শিশু যৌন নির্যাতন | আপনার সন্তান নিরাপদে আছে তো?

সম্প্রতি কোন ব্যাপারটা খুব বেশি বেড়ে গেছে বলুন তো? – শিশু যৌন নির্যাতন বা Child sexual abuse। হোক ৫ বছরের শিশু কিংবা ১ বছর বয়সের কোলের বাচ্চা, হোক ছেলে কিংবা মেয়ে; যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে অনেকেই। বয়স্ক, কিশোর কিংবা মধ্যবয়স্ক কোন অসুস্থ মস্তিষ্কের মানুষের যৌন উদ্দীপনার শিকার হচ্ছে এই শিশুরা। ‘বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম’-এর রিপোর্ট…

নারীদের শৌচাগারে বিস্ফোরণে নিহত ৩

কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোটায় একটি শপিং মলে নারীদের শৌচাগারে বিস্ফোরণে তিন নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ১১ জন। গতকাল শনিবারের এই বিস্ফোরণকে সন্ত্রাসী হামলা বলছে কর্তৃপক্ষ। বোগোটার মেয়র এনরিক পেনালোসা বলেন, নিহত তিন নারীর মধ্যে একজন ফরাসি। ২৩ বছরের ওই নারী শহরের দক্ষিণে একটি স্কুলে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করতেন। বাকি দুজনের বয়স ২৭ ও…

মাত্র পাঁচ হাজারে পর্নোগ্রাফি ছবিতে রাজি হয় মহিলারা!

খোদ শহরে ফাঁস পর্নোগ্রাফি চক্র। সোমবার সল্টলেকের একটি বাড়ি থেকে এই চক্রে জড়িত প্রায় ২৮জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, শহরে এইভাবে পর্নোগ্রাফি শুটিং এবং চক্র বেড়ে ওঠার পিছনে রয়েছে বড়সড় কোনও চক্র। ধৃতদের জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, প্রথমে সিরিয়ালের টোপ দিয়ে টানা হয় জুনিয়র আর্টিস্টদের। এরপর পর্নো ছবি তৈরি করে ছড়িয়ে দেওয়া হত ওয়েবসাইটে।

ধৃতদের জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, পর্নো ছবি তৈরির জন্য এই চক্রের টার্গেট উঠতি জুনিয়র আর্টিস্টরা। প্রথমে বড় কোনও সিরিয়ালে অভিনয়ের টোপ দেওয়া হত। এরপর বেশি টাকায় অন্য কাজের প্রস্তাব। পর্নো ছবিতে কাজ করলে সিরিয়ালে অভিনয়ের সুযোগ নিশ্চিত, এই টোপও দেওয়া হত। মেয়েদের দৈনিক পারিশ্রমিক পাঁচ হাজার টাকা। পুরুষের পারিশ্রমিক দৈনিক আড়াই হাজার টাকা।

শুধু কলকাতা নয়। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, দুই চব্বিশ পরগনা, নদিয়া, বীরভূম সহ বিভিন্ন এলাকায় পর্নোগ্রাফির শুটিং করেছে এই চক্র। সল্টলেকের ডিডি ব্লকের এই বাড়িতেও আগে অন্তত দুবার শুটিং হয়েছে। তবে কলকাতার এই চক্রটি শুধু ছবি তৈরির কাজ করত।

দশ থেকে পনেরো মিনিটের ছোট ছবি বা মশালা পর্ন তৈরি হত। পাঠানো হত দিল্লির একটি সংস্থাকে। ওই সংস্থাই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছবিগুলি আপলোড করত। মুনাফা ভাগ হত আধাআধি। এই পর্যন্ত চক্রটি প্রায় ষাটটি পর্নো ছবি তৈরি করেছে। চক্রটির সিনেমাটোগ্রাফির লাইসেন্স ছিল না।

দিল্লির ওই সংস্থা সম্পর্কে ইতিমধ্যে খোঁজ নিচ্ছেন গোয়েন্দারা। চিঠি দেওয়া হয়েছে ওয়েবসাইটগুলিকেও। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, ছবি তৈরির পাশাপাশি বাংলাদেশ, নেপালে পর্নো ছবির সিডিও পাচার করা হত। বিধাননগরের গোয়েন্দাদের অনুমান, গোটা চক্রের পিছনে রয়েছেন প্রভাবশালী কোনও ব্যক্তি। জানা গিয়েছে, শুধু ওয়েবসাইট আপলোড নয়। সিডি তৈরি করে বাংলাদেশ, নেপালে পাঠানো হত।

