ক্লাস সেভেনের ছাত্রীকে মোটরবাইকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ

ডেস্ক, কলকাতা ::: ক্লাস সেভেনের ছাত্রীকে মোটরবাইকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালে। নির্যাতিতা ছাত্রী ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি। দোষীদের শাস্তির দাবিতে পথ অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
ক্লাস সেভেনের ছাত্রী। রবিবার সন্ধ্যায় সরস্বতী পুজো উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান দেখতে গিয়েছিল। বাবাও কাছাকাছি ছিলেন। বাবার কাছ থেকে দশ টাকা নিয়ে ফুচকা খেতে যায় ওই ছাত্রী। সেইসময় জোর করে মোটরবাইকে তাকে তুলে নিয়ে যায় দুই দুষ্কৃতী। গভীর রাতে উদ্ধার হয় ওই ছাত্রীর রক্তাক্ত দেহ। রাতেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘাটাল থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছে নির্যাতিতার পরিবার। ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে চন্দ্রকোনা-মেচোগ্রাম রাজ্যসড়ক অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা

স্বামীকে যৌতুক হিসেবে কিডনী দেওয়ার ছয় মাস পর গৃহবধূর আত্মহত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক  : ঝাড়খণ্ডের হাজারীবাগ এলাকায় শ্বশুর বাড়ির লোকদের অত্যাচার সইতে না পেরে এক নারী নিজের শরীরে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

পুনম দেবী (২৮) নামের ওই নারী ছয় মাস আগে শ্বশুর বাড়ির দাবি অনুযায়ী যৌতুক হিসেবে তার অসুস্থ স্বামীকে একটি কিডনী দেয়ার পরও তার ওপর নির্যাতন অব্যাহত থাকায় তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন ।

এক সপ্তাহ মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে দুই সন্তানের এই জননী মঙ্গলবার স্থানীয় একটি হাসপাতালে মারা যান।এ ঘটনায় পুনমের পরিবারের সদস্যরা একটি এফআইআর দায়ের করেন।

এতে বলা হয়, পুনমের শাশুড়ি যৌতুকের জন্য কয়েক বছর ধরে তার ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। ছয় মাস আগে তার স্বামী সুদামা গিরির কিডনী নষ্ট হয়ে গেলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার মা পুনমকে লিখিতভাবে মুচলেকা দেয় যে সে তার স্বামীকে একটি কিডনী দিয়ে দিলে তার ওপর আর কোন ধরনের নির্যাতন করা হবে না এবং তার সুচিকিৎসা করা হবে।

এছাড়া তার বাবার কাছে দাবিকৃত যৌতুকের আরো ২৫ হাজার টাকা চাওয়া হবে না।
২০০৬ সালে গিরি ও পুনমের বিয়ের সময় গিরির পরিবারের সদস্যরা পুনমের বাবার কাছ থেকে ১ লাখ ৩১ হাজার রুপি যৌতুক নেয়।

১৬ এপ্রিল পুনম নিজের শরীরে আগুন ধরিয়ে দিলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রাঁচি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।বুধবার তার মৃতদেহ হাজারীবাগে নিয়ে আসা হয়।
পুলিশ এখনো পুনমের শ্বশুরবাড়ির লোকদের গ্রেফতার করতে পারেনি।

হাজারীবাগের এসপি মনোজ কৌশিক বলেন, ‘আমি এ মামলার দায়িত্ব নিয়েছি এবং তদন্তের পর দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ব্যাট হাতে জবাব দিয়েছেন তামিম ইকবাল, ক্রিকেট বিশ্বে নতুন নজির

সুসময়ে তামিম ইকবালের আশপাশে থাকতে পারে না কেউ। কি আফ্রিদি আর কি ক্রিস গেইল। বিশ্বের বড় এক নক্ষত্র যে তামিম ইকবাল তা হয়তো তার নিজের দেশের মানুষেরাই জানেন না। পাকিস্তানের সুপার লিগ কোনো সাধারণ আসর নয়। বিশ্বের সকল তারকা ক্রিকেটাররা পারফর্ম করছেন এখানে। তারকারাজির মাঝে তামিমের ঝলক দেখে মুগ্ধ ক্রিকেট বিশ্ব। বিশ্বের ভয়ঙ্কর দুই ব্যাটসম্যান…

যে কাজটি করলে একজন নারী কখনই আপনাকে ভুলতে পারবে না !

