নোটিশ বোর্ড

7

রকমারি খাদ্য উৎসব
রান্না ও পুষ্টিবিদ প্রয়াত সিদ্দিকা কবীরের ৮৫তম জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে সিদ্দিকা কবীর রিসার্চ ফাউন্ডেশন আয়োজন করেছিল রকমারি খাদ্য উৎসবের। রাজধানীর নিউ বেইলি রোডের মহিলা সমিতি মিলনায়তনে ৭ মে সকাল ১০টায় এ উৎসবের উদ্বোধন হয়। উদ্বোধন করেন রোটারি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রথম নারী ডিস্ট্রিক গভর্নর (সদ্য সাবেক) সাফিনা রহমান। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ মহিলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক তানিয়া বখত এবং জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম। সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের সহসভানেত্রী সিতারা আহসানউল্লাহ। তিনি বলেন, ‘সিদ্দিকা কবীরের অভাব আমরা সব সময় বোধ করছি। এটাই তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ সঞ্চয়।’ দুই দিন ধরে চলে এ উৎসব। সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ছিল এই আয়োজন। উৎসবে ১২ জন রন্ধনশিল্পী তাঁদের হাতে তৈরি খাবার প্রদর্শন করেন। উৎসব আয়োজনে সহযোগিতায় ছিল এসিআই লিমিটেড ও প্রাণ-আরএফএল লিমিটেড।
খাবারের উৎসব
পেপসিকোর স্ন্যাক্স ব্র্যান্ড কুড়কুড়ের আয়োজনে চলছে ‘চাট ফেস্ট ২০১৬’। রাজধানীতে স্বপ্ন ডিপার্টমেন্ট স্টোরের পাঁচটি শাখায় (বনানী বাজার, গোপীবাগ, মিরপুর ৬, উত্তরা ১১ ও মণিপুরিপাড়া) পাওয়া যাবে এই চাটের স্বাদ। কুড়কুড়ে দিয়ে তৈরি মজাদার নানা ধরনের চাট মিলবে এখানে। ৬ মে থেকে শুরু হওয়া এই উৎসব শেষ হবে ১২ মে।

.ঈদ ফ্যাশন ক্যাটালগ
প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদের আগে ঈদ ফ্যাশন ম্যাগাজিন প্রকাশ করছে শীর্ষস্থানীয় ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার। ঈদের ফ্যাশন ক্যাটালগধর্মী এই ম্যাগাজিনে ফ্যাশন হাউসগুলোর ঈদ পোশাকের ছবি ছাপানোর সুযোগ রয়েছে। ছবি ছাপাতে হলে পোশাক জমা দিতে হবে ১৯ মের মধ্যে। পোশাক হবে দেশি উপাদানে তৈরি। পোশাকের সঙ্গে থাকবে ডিজাইনারের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, দাম এবং বাংলা বা ইংরেজিতে পোশাকের সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও দিতে হবে। পোশাকের ডিজাইন হতে হবে নিজস্ব ও আবহাওয়া উপযোগী। জমা দেওয়া পোশাক ও অনুষঙ্গ ফেরতযোগ্য। কমপক্ষে ছয়টি পোশাক জমা দিতে হবে। আর জমা দেওয়ার সময় প্রতিটি পোশাকের জন্য ৫০০ টাকা করে এন্ট্রি ফি দিতে হবে। পোশাক জমা ও বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য যোগাযোগ—সৈয়দ আহমেদ চৌধুরী (০১৭১১৬২৩৯০৫), কামাল হোসেন (০১৭১৬২৩২৫৩৪)।
গরমের জুতা
গরমে আরামদায়ক জুতা মিলবে ক্যাটস আইতে। অফিস, পার্টি বা দাওয়াতের জন্য থাকছে বিভিন্ন নকশার জুতা।
নতুন শাখা
উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরের ২৯ নম্বর বাড়িতে নতুন শাখা চালু করল মি অ্যান্ড মম। মা ও শিশুদের নানা ধরনের পণ্য মিলবে এখানে।
নতুন খাবার

দ্য ওয়েস্টিন ঢাকা নতুন স্বাদের খাবার যোগ করেছে তাদের তালিকায়। অস্ট্রেলিয়া থেকে আনা বিফ স্টেক ও সামুদ্রিক মাছের গ্রিলের স্বাদ প্রতিদিন নিতে পারবেন হোটেলের প্রেগো রেস্তোরাঁয়।

সুন্দর ত্বক পেতে চান? প্রতিদিন রূপচর্চায় ব্যবহার করুন এই ৪টি প্যাক

১৩০

ব্রণ, কালো দাগ ত্বকের যাবতীয় সমস্যার পিছনে রয়েছে অপরিষ্কার ত্বক এবং অযত্ন। হয়তো মাসে একবার ফেসিয়াল করছেন আর ভাবছেন ত্বকের যত্ন করা শেষ। এই ধারণাটি ভুল। নানা রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার, ধুলাবালি প্রতিনিয়ত ত্বকের ক্ষতি করে চলছে। তাই নিয়মিত ত্বকের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।১। পাকা কলা
কলা প্রায় সকলের বাসায় থাকে। এই কলা দিয়ে করে ফেলতে পারেন আজকের রূপচর্চাটি। একটি পাকা কলার সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই প্যাকটি ত্বকে লাগিয়ে নিন। ভিটামিন এ, ভিটামিন ই এবং ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ কলা ত্বকের কালো দাগ দূর করে উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে দেয়।

চিরবিদায় বলুন অবাঞ্ছিত লোমকে দারুণ ২টি উপায়ে

123

অবাঞ্ছিত লোমের সমস্যায় নারী পুরুষ উভয়ই ভুগে থাকেন। সাধারণত ঠোঁটের উপর, কপাল অথবা গালে অবাঞ্ছিত লোম দেখা দেয়। এটি আপনার সৌন্দর্য হ্রাস করার সাথে সাথে আপনার ব্যক্তিত্বের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
এই অবাঞ্ছিত লোমের কারণে অনেককে বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। বিভিন্ন বিউটি টিট্রমেন্ট রয়েছে যা ত্বকের অবাঞ্ছিত লোম দূর করে দেয়। কিন্তু এই টিট্রমেন্টগুলো যেমন কষ্টদায়ক তেমনি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াযুক্ত। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই টিট্রমেন্টগুলো সাময়িকভাবে লোম দূর করে থাকে। স্থায়ী সমাধান পাওয়া লক্ষ্যে অনেক লেজার ট্রিটমেন্টের শরণাপন্ন হয়ে থাকেন। তবে ব্যয়বহুল এই ট্রিটমেন্টটি সবাই করতে পারেন না। এই ট্রিটমেন্টে ছাড়াও ঘরোয়া দুটি উপায়ে চিরবিদায় বলে দিতে পারেন এই অবাঞ্ছিত লোমকে। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক জাদুকরী দুটি ঘরোয়া উপায়।

