চুলের যত্নে কফির ব্যবহার জেনে নিন!

44

কফি তো ব্যবহৃত হয় খাওয়ার জন্যই তো! কিন্তু ত্বক ও চুলের যত্নেও কফি ব্যবহার হয়। সে কথা সবার হয়তো জানা নেই। চুলের যত্নে কফির ব্যবহার খুব উপকারী। চলুন জেনে নেয়া যাক চুলের যত্নে কফির ব্যবহার –

হেয়ার প্যাকঃ
মাথায় খুশকি হলে স্কাল্পে হালকা গরম তেল ম্যাসাজ করুন। এরপর অল্প গরম পানিতে ডিমের সাদা অংশ ও এক চামচ কফি Coffee মিশিয়ে ভালোভাবে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট মেহেদির সঙ্গে মিশিয়ে চুলে ও স্ক্যাল্পে ভালো করে লাগিয়ে আধা ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে খুশকি থাকবে না ও চুল সিল্কি silky hair হবে।

কন্ডিশনারঃ
ঘরেই লেবুর রস ও কফি Coffee মিলিয়ে কন্ডিশনার বানিয়ে নিতে পারেন। এক গ্লাস গরম পানিতে হালকা করে কফির লিকার করে নিন। ঠাণ্ডা হলে এর সঙ্গে দুই টেবিল চামচ লেবুর রস lemon juice মেশান। শ্যাম্পু করার পর চুলে এই পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আর পানি ব্যবহার না করে চুল শুকিয়ে ফেলুন। এতে চুল নরম ও সিল্কি হবে।

স্বাস্থ্য উজ্জ্বল ত্বক পেতে রাতে এই ৬টি কাজ করছেন তো?

40

সারাদিন বাইরে থাকার কারণে আমাদের ত্বক এবং চুল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে। বাইরে ধুলোবালি, রোদ, সূর্যের তাপ সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে আমাদের ত্বক এবং চুলে। আমরা যখন রাতে ঘুমাই তখন আমাদের ত্বক নিজে থেকেই নিজেকে পুনরুজ্জীবিত করে। তাই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে প্রয়োজন পড়ে একটু বাড়তি যত্নের। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ত্বকের যত্নে করুন এই কাজগুলো।
১। মেকআপ তুলে ফেলুন –
আলসেমী করে অনেকে মেয়েরাই মেকআপ না তুলে ঘুমিয়ে পড়ে। আর তখনই ত্বকের সবচেয়ে বড় ক্ষতি করে থাকেন তাঁরা। মেকআপের কারণে ত্বকের ছিদ্রে ময়লা জমে বন্ধ হয়ে যায়। যা আস্তে আস্তে ত্বকে বলিরেখা ফেলে দিয়ে থাকে। তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই মেকআপ তুলে ফেলুন।

২। দুটি বালিশ ব্যবহার করুন –
চোখের নিচের ফোলা কমাতে দুটি বালিশ ব্যবহার করুন। দুটি পাতলা বালিশে ঘুমানোর অভ্যাস করুন। মধ্যাকর্ষণ শক্তি ত্বক এবং চোখে রক্ত চলাচল সচল রাখে যার কারণে চোখের নিচে পানি জমতে পারে না।

৩। টোনার ব্যবহার করুন –
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে টোনার ব্যবহার করুন। টোনার ত্বকের PH লেভেল ঠিক রেখে ব্যাকটেরিয়া বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে। বাজারে নানা ব্যান্ডের টোনার পাওয়া যায়। বাজারের টোনার ব্যবহার করতে না চাইলে গোলাপ জল ব্যবহার করতে পারেন। তুলোর বল গোলাপ জলে ভিজিয়ে ত্বকে লাগান। এটি ত্বকে শুকাতে দিন।

৪। হ্যান্ড ক্রিম ব্যবহার করুন –
হাত নরম কোমল রাখতে প্রতি রাতে হ্যান্ড ক্রিম ব্যবহার করুন। সম্ভব হলে কুসুম গরম পানিতে সাবান বা শ্যাম্পু গুলিয়ে নিন। এরপর এতে হাত দুটি ভিজিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। তারপর টাওয়েল দিয়ে মুছে কোন ভাল মানের হ্যান্ড ক্রিম লাগান। হাতে বলিরেখা পড়া প্রতিরোধ করবে এই হ্যান্ড ক্রিম

