পড়াশোনায় আপত্তি করায় স্বামীকে তালাক

পশ্চিমবঙ্গের এক কিশোরী জনসমক্ষে তার স্বামীকে ‘তিন তালাক’ দিয়েছে, কারণ শ্বশুরবাড়ী থেকে মেয়েটির পড়াশুনো নিয়ে তীব্র আপত্তি তোলা হচ্ছিল। মুসলমান সমাজের একাংশ মনে করছে পড়াশোনা না করতে দেওয়ার বিরুদ্ধে শ্বশুরবাড়ীর বিরুদ্ধে যেভাবে সাহস নিয়ে রুখে দাঁড়িয়েছে ১৬ বছরের ওই কিশোরী, তা এক কথায় বৈপ্লবিক পদক্ষেপ। ওই ‘তালাক’ ইসলাম সম্মত নয়, এটা বলেও শরিয়তী আইন বিশেষজ্ঞরা…

সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার

চীনের সানওয়ে তাইহুলাইট ও তিহানে-২ বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার হিসেবে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানের খেতাব ধরে রেখেছে। বছরে দুবার গতির বিচারে সেরা ৫০০ সুপার কম্পিউটার তালিকা প্রকাশ করে টপ ৫০০ নামের প্রতিষ্ঠান। জার্মান ও মার্কিন বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিয়ে লিনপ্যাক বেঞ্চমার্কে জরিপ চালিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেন টপ ৫০০। আজ সোমবার নতুন তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।…

ক্লাস নাইনের ছেলের সাথে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছি…

১২৮

টেনের শেষের দিকে একদিন কোচিং-এ পড়ার সময় হঠাৎ বাইরে তাকিয়ে একজনকে দেখতে পাই, আমার চোখ সেখানে আটকে যায়। একটা মানুষ এত্ত সুন্দর হয় কীভাবে? প্রথম দেখাতেই চোখ ফেরাতে পারিনি। কিছুদিন পরে খেয়াল করি, সে আমাদের ক্লাসে আসলো। বুঝলাম সে আমাদের সাথেই পড়ে। সেদিন থেকে ওকে পছন্দ করা শুরু করে দিই। কিন্তু কিছুদিন পর জানতে পারি তার প্রেমিকা আছে। খুব কষ্ট পাই কিন্তু নিজেকে ফিরিয়ে আনতে খুব কষ্ট হয়। এদিকে আমার বাসায় বিষয়টা টের পায়। তারা জানতে চাইলে আমি সব বলে দেই। আমাকে তারা বুঝায়, আমি বুঝি যে এই পছন্দের কোন ভবিষ্যৎ নেই। কিন্তু তাও নিজেকে পুরো ফিরিয়ে আনতে আমার ২ বছর লেগে যায়। আমি তখন এইচএসসি পরীক্ষা শেষ করি, যখন আমি তার থেকে নিজেকে সরিয়ে আনতে সক্ষম হই।

এইচএসসির পর আমি মেডিকেলে কোচিং এ ভর্তি হই। তখন আমার পরিচয় হয় দুঃসম্পর্কের এক মামার সাথে। তার আগে একটি সম্পর্ক ছিলো কিন্তু কোনভাবে ভেঙে গিয়েছিলো। আমিও তাকে আমার পছন্দের ছেলের কথা জানাই এবং বলি, আমি ২ বছর ধরে তাকে ভালোবাসি আর এর থেকে সরে আসতে পারছিনা। তখন সে আমাকে সাপোর্ট দেয় এবং আমাকে প্রোপোজ করে। আমি প্রথমে রাজী হইনি। পরে কি ভেবে রাজী হলাম। কিন্তু কিছুদিন সম্পর্কের পরে সে বলে, তার পক্ষে সম্পর্ক রাখা সম্ভব না। তখন আমি খুব ভেঙে পড়ি। তার পরিবারের অনেকের সাথে যোগাযোগ করি। কিন্তু তাদেরও একই কথা। তারা আমাকে মেনে নিতে পারবেনা।

যাইহোক, অনেক ঝামেলার পরে আমাদের সম্পর্ক শেষ হয়। এই সম্পর্কের জন্য আমার জীবনযাত্রা পুরো বদলে যায়। আমার আর মেডিকেলে চান্স পাওয়া হয়না। তারপর একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হই। ভার্সিটিতে ফার্স্ট ইয়ারের সময় আমার এক মেয়ে ফ্রেন্ডের কাজিনের সাথে পরিচয় হয়। আমরা প্রথমে খুব ভালো বন্ধুত্ব করি। কিন্তু এক সময় সেও প্রোপোজ করে। আমি রাজী হই কারণ সে দেশের বাইরে থাকতো। আর আম্মু বিদেশ খুব পছন্দ করে। তাছাড়া তাদের ফ্যামিলি স্ট্যাটাস, পড়াশোনা সবই মিলে গেছিলো। তাই সব মিলে আমি গ্রহন করি।