১। বেসনের প্যাক

যা যা লাগবে:
বেসন
চন্দনের গুঁড়ো
দুধের সর
সরিষা তেল
গোলাপ জল
হলুদ গুঁড়ো

যেভাবে তৈরি করবেন:
দুই টেবিল চামচ বেসন, এক টেবিল চামচ দুধের সর, দুই টেবিল চামচ চন্দন, এক টেবিল চামচ সরিষা তেল, এক টেবিল চামচ গোলাপ জল এবং এক চিমটি হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। ত্বকের যেসব স্থানে অবাঞ্ছিত লোম রয়েছে, সেখানে এই প্যাকটি ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে কয়েকবার করুন।

২। মসুর ডালের প্যাক

যা যা লাগবে:
মসুর ডাল
মুলতানি মাটি
চন্দন গুঁড়ো
বিশুদ্ধ মধু

যেভাবে তৈরি করবেন:
আধা কাপ মসুরির ডাল বেটে গুঁড়ো করে নিন। এবার দুই টেবিল চামচ মসুরির ডাল গুঁড়ো, এক টেবিল চামচ মুলতানি মাটি, এক চা চামচ চন্দনের গুঁড়ো, দুই টেবিল চামচ বিশুদ্ধ মধু ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার পেস্টটি ম্যাসাজ করে ত্বকে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে কয়েকবার ব্যবহার করুন।

টিপস:
– মসুরি ডাল মিহি করে গুঁড়ো করার জন্য সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।
– পরবর্তিতে ব্যবহারের জন্য এটি একটি এয়ার টাইট কনটেইনার জারে সংরক্ষণ করতে পারেন।

সূর্যের তাপ থেকে চুলকে বাঁচানোর ৫টি উপায়!

121

রোদ গরম ধুলো ধোঁয়ায় জনজীবনের প্রাণ ওষ্ঠাগত। সূর্যের প্রচণ্ড তাপে যে শুধু ত্বকের ক্ষতি হয় তাই নয়, একই রকম ক্ষতি হয় চুলেরও। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ফলে নিস্প্রাণ হয়ে যায় চুল। দেখা দেয় রুক্ষতা।
জেনে নিন সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে চুলকে কীভাবে বাঁচাবেন-

১) রোজ ভালো করে গোটা চুলে শ্যাম্পু করতে হবে। যাতে ধুলো জমে না থাকে। এমন শ্যাম্পু বাছবেন, যা চুলকে রুক্ষ না করেই পরিষ্কার করবে।

২) এবার ভালো করে কন্ডিশনার লাগাবেন। কন্ডিশনার লাগালে চুলের রুক্ষতা অনেকটা দূর হয়।

৩) সারাদিন বেশি পরিমানে জল খেতে হবে। খেতে হবে প্রচুর পরিমানে সবুজ শাকসব্জিও।

৪) রাস্তায় বেরোনোর সময় চুলে একটা রুমাল বা ওড়না বেঁধে বেরোবেন। এর ফলে চুলে ধুলো এবং একই সঙ্গে সূর্যের তাপও কম লাগে।

৫) চুল খারাপ হয়ে গেলে খারাপ হয়ে যাওয়া অংশ কেটে বাদ দিয়ে দিতে হবে। নাহলে বাকি চুলও খারাপ হয়ে যাবে।

রোদে পোড়া ত্বকের দাগ দূর করার বিভিন্ন ফেসপ্যাক

120

আলু –
আলু স্লাইস করে কেটে ত্বকে ঘষুন ১৫ মিনিট। আরও ১৫ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ত্বক। আলু পেস্ট করেও ত্বকে লাগিয়ে রাখতে পারেন।

হলুদ ও লেবু –
হলুদ গুঁড়ার সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। দূর হবে রোদে পোড়া দাগ।

তরমুজ –
তরমুজের টুকরা ফিরে রেখে ঠাণ্ডা করুন। বাইরে থেকে ফিরে ত্বকে ঘষে নিন ঠাণ্ডা তরমুজ। কমে যাবে রোদে পোড়া দাগ।

লেবু ও গোলাপজল –
৫ টেবিল চামচ গোলাপজলের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মেশান। দ্রবণটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে। পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলুন।

বেসন, দুধ ও লেবু –
১ টেবিল চামচ বেসনের সঙ্গে ২ চা চামচ দুধ মেশান। কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিন মিশ্রণে। মিশ্রণটি রোদে পুড়ে যাওয়া ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

টমেটো ও লেবু –
একটি টমেটো ব্লেন্ড করে লেবুর রস মেশান। মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ২০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কমে যাবে রোদে পোড়া দাগ।

আঁচিল নিয়ে চিন্তিত?

116

কারও কারও ত্বকে একটু উঁচু কালচে আঁচিল দেখা যায়। এটা ভাইরাসজনিত একটি রোগ। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঁচিল হতে পারে। এ জন্য দায়ী ভাইরাসের অনেকগুলো প্রজাতি রয়েছে। প্রজাতিভেদে আঁচিলের উপসর্গ ভিন্ন হয়ে থাকে।
যাঁরা দাঁত দিয়ে নখ কাটেন, বেশির ভাগ সময় মাংস নাড়াচাড়া করেন এবং ঘন ঘন হাত ধুয়ে থাকেন, তাঁদের আঁচিল হওয়ার আশঙ্কা অন্যদের তুলনায় বেশি। এ ছাড়া কোনো কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে গেলেও আঁচিল দেখা দিতে পারে।
আঁচিল কিন্তু ছড়ায়। মানে শরীরের এক জায়গায় আঁচিল থাকলে সেখান থেকে শরীরের অন্য অংশেও ছড়াতে পারে। শেভ করার সময়ও আঁচিল সংক্রমিত হতে পারে।
চিকিৎসা: আঁচিলের জন্য ওষুধ, লেজারসহ নানান ধরনের চিকিৎসার সুযোগ রয়েছে। আঁচিলের সংখ্যা, অবস্থান ও ধরনের ওপর নির্ভর করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। আঁচিল হলে চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। এটি যেমন নিজের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়তে পারে, তেমনি খুব কাছের মানুষদের মধ্যেও ছড়াতে পারে। উপযুক্ত ব্যবস্থায় সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নিলে কোনো জটিলতার আশঙ্কা নেই।
ডা. তুষার সিকদার
চর্মরোগ বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
প্রশ্নোত্তর
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে রয়েছে নানা রকম স্বাস্থ্যসমস্যা। অনেক সময় ঘরে বসেই কিংবা জীবনধারা পরিবর্তনের মাধ্যমে এসব সমস্যার সমাধান সম্ভব। আপনার সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন পাঠান। উত্তর দেবেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা। বয়স লিখতে ভুলবেন না।
স্বাস্থ্যসমস্যা নিয়ে প্রশ্ন পাঠাতে পারেন এই ঠিকানায়:
ভালো থাকুন
প্রথম আলো, সিএ ভবন
১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার ঢাকা-১২১৫
ই-মেইল:bhalothakun@prothom-alo.info

