জেনে নিন মেয়েদের কত বছর হলে বিয়ের জন্য পাগল হয়ে উঠে!! না হয় নিশ্চিত অবৈধ সম্পর্কে জড়াবে।

মুল বিষয়ে যাবার আগে চলুন কিছু জেনে নিই কোথায় যেন একটা প্রবাদ পড়েছিলাম, মানুষ জীবনে তার লক্ষ্য কিংবা কতটুকু সফল হতে পারবে, সেটা ৩৩-৩৫ বছর বয়সের মধ্যেই বুঝতে পারে। ব্যাপারটা এমনই, আপনি এই বয়সে এসে অদূর ভবিষ্যত নিয়ে হালকা পাতলা চিন্তা করতে পারবেন,জীবনের শেষ গন্তব্যে কি করবেন, সেটা চিন্তা করতে পারবেন। ফ্ল্যাট বাড়ীর জন্য কিস্তি জমা দেওয়া শুরু করতে পারবেন। গাড়ি কিনার চেষ্টা করতে পারেন, নেহায়েৎ ব্যাংক লোন নিয়ে হলেও। একটু গোড়া থেকে শুরু করি, ১৮ বছর বয়স শেষে একজন যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করে, তার ২২-২৩ বছর বয়সে শিক্ষাজীবন শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। গড়ে বাংলাদেশী ছেলেদের চাকুরী পেতে পেতে ২৪-২৫ বছর হয়ে যায়। তারপরও অনেক সময় পছন্দমতো চাকুরী পায় না, এই অফিস, ঐ অফিস ঘুরা ঘুরি করে। ধরলাম আলটিমেট চাকুরীটা পেতে তার ২৭ -২৮ বছর হয়ে গেল। তারপর বলে একটু গুছিয়ে নিই, তারপরেই বছর ২-১ পরে বিয়ে করবো। গুছিয়ে নিতে গিয়ে দেখা গেল, সংসার চালানো অনেক কঠিন। তখন বলে একটা প্রমোশন পেলেই বিয়ে করবো। প্রমোশন পেতে পেতে ৩২ বছর হয়ে যায় অনেকের। তারপর ভদ্রলোক এইবার বিয়ের ঘোষণা দেন। মিয়া এখন বিয়াতে রাজী, আত্মীয় স্বজন, পাড়াপ্রতিবেশী সকলে ঝাপিয়ে পড়ে বিবি খুঁজতে। এই মেয়ে দেখে, ঐ মেয়ে দেখে, পছন্দসই মেয়ে খুঁজে পেতে ৩৩ পার হয়ে যায়। তারপর বিয়ের পিড়িতে বসেন মিয়া ভাই।আমি এমনও দেখেছি, ৩৫-৩৮ বছর পরেও অনেক পুরুষ নিজেকে বিয়ের জন্য যোগ্য মনে করেন না।

তারা মনে করেন, আর একটু প্রতিষ্ঠিত হয়ে নিই আগে, তাহলে বিয়ের বাজারে নিজের দামটা আরো একটু বাড়বে, আরো একটু সুন্দরী, গুনবতী, কচি মেয়ে পাবো। একটা চরম সত্য কথা বলি, অনেক পুরুষ মানুষ আমার উপর ক্ষেপেও যেতে পারেন। সত্যটা হলো, যাদের বয়স ৩৫-৩৮ এর কোটায়, তারা বউ হিসেবে ২১ -২৪ (সর্বোচ্চ) বছরের মেয়েদেরই বেশি পছন্দ করে। মানে অনার্স পাশ করা মেয়ে, মাস্টার্স পাশ করা মেয়ে অনেকের পছন্দ নয়। অনেকে আবার অনার্স পড়ুয়া মেয়ে পছন্দই করেন না, তাদের পছন্দ ঐ ১২ ক্লাশ পাস, মানে ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত।কারণ ঐ ১৮ বছরের মেয়েদের ইচ্ছে মতন শেইফ দেওয়া যায়। যেমনি বলবেন, তেমনি চলবে। স্বামী স্ত্রীতে ১২-১৪ বছর বয়সের পার্থক্য অনেক সময় অনেক জটিলতা সৃষ্টি করে। দুই জনের মানসিক চাহিদাটা মিল না হলেই এই সমস্যাগুলো প্রকট হয়ে যায়। নিজের থেকে ১২ বছরের কারো সাথে এডজাস্ট করাটা অনেক সময় সত্যিই কষ্টকর। আবার ৩৫+ বয়সে অনেকের ভীমরতিও হয়। আমি একজনকে চিনি, যিনি বউকে সান গ্লাস কিনে দিয়েছেন, বউ বায়না করে নাই।