প্রায় এক বছর আমাদের ভালোমত সম্পর্ক ছিলো, আমরা ফোনেই কথা বলতাম। এ বছর পরে ও বাংলাদেশে আসে এবং আমাদের দেখা হয়। আমি তার বিষয়ে খুব কনফিডেন্ট ছিলাম যে আমাদের বিয়ে হবেই। আর এজন্যই আমাদের মাঝে শারীরিক সম্পর্ক বাদে সবই হয়। আমি খুব দুর্বল হয়ে পড়ি ওর প্রতি। সেও আমাকে তেমনটাই বলে। কিন্তু ২ মাস পরে ও আবার দেশের বাইরে চলে যায়। আপু এই দুই মাসে আমরা প্রায় প্রতিদিনই দেখা করি কিন্তু সমস্যা শুরু হয় ও যাওয়ার পর থেকে। ফেসবুকে অনেকে আমার সাথে যোগাযোগ করে আর সবাই বলে ওর সাথে ওদের সম্পর্ক চলছে। শারীরিক সম্পর্কও হয়েছে ওদের মাঝে। এসব শুনে আমার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে। আমি ওর পরিবারের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলে তারা আমাকে পছন্দ করেনি। কিন্তু ও যখন বাংলাদেশে ছিলো, তখন তারা বলেছিলো যে আমাকে তারা পছন্দ করে। এখন পুরাই উলটা কথা তাদের। ও এসবের কিছুই স্বীকার করতোনা। ওর বন্ধুদের কাছ থেকে জানতে পারি ও আসলেই এমন ধরনের।

তখনই আরেকটা ভুল করে ফেলি। সুইসাইড করার চেষ্টা করি। কিন্তু বমির কারণে সেটা হয়নি, আজ পর্যন্ত বেঁচে আছি। এরপর আস্তে আস্তে ওর কাছ থেকে নিজেকে সরিয়ে আনি আর ডিসিশন নেই যে বিয়ের আগে আর কোন সম্পর্কে জড়াবোনা। খুব কঠিন করে ফেলি নিজেকে। কিন্তু সবসময়ই নিজেকে খুব ছোট মনে হত, আমি বিয়ের আগেই এত কিছু করলাম, আমাকে অন্য কেউ টাচ করলো, ডিপ্রেশনে ভুগছিলাম। এর মাঝে পরিচয় হয় এক আত্মীয়ের সাথে যে একজন হাফেজ। আমি তার সাথে কিছুদিন কথা বলি। এবং বলি যে আমি অনেক গুনাহর কাজ করেছি। আমাকে মুক্তির পথ দেখান। আর আমি তাকে আমার জন্য শাফায়েতের জন্যেও বলি। এক পর্যায়ে সে আমাকে প্রোপোজ করে। আমি খুব অবাক হই। একজন হাফেজ হয়েও সে আমাকে প্রোপোজ করলো! আমি তাকে অনেক বুঝাই যে এটা সম্ভব না। কিন্তু সে বলে সে আমাকে খুব ভালোবাসে। তার কথায় আর আমার মুক্তির চিন্তা করে আমি রাজী হই কিন্তু তার কিছুদিন পর আমি জানতে পারি তার আগে একটি সম্পর্ক এবং সে ঐ মেয়ের সাথে অনেকবার শারীরিক সম্পর্ক করেছে। এখন সে ঐ মেয়েকে ছেড়ে আমার কাছে আসতে চাইছে। কিন্তু সে আমাকেও ওসব করতে বলে।

আমি তাকে বুঝাই যে এসব সম্ভব না। সে একবার বোঝে, আবার চায়। আপু এখন আমি কী করবো? আমিও তাকে ভালোবেসে ফেলেছি। আবার ঐ মেয়েটার জন্যও খারাপ লাগছে। আবার এটাও ভাবি যে আমি হয়তো চেষ্টা করলে তাকে ভালো পথে আনতে পারবো। আবার এটাও ভয় হয় যদি আমার সাথেও ওসব করে?

