তীব্র গরমে ত্বক সতেজ রাখার কয়েকটি সহজ টিপস!

প্রি

ত্বক পরিষ্কার :
সর্ব প্রথম ত্বক পরিষ্কার রাখতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। ত্বক পরিষ্কারের জন্য ভালো মানের ফেসওয়াস ব্যবহার করুন।

সপ্তাহে অত্যন্ত দুই দিন ঘরে তৈরি প্যাক pack লাগাতে হবে। এতে করে ত্বকের ভেতরের ময়লা দূর হয়ে ত্বকের উজ্বলতা ফিরে আসবে।

২ চামচ ময়দা, ১ চামচ মধু এবং পাকা কলার মাক্স লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

গরমে ব্রণহীন ত্বক পেতে নিয়মিত নিম পাতা এবং চিরতার পেস্ট তৈরি করে ত্বক পরিষ্কার করতে হবে।

যবের গুঁড়া ১ চামচ পানির সাথে মিশিয়ে পেষ্ট করে সারা মুখে face লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।পারিষ্কার তোয়াল দিয়ে মুছে নিন।যবের গুঁড়া ব্রণ দূর করে ও মুখ পরিষ্কার হয়।

আর যা করবেন :

পানি পান –
এই গরমে ত্বক সুন্দর রাখতে পানির কোনো বিকল্প নেই। পানির অভাবে চামড়া খসখসে ও শুষ্ক হয়ে যায়। তাই নিয়মিত পানি পান করুন। পর্যাপ্ত পানি পানে ত্বক হয়ে উঠবে মসৃণ কমনীয়। ভাবছেন এতে নতুনত্বের কি আছে? ভুলে যান দিনে অন্তত আট গ্লাস পানি পানের ফর্মুলা। যতটুকু পানি পান করলে তৃষ্ণা নিবারণ হয় ততটুকু পানি পান করাই যথেষ্ট।

ময়েশ্চারাইজার –
আপনার ত্বকের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ভাল মানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

সূর্যের আলট্রা ভায়োলেট রশ্মি বা অতি বেগুনি রশ্মি আমাদের ত্বকের ক্ষতি করে। আমাদের স্ক্রিন ক্যানসারের জন্য দায়ী এ রশ্মি। আর তাই সুন্দর beauty ও স্বাস্থ্যজ্জ্বোল ত্বকের জন্য বাইরে বের হওয়ার আগে সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার করাটা অপরিহার্য। রোদ বা বৃষ্টি যাই হোক না কেন সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই। বাইরে বের হওয়ার অন্তত ১৫ মিনিট আগে খুব ভালো করে সানস্ক্রিন ক্রিম ত্বকে লাগাতে হবে। ঘরে রান্নার সময়ও সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। আবহাওয়া এবং ত্বকের ধরন অনুযায়ী পিএচপি দেখে ভালো মানের সানস্ক্রিন ক্রিম বা লোশন কিনুন।

স্ক্র্যাব –
চিনি, লেবুর রস এবং অলিভ অয়েল দিয়ে মাস্ক তৈরি করে নিন। এবার কিছুক্ষণ এই মিশ্রণ দিয়ে ত্বক ম্যাসাজ করে ধুয়ে নিন। চালের গুঁড়াও স্ক্র্যাব হিসেবে
ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহে অন্তত দুই দিন ত্বকে স্ক্র্যাব ব্যবহার করুন।

হাত, পায়ের যত্ন নিন –
গরমে ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফেরার পরে হাত, পা দুটোকে একটু স্বস্তি দিতে পাতিলেবুর রস দেওয়া বরফপানিতে দুটো পেপার টাওয়েল হাত-পায়ে জড়িয়ে রাখুন । দেখবেন আরামের সঙ্গে সঙ্গে পায়ের ঘামের দুর্গন্ধও দূর হবে।

দেহে ঘাম জমে ঘামাচি হতে পারে, দিনে দুইবার গোসল করুন। সুতি পোশাক ব্যবহার করুন। রোদে বেরুলেই সানগ্লাস ও ছাতা ব্যবহার করুন।

খাওয়ার পাশাপাশি ত্বকেও লাগাতে পারেন তরমুজের রস এবং অন্যান্য ফল। সুন্দর সজিব, সুস্থ ও প্রাণবন্ত থাকুন। গরমও উপভোগ্য হয়ে উঠবে।

ক্যারিয়ার টিপস: শিখুন নয়তো সারাজীবন অনুতাপে ভুগতে থাকুন –

stk32318bme

ক্যারিয়ারে এগিয়ে যেতে কে না চান? চাকরি ছেড়ে দেওয়া বা নতুন চাকরিতে যোগ দেওয়া বা নতুন করে লেখাপড়া শুরু করা- পরিস্থিত যাই হোক না কেন, সফলতা পেতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কিছু শিক্ষা অর্জন জরুরি। সাধারণত অভিজ্ঞজনরা নতুনদের এসব শিক্ষা দিতে পারেন। এখানে ফোর্বসের ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞ ট্রাভিস ব্রাডবেরি তুলে ধরেছেন সেই সব শিক্ষার কথা। আগে থেকেই এসব না শিখে রাখলে পরবর্তিতে পস্তানো ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না।

১. প্রথমেই আত্মবিশ্বাস : সফল মানুষের মাঝে আত্মবিশ্বাসের বিচ্ছুরণ দেখা যায়। কারণ তারা নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখেন। তাদের কাছে প্রথমেই আসে আত্মবিশ্বাস, তারপর অন্য বিষয়গুলো। আর তা আনতে হলে নিচের বিষয়গুলো বুঝে নিন।

ক. সন্দেহ সব সময় নতুন সন্দেহের জন্ম দেয়। আপনার ওপর কেন অন্য কেউ ভরসা আনবেন? যদি নির্ভরতার উপাদানগুলো আপনার কাছে আছে বলে মনে করতে পারেন, তবেই অন্যের কাছে নিজের বিশ্বস্ততা দাবি করতে পারেন।

খ. নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে হলে আত্মবিশ্বাস জরুরি। মানুষ যেখানে স্বস্তিবোধ করে না, সেখানে বিশ্বাস আনতে চায় না। কারো ওপর বিশ্বাস আনতে হলে তার সংস্পর্শকে নিরাপদ মনে হতে হবে। সফল ক্যারিয়ারের চারদিকে শক্ত ভিত্তি গড়তে থাকে আত্মবিশ্বাস।

গ. যাদের নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস নেই, তারা অভ্যন্তরের নানা পেরেশানিতে ভুগতে থাকেন। সফল মানুষরা নিজের ভেতর থেকে কোনো বাধার সম্মুখীন হন না।

