জেলেই যুবতীর আইটেম ডান্স দেখে টাকা ওড়ালো বন্দিরা ! (দেখুন ভিডিওতে )

বন্দি বলে কী শখ থাকতে নেই! তাই এলাহি আয়োজন বন্দিদের জন্য। একেবারে আইটেম ডান্স! সুন্দরীর লাস্যে মেতে উঠেছে জেলের বন্দিরা। দিল খুশ করেছে যে, তার জন্য একটু টাকা ওড়াবে না! তাই উড়লো দেদার টাকা। এমনই কাণ্ড ঘটেছে কর্নাটকের এক জেলখানার ভিতরে। আর সেই ভিডিও হয়ে উঠেছে ভাইরাল।

বন্দি বলে কী শখ থাকতে নেই! তাই এলাহি আয়োজন বন্দিদের জন্য। একেবারে আইটেম ডান্স! সুন্দরীর লাস্যে মেতে উঠেছে জেলের বন্দিরা। দিল খুশ করেছে যে, তার জন্য একটু টাকা ওড়াবে না! তাই উড়লো দেদার টাকা। এমনই কাণ্ড ঘটেছে কর্নাটকের এক জেলখানার ভিতরে। আর সেই ভিডিও হয়ে উঠেছে ভাইরাল।

বিপাশা’র অশ্লীল দৃশ্য কর্তন করলো সেন্সর বোর্ড

বর্তমান সেন্সর বোর্ড আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে কড়া। নির্মাতারা এই বোর্ডের কাঁচির ভয়ে সর্বক্ষণ তটস্থ। কিছু ছবি বিনা কর্তনে বেরিয়ে যাচ্ছে। কিছু ছবি আটকে যাচ্ছে আপত্তিকর দৃশ্যের কিংবা সংলাপের কারণে।

আইটেম কন্যা বিপাশা কবির এবার সেন্সর বোর্ডের নজরে পড়েছেন। একটার পর একটা ছবিতে যেমন খুশি তেমন সাজে উপস্থিত হচ্ছেন বিপাশা। নির্মাতারা যেভাবে চাইছেন, সেভাবেই শুটিংয়ে অংশ নিচ্ছেন। বিপাশার যেকোনো দৃশ্য করতে অনাপত্তি থাকলেও বরাবরই তার অভিনীত দৃশ্য ছাড়পত্র দিতে আপত্তি করে সেন্সর বোর্ড।

মঈন বিশ্বাস পরিচালিত ‘বুলেট বাবু’ গত ১৩ জানুয়ারি সেন্সর সার্টিফিকেট পেয়েছে। এই সার্টিফিকেট পেতে ছবির পরিচালককে বিসর্জন দিতে হয়েছে বিপাশার পারফর্ম করা কিছু দৃশ্য। আইটেম গানে তার কিছু অশ্লীল দৃশ্য কর্তন করে দেয় সেন্সর বোর্ড।
কর্তনের বিবরণে সেন্সর বোর্ড লেখে,-”আইটেম গানে বিপাশার অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি, বুক ও নাভি প্রদর্শন এবং বুকের সামনে কাপড় নাড়ানোর দৃশ্য কর্তন করা হয়েছে।”

আইটেম কন্যা বিপাশা যেকোনো গানেই বেপরোয়া। এজন্য প্রায়ই নির্মাতাদের ‘কাটিং’ খেতে হয় সেন্সর বোর্ডে। গত বছরও তার একাধিক গান কদর্য কথা ও অশ্লীলতার জন্য সমালোচিত হয়েছে।

‘ভালোবাসার রং’ ছবিতে প্রথম আইটেম কন্যা হোন লাক্স সুন্দরী বিপাশা কবির। ইদানিং তিনি নায়িকা হয়েছেন। ‘গুন্ডামি’ ও ‘ক্রাইম রোড’ নামে দুটি ছবি করেছেন। জাজ মাল্টিমিডিয়ার প্রযোজনায় সৈকত নাসিরের পরিচালনায় ‘তালাশ’ নামে একটি ছবি করার কথা ছিল বিপাশার। কিন্তু প্রজেক্টটি বন্ধ হয়ে গেছে। ছবিটি প্রযোজক আব্দুল আজিজ জন্মদিনে আইটেম কন্যাকে উপহার দিয়েছিলেন।
উৎসঃঢালিউড টুয়েন্টিফোর ।

প্রভা নিজেই জানালেন তাকে পেতে কত বাজেট লাগবে!