আপু, আমার জীবনের ঘটনাগুলো সংক্ষেপে বললাম। জানি আমাকে সবাই খারাপ ভাবছে কিন্তু আপু একটা কথা বলতে পারি, আমি শুধুমাত্র একটু সত্যিকারের ভালোবাসা পাওয়ার জন্য সবার সাথে সম্পর্কের শুরু করেছিলাম, আমি কাউকে ছেড়ে আসিনি। কেবল প্রথমজন ছাড়া।

কি আছে প্রেসিডেন্ট ওবামার পার্সোনাল বিমান এ দেখুন ভিডিও-

কি আছে প্রেসিডেন্ট ওবামার পার্সোনাল বিমান এ দেখুন ভিডিও-

U.S. President Barack Obama walks from Air Force One upon his arrival in Denver, Colorado October 24, 2012. Obama is on a two-day, eight state, campaign swing. REUTERS/Kevin Lamarque (UNITED STATES – Tags: POLITICS ELECTIONS USA PRESIDENTIAL ELECTION)

এলিয়েনের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের দাবি ২ মার্কিন তরুণীর

হ্যালোটুডে ডটকম : ব্রাইডজেট নিলসন এবং আউনা ভার্স নামের দুই মার্কিন নারীর অদ্ভুত দাবি নিয়ে বিশ্বজুড়ে হৈচৈ পড়ে গেছে। তাদের দাবি করেন, এলিয়েনের (ভিন্ন গ্রহের প্রাণী) সঙ্গে তাদের যৌন সম্পর্ক হয়েছে এবং তাদের সন্তান মহাকাশযানে তাদের পিতার সঙ্গে রয়েছে। ‘হাইব্রিড বেবি কমিউনিটি’ নামে নারীদের একটি গ্রুপ রয়েছে, যারা এ ধরনের ‘হাইব্রিড সন্তানের’ দাবি করেন।

এসব নারীদের ধারণা, এলিয়েনরা তাদের ডিএনএ নিয়ে প্রক্রিয়াকরন করে। এরপর মানব এবং এলিয়েন চরিত্রের ভালো বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে উৎপাদন করে

‘হাইব্রিড শিশু’। এ ধরনের সন্তান জন্মদানের জন্য মানুষের সঙ্গে এলিয়েনের সরাসরি সঙ্গম অথবা কৃত্রিমভাবে নারীর শরীরে শুক্রানু প্রবেশ করানো যেতে পারে।

সাবেক মার্কেটিং নির্বাহী ব্রাইডজেট নিলসন দাবি করেন, তার দশটি হাইব্রিড শিশু রয়েছে এবং তিনি নিয়মিত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
তাঁর মতে, ‘এলিয়েনের সঙ্গে সঙ্গমের অভিজ্ঞতা অভূর্তপূর্ব।’

২৩ বছর বয়সী ভিডিও গেমস ডিজাইনার আউনা ভার্সের অভিজ্ঞতাও প্রায় একই রকম। তাঁর তিনটি হাইব্রিড সন্তান রয়েছে। তিনি বলেন, ‘ক্লাসরুমে হঠাৎই এলিয়েনের সঙ্গে আমার যৌন সম্পর্ক হয়। হঠাৎ দেখলাম সবুজ রঙের সরীসৃপ প্রাণীর মতো কিসের ওপর যেন আমি বসে আছি। সেই সময়ে আমি তীব্র যৌনাকাঙক্ষা অনুভব করি। খুব অবাক হই যে, ক্লাসে সবার সামনেই আমরা সঙ্গম করি। সবার আগ্রহ তখন ছিল আমাদের দিকে।’

এটিকে তিনি নিজের জীবনের অন্যতম ‘জ¦লজ¦লে’ ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

হাইব্রিড সন্তানের মায়েরা তাদের শিশুদের ছবি একেঁ দেখিয়েছেন। মানব শিশুর মতই দেখতে হাইব্রিড সন্তানদের রয়েছে বড় কালো চোখ।

ব্রাইডজেট বলেন, ‘খুব কষ্ট লাগে যে, আমাদের সন্তানরা এই পৃথিবীতে আসতে পারে না এবং আমি আপনাদের সেখানে নিয়ে যেতে পারব না। বিশ^াস করি সারা বিশে^ কয়েক হাজার নারী রয়েছে, যাদের হাইব্রিড সন্তান আছে। তবে তারা কখনও বিষয়টি বুঝতেও পারেনি।’
কারন জীবন সঙ্গী হিসেবে ভিন গ্রহের প্রাণীকে পছন্দ করতে হলে, এই বিশে^ অনেক চড়াই-উতরাই পার হতে হয়। যা সকলের জন্য সম্ভব নয়।
ব্রাইডজেটের কথা বিশ^াস করেননি তার মা। ব্রাইডজেটের দাবি, ‘সত্যি অন্যদের মত কোন স্বাভাবিক সম্পর্ক নেই আমার। এলিয়েনের সঙ্গে সম্পর্কই এখন আমার কাছে স্বাভাবিক।’
ব্রাইডজেট এবং আউনা মনে করেন, সব হাইব্রিড শিশুর মায়েদের উচিত একসঙ্গে থাকা। তাহলে হাইব্রিড শিশুরা নিরাপদে তাদের মায়েদের কাছে আসতে পারবে
আউনা দাবি করেন, ‘সকলে আমাদের পাগল মনে করে। আসলে আমরা পাগল নই। এমনটি সত্যি ঘটেছে।

