের ব্যবহার, হেয়ার স্প্রে ইত্যাদি ব্যবহারে লাগাম টানুন। হেয়ার স্প্রে’তে থাকা অ্যালকোহল এবং রাসায়নিক উপাদান চুল শুষ্ক করে ফেলতে পারে।

তৈলাক্ত ত্বক:
মানসিক চাপ, হতাশা, হরমোনের পরিবর্তন এবং চুলের যত্নের অভাবে চুল ও মাথার ত্বক তৈলাক্ত হয়ে যায়। অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার ও লেবুর রস মাথার ত্বক ও চুলের তেল নিয়ন্ত্রণে বেশ কার্যকর। মাথার ত্বকে পরিমাণ মতো অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার ও লেবুর রস নিয়ে হালকা হাতে মালিশ করতে হবে। এরপর শ্যাম্পু করে ফেলতে হবে।

যদি হাতে সময় না থাকে এবং চটজলদি চুলের তৈলাক্তভাব দূর করতে চান তাহলে বেইকিং সোডা ব্যবহার করা যেতে পারে। মাথার ত্বকে খানিকটা বেইকিং সোডা ছড়িয়ে আলতোভাবে মালিশ করে নিলে তা মাথার ত্বকে জমে থাকা বাড়তি তেল শুষে নেবে।

মাথার ত্বক চুলকানো:
অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বক এবং খুশকির সমস্যা থাকলে মাথায় চুলাকানি ও অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে। তাছাড়া নিয়মিত শ্যাম্পু না করলেও মাথার ত্বকে চুলকানি হতে পারে। কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে শ্যাম্পু করলে এ সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।

এছাড়া মাথার ত্বকে অ্যালোভেরার জেল ঘষে নিলেও উপকার পাওয়া যায়। এতে থাকা ভিটামিন ই চুলের জন্য উপকারী।

খুশকি: মাথার ত্বকের খুবই পরিচিত সমস্যা খুশকি। অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বক ও ছত্রাক সংক্রমণের কারণে মাথায় খুশকি হতে পারে। মাথার ত্বক ময়েশ্চারাইজ করতে বেশ উপকারী নারিকেল তেল। এতে মাথার ত্বক ও চুলে আর্দ্রতা জোগাবে এবং ছত্রাকের সংক্রমণও রোধ হবে। এছাড়াও ব্যবহার করা যায় টি ট্রি অয়েল। শ্যাম্পুর সঙ্গে টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিলে খুশকি উপশম হবে।

চুল পড়া:
প্রতিদিন কিছু সংখ্যক চুল পড়া স্বাভাবিক। ৫০ থেকে ১০০টি চুল পড়লে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। তবে এর বেশি পড়তে শুরু করলে যত্ন নেওয়া উচিত। চুলের গোড়ায় পেঁয়াজের রস মালিশ করে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করে ফেলতে হবে। তাছাড়া চুলে অ্যালোভেরার জেল মেখে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করলেও উপকার পাওয়া যাবে।

নারিকেলের দুধও চুল পড়া রোধ করতে পারে।

আগা ফাটা: শুষ্ক ও অপুষ্ট চুলের আগা ফাটা সমস্যা দেখা দিতে পারে। ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে অ্যাভোকাডো বা পাকাপেঁপে চটকে মাথার চুলে মেখে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাওয়া যাবে। তাছাড়া খাবারের তালিকায় প্রচুর প্রোটিন ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখলেও চুলের আগা ফাঁটা সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

ভঙ্গুর চুল: দুর্বল চুল ভেঙে পড়া এবং ঝরে যাওয়ার সমস্যা বেশ পরিচিত। ভিটামিনের অভাব এবং অতিরিক্ত কেমিকলযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহারের কারণে চুল দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়। অতিরিক্ত তাপ, জোরে জোরে চুল আঁচড়ানো ও কেমিকল সমৃদ্ধ প্রসাধনীর ব্যবহারে এ সমস্যা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে নারিকেল তেল ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে মালিশ করলে চুল হবে স্বাস্থ্যজ্জ্বোল।

পাতলা চুল: ঘন ঝলমলে চুল কার না পছন্দ। তবে অনেকের চুল তুলনামূলক পাতলা হয়ে থাকে। অ্যালোভেরা জেলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুল বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এছাড়া নারিকেল তেল ও অলিভ অয়েল সমপরিমাণে নিয়ে এরসঙ্গে একটি পাকাকলা চটকে মাথায় মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করলেও উপকার পাওয়া যায়।

ছবির প্রতীকী মডেল: চৈতি। ছবি: ই স্টুডিও।

ধরন বুঝে ত্বকচর্চা

সূর্যের তাপ এবং ধুলাবালির কারণে এ সময়ে ত্বকের জন্য প্রয়োজন বাড়তি যত্ন। মন উদাস করা এমন দিনে ত্বকের যত্নে উদাসীন হলে চলবে না। বেশি করে পানি পান আর ফলমূল খাওয়ার পাশাপাশি, সপ্তাহে অন্তত দুবার মুখে ফেইসপ্যাক লাগানো অত্যন্ত জরুরি। এই সময়ে কীভাবে ত্বকের চর্চা করবেন জেনে নিন নভীনস অ্যারোমা থেরাপি সেন্টারের কর্ণধার আমিনা হকের কাছ…

গ্রীষ্মে চুলের যত্নে

790[p-

ত্বকের সঙ্গে চুলের জন্যও ক্ষতিকর গ্রীষ্মের তীব্র তাপ আর রোদের তেজ। তাই প্রয়োজন বাড়তি যত্ন।