৫। পেট্রোলিয়াম জেলী ব্যবহার –
হাতের যত্নের পাশাপাশি পায়েরও যত্নের প্রয়োজন রয়েছে। পায়ে পেট্রোলিয়াম জেলী অথবা ফুট ক্রিম লাগিয়ে নিন। এটি পা ফাটা রোধ করবে সাথে সাথে পায়ের ত্বককে নরম কোমল করে তুলবে।

৬। চুল বাঁধা –
কিছু মানুষ চুল খোলা রেখে ঘুমিয়ে থাকেন। কিন্তু চুল বেঁধে ঘুমানো চুলের জন্য ভাল। ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভাল করে চুল আঁচড়ে নেওয়া উচিত। এতে মাথার তালুতে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে। এরপর উচু করে খোঁপা বা বেনী করে ফেলুন। চুলে ময়লা এবং তেল থাকে যা ত্বকে চলে এসে ত্বকে ব্রণ তৈরি করে থাকে।

কমল ত্বক পেতে রূপচর্চা করুন পাকা কলা দিয়ে

39
কলা অতিরিক্ত পেকে গেলে আমরা ফেলে দিই। কিন্তু এই পাকা কলা আমাদের দিতে পারে কোমল ও সুন্দর ত্বক। জেনে নিন কীভাবে প্রাকৃতিকভাবে ত্বক সুরক্ষা করে পাকা কলা –
বলিরেখা দূর করতে –
পাকা কলার সঙ্গে ১ টেবিল চামচ মধু মেশান। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত করলে দূর হবে ত্বকের বলিরেখা।

ডার্ক সার্কেল দূর করতে –
প্রতিদিন ৫ মিনিট চোখের আশেপাশে পাকা কলা ঘুষুন। ধীরে ধীরে কমে যাবে চোখের চারপাশের কালো দাগ।

শুষ্ক ত্বকের সুরক্ষায় –
ত্বককে অতিরিক্ত শুষ্ক না করেই ত্বকের অপ্রয়োজনীয় তেল শোষণ করে পাকা কলা। ৩ টেবিল চামচ লেবুর রসের সঙ্গে একটি পাকা কলা মেশান। ১০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

এক রাতেই উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার ঘরোয়া উপায়!

38
সারা দিনের ব্যস্ততার কারণে আমরা ত্বকের সঠিক যত্ন নিতে পারি না। এ ক্ষেত্রে রাতে ঘুমানোর আগে প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। দেখবেন, মাত্র এক রাতেই আপনার ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও মসৃণ।
ঘরোয়া কোন উপায়ে ত্বক উজ্জ্বল glowing skin করবেন, তার একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের লাইফস্টাইল বিভাগে। আপনি চাইলে এই পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।

হলুদের গুঁড়া :
এক টেবিল চামচ হলুদের গুঁড়ার সঙ্গে সামান্য গোলাপজল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। রাতে ঘুমানোর আগে এই প্যাক মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার গোলাপজল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

আলুর রস :
অর্ধেকটা আলু ভালো করে ব্লেন্ড করে এর সঙ্গে এক টেবিল চামচ গোলাপজল মিশিয়ে মুখে লাগান। ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার আলুর রস দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

লেবুর রস :
লেবুর রস তুলায় নিয়ে সরাসরি মুখে লাগান। ১০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকে প্রাকৃতিক ব্লিচের কাজ করে।

টক দই :
দুই টেবিল চামচ ঠান্ডা টক দইয়ের সঙ্গে এক টেবিল চামচ ঠান্ডা দুধ মিশিয়ে মুখে লাগান। শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবার ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

চন্দনের গুঁড়া :
এক টেবিল চামচ চন্দনের গুঁড়ার সঙ্গে সামান্য পানি মিশিয়ে মুখে লাগান। ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

স্বাস্থ্যবটিকা ® ব্রোন স্মিথ

35

আঁশযুক্ত খাবার বেশি খেলে কি রক্তচাপ কমবে?
উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ওপর এক গবেষণায় দেখা যায়, ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার খেলে তাঁদের সিস্টোলিক রক্তচাপ ১০ মাত্রা এবং ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ ৫ মাত্রা পর্যন্ত কমে। ফলমূল, শাকসবজি এবং পূর্ণ দানাদার শস্যে আঁশ পাওয়া যায়।