জন্ম নেওয়া একটি মেয়ে শিশু তার পরিবার ও বাবা-মার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যখন সে আস্তে আস্তে বড় হয় তখন বাবা-মা তাকে দায়িত্বশীল নারী হয়ে গড়ে উঠতে সাহায্য করেন।পরিবারে কখনো সে দায়িত্বশীল মেয়ে, কখনো নারী, কখনো প্রেমিকা, স্ত্রী, কখনোবা মা। এই পরিবর্ততের সময় একজন নারীর জীবনে অনেক কিছুই ঘটে। তবে জীবনের সাতটি মুহূর্ত সে কখনই ভুলে না। তেমনই সাতটি মুহূর্ত হলো

ভালোবাসার মুহূর্তে
একটি মেয়ে সবসময়ই চায় তার ভালোবাসার মানুষটি বাবার অনুরূপ হোক। যখন মেয়েটি দেখে ছেলেটির সব কিছু তার বাবার মতো তখন সে তার প্রেমে পড়ে যায়। আর ওই মুহূর্তই একটা মেয়ের জীবনে স্মরণীয়। তার সমস্ত স্বপ্নজুড়ে থাকে ‘রাজকুমারটি’।

যেদিন প্রথম প্রস্তাব পায়
একটি মেয়ে স্বাভাবিকভাবে যখন নারী হয়ে উঠে তখন তার স্বপ্ন দেখা শুরু হয় এক রাজকুমারকে ঘিরে। আর সেই রাজকুমারই যখন তাকে প্রথম ভালোবাসার কথা বলে সেই মুহূর্তটিই তার জীবনে স্মরণীয়। এটা তার জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়।

কর্মজীবনে অগ্রগতির মুহূর্তে
বাবা-মা মেয়েকে পড়াশোনা করিয়ে বড় করে তার সাফল্য দেখার আশায়। মেয়ের স্বাধীনতা ও আত্মনির্ভরশীলতা দেখে বাবা-মা খুশি হন। তাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পেরে মেয়েও অনেক আনন্দিত হয়।

বিয়ের মুহূর্তটি
চারদিকে বিয়ের সানাই বাজছে। হৃদয়ের একটা অংশকে অন্যের হাতে তুলে দিয়ে চোখের পানি ফেলছেন বাবা-মা। কিন্তু একটি মেয়ে সবসময়ই সুখী ও নিরাপদ জীবন চায় তার স্বামীর কাছে। একটি মেয়ে নতুন পরিবার ও নতুন পরিবেশে প্রবেশ করতে যাচ্ছে সেটি তার জীবনে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ সময়।

প্রথম মা হওয়ার মুহূর্তটি
গর্ভধারণ করা দশ মাস একটি মেয়ের জীবনে স্মরণীয় মাস। শিশুর জন্মের পর সে দ্বিতীয় জীবন পায়। এটাই তার জীবনে অবিস্মরণীয় একটি দিন। তখন থেকেই তার চিন্তা শুরু হয় কিভাবে তার সন্তানকে সকল প্রতিকূলতা থেকে দূরে রাখবে।

প্রথম মা ডাক
প্রথম মা ডাক একজন নারীর জীবনে সবচেয়ে স্মরণীয় একটি দিন। একজন নারী এই দিনটির জন্যই অপেক্ষায় থাকেন। তার কোলজুড়ে সন্তা

ইউটিউব ও ফেসবুকে আঁখি আলমগীরের পরকীয়ার গোপন ভিডিও নিয়ে তোলপাড় (দেখুন ভিডিওতে)

বিনোদন ডেস্কঃ বর্তমান সমাজে তারকা আর স্ক্যান্ডাল দুইটি একে অপরের পরিপূরক শব্দে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই কোন না কোন তারকাদের স্ক্যান্ডালের মুখরোচক খবর ছাপা হচ্ছে সংবাদ মাধ্যমগুলোতে। তার কতগুলো হয়তো বা সত্যি আর কতগুলো হয়তো বা শুধুমাত্র কারো শত্রুতার জেরে কারো চরিত্র হরনের জন্যই করা হচ্ছে।

এরজন্য ব্যবহার করা হচ্ছে বিভিন্ন ‘লুক এলাইক’ ভিডিও বা ছবি। ইন্টারনেটের অপব্যবহার করে খুব সহজেই মিলছে তারকাদের চেহারা সাদৃশ্য বা কাছাকাছি কারো ভিডিও বা ছবি। আর তারপরেই সেইসব ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করে বানানো হচ্ছে কিছু মনগড়া কাহিনী বা গপ্পো, আর তাতেই বাজিমাত হয়ে যায় । তবে কি লাক্সতারকা মেহজাবিন, অভিনেত্রী তিসার পর এবার সেইরকম এক প্রতিহিংসার শিকার হলেন গায়িকা আঁখি আলমগীর?