ত্বকের পাশাপাশি চুল ভালো রাখতে দরকার সঠিক যত্ন। নতুবা রোদের তাপে চুলও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। রূপচর্চাবিষয়ক ওয়েবসাইটে গ্রীষ্মের চুলের জন্য করণীয় কিছু বিষয় উল্লেখ করা হয়।

শ্যাম্পু করা: শুধু কি আমাদের শরীরের ত্বকই ময়লা হয়! গরমে মাথার ত্বকও ঘামে। ফলে বাইরের ধুলা খুব সহজেই চুলের গোড়ায় আটকে যায়। তাই সপ্তাহে তিন থেকে চারবার ভালোভাবে ঘষে শ্যাম্পু করতে হবে।

ডিপ কন্ডিশনিং: সূর্যের তাপে চুল রুক্ষ হয়ে যায়। তাই চুলের হারানো আর্দ্রতা ফিরিয়ে কোমল করে তুলতে প্রয়োজন ডিপ কন্ডিশনিং। তাই প্রতিবার শ্যাম্পুর পর অবশ্যই কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া সপ্তাহে ডিপ কন্ডিশনিং প্যাকও ব্যবহার করা উচিত। শ্যাম্পু করার আগে চুলে তেল দিয়ে নিলে উপকার পাওয়া যাবে।

সিরাম ব্যবহার: এই গরমে চুলে খানিকটা ‘লিভ ইন সেরাম’ বা ‘লিভ ইন কন্ডিশনার’ ছড়িয়ে দেওয়া ভালো। এ ধরনের সেরাম বা কন্ডিশনার ব্যবহারের পর ধুয়ে ফেলতে হয় না। এতে চুলের আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং চুল ঝলমলে দেখায়।

পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস: শুধু বাইরে থেকে যত্ন নিলেই চলবে না। সুন্দর চুলের জন্য চাই ভিতর থেকে যত্ন। তাই নিয়মিত ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার যেমন: সামদ্রিক মাছ, পালংশাক, ডিম ইত্যাদির পাশাপাশি প্রচুর শাকসবজি ও ফল খেতে হবে।

প্রাকৃতিকভাবেই চুল হাইলাইট করুন: এর জন্য রোদে বের হওয়ার আগে চুলে খানিকটা লেবুর রস ছড়িয়ে আঁচড়ে নিন। নিয়মিত এই প্রক্রিয়ায় রোদের তাপ লেবুর রসের সঙ্গে মিশে চুলকে হাইলাইট করবে।

হেয়ার স্প্রে এড়িয়ে চলুন: সূর্যের চাপ চুল রুক্ষ করে তোলে। তাই এই সময় চুল সেট রাখতে হেয়ার স্প্রে ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ এর কেমিকল চুল আরও রুক্ষ করে ফেলে।

একইভাবে হেয়ার স্ট্রেইটনার ও কার্লারের মতো স্টাইলিং যন্ত্র ও যতটা সম্ভব কম ব্যবহার করা উচিত। কারণ এদের তাপ চুলের জন্য ক্ষতিকর।

লম্বা চুলের যত্ন

98609

ধুলাবালি, দূষণ আর রোদের তাপ চুলের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এতে চুল দুর্বল হয়ে ভেঙে পড়ে এবং আগা ফেটে যায়। তাই কিছুদিন পরপরই সুন্দর লম্বা চুলগুলো ঝরে পড়তে থাকে। তাই এই সময় চুল সুন্দর রাখতে প্রয়োজন বাড়তি যত্ন।

রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে লম্বা চুলের সৌন্দর্য ধরে রাখতে কিছু বিশেষ খেয়াল রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।

ব্লো-ড্রাইং এড়িয়ে চলুন:
চুল পড়া এবং আগা ফাটার অন্যতম একটি কারণ ব্লো-ড্রাইং। সরাসরি গরম তাপ চুলের অনেকটাই পুড়িয়ে ফেলে। এতে চুল রুক্ষ ও দুর্বল হয়ে যায়। এছাড়াও ব্লো-ড্রাই করার পর চুলের বিদ্যুৎ প্রবাহের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এতে এর সংস্পর্শে যা আসে তা আকর্ষণও করে বেশি, ফলে চুল ভঙ্গুর হয়ে যায়।

চুল ঢেকে রাখুন: যাদের ভ্রমণের অভ্যাস আছে বা প্রতিদিন অফিস বা কাজের কারণে বাসা থেকে বেশ দূরে যেতে হয়, তাদের উচিত ঘরের বাইরে বের হওয়ার সময় চুলগুলো ঢেকে রাখা। কারণ ধুলা, ময়লা, দুষণ এবং রোদের তীব্র তাপ চুলের বড় শত্রু। চুলের বেশিরভাগ ক্ষতিই হয় এই কারণে। তাই ঘরের বাইরে চুল স্কার্ফ দিয়ে পেঁচিয়ে রাখা উচিত। এছাড়াও দুতিন দিন পরপর চিরুনি পরিষ্কার করে নিতে হবে। কারণ চিরুনিতে আটকে থাকা ময়লাও চুলের জন্য ক্ষতিকর।