মাত্র একমাসে কোটিপতি, পুজি মাত্র সাত হাজার টাকা ! বিস্তারিত ভিডিওসহ দেখুনঃ

১৯৭২ সালের ৪ঠা মার্চ, সর্বপ্রথম বাংলাদেশে মুদ্রা টাকা চালু হয়। কিন্তু অবাক করার মত বিষয় হল, সেই প্রথম বছরই জাল টাকা বা নকল টাকার সন্ধান পায় বাংলাদেশ ব্যাংক। সেটা ছিল শুরু মাত্র এই ২০১২ সালে এসে টাকার বাজারের দিকে তাকালে জাল টাকা র পরিমান হবে হাজার হাজার কোটি টাকা।

১৯৯০ সালের দিকে জালটাকা ছড়িয়ে পড়তে থাকে রাজধানী ঢাকাসহ অন্যান্য শহরগুলোতে তখন থেকে পরবর্তী বিশ বছরে এর বিস্তৃতি কেবলই বেড়েছে। ২০১১ সাল নাগাদ এমন অবস্থা দ্বারায় যে বাজারে প্রচলিত নোটের কোনটা আসল আর কোনটা নকল বোঝা দায় হয়ে যায়। শুধু বাজার নয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আটটি শাখার ভল্ট থেকেও বেড়িয়ে এসেছিল একশ আর পাচশ টাকার জাল নোট। এমনকি এটিএম বুথ থেকে বেড়িয়ে আসা টাকার মধ্যেও পাওয়া যায় জাল টাকা ।

এবার আসা যাক এসব জালটাকা র ব্যাবসায়ীরা কি পরিমান লাভ করেন এই ব্যাবসা থেকে তা জানা যাক ।

জালটাকা প্রস্তুতকারীর কাছ থেকে সাধারন জনগনের হাতে আসা পর্যন্ত পাচ বার হাত বদল হয়। উৎপাদকের কাছ থেকে পাইকারী বিক্রেতা একলাখ টাকার জাল নোট কিনে নেন মাত্র ৮০০০ টাকায়। পাইকারী বিক্রেতা সেই টাকা খুচরা বিক্রেতার কাছে বিক্রি করেন ১২-১৩ হাজার টাকায়। খুচরা বিক্রেতা আবার আরেক খুচরা বিক্রেতার কাছে বিক্রি করেন ২০-২৫ হাজার টাকায়। এই খুচরা বিক্রেতা আবার আরেকজন মাঠ পর্যায়ের খুচরা বিক্রেতার কাছে একলাখ টাকা বিক্রি করেন ৪০-৫০ হাজার টাকায়। আর মাঠ পর্যায়ের খুচরা বিক্রেতা এই একলাখ টাকা একলাখ হিসেবেই সাধারন জনগনের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়।

সাধারন মানুষের কাছে যার কোন মূল্য নেই। এক লাখ টাকার জালনোট তৈরি করতে একজন উৎপাদাককারীর খরচ পরে মাত্র ১০০০ টাকা আর তিনি বিক্রি করেন ৮০০০ টাকায়। অর্থাৎ লাভ ৭০০০ টাকা। অনেক সময় উৎপাদনকারী সরাসরি বাজারে জাল টাকা ছেড়ে দেয়, সে ক্ষেত্রে তার লাভ হয় পুরোটাই অর্থাৎ নিরানব্বই হাজার টাকা! অর্থাৎ লাভের পরিমান প্রায় ৯৯০০%। এমন ব্যাবসা থাকলে ধনী হতে কয়দিন লাগে বলেন? প্রতিবেদনটি তালাশ ক্রাইম পোগ্রাম থেকে নেয়া। জালটাকা তৈরির পদ্ধতি আর তা বাজারে ছড়িয়ে দেওয়ার পদ্ধতির বিস্তারিত ভিডিওসহ দেখুনঃ

ছি! ছি! মেয়েটি একি দেখালো রাস্তার পাসে ? এই মেয়ের লজ্জা শরম বলতে কিছু নাই নাকি (ভিডিওতে দেখুন কি করল মেয়েটি)

ছি! ছি! মেয়েটি একি দেখালো রাস্তার পাসে ? এই মেয়ের লজ্জা শরম বলতে কিছু নাই নাকি (ভিডিওতে দেখুন কি করল মেয়েটি)