জোর করে তুলে নিয়ে মদের আসর নাচ গান ফুর্তি করে সিনেমা স্টাইলে ধর্ষণ করলো অসহায় মেয়েকে (দেখুন ভিডিও)

জোর করে তুলে নিয়ে মদের আসর নাচ গান ফুর্তি করে সিনেমা স্টাইলে ধর্ষণ করলো অসহায় মেয়েকে (দেখুন ভিডিও)

৩০% নারী স্বামীর ভয়ে যৌন সম্পর্কে বাধ্য হন

হ্যালোটুডে ডেস্কঃ বাংলাদেশের বিবাহিত নারীদের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি জীবনের কোনো না কোনো সময় স্বামীর মাধ্যমে যৌন নির্যাতনের শিকার হন। ২০ থেকে ৩৪ বছর বয়সী বিবাহিত নারীরা এ নির্যাতনের ক্ষেত্রে বেশি ঝুঁকির মধ্যে আছেন। শহরের তুলনায় গ্রামে এ ধরনের নির্যাতনের ঘটনা বেশি ঘটে। ৩০ শতাংশ নারী জানিয়েছেন, স্বামীর ইচ্ছা অনুযায়ী যৌন সম্পর্ক না করলে স্বামী কী না কী করবে; সে ভয়ে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য হন।

এ তথ্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রথমবারের মতো নারী নির্যাতন নিয়ে ‘ভায়োলেন্স অ্যাগেইনস্ট উইমেন (ভিএডব্লিউ) সার্ভে ২০১১’ শীর্ষক জরিপের। এই জরিপে বলতে গেলে প্রায় অপ্রকাশ্য এ ধরনের যৌন নির্যাতনের চিত্রটি প্রকাশ পেয়েছে। গত ডিসেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে জরিপটি প্রকাশ করা হয়।

জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় ২০১১ সালের ১৯ থেকে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত জরিপের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। জরিপে স্বামীর মাধ্যমে যৌন নির্যাতন বলতে স্ত্রীর অনিচ্ছা সত্ত্বেও জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করা, স্বামীর নির্যাতনের ভয়ে শারীরিক সম্পর্কে সম্মত হওয়া, শারীরিক সম্পর্ক ছাড়াও স্ত্রীকে এমন কিছু করতে বাধ্য করা যা স্ত্রী করতে চান না অথবা এতে অপমানিত বোধ করেন অথবা অন্যান্য যৌন নির্যাতনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে ১২ হাজারের বেশি নারী তথ্য দিয়েছেন।

স্বামীর মাধ্যমে যৌন নির্যাতনের বিষয়টি স্বীকৃতি পায়নি

স্বামীর মাধ্যমে যে যৌন নির্যাতন হয়, সেটিকে ‘নির্যাতন’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘ। তবে বাংলাদেশের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে (২০০০, সংশোধিত ২০০৩) বিবাহিত নারীদের যে যৌন অধিকার আছে বা স্ত্রীর অমতে স্বামী যে কোনো ধরনের যৌন আচরণ করতে পারেন না, সে বিষয়টির স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।

এ আইনে বলা হয়েছে, যদি কোনো পুরুষ বিবাহবন্ধনের বাইরে ১৬ বছরের অধিক বয়সী কোনো নারীর সম্মতি ছাড়া বা ভয় দেখিয়ে বা প্রতারণা করে সম্মতি আদায় করে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে, তা ধর্ষণ হবে। অর্থাত্, এ ক্ষেত্রে স্ত্রীর ইচ্ছা-অনিচ্ছার বিষয়টিকে আমলে নেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে একই আইন বলছে, ১৬ বছরের কম বয়সী কোনো নারীর সঙ্গে সম্মতি বা সম্মতি ছাড়া শারীরিক সম্পর্ক করলে তা ধর্ষণ বলে গণ্য হবে। তবে এ ক্ষেত্রেও সমস্যা আছে। দেশের বিদ্যমান বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী, ১৮ বছরের কম বয়সী মেয়ের বিয়ে হলে তা বাল্যবিবাহ বলে বিবেচিত হবে। এ আইনে শাস্তির বিধান থাকলেও বিয়েটা বৈধ হবে। বিয়ে বৈধ হলে স্বামী স্ত্রীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করার অধিকারপ্রাপ্ত হন। তাই তখন স্ত্রীর সম্মতি বা ইচ্ছার বিষয়টি গৌণ হয়ে যায়।