খুব বেশি পর্ন দেখেন? জানেন কী ক্ষতি করছেন?

ব্যস্ত জীবনের মধ্যে পর্ন দেখার জন্য অনেকেই সময় বের করে নেন। অনেকেই দিনান্তে পর্ন দেখেন সাময়িক আনন্দলাভের আশায়। কিন্তু জানেন কি, বেশি মাত্রায় পর্ন দর্শন কতটা সর্বনাশ করছে আপনার?

সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত পর্ন দেখেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। পৃথিবীর একাধিক দেশের পুরুষ, নারীর উপর এই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ভয়ঙ্কর সব সমস্যার জন্ম দিচ্ছে এই অভ্যাস।

১। মানসিক বিকৃতির জন্ম দেয়। অতিরিক্ত পর্ন মস্তিস্কের উপর চাপ ফেলে। স্বাভাবিক বিচক্ষণতা লুপ্ত হতে থাকে।

২। বাস্তব থেকে দূরে সরিয়ে দেয় মানুষকে। বাস্তব এবং অবাস্তবের মধ্যে এক অদ্ভুত গুলিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।

৩। ব্যক্তিগত জীবন অসুখী করে তোলে। সঙ্গীকে সুখী করা বা সঙ্গীর থেকে আনন্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় আপনার এই অভ্যাস।

৪। ক্রমশ নিজের ব্যক্তিগত আবেগ, ইমোশনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে। হঠাৎ রেগে যাওয়াও এক অন্যতম লক্ষণ।

৫। সর্বোপরি একটা সুস্থ জীবন থেকে আপনাকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনার পর্ন-দর্শন। শুধু জীবনসঙ্গী নয়, সন্তানদের থেকেও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে আপনাকে। কারণ অতিরিক্ত পর্ন দেখলে পৃথিবীর স্বাভাবিক, নিষ্পাপ আনন্দ আপনি উপভোগ করতেই ভুলে যাবেন ধীরে ধীরে।

সাকিবকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের মেরুদণ্ড হিসেবে ঘোষণা

বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রাণ ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের মেরুদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করছে দলটি।
মঙ্গলবার ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) কলকাতা নাইট রাইডার্সের অফিসিয়াল ফ্যান পেইজে সাকিব আল হাসানের বেশকিছু ছবি সম্বলিত একটি ‘জিআইএফ’ ফরম্যাটের একটি ইমেজ প্রকাশ করে সেখানে লেখা হয়েছে, ‘হি ইজ এ পাওয়ার প্লেয়ার এন্ড ব্যাকবোন অফ নাইট।’

প্রসঙ্গত, সাকিব আল হাসানকে ২০১২ সালে নিলামে দলে বেড়ায় আইপিএলের জনপ্রিয় দল কলকাতা নাইট রাইডার্স। এবারের নবম আসরেও শাহরুখের দলের হয়ে মাঠ কাপাবেন বাংলাদেশি এই পোডাক্ট।

আলিয়া ভাটের পাঁচ মিনিটের নোংড়া যে ভিডিওটি ইন্টারনেট মাতালো (ভিডিওসহ)