সানি লিওনকেও হার মানানো ১৮ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডের ভিডিওটি আঁখির জ্ঞাতসারেই করা হয়েছে-এটি বুঝা যায় শুরুতে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে টা টা করতে দেখে। এরপরেই খবরটিতে পর্নো ভিডিওর সকল খুঁটিনাঁটি সম্পর্কে রগরগে কিছু বর্ননা দেওয়া হয়েছে।তবে দাবী করা হয়েছে ভিডিওটি প্রকৃতপক্ষে আঁখি আলমগীরের নয়।বর্তমানে ইউটিউব থেকে ভিডিওটি মুছে দেয়া হয়েছে।

ভালোবাসা দিবসের নামে আপনার সন্তানেরা আসলে কি করছে আপনি জানেন কী?

সম্মানিত অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণ ! অশ্লীলতা, আধুনিকতা নয় !
আজ ১৪ ই ফেব্রুয়ারী ‘ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ‘। সারাবিশ্বের অনেক দেশের মতই আমাদের দেশে (কিছু ক্ষেত্রে প্রয়োজনের চেয়ে একটু বেশিই) মহাসমারোহে দিনটি পালন করতে যাচ্ছে লাখো বাঙ্গালী। আমরা বাঙ্গালী স্বভাবতই উৎসব প্রিয় । তবে দুঃখজনক ব্যাপার হল নিজের সংস্কৃতি আর ঐতিহ্য ভুলে বরাবরই পশ্চিমা বিশ্বের অনুকরনে নিজেদের বিলিয়ে দিতে একটু বেশিই উৎসাহী আমরা। এর সবচেয়ে বড় কারন আমরা বড় বেশি অনুকরণপ্রিয়।  যাই হোক নিজেও এই সংস্কৃতি ও কৃষ্টির অংশ হিসেবে অন্যের দোষ গুন খুজে সমালোচনা করার উদ্দেশ্য আমার নয়। শুরুতেই বলেছিলাম আধুনিকতার সংজ্ঞা কিছুতেই অশ্লীলতা নয় । বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে বিভিন্ন সম্পর্ককে মুল্যায়ন করে একজন আরএকজনের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করবে, এতে কোন বাধা বা সমালোচনার সুযোগ নেই । কিন্তু ভালোবাসা প্রকাশের ধরন যদি হয় প্রশ্নবিদ্ধ (!)তাহলে একটু দাঁড়ান,  আপনার সাথে একটু কথা আছে । ভালোবাসা দিবস নিয়ে আওয়ার  নিউজ বিডি’র পাঠকদের জন্য আজকের এই ফিচার । নিজে জানুন এবং অন্যকেও জানান প্রয়োজনীয় সতর্কতা এবং একটি সুস্থ্য সুন্দর  সমাজ নিশ্চিত করনে হয়ত কার্যকর একটি ফিচার ।

ভালোবাসা দিবসের ইতিকথা

ভালোবাসা দিবস বা সেন্ট ভ্যালেন্টাইন’স ডে (ইংরেজি: Valentine’s Day) (সংক্ষেপে ভ্যালেন্টাইন’স ডে নাম পরিচিত একটি বার্ষিক উৎসবের দিন যা ১৪ই ফেব্রুয়ারি প্রেম এবং অনুরাগের মধ্যে উদযাপিত করা হয়।এই দিনে মানুষ তার ভালোবাসার মানুষকে ফুল, চিঠি, কার্ড, গহনা প্রভৃতি উপহার প্রদান করে দিনটি উদযাপন করে থাকে।