তবে ২০১০ সালের পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইনে যৌন নির্যাতনের বিষয়টিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে এ আইনেও বিষয়টিকে সেভাবে স্পষ্ট করা হয়নি। আইনে যৌন প্রকৃতির এমন আচরণ যা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির সম্ভ্রম, সম্মান বা সুনামের ক্ষতি করে, তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া এ আইনে শারীরিক নির্যাতনের ক্ষেত্রেও জীবন, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা বা শরীরের কোনো অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে এবং বলপ্রয়োগের বিষয়টিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাই বিবাহিত নারীদের এ আইন ব্যবহারের একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে নতুন আইন এবং আইনটির প্রচার কম থাকায় যৌন অধিকারের বিষয়ে আইনি সুরক্ষা নেওয়ার নজির নেই।

বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন?

বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) অবৈতনিক পরিচালক সারা হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশের সমাজে এ ধরনের নির্যাতন যে ঘটছে, তা নিয়েই কেউ মুখ খুলতে চাইতেন না। তথ্য হাতের কাছে ছিল না বলে নীতিনির্ধারকদের কাছে বিষয়টির গুরুত্ব তুলে ধরা সম্ভব হয়নি। এখন বিবিএসের জরিপকে ভিত্তি ধরে আইনি সুরক্ষার বিষয়টিতে গুরুত্ব দিতে হবে।

মনোরোগ চিকিত্সক মোহিত কামাল বলেন, ‘আমাদের কাছে যেকোনো রোগী এলেই তাঁর যৌন জীবনের ইতিহাস নিতে হয়। বিষণ্নতায় ভুগছে বা আত্মহত্যা করতে চান, এ ধরনের বিবাহিত নারী রোগীদের ৯০ শতাংশেরই স্বামীর সঙ্গে ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক করা, যৌন সম্পর্কের ব্যাপারে স্বামীর সঙ্গে মতবিরোধ বা এ ধরনের জটিলতার ইতিহাস পাওয়া যায়। তবে নারীরা এ কথাগুলো বলতে চান না। ধীরে ধীরে তা বের হয়ে আসে।’

মদ্যপ মেডিকেল ছাত্রীর অভব্যতা (দেখুন ২৪ লক্ষবার দেখা ভিডিও)

হ্যালোটুডে ডটকম : মদ্যপ অবস্থায় ও উঠেছিল ট্যাক্সিতে। ট্যাক্সি থেকে নামতেই সেই মদ্যপ তরুণী শুরু করেন অভব্যতা। চালককে চড় মারা, গাড়িটি ভাঙচুর করে, গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও করেন। হতচকিত হয়ে পুলিসকে ফোন করেন সেই চালক। পুলিস আসার আগেই অবশ্য সেই তরুণী ভাড়া না মিটিয়ে পালিয়ে যায়।
এমনই এক ভিডিও প্রকাশের পর ভাইরাল হয়ে যায়। ঘটনাটি ঘটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে। সেই তরুণীর নাম অঞ্জলি রামকিসুন। সেই তরুণী মেডিক্যালের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী। অঞ্জলি কলেজ থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
১৯ জানুয়ারি আপলোড করার পর এই ভিডিওটি ২৪ লক্ষ বার দেখা হয়ে গিয়েছে। দেখুন এই ভাইরাল ভিডিওটি

ওর জন্য ধর্ম ত্যাগ করেছি আর ওর বন্ধুরা মিলে কিনা আমাকে…

বিচিত্র মানুষের জীবন আর এই বিচিত্র জীবনের বহু বাক, জীবন আছে বলেই সমস্যা আছে। এই সব সমস্যার সমাধান ও আছে। কিছু কিছু সময় এই সব সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করে, মানুষের দ্বারা কিছু সমস্যা মাঝে মাঝে জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে। এই সব ঝামেলা মোকাবেলা করে জীবনকে এগিয়ে নিতে হবে। আমি সোমা কামাল সবাইকে সবসময় এটাই…