কারণগুলো অতি সাধারণ, কিন্তু সম্পর্কে ঘটায় বিচ্ছেদ

4

দাম্পত্য সম্পর্কে বিচ্ছেদ যেমন বড় কারণে ঘটে, তেমনি ছোটখাটো কারণেও ঘটতে পারে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন এমনই কিছু কারণ যা কিনা ফালতু। আর এসব কারণেও ভেঙে যেতে পারে।

১. আঙুল উঁচিয়ে কথা বলা : ছুটি কাটাতে দুজন ঘুরতে গেছেন বা কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। সেখানে কিছু বিগড়ে যেতেই পারে। সে জন্যে পরে একে অপরকে দোষারোপ করতে থাকেন। এ সময় একে অপরের প্রতি আঙুল উঁচিয়ে দোষারোপ করার কাজটি এড়িয়ে চলুন। এটা দুজনকেই উত্তেজিত করে দেয়। এ সময় নিয়্ন্ত্রণ হারালে দুর্ঘটনা ঘটে যেতেই পারে।

২. বাড়ির কাজের ক্ষেত্রে : খাবারের পর বাসনপত্র মাজা বা ঘল পরিষ্কার করার বিষয়ে দুজন কাজ ভাগ করে নিতে পারেন। কিন্তু এসব কাজে অকে অপরের বিরুদ্ধে কাজ না করার অভিযোগ করে থাকেন। বাড়ির কাজের ভাগাভাগি নিয়ে অগুরুত্বপূর্ণ বসচায় দুজনের সম্পর্ক খারাপের দিকে যেতে থাকে।

৩. শপিং নিয়ে ঝামেলা : দুজনের শপিং বিষয়ক অভ্যাস নিয়ে ঝামেলা হতে পারে। একজন হয়তো বিলাসী জিনিসপত্র কিনতে আগ্রহী। অপরজন বেশি খরচ করতে রাজি নন। তা ছাড়া দুজনের পয়সা একযোগ করে শপিংয়ের ক্ষেত্রেও ঝামেলা হতে পারে। এ কারণে দ্বন্দ্ব এবং সম্পর্কের বিচ্ছেদ খুবই দুঃখজনক ঘটনা।

৪. সমস্যা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা : দাম্পত্য জীবনে কলহ থাকবেই। এর সমাধান করতে হয়। কিন্তু সমাধানের পথ না খুঁজে তা এড়িয়ে গেলে আপাতত ঝামেলা এড়িয়ে যেতে পারলেও তা ভবিষ্যতের নেতিবাচক বিষয় হিসাবে থেকে যাবে। দ্বন্দ্ব হলে তা অবশ্যই মেটাতে হবে।

৫. যৌন জীবনে ভিন্ন আকাঙ্ক্ষা : বিশেষজ্ঞদের মতে, যৌন বিষয়ে দুজনের ভিন্ন ধারণা ও আকাঙ্ক্ষা থাকতে পারে। পার্থক্য ঘোঁচাতে আন্তরিক আলাপচারিতা প্রয়োজন। দুজনের মধ্যেই আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে। মনে কথা মনেই পুষে রাখলে যৌনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।

৬. নিজেকে বিশেষ কেউ মনে হয় না : সাধারণত স্ত্রীরা এ সমস্যায় ভোগেন। অনেকের অভিযোগ, স্বামীর ভাবভঙ্গী দেখলে মনেই হয় না যে তারা বিশেষ কেউ। এ নিয়ে মনপীড়ায় ভোগেন স্ত্রীরা। এ ক্ষেত্রেও আলোচনা ফলপ্রসু হতে পারে। আবার এ ভুল কিনা তাও দেখা উচিত স্ত্রীদের।

৭. মারমুখী আচরণ : দুই একটি আপত্তিকর ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এ সময় এক পক্ষকে সহনশীল হতে হবে। কারোরই উচিত না অপরের গায়ে হাত তোলা। কিন্তু কেউ ভুল করে করে ফেললে অপরজনের উচিত নয় পাল্টা আঘাত করা। বরং সময় দিন। দেখবেন যিনি এ কাজ করেছেন তিনি অনুতাপে ভুগতে শুরু করেছেন। আঘাত-পাল্টআঘাতে সম্পর্কে ফাটল ধরে।

৮. অন্য বিষয়ে মনোযোগ বেশি : হতে পারে স্বামী ক্রিকেট খেলা শুরু হলে জীবনের সবকিছু ভুলে যান। তখন টিভিটাই তার একমাত্র আপন হয়ে ওঠে। স্ত্রীর প্রতি হয়তো তার খেয়ালই নেই। কিন্তু এ বিষয়কে সিরিয়াসলি নিয়ে অভিযোগ উত্থাপন করাটা বোকামি। অনেক স্ত্রী ভাবেন তার প্রতি স্বামীর কোনো আগ্রহ নেই। এ ভুল ধারণা থেকে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে পারে।

৯. ‘তুমি কখনোই আমার কথা শোন না’ : প্রায়ই এক অপরকে এ অভিযোগ করেন দম্পতিরা। আসলেই কি তাই? একটি বিষয় নিয়ে ঝগড়া হলে এমনভাবে কথাটা বলা হয়, যেন অপরজন কথা শুনলেই এমনটা আর হয় না। অথবা যিনি অভিযোগ করছেন, তিনি সব সময় সঠিক উপায়েই কাজ করতে বলেন, কন্তিু অপরজন কানে কথা তোলেন না। এটা নিতান্তই অর্থহীন কথা। অথচ এর প্রভাব বিস্তর।

১০. মিথ্যাচার : আপনারা একে অপরকে ক্রমাগত মিথ্যা বলে চলেছেন। হয়তো ভাবছেন, মিথ্যাটা এতটাই ক্ষুদ্র যে তা কোনো বিরূপ প্রভাব ফেলবে না। এও ভাবতে পারেন যে, অপরজন কিছুই বুঝতে পারবেন না। এগুলো ভুল ধারণা। সত্য চাপা থাকবে না। মিথ্যা প্রকাশ পেলে দুজনেরই মনে ক্ষোভ জমা হবে। পরবর্তিতে তা বিচ্ছেদের কারণ হতে পারে। সূত্র : এমএসএন

দাম্পত্য জীবনে যৌন পরিতৃপ্তি দেয় বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক –

3

দাম্পত্য জীবনে বন্ধুত্ব না গড়ে উঠলে সম্পর্ক দীর্ঘমেয়াদি হয় না। শুধু তাই নয়। আমেরিকার এক দল বিশেষজ্ঞের গবেষণায় উঠে এসেছে যে, তৃপ্তিকর যৌনজীবন ও আবেগময় সম্পর্কের জন্যেও বন্ধুত্ব হওয়া চাই।

গবেষক ও মনোবিজ্ঞানী লরা ভ্যান্ডারড্রিফট জানান, জীবন সঙ্গী বা সঙ্গিনী এমন হওয়া উচিত যার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজ করে। দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা এবং উপভোগ্য যৌনজীবন তৈরিতে এ সম্পর্কই মূল ভূমিকা পালন করে। রোমান্টিক সম্পর্ককে পরিপূর্ণতা দিতে কেবল রোমান্টিকতা যথেষ্ট নয়। এখানে বন্ধুত্ব দরকার। এতে সময়ের সঙ্গে দুজনের মধ্যকার ভালোবাসা, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতা ক্রমেই বাড়তে থাকে।

এ গবেষণা সম্পন্ন করেন আমেরিকার ইন্ডিয়ানার পুর্দু ইউনিভার্সিটির বিশেষজ্ঞরা। জার্নাল অব সোশাল অ্যান্ড পারসোনাল রিলেশনশিপস-এ প্রকাশিত হয়েছে। এখানে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের সঙ্গে যৌন তৃপ্তির গভীর যোগাযোগের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

গবেষণায় ১৮৪ মানুষের ওপর জরিপ চালানো হয়। এরা সবাই কমপক্ষে ১৬ মাস ধরে দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করছেন। এ সম্পর্কের কোন বিষয়টিকে তারা সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন তা জানতে চাওয়া হয়।

তাদের জবাব বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দুজনের মাঝের বন্ধুত্ব গভীর পরিতৃপ্তি এনেছে। এমনকি যৌনজীবনটাকেও উপভোগ্য করে দেয় বন্ধুত্ব। কাজেই এ সম্পর্কে গড়ে তোলার মাধ্যমে বহু দাম্পত্য সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে মনে করেন ড. ভ্যান্ডারড্রিফট। এ কাজের দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ লেদ-দেন থাকা প্রয়োজন। অন্য বন্ধুর সঙ্গে যে সব বিষয় নিয়ে মানুষ আলোচনা করে বা সহায়তা চেয়ে থাকেন, তা সঙ্গী-সঙ্গিনীর মাঝে ঘটলে সম্পর্কের উন্নয়ন হবে।
সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট

চোখ সাজাতে ঠোঁট রাঙাতে

চিআ

কেউ চোখ সাজাতে পছন্দ করেন, কেউ পছন্দ করেন ঠোঁট রাঙাতে। চোখ ও ঠোঁটের সঠিক সাজ চেহারায় নিয়ে আসে ভিন্নতা। বেঠিকভাবে ব্যবহার নিয়ে আসবে উল্টো ফল। লিপস্টিক ও কাজল লাগানোর ক্ষেত্রে অনেকে অনেক রকম সমস্যায় পড়ে থাকেন। সমস্যাগুলো এড়িয়ে সুন্দর করে ঠোঁট রাঙানো, চোখ সাজানোর পরামর্শ দিলেন রূপবিশেষজ্ঞ ফারজানা শাকিল।
চোখ ও ঠোঁট সাজাতে দরকার ভালো মানের প্রসাধনী মডেল: মাহি ছবি: নকশামুখের ত্বকের মতো ঠোঁটেরও চাই বিশেষ যত্ন। অনেক সময় ঠোঁট ফেটে যায়, মরা চামড়া হয়, ঠোঁটের উপরিভাগ খসখসে হয়ে যায়। ঠোঁটের মরা চামড়া পরিষ্কার রাখতে হবে এবং ময়েশ্চারাইজার বা লিপবাম ব্যবহার করে নরম রাখতে হবে। পরিষ্কার নরম ঠোঁটে ইচ্ছেমতো লিপস্টিক পরা যায়। লিপস্টিক পরার আগে চারপাশটা ভালো করে লিপলাইনার দিয়ে এঁকে নিতে হবে। তারপর লাইনের ভেতরের অংশে মাঝখান থেকে একটু একটু করে পুরো ঠোঁটে লিপস্টিক লাগিয়ে নিন। এবার পাউডার হালকাভাবে চেপে চেপে লাগিয়ে নিলে আর ছড়িয়ে যাওয়ার ভয় থাকে না। দীর্ঘ সময় ধরে এটি স্থায়ী হবে।
গ্লসি বা ক্রিমি লিপস্টিক লাগানোর আগে ঠোঁটে একটু প্রাইমার, শ্যাডো বা ব্লাশনে লাল শেড তুলির মাথা দিয়ে চেপে চেপে লাগিয়ে নিলে ছড়িয়ে যাবে না। থাকবেও অনেকটা সময় ধরে। গাঢ় লিপস্টিক পরার ক্ষেত্রে ব্রাশ দিয়ে ঠোঁটে লাগালে নিখুঁত করে পরা যাবে। লিপস্টিক ব্যবহারের পর যদি তা গাঢ় হয়ে যায়, তাহলে ঠোঁটে একটা টিস্যু হালকা করে চেপে বাড়তি লিপস্টিক তুলে নিতে পারেন। প্রয়োজনে পরে আরেক টোন লিপস্টিক হালকা করে লাগিয়ে নেওয়া যেতে পারে।
লিপস্টিক পরার সময় মুখ ও ঠোঁটের আকৃতির ওপর খেয়াল রাখুন। তার ওপর নির্ভর করেই লিপস্টিক লাগাতে হবে। কারও ঠোঁট যদি চিকন বা পাতলা হয়, তাহলে লিপলাইনার দিয়ে একটু বড় করে এঁকে নিয়ে লিপস্টিক পরলে ভালো দেখাবে। আবার যদি কারও বড় বা মোটা হয়, সে ক্ষেত্রে ঠোঁট আঁকার সময় ছোট করে ও গোল আকারে এঁকে নিতে পারেন।
অনেকেই দিনের অনেকটা সময় লিপস্টিক পরে থাকেন। হতে পারে শখের বশে অথবা প্রয়োজনে। ফারজানা শাকিলের পরামর্শ হলো, বাড়িতে থাকার সময় বা প্রয়োজনের বাইরে ঠোঁটকে বিশ্রাম দিতে হবে। সারা দিন শেষে বাসায় ফিরে যত্নসহকারে লিপস্টিক তুলে ফেলতে হবে। সম্ভব হলে একটু বাড়তি যত্ন নিতে হবে। গোলাপ ফুলের পাপড়ি, দুধের সর আর মধু দিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করে ১০ মিনিট ঠোঁটে রেখে তারপর ধুয়ে নিলে ঠোঁট কোমল ও মসৃণ থাকবে।