আলোচিত মডেল অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা মূলত বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেই ড্রইং রুম মিডিয়ার দর্শকের নজর কেড়েছেন তিনি। এরপর অসংখ্য টিভি নাটকে অভিনয় সুবাদে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন প্রভা। গত কয়েক বছর ধরে টিভি নাটকে নিয়মিত দেখা গেলেও বিজ্ঞাপনচিত্রে তাকে এখন দর্শক দেখছেনই না। এ নিয়ে তাদের মনে উঠেছে নানা প্রশ্ন। প্রভা কি বিজ্ঞাপনে আর কাজ করবেন না

এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রভা বলেন, একটা কথা বরাবর বলে আসছি। আমি মেরিলের মতো বিগ বাজেটের বিজ্ঞাপনের অপেক্ষায় আছি। যদি সেরকম কিছু না পাই প্রয়োজনে এ জায়গাটিতে কাজ করবই না। কারণ একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে যখন ভালো বাজেট থাকে তখন কাজটি ভাল হয়। সে জায়গায় অনেক প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও ভালো বাজেট না থাকার কারণে কাজ করছি না।

আমি চলচ্চিত্রে সত্যিই আসতে চাই। তবে সেটা অবশ্যই বিগ বাজেটের ছবি হতে হবে। আর আমি নিজেকে প্রস্তুত করেছি। এখন আর কোন সমস্যা নেই। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য যা যা করণীয় সব করছি। সব মিলিয়ে এখন ব্যাটে বলে শতভাগ মিলে গেলেই চলচ্চিত্রে নাম লেখাতে পারবো বলে আশা করছি।

সাবধান !! পর্ন দেখতে গিয়ে একি অবস্থা ঘটলো তরুণীর ! দেখুন…!

বিস্ফারিত চোখে প্রথমে তিনি তাকিয়েছিলেন কিছুক্ষণ। তার পরে এক ছুটে বেরিয়ে যান ঘর থেকে। ততক্ষণে তাঁর জীবনে নেমে এসেছে এক ঘোর সংকট, এক গভীর ক্রাইসিস।
এই খবর পর্নোগ্রাফির নয়। এই খবর পড়লে চমকে উঠতে হয়। ভাবতে হয় গভীরভাবে। স্রেফ উঠতি বয়সের উচ্ছ্বলতায় বন্ধুদের সঙ্গে পর্ন দেখতে বসেছিলেন এক ব্রিটিশ তরুণী। বাবা-মায়ের ঘরে ঢুকে প্লেয়ারে সিডি ঢুকিয়েছিলেন। তার পর? চোখের সামনে ভেসে উঠতে শুরু করল যা দেখতে চেয়েছিলেন, তা-ই।মাত্র কয়েকটি মুহূর্ত। হাসি মিলিয়ে গেল নৈঃশব্দে। একছুটে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন তরুণী। বাকিরা কিংকর্তব্যবিমূঢ়।
বাইরে তখন দু’চোখে অঝোরে জলের ধারা। পর্ন-এর দুই প্রধান চরিত্রে ছিলেন তাঁরই মা এবং বাবা। কী করবেন, কাকে বলবেন, কিছু ঠাহর করতে পারেননি। সম্প্রতি সেই তরুণী তাঁর এই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন একটি সোশ্যাল মিডিয়ায়।কী বলেছেন তিনি? ওই তরুণীর কথায়, কিচ্ছু ঠিক করতে পারছিলাম না। কোথায় যাব, কাকে বলব আমার মনের অবস্থা? মা-বাবাকে বলতে পারব না, বন্ধুরাও সব দেখেছে।তার পরে? কোনওক্রমে নিজেকে সামলান