জেনে নিন মেয়েদের কত বছর হলে বিয়ের জন্য পাগল হয়ে উঠে!! না হয় নিশ্চিত অবৈধ সম্পর্কে জড়াবে।

মুল বিষয়ে যাবার আগে চলুন কিছু জেনে নিই কোথায় যেন একটা প্রবাদ পড়েছিলাম, মানুষ জীবনে তার লক্ষ্য কিংবা কতটুকু সফল হতে পারবে, সেটা ৩৩-৩৫ বছর বয়সের মধ্যেই বুঝতে পারে। ব্যাপারটা এমনই, আপনি এই বয়সে এসে অদূর ভবিষ্যত নিয়ে হালকা পাতলা চিন্তা করতে পারবেন,জীবনের শেষ গন্তব্যে কি করবেন, সেটা চিন্তা করতে পারবেন। ফ্ল্যাট বাড়ীর জন্য কিস্তি জমা দেওয়া শুরু করতে পারবেন। গাড়ি কিনার চেষ্টা করতে পারেন, নেহায়েৎ ব্যাংক লোন নিয়ে হলেও। একটু গোড়া থেকে শুরু করি, ১৮ বছর বয়স শেষে একজন যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করে, তার ২২-২৩ বছর বয়সে শিক্ষাজীবন শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। গড়ে বাংলাদেশী ছেলেদের চাকুরী পেতে পেতে ২৪-২৫ বছর হয়ে যায়। তারপরও অনেক সময় পছন্দমতো চাকুরী পায় না, এই অফিস, ঐ অফিস ঘুরা ঘুরি করে। ধরলাম আলটিমেট চাকুরীটা পেতে তার ২৭ -২৮ বছর হয়ে গেল। তারপর বলে একটু গুছিয়ে নিই, তারপরেই বছর ২-১ পরে বিয়ে করবো। গুছিয়ে নিতে গিয়ে দেখা গেল, সংসার চালানো অনেক কঠিন। তখন বলে একটা প্রমোশন পেলেই বিয়ে করবো। প্রমোশন পেতে পেতে ৩২ বছর হয়ে যায় অনেকের। তারপর ভদ্রলোক এইবার বিয়ের ঘোষণা দেন। মিয়া এখন বিয়াতে রাজী, আত্মীয় স্বজন, পাড়াপ্রতিবেশী সকলে ঝাপিয়ে পড়ে বিবি খুঁজতে। এই মেয়ে দেখে, ঐ মেয়ে দেখে, পছন্দসই মেয়ে খুঁজে পেতে ৩৩ পার হয়ে যায়। তারপর বিয়ের পিড়িতে বসেন মিয়া ভাই।আমি এমনও দেখেছি, ৩৫-৩৮ বছর পরেও অনেক পুরুষ নিজেকে বিয়ের জন্য যোগ্য মনে করেন না।

তারা মনে করেন, আর একটু প্রতিষ্ঠিত হয়ে নিই আগে, তাহলে বিয়ের বাজারে নিজের দামটা আরো একটু বাড়বে, আরো একটু সুন্দরী, গুনবতী, কচি মেয়ে পাবো। একটা চরম সত্য কথা বলি, অনেক পুরুষ মানুষ আমার উপর ক্ষেপেও যেতে পারেন। সত্যটা হলো, যাদের বয়স ৩৫-৩৮ এর কোটায়, তারা বউ হিসেবে ২১ -২৪ (সর্বোচ্চ) বছরের মেয়েদেরই বেশি পছন্দ করে। মানে অনার্স পাশ করা মেয়ে, মাস্টার্স পাশ করা মেয়ে অনেকের পছন্দ নয়। অনেকে আবার অনার্স পড়ুয়া মেয়ে পছন্দই করেন না, তাদের পছন্দ ঐ ১২ ক্লাশ পাস, মানে ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত।কারণ ঐ ১৮ বছরের মেয়েদের ইচ্ছে মতন শেইফ দেওয়া যায়। যেমনি বলবেন, তেমনি চলবে। স্বামী স্ত্রীতে ১২-১৪ বছর বয়সের পার্থক্য অনেক সময় অনেক জটিলতা সৃষ্টি করে। দুই জনের মানসিক চাহিদাটা মিল না হলেই এই সমস্যাগুলো প্রকট হয়ে যায়। নিজের থেকে ১২ বছরের কারো সাথে এডজাস্ট করাটা অনেক সময় সত্যিই কষ্টকর। আবার ৩৫+ বয়সে অনেকের ভীমরতিও হয়। আমি একজনকে চিনি, যিনি বউকে সান গ্লাস কিনে দিয়েছেন, বউ বায়না করে নাই।