২৬৯ সালে ইতালির রোম নগরীতে সেন্ট ভ্যালেইটাইন’স নামে একজন খৃষ্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন। ধর্ম প্রচার-অভিযোগে তৎকালীন রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্রাডিয়াস তাঁকে বন্দী করেন। কারণ তখন রোমান সাম্রাজ্যে খৃষ্টান ধর্ম প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। বন্দী অবস্থায় তিনি জনৈক কারারক্ষীর দৃষ্টিহীন মেয়েকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলেন। এতে সেন্ট ভ্যালেইটাইনের জনপ্রিয়তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজা তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সেই দিন ১৪ই ফেব্রুয়ারি ছিল। অতঃপর ৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউও ১ম জুলিয়াস ভ্যালেইটাইন’স স্মরণে ১৪ই ফেব্রুয়ারিকে ভ্যালেন্টাইন’ দিবস ঘোষণা করেন। খৃষ্টান জগতে পাদ্রী-সাধু সন্তানদের স্মরণ ও কর্মের জন্য এ ধরনের অনেক দিবস রয়েছে। যেমন: ২৩ এপ্রিল – সেন্ট জজ ডে, ১১ নভেম্বর – সেন্ট মার্টিন ডে, ২৪ আগস্ট – সেন্ট বার্থোলোমিজম ডে, ১ নভেম্বর – আল সেইন্টম ডে, ৩০ নভেম্বর – সেন্ট এন্ড্রু ডে, ১৭ মার্চ – সেন্ট প‌যাট্রিক ডে।

পাশ্চাত্যের ক্ষেত্রে জন্মদিনের উৎসব, ধর্মোৎসব সবক্ষেত্রেই ভোগের বিষয়টি মুখ্য। তাই গির্জা অভ্যন্তরেও মদ্যপানে তারা কসুর করে না। খৃস্টীয় এই ভ্যালেন্টাইন দিবসের চেতনা বিনষ্ট হওয়ায় ১৭৭৬ সালে ফ্রান্স সরকার কর্তৃক ভ্যালেইটাইন উৎসব নিষিদ্ধ হয়। ইংল্যান্ডে ক্ষমতাসীন উৎসব পিউরিটানরাও একসময় প্রশাসনিক-ভাবে এ দিবস উদযাপন করা থেকে বিরত থাকার জন্যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এছাড়া অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি ও জার্মানিতে বিভিন্ন সময়ে এ দিবস প্রত্যাখ্যাত হয়। বর্তমানকালে, পাশ্চাত্যে এ উৎসব মহাসমারোহে উদযাপন করা হয়। যুক্তরাজ্যে মোট জনসংখ্যার অর্ধেক প্রায় ১০০ কোটি পাউন্ড ব্যয় করে এই ভালোবাসা দিবসের জন্য কার্ড, ফুল, চকোলেট, অন্যান্য উপহার সামগ্রী ও শুভেচ্ছা কার্ড ক্রয় করতে, এবং আনুমানিক প্রায় ২. ৫ কোটি শুভেচ্ছা কার্ড আদান-প্রদান করা হয়।

এবার আসি মূল প্রসঙ্গে:

ভালোবাসা মানে হল হৃদয় এর মানুষটিকে প্রাণ উজাড় করে ভালোবাসা। যদিও ভালোবাসার মানুষটিকে ৩৬৫ দিনই ভালবাসতে হবে। এর পরও একটি বিশেষ দিনকে (১৪ ফেব্রুয়ারি) উপলক্ষ হিসেবে ধরে প্রেমিক প্রেমিকারা ভালোবাসা দিবসটি উদযাপন করেন।

এখন চলুন কিভাবে বাংলাদেশে দিবসটিকে কিভাবে উদযাপন করা হয় তার কয়েকটি বাস্তব চিত্র দেখিঃ

দিন বদলের সাথে সাথে ছেলে মেয়েরা আধুনিক হচ্ছে। ভালোবাসা দিবসকে উপলক্ষ করে প্রেমিকের সাথে লঙ ড্রাইভ, রেস্টুরেন্টে খেতে যাওয়া, ফুল কার্ড দিয়ে সেলিব্রেট করা এতটুকু আমার কাছে স্বাভাবিক। কিন্তু শুধু তাই কি? না। বাস্তবের চিত্র ভিন্ন। চলুন জানি ভালোবাসা দিবস পালনের নামে ঐ দিনে কি কি নোংরামি হয়। বাস্তবতার প্রেক্ষিতে উল্লেখ যোগ্য ৩ টি নোংরামির কথা ব্যাখ্যা করা হলোঃ