কম বয়সে বিয়ে করার ৬টি সুফল

বিয়ের সঠিক বয়স কোনটি তা নিয়ে অনেক মতবিরোধ রয়েছে। অনেকেই বলবেন বিয়ে এবং সম্পর্ক আসলে কি তা বুঝে তবেই বিয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা উচিত। আর এই সঙ্গে অর্থনৈতিক বিষয়ও জড়িত থাকে বলে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী না হওয়া পর্যন্ত অনেকেই বিয়ের কথা ভাবেন না। কিন্তু সত্যি বলতে কি, দ্রুত বিয়ে করে ফেলার সিদ্ধান্ত কিন্তু বেশ ভালো বুদ্ধিমানের মতো কাজ। বয়স একটু কম থাকলেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলা উচিত, এতে জীবনটা অনেক বেশিই সহজ মনে হবে আপনার কাছে। অনেক ধরণের সমস্যা থেকে অনায়াসেই মুক্ত থাকতে পারবেন। কীভাবে জানতে চান? পড়ুন

১) আপনি যদি বয়স ৩০ পার করে বিয়ে করেন তাহলে স্বাভাবিকভাবেই আপনার বয়সের কারণে আপনার মধ্যে যে গাম্ভীর্য চলে আসবে তার জন্য সম্পর্ক খুব বেশি মধুর ও ঘনিষ্ঠ হবে না। ব্যাপারটি বরং এমন হবে বিয়ে করার কথা তাই বিয়ে করেছি। এ কারণে আগেই বিয়ে করে ফেলা ভাল, যখন আবেগ কাজ করে অনেক।

২) বেশি বয়সে বিয়ে করলে স্বামী-স্ত্রী নিজেদের জন্য কতটা সময় পান? বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সন্তানের দায়িত্ব ঘাড়ের উপর এসে পড়ে। আর একবার সন্তান হয়ে গেলে দুজনের একান্ত সময় কাটানো আর হয়ে উঠে না। কিন্তু অল্প বয়সেই বিয়ে করে ফেললে সঙ্গীর সঙ্গে অনেকটা সময় পাওয়া যায়। এতে সম্পর্ক অনেক ভাল ও মধুর থাকে।

৩) ‌‘একজনের চেয়ে দুজন ভাল’ বিষয়টি নিশ্চয়ই না বোঝার কথা নয়। একাই সুখ দুঃখ ভোগ করার চেয়ে দুজনে ভাগাভাগি করে নিলে অনেকটা সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। অল্প বয়সেই বিয়ে করলে দুজনের জীবনের সবকিছুই ভাগ করে নেয়া যায় বলে মানসিক চাপটাও কম পড়ে।

৪) সন্তানের জন্য খুব ভালো মাতা-পিতার উদাহরণ হতে পারবেন যদি বিয়ে আগে করে ফেলেন। সত্যি বিষয়টি কেউ মানুন আর নাই মানুন না কেন মানুষের গড় আয়ু কিন্তু কমে এসেছে। আপনি দেরিতে বিয়ে করলে সন্তান মানুষ করার বিষয়টিও পিছিয়ে যাবে এবং আপনার মানিসকতাও কিন্তু দিনকে দিন নষ্ট হতে থাকবে।

৫) দুর্ঘটনাবশত অনেকেই বিয়ের সিদ্ধান্ত ঠিক নিতে পারেন না। তাই এখন ডিভোর্সের সংখ্যাও বাড়ছে। জলদি বিয়ে করার কিন্তু এই দিক থেকেও সুবিধা রয়েছে। যদি অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে অল্পেতেই ভেঙে যায় তাহলে জীবনটাকে নতুন করে গুছিয়ে নেয়ার দ্বিতীয় সুযোগ পাওয়া যায় যা দেরিতে বিয়ে করলে পাওয়া সম্ভব হয় না।

৬) এগুলো তো গেল সিরিয়াস বিষয়, এখন শুনুন আগে ভাগে বিয়ে করে ফেলার একটু অন্যরকম সুবিধাগুলো। আগে বিয়ে করলে আপনার কাছে এসে কেউ ‘কেন বিয়ে করছ না’, ‘কবে বিয়ে করবে’, ‘বয়স বেড়ে যাচ্ছে’, ‘কাউকে পছন্দ আগে কি’ ইত্যাদি ধরণের বিরক্তিকর কথা শোনার হাত থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন।

জিবনে ওনেক ভিডিও দেখেছেন দয়াকরে এই ভিডিওটি দেখুন একবার আর বিশেষ করে মেয়েদেরকে বলছি!

মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হবেন। মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হবেন। মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হব।

মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হবেন।মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হবেন।মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হবেন। মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হবেন। মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হব।

মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হবেন। মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হবেন। মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হব

মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হবেন।মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হবেন।মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হবেন। মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হবেন। মেয়েরা সাবধান! ভিডিওটা দেখে আশা করি সচেতন হব।

আমাকে বলেছে গা থেকে সব জামাকাপড় খুলে ফেলতে অতঃ পর জোর করে (দেখুন ভিডিওতে)

ভিডিও লিংক নিচে আছে:‘প্রথমে ওই লোক আমাকে মেরেছে। এরপর আমাকে বলেছে গা থেকে সব জামাকাপড় খুলে ফেলতে। তারপর সে আমাকে ধর্ষণ করেছে।’ মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন শহরের জনাকীর্ণ একটি আদালতে দাঁড়িয়ে সাত বছরের ওই মেয়েশিশু এভাবে তাকে ধর্ষণের ঘটনার কথা বর্ণনা করে। সে সময় আদালতে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ছিলেন ধর্ষক মং উইন। তিনি মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর একজন সদস্য। গত ১১ নভেম্বর এই সেনাসদস্য শান রাজ্যের এই মেয়েশিশুকে ধর্ষণ করেন ।

৮ জানুয়ারির ঘটনা। কাচিন রাজ্যের মিতকিয়ানা-সামপ্রা বাম সড়কে একটি যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে সেখান থেকে তিনজন নারীকে নামিয়ে আনেন কয়েকজন সেনাসদস্য। তাঁদের মধ্যে দুজন নারী পালিয়ে যেতে পারলেও একজন গণধর্ষণের শিকার হন।

দুধের শিশু মদ খায়, সিগারেটও ফোঁকে!

 

হ্যালোটুডে ডটকম: পৃথিবীতে রোজ কত রকমের ঘটনাই না ঘটছে। তারপরও বছর দুয়েকের শিশুর সিগারেট ফোঁকা আর অবিরত বিয়ারের গ্লাসে চুমুক দেওয়ার দৃশ্য নিশ্চয়ই ঠিক প্রত্যাশিত নয়!

স্পেনের একটি ক্যাফের বাইরে তোলা এমনই এক ভিডিও বিশ্বে সমালোচনার ঝড় তুলেছে।

সম্প্রতি ফেসবুকে আপলোড করা ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, ওই ক্যাফের বাইরে রোমানিয়ার এক নাগরিকের কোলে বসে থাকা এক ছেলেশিশু বিয়ারের গ্লাসে চুমুক দিচ্ছে। এর পরপরই সিগারেটে টান দিয়ে ধোঁয়াও ছাড়ছে।

একজন শিশুটির মুখে সিগারেট ধরিয়ে দিচ্ছেন, আর সেটা নিয়ে মজা করছেন আরেকজন। এ সময় একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘সত্যিকারের চ্যাম্পিয়ন বানানো হচ্ছে।’

আরেকজন রোমানিয়ান নাগরিক ওই শিশুর সঙ্গে থাকা দুই যুবককে শনাক্ত করতে ভিডিওটি ফেসবুকে আপলোড করেছেন। স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে, তারা দুজনেই শিশুটিকে ধূমপান ও মদ্যপান করার জন্য উৎসাহিত করছিলেন।

ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্রীও সোনাগাছির যৌনকর্মী!

যাদবপুরের দুই পড়ুয়া। স্নাতক স্তরের ওই দুই পড়ুয়ার মধ্যে রয়েছে প্রেমের সম্পর্ক। তাঁরা বিয়েও করতে চান। অথচ, তাঁদের বিয়েতে রয়েছে দুই পরিবারের তরফে চূড়ান্ত আপত্তি। শেষ পর্যন্ত অবশ্য পরিবারের আপত্তি সত্ত্বেও বিয়ে করলেন বিএ দ্বিতীয় বর্ষের ওই তরুণ এবং তরুণী। কিন্তু, সংসার চলবে কীভাবে? কীভাবে-ই-বা তাঁরা বেঁচে থাকবেন? কেননা, তাঁরা কেউ-ই রোজগেরে নন। প্রেমের সম্পর্কের একপ্রকার পরিণতি হিসেবে তাঁরা বিয়ে করেছেন। কাজেই, জীবন এবং জীবিকার বিষয়টি তাঁদের কাছে তখন অন্যতম প্রশ্ন।