চোখের সাজে
চোখ সাজাতে কাজলের কোনো বিকল্প নেই। চোখে একটুখানি কাজলের ছোঁয়ায় সাজটা হয়ে ওঠে অনন্য। কিন্তু এখানেও রয়েছে ছড়িয়ে যাওয়ার ভয়। চোখের পাতা তৈলাক্ত হলে অথবা আইলাইনার ও কাজল পরার পরে পলক বেশি পড়লে কাজল ছড়িয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে কাজল দেওয়ার আগে ডার্ক ব্রাউন আইশ্যাডো লাগিয়ে নিয়ে কাজল পরলে ছড়িয়ে যাওয়ার ভয় থাকে না। কাজল দেওয়ার পর সামান্য পাউডার আইশ্যাডো ব্রাশে নিয়ে কাজলের ওপর চেপে লাগিয়ে নিলে চোখের পাতার অতিরিক্ত তেল শুষে নিয়ে ঝরঝরে রাখবে এবং কাজলকে দীর্ঘস্থায়ী করবে। খেয়াল রাখতে হবে কাজলটি তৈলাক্ত কি না। তৈলাক্ত কাজল দ্রুত ছড়ায়। এমন হলে কালো আইশ্যাডো লাগিয়ে নিলে তৈলাক্ত ভাব কেটে গিয়ে কাজলকে অনেক সময় ধরে রাখবে। সারা দিন শেষে চোখেরও চাই বিশেষ যত্ন। দিন শেষে ভালো করে তুলে ফেলতে হবে কাজল। তুলায় করে ভ্যাসিলিন, জলপাই তেল, জোজোবা তেলের যেকোনো একটির সাহায্যে কাজল পরিষ্কার করে নিতে পারেন। চোখের আরামের জন্য তুলা ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে চোখের ওপর রাখতে পারেন। চোখ সতেজ ও প্রাণবন্ত থাকবে।
ফারজানা শাকিল মনে করেন, ভালো মানের পণ্য ব্যবহার করা উচিত। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, এসব পণ্যে কিছু না কিছু কেমিক্যাল থাকে। ভালো পণ্য না হলে ত্বকে নানা রকম সমস্যা তৈরি হতে পারে। র্যাশ, ফুসকুড়ি, ইনফেকশনসহ নানা প্রকার ঘা হতে পারে। তাই বুঝেশুনে এসব পণ্য ব্যবহার করা উচিত।

বিবাহিত জীবন যেভাবে সুখী হবে

টচ৬া

বিবাহিত জীবনের ছোট ছোট চাপা অভিমান, অভিযোগ থেকেই জন্ম হয় অনেক ভুল-বোঝাবুঝির। সংসারও ভেঙে যায় অনেক সময়। অন্য দম্পতিদের দেখে মনে হয়, ‘বাহ্, কী চমৎকার সম্পর্ক!’ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিনের জীবনে ছোটখাটো কিছু পদক্ষেপই অনেক ভুল-বোঝাবুঝির অবসান করতে পারে। শুধু দরকার একটু চেষ্টা। জেনে নেওয়া যাক তেমনই কয়েকটি পদক্ষেপ।

শুনুন ও বলুন

একে অপরের সঙ্গে কথা বলুন। নিজের পছন্দ-অপছন্দের বিষয়গুলো খুলে বলুন। অপরের কথাও শুনতে হবে। সঙ্গীকে বুঝতে দিন, কোন পদ্ধতিতে বেছে নিলে ভুল-বোঝাবুঝি বেশি হবে। কারণ, সবার বুঝে নেওয়ার ক্ষমতা সমান নয়। চাপা স্বভাবের মানুষেরা কথা বলতে স্বচ্ছন্দবোধ করে না সাধারণত। নিজের পছন্দ-অপছন্দের বিষয়গুলো খুলে বলতে চান না। অভিযোগ না করে প্রশংসা করুন। অন্যের দোষ ধরার আগে নিজের দোষটা স্বীকার করুন। অনেক কিছুই সহজ হয়ে যাবে।
কত কিছু করি
আমিই সব করছি—এই মনোভাব থেকে বের হয়ে আসতে হবে। আপনার স্ত্রী কিংবা স্বামীর স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য কিছু করে থাকলে বারবার সেটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখানো রুচিশীল নয়। তবে এই ‘করাটা’ শুধু একতরফা হয়ে গেলে আবার সমস্যা তৈরি করবে। তখন সেটা ‘আমরা করছি’ থেকে শুধু ‘আমি করছি’তে চলে যাবে।
পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস
বিষয়টি সবারই জানা, কিন্তু কিছু কিছু সম্পর্কে সেটা মানা হয় না। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক অনেকটাই নির্ভর করে এ দুটি বিষয়ের ওপর। বাইরের মানুষের সামনে বদনাম করাও শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস না থাকার কারণেই করেন অনেকে। তবে এই দুটি বিষয়ই অর্জন করে নিতে হয়। জোর করে চাপিয়ে দেওয়া যায় না।
জোর করে ঝগড়া নয়
সাংসারিক জীবনে ছোটখাটো ঝগড়া হওয়া স্বাভাবিক। ঝগড়া না হলে সেটাই বরং বেমানান। ঝগড়ার পরে ভালোবাসাও নাকি বেড়ে যায়। পুরোনো কোনো বিষয় যদি আগে মিটমাট হয়ে যায়, বর্তমান সময়ে সেটা না মনে করিয়ে দেওয়াই ভালো। জোর করে কোনো বিষয়ে ঝগড়া না করার পরামর্শ দেন অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা।
ভুল স্বীকার করুন
আপনি যা ভাবছেন, যা করছেন—সেটাই ঠিক। এমনটাই যদি হয় আপনার মনোভাব, তাহলে আপনার সঙ্গী কিন্তু ক্রমাগতভাবে কষ্ট পাবেন। ‘ইগো’, অহংকার নানা কিছুর কারণেই অনেক সময় নিজের ভুল স্বীকার করা হয় না জীবনসঙ্গীর কাছে। এই সম্পর্কটা এমন যে এখানে ছোট হওয়ার কিছু নেই। বরং নিজের ভুলটা স্বীকার করে নিলে অনেক সমস্যাই সহজে সমাধান হয়ে যাবে।
একসঙ্গে কিছুক্ষণ
পেশাগত কাজের চাপে দুজনই কি দৌড়াচ্ছেন? একসঙ্গে গল্প করা হয় না অনেক দিন? অবসরের সময়টুকু হয়তো কেটে যায় টেলিভিশন কিংবা মুঠোফোনের স্ক্রিনে। অনেকেই ভাবেন, ‘পাশেই তো আছে, এটাই তো সময় কাটানো।’ এই ধারণা পোষণ করলে ভুল করছেন। কত ঘণ্টা সময় কাটাচ্ছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়; বরং সময় কীভাবে কাটাচ্ছেন, সেটার ওপর প্রাধান্য দেওয়াই ভালো। মাঝেমধ্যে সন্তান, বাড়ির কাজ থেকে বিরতি নিয়ে একসঙ্গে কিছুটা মুহূর্ত কাটান। শুধু নিজেদের নিয়ে গল্প করুন।
একলা কিছুক্ষণ
বিবাহিত জীবনে মাঝেমধ্যে কিছুক্ষণ একলা সময় কাটানোও দরকার। নিজের পছন্দের কাজটি করা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া, ঘুরে বেড়ানো—এমন অনেক কিছুই করতে পারেন। এতে মনমেজাজ সতেজ থাকবে। নিজের স্বাধীনতাটুকুও বজায় থাকবে।
ভালো দিকটি দেখুন
পরস্পরের খারাপ দিকগুলো দেখা বন্ধ করুন কিছুক্ষণের জন্য। পৃথিবীতে কেউই ‘পারফেক্ট’ নন। একটি সম্পর্ক দুজনে মিলে ত্রুটিহীন বানাতে হয়। ভালো দিকগুলোর প্রশংসা করুন। সঙ্গীর কোনো কিছু পছন্দ না হলে সেটা তাকে বুঝিয়ে বলুন। তবে তাকে বদলে যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়াও উচিত হবে না। খারাপ দিকগুলো নিয়ে অহেতুক অভিযোগ না করে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করুন।
ভালোবাসার প্রকাশ
‘ভালোবাসি তোমাকে’ কথাটি মুখ দিয়ে বলতে হবে। পছন্দের ফুল বা যেকোনো ছোট উপহার দিয়েও কথাটি প্রকাশ করতে পারেন। অনুভব করে নেওয়ার বিষয়টি তো আছেই। তবে কে না চাইবে ভালোবাসার মানুষটির কাছ থেকে এই তিনটি শব্দ শুনতে।
ভালোবাসার ছোঁয়ায়
শারীরিক সম্পর্ক বৈবাহিক জীবনের অন্যতম অংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ বৈবাহিক জীবনে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক থাকতে হবে। শুধু যৌনতা নয়, হাত ধরে থাকাও কিন্তু স্পর্শ। শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে দূরত্ব সৃষ্টি হলে অনেক সময় মানসিক সম্পর্কের বেলায়ও সেটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
সূত্র: বাস্টল, কসমোপলিটন, এলিট ডেইলি ও ফিজিকসেন্ট্রাল