‘স্বাস্থ্যবটিকা’র লক্ষ্য রোগনির্ণয় গোছের কিছু নয়

গরমে ত্বকের ৫ সমস্যা

34
গরম, রোদ আর ঘামের কারণে ত্বকের নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে। তাই এ সময় ত্বকের বাড়তি যত্ন প্রয়োজন। জেনে নিন ত্বকের গ্রীষ্মকালীন কয়েকটি সমস্যা ও প্রতিকার:
ঘামাচি: ঘামাচি বা হিট র্যা শ প্রায় সবার হতে পারে। অতিরিক্ত পরিশ্রম, ঘাম ও আবদ্ধ জামাকাপড় এ সমস্যার জন্য দায়ী। ঘাড়, কুঁচকি, পিঠ, বগল ও বুকে ঘামাচি বেশি হয়। এটি প্রতিরোধের জন্য অতিরিক্ত গরম পরিবেশ এড়িয়ে চলুন, ঢিলেঢালা সুতি পোশাক পরুন, নিয়মিত গোসল করুন। ঘামাচির সমস্যায় ক্যালামিন লোশন ব্যবহার করা যায়, পুঁজ হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিসেপটিক ক্রিম ব্যবহার করতে হবে।
ছত্রাক সংক্রমণ: গরমে ঘামে ভিজে ত্বকে ছত্রাক সংক্রমণ বেড়ে যায়। অতিরিক্ত ঘাম হলে মুছে ফেলতে হবে। পোশাকও পাল্টানো উচিত। আক্রান্ত স্থানে পানি ও সাবান ব্যবহার কমিয়ে দিতে হবে। ছত্রাকনাশক ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
ব্রণ: গরমে প্রদাহসহ ব্রণের প্রবণতাও বাড়ে। ভালো করে বারবার মুখ ধুতে হবে যেন তেল-ময়লা জমে না থাকে। প্রসাধনীর ব্যবহার কমিয়ে ফেলুন। বাইরে থেকে এলে মুখমণ্ডলে ঠান্ডা পানির ঝাপটা বা বরফ ঘষে নিতে পারেন।
সানবার্ন: প্রখর রোদে ত্বক লাল হয়ে একটু ফুলে যেতে পারে ও ব্যথাও হতে পারে। ফরসা ত্বকে ও শিশুদেরই বেশি সানবার্ন হয়। তীব্র গরমে বাইরে থাকার দু-তিন ঘণ্টা পর থেকে শুরু হয়ে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত থাকতে পারে এ সমস্যা। পাশাপাশি জ্বর, ফোসকা বা বমির ভাবও হতে পারে। রোদে মুখ লাল হয়ে গেলে অতিসত্বর ঠান্ডা পানির ঝাপটা নিন। প্রচুর পানি পান করুন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
অ্যালার্জি: বিভিন্ন প্রসাধনসামগ্রীর রাসায়নিক পদার্থ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে বিক্রিয়া করে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া করে। এতে ত্বকের প্রদাহ বা একজিমা দেখা দেয়। এ সময় প্রসাধনী ও সানব্লক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি।
চর্ম বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল

নখের হলদেটে ভাব দূর করার দারুন টিপস!

26

বাঙালীর রান্নায় অবধারিতভাবেই ব্যবহার করা হয় হলুদ। আর হলুদ দিয়ে এটা সেটা রান্না করতে গিয়ে গৃহিণীদের হাতের অবস্থাও হয় একেবারেই হলদেটে।

সাবান ঘষে হাতের ত্বক থেকে না হয় হলুদ দূর করলেন। নখের হলদেটে ভাব দূর করবেন কী করে? জেনে নিন!

নখের হলদেটে ভাব দূর করতে পারে লেবুর রস। একটু পানি মিশিয়ে লেবুর রস একটা বোলে নিন। এরপর এই রসে ১০-১৫ মিনিটের জন্য ডুবিয়ে রাখুন আপনার নখ। লেবুর রসের ব্লিচিং বৈশিষ্ট্য নখের হলদেটে ভাব দূর করে দিতে পারে। যাদের নখ nail নেইল পলিশের কারণে হলদেটে হয়ে গেছে তাদেরও কাজে আসবে এই পদ্ধতিটি।

একঢাল কালো চুল পেতে শ্যাম্পুর সময় যা করবেন না!