তেল মালিশ করুন: চুলের গোড়া মজবুত করতে এবং চুল বৃদ্ধিতে তেল মালিশের বিকল্প নেই। ভালো ফলাফল পেতে নারিকেল তেল, বাদাম তেল, ক্যাস্টর তেল এরকম তিন থেকে চার রকম তেল মিশিয়ে মাথার ত্বকে ভালোভাবে মালিশ করতে হবে। এতে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পাবে এবং তেল মাথার ত্বক চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখবে। আর এতে করে চুল দ্রুত লম্বা হবে।

চুল ট্রিম করুন: আগা ফাটা চুল দেখতে যেমন বাজে দেখায় তেমনি চুলের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই এ সমস্যা এড়াতে মাঝে মাঝেই চুলের আগা ছেটে নিতে হবে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত চুলটুকু কাটা পড়বে। আগা ফাটার কারণে চুল রুক্ষ্ ও দুর্বল হয়ে যায়। তাই আগাফাটা চুল ছেটে ফেলা উচিত।

চোখের সাজই যখন মূল আকর্ষণ

৪

যেকোনো অনুষ্ঠান বা নিত্যদিনের সাজে কিছুটা ভিন্নতা আনতে পারে দারুণ একটি চোখের সাজ।

গাঢ় বা উজ্জ্বল চোখ, নিউট্রাল বা স্মোকি আই লুক, যেটাই হোক না কেনো, মেইকআপে আলাদা মাত্রা যুক্ত করতে পারে সুন্দর করে সাজানো চোখ।

সাজসজ্জাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে হাল ফ্যাশনের আকর্ষণ চোখের মেইকআপ সুন্দরভাবে করার কিছু টিপস দেওয়া হয়। ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনেতে অবস্থিত ফারেনহাইট স্যালোনের কর্ণধার ধারিনি টুরাখিয়া চোখের মেইকআপের কিছু পরামর্শ দেন।

সঠিক রং বাছাই করা:
আইশ্যাডোর রং বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দিনের বেলার জন্য ম্যাট শ্যাডো বেছে নিতে হবে। আর রাতের সাজের ক্ষেত্রে শিমারি বা মেটালিক শ্যাডো বাছাই করতে হবে। আর সাজে হালকা শিমার ব্যবহার করা যেতে পারে ম্যাট শ্যাডোর উপর। শ্যাডো ব্যবহারের শুরুতে চোখের পাতায় প্রাইমার এবং কনসিলার লাগিয়ে নিতে হবে। প্রাইমার শ্যাডোর রং ফুটিয়ে তুলতে এবং দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করবে।

কয়েকটি শেইড বেছে নিন: একটি পূর্ণাঙ্গ আইলুকের জন্য বেশ কয়েকটি শেইডের শ্যাডো বেছে নিতে হবে। যেমন নীলাভ চোখের মেইকআপের ক্ষেত্রে হালকা থেকে গাঢ় নীলের তিন থেকে চারটি শেইডের শ্যাডো বাছাই করতে হবে। এর পাশাপাশি সবগুলো রং একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নেওয়ার জন্য একটি স্বাভাবিক রংয়ের শ্যাডো বেছে নেওয়া দরকার। খেয়াল রাখতে হবে প্রতিটি রং যেন একটি আরেকটির সঙ্গে ভালোভাবে মিশে যায়, নইলে দেখতে ভালো লাগবে না। চোখে শ্যাডো ব্যবহারের মূল মন্ত্র হল ব্লেন্ডিং। সুন্দরভাবে ব্লেন্ড করে শ্যাডো লাগালে চোখের মেইকআপ বেশি আকর্ষণীয় লাগবে।

চোখের মেইকআপের ধাপগুলো: শুরুতে চোখের ক্রিজে একটি ট্রানজেকশান কালার অর্থাৎ এমন একটি রং ব্যবহার করতে হবে যা ত্বকের রংয়ের থেকে কয়েক শেইড গাঢ়। এই রং চোখের পাতায় ব্যবহৃত একধিক রংগুলোকে একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে সাহায্য করবে। এতে চোখের পাতায় সুন্দর শেইড তৈরি হবে। এছাড়ার চোখের গঠন ঠিক করতেও এই রংটি সাহায্য করবে।

প্রথমেই চোখের পাপড়ি ঘেঁষে এবং ভিতরের কোনায় সব থেকে হালকা রংয়ের শ্যাডোটি লাগিয়ে নিতে হবে। চোখের ভিতরের কোনায় হালকা রংয়ের ব্যবহারে চোখ দেখতে উজ্জ্বল ও স্বচ্ছ দেখাবে।

চোখের কোনায় হালকা রং ব্যবহারের পর মাঝামাঝিতে দ্বিতীয় রং ব্যবহার করতে হবে। এরপর বাইরে কোনায় ‘ভি’ আকারে সব থেকে গাঢ় রংটি ভালোভাবে ব্লেন্ড করে লাগাতে হবে। ওই রং চোখের ক্রিজেও খানিকটা মিশিয়ে নিতে হবে ব্লেন্ডিং ব্রাশের সাহায্যে।

ভ্রুর নিচে লাগাতে হবে হাইলাইটার। চোখের নিচের পাতায়ও মানানসই শ্যাডো ভালোভাবে মিশিয়ে লাগাতে হবে।

লাইনার দিয়ে চোখ এঁকে নিতে হবে, কাজল লাগিয়ে ও পাপড়িতে মাস্কারা বুলিয়ে নিলেই শেষ হবে চোখের সাজ।