শেষ পর্যন্ত, স্নাতক স্তরের দ্বিতীয় বর্ষেই তাঁরা চুকিয়ে দিলেন পড়াশোনার পাট। এবং তাঁরা যোগাযোগ করলেন দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটির সঙ্গে। কারণ, অন্যকোনো জীবিকা নয়। তাঁরা যৌনপেশায় অংশ নিতে চান। শেষ পর্যন্ত, দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটির সম্মতিতে, জীবিকা হিসেবে যৌনপেশাকে বেছে নেন ওই তরুণী। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, ওই তরুণ এবং তরুণী রয়েছেন উত্তরবঙ্গের এক যৌনপল্লীতে। ওই তরুণী সেখানকার যৌনকর্মী। তবে, জীবন-জীবিকার টানে এভাবে ওই তরুণী উপার্জন করলেও, তাঁর ওই তরুণ স্বামী অবশ্য বেকার। দুই পরিবারের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগও নেই। এবং জীবন-জীবিকার টানে ওই তরুণী শেষ পর্যন্ত যৌনপেশাকে বেছে নিলেও, তাঁরা উভয়েই তাঁদের পরিচয় গোপন রাখতে চান বলেও জানা গিয়েছে। শুধুমাত্র এমন ঘটনাও নয়। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এক পড়ুয়া। তিনিও পড়াশোনার পাট চুকিয়ে, জীবন এবং জীবিকার টানে বেছে নিতে চান যৌনপেশাকে। কারণ, পরিবারের সঙ্গে ওই ছাত্রীর এমন অশান্তি হয়েছে যে, তার জেরে তিনি যোগাযোগ করেন দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটির সঙ্গে। তিনি যেমন আর ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পাঠ শেষ করতে চান না। তেমনই, তিনি আবার বাড়িতেও ফিরতে চান না। যে কারণে, জীবিকা হিসেবে যৌনপেশাকে বেছে নেওয়ার জন্য তিনি নাছোড়বান্দা। এবং এই ঘটনাও কলকাতার। তবে, শেষ পর্যন্ত অবশ্য ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওই পড়ুয়াকে যৌনপেশায় অংশ নিতে হয়নি। কেননা, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া ওই তরুণীর কাছ থেকে গোটা বিষয়টি জানার পর, দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটির তরফে যোগাযোগ করা হয় তাঁর বাবার সঙ্গে। ওই তরুণীর বাবার অনুরোধ অনুযায়ী, সোনাগাছিতে দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটির অফিসে বসিয়ে রাখা হয় তাঁকে। কারণ, তত সময়ে সেখানে পৌঁছতে চান ওই তরুণীর বাবা। এর পর, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওই পড়ুয়ার বাবা সেখানে পৌঁছলে, দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটির তরফে তাঁকে দেখানো হয় ওই তরুণীর লিখিত আরজি, জীবন-জীবিকার টানে কেন তিনি যৌনপেশায় অংশ নিতে চান। শেষ পর্যন্ত অবশ্য ওই তরুণীকে বোঝানো সম্ভব হয়।