25

আসছে ভ্যাপসা গরম। গরমে শ্যাম্পু করার একদিন পরই চুল আঠা। প্রায় রোজ শ্যাম্পু করলে ভালো হয়। কিন্তু, শ্যাম্পু shampoo করার সময় আমরা অনেকেই এই ভুলগুলো করে থাকি। ফলে একঢাল কালো চুলের স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়।

শ্যাম্পুর সময় যে ভুলগুলো আমরা করে থাকি –

১. অনেকেই চুলের কোয়ালিটি অনুয়ায়ী সঠিক শ্যাম্পু shampoo বেছে উঠতে পারেন না। এক্সপার্টের পরামর্শ নিয়ে সঠিক শ্যাম্পু বাছুন।

২. খুব ফেনা হওয়া মানেই ভালো শ্যাম্পু নয়। হার্বাল শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।

৩. প্রতিদিন শ্যাম্পু নয়। চুল hair রুক্ষ হয়ে যাবে। শ্যাম্পু হোক ২-৩ দিন পর পর। মাঝের দিনগুলোতে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।

৪. শ্যাম্পুর করার পর মাথার স্কাল্পের পাশাপাশি ভালো করে ধুয়ে ফেলুন চুল।

৫. শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার মাস্ট।

নতুন চুল গজাতে ঔষধি আদার ব্যবহার ও পদ্ধতি?

24

আদা শুধু রান্নার স্বাদ বৃদ্ধি করে না, এর ঔষধি গুণও অনেক। ঠান্ডা, সর্দি কাশি, পেটের ব্যথা আরো অনেক রোগ নিরাময় করতে আদা ginger বেশ কার্যকরী। কিন্তু আপনি কি জানেন? আদা নতুন চুল গজাতে দারুন কাজ করে।

নতুন চুল গজাতে :
২ টেবিল চামচ আদার রস, ৬ টেবিল চামচ জোজোবা অয়েল মিশিয়ে মাথার তালুতে ভাল করে ম্যাসাজ করে নিন। এরপর এটি সারারাত অথবা ২০ মিনিট রাখুন। তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। আদা ginger ত্বকের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

চুলের আগা ফাটা রোধে :
চুলের আগা ফাটা সমস্যায় প্রায় সব মেয়েদের পড়তে হয়, এই সমস্যা সমাধান করে দিবে আদা। শ্যম্পুর shampoo সাথে আদার তেল মিশিয়ে নিয়ে সেটি ব্যবহার করুন। এটি চুলের আগা ফাটা দূর করে চুলকে ময়েশ্চারাইজড করে তুলবে।

নতুন চুল গজাতে কীভাবে মাথায় পেঁয়াজের রস ব্যবহার করবেন?

23

আমরা সবাই জানি, পেঁয়াজের রস Onion Juice নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে, চুলপড়া কমায় এবং চুলের গোড়া শক্ত করে। কিন্তু অনেকেই জানি না কীভাবে মাথায় পেঁয়াজের রস ব্যবহার করবেন। এই রসের সঙ্গে অন্য প্রাকৃতিক উপাদান মেশালে এর কার্যকারিতা কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
১. পেঁয়াজ কেটে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার এর রস বের করে নিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। ৩০ থেকে ৪০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

২. পেঁয়জের রসের সঙ্গে হালকা গরম পানি মিশিয়ে নিন। গোসলের পর এই পানি দিয়ে মাথা ভালো করে ধুয়ে নিন। একদিন পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এতে মাথা head থেকে পেঁয়াজের গন্ধ আসতে পারে। তবে চুলের জন্য এই পানি বেশ উপকারী।

৩. পেঁয়াজের রসের সঙ্গে নারকেল তেল ও কয়েক ফোটা এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। এক ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।

৪. দুই চা চামচ পেঁয়াজের রসের সঙ্গে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত একদিন এই প্যাক মাথায় লাগান।

৫. পেঁয়াজ বেটে এর সঙ্গে অলিভ অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। এবার শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।