খেয়াল রাখতে হবে চোখে গাঢ় ও উজ্জ্বল রংয়ের শ্যাডো ব্যবহার করা হলে অবশ্যই অন্যান্য মেইকআপ রাখতে হবে পরিমিতি। নতুবা দেখতে অদ্ভুত দেখাবে। চোখে গাঢ় শ্যাডো ব্যবহার করা হলে ঠোঁটে অবশ্যই হালকা রংয়ের লিপস্টিক ব্যবহার করতে হব।

ঢেকে ফেলুন ব্রণ

3

ব্রণের ফোলাভাব বা লালচে দাগ অনেক সময়ই মেইকআপ দিয়ে ঢেকে ফেলা সম্ভব হয় না। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কিছু ধাপ অবলম্বন করা যায়।

রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে মেইকআপের সাহায্যে ত্বকের লালচেভাব এবং ব্রণ লুকিয়ে রাখার কিছু উপায় উল্লেখ করা হয়।
– মেইকআপ শুরুর আগে অবশ্যই মুখ ধুয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরপর ত্বক যেনো শুষ্ক হয়ে না যায় তার জন্য ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিতে হবে।

– কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে পুরো ত্বকে বিশেষত যে যে স্থানে সমস্যা আছে সেখানে প্রাইমার লাগিয়ে নিতে হবে।

– এবার আসা যাক লালচেভাব এবং ব্রণ ঢেকে নেওয়ার ধাপে।

ত্বকের লালচেভাব ঢেকে দিতে এর বিপরিত রংয়ের কনসিলার অর্থাৎ সবুজ কনসিলার ব্যবহার করতে হবে। খুব অল্প পরিমাণ কনসিলার শুধুমাত্র আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে আঙুল বা ব্রাশ দিয়ে চেপে চেপে বসিয়ে দিতে হবে। যদি লালচেভাব কম হয় তাহলে হলুদ কনসিলারও বেছে নেওয়া যেতে পারে। তবে অবশ্যই এমন রং বেছে নিতে হবে যা ত্বকের রংয়ের সঙ্গে মানানসই এবং ত্বকের রং থেকে হালকা নয়।

– কনসিলার ত্বকের সঙ্গে ভালোভাবে যেন বসে যায় তার জন্য কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। এরপর ফাউন্ডেশন লাগিয়ে নিতে হবে। ফাউন্ডেশন লাগানোর সময় বেশি ঘষাঘষি করা যাবে না, এতে কনসিলার সরে যেতে পারে। ভেজা স্পঞ্জ দিয়ে চেপেচেপে ফাউন্ডেশন ত্বকের সঙ্গে বসিয়ে দিতে হবে।

– সবশেষে পাউডার দিয়ে ফাউন্ডেশন সেট করে নিতে হবে, এতে মেইকআপ দীর্ঘস্থায়ী হবে।

প্রতীকী ছবির মডেল: সারাহ ফারহানা। ছবি: ই স্টুডিও।

দই দিয়ে রূপচর্চা

87
চুল ও ত্বক পরিচর্যায় ব্যবহার করা যায় এই খাবার।

দইয়ের সঙ্গে অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে তৈরি করা যায় নানারকম সৌন্দর্যচর্চার উপাদান। রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন অবলম্বনে কিছু পদ্ধতি এখানে দেওয়া হল।

খুশকি দূর করতে: দইয়ের সঙ্গে খানিকটা লেবুর রস এবং এক চিমটি লবণ মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে তা চুলের গোড়ায় লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর শ্যাম্পু করে ফেললেই পার্থক্য চোখে পড়বে। তাছাড়া মাথার ত্বকের শুষ্কভাব দূর করতে দইয়ের সঙ্গে পরিমাণ মতো অলিভ অয়েল মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এতে মাথার ত্বক আর্দ্র হবে এবং খুশকিও কমবে।

প্রাকৃতিক এক্সফলিয়েটর: দইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের পোড়া দাগ ও লালচেভাব দূর করে ত্বক কোমল রাখতে সাহায্য করে। ওটমিল পাউডার এবং ডিমের সাদা অংশ দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন স্ক্রাবার। সপ্তাহে দুবার ব্যবহারেই ত্বকের প্রেমে পড়ে যাবেন নিজেই।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে: প্রাকৃতিক ব্লিচিং এজেন্ট হিসেবে পরিচিত দই। রোদেপোড়া ত্বকের কালচেভাব দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করে তুলতে সাহায্য করে দই। আরও ভালো ফলাফল পেতে কমলার খোসা মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই মিশ্রণ ব্যবহারে ত্বকের রং উজ্জ্বল হবে।

দইয়ে থাকা জিঙ্ক রোদের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।

শুষ্ক ত্বকের জন্য: শুধু শীতেই ঠোঁট ফাঁটবে এমনটা ভাবা ঠিক নয়। গ্রীষ্মেও ঠোঁট আর্দ্রতা হারায়। সামান্য জাফরানের সঙ্গে দই মিশিয়ে ঠোঁটে মেখে ২০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। ঠোঁট আর্দ্রতা ফিরে পাবে।

উপরের সবগুলো পদ্ধতির ক্ষেত্রে টক দই ব্যবহার করতে হবে।

ঘরেই তৈরি করুন ‘এক্সফলিয়েটর’

akld
strong>পার্লারে গিয়ে এই সেবা নিতে অনেকগুলো টাকা খরচ করতে হবে। তবে ঘরোয়া উপাদান দিয়ে সহজেই বেশ কার্যকর স্ক্রাব বা এক্সফলিয়েটর তৈরি করা যায়।

রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন থেকে তথ্য নিয়ে দেশীয় উপকারণ দিয়ে স্ক্রাব তৈরির কিছু পদ্ধতি এখানে দেওয়া হল।

ওটমিল স্ক্রাব: একটি পাত্রে দুই চা-চামচ গুঁড়া করা ওটমিল, এক চা-চামচ বেইকিং সোডা, পরিমাণ মতো পানির সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করতে হবে। ত্বকে মেখে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মালিশ করে ধুয়ে ফেলতে হবে। শুকনা করে মুছে ময়েশ্চারাইজার মেখে নিতে হবে। মুখের পাশাপাশি শরীরের ত্বকের জন্যও এই এক্সফলিয়েটর বেশ উপযোগী।

চিনি-ওটমিল স্ক্রাব: একটি পাত্রে দুই টেবিল-চামচ গুঁড়া ওটমিল, দুই টেবিল-চামচ লালচিনি, তিন টেবিল-চামচ বাদামের তেল ও এক টেবিল-চামচ জায়ফল-গুঁড়া নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে সেটা দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মুখ মালিশ করুন। তারপর ভালো মতো ধুয়ে মুখ দ্রুত মুছে ফেলুন।

অ্যাভাকাডো ও চিনির মাস্ক: অ্যাভাকাডোর খোসা ও বীজ আলাদা করে ভালোভাবে মিহি পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এর সঙ্গে দুই টেবিল-চামচ মধু ও এক টেবিল-চামচ চিনি মিশিয়ে নিন। তৈলাক্ত ত্বক হলে সঙ্গে খানিকটা লেবুর রস দেওয়া যেতে পারে। মুখে মেখে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে।

চিনির স্ক্রাব: একটি পাত্রে দুই টেবিল-চামচ চিনির সঙ্গে এক টেবিল-চামচ পানি মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। এই স্ক্রাব ব্যবহারের আগে গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে ভালোভাবে চিপে মুখে কিছুক্ষণ চেপে ধরে রাখতে হবে, এতে লোমকূপগুলো খুলে যাবে। এরপর স্ক্রাবারটি ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মুখে লাগান। তারপর ভালো করে ধুয়ে দ্রুত শুকিয়ে ফেলুন। এতে ত্বকে জমে থাকা ময়লা ও মৃত কোষ, ব্ল্যাক হেডস পরিষ্কার হবে সহজেই।

প্রতীকী মডেল: তাসমিয়া মীম। ছবি: দীপ্ত। কৃতজ্ঞতায়: আকাঙ্ক্ষা’স গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড।

গরমের মেইকআপ

6ksrdikগ্রীষ্মে

নিজেকে সুন্দর এবং তরতাজা দেখানো বেশ মুশকিল, গরমে আর ঘামে ঘর থেকে বের হওয়ার পর থেকেই নাজেহাল হতে হয়। তাই এই মৌসুমে মেইকআপের আগে কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে।

রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে গ্রীষ্মের মেইকআপ নিয়ে পরামর্শ দেন ভারতের লোটাস হার্বাল লিমিটেড-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং মেইকআপ এক্সপার্ট চার্ভি গুপ্তা। ওই বিষয়গুলোই এখানে তুলে ধরা হল।

গরমে মেইকআপ গলে যাওয়ার এবং ছড়িয়ে যাওয়ার সমস্যা থুবই স্বাভাবিক। অনেকে নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয়ে মেইকআপই এড়িয়ে যান। তবে চার্ভির মতে, সঠিক উপায় জানা থাকলে গরমেও নিজেকে কিছুটা গুছিয়ে রাখা সম্ভব।

মেইকআপ শুরু সময় খেয়াল রাখুন যেন চেহারার প্রতিটি অংশ ভালোভাবে সাজিয়ে নেওয়া যায়। গ্রীষ্মে মেইকআপের ক্ষেত্রে উজ্জ্বলভাব বজায় রাখা জরুরি। ব্রোঞ্জার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে হালকা সিমার আছে এমন ব্রোঞ্জার বাছাই করতে হবে। এর পাশাপাশি হাইলাইটারও ব্যবহার করতে হবে।

চোখের সাজও এই সময় বেশ জরুরি। উজ্জ্বল রংগুলোর পাশাপাশি নিউট্রাল রংও গরমের মেইকআপে মানিয়ে যায়। চোখের সাজ পূর্ণ করতে চোখের উপরের পাতার পাশাপাশি নিচের পাতায়ও শ্যাডো বুলিয়ে নিতে হবে। আর মাস্কারা, আইলাইনারের ব্যবহার নিয়ে নতুন করে বলার তো কিছু নেই।

তবে যাই সাজুন না কেনো, গরমে হালকা মেইকআপ করার পরামর্শ দেন চার্ভি। আর মেইকআপের জন্য ত্বক প্রস্তুত করাও জরুরি। এরজন্য ত্বক পরিষ্কার করা, টোনিং এবং ময়েশ্চারাইজিং বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