২. জীনটা ছোট যা আপনিই গড়বেন : আপনি আসলে পরিস্থিতির শিকার নন। সিদ্ধান্ত নিতে কেউ-ই আপনাকে জবরদস্তির মাধ্যমে বাধ্য করতে পারে না। যে পরিস্থিতিতে আজকে রয়েছেন তার কারণ আপনি নিজেই। আপনিই তা সৃষ্টি করেছেন। হতে পারে লক্ষ্য অর্জনে যা করা দরকার ছিল তা করার সাহস আপনার মধ্যে ছিল না। যখন শুরু করবেন তখন মইয়ের নিচ থেকে বেয়ে বেয়ে ওপরে ওঠার পরিকল্পনা করবেন।

৩. ব্যস্ততাই উৎপাদনশীলতা নয় : আপনি সারা দিন কাজে ব্যস্ত থাকেন। এর অর্থ এই নয় যে, ব্যস্ততার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যেতে পারছেন। একের পর এক মিটিং শেষে আপনার অর্জন শূন্য হতে পারে। সফলতা কেবলমাত্র ব্যস্ততা থেকে আসে না। মনসংযোগ থেকে আসে যা উৎপাদনশীল কাজে ঢেলে দেওয়া হয়। জ্ঞানগর্ভ থেকে উৎপাদনশীল কাজ বেছে নিন। আপনার ব্যস্তাতার ফলে যা বেরিয়ে আসবে যা ফলপ্রসূ না হলে কোনো লাভই নেই।

৪. অন্যদের মতো আপনিও দক্ষ : এমন মানুষের চারপাশে অবস্থান করবেন যারা আপনাকে অনুপ্রেরণা দেবে। অন্য সব যোগ্য মানুষের মতো আপনার মাঝেও যোগ্যতা ও মেধা রয়েছে। যারে নিচে টেনে নেয় তাদের সঙ্গে থাকলে পতন ঘটবেই। জীবনের পরিসর অনেক ছোট। কাজেই এসব নেতিবাচক মানুষের চারপাশে থেকে ময় নষ্ট করবেন না।

৫. না চাওয়া পর্যন্ত ‘হ্যাঁ’ বলবেন না : ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার এক গবেষণায় বলা হয়, ‘না’ কথাটা বলতে যত অস্বস্তি বোধ করবেন, মানসিক চাপ ততই বেড়ে যাবে। ‘না’ কথাটা অনেক শক্তিশালী যার মাধ্যমে বহু বাজে পরিস্থিতি এড়িয়ে চলা যায়। যা করতে চাইছেন না, সেখানে ‘না’ বলুন। মন থেকে চাইলেই ‘হ্যাঁ’ বলতে পারেন।

৬. অতিমাত্রায় নেতিবাচক চিন্তা পরিহার করুন : ক্যারিয়ারে সব সময় আনন্দের উপকরণ পাবেন না। তখন নিজেকে নিয়ে সন্দেহ দানা বাঁধবে। নৈরাশ্যবাদ ভর করবে। এগুলো নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করলে আত্মবিশ্বাস হারাতে থাকবে। তবে ভেতর থেকে যা খুব বেশি সমস্যা সৃষ্টি করছে তা বোঝার চেষ্টা করুন।

৭. ‘যদি এমন হয়’ চিন্তাটা ত্যাগ করুন : লক্ষ্য নির্ধারণে এই চিন্তা পদে পদে বাধা সৃষ্টি করবে। ‘যদি এমন হয়’ কথাটি মনে উদয় হলেই তা না-বোধক শব্দ হয়ে যায়। এই সন্দেহ এমন এক পরিস্থিতিতে নিয়ে যায়, যেখানে কোনো সম্ভাবনা থাকে না।

৮. স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন : স্বাস্থ্য ঠিক না থাকলে কোনো কাজই সম্পন্ন হবে না। মস্তিষ্ককে কর্মক্ষমতা দেয় ঘুম। তাই নিয়মিত গভীর ঘুম অতি জরুরি। আবার নিয়মিত ব্যায়াম আপনাকে আরো বেশ কর্মক্ষম করে তুলতে পারে। আত্মনিয়ন্ত্রণ, মনোযোগ বৃদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতে ঘুম ও ব্যায়াম বিকল্প নেই। ইস্টার্ন অন্টারিও রিসার্চ ইনস্টিটিউটের এক গবেষণায় বলা হয়, যারা প্রতি সপ্তাহে দুই বার ব্যায়াম করেন, ১০ সপ্তাহ পর তারা নিজেদের প্রতিযোগী মনে করেন।

৯. ছোটখাটো বিজয় উদযাপন : সফলতা সব সময় বড় আকারে আসবে এমন কোনো কথা নেই। ছোটখাটো অর্জন কোনো না কোনো সময় ঠিকই আসছে। তাই এগুলো আপনাকে আরো উজ্জীবিত করে তুলতে পারে। এতে টেসস্টোস্টেরন হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে। এই হরমোন আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে।

১০. নিখুঁত কাজ আশা করবেন না : কোনো কাজই নিখুঁত হয় না। প্রকৃতিগতভাবেই কোনো কিছু নিখুঁত নয়। তাই এমনটা পেতে চাইলে কেবল সময়ের অপচয়ই হতে থাকবে। তা ছাড়া মানসিক পীড়া বাড়বে। এর প্রতি সব খেয়াল ঢেলে দিলে ব্যর্থতা চলে আসবে। তাই সফল হতে গুণগত মানসম্পন্ন কাজ করুন।

১১. সমাধানে মনোযোগ দিন : সমস্যা থাকবেই। তাই সব সময় সমাধানের খোঁজ করুন। যেকোনো সমস্যা সমাধানের উপায় রয়েছে। সমস্যা নিয়ে পড়ে থাকলে নেতিবাচক চিন্তা-ভাবনা উঁকি দেবে মনে।

১২. নিজেকে ক্ষমা করুন : মাঝে মাঝে ব্যর্থতার শিকার হবে। পিছলে পড়ে যাবেন। ভুল হতেই পারে। এ নিয়ে অনুতাপ করবেন না। ভুল তখনই মূল্যবান হয় যখন এর থেকে শিক্ষা নিতে পারবেন। অনুতাপে না ভুগে নিজেকে ক্ষমা করে দিন। এ কাজ না করতে পারলে ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাসে ক্ষয় ধরবে। তখন নিজের ওপর নিজেই আস্থা রাখতে পারবেন না। সূত্র : ফোর্বস

নারীর উন্নতি সহ্য করতে পারে না পুরুষ

8yw7yiw

নারী পুরুষের মধ্যে বিভেদ বিতর্ক চলছে আর চলবেই। কখনও নারী পুরুষের আচার-ব্যবহার প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তো কখনও পুরুষ নারীর। সেই বিতর্ককে আরও খানিকটা উসকে দিল সোশ্যাল মিডিয়ায় হওয়া একটা সমীক্ষা। বেশ কিছু মানুষের মধ্যে এই সমীক্ষা করা হয়েছিল। সমীক্ষার বিষয় রাখা হয়েছিল যে, ছেলেরা যা বলে, তাই কি করে? চমকে যাওয়ার মতো ফলাফল পাওয়া গেল সমীক্ষার।