ওই তরুণীর কথায়, মাথার ভিতরটা ফাঁকা হয়ে গিয়েছিল। সব গুলিয়ে যাচ্ছিল। অনেক পরে মা-কে ঘটনাটি বলেছিলেন। কী হয়েছিল? ওই তরুণীর কথায়, মা প্রথমে পাথরের মতো হয়ে গিয়েছিল। তার পরে পুরো বিষয়টি আমাকে খুলে বলে। জানায়, ওরা পর্ন করে। কিন্তু ওই দিন আমার জীবনে ঘনিয়ে এসেছিল এক গভীর সংকট। ওই দিনটার কথা ভুলতে পারব না।

এশিয়া কাপে খেলতে আসার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ভারতীয় দলে অঘটন!

স্বপ্নের এশিয়াকাপ খেলতে বাংলাদেশে উড়ে আসার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় ক্রিকেট। আসরের শুরুতেই টাইগারদের বিপক্ষে ম্যাচ রয়েছে ভারতের। এ নিয়ে চিন্তায় ভারত। এশিয়া কাপ স্কোয়াড থেকে ছিটকে গেলেন এক বড় তারকা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও নাকি তিনি ঘোরতর অনিশ্চিত।

বাংলাদেশের কন্ডিশনে মোহাম্মদ সামিকে সেরা বোলার হিসাবে দলে নেয় ভারত। কিন্তু মূল অস্ত্রকে হারিয়ে এখন চিন্তায় ভারত। বাংলাদেশে আসার জন্য শুক্রবার ভারতের মোহনবাগান মাঠে এনসিএ ফিজিও অ্যান্ড্রু লিপাসের কাছে ফিটনেস টেস্ট দেন সামি।

টেস্ট শেষে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সচিব অনুরাগ ঠাকুর বলেন, বোর্ডের মেডিক্যাল টিমের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, এশিয়া কাপ খেলতে পারবে না শামি। বাঁ হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট সারানোর জন্য ওকে বাড়তি সময় দেওয়া হচ্ছে।

সামির দীর্ঘদিন ধরে মাঠের বাইরে। খেলতে পারেননি আইপিএল। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া সফরে দলে ডাক পেলেও মাঠে নামা হয়নি তার। এবার আর একটি বড় ধাক্কা খেলেন তিনি। সামির পরিবর্তে ভুবেনেশ্বরকে।

স্বামী-স্ত্রীর যে ভূলের কারণে সন্তান হয় না,জেনে নিন কি করতে হবে এক্ষেত্রে..(ভিডিওসহ)

স্বামী-স্ত্রীর যে ভূলের কারণে সন্তান হয় না,জেনে নিন কি করতে হবে এক্ষেত্রে..(ভিডিওসহ)

যে বয়সে মেয়েদের বিয়ে না হলে অবৈধ সম্পর্ক নিশ্চিত!

মুল বিষয়ে যাবার আগে চলুন কিছু জেনে নিই কোথায় যেন একটা প্রবাদ পড়েছিলাম, মানুষ জীবনে তার লক্ষ্য কিংবা কতটুকু সফল হতে পারবে, সেটা ৩৩-৩৫ বছর বয়সের মধ্যেই বুঝতে পারে। ব্যাপারটা এমনই, আপনি এই বয়সে এসে অদূর ভবিষ্যত নিয়ে হালকা পাতলা চিন্তা করতে পারবেন,জীবনের শেষ গন্তব্যে কি করবেন, সেটা চিন্তা করতে পারবেন। ফ্ল্যাট বাড়ীর জন্য কিস্তি জমা দেওয়া শুরু করতে পারবেন।