কর্মক্ষেত্রে মেইকআপ: গ্রীষ্মে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বক সুরক্ষিত রাখা অত্যন্ত জরুরি। তাই অবশ্যই সিানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করতে হবে। আমাদের দেশের জন্য এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি এসপিএফ যুক্ত সানস্ক্রিন বেছে নিতে হবে। এরপর ফাউন্ডেশনের বদলে টিনটেড ময়েশ্চারাইজার অথবা বিবি ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। চোখে পাউডার বেইসের আইশ্যাডো এবং গালে হালকা ব্লাশ ব্যবহার করুন। লাইনার এবং মাস্কারা দিলেই মেইকআপ সম্পূর্ণ। ঠোঁটে দিন মানানসই রংয়ের লিপস্টিক।
সন্ধ্যার ঘোরাঘুরি: সন্ধ্যার মেইকআপে চোখে লাগান উজ্জ্বল রংয়ের শ্যাডো। গালের উঁচু অংশে বুলিয়ে নিন হাইলাইটার। গাঢ় করে লাইনার টেনে মাস্কারা লাগিয়ে নিন ঘন করে। আর ঠোঁটে দিন ন্যুড বা হালকা লিপস্টিক অথবা ন্যুড গ্লস।
রাতের অনু্ষ্ঠান: চোখে গাঢ় এবং গ্লিটার আইশ্যাডোর সঙ্গে চোখের পাপড়িতে জুড়ে দিন ফলস ল্যাশ। ব্লাশার আর হাইলাইটার দিন এবং ঠোঁটে দিন ম্যাট লিপস্টিক। সাজ এতেই পুরিপূর্ণ।

গরমের দিনে সাজ দীর্ঘস্থায়ী করতে মেইকআপ সেটিং স্প্রে ব্যবহার করা যেতে যাবে। এছাড়া মেইকআপ শুরুর কিছুক্ষণ আগে মুখে বরফ ঘষে নিতে পারেন।

বিয়েতে অরুচি কেন জেন ওয়াই’র?

bv m,gfc

প্রতিবেশী মুখার্জিবাবুর ছেলে অরিন্দম, বয়স ২৮, পেশায় ইঞ্জিনিয়ার, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরিও করে। মুখার্জিবাবু এবং তাঁর স্ত্রী ছেলের বিয়ে দেওয়ার জন্য একটু চেষ্টা করবেন ভেবেছিলেন, কিন্তু অরিন্দমের সাফ কথা, তিনি বিয়েতে আগ্রহী নন।
শুধু অরিন্দম কেন? অরিন্দমের মতো এমন অনেক শিক্ষিত, চাকরিরত যুবক যুবতীদের আজকের দিনে একটাই কথা ‘বিয়ে করব না’। কেন জেন ওয়াইয়ের বিয়েতে এত অনীহা? জেনে নিন এই প্রতিবেদনে।
১. প্রফেশনই জীবন
আজকের দিনের যুবক-যুবতীরা কাজকেই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেন। কাজের ক্ষতি হয়, এমন কোনও কাজই তাঁরা করতে চান না। তাই প্রেম, বিয়ে ইত্যাদি ব্যাপারগুলিকেও তাঁদের ‘অতিরিক্ত’ বলে মনে হয়। শুধু অতিরিক্ত কেন, বহু ক্ষেত্রে এই সম্পর্কগুলিকেও তাঁদের কাজের ক্ষেত্রে বাধা বলে মনে হয়| অগত্যা বৈবাহিক সম্পর্কে ভীতি তৈরি হয়।
২. কমিটমেন্ট ফোবিয়া
কমিটমেন্ট ফোবিক শব্দটার সঙ্গে আজকের দিনে কেউ আর অপরিচিত নেই। ‘প্রেম করিস?’ গোছের প্রশ্ন করা হলে অনেকেই সপাটে বলে দেন, ‘না বাবা। আমি ভীষণ কমিটমেন্ট ফোবিক।’ এই প্রতিশ্রুতির ভীতি থেকেও স্টেডি রিলেশনশিপ কিংবা বিয়েতে আপত্তি জানায় আজকের প্রজন্ম। প্রতিশ্রুতি মানেই তো, দায়িত্ব নেওয়া, পাশে থাকা, আপস করার ঝুট-ঝামেলা। এসব দায়িত্ব নিয়ে এড়িয়ে যেতেই পছন্দ করে আজকের জেনারেশন।
৩. বিয়ের সনাতন ভাবনার মোহভঙ্গ
আজকের দিনে ব্রেকআপ, ডিভোর্স বেড়ে চলেছে ক্রমাগত। বিয়ে পবিত্র সম্পর্ক, সাত জন্মের বন্ধন এমন ভাবনা আর চেয়েও কেউ রাখতে পারছেন না। চোখের সামনে বিয়ে নামক সাত জন্মের সম্পর্ককে সাত দিনের মধ্যে ভেঙে যেতে দেখলে, আর ভরসা থাকেই বা কি করে? অগত্যা বিয়েতে অরুচি।
৪. ‘আমি’- খুঁজে নেওয়া
বর্তমান সময়ে নিজের মনকে খুঁজে পাওয়ার এক অদ্ভুত প্রবণতা দেখা দিয়েছে মানুষের মধ্যে। একা থাকার এক অদ্ভুত ইচ্ছে ক্রমেই মানুষকে গ্রাস করছে। আর তাতেই বিয়ে করার ইচ্ছেতে ভাটা পরেছে।
৫. সনাতন দাম্পত্যে অরুচি
আজকের প্রজন্মের কাছে, চিরাচরিত প্রেম, সম্পর্ক, বিয়ে নিয়ে ধারণা বদলে গিয়েছে। স্ত্রীরা বিয়ের পর শুধুই সন্তান উৎপাদন করবেন, ঘরের কাজ করবেন এবং পুরুষই একমাত্র অর্থ উপার্জন করবেন, এমন ভাবনা জেন ওয়াইয়ের কাছে দুঃস্বপ্নের মতো। তাই এমন সম্পর্কেও তাঁরা আর আগ্রহী নন, যা প্রাচীন ভাবনাকে এখনও বহন করে নিয়ে যাচ্ছে। তাই বিয়ের থেকেও লিভ-ইনে আজকের প্রজন্ম বেশি উৎসাহী।