প্রেমিকাকে নিয়ে ডেট করার জন্য হোটেলের রুম রিজার্ভেশানঃ

এখনকার যুগের ছেলে মেয়েরা হোটেল ডেট নামক শব্দটির সাথে বেশ পরিচিত। ভালোবাসা দিবসকে উপলক্ষ করে প্রেমিকের সাথে হোটেলে ডেটিং করতে যায়। তরুণী ! তুমি কি ফ্রি-সেক্সে বিশ্বাস কর? যদি না কর তাহলে বল যে ছেলেটির সাথে হোটেলে ডেটিং করতে গেছ সে তোমাকে বিয়ে করবে তার নিশ্চয়তা কি? কাল যদি তার সাথে তোমার ব্রেক আপ হয়ে যায় তখন কি করবে? অন্য একটি ছেলের সাথে প্রেম করবে? এভাবে ! কি চলে ? জীবনটিকে ধ্বংস করে দিবে? তোমার মা-বাবার স্বপ্ন তুমি ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার-ব্যারিস্টার হবে? সে স্বপ্ন এর কি হবে? যে মা তোমাকে ১০ মাস ১০ দিন গর্ভধারণ করে নির্মম প্রসব বেদনা সহ্য করেছেন অসহনীয় যন্ত্রণা ভোগ তোমাকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন, যে বাবা তোমাকে মানুষ করার জন্য নিজের রক্ত পানি করেছেন অথবা এখনো করছেন তাদের অপমান করার ও সমাজে হেয় করার অধিকার তোমাকে কে দিয়েছে? একবার ভেবে দেখ, একবার মা-বাবার মুখটি মনে করে দেখ । তাদের বিশ্বাসের সাথে প্রতারণা করতে লজ্জা করবেনা?

সিসা বার এ গিয়ে আধুনিকতার নামে নেশাগ্রস্ত হয়ে মা-বাবাকে কষ্ট দেওয়াঃ মন্ত্রী এম.পি দের মদদে ঢাকা- চট্টগ্রামে সিসা বার খুলে রেখেছে তথা কথিত ব্যবসায়ীরা ।

এসব সিসা বারে সন্ধ্যার পর তরুণ-তরুণীরা সিসা আর সিগারেটের ধোয়ায় নিজেকে হারিয়ে ফেলে এক অজানা রাজ্যে। আধুনিকতার নামে স্কুল পার হয়ে কলেজে যাওয়ার পর এখনের ছেলে মেয়েদের বয় ফ্রেন্ড গার্ল ফ্রেন্ড জুটে যায়। ১ দিন ২ দিন ৩ দিন যাওয়ার পর পরিপূর্ণ ভাবে নেশা গ্রস্ত হয়ে পড়ে। জন্ম নেয় এক একজন ঐশীর । যে কিনা নেশা করতে করতে এতটাই আসক্ত হয়ে যায় যে নিজের মা-বাবাকে হত্যা করতে দ্বিধাগ্রস্ত হয়না। ছেলে মেয়েরা নেশা গ্রস্ত হলে মা বাবা কত কষ্ট পান তা শুধু মাত্র নেশা গ্রস্ত ছেলে মেয়েদের পিতা মাতারাই অনুভব করতে পারে।

ভ্যালেন্টাইন ডে পালনের নামে ডি জে পার্টিতে গিয়ে মদ খেয়ে তাল হারিয়ে ফেলা পরে নিজের সতীত্ব বিসর্জনঃ

ভ্যালেন্টাইন’স ডে উপলক্ষে আয়োজন করা হয় ডি জে পার্টির। সে সব পার্টিতে আয়োজকরা নিজেদের ব্যবসার জন্য ভাড়া করে আনে কল গাল। ভাড়া কোরে আনে কিছু হাই সোসাইটি গার্লও। থাকে দেশী বিদেশী মদ। সে পার্টিতে কিছু স্পেশাল টিকেট থাকে অনেক স্পেশাল টিকেট।

যে টিকেট গুলোর দাম প্রায় ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। ৫০ হাজার টাকা দিয়ে টিকেট কিনলে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়। সুবিধা গুলোর
মধ্যে একটি হলো পার্টি শেষে শহরের হাই সোসাইটি গার্ল দের সাথে রাত্রি যাপন। সে হাই সোসাইটি গার্লরা কল গার্ল না। খুব খেয়াল !!

রাতে ঢাকায় যেসব স্থানে চলছে যুবক-যুবতীদের গ্রুপ নোংরামি !