আলিয়া ভাট নামটা শুনলেই মিষ্টি একটা চেহারা মুখের সামনে ভেসে ওঠে৷ আলিয়ার এই ভোলাভালা চেহারার প্রয়োগ করেই পরিচালক বিকাশ বেহেল সমাজের একটি নোংড়া দিক সবার সামনে এনেছেন৷  ভিডিও নিচে

আলিয়ার সঙ্গে মিলে বিকাশ মহিলা সুরক্ষার মত একটি গম্ভীর বিষয় নিয়ে একটি শর্টফিল্ম বানিয়েছেন৷ ‘গোয়িং হোম’ নামের এই ফিল্মটি মাত্র পাঁচ মিনিটের৷ কিন্তু পাঁচ মিনিটেই এই ফিল্ম না বলা অনেক কথা বলে গেল৷‘গোয়িং হোম’ নামেক এই ভিডিওটিতে দেখানো হয়েছে যে, রাতের অন্ধকারে রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে আসছে একটি মেয়ে৷ সেই মেয়ের চরিত্রেই রয়েছেন আলিয়া ভাট৷ মায়ের ফোন এলে মেয়েটি মাকে জানায় ১০ মিনিটের মধ্যেই সে বাড়ি পিরে আসবে৷ কিন্তু এরপরেই তার গাড়ি হঠাৎ খারাপ হয়ে যায়৷ কিছুক্ষণ পরেই আলিয়ার গাড়ির পাশে আরও একটি গাড়ি এসে দাঁড়ায় যেখানে পাঁচজন ছেলে ছিল৷

বলাই বাহুল্য গভীর রাতে একা একটচি সুন্দরী মেয়েকে দেখে সকলেরই মাথা ঘুরে যায়৷ এই ছবিতে বেশ কৌশলের সঙ্গেই দেখানো হয় ছেলেগুলি অনেক চেষ্টা করলেও আলিয়া নিজেকে বাঁচিয়ে নেয়৷ না, ঝগড়া বা মারামারি করে একেবারেই নয়, সেখানেও একটা ট্যুইস্ট৷ যে ছবি না দেখলে বোঝা যাবে না৷ তবে ওই ছেলেগুলির মধ্যে একজন তুলনামূলক ভদ্র থাকায় শেষে দেখা যায় ওই ছেলেগুলিই আলিয়াকে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে যায়৷

সব ভাল যার শেষ ভাল তার৷ কিন্তু এই ছবির শেষ ভাগেই রয়েছে আসল সত্য৷ ছবি শেষ হতেই স্ক্রিনে একটা প্রশ্ন ফুটে উঠল৷ তাকে সাধারন মানুষকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, এই ঘটনা কে কি বাস্তবায়িত করা যায় না? সেখানে লেখা আমরা মেয়েদের ভদ্র সমাজ দিতে পারি যা বর্তমানে অসম্ভব৷ কিন্তু একজন মেয়ের মনে সবসময়েই এমনই সমাজের চিন্তা থাকে আর সেই কারণেই তারা অচেনা কারোর কাছে সাহায্যে আশা করে৷ এবার সেটা আমাদের উপরেই নির্ভর করছে যে আমার মেয়েদের এমন ভাবনাকে আমরা ভেঙে দেব নাকি সেটাকে আরও মজবুত করব৷

এই শর্ট ফিল্মের পরিচালক বিকাশ বেহেল জানিয়েছেন, মেয়েদর জন্য একটা সুন্দর সমাজ গড়ার লক্ষ্যেই তিনি এই ভিডিওটি বানিয়েছেন, যাতে বাড়ি থেকে বাইরে বেরোনোর আগে নিরাপত্তা নিয়ে মেয়েদের একবারও ভাবতে না হয়৷ ইতিমধ্যেোই সোশ্যাল সাইটে এই ভিডিওটি বেশ ভাইরাল হয়েছে৷ এবার একটাই দেখার এই ফিল্মের প্রভাব সমাজের উপর পড়ে কিনা৷