অশ্লীল ভিডিও বানিয়ে নিজের স্ত্রীকেই ব্ল্যাকমেইল (ভিডিও সহ)

অশ্লীল ভিডিও বানিয়ে নিজের স্ত্রীকেই ব্ল্যাকমেইল (ভিডিও সহ)

গাড়ি কেনার জন্য পাঁচ লাখ টাকা না পেয়ে এক স্বামী নিজের স্ত্রীর অশ্লীল ভিডিও তৈরি করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করতে শুরু করে। কিন্তু তারপরও স্ত্রী টাকা না দেয়ায় ওই অশ্লীল ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিলেন স্বামী। ভারতের পাঞ্জাবের সুজানপুর এলাকার ঘটনা। এমনই অভিযোগের ভিত্তিতে সুজানপুর থানার পুলিশ স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেও তাকে এখনও আটক করেনি পুলিশ।
সুজানপুরের বাসিন্দা মহিলা তার অভিযোগে জানিয়েছেন, ২০০৮ সালে তার বিয়ে হয়।
বিয়ের পরই তারা দুজনে পুনে ঘুরতে যায়। সেখানেই তার একটি অশ্লীল ভিডিও বানিয়েছিলেন তার স্বামী। সেটি মহিলাকে দেখানোর পর তিনি সেটি মোবাইল থেকে মুছে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। বিয়ের পর তাদের একটি ছেলে হয়, যার বয়স এখন পাঁচ বছর এবং তাদের সংসার ভালোভাবেই চলতে থাকে।
কিন্তু বিয়ের প্রায় ছয় বছর কেটে যাওয়ার পর তার স্বামী গাড়ি কেনার জন্য তাকে বাপের বাড়ি থেকে ৫ লাখ টাকা নিয়ে আসতে বলে। স্বামী মহিলাকে পুনেতে তৈরি করা ভিডিও ইন্টারনেটে ফাঁস করে দেয়ার হুমকি দেয়। কিন্তু মহিলার বাপের বাড়ি গরিব হওয়ার কারণে তারা টাকা দিতে পারেননি। মহিলার অভিযোগ কিছুদিন আগে সে এক আত্মীয়ের বাড়িতে অনুষ্ঠানে যায়। সেখানেই তাকে কিছু যুবক অশ্লীল কথা বলতে থাকে। তাদেরকে এমন ব্যবহারের কারণ জিজ্ঞেস করলে তারা অশ্লীল ভিডিও ইন্টারনেটে ফাঁস হওয়ার কথা জানায়।

মহিলা উক্ত ভিডিওটির সিডি বানিয়ে পুলিশের কাছে জমা দিয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত স্বামী হরমিন্দ্র সিংয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। সুজানপুরের এসএইচও পরমবীর সিং জানিয়েছেন, অভিযুক্ত আপাতত পলাতক৷ তাকে আটক করার জন্য খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। খুব তাড়াতাড়ি তাকে আটক করা হবে।

মধ্যবয়সী যুবতীরা বিয়েতে নাচার নামে এমন অশ্লীলতা কিভাবে করতে পারছে ! (ভিডিওতে দেখে নিন)

মধ্যবয়সী যুবতীরা বিয়েতে নাচার নামে এমন অশ্লীলতা কিভাবে করতে পারছে ! (ভিডিওতে দেখে নিন)

মেয়েকে ধর্ষণের আহবান জানিয়ে মায়ের বিজ্ঞাপন! অতঃপর…

হ্যালোটুডে ডটকম: নিজের শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করার কথা বলছেন খোদ মেয়েটির জন্মদাত্রীই? শুধু বলেই থেমে যাননি, রীতিমত পয়সা খরচ করে অনলাইনে ঘটা করে বিজ্ঞাপনও দিয়েছেন করিতকর্মা ওই নারী। এ খবর জানিয়েছে মেইল অনলাইন।