রাত হলেই ঢাকার কিছু ক্লাবে যুবক-যুবতীদের চলে নোংরামি! ডিজে পার্টি সাথে চলে অশ্লীল ড্যান্স! দেহ ব্যবসায় , মাদক , তো চলছেই

ইডেন কলেজের মেয়েদের নিয়ে হচ্ছে জমজমাট ব্যাবসা

আজকের লেখাটি কয়েকটি ভাগে বিভক্ত করলাম, আশা করি এখান থেকে অনেকেই অনেক অজানা তথ্য জানতে পারবেন, মূল বিষয়টি তে যাবার আগে চলুন প্রথম ভাগে ইডেন কলেজ নিয়ে বিস্তারিত কিছু তথ্য জেনে নিইঃ

প্রথম ভাগঃ ইডেন মহিলা কলেজের উৎপত্তি হয়েছিল ব্রাহ্মন মেয়েদের জন্য “শুভ স্বাধিনি সেবা” নামক একটি মানব হিতৈষী সংস্থা কর্তৃক ঢাকায় ১৮৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি স্কুল থেকে। প্রাথমিকভাবে ফরাশগঞ্জের একটি প্রাইভেট বাড়িতে বিদ্যালয় এর কার্যক্রম পরিচালিত হত। ১৮৭৮ সালে এটি আরেকটি প্রাইভেট মহিলা বিদ্যালয়ের সাথে যুক্ত হয়ে “ঢাকা মহিলা বিদ্যালয়” প্রতিষ্ঠা করে। একই বছর বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ বিদ্যালয়টিকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় আনার সিদ্ধান্ত নেয় এবং গভর্নর লেফটেনেন্ট স্যার অ্যাসলে ইডেনের নামানুসারে বিদ্যালয়টির নাম ইডেন বালিকা বিদ্যালয় রাখার প্রস্তাব করেন। নতুন পদমর্যাদায় এটি নতুন ঠিকানা লক্ষ্মীবাজারে কার্যক্রম পরিচালনা করতে শুরু করে। ইডেন বাংলার প্রথম সরকারি মহিলা বিদ্যালয়। ১৮৯৬-৯৭ এর দিকে এর ছাত্রী সংখ্যা ছিল ১৬০ জন। এই বিদ্যালয়টি পূর্ব বঙ্গ ও আসামের ভেতরে একটি অসাধারণ বিদ্যালয় হিসেবে সরকার কতৃক স্বীকৃত ছিল।

১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে বিদ্যালয়টির ভবন ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় একটি প্রাইভেট বাসায় বিদ্যালয়টি অস্থায়ী ভাবে স্থানান্তরিত হয়। কিছুদিন বাদে বিদ্যালয়টি সদরঘাটের একটি পর্তুগিজ ব্যবসায়ীর বিশাল ব্যাবসায়িক বাংলোতে স্থানান্তরিত হয়। ১৯২৬ সালে বিদ্যালয়টি উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নিত হয়। সেই থেকে প্রতিষ্ঠানটির নাম হয় ইডেন মহিলা বিদ্যালয় ও ইন্টারমিডিয়েট কলেজ । এ.কে. ফজলুল হক তার শিক্ষা মন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে স্কুলটিকে আব্দুল গনি রোডের একটি নতুন ভবনে স্থানান্তরিত করা হয়। যা পরবর্তীতে “ইডেন ভবন” হিসেবে পরিচিতি পায়। ১৯৪৭ সালে সরকার ভবনটিতে প্রাদেশিক সচিবালয় স্থাপনের সিধান্ত নেয় এরই সাথে প্রতিষ্ঠানটির নতুন অস্থায়ী ঠিকানা হয় কার্জন হলের একটি অংশে। ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন প্রতিষ্ঠানটিকে অনিশ্চয়তার ভিতরে ফেলে এবং এরই কারনে কামরুননেচ্ছা স্কুল ও কলেজের সাথে এটি একত্রিত হয়ে যাবার পরিকল্পনা করে, সেই লক্ষেই পরবর্তীতে এটি আবার স্তানান্তরিত হয়।