অশ্লীল ভিডিও বানিয়ে নিজের স্ত্রীকেই ব্ল্যাকমেইল (ভিডিও সহ)

অশ্লীল ভিডিও বানিয়ে নিজের স্ত্রীকেই ব্ল্যাকমেইল (ভিডিও সহ)

গাড়ি কেনার জন্য পাঁচ লাখ টাকা না পেয়ে এক স্বামী নিজের স্ত্রীর অশ্লীল ভিডিও তৈরি করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করতে শুরু করে। কিন্তু তারপরও স্ত্রী টাকা না দেয়ায় ওই অশ্লীল ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিলেন স্বামী। ভারতের পাঞ্জাবের সুজানপুর এলাকার ঘটনা। এমনই অভিযোগের ভিত্তিতে সুজানপুর থানার পুলিশ স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেও তাকে এখনও আটক করেনি পুলিশ।
সুজানপুরের বাসিন্দা মহিলা তার অভিযোগে জানিয়েছেন, ২০০৮ সালে তার বিয়ে হয়।
বিয়ের পরই তারা দুজনে পুনে ঘুরতে যায়। সেখানেই তার একটি অশ্লীল ভিডিও বানিয়েছিলেন তার স্বামী। সেটি মহিলাকে দেখানোর পর তিনি সেটি মোবাইল থেকে মুছে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। বিয়ের পর তাদের একটি ছেলে হয়, যার বয়স এখন পাঁচ বছর এবং তাদের সংসার ভালোভাবেই চলতে থাকে।
কিন্তু বিয়ের প্রায় ছয় বছর কেটে যাওয়ার পর তার স্বামী গাড়ি কেনার জন্য তাকে বাপের বাড়ি থেকে ৫ লাখ টাকা নিয়ে আসতে বলে। স্বামী মহিলাকে পুনেতে তৈরি করা ভিডিও ইন্টারনেটে ফাঁস করে দেয়ার হুমকি দেয়। কিন্তু মহিলার বাপের বাড়ি গরিব হওয়ার কারণে তারা টাকা দিতে পারেননি। মহিলার অভিযোগ কিছুদিন আগে সে এক আত্মীয়ের বাড়িতে অনুষ্ঠানে যায়। সেখানেই তাকে কিছু যুবক অশ্লীল কথা বলতে থাকে। তাদেরকে এমন ব্যবহারের কারণ জিজ্ঞেস করলে তারা অশ্লীল ভিডিও ইন্টারনেটে ফাঁস হওয়ার কথা জানায়।

মহিলা উক্ত ভিডিওটির সিডি বানিয়ে পুলিশের কাছে জমা দিয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত স্বামী হরমিন্দ্র সিংয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। সুজানপুরের এসএইচও পরমবীর সিং জানিয়েছেন, অভিযুক্ত আপাতত পলাতক৷ তাকে আটক করার জন্য খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। খুব তাড়াতাড়ি তাকে আটক করা হবে।

স্বামী ও স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ এক হলে কী ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে ?

স্বামী স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা হতে পারে এমনকি ভবিষ্যত সন্তানেরও সমস্যা হতে পারে। আসুন বৈজ্ঞানিক কিছু বিশ্লেষণে জেনে নিই।
আমাদের শরীরে রক্তের গ্রুপ দুটি প্রক্রিয়ায় নির্ণীত হয়ে থাকে। প্রথমটিকে বলা হয় ABO System. যা মূলত রক্তের গ্রুপ যেমন : A, B, AB, O। দ্বিতীয়টি হল Rh factor বা রেসাস ফ্যাক্টর। এখানে দুটি ভাগ রয়েছে Rh+বা আর এইচ পজেটিভ এবং Rh- বা আর এইচ নেগেটিভ। রক্তের ABO System এর সাথে রেসাস ফ্যাক্টর যুক্ত হয়ে রক্তের গ্রুপ নির্ণীত হয়। অর্থাৎ এর মাধ্যমেই রক্তের গ্রুপ পজেটিভ নেগেটিভ হয়ে থাকে।