এমনটা সত্যিই হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। চোখ কপালে উঠে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট এমন বিজ্ঞাপন সত্যিই দেওয়া হয়েছে একটি মার্কিন বিজ্ঞাপন সংস্থার অনলাইন সংস্করণ। আসুন আমার বাড়িতে। আমার মেয়েকে ধর্ষণ করুন। —সোজাসুজি পুরুষদের প্রলুব্ধ করে এমনই বিজ্ঞাপন দিয়েছেন ওই নারী।

যার জন্যে এমন বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে তার বয়স মাত্র বছর ছয়েক। এমন বিজ্ঞাপনের দৌলতেই অবশ্য আপাতত জেলের ঘানি টানছেন ওই নারী। দোষী ওই নারী সম্প্রতি ২৬ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন আদালত। দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন মহিলার স্বামীও।

ওয়াশিংটনের বাসিন্দা বছর পঁয়ত্রিশের ওই মহিলা মেয়েকে ধর্ষণ করার জন্য অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেন। ক্রেতাদের যেন কোনও অসুবিধে না হয় তার জন্য তাঁদের মেরিসভিল অঞ্চলে নিজেদের বাড়িতেই আসতে বলেন ওই মহিলা। নির্ধারিত দিনে কয়েক জন খদ্দের হাজিরও হন মেরিসভিলের ওই বাড়িতে। মেয়ের কান্না, অনুরোধ কোনও কিছুই টলাতে পারেনি মায়ের মন। বিভিন্ন বয়সের অচেনা পুরুষের সঙ্গে বছর ছয়েকের ওই মেয়েটিকে রীতিমত বাধ্য করা হত সঙ্গম করতে। শারীরিক অত্যাচারে যখন বিধ্বস্ত তখনও রেহাই মিলত না শিশুটির। কেন না তার মা তখন ব্যস্ত থাকতেন মেয়ের ধর্ষণের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করতে। অনেক দিন ধরেই চলছিল এমন নারকীয় ঘটনা।

বছর দু’য়েক আগে এক দিন গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর পর্নগ্রাফির সিডি উদ্ধার করে পুলিশ।

সিডি চালাতেই চক্ষু চড়কগাছ দুঁদে পুলিশকর্তাদের। অন্য কেউ নয় সঙ্গমের দৃশ্যগুলি ক্যামেরাবন্দি করেছেন নাবালিকা কন্যাটির মা-ই! জঘন্য এই দুষ্কর্মের জন্য ওই মহিলার ২৬ বছরের জেল হয়েছে। বাদ যাননি মহিলার স্বামীও। তাঁর ২৭ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন আদালত। নাবালিকা ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি প্ররোচনা দেওয়া এবং নাবালিকার উপর যৌন নিগ্রহের ঘটনাকে ব্যবসায়িক স্বার্থে ব্যবহার করার অপরাধে ওই মহিলাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

বাবা-মা দু’জনেই জেলে তাই আপাতত একটি হোমে ঠাঁই মিলেছে ওই মেয়েটি এবং তার ভাইয়ের। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার কথা সামনে আসতেই তোলপাড় সারা আমেরিকায়।

ফেসবুক বন্ধুই আরও তিন জনকে সঙ্গে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেছে

 

হ্যালোটুডে ডটকম: মাত্র কিছুদিন হলো ফেসবুকে একাউন্ট খুলেছিলো ঐ স্কুলছাত্রী কিশোরী। তারপর ফেসবুকেই পরিচয় অভিযুক্ত কিশোরের সাথে। ঘটনার দিন মায়ের অনুপস্থিতিতে বিকেলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল নবম শ্রেণির ছাত্রী।

দিদিমাকে বলেছিল, বান্ধবীর বাড়ি যাচ্ছে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই ফিরে আসবে। কিন্তু রাত গড়ালেও ফেরেনি মেয়ে। অবশেষে কলকাতার বাঁশদ্রোণী থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন মা। তার পরেও সারা রাত খোঁজ মেলেনি ওই কিশোরীর। পরদিন সকালে অবশ্য মেয়ে ফিরে আসে বাড়িতে। তবে ধুঁকতে ধুঁকতে, বিধ্বস্ত চেহারায়।

কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ সুত্রে, জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ওই কিশোরী মাকে জানিয়েছে, রোববার ফেসবুকে পরিচিত এক বন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে বেরিয়েছিল সে। সঙ্গে ছিল পাড়ার এক বান্ধবীও। পরে সেই বন্ধুই আরও তিন জনকে সঙ্গে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেছে। শ্লীলতাহানি করা হয়েছে তার বান্ধবীরও। এর পরেই ওই কিশোরীর পরিবার থানায় গিয়ে মেয়ের ধর্ষণের অভিযোগ জানায়।

পুলিশ জানায়, তদন্তে উঠে আসে অনীক ভট্টাচার্য নামে এক তরুণের কথা। নিউ আলিপুরে তার বাড়িতেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে অভিযোগ।

কে এই অনীক?