চুল রিবন্ডিং করেছেন? দীর্ঘদিন স্ট্রেইট রাখতে মেনে চলুন এই ১১টি নিয়ম

22

সুন্দর, সিল্কি ঝলমলে চুল সব মেয়েদের পছন্দ। কোঁকড়া চুলগুলো বিশেষভাবে স্ট্রেইট করে নেওয়াকে রিবন্ডিং বলা হয়। স্ট্রেইনার দিয়ে চুল স্ট্রেইট করাটা খুব সাময়িক এবং এটি চুলের ক্ষতি করে থাকে। স্ট্রেইনার দিয়ে চুল স্ট্রেইট করার চেয়ে রিবন্ডিং করা বেশ নিরাপদ। কিন্তু চুল রিবন্ডিং পর চুলের একটু বেশি যত্ন নিতে হয়। যত্ন না নেওয়ার কারণে রিবন্ডিং এর পর চুল অনেক বেশি পড়ে যায়।
চুল রিবন্ডিং করার পর মেনে চলতে হবে ১১টি নিয়ম –

১। চুল রিবন্ডিং করার ৩ দিন পর্যন্ত চুল শ্যাম্পু অথবা চুল ভেজাবেন না। এমনকি এইসময় কোন প্যাক ব্যবহার করবেন না।

২। রিবন্ডিং এর ব্যবহৃত পণ্যগুলো কোন ব্রান্ডের তা ভাল করে দেখে নিন। সম্ভব হলে পণ্যে ব্যবহৃত উপাদানগুলো একবার দেখে নিন।

৩। রোদ, বৃষ্টি, ঠান্ডা বাতাস থেকে চুলকে রক্ষা রাখুন। ছাতা, স্কার্ফ অথবা হ্যাট ব্যবহার করুন।

৪। হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

৫। চুলে যেকোন প্রকার রাসায়নিক পদার্থ যেমন হেয়ার কালার, হাইলাইটিং অথবা অন্য কোন রাসায়নিক পদার্থ দুই মাসের আগে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

৬। চুল রিবন্ডিং করার পর কমপক্ষে দুই সপ্তাহ সাঁতার কাটা থেকে বিরত থাকুন। সুইমিং পুলের ক্লোরিন চুলকে রুক্ষ করা তুলতে পারে।

৭। চুল শ্যাম্পু করার পর অবশ্যই চুলে কন্ডিশনার লাগাবেন।

৮। সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন চুলে তেল লাগাবেন। এতে রিবন্ডিং এর হিটের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ চুল ঠিক হবে।

৯। চওড়া দাঁতের চিরুনি চুল আঁচড়ানোর জন্য ব্যবহার করুন।

১০। চুল ধোয়ার জন্য ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন। চুল ময়লা হলে শ্যাম্পু করুন।

১১। চুল রিবন্ডিং উপযোগী শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। নিয়মিত হেয়ার সিরাম ব্যবহার করুন। এটি চুল ভেঙ্গে যাওয়া রোধ করবে।

রিবন্ডিং চুল সঠিক নিয়মে যত্ন করা গেলে দীর্ঘদিন পর্যন্ত চুল স্ট্রেইট থাকে।

চুল পড়া বন্ধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে যে উপাদানটি

21

চুল পড়া সমস্যা ছেলে মেয়ে উভয়েরই হয়ে থাকে। ঠিক কতটা চুল পড়লে আপনি একে চুল পড়া সমস্যা বলবেন? হেয়ার এক্সপার্টদের মতে প্রতিদিন ১০০ চুল পড়া স্বাভাবিক। ১০০ টার বেশি চুল পড়লে তখন দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। কী কী কারণে চুল পড়তে পারে? তা কি জানেন? চুল পড়া রোধ করার আগে এর কারণগুলো জেনে নেওয়া যাক।
কারণ:
মানসিক দুশ্চিন্তা
গর্ভবস্থায় অনেক সময় চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যায়
আয়রনের অভাব
বিভিন্ন অসুখের কারণে
বংশগতভাবে
আমিষের অভাবে
বিভিন্ন ঔষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
অতিরিক্ত ওজন হ্রাস ইত্যাদি

একটি মাত্র উপায়ে যদি এই চুল পড়া রোধ করা যায়, তবে কেমন হয় বলুন তো? দারুন না? আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক সেই জাদুকরী উপায়টি।

যা যা লাগবে:

– ১ লিটার পানি
– পেয়ারা পাতা

যেভাবে তৈরি করবেন:

১। এক লিটার পানিতে এক মুঠো পেয়ারা পাতা দিয়ে ২০ মিনিট সিদ্ধ করুন। ফুটে আসলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন

২। এবার এটি ঠান্ডা করতে রাখুন।

৩। ঠান্ডা হয়ে গেলে এটি মাথার তালুতে ম্যাসাজ করুন। এভাবে কয়েক ঘন্টা রাখুন।

৪। তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন।

৫। এছাড়া এটি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মাথার তালুতে ম্যাসাজ করুন। সারা রাত এভাবে রাখুন।

৬। পরের দিন সকালে চুল ধুয়ে ফেলুন।

৭। এটি প্রতিদিন ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।

কার্যকারণ:

প্রাকৃতিক উপায়ে চুল গজাতে এটি বেশ কার্যকর। পেয়ারা পাতায় ভিটামিন বি রয়েছে যা চুলের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এটি চুলের ফলিক অ্যাসিড তৈরি করে চুলের গোড়া মজবুত করে থাকে। এই একটি উপায় আপনার চুল পড়া রোধ করবে, নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে চুলের গোড়া মজবুত করে তুলবে।

ডার্ক সার্কেল দূর করার ৫টি ঘরোয়া উপায়

19

রাত জাগা, অতিরিক্ত চিন্তা ও কাজের চাপসহ অনেক কারণে চোখের আশেপাশের অংশ কালচে হয়ে যেতে পারে। ডার্ক সার্কেলের কারণে সৌন্দর্যহানি তো হয়ই, পাশাপাশি অসুস্থ ভাব চলে আসে চেহারায়। এই কালচে দাগ বা ডার্ক সার্কেল dark circles দূর করতে পারেন ঘরোয়া বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদানের সাহায্যে। জেনে নিন কীভাবে দূর করবেন-
শসাঃ
গরমে শরীর ঠাণ্ডা রাখে শসা। শসা স্লাইস করে ফ্রিজে রাখুন ১০ মিনিট। বাইরে থেকে ফিরে ঠাণ্ডা শসার টুকরা চোখের উপর দিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। ডার্ক সার্কেল চলে যাবে। পাশাপাশি কাটবে ।

আলুঃ
চোখের আশেপাশের কালো দাগ দূর করার জন্য আলু খুবই কার্যকর। আলু পাতলা স্লাইস করে কেটে চোখের উপর দিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। প্রতিদিন নিয়মিত করলে ধীরে ধীরে কমে যাবে ডার্ক সার্কেল।

গোলাপের পাপড়িঃ
গোলাপের পাপড়ি বেটে চোখের নিচে লাগান। শুকিয়ে গেলে গোলাপজল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কালো দাগ দূর হবে।

স্ট্রবেরিঃ
স্ট্রবেরিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। স্ট্রবেরি টুকরা করে চোখের উপর দিয়ে রাখুন। ডার্ক সার্কেল চলে যাবে দ্রুত।

তরমুজঃ
তরমুজ চটকে ত্বকসহ চোখের আশেপাশে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। ডার্ক সার্কেল দূর হওয়ার পাশাপাশি উজ্জ্বল হবে ত্বক।

⇒ ভালো লাগলে প্লিজ বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন শেয়ার করতে √ এখানে ক্লিক করুন

একটি ফেসপ্যাক আপনাকে দেবে উজ্জ্বল ও দাগহীন ত্বক!

18

গ্রীষ্মের রসালো ফল তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। এই গরমে পানির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি এ ফলটি আপনাকে সাহায্য করবে সুন্দর ও সুস্থ ত্বক পেতে।
তরমুজের সঙ্গে টক দই মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করে ত্বকে লাগান। টক দইয়ে রয়েছে ল্যাকটিক অ্যাসিড ও বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিগুণ যা ব্রণ ও বলিরেখা দূর করে। তরমুজের প্রায় ৯৩ ভাগই পানি। পানির পাশাপাশি এতে রয়েছে ভিটামিন-সি, ভিটামিন- এ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

তরমুজ ত্বকের প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে কাজ করে। রোদে পোড়া দাগ দূর করতেও জুড়ি নেই রসালো তরমুজের। এছাড়া তীব্র গরমে ত্বক ঠাণ্ডা রাখার পাশাপাশি তরমুজের ফেসপ্যাক Watermelon face pack আপনাকে দেবে উজ্জ্বল ও দাগহীন ত্বক। জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন ফেসপ্যাক-

– ২ চা চামচ তরমুজের রস ও ২ চা চামচ টক দই একসঙ্গে মেশান। মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ২০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই দিন ফেসপ্যাকটি ত্বকে লাগালে দ্রুত ফল পাবেন।

বরফশীতল রূপচর্চা!