পুরুষদের স্বভাবের ওপর একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল একটি সোশ্যাল মিডিয়া। সেই সমীক্ষায় দেখা গেছে, বেশিরভাগ পুরুষের মধ্যেই অন্যকে দমিয়ে রাখার স্বভাব থাকে। কোনও নারী যদি তাঁকে ছাপিয়ে বেশি উন্নতি করে ফেলে, সেটা পুরুষেরা সহ্য করতে পারে না। দেখা গেছে, ৯০ শতাংশ পুরুষ তর্ক এড়িয়ে যেতে অপরের বক্তব্যের সঙ্গে একমত হন। তাঁরা মেয়েদের কথা মেনে চলতে পছন্দ করেন না। এতে নাকি তাঁদের পুরুষত্বতে আঘাত লাগে। ৯৭ শতাংশ নারী একমত হয়েছেন যে, আসলে ছেলেরা মেয়েদের নিজেদের বশে রাখতে চায়। পুরনো প্রসঙ্গ তুলে কথা বলতে ছেলেরা একেবারেই পছন্দ করেন না। ২০ শতাংশ পুরুষ রয়েছে, যাঁরা পুরনো প্রসঙ্গ তুলে কথা বলতে চান।

সমীক্ষার শেষে দেখা গিয়েছে যে, বেশিরভাগ নারীর মতেই, পুরুষেরা যা বলেন, তা করেন না। প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা রাখেন না। মেয়েদের এড়িয়ে যাওয়ার জন্য কম কথায় উত্তর দেওয়া পছন্দ করেন পুরুষেরা

থেমে গেলে চলবে না

হজহগ

প্রতিটি সম্পর্কই আবেগের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ হয়ে আমরা নিজের অস্তিত্বই ভুলে যাই। ভালোবাসতে গিয়ে ব্যক্তিসত্তা বিসর্জন দিই। সে কারণে ভালোবাসার মানুষ চলে গেলে দিশেহারা হয়ে পড়ি। বেঁচে থাকতে ইচ্ছে করে না। তাই প্রতিটি মানুষের উচিত নিজের প্রতি ভালোবাসা তৈরি করা। সে ক্ষেত্রে শরীর ও মন—দুটির দিকেই সমান যত্নবান হতে হবে। তাতে করে নিজেকে কম কষ্ট দেওয়া হবে। আগে থেকে এই প্রস্তুতি নিলে জীবনের যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব। চাইলেও অনেক সময় কষ্টের মুহূর্তগুলো দ্রুত কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয় না। সে কারণে নিজেকে সব সামলানোর সময় দিন। নিজের প্রতি প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিন। আপনার সমস্যাটি নিয়ে পরিবারের সঙ্গে খোলাখুলি আলোচনা করুন। এতে করে তারা বুঝতে পারবে। অযথা হয়তো বিরক্ত করবে না। এই ধাক্কা, এই কষ্ট সবাই তখন শ্রদ্ধার চোখে দেখবে। নিজের প্রতি যে খারাপ লাগা ছিল, তা কমে যাবে।
এটা সত্য যে বিশ্বাস আর ভালোবাসার সম্পর্ক হারিয়ে গেলে জীবনটাকে অর্থহীন মনে হয়। এই কষ্ট অবর্ণনীয়। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কষ্টের মাত্রা কমে আসে। তখন ভালোবাসা, নির্ভরশীলতা খোঁজে মানুষ। এ ক্ষেত্রে পরিবার, বন্ধুদের বড় ভূমিকা পালন করতে হবে। চেষ্টা করবেন নিজেকে ব্যস্ত রাখতে।

নিজের সমস্যাটি নিয়ে প্রথমেই উচিত কারও সঙ্গে আলোচনা করা। তাতে করে মনের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব হবে। প্রয়োজনে কাউন্সেলিং করা যেতে পারে। তবে ‘সুপ্রিম সাইক্রিয়াটিক ইমার্জেন্সি’ দেখা দিলে মনোরোগের চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
আরও যা যা করতে পারেন
. প্রথমেই উচিত চাপিয়ে না রেখে কারও সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলা।
. পরিবারের ভূমিকা সবচেয়ে বড়। তারা বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা না করে তাকে বোঝার চেষ্টা করতে হবে।
. তার ভালো লাগার দিকে প্রাধান্য দিতে হবে। তাকে পুরোপুরি সমর্থন দিতে হবে।
৪. নিজের প্রতি খেয়াল রাখুন। পাশাপাশি নিজের জীবনকে ভালোবাসতে শিখুন।
৫. মানুষের মাঝে থাকার চেষ্টা করুন। পরিবারকে সময় দিন।
৬. বন্ধুদের সঙ্গে আগের চেয়ে বেশি সময় কাটান।
৭. কোনো কিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকার চেষ্টা করুন।
. সিনেমা দেখতে যাওয়া, কেনাকাটা করা সম্ভব হলে কোথাও থেকে ঘুরে আসুন।
৯. সম্ভব হলে কাজের সঙ্গে নিজেকে একাত্ম করুন। সময়ও কাটবে, কর্মজীবনও সফল হবে।
১০. আবেগের বশবর্তী হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না।

একটি মাত্র পাতা আপনার ত্বকের বলিরেখা এবং কালো দাগ দূর করে দেবে

প৭৬

ত্বকের বলিরেখা বা কালো দাগ নিয়ে আমাদের চিন্তার শেষ নেই। একটি ছোট দাগ ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। অপরদিকে বয়স বৃদ্ধি পাবার সাথে সাথে ত্বকে বলিরেখা দেখা দিয়ে থাকে। চোখের চারপাশ, গাল অথবা কপালে দেখা দিয়ে থাকে বলিরেখা। সাধারণত বয়স ৩০ এর পর ত্বকে বলিরেখা Skin wrinkles দেখা দেয়া শুরু হয়। তবে অতিরিক্ত কসমেটিক্সসের ব্যবহার, স্কিন ট্রিটমেণ্টের কারণে বয়সে আগেই অনেকের ত্বকে বলিরেখা পড়ে থাকে।
ত্বকের বলিরেখা এবং কালো দাগ দূর করে দিবে একটিমাত্র পেয়ারা পাতা! ভাবছেন কীভাবে? আসুন তাহলে জেনে নিই কিভাবে পেয়ারা পাতা দূর করবে ত্বকের কালো দাগ এবং বলিরেখা।