পুলিশ জেনেছে, শুধু ওই রাতেই নয়, অনীকের ফ্ল্যাটে মাঝেমধ্যেই গভীর রাতে চলত বন্ধু-বান্ধবীদের আড্ডা। অনীকের মা-ও বলেছেন, ওই দিন গভীর রাতে অনীকের ঘরে বন্ধুদের দলে ওই মেয়েদের তিনি দেখেছেন। তাঁকে ওই মেয়েরা ‘গুড নাইট’ও জানায়।

অনীক ওই এলাকারই এক স্কুলের ছাত্র। পরিবার সূত্রে খবর, গত বছর সে উচ্চ মাধ্যমিকে অকৃতকার্য হয়। তার আগের বছর শরীর খারাপ ছিল বলে পরীক্ষা দিতে পারেনি। এই বছর ফের উচ্চ মাধ্যমিক দিয়েছে। পরীক্ষার পরে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘোরাঘুরি, আড্ডা বেড়ে গিয়েছে বলে জানান অনীকের মা। অনীকের বাবা পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি জানিয়েছেন, তাঁরা ওই এলাকার পুরনো বাসিন্দা।

ছেলের অনেক বান্ধবী আছে বলেও জানালেন অনীকের বাবা-মা। অনীকের মা জানালেন, তাঁরা নিউ আলিপুরের ওই বাড়ির দোতলা ও তিনতলার দু’টি ফ্ল্যাট নিয়ে থাকেন। দোতলায় স্বামী ও ছেলেকে নিয়ে থাকেন তিনি। তিনতলায় থাকেন তাঁর বৃদ্ধ মা-বাবা। মা-বাবা এখন শহরে নেই। তাই তিনতলার ফ্ল্যাট ফাঁকা। ঘটনার রাতে অনীক বন্ধুদের নিয়ে ওই ফ্ল্যাটেই ছিল। অনীকের মা বলেন, ‘আমাদের তিনতলার ফাঁকা ফ্ল্যাটেই ওরা রাত জেগে আড্ডা দিত। কখনও খারাপ কিছু টের পাইনি।’

তবে ওই কিশোরীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার অনীককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধরা হয়েছে তার তিন বন্ধুকেও। ধৃতদের মধ্যে অনীক ও সঙ্কেত ঘোষ তরুণ, বাকি দু’জন নাবালক। শনিবার ধৃতদের আলিপুর দায়রা আদালতে হাজির করা হলে অনীক ও সঙ্কেতকে পুলিশি হাজতে পাঠানো হয়েছে। দুই নাবালকের ঠাঁই হয়েছে জুভেনাইল হোমে। ওই দুই কিশোরীকেও একটি হোমের আশ্রয়ে পাঠিয়েছে আদালত।

পুলিশ সূত্রে খবর, কিছু দিন আগে অভিযুক্ত এক কিশোরের সঙ্গে অভিযোগকারিণী কিশোরীর আলাপ হয়। বৃহস্পতিবার ওই অভিযুক্ত কিশোরই ফোন করে কিশোরীকে কলকাতার রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশনের যেতে বলে। সেই মতো ওই কিশোরী এক বান্ধবীকে নিয়ে রবীন্দ্র সরোবর স্টেশনে যায়। ওই কিশোরী পুলিশকে জানিয়েছে, রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশনে ওই কিশোরের বদলে অনীক হাজির হয়। পরে আসে সঙ্কেতও।

পুলিশ জানায়, অনীক ও সঙ্কেতের সঙ্গে ওই দুই কিশোরী রবীন্দ্র সরোবর লেকে যায়। সেখানেই অন্য দুই অভিযুক্ত এসে যোগ দেয়। পরে ওই ছ’জনে অনীকের বাড়ি যায়। ওই ফ্ল্যাটে অন্য কেউ ছিল না। অভিযোগ, ওই বাড়িতে গিয়ে অভিযোগকারিণীর বান্ধবীকে একটি ঘরে আটকে রাখা হয়। অন্য একটি শোয়ার ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয় ওই কিশোরীকে। ওই কিশোরীর বিবস্ত্র অবস্থায় ছবিও তোলা হয় বলে অভিযোগ।