ত্বকের যৌবন ধরে রাখুন ৭টি পদ্ধতিতে

৬িট

আপনারা তো জানেন বয়স ধরে রাখা না গেলেও বয়সের ছাপ কিন্তু কিছুটা হলেও ধরে রাখা সম্ভব। একটু চেষ্টা করলেই আপনি আপনার চেহারার বয়স অন্তত ১০ বছর কমিয়ে রাখতে পারবেন। আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক ত্বকে বয়সের ছাপ রোধ করার উপায় গুলো।

প্রচুর পানি পান করুন:
ত্বকের যৌবন ধরে রাখার জন্য প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়ার বিকল্প নেই। শরীরে প্রয়োজন অনুযায়ী সব সময় পর্যাপ্ত পরিমানে পানি খেলে ত্বক সজীব থাকে এবং বয়সের ছাপ কম দেখা যায়।

ময়েশ্চারাইজার:
প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর কোনো ভালো ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন সারা মুখে। ত্বক তৈলাক্ত হলে অয়েল ফ্রি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এভাবে প্রতিদিন রাতে ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে ঘুমালে ত্বক দীর্ঘদিন সজীব ও সতেজ থাকবে।

তিলের তেল:
ত্বকে বয়সের বলিরেখা রোধ করতে এক বোতল তিলের তেল কিনে ফেলুন। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে তিলের তেল ম্যাসাজ করুন মুখে। এরপর ফেস ওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। তিলের তেলের ম্যাসাজ মুখে রক্ত চলাচল বাড়াবে এবং ত্বক স্বাস্থ্যজ্জ্বল করে তুলবে। তিলের তেল প্রাকৃতিক ভাবেই ত্বকের মরা চামড়া তুলে ফেলবে এবং ত্বকে যৌবন ধরে রাখতে সহায়তা করবে।

চিনি ত্যাগ:
বেশি বেশি মিষ্টি খাবার ও চিনি খেলে ত্বক তাড়াতাড়ি বুড়িয়ে যায়। অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার গ্রহণ করলে ত্বকে বলিরেখা পরে যায় সময়ের আগেই। তাই ত্বকের সতেজতা ধরে রাখতে চিনি জাতীয় খাবার পরিত্যাগ করুন। বরং ত্বকের স্ক্র্যাবার হিসেবে চিনি ব্যবহার করতে পারেন।

ঘুম:
নিয়মিত অন্তত ৮ ঘন্টা ঘুমালে ত্বকে বয়সের ছাপ দেরীতে পরবে। ঘুমের অভাব হলে ত্বক ক্লান্ত দেখায় এবং বয়সের ছাপ বেশি বোঝা যায়। নিয়মিত নিদ্রাহীনতার ফলে বয়সের আগেই ত্বকে বলিরেখা পরে যায়। তাই সতেজ ও বলিরেখা মুক্ত ত্বকের জন্য ঘুমের বিকল্প নেই।

আই ক্রিম:
বয়সের ছাপ সবার আগে পরে চোখের আশেপাশের ত্বকে। চোখের কোনায় কুঁচকে যাওয়া, চোখের নিচে কালি ও ভাঁজ ইত্যাদি সমস্যার কারণে ত্বকের বয়স বেশি দেখায়। তাই প্রতিদিন চোখের মেকআপ ভালো করে তুলে ফেলুন আই মেকআপ রিমুভার দিয়ে। আর প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে ভালো ব্রান্ডের আই ক্রিম ব্যবহার করুন। তাহলে চোখের আশে পাশের ত্বকে বয়সের ছাপ দেরীতে পরবে।

ফল:
প্রতিদিন খাবার তালিকায় অন্তত একটি করে ফল রাখুন। ফলে প্রচুর ভিটামিন আছে যা আপনার ত্বককে পুষ্টি যোগাবে এবং যৌবন ধরে রাখবে দীর্ঘদিন।

তথ্য সুত্রঃ প্রিয়.কম

নখকুনি নিরাময়ের ঘরোয়া উপায়!