8

ফ্রিজের ভেতরেই যদি থাকতে পারতাম! গরমে এর চেয়ে আরাম আর কোথায় পাওয়া যাবে? গরমের সময় ঠান্ডা যেকোনো কিছুই ভালো লাগে। এ সময় জীবনযাপনে শীতল স্পর্শ এনে দেয় কিছুটা আরাম। রূপচর্চাতেও নিয়ে আসতে পারেন এই শীতলতা। বরফের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন ত্বকের লাবণ্য। জানালেন আয়ুর্বেদ রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা।
বিভিন্ন ফলের রস অথবা অন্য কোনো উপাদান দিয়ে বরফের কিউব বানিয়ে সেটা রূপচর্চায় ব্যবহার করা যায়। বিষয়টি সহজ, সময়ও বাঁচায়। কিশোরী বয়স থেকে যেকোনো ত্বকের অধিকারী বরফ কিউবের মাধ্যমে রূপচর্চা করতে পারবেন। যাঁরা মাথা ব্যথায় ভোগেন সাইনাস কিংবা মাইগ্রেনের কারণে, তাঁদের বেলায় শুধু নিষেধাজ্ঞা। বাইরে রোদ থেকে এসে ব্যবহার করা যাবে। আইস কিউব ব্যবহারে মেকআপ অনেকক্ষণ স্থায়ী হয়।
বিভিন্ন ধরনের আইস কিউব
* কাঁচা দুধ ও মধু মিশিয়ে বানানো আইস কিউব রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে এবং বলিরেখা ও ত্বকের দাগ কমাতে সাহায্য করে। ভালো ফলের জন্য রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আইস কিউবটি পুরো মুখে মেখে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। এটা ত্বক ময়েশ্চারাইজার করবে, দূষণ ও সূর্যের ক্ষতিকর বেগুনি রশ্মি থেকে ত্বকের পোড়া ভাব কমাবে। তবে তৈলাক্ত ত্বকে এই কিউবটি ব্যবহার করা যাবে না। এই শুষ্ক ত্বকের জন্য উপযোগী।

* ব্রণ ও রোদে পোড়া দাগের জন্য ব্যবহার করুন গ্রিন টি দিয়ে তৈরি আইস কিউব।
* তরমুজের রস ও পুদিনা পাতা আইস কিউব ব্যবহারে ত্বক কোমল করে এবং ত্বকের ক্লান্তি ভাব দূর করে। এই গরমের জন্য খুবই উপকারী।
.* লেবুর রস, মধু ও পুদিনা পাতা রস দিয়েও তৈরি করা যায় আইস কিউব। এই আইস কিউব সূর্যের পোড়া ভাবের জন্য খুবই উপকার। এটি তৈলাক্ত ত্বক এবং সেনসিটিভ ত্বকের জন্য দারুণভাবে কাজ করে।
* শসার রসের আইস কিউব আপনার ত্বকে আনবে সজীবতা।
* নিমপাতা ও হলুদ জ্বাল দিতে হবে। ঠান্ডা করে সেই পানি আইস কিউব বাক্সে ঢেলে এবার ডিপফ্রিজে জমিয়ে নিন। এই আইস কিউব অসাধারণভাবে কাজ করে ব্রণ ও ব্ল্যাক হেডস দূর করতে। এটি যেকোনো ত্বকের অ্যালাজি এবং জ্বালা পোড়ার জন্যও কাজ করবে।
* বাঙ্গির রস দিয়েও বানিয়ে নিতে পারেন আইস কিউব। এটা শুষ্ক ও মিশ্র ত্বকের জন্য উপকারী।
* গোলাপ পানি ত্বকের জন্য উপকারী। এটা ত্বককে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন বাইরে থেকে এসে গোলাপ পানির কিউব ব্যবহার করতে পারেন। ত্বকে আনবে সতেজ ভাব। এটি সব রকম ত্বকের জন্যই উপযোগী।
আইস কিউব ব্যবহারের পর মুখ ধুয়ে ফেলুন।
আপনি দিনের যে সময়েই আইস কিউব ব্যবহার করুন না কেন, মুখ ধোয়ার পর অবশ্যই ক্রিম লাগাতে হবে।