এবং তার জেরেই, যৌনপেশায় অংশ না নিয়ে তাঁর বাবার সঙ্গে তিনি বাড়িতে ফিরে যান। শুধুমাত্র যেমন এই দুই ঘটনাও নয়। তেমনই, এই দুই কাহিনী আবার বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনাও নয়। কেননা, আগেও যেমন এই ধরনের ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়েছে দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটিকে। তেমনই, এখনও এই ধরনের বিভিন্ন ঘটনার সম্মুখীন হতে হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের যৌনকর্মীদের অন্যতম ওই সংগঠনকে। তবে, অতীতের সঙ্গে বর্তমানের অন্যতম ফারাক, আগের তুলনায় এখন এই ধরনের অনেক বেশি ঘটনার সম্মুখীন হতে হচ্ছে দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটিকে। কারণ, আগের তুলনায় এখন আরও অনেক বেশি সংখ্যক উচ্চশিক্ষিত মহিলা বেছে নিতে চাইছেন যৌনপেশাকে। এবং যৌনপেশায় অংশ গ্রহণের জন্য তাঁরা যোগাযোগ করছেন দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটির সঙ্গে। ওই সংগঠনের সচিব ভারতী দে’র কথায়, শুধুমাত্র যাদবপুরের বিএ সেকেন্ড ইয়ারের ওই দুটি ছেলে-মেয়ে নয়। শুধুমাত্র ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ওই মেয়েটিও নয়। আগের তুলনায় আমরা এখন এই ধরনের অনেক বেশি ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছি। একই সঙ্গে ভারতী দে বলেন, যৌনপেশায় নামার জন্য প্রতিমাসে এখন ২০০ থেকে ২৫০ জন মেয়ে আমাদের সেলফ রেগুলেটরি বোর্ডের সম্মুখীন হচ্ছেন। প্রাপ্তবয়স্ক এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক, দুই ধরনের মেয়েরাই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে ৯৮ শতাংশ এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে ৯৬ শতাংশ মেয়ে নিজের ইচ্ছায় যৌনপেশায় নাম চাইছেন। তবে, যৌনপেশায় নামার জন্য আমাদের সেলফ রেগুলেটরি বোর্ড কখনও অপ্রাপ্তবয়স্ক কোনো মেয়েকে সম্মতি দেয় না। সে ক্ষেত্রে কী হয়? কেননা, ওই অপ্রাপ্তবয়স্ক মহিলারা তাঁদের ইচ্ছায় যৌনপেশায় অংশ নিতে চাইছেন। তা হলে, ওই সব অপ্রাপ্তবয়স্ক মহিলা কি তাঁদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেন? তাঁরা কি ফিরে যান তাঁদের বাড়িতে? দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটির সচিব বলেন, যৌনকর্মী হওয়ার জন্য অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েরা যখন আমাদের সেলফ রেগুলেটরি বোর্ডের সম্মুখীন হয়, সেই সময় আমাদের বক্তব্য জানার পরে তাদের অনেকে এমন কথা বলে যে, আমরা তাকে সুযোগ দিচ্ছি না তো কী হয়েছে, অন্যকোনো যৌনপল্লীতে সে যাবে। সেখানে সে যৌনপেশায় নামার সুযোগ পাবে। এ ক্ষেত্রে সেভাবে আমাদের করার কিছু থাকে না। কারণ, পশ্চিমবঙ্গের সব যৌনপল্লীতে এখনও আমরা পৌঁছতে পারিনি। দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটির অধীনে যে সব যৌনপল্লী রয়েছে, সেই সব জায়গায় কোনোমতেই কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে যৌনপেশার জন্য সম্মতি দেবে না আমাদের সেলফ রেগুলেটরি বোর্ড। বহু অপ্রাপ্তবয়স্ক মহিলা যেভাবে নিজের ইচ্ছায় যৌনপেশায় নামার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিচ্ছে, তার পিছনে অন্যতম কারণগুলির মধ্যে দারিদ্র্য এবং বাড়িতে অশান্তির মতো বিষয় রয়েছে বলেও জানান তিনি। যদিও, যৌনপেশায় অংশ গ্রহণের জন্য কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ছাত্রী অথবা উচ্চশিক্ষিত কোনো তরুণী যে শুধুমাত্র দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটির সঙ্গেই যোগাযোগ করছেন, তাও নয়। এসকর্ট সার্ভিস সহ অন্য নানা উপায়ে তাঁরা যৌনপেশায় অংশ নিচ্ছেন।

কখনও যেমন অর্থের প্রয়োজনে অথবা অতিরিক্ত অর্থের কারণে। তেমনই, কখনও আবার নিছক-ই যৌনসুখ উপভোগের কারণে তাঁরা যৌনপেশায় অংশ নিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অভিজাত শ্রেণির-ও চাকরিজীবী মহিলা অথবা গৃহবধূ। তেমনই, শুধুমাত্র আবার মহিলারাও নন। যৌনপেশায় অংশ নিচ্ছেন পুরুষরাও। এবং কলকাতায়-ও, এভাবে বিভিন্ন উপায়ে যৌনপেশায় অংশগ্রহণের হারও আগের তুলনায় এখন অনেক বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু, যৌনপেশায় অংশ নেওয়ার জন্য আগের তুলনায় আরও বেশি সংখ্যক উচ্চশিক্ষিত মহিলারা কেন যোগাযোগ করছেন দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটির সঙ্গে? ভারতী দে বলেন, অনেক সময় প্রেমের সম্পর্কে কোনো মেয়ে ফেঁসে যায়। অনেক সময় প্রেম করে বিয়ে করার পরে কিছু আর করার থাকে না। যেমন যাদবপুরের ওই দুজন। যৌনকর্মী হিসেবে মেয়েটি উপার্জন করছে। অথচ ছেলেটি কোনো উপার্জন করছে না। ওই মেয়েটির উপার্জনেই ছেলেটি চলছে। কিন্তু, অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, একসময় ওই ধরনের কোনো মেয়েকে ছেড়ে দিয়ে, অন্যকোনো মেয়েকে নিয়ে থাকছে ওই ধরনের কোনো ছেলে। আর, এভাবেও কলকাতার সোনাগাছি সহ এই শহর এবং পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন যৌনপল্লীতে এখন যৌনকর্মী হিসেবে পরিচয় বহন করে চলেছেন উচ্চশিক্ষিত বহু মহিলা।