ওা্র

পায়ের নখ ভেতরের দিকে বৃদ্ধি পাওয়াকে ওনাইকোক্রিপ্টোসিস বলে যা খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। একে নখকুনিও বলা হয়। যখন পায়ের নখের কোনার অংশ বা প্রান্তের অংশ নরম মাংসের ভেতরের দিকে প্রবেশ করে তখন খুবই অস্বস্তি ও ব্যথার সৃষ্টি করে। সাধারণত নখকুনি পায়ের আঙ্গুলেই হয়ে থাকে কিন্তু হাতের আঙ্গুলেও হতে পারে তবে তা খুবই বিরল।
নখকুনি হওয়ার কারণ খুব বেশি টাইট-ফিটিং জুতা পরলে, নখ সঠিক ভাবে না কাটলে, নখে ব্যথা পেলে এবং অস্বাভাবিক বাঁকানো নখ থাকলে। ডায়াবেটিস ও অন্য স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকলে পায়ের রক্ত সংবহন কমে যায় ফলে পায়ের নখের এই সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

নখে খুব বেশি ব্যথা হওয়া, লাল হওয়া এবং ফুলে যাওয়ার মত উপসর্গগুলো দেখা যায় নখকুনি হলে। যদি এর চিকিৎসা করা না হয় তাহলে ইনফেকশন হয়ে যেতে পারে। ইনফেকশন হলে নখের চারপাশ লাল হয়ে ফুলে যায়, পুঁজ ও রক্ত বাহির হয়। যদি শুরুতেই বুঝতে পারা যায় তাহলে ঘরেই এর যত্ন নেয়া যায়। যদি ইনফেকশন হয়ে যায় তাহলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিৎ। নখকুনির ঘরোয়া প্রতিকারগুলো জেনে নেই আসুন।

১। উষ্ণ জলে ভিজানো –
উষ্ণ জলে কিছুক্ষণ পা ডুবিয়ে রাখলে নখকুনির ব্যথা ও ফোলা কমে যায়। এজন্য একটি ছোট বোলে উষ্ণ গরম পানি নিন। এই পানিতে পা ডুবিয়ে বসে থাকুন ১৫-২০ মিনিট। দিনে ৩-৪ বার এটি করতে পারেন।

২। নখের নীচে গজ দিয়ে রাখুন –
গরম জলে পা ডুবানোর পরে আক্রান্ত নখের নীচে তুলা বা গজ বা সুতির নরম কাপড় ঢুকিয়ে দিলে নখটি উপরের দিকে উঠে আসবে। উষ্ণ গরম পানিতে কিছুক্ষণ পা ডুবিয়ে রাখার পরে ভালো করে পা মুছে নিন। তারপর ভোঁতা চিমটা দিয়ে আক্রান্ত নখটি সাবধানে উপরে উঠান এবং ত্বক ও নখের মাঝখানে সুতির কাপড়ের টুকরাটি ঢুকিয়ে দিন। ইনফেকশন প্রতিরোধের জন্য প্রতিবার পা ভেজানোর পরে কাপড়টি পরিবর্তন করে নিন।

৩। ইপসম লবণ –
ইপসম লবণের বৈজ্ঞানিক নাম ম্যাগনেসিয়াম সালফেট যা নখের অন্তরবৃদ্ধির চিকিৎসায় কার্যকরী। এটি আক্রান্ত নখের ত্বককে নরম হতে সাহায্য করে। যার ফলে মাংসের ভেতরে ঢুকে যাওয়া নখকে বের করা সহজ হয় এবং প্রদাহ ও কমে। এর জন্য উষ্ণ গরম পানিতে পূর্ণ একটি বোলে ১ টেবিলচামচ ইপসম লবণ মিশান। এই মিশ্রণে ২০ মিনিট পা ডুবিয়ে বসে থাকুন। তারপর মিশ্রণটি থেকে পা উঠিয়ে ভালো করে পা মুছে নিন। সপ্তাহে ৩/৪ বার এই প্রক্রিয়াটির পুনরাবৃত্তি করুন।

এছাড়াও হাইড্রোজেন পারওক্সাইড, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান, লেবু, টি ট্রি ওয়েল, আপেল সাইডার ভিনেগার ও হলুদ ব্যবহার করা যায়। তবে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ করাই শ্রেয়। তাই নখ সোজা ভাবে কাটুন, পায়ের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, বাহির থেকে আসার পর পা ভালো করে ধুয়ে মুছে নিন, আরামদায়ক ও পায়ের মাপ মত জুতা পরুন, প্রতিদিন গোসলের সময় ঝামা পাথর দিয়ে পা ঘষুন যাতে পায়ের ত্বক শক্ত হয়ে না যায় এবং প্রতিদিন পরিষ্কার মোজা পড়ুন।

চিরতরে চুলের আগা ফাটা দূর করে দিন সহজ এবং কার্যকরী ৫টি হেয়ার প্যাকে

কিহব্

অতিরিক্ত চুল ধোয়া, সূর্যের রশ্নি, ধুলা বালি, দূষণে চুল থাকা, অতিরিক্ত হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার, গরম পানিতে চুল ধোঁয়া, চুলের যত্ন না নেওয়া, তেল না দেওয়া, কেমিক্যাল পণ্য অতিরিক্ত ব্যবহার করা ইত্যাদি চুলের আগা ফাটার অন্যতম কারণ। চুলের আগা ফাটা রোধ করার জন্য অনেক নামী দামী হেয়ার ট্রিটমেন্ট করে থাকেন, কিন্তু এতেও এই সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। এই সমস্যার সহজ সমাধান পাবেন আপনার ঘরে! ঘরোয়া কিছু উপায়ে চুলের আগা ফাটা চিরতরে দূর করে ফেলুন।

১। ডিম :
চুলের আগা ফাটা Hair Crack রোধে সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকরী উপায় হল ডিম। ডিম, অলিভ অয়েল অথবা বাদাম তেল, মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এটি চুলে ভাল করে লাগিয়ে রাখুন। ৩০-৪৫ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এছাড়া একটি ডিম এক চামচ পানি দিয়ে ফেটে চুলে লাগিয়ে নিন। তারপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে একবার করুন।

২। হট অয়েল ডিপ কন্ডিশনার :
অলিভ অয়েল, বাদাম তেল, নারকেল তেল অথবা কাস্টার অয়েল কিছুক্ষণ গরম করে নিন। এটি চুলে ভাল করে ম্যাসাজ করে লাগান। ৪৫ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি সপ্তাহে এক থেকে দুইবার করুন। এটি চুলে পুষ্টি যুগিয়ে চুলের আগা ফাটা রোধ করে দিবে।

৩। পেঁপে :
পাকা পেঁপের সাথে আধা কাপ টকদই ভাল করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাকটি চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত লাগিয়ে নিন। ৩০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। পেঁপেতে অ্যামিনো অ্যাসিড, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং আরও অনেক ভিটামিন রয়েছে যা চুলকে নরম কোমল করার পাশাপাশি আগা ফাটা রোধ করে দিবে।

৪। কলা :
একটি পাকা কলা, দুই টেবিল চামচ টকদই, গোলাপ জল এবং লেবুর রস ভাল করে মিশিয়ে নিন। এরপর প্যাকটি চুলে লাগিয়ে ফেলুন। এক ঘন্টা পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি সপ্তাহে এক থেকে দুইবার ব্যবহার করুন। কলার পটাশিয়াম, জিঙ্ক, আয়রন এবং ভিটামিন সি, এ,ই চুলের নমনীয়তা বৃদ্ধি করে আগা ফাটা রোধ করতে সাহায্য করে।

৫। মধু :
মধু এবং টকদই মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিন। এরপর এটি চুলে ভাল করে লাগান। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। জাদুকরী এই প্যাকটি দ্রুত চুলের আগা ফাটা দূর করে থাকে।

পাতলা চুল ঘন দেখানোর কয়েকটি উপায়!