যেভাবে তৈরি করবেন_

১। একটি পাত্রে কিছু পেয়ারা পাতা গুঁড়ো করে পানিতে দিয়ে ফুটতে দিন।

২। পানি বাদামী রং ধারণ করার আগ পর্যন্ত ফুটিয়ে নিন।

৩। পানি বাদামী রং ধারণ করলে চুলা নিভিয়ে ফেলুন। ঠান্ডা হতে দিন।

৪। একটি তুলোর বল পানিতে ভিজিয়ে নিয়ে সারা মুখে লাগিয়ে ফেলুন।

৫। ১৫-২০ মিনিট এটি লাগিয়ে অপেক্ষা করুন।

৬। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৭। এটি সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন।

কার্যকারণঃ

পেয়ারা পাতায় প্রাকৃতিক টোনিং উপাদান রয়েছে যা ত্বকের কালো দাগ এবং ছোপ ছোপ দাগ কার্যকরভাবে দূর করে থাকে। এর অ্যান্টিসেপটিক উপাদান ত্বকের ব্যাকটেরিয়া দূর করে থাকে।

ত্বকে অ্যান্টি অক্সিডেন্টের পরিমাণ কমে গেলে বলিরেখা দেখা দিয়ে থাকে। পেয়ারা পাতায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা ত্বকের বলিরেখা দূর করে থাকে।

সতর্কতা:
এটি ব্যবহারের পর ত্বকে জ্বালাপোড়া দেখা দিলে, সাথে সাথে এটি ব্যবহার করা বন্ধ করুন।

মাত্র ১ রাতে ঝলমলে সিল্কি চুল পেতে চান?

৮৯

ঝলমলে সুন্দর, স্বাস্থ্যজ্বল চুল একরাতের মধ্যে পাওয়া সম্ভব নয়। তার জন্য প্রয়োজন দীর্ঘ সময়ের চুল পরিচর্যা। কিন্তু হঠাৎ কোনো অনুষ্ঠানের দাওয়াত পড়ে গেলে, তখন কি আর এত সময় পাওয়া যায় চুলের যত্ন নেওয়ার। তাহলে উপায়?

এই সমস্যার সমাধান রয়েছে। আগের রাতে চুলের যত্নে ব্যবহার করতে পারেন কিছু হেয়ার প্যাক। বিশেষজ্ঞদের মতে রাতে চুলের যত্ন শুধু আপনার সময় বাঁচায় না, এটি চুলের গোড়ায় গোড়ায় পুষ্টি যুগিয়ে থাকে। আসুন জেনে নিই এমন কিছু হেয়ার প্যাক এবং হেয়ার টিপস যা আপনাকে সিল্কি ঝলমলে চুল পেতে সাহায্য করবে।

১। নারকেল তেল –
রাতে খুব ভাল করে চুলে নারকেল তেল লাগিয়ে নিন। এরপর একটি চিরুনি দিয়ে মাথা ভাল করে আঁচড়িয়ে নিন। পরের দিন শ্যাম্পু করে ফেলুন। শ্যাম্পু চুল থেকে তেল দূর করে আপনাকে দিবে সিল্কি Silky hair ঝলমলে চুল।

২। দুধ –
একটি স্প্রে বোতলে ১/৪ কাপ ঠান্ডা দুধ এবং কুসুম গরম পানি মিশিয়ে নিন। এবার এটি সম্পূর্ণ চুলে স্প্রে করে নিন। এটি ১০ মিনিট চুলে রেখে দিন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। চুল নরম কোমল ঝলমলে হয়ে গেছে।

৩। ডিম –
৩টি ডিম, ২ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল অথবা নারকেল তেল এবং ১ টেবিল চামচ মধু ভাল করে মিশিয়ে নিন। চুলে ভাল করে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। কুসুম গরম পানি দিয়ে চুল শ্যাম্পু shampoo করে ফেলুন। আরেকটি প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ২টি ডিম, ১/২ কাপ টকদই, ২ টেবিল চামচ বাদাম তেল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটি যেন ঘন ক্রিমি হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন। ম্যাসাজ করে চুলে লাগান। আধাঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি আপনি আগের দিন গোসলের সময় লাগাতে পারেন।

৪। কন্ডিশনার ব্যবহার –
ভেজা চুলে কন্ডিশনার লাগিয়ে নিন। বিশেষ করে চুলের আগার অংশে কন্ডিশনার ভাল করে লাগান। একটি মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে ভাল করে চুল আঁচড়িয়ে নিন। একটি খোঁপা করে ঘুমাতে যান। পরের দিন সকালে চুল ধুয়ে ফেলুন। আর দেখুন আপনার চুল একদম সিল্কি হয়ে গেছে।

৫। টকদই এবং অ্যালোভেরা জেল –
অ্যালোভেরা জেলে কিছু পরিমাণে টকদই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এটি চুলে লাগিয়ে নিন। একটি শাওয়ার ক্যাপ মাথায় লাগিয়ে নিন। সারারাত এভাবে রাখুন। পরের দিন শ্যাম্পু করে ফেলুন। এই প্যাকটিও আপনাকে ঝলমলে স্বাস্থ্যজ্বল চুল healthy hair পেতে সাহায্য করবে।

চুলে প্যাক ব্যবহার করার পাশপাশি স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

লিখেছেন– নিগার আলম
ফিচার রাইটার, প্রিয় লাইফ

তথ্যসুত্রঃ প্রিয়.কম

ঝলমলে চুলের জন্য কলার ডিপ কন্ডিশনার

ker

ঝলমলে ও সুন্দর চুল কে না চায়? আর এজন্য আমরা কতো কি না করি। তবে আপনি চাইলে ঘরে বসেই চুলের কোনো ক্ষতি না করে প্রাকৃতিক উপায়ে ঝলমলে ও সুন্দর চুল পেতে পারেন।
যা যা লাগবে:
২-৩ টি কলা,
২ টেবিল চামচ নারিকেলের দুধ (নারিকেলের দুধ বানানোর উপায় জানতে এখানে ক্লিক করুন)
১ টেবিল চামচ নারিকেল তেল
২ টেবিল চামচ অরগানিক মধু।

প্রক্রিয়া:
কলাগুলোর খোসা ছড়িয়ে নিয়ে টুকরো টুকরো করে কেটে নিন। এর সঙ্গে বাকি উপকরণগুলো দিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন। এরপর যে পেস্ট তৈরি হকে সেটি মাথার ত্বকসহ চুলে লাগিয়ে নিন। চুলে লাগানো শেষে একটি প্লাস্টিকের ক্যাপ দিয়ে চুল ঢেকে রাখুন। ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করে চুল ভালভাবে ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফলাফল পেতে সপ্তাহে অন্তত একবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন

মুক্তাঝরা ফ্যাশন

yfg

আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে একসময় শুধু সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়েদের গয়নার বাক্সেই শোভা পেত মুক্তা। সময় এখন বদলেছে। এখন সবকিছুতেই মানুষ চায় প্রকৃতির ছোঁয়া৷ যে কারণে প্রকৃতিবান্ধব জিনিসের প্রতি মানুষের আকর্ষণটা বেশি৷ এ ছাড়া যেকোনো বয়সে যেকোনো পোশাকের সঙ্গে দারুণভাবে মানিয়ে যায় মুক্তার গয়না৷ মুক্তা এখন সহজলভ্যই বলা চলে। তাই শুধু আভিজাত্যে আর সৌন্দর্যের জন্যই নয়, সাধ্যের মধ্যে আছে এমন দামে মুক্তার গয়না এখন সবার মাঝেই বেশ জনপ্রিয়।
গয়না: কনকআন্তর্জাতিক বাজারে পার্ল বা মুক্তার দামটা একটু বেশি হলেও আমাদের দেশে এখন সাধ্যের মধ্যে মিলবে মুক্তার গয়না। রাজধানীর গুলশান-২-এর ডিসিসি মার্কেটের গয়নার দোকানগুলো ঘুরে এমনটাই দেখা গেল। বিভিন্ন দোকান ঘুরে মুক্তার গয়না কেনাকাটা করছিলেন তসলিমা আক্তার৷ জানালেন, মুক্তার গয়নার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, যেকোনো অনুষ্ঠানে অনায়াসেই পরা যায়। ডিসিসি মার্কেটের নিউ পার্ল ফেয়ারের কারিগর নজরুল ইসলাম জানালেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় এখন মুক্তার চাষ করা হয়৷ যে কারণে মুক্তার দামটা অনেক ক্রেতারই হাতের নাগালে চলে এসেছে। এ কারণে ক্রেতাদের কাছে এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে মুক্তার গয়না৷
মুক্তার গয়নার সঙ্গে ব্যবহার করা হচ্ছে নানা রকমের পাথর, সোনা, রুপা ও পিতলচতুর্দশ শতকে আরব সাগরে বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা ডুবুরিদের কোমরে মুক্তা রাখার কাহিনির কথা বর্ণনা করেন৷ এরপর থেকেই বিশ্ববাসীর কাছে মুক্তা পরিচিতি পায়৷ সালিম আল হোসাইনির ‘১০০০ ইয়ারস অব মিসিং ইন্ডাস্ট্রিয়াল হিস্ট্রি’ প্রবন্ধের সূত্র দিয়ে বাংলা উইকিপিডিয়ায় এমনটাই উল্লেখ করা হয়েছে। ঝিনুক থেকে তৈরি হয় মুক্তা৷ তবে এখন প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া মুক্তার (ন্যাচারাল পার্ল) ব্যবহারটা একেবারেই কম বলে জানালেন কনক দ্য জুয়েলারি প্যালেসের ডিজাইনার লায়লা খায়ের। এর পরিবর্তে কালচারড পার্ল বা চাষ করা মুক্তার প্রচলনটাই বেশি৷ তবে এই দুই ধরনের মুক্তার গুণগত মানে খুব একটা পার্থক্য থাকে না বলে জানালেন লায়লা খায়ের৷
গয়নার বাজারে এখন তো মুক্তার গয়নার জয়জয়কার। তবে গয়নায় ব্যবহৃত মুক্তাটি আসলেই মুক্তা কি না, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়ে যান ক্রেতারা। এ জন্য মুক্তাটি আসল কি না, তা জানতে কিছু বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখার পরামর্শ দিলেন এই নকশাবিদ৷ ভালো মানের মুক্তা হলে তা অবশ্যই গোলাকার এবং মসৃণ হবে৷ গোল আকৃতির মুক্তার গায়ে যদি দাগ থাকে তবে সেই মুক্তার মান ততটা ভালো নয়৷ আবার দাগ নেই কিন্তু মুক্তার আকৃতি চ্যাপ্টা—এ ধরনের মুক্তার স্থায়িত্ব বেশি দিন থাকবে না৷
মুক্তার বড় এক লহরি, কয়েক লহরির মালা যেমন আছে, তেমনি চলছে সুতায় গাঁথা ছোট ছোট মুক্তার মালাও। মডেল: সাফা কবিরসোনা, রুপার মতো মুক্তার গয়নার নকশা নিয়েও এখন চলে পরীক্ষণ৷ পার্ল প্যালেসের পরামর্শক ইফতেখার মাহফুজ জানালেন, একটা সময় এক লহরের মুক্তার মালার দিকে বেশি ঝোঁক ছিল ক্রেতাদের। তবে এখন মুক্তার সঙ্গে পাথর বসানো গয়নাটা বেশি চলছে। পাশাপাশি আছে, ফুলের তোড়া আকৃতির ঝুল নকশা গলার মালা৷ এ ছাড়া ফ্লাট আকারের মুক্তা, রাইস পার্ল এখন বেশ জনপ্রিয়। ইফতেখার মাহফুজ জানালেন, সাধারণত কয়েক লহরির মুক্তার মালার সঙ্গে ব্যবহার করা হচ্ছে সোনা ও রুপার লকেট। এ ছাড়া অক্সিডাইজড গয়নাতেও ভিন্নতা আনেছ মুক্তা (ডানে)গয়নায় তিন আকৃতির মুক্তার ব্যবহার করা হয়। ৭ মিলিমিটারের মুক্তার আকৃতি একটু ছোট হয়ে থাকে। বড় মুক্তাগুলো সাধারণত ১২ থেকে ১৪ মিলিমিটার দৈর্ঘ্যের হয়ে থাকে। আর চালের মতো আকৃতির মুক্তাগুলো পরিচিত রাইস পার্ল হিসেবে৷
আন্তর্জাতিক ফ্যাশন দুনিয়ায় এ বছর সোনা, রুপা বা পিতলের চেইনের মাঝে মুক্তার ব্যবহারটা বেশি দেখা যাবে৷ পাশাপাশি গয়নার উপাদানটা যাই হোক না কেন, তার সেন্টার পয়েন্টে থাকবে মুক্তার ব্যবহার৷ আড়ংয়ের গয়না ডিজাইনার শাহীদা আক্তার জানালেন, এ ক্ষেত্রে গলার পেন্ডেন্ট বা লকেটে নানা ঢঙে শোভা পাবে মুক্তা৷ অক্সিডাইজড গয়নাতেও থাকবে মুক্তার প্রচলন৷ আবার সোনার মতো আকারে মুক্তার ব্যবহার দেখা যাবে গয়নায়৷ কানের দুলের ক্ষেত্রে গলা আর লম্বা নকশার পাশাপাশি ঘাড় পর্যন্ত ঝোলানো মুক্তার গয়না থাকবে আড়ংয়ের গয়নার সংগ্রহে৷ দুলেও দেখা যাবে লেয়ারের নকশা৷ ব্রেসলেটের ক্ষেত্রে নতুনত্ব যোগ হবে লক সিস্টেমে৷ যেকোনো হাতে পরার উপযোগী করে তৈরি এসব ব্রেসলেটের লকটাতে থাকবে নান্দনিক নকশা