১৯৫৮ সালে এই দুটি শিক্ষা প্রতিস্থানের কলেজ অংশ একত্রিত হয়ে ইডেন মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। নতুন এই কলেজটির স্থান হয় বকশীবাজারে। এই দুটি প্রতিস্থানের বিদ্যালয় অংশ একত্রিত হয়ে কামরুননেচ্ছা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় যার ঠিকানা হয় টিকাটুলি। ইডেন কলেজের বর্তমান ক্যাম্পাস ১৯৬২ সালে আজিমপুরে ১৮ একর জায়গা জুড়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি এর ডিগ্রি কার্যক্রমও চালু করে, কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের কার্যক্রম বকশীবাজারেই পরিচালিত হতে থাকে। একই সাথে ইডেন কলেজের আজিমপুর কাম্পাস নতুনভাবে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে কার্যক্রম শুরু করে। বকশীবাজার ক্যাম্পাসও স্বাতন্ত্র্যভাবে ডিগ্রি কার্যক্রম পরিচালনা করতে শুরু করে, যা পরবর্তীতে গভর্নমেন্ট গার্লস কলেজ এবং আরও পরে বদরুনন্নেছা কলেজ হিসেবে নামকরন করা হয়। ১৯৬৩ সাল থেকে ইডেন কলেজের আজিমপুর ক্যাম্পাস স্বাতন্ত্র্য পরিচয় পায়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির ৬টি ভবন ছাড়াও ৫ টি ছাত্রী নিবাস রয়েছে। ১০০০ আসন বিশিষ্ট ১১ তলার একটি আধুনিক ছাত্রী নিবাস এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ২ তলা বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ৪৪, ০০০ বই আর ২, ০০০ জার্নালের এক বিশাল সংগ্রহ।

এটি ছাত্রীদের দিবা – রাত্রি পড়াশোনার সুযোগ করে দিয়েছে। এছাড়াও ২২ টি ডিপার্টমেন্ট এর পৃথক সেমিনার কক্ষ রয়েছে। কলেজ সংলগ্ন অধ্যক্ষের বাসভবনের সাথে ৪ টি কলোনি রয়েছে হোস্টেলের সুপারেন্টেন্ড দের জন্য।ইডেন মহিলা কলেজের একটি প্রশাসনিক ভবন ও চারটি একাডেমিক ভবন রয়েছে। বর্তমানে চারটি অনুষদের অধীনে ২২ টি ডিপার্টমেন্ট বি.এ. অনার্স এবং (এম.এ. – ১ ও এম. এ. শেষবর্ষ সহ) মাস্টার্স কোর্স অফার করছে। খুব সীগ্রই আই. সি. টি. ডিপার্টমেন্ট কার্যক্রম শুরু করবে। কলেজ ক্যাম্পাস এখন ওয়াই-ফাই জোনের আওতায় আনা হয়েছে। কলেজটিতে বর্তমানে প্রায় ৩৫, ০০০ ছাত্রী এবং ২৪০ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন।

দ্বিতীয় ভাগঃ প্রথম ভাগের আলোচনা থেকে ইতোমধ্যে আপনারা হয়তো বুঝতে পেরেছেন ইডেন কলেজ দেশের সর্ববৃহৎ মহিলা কলেজ,এই ইডেন থেকে পাস করে অনেক মেয়েই বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে যথেষ্ট যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছেন সেটা বলার অপেক্ষা রাখেনা। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ভুঁইফোড় অনলাইন মিডিয়া এবং কিছু বিকৃত অসুস্থ ব্যক্তি ইডেন কলেজ পড়ুয়া মেয়েদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ব্যাপক অপপ্রচারে লিপ্ত,কিছুদিন আগে ইউটিউবে কিছুটা নগ্ন একটি ভিডিও ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিলো এবং ভিডিওটির হেডিং ছিলো ইডেন কলেজের মেয়েদের কে নিয়ে,কিন্তু ব্যাপকভাবে অনুসন্ধান করার ফলে দেখা যাই যে এই অশ্লীল ভিডিও টি মূলত কলকাতার মেয়েদের দিয়ে ধারণকৃত যাহা পরবর্তীতে অশ্লীল রুচির অধিকারী সুস্বাদু কিছু ব্যক্তি এডিটিং করে ইডেন কলেজের মেয়েদের বলে চালিয়ে দিয়েছে,কারণ একটাই তরুণ প্রজন্মের ছেলেরা ইডেনের মেয়েদের প্রতি একটু বেশী আগ্রহী আর ইডেনের নাম শুনলেই ছেলেরা লাফ ঝাপ দিয়ে সব কিছু লুফে নিবে সেটাই এদের মূল লক্ষ্যে।