কিশোরী পুলিশকে জানিয়েছে, সারা রাত তাদের দু’জনকে ওই বাড়িতে আটকে রাখা হয়। শুক্রবার ভোরে তাদের রবীন্দ্র সরোবর মেট্রোর সামনে ছেড়ে দেয় অভিযুক্তেরা। ধর্ষণের কথা বাড়িতে জানালে ওই কিশোরীর ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

পুলিশ জানায়, কিশোরীকে নিয়ে পুলিশ প্রথমে অনীকের বাড়িতে হানা দেয়। তাকে ও অভিযুক্ত এক নাবালককে ধরার পরে নারকেলডাঙা থেকে সঙ্কেত ও ঠাকুরপুকুর থেকে আরও এক নাবালককে ধরা হয়। পুলিশ জানায়, অভিযুক্তেরা ফেসবুকে ফাঁদ পেতে ওই কিশোরীকে ফাঁসায়। তদন্তকারীরা বলছেন, বাকি অভিযুক্তেরাও উচ্চ-মধ্যবিত্ত পরিবারের। তিন জন এখনও ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ছাত্র। পুলিশের দাবি, ওই অভিযুক্তেরা প্রায়ই গাড়ি নিয়ে দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ায়। সঙ্কেত ও অনীককে প্রায়ই রাতে লেক এলাকায় দেখা যায়।

শনিবার আলিপুর দায়রা আদালতে অভিযুক্তদের হাজির করার সময়ে সঙ্কেতের দাদু এবং অন্য দুই নাবালকের মা ছিলেন। নাবালকদের পরিবারের দাবি, অভিযোগকারিণীর সঙ্গে তাঁদের ছেলেদের বন্ধুত্বের কথা জানতেন। মেয়েটিকে আগেও দেখেছেন তাঁরা। দুই অভিযুক্ত নাবালকের পরিবারই ছেলেদের ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করে। তবে নাতির এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ সঙ্কেতের দাদু। তিনি বলেন, “নাতি অনেক দিন আগেই বখে গিয়েছিল। ওর বাবা-মা এ ব্যাপারে গুরুত্ব দেয়নি।” এ দিন নাতির হয়ে কোনও আইনজীবীও নিয়োগ করেননি ওই বৃদ্ধ।

নিউ আলিপুরের পি ব্লকে নিজের বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে অনীকের মা দাবি করেছেন, তাঁর ছেলেকে ফাঁসানো হচ্ছে। ওই মহিলার দাবি, বৃহস্পতিবার রাত একটা নাগাদ তিনতলার ফ্ল্যাটে গিয়ে ওই দুই কিশোরীকে দেখেছিলেন তিনি। যদিও প্রশ্ন উঠেছে, এত রাতে ছেলের ঘরে দুই কিশোরীকে দেখেও অনীকের মা কেন তাদের বাড়ি চলে যেতে বলেননি? বাড়ি যাওয়া সম্ভব না হলে কেন তাদের নিজের ঘরে নিয়ে যাননি? অনীকের মায়ের উত্তর, “এ রকম আড্ডা মাঝেমধ্যেই হত। তাই সে রকম অস্বাভাভিকতা টের পাইনি।” অনীকের বাবা জানান, তিনি ওই রাতে দেরিতে ফিরেছিলেন। কিছুই জানতেন না। তাঁর মন্তব্য, ‘এটি চক্রান্ত।’

এমন ভয়ানক সব ঘটনা ‘এ দেশ, সে দেশ নয়; ঘটছে সবখানেই। প্রয়োজন সতর্কতা আর সচেতনতা বৃদ্ধির।

রাজধানীতে আপত্তিকর অবস্থায় ৪ নারীসহ আ.লীগ নেতা আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক : অনৈতিক কার্যকলাপের সময় চার নারীসহ আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তফা ব্যানার্জিকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

রোববার রাতে রাজধানীর বাড্ডা এলাকার একটি বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়।

বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ জলিল জানান, উত্তর বাড্ডা এলাকার একটি বাসা থেকে অনৈতিক কার্যকলাপের সময় তাদের আটক করা হয়।