চোখের ভেতরে চোখ

wa

চোখের ফ্যাশনে লেন্সের ব্যবহার নতুন নয়। সব সময় চশমা পরতে পছন্দ করেন না অনেকেই। আবার পেশাগত প্রয়োজনেও কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করতে হয় কারও কারও। তবে সব সময় কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করা ঠিক নয়, এমনটাই বলেন বিশেষজ্ঞরা। কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করতে চাইলে সতর্ক থাকতে হবে কিছু বিষয়ে।
ইগোভিশন, ফ্রেশলুক, আই চয়েস, কমফোর্টসহ নানান ব্র্যান্ডের কন্টাক্ট লেন্স রয়েছে বাজারে। ধূসর, বাদামি, হ্যাজেল, অ্যাকুয়া, নীল, সবুজ রঙের লেন্স চলছে বেশ; এমনটাই জানালেন বিক্রেতারা। স্বচ্ছ লেন্সেরও চাহিদা রয়েছে। স্বচ্ছ কিংবা রঙিন—যেকোনোটির মধ্যেই পাবেন কসমেটিক লেন্স (পাওয়ারবিহীন) বা পাওয়ার লেন্স।
রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে আই ভিশনের বিক্রয় সহকারী মোহাম্মদ রনি জানালেন কন্টাক্ট লেন্সের যত্নআত্তির ব্যাপারে
* নির্দিষ্ট দ্রবণের মধ্যে কন্টাক্ট লেন্স সংরক্ষণ করতে হবে। এতে লেন্স ভালোমতো ভেজা থাকবে। কন্টাক্ট লেন্স কেনার সময়ই দ্রবণ ও লেন্স রাখার ছোট বক্স (ক্লিপ)সহ পুরো সেট কিনে নিতে পারেন। এর ফলে লেন্স সংরক্ষণ করতে সুবিধা হবে।
* দ্রবণটি ময়লা হয়ে গেলেই পরিবর্তন করে নিতে হবে। ময়লা দ্রবণে লেন্স রাখা যাবে না।
* দ্রবণের মেয়াদ তিন মাস। মেয়াদ পেরিয়ে গেলে দ্রবণ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
* কন্টাক্ট লেন্সেরও নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে। ছয় মাস থেকে দুই বছর পর্যন্ত মেয়াদের লেন্স কিনতে পাওয়া যায়। কেনার সময়ই লেন্সের মেয়াদ সম্পর্কে নিশ্চিত হোন। মেয়াদোত্তীর্ণ লেন্স ব্যবহার করা যাবে না।
.ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের আবাসিক সার্জন নীহার আর রায় জানালেন, প্রয়োজন না পড়লে কন্টাক্ট লেন্স না পরাই ভালো। কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহারের কারণে চোখে নানান সমস্যা হতে পারে। কন্টাক্ট লেন্সের উপাদান থেকে অ্যালার্জি হতে পারে, চোখের কর্নিয়ায় মারাত্মক ক্ষত সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি চোখে ব্যথা ও জ্বালাযন্ত্রণা হওয়ার পাশাপাশি কোনো কোনো ক্ষেত্রে দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। তবু যদি কন্টাক্ট লেন্স পরতেই হয়, সে ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা প্রয়োজন। নীহার আর রায়ের কাছেই জেনে নেওয়া যাক
* শিশু ও বয়স্ক ছাড়া অন্যরা কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করতে পারবেন। তবে কারও চোখের কর্নিয়ায় যদি কোনো সমস্যা থাকে, তাহলে তিনি একেবারেই কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করতে পারবেন না।
* চোখে কন্টাক্ট লেন্স পরার আগে সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিতে হবে। অসাবধানতাবশত কন্টাক্ট লেন্স হাত থেকে পড়ে গেলে কোনো অবস্থাতেই সেটি আর ব্যবহার করা যাবে না।
* চোখে যতটা কম সময় কন্টাক্ট লেন্স রাখা যায়, ততই ভালো। প্রয়োজন শেষেই কন্টাক্ট লেন্স খুলে রাখুন। একটানা পাঁচ-ছয় ঘণ্টার বেশি সময় কন্টাক্ট লেন্স না পরে থাকাই ভালো।
* যাঁদের স্বাভাবিকভাবেই পাওয়ার চশমা ব্যবহার করতে হয়, তাঁরা সেই অনুযায়ী পাওয়ারযুক্ত কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করতে পারবেন; তবে সেটিও যত দূর সম্ভব কম সময়ের জন্যই ব্যবহার করা উচিত।
* কন্টাক্ট লেন্স পরার পর হঠাৎ করে চোখ লাল হয়ে গেলে, চোখে জ্বালাযন্ত্রণা বা অস্বস্তিকর অনুভূতি হলে কিংবা চোখে অন্য যেকোনো অসুবিধা মনে হলে সঙ্গে সঙ্গেই কন্টাক্ট লেন্স খুলে ফেলুন। দ্রুত চক্ষু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হোন। কোনো কারণে চিকিৎসকের কাছে পৌঁছতে দেরি হলে চোখে পরিষ্কার পানি দিতে পারেন। তবে অন্যান্য সমস্যার পাশাপাশি যদি দেখতে অসুবিধা হয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রেও দেরি করা যাবে না।

.চোখে কন্টাক্ট লেন্স পরার আগে সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিতে হবেকোথায় পাবেন
রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স, ধানমন্ডি, এলিফ্যান্ট রোড, নিউমার্কেট, গুলশান, উত্তরাসহ বিভিন্ন স্থানে চশমার দোকানে পাবেন কন্টাক্ট লেন্স।
দরদাম
ব্র্যান্ড ও পাওয়ার ভেদে কন্টাক্ট লেন্সের দাম পড়বে ৪০০ থেকে ১৮০০ টাকা। দ্রবণ ও ক্লিপসহ পুরো সেট না কিনলে দাম একটু কম পড়বে। তবে পুরো সেটা কিনে নেওয়াটাই নিরাপদ।