জেনে নিন, যে চার সমস্যা সব সম্পর্কেই দেখা যায়

esriu

সম্পর্ক আর অনুভূতি একে অপরের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িয়ে থাকে। আজকাল খুব সহজেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। তবে একটা সম্পর্কের অনুভূতি প্রকাশের জন্য ভালোবাসা আর ঘৃণাই একমাত্র শব্দ নয়। এখন দেখা যায় খুব কম সময়ের মধ্যেই সম্পর্কে বিতৃষ্ণা চলে আসছে। অথচ সঙ্গীর সঙ্গে সেই বিষয়ে আপনি আলোচনাও করতে পারছেন না। জানেন কী, কোন কোন সমস্যা সব সম্পর্কেই দেখা যায়?

১) মানিয়ে নেওয়ার সমস্যা : এটা একটা মারাত্মক সমস্যা, যা প্রতিটা সম্পর্কের ক্ষেত্রেই দেখা দেয়। একে অপরের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই মানিয়ে নেওয়ার সমস্যা থেকেই সম্পর্কে ফাটল ধরে।

২) একে অপরকে সম্মান দেওয়া : যে কোনও সম্পর্কের ক্ষেত্রেই সঙ্গীকে একে অপরকে সম্মান করাটা খুবই জরুরি। কারণ, সম্মান সম্পর্ককে অন্য মাত্রায় পৌঁছে দিতে পারে। যে সম্পর্কে সম্মান নেই, সেই সম্পর্কের কোনও মানেই নেই।

৩) সন্দেহ : সন্দেহ এমন একটা জিনিস যা একটা সম্পর্ককে এক মুহূর্তে ভেঙে চুরমার করে দিতে পারে। আপনার সঙ্গী যখন আপনার সঙ্গে নেই, তখন সে কী করছে এটা নিয়ে অজথা কল্পনা করে ভালো সম্পর্ককে খারাপ করে দেবেন না। এতে আখেরে আপনার কোনও লাভই নেই। বরং ক্ষতির মাত্রাটাই বেশি। তাই সন্দেহকে মন থেকে দূর করে দিন।

৪) একে অপরের প্রতি আকর্ষণ : এটা একটা খুবই জটিল সমস্যা যেটা সব সম্পর্কেই দেখা যায়। সম্পর্কে একে অপরের প্রতি আকর্ষণ থাকাটা খুবই জরুরি। নাহলে কোনওমতেই সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। যতদিন আকর্ষণ থাকবে, ততদিন আপনি সেই সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে পারবেন। তাছাড়া এটা এমন একটা সমস্যা, যা আপনি আপনার সঙ্গীর সঙ্গেও আলোচনা করে সমাধান করতে পারবেন না।

জেনে নিন, সফল নারী হতে কোন কোন গুণ থাকা প্রয়োজন

সাফল্যের সংজ্ঞা একেকজনের কাছে একেক রকমের। আমরা সবাই এক রকমের চিন্তা ভাবনা করি না। তাই আমাদের কাছে সাফল্যও আলাদা আলাদা ধরনের। কেউ মনে করেন মা হলেই নাকি সফল নারী হওয়া যায়। কেউ মনে করেন প্রচুর পড়াশোনা করলেই সফল নারী হওয়া যায়। আবার কেউ মনে করেন প্রচুর মানুষ যদি আমাদের পছন্দ করেন, তাহলেই সফল নারী হওয়া যায়। আপনি কি নিজেকে সফল নারী বলে মনে করেন? তাহলে আপনার কাছে সফল নারীর সংজ্ঞাটা কী? আর সঙ্গে এটাও জেনে নিন সফল নারী হতে গেলে কোন কোন গুণ থাকা প্রয়োজন।

১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী কর্মরতা মহিলাদের ওপর একটি সমীক্ষা করা হয়। সেই সমীক্ষা থেকে জানা গেছে, অনেকের মতে সফল নারী হতে গেলে মাসে ৪৯ হাজার টাকা স্যালারি, সুস্থ যৌন জীবন, ইনস্টাগ্রামে ৫০০ জন ফলোয়ার্স থাকলেই তাঁকে সফল নারী হিসেবে ধরা হবে। তবে এর পিছনে কিছু কারণও তাঁরা দিয়েছেন। যেহেতু টাকাই একটা সুন্দর সুস্থ জীবনের প্রধান অস্ত্র, তাই টাকা রোজগার করাটা খুবই দরকার।