ইউটিউব থেকে শুরু করে অনেক সাইটে এমন অসংখ্য ভিডিও আছে যেগুলোর টাইটেল ইডেন কলেজের মেয়েদের ঘিরে কিন্তু অতি বাস্তব হলেও সত্য এগুলোর অধিকাংশ ভিডিও ইডেনে পড়ুয়া কোন মেয়েদের না। অনেক অনলাইন মিডিয়া না জেনেই ইডেনের মেয়েদের নামে আজেবাজে রিপোর্ট করে,কোন সময় সত্যতা যাচাইবাছাই করার চেষ্টা করে না,টার্গেট একটাই ইডেন নামটি ব্যাবহার করতে পারলেই পাঠক আগ্রহ সহকারে লুফে নিবে,ব্যাবসা জমজমাট হবে। ঢাকা কলেজের কোন ছেলে যদি ইডেন কলেজের কোন মেয়ের নামে ফেক আইডি খুলে তাহলে সেই দায়ভার কি ইডেনের মেয়েদের?

তৃতীয় ভাগঃ ইডেনের আছে সুবিশাল ইতিহাস ও ঐতিহ্যে তাই আসুন আমরা এসব অপপ্রচার বন্ধ করি,আমরা যাদের নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক তথা উপস্থাপন করছি এরাও তো কো পরিবারের সন্তান,হয়তো আপনার না হলেও আমার বোন হতে পারে। এভাবে অপপ্রচার চলতে থাকলে একসময় এই প্রতিষ্ঠানে কোন অভিভাবকই তাদের মেয়েদের আর পাঠাবেন না হয়তো,এখনই প্রতিবাদ জরুরী।

নেত্রকোনায় ৩ কিশোরীদের ধর্ষণ করে

হ্যালোটুডে ডটকম : নেত্রকোনায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) চাকরিচ্যুত এক সদস্যের বিরুদ্ধে তিন কিশোরীকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করার অভিযোগ উঠেছে। আমিনুল ইসলাম মাসুম (৩৫) নামে ওই ব্যক্তি বর্তমানে পলাতক।

গত শনিবার দিবাগত রাতে মাসুমের ব্যবহৃত কম্পিউটার জব্দ করেছে নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে জেলার সদর উপজেলার সাত নম্বর কাইলাটি ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের ফচিকা বাজারে।

আগে শনিবার রাতে মাসুমকে ধরতে ধাওয়া দেন গ্রামের লোকজন। গ্রামের একাধিক বাসিন্দা জানিয়েছেন, মাসুম ছবি তোলার নাম করে তিন কিশোরীকে তাঁর স্টুডিওতে ধর্ষণ করেছেন। এমন তিনটি ভিডিও ক্লিপ তাঁরা হাতে পেয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ফচিকা বাজারে ‘নিলা ডিজিটাল মডেলিং স্টুডিও অ্যান্ড মোবাইল সার্ভিসিং’ নামে মাসুমের একটি দোকান রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মাসুম স্টুডিও খুলে কিশোরীদের অজান্তে তাদের আপত্তিকর ছবি তোলেন। এরপর ওই ছবি প্রকাশ করার হুমকি দিয়ে ধর্ষণ করেন। এসব দৃশ্য আবার গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা হয়।

গ্রামের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মো. রুহুল আমীন জানান, বিজিবিতে থাকাকালে কর্মস্থলে অভিযুক্ত হয়ে চাকরিচ্যুত হয়েছেন মাসুম। পরে গ্রামে এসে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হন তিনি। মাসুমের স্ত্রী ও আট বছর বয়সী এক মেয়ে রয়েছে।

গ্রামের বাসিন্দা জেলা অটোরিকশা শ্রমিক লীগের সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, মাসুম এলাকায় বিভিন্ন সময় মারামারি করত। এমনকি ভাড়াটে মাস্তান এনেও বিভিন্ন সময় গ্রামবাসীর ওপর হামলা চালিয়েছেন।

নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপার জয়দেব চৌধুরী বলেন, ‘পলাতক মাসুমকে দ্রুত আটকের জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।’

নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাছুদুল আলম জানিয়েছেন, মাসুমের কম্পিউটার জব্দ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় এখনো কোনো মামলা হয়নি।

ভিকারুননিসা ছাত্রীর পর্নোগ্রাফি, ফেঁসে গেলো যুবক (ভিডিওসহ)

ভিকারুননিসা নূন স্কুলের এক ছাত্রীকে ধর্ষণকালে ভিডিওচিত্র ধারণ এবং তা ফেসবুকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগে করা মামলায় আশিকুর রহমান শাওন (২৩) নামে এক যুবককে ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ট্রাইব্যুনাল।