সকালের নাশতা না করলে বিপত্তি অনেক

bjk

সকালে অনেক তাড়াহুড়ো, তাই কিছু মুখে দিয়েই বেরিয়ে যান অনেকে। এভাবে সকালের নাশতাটা প্রায় নিয়মিত বাদ যাচ্ছে। কিন্তু এর কী বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়ে শরীরের ওপর, তা জানেন? একাধিক গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে যে সকালের নাশতা যাঁদের অনিয়মিত, তাঁদের মধ্যে ডায়াবেটিস, হৃদ্রোগ ও স্থূলতা বা বাড়তি ওজন প্রভৃতি সমস্যার হার বেশি। আর স্বাস্থ্যকর নাশতা দিয়ে দিন শুরু করলে রক্তের ক্ষতিকর এলডিএল চর্বির পরিমাণ কমে, ওজন ঠিক রাখতে সুবিধা হয় এবং স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের দক্ষতাও বাড়ে।
সকালের নাশতা আমাদের শরীরের বিপাকক্রিয়া শুরু করার মাধ্যম। সারা রাত বিপাক ক্রিয়ায় যে পরিবর্তন ঘটে; যেমন: রাতের বেলা শক্তি জোগায় যকৃতে সঞ্চিত শর্করা, শক্তিক্ষয় বন্ধ থাকে মাংসপেশি ও অন্যান্য অঙ্গের, নানা হরমোন ও রাসায়নিকের নিঃসরণে চলে রাত্রিকালীন ছন্দময় ওঠানামা—সকালের নাশতার সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। আর শুরু হয় শরীরের মধ্যকার দিনের বেলার কার্যক্রম। যকৃৎ তখন শক্তির সরবরাহ থামিয়ে দেয়, ফলে এনার্জি বা শক্তি পাওয়ার জন্য চাই খাবার। সেটা না পেলে হরমোন ও রাসায়নিকের ছন্দপতন ঘটে। তার একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে মস্তিষ্কসহ সারা শরীরের ওপর।
দুপুরের খাবার বা মধ্যাহ্নভোজের আগেই বেশি খিদে পেয়ে যায়, ফলে দিনের মাঝামাঝি খাওয়া হয়ে যায় বেশি। পরিণামে ওজন বাড়ে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা একটি স্বাস্থ্যকর সকালের নাশতার জন্য কিছু নির্দেশিকা দিয়েছেন।
* সকালের নাশতা যেন কোনো দিনও বাদ না যায়। আর এর মেন্যুতে তিনটি মূল উপাদানের সমাহার থাকতে হবে: ১. শস্যজাতীয় খাবার (যেমন: রুটি বা ওটমিল), ২. দুধ বা দুধের তৈরি খাবার (যেমন: দই বা মিষ্টি), ৩. ফলমূল বা সবজিজাতীয় কিছু।
* সকালে চা-কফির চেয়ে এক গ্লাস জুস বা ফলের রস শ্রেয়।
* সকালে একটা ডিম প্রোটিনের চাহিদা পূরণে সাহায্য করে।
* নাশতা সারার সময়ের জন্য প্রয়োজনে ১৫ মিনিট আগে ঘুম থেকে উঠুন। আগের রাতে ঠিক করে নিন, সকালে কী কী খাবেন। খুব তাড়া থাকলে খাবার সঙ্গে নিয়ে বেরোন এবং অফিসে ঢুকেই প্রথমে নাশতা সেরে নিন।
ডা. তানজিনা হোসেন
হরমোন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ

স্মৃতিশক্তি বাড়াতে চান? শুধু সুগন্ধ শুঁকলেই চলবে

cvtf

৬৫ বছরের বেশি বয়সী ১৫০ জন মানুষের ওপর রোজমেরি আর ল্যাভেন্ডার তেলের সুগন্ধের প্রভাব পরীক্ষা করে ইতিবাচক ফল লাভ করেছেন গবেষকরা। বয়সের কারণে স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। সম্প্রতি একটি গবেষণা থেকে জানা গেছে, গন্ধ শুঁকেই স্মৃতিশক্তিজনিত সেই সমস্যার সমাধান সম্ভব।

ইংল্যান্ডের নর্দাম্ব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের একটি দল এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। তাঁদের গবেষণা কেন্দ্রীভূত ছিল যা ঘটতে চলেছে আর নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট কাজ শেষ করার দায়িত্বসংক্রান্ত স্মৃতির বিষয়ে।

গবেষকরা সমীক্ষা চালিয়ে দেখেছেন, রোজমেরি আর ল্যাভেন্ডারের তেলের সু‌গন্ধ আঘ্রাণে বেড়ে যায় বয়স্ক মানুষদের স্মৃতিশক্তি। ৬৫ বছরের বেশি বয়সী ১৫০ জন মানুষের ওপর রোজমেরি আর ল্যাভেন্ডার তেলের সুগন্ধের প্রভাব পরীক্ষা করে ইতিবাচক ফল লাভ করেছেন তাঁরা। তবে স্মৃতির ওপর এই জাতীয় সুগন্ধের প্রভাব কতটা স্থায়ী হবে সেই বিষয়ে এখনও কোনো নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেননি গবেষকরা।

গরমে ঝলমলে চুলের জন্য মেনে চলুন এই টিপস্

rtd7d

সুন্দর ও ঝলমলে চুল নারীর সৌন্দর্য। কিন্তু গরমে চুলের সৌন্দর্য হারিয়ে যায়। কেমন একটা রুক্ষ দেখায়। গরমে শরীরে তো ঘাম হয়ই। সেইসঙ্গে মাথাও খুব ঘামে। সারাক্ষণ চিপচিপে ভাব। রোদ, গরম, ঘামে চুল একেবারে নষ্ট হয়ে যায়। উজ্জ্বলতা হারিয়ে যায়। এই গরমে আপনার চুলের স্বাস্থ্য ও উজ্জ্বলতা কীভাবে বজায় রাখবেন, তার জন্য রইল কিছু টিপস্-

১. গরম থেকে বাঁচতে অনেকেই সুমিং পুলে ডুব মারেন। কিন্তু সুমিং পুলের জলে থাকে ক্লোরিন, এই রাসায়নিকটি চুলের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। চুলের ক্ষতি এড়াতে সুমিং পুলে যাওয়ার আগে চুলে লাগান নারকেল তেল বা কন্ডিশনার। সুমিং ক্যাপও পরে নিন। তাতে জলে থাকা রাসায়নিক চুলের ক্ষতি করতে পারবে না। সুমিং সেরে কখনওই শ্যাম্পু করা উচিত নয়। তবে জল দিয়ে চুল ভালো করে পরিষ্কার করে নিন।

২. তৈলাক্ত চুল হলে কন্ডিশনার ব্যবহার করা উচিত নয়। তাতে চুলের তৈলাক্ত ভাব আরও বেড়ে যেতে পারে। প্রয়োজনে ওয়াটার বেসড্ কন্ডিশনার ব্যবহার করতে পারেন। তা চুলকে রোদের তাপ থেকেও রক্ষা করবে আবার তেলতেলে ভাবও কমাবে।

৩. গরমের সময় চুলের আদ্রতা হারিয়ে যেতে শুরু করে। তার ফলে চুল রুক্ষ ও শুষ্ক দেখায়। এর থেকে বাঁচতে ব্যবহার করুন হেয়ার সিরাম। সিরাম লাগানোর পর চুল ভালো করে আঁচড়ে নিতে হবে। একইভাবে হেড বাথ নেওয়ার আগে চুলে তেল দেওয়া প্রয়োজন। তেল সামান্য গরম করেও লাগাতে পারেন।

৪. গরমে ও ঘামে চুলের যে চিপচিপে ভাব দেখা দেয়, তা দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন ড্রাই শ্যাম্পু। ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহারে চুলে পাবেন ঝলমলে ভাব।