এবার একঝলকে দেখে নিন সফল নারী হতে গেলে কোন কোন গুণগুলি থাকা বাধ্যতামূলক।

১) অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন।
২) বেশিরভাগ সময় খুশিতে থাকা।
৩) বন্ধুদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য।
৪) সংগঠিত এবং দক্ষ।
৫) ভালো মা।
৬) সঙ্গীর বিশ্বাসযোগ্য।
৭) মানুষকে হাসাতে পারা।
৮) কাজের জায়গায় উচ্চপদে থাকা।
৯) জীবনে কোনো রকম নাটকীয়তা না রাখা।
১০) সারাবিশ্বে ঘুরতে পারা।
১১) বন্ধুদের দরকারে অর্থ সাহায্য করা।
১২) ভালো রান্না করতে পারা।
১৩) প্রশংশনীয় স্টাইল করা।
১৪) সুস্থ যৌন জীবন।
১৫) বছরে অন্তত দুইবার বিদেশ ভ্রমণ।
১৬) বন্ধু-বান্ধব বা পরিবারের সঙ্গে বাইরে খেতে গেলে বিল পেমেন্ট করা।
১৭) মাঝে মধ্যেই ডিনার পার্টি দেওয়া।
১৮) ব্র্যান্ডেড জিনিসপত্র কেনা।
১৯) সঙ্গীর থেকে বেশি টাকা রোজগার করা।
২০) বন্ধু-বান্ধবের মধ্যেও সবচেয়ে বেশি রোজগার করা।
২১) ডিজাইনিং জুতা এবং পোশাক ব্যবহার করা।
২২) সপ্তাহে অন্তত দুইদিন বাইরে খেতে যাওয়া।
২৩) বন্ধু-বান্ধবের তুলনায় দামী গাড়ি ব্যবহার করা।
২৪) এমন পোশাক পরা, যাতে আপনার পোশাকের কালেকশন সম্পর্কে মানুষ জানতে চায়।
২৫) ইনস্টাগ্রামে ৫০০ জন ফলোয়ার্স।
২৬) ফেসবুক পোস্টে অন্তত ৫০ লাইক।
২৭) লেটেস্ট ফ্যাশন ফলো করা।
২৮) ফেসবুকে ৩০০-র বেশি বন্ধু থাকা।

জেনে নিন, আবেগপ্রবণ পুরুষরাই প্রেমিক হিসেবে সেরা

জীবনে কীরকম পুরুষ চাইছেন আপনি? চিরাচরিত রীতি মেনে strong ও silent? সমীক্ষা কিন্তু বলছে জীবনে সুখী হতে চাইলে মার্কামারা ‘ম্যাচো’ ইমেজ ছেড়ে বেড়িয়ে একটু অন্যরকম পুরুষ বেছে নিন। সংবেদনশীল পুরুষরাই কিন্তু সবচেয়ে ভালো জীবনসঙ্গী হতে পারেন।

কী করে বুঝবেন আপনার জীবনের পুরুষটি যথেষ্ট সংবেদনশীল কিনা, তা জেনে নিন এখানে।

* সাধারণত ছেলেরা যেসব বিষয় ভালোবাসে, যেমন রাজনীতির কচকচি বা খেলা, আপনার পুরুষসঙ্গীটি যদি তার বাইরেও ছোট ছেলেমেয়েদের সঙ্গে সময় কাটাতে পছন্দ করে বা পাড়ার কুকুর-বেড়ালদের সঙ্গেও অবসর সময়ে খেলে বেড়ায়, তবে বুঝবেন যে তিনি যথেষ্ট সংবেদনশীল। তাঁর এই ভালোবাসায় বিরক্ত না হয়ে শ্রদ্ধা করুন।

* আপনার হাবি বা বয়ফ্রেন্ড যদি সংবেদনশীল হন, তবে আপনার সঙ্গে অল্প ঝগড়াতেই তিনি ভেঙে পড়বেন। সমালোচনা সহজেই তাঁর মন ছুঁয়ে যায়। সামান্য মন কষাকষিতেই কি তিনি আপনাকে টেক্স্ট করা বন্ধ করে দেন? সেই সময়ে খারাপ লাগলেও বুঝবেন আপনাকে সহজে আঘাত করতে কিন্তু ইনি পারবেন না।

* আপনার পার্টনার যদি সংবেদনশীল হন, তাহলে অল্প মন কষাকষিতেই আঘাত পেলেও সহজে তিনি নিজের মনের কথা অন্যের সঙ্গে শেয়ার করেন না। ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা মারলেও নিজের মনের কথা মনেই রাখতে ভালোবাসেন ইনি।

* শিক্ষকতা বা এনজিও’র মতো কোনো পেশায় সাধারণত সংবেদনশীল পুরুষরা যুক্ত থাকতে ভালোবাসেন। অন্যকে সাহায্য করার ইচ্ছা থেকেই এই ধরনের পুরুষরা এই ধরনের পেশা বেছে নেন।

* যদি আপনার পার্টনারের নীতিবোধ ও আদর্শের প্রতি নিষ্ঠা থাকে, তাহলে বুঝবেন তিনি অত্যন্ত সংবেদনশীল। তিনি রাজনীতির বিষয়ে সচেতন? সমানাধিকারে বিশ্বাসী? তাহলে নিশ্চিন্তে ভরসা করতে পারেন। এমন ছেলে আপনাকে ধোঁকা দেবে না।

* তিনি কি খোলা মনে সবকিছুর প্রশংসা করতে ভালোবাসেন? সৌন্দর্য, জীবন, আপনি – সবেতেই তিনি মুগ্ধ হয়ে যান? সংবেদনশীল পুরুষ আপনার জন্মদিন মনে রাখেন, আপনাকে বিছানায় সন্তুষ্ট করতে চান এবং শুধু আপনার শরীর নয়, আপনার মন নিয়েও তাঁর আগ্রহ যথেষ্ট।

তাই নিশ্চিন্তে থাকুন। আপনার মিস্টার সংবেদনশীল আপনার মিস্টার রাইট। এঁরা বেশি বুদ্ধিদীপ্ত, বেশি কেয়ারিং হন। এদের হাত ধরে সারাজীবন হাঁটাই যায়।

সূত্র: এই সময়