গাড়ি কিনার চেষ্টা করতে পারেন, নেহায়েৎ ব্যাংক লোন নিয়ে হলেও। একটু গোড়া থেকে শুরু করি, ১৮ বছর বয়স শেষে একজন যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করে, তার ২২-২৩ বছর বয়সে শিক্ষাজীবন শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। গড়ে বাংলাদেশী ছেলেদের চাকুরী পেতে পেতে ২৪-২৫ বছর হয়ে যায়। তারপরও অনেক সময় পছন্দমতো চাকুরী পায় না, এই অফিস, ঐ অফিস ঘুরা ঘুরি করে। ধরলাম আলটিমেট চাকুরীটা পেতে তার ২৭ -২৮ বছর হয়ে গেল। তারপর বলে একটু গুছিয়ে নিই, তারপরেই বছর ২-১ পরে বিয়ে করবো।

গুছিয়ে নিতে গিয়ে দেখা গেল, সংসার চালানো অনেক কঠিন। তখন বলে একটা প্রমোশন পেলেই বিয়ে করবো। প্রমোশন পেতে পেতে ৩২ বছর হয়ে যায় অনেকের। তারপর ভদ্রলোক এইবার বিয়ের ঘোষণা দেন। মিয়া এখন বিয়াতে রাজী, আত্মীয় স্বজন, পাড়াপ্রতিবেশী সকলে ঝাপিয়ে পড়ে বিবি খুঁজতে। এই মেয়ে দেখে, ঐ মেয়ে দেখে, পছন্দসই মেয়ে খুঁজে পেতে ৩৩ পার হয়ে যায়। তারপর বিয়ের পিড়িতে বসেন মিয়া ভাই।আমি এমনও দেখেছি, ৩৫-৩৮ বছর পরেও অনেক পুরুষ নিজেকে বিয়ের জন্য যোগ্য মনে করেন না…।

তারা মনে করেন, আর একটু প্রতিষ্ঠিত হয়ে নিই আগে, তাহলে বিয়ের বাজারে নিজের দামটা আরো একটু বাড়বে, আরো একটু সুন্দরী, গুনবতী, কচি মেয়ে পাবো। একটা চরম সত্য কথা বলি, অনেক পুরুষ মানুষ আমার উপর ক্ষেপেও যেতে পারেন। সত্যটা হলো, যাদের বয়স ৩৫-৩৮ এর কোটায়, তারা বউ হিসেবে ২১ -২৪ (সর্বোচ্চ) বছরের মেয়েদেরই বেশি পছন্দ করে। মানে অনার্স পাশ করা মেয়ে, মাস্টার্স পাশ করা মেয়ে অনেকের পছন্দ নয়। অনেকে আবার অনার্স পড়ুয়া মেয়ে পছন্দই করেন না, তাদের পছন্দ ঐ ১২ ক্লাশ পাস, মানে ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত।

কারণ ঐ ১৮ বছরের মেয়েদের ইচ্ছে মতন শেইফ দেওয়া যায়। যেমনি বলবেন, তেমনি চলবে। স্বামী স্ত্রীতে ১২-১৪ বছর বয়সের পার্থক্য অনেক সময় অনেক জটিলতা সৃষ্টি করে। দুই জনের মানসিক চাহিদাটা মিল না হলেই এই সমস্যাগুলো প্রকট হয়ে যায়। নিজের থেকে ১২ বছরের কারো সাথে এডজাস্ট করাটা অনেক সময় সত্যিই কষ্টকর। আবার ৩৫+ বয়সে অনেকের ভীমরতিও হয়। আমি একজনকে চিনি, যিনি বউকে সান গ্লাস কিনে দিয়েছেন, বউ বায়না করে নাই

সৌদি আরব থেকে দেড়শো বাংলাদেশি নারীকর্মী পালিয়েছেন।

সৌদি আরব থেকে গত সাত মাসে দেড়শো বাংলাদেশি নারীকর্মী পালিয়েছেন। এরা সবাই গৃহকর্মীর কাজ নিয়ে সৌদি গিয়েছিলেন।

সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেটে আজ বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, গত সাত মাসে প্রায় দেড় লাখ বাংলাদেশি গৃহকর্মীর কাজ নিয়ে সৌদি যান।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কেন গৃহকর্মীরা কাজ ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন-এ ব্যাপারে অনুসন্ধান করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। সেখানে বলা হয়, অতিরিক্ত কাজের চাপ, ঘরের প্রতি অতিরিক্ত টান ও মালিকের দুর্ব্যবহারের কারণে গৃহকর্মীরা কাজ ছেড়ে দিচ্ছেন।

নিয়োগ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ খালেদ আল সাইফ জানিয়েছেন, বাংলাদেশের অবস্থা ওই জায়গায় এমন নেই যে এ বিষয়ে তারা সৌদি সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করবে। তিনি বলেন, ‘দুই দেশের করা চুক্তিতে পাঁচ লাখ গৃহকর্মী পাঠানোর কথা থাকলেও বাংলাদেশ এত গৃহকর্মী পাঠায়নি। এর মধ্যে ১৫০ জন চলে যায়।’

খালেদ আল সাইফ আরো জানিয়েছেন, এসব নিয়োগের ব্যাপারে বাংলাদেশ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। বাংলাদেশ থেকে গৃহকর্মী নেওয়ার খরচ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ছেলেদের দেখলে মেয়েরা ওড়না ঠিক করে কেন ? (এক্সক্লুসিভ ভিডিও)

হ্যাঁ। এটা সত্য এবং খুব সচরাচর দেখা যায়। এটা কী কারণে করে সেটা বলা মুশকিল। তবে ওড়না ঠিক করার ধরণভেদে সেটার বিভিন্ন অর্থ হতে পারে।

ধরণ একঃ (মাথায় ওড়না ঠিক করা) কোনো মেয়ের গলায় ওড়না আছে এবং কোনো পুরুষ বা ছেলে সামনে আসলে সেটা মাথায় তুলে দিচ্ছে বা ঠিকভাবে পরে নিচ্ছে। এটার কারণ বলে যেটা প্রতীয়মান হয় তা হলো মেয়ের প্রতি মা বাবার শেখানো পারিবারিক মূল্যবোধ। মায়েরা খুব ছোটোবেলা থেকেই মেয়েদের সব ব্যাপারে বিভিন্ন আচরণের ধরণ বুঝিয়ে দিতে বা শেখাতে থাকেন যেগুলো সাধারণত সমাজে গ্রহণযোগ্য। এদিক থেকে একটা মেয়ে এই পরিবেশে বেড়ে উঠার কারণে তাঁর মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই মাথায় ওড়না ঠিক করে দেয়ার অভ্যেস গড়ে ওঠতে পারে।

ধরণ দুইঃ (বুকে ওড়না ঠিক করা ) নারীদেহের যে কয়েকটি অঙ্গ বাহ্যিকভাবে খুব তাড়াতাড়ি কারো নজরে আসে তা্র মধ্যে স্তন একটি অঙ্গ। ধরুণ কোনো মেয়ের গলায় ওড়না আছে। গলায় ওড়না থাকাবস্থায় একটা পুরুষ/ছেলে নজরে পড়লেই মেয়েরা বুকের অংশের ওড়নাটুকু ঠিকঠাক করে নেয় যাতে স্তনের দিকে দৃষ্টি না পড়ে যায়। এইভাবে ওড়না ঠিক করে নেয়ার কাজটি তাঁরা খুব তড়িঘড়ি করে শেষ করে রাখে। এক্ষেত্রেও হয়তো পারিবারিক শিক্ষার প্রভাবটা থাকে যে শিক্ষাটা ছোটোকাল থেকে একটা মেয়ে তাঁর মায়ের বা নিকটাত্মীয় কোনো মহিলার কাছে পায়