চজা

স্টাইলবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে চুলে তাৎক্ষণিক ফোলাভাব আনতে বেশ কার্যকর কিছু উপায় উল্লেখ করা হয়। এখানে সেসব বিষয় তুলে ধরা হল।

লেয়ার কাট:
চুলের স্টাইল বা ছাঁট চুলের ধরনে পরিবর্তন আনতে বেশ কার্যকর। তাই যাদের চুল বেশি লেপ্টে থাকে মাথার সঙ্গে তাদের জন্য লেয়ার কাট বেশ উপযোগী। এতে চুল দেখতে কিছুটা ফোলা লাগবে।

ভলিউমিইজিং শ্যাম্পু ব্যবহার:
যাদের চুল বেশি লেপ্টে থাকে তারা ‘ভলিউমাইজিং শ্যাম্পু’ বেছে নিতে পারেন। এতে চুল ফোলা লাগবে এবং বাউন্সি হবে।

চুল ঢিলা করে বাঁধা:
গরমের মৌসুমে চুল না বেঁধে ঘর থেকে বের হওয়া দুষ্কর। তবে সবসময় চুল অতিরিক্ত শক্ত করে বেঁধে রাখলে চুলের গোড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর এতে চুল আরও লেপ্টে থাকবে। তাই চুল মাঝে মধ্যে হালকাভাবে বেঁধে রাখতে হবে।

চুল উল্টে ব্লো-ড্রাই করা:
চুল জলদি শুকানোর ক্ষেত্রে তোয়ালে দিয়ে বেশি ঘষাঘষি না করে সুতির তোয়ালে দিয়ে হালকাভাবে মুছে নিতে হবে। এরপর মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে আঁচড়ে চুল উল্টে নিয়ে ব্লো-ড্রাই করে শুকিয়ে নিলে স্বাভাবিকের তুলনায় ফোলা লাগবে। তবে চুল ড্রায়ার দিয়ে শুকানোর পর ঠাণ্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে এরপর চুল আঁচড়ে নিতে হবে।

সিঁথির দিক পরির্তন করে নেওয়া:
মাঝে মধ্যে সিঁথির দিক পাল্টে নেওয়া যেতে পারে। একই জায়গায় নিয়মিত সিঁথি করার কারণে ওই জায়গার চুল পাতলা হয়ে একটি ভাগ হয়ে যেতে পারে। তাই চুল উল্টেপাল্টে স্টাইল করে নিলে চুলের ফোলাভাব চোখে পড়বে।

মডেলঃ পরিমনি
ছবিটি ইন্টারনেট হতে সংগৃহীত

চিরতরে ঠোঁটের উপরের অবাঞ্ছিত লোম দূর করুন সহজ ৫ উপায়ে

াট

মুখের অবাঞ্ছিত লোম সমস্যায় ভুগে থাকেন নারী-পুরুষ অনেকেই। বিশেষত নারীদের হরমোন সংক্রান্ত সমস্যার কারণে ঠোঁটের উপরে লোম দেখা দেয়। আর এই লোমের কারণে পড়তে হয় বিড়ম্বনায়। ঠোঁটের উপর, গাল, চিবুক বিভিন্ন স্থানে অবাঞ্ছিত লোম দেখা দেয়। এই অবাঞ্ছিত লোম দূর করার জন্য রয়েছে কিছু স্কিন ট্রিটমেন্ট। কিন্তু এই ট্রিটমেন্টগুলো যেমন ব্যয়বহুল, তেমনি কষ্টদায়ক। আবার এই ট্রিটমেন্টগুলোর রয়েছে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। তাই ঘরোয়া উপায়ে দূর করে ফেলুন মুখের অবাঞ্ছিত লোম কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই!
১। বেসন এবং হলুদের প্যাক –
এক চামচ বেসন, এক চিমটি হলুদ গুঁড়ো এবং পরিমাণমত দুধ মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি ঠোঁটের উপরে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রাকৃতিক ভাবে ঠোঁটের উপরের লোম দূর করে দেবে। এটি সপ্তাহে দুই তিন বার ব্যবহার করুন।

২। ডিমের সাদা অংশ –
ঠোঁটের উপরে অংশের লোম দূর করতে ডিমের সাদা অংশ বেশ কার্যকর। একটি ডিমের সাদা অংশ, কর্ণ ফ্লাওয়ার এবং চিনি ভাল করে ফেটে নিন। এবার এই পেস্টটি ঠোঁটের উপর লাগিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে এটি তুলে ফেলুন। ভাল ফল পেতে এটি সপ্তাহে তিনবার ব্যবহার করুন। এক মাসের মধ্যে আপনি দেখতে পাবেন আপনার লোম অনেকটা কমে এসেছে।

৩। চিনি –
ঘরোয়া ওয়াক্সিং করার অন্যতম উপাদান হল চিনি। চিনি অবাঞ্ছিত লোম দূর করে এবং নতুন লোম জন্মাতে বাঁধা দিয়ে থাকে। একটি প্যানে কিছু পরিমাণ চিনি এক মিনিট জ্বাল দিন। এর সাথে কিছু পরিমাণ লেবুর রস মিশিয়ে ঘন করে নিন। ঠান্ডা হয়ে গেলে এটি ঠোঁটের উপরে লাগিয়ে নিন। এবার একটি কাপড় দিয়ে চক্রাকারে ঘষুন এবং লোমের বিপরীতে টান দিন।

৪। চালের গুঁড়ো এবং টকদই –
চালের গুঁড়ো এবং টকদই মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি ঠোঁটের উপরে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৫। ময়দা –
ময়দা, দুধ এবং হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিন। এবার এই পেস্টটি ঠোঁটের উপরে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে এটি টান দিয়ে তুলে ফেলুন। সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকরী একটি উপায়ের মধ্যে এটি অন্যতম।

লিখেছেন- নিগার আলম
ফিচার রাইটার, প্রিয় লাইফ
তথ্যসুত্রঃ প্রিয়.কম