৫. গরমকালে চুলের সুস্বাস্থ্য ও উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে ব্যবহার করতে পারেন ডিমের সাদা অংশ ও লেবুর রসের মিশ্রণ। মিশ্রণটি চুলে লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। তারপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চুল মখমলের মতো রেশমি হয়ে যাবে।

গরমের বড় বিপদ হিটস্ট্রোক

DR5

শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বেড়ে গেলে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট। এটি বাড়তে বাড়তে ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পেরিয়ে গেলেই হিটস্ট্রোক হতে পারে। এটি একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি। দ্রুত চিকিৎসা না দিলে রোগীর মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে।
হিটস্ট্রোকের প্রধান কারণ পানিশূন্যতা। হিটস্ট্রোকের লক্ষণগুলো হলো: মাথা ঝিমঝিম করা, বমি, অবসাদ ও দুর্বলতা, মাথাব্যথা, মাংসপেশির খিঁচুনি, চোখে ঝাপসা দেখা ইত্যাদি। হিটস্ট্রোকের রোগীর ত্বকে ঘাম থাকে না, ত্বক খসখসে, শুষ্ক ও লাল দেখায়, পাশাপাশি হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়। শ্বাসকষ্টও হতে পারে। ছোট শিশু, বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তি, দিনমজুরদের হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি।
প্রাথমিক চিকিৎসা
প্রচণ্ড গরমে বাইরে কেউ হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত বলে সন্দেহ হলে প্রথমেই তাকে দ্রুত ছায়ায় বা শীতল জায়গায় নিয়ে যান। পরনের ভারী জামাকাপড় খুলে দিন। গায়ে ঠান্ডা পানি ঢালুন বা স্পঞ্জ করে দিন। বগল ও ঊরুর ভাঁজে বরফ বা ঠান্ডা পানিতে ভেজানো কাপড় দিন। থার্মোমিটার দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা মেপে দেখুন এবং ১০১-১০২ ডিগ্রি ফারেনহাইটে নেমে আসার আগ পর্যন্ত প্রাথমিক চিকিৎসার পর যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান।
প্রতিরোধে করণীয়
* পানিশূন্যতা যেন না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখুন, গরমে ও রোদে প্রচুর পরিমাণ পানি, ডাবের পানি, স্যালাইন খান। বিদ্যালয়ে বা খেলার মাঠে শিশুদের দিকে খেয়াল রাখুন ও পর্যাপ্ত পানি তাদের সঙ্গে দিন।
* দুপুরের প্রচণ্ড রোদে ভারী কাজ বা শারীরিক ব্যায়াম করবেন না। প্রয়োজন ছাড়া বাইরেও যাবেন না।
* গরমে বাইরে বেরোলে সাদা বা হালকা রঙের কাপড় পরুন। ছাতা ব্যবহার করুন ও পানি সঙ্গে নিন।
অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ
ডিন, মেডিসিন অনুষদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
স্বাস্থ্যবটিকা ® ব্রোন স্মিথ
মাছের তেল খেলে কি রক্তচাপ কমে?
মাছ এবং মাছের তেলে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এটি রক্তচাপ কমায় এবং হৃদ্যন্ত্রের জন্য উপকারী। একাধিক গবেষণায় দেখা যায়, মাছের তেল মানুষের রক্তচাপ ১০ মাত্রা পর্যন্ত কমাতে পারে।
‘স্বাস্থ্যবটিকা’র লক্ষ্য রোগনির্ণয় গোছের কিছু নয়
প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: জ্বর হলে কি পানি বেশি পান করা উচিত?
উত্তর: জ্বর হলে শরীরের তাপমাত্রা বেশি থাকার ফলে ত্বক পানি হারায়। এতে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই জ্বর হলে বেশি করে পানি পান করা ভালো।
ডা. আ ফ ম হেলালউদ্দিন
মেডিসিন বিভাগ, স্যার সলিমুল্লাহ
মেডিকেল কলেজ

স্মৃতিতে নাসরীন হক

zer

তাঁকে নিয়ে তাঁর মা কবি জাহেদা খানম লিখেছেন কবিতা ‘আমার মেয়ে আছে সারা আকাশ জুড়ে’। মেয়ে তো সত্যিই উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে আলো ছড়িয়ে যাচ্ছেন। তিনি নাসরীন হক। নারীর প্রতি অন্যায়-অবিচার থেকে শুরু করে সমাজের পিছিয়ে পড়া অধিকারবঞ্চিত মানুষের প্রাপ্য অধিকার ও সুবিচার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি কাজ করে গেছেন।
২৪ এপ্রিল ছিল নাসরীন হকের দশম মৃত্যুবার্ষিকী। অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় নিজের বাসায় নিজের ব্যবহৃত গাড়ির নিচে পিষ্ট হন। তিনি ছিলেন নারীপক্ষের সদস্য।
নারীপক্ষ ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় ঢাকার জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে তাঁর স্মরণে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের নাম ছিল ‘রয়েছো আকাশ জুড়ে’। গান, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্যাবৃত্তির ফাঁকে ফাঁকে জীবনী পাঠের মাধ্যমে ৪৮ বছরে পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়া নাসরীন হককে স্মরণ করা হলো।
নাসরীন হকের মায়ের লেখা ‘আমার মেয়ে আছে সারা আকাশ জুড়ে’ কবিতা আবৃত্তির মধ্য দিয়ে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। নাসরীন হকের প্রিয় কিছু গান ‘মধুর আমার মায়ের হাসি’, ‘সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে’, ‘চির বন্ধু চির নির্ভয়’ পরিবেশিত হয়। অ্যাসিড আক্রান্ত নারীদের জন্য প্রতিষ্ঠা করা তাঁর গানের স্কুল ‘পঞ্চম সুর’ ‘ভালো আছি ভালো থেকো’ গানটি পরিবেশনের মাধ্যমে নাসরীন হককে সম্মান প্রদর্শন করে। অনুষ্ঠানে নারীপক্ষের সভানেত্রী রেহানা সামদানী ছাড়াও তাঁর কথা মনে করলেন অনেকেই।

প্রথম দেখায় কী করবেন?

হয় না, হয় না করে হয়েছে প্রেম। কত নির্ঘুম রাত, কান্নাকাটি, জল্পনা-কল্পনা। সবকিছুর ইতি টেনে প্রথম দেখা করতে যাচ্ছেন। দুশ্চিন্তায় আরও একটি রাতের ঘুম শেষ। যাওয়ার আগে ভুলে ফেলে গেলেন মানিব্যাগ। হাত ঘেমে, জিহ্বা শুকিয়ে অবস্থা বেশ খারাপ। যাক শেষ অবধি যখন পৌঁছালেন প্রেমিকার কাছে, তখন বলতে চাননি এমন একটি বেফাঁস কথা বলে ফেললেন। ব্যস,…