এক্ষেত্রে এক ব্যক্তির রক্ত অন্য একটি গ্রুপের ব্যক্তির শরীরে গেলে প্রাথমিকভাবে শরীরে একটি অ্যান্টিবডি তৈরি হবে। এরপরে আবার যখন ব্যক্তিটির শরীরে অন্য গ্রপের রক্ত প্রবেশ করে তাহলে ভয়াবহ কিছু হতে পারে। এতে রক্তের রক্ত কোষ ভেঙ্গে ব্যক্তিটির মৃত্যুও হতে পারে। একে বলা হয় ABO Incompatibility। তাই কারও রক্ত যদি পজিটিভ হয়ে থাকে তবে তাকে পজিটিভ রক্তই দেয়া হয় আর নেগেটিভ হলে নেগেটিভ রক্ত দেয়া হয়।

স্বামী স্ত্রীর রক্ত কেমন হওয়া উচিত : স্বামীর রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ হলে স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ পজেটিভ নেগেটিভ যেকোনো একটি হলেই হবে। তবে স্বামীর রক্তের গ্রুপ যদি পজেটিভ হয় তবে স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ অবশ্যই পজেটিভ হতে হবে।

রক্তের গ্রুপ এক হলে যে সমস্যা দেখা দিতে পারে : স্বামীর রক্তের গ্রুপ পজেটিভ আর স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ হলে শরীরে লিথাল জিন বা মারণ জিন নামে একটি জিন তৈরি হয় যা তাদের মিলনে সৃষ্টি জাইগোটকে মেরে ফেলে। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই মৃত বাচ্চার জন্ম হয়। স্বামীর রক্তের গ্রুপ পজেটিভ হলে সন্তানের রক্তের গ্রুপও পজিটিভ হয়ে থাকে। স্বামীর রক্তের গ্রুপ পজেটিভ আর স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ হয়ে থাকলে স্ত্রী পজেটিভ গ্রুপের একটি ফিটাস বা ভ্রুণ ধারণ করে থাকে। ডেলিভারীর সময়ে পজেটিভ ফিটাসের ব্লাড, প্লাসেন্টাল ব্যারিয়ার বা ভ্রুণফুল displacement ঘটবে।

এর ফলে স্ত্রীর শরীরে নতুন ব্লাড গ্রুপের একটি আর এইচ এন্টিবডি তৈরি হবে। এটি প্রথম সন্তানের জন্মের সময়ে কোনো সমস্যা তৈরি করবে না। কিন্তু দ্বিতীয়বার সন্তান ধারণের ক্ষেত্রে পূর্বের সন্তান জন্মের সময়ে তৈরি হওয়া আরএইচ এন্টিবডি শরীরের ভ্রুণের প্লাসেন্টাল ব্যারিয়ারকে ভেঙ্গে ফেলতে পারে। এর ফলে দ্বিতীয় সন্তান জন্মের সময়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ কিংবা মৃত সন্তানের জন্ম হতে পারে। একে মেডিকেলের ভাষায় আরএইচ incompaltibity বলা হয়।

শালী দুলাভাইয়ের অপকর্মের দৃশ্য ফাঁস হয়ে গেল বউয়ের কাছে ! অতঃপর দেখুন (সেই ভিডিওটি)

শালী দুলাভাইয়ের অপকর্মের দৃশ্য ফাঁস হয়ে গেল বউয়ের কাছে ! অতঃপর দেখুন (সেই ভিডিওটি)

অবশেষে,, প্রেম করেই বিয়ে করলেন মাহি!

এ বছরের পহেলা এক সাক্ষাৎকারে চিত্র নায়িকা মাহিয়া মাহি বলেছিলেন তিনি কালো ছেলে দেখলেই প্রেমে পড়ে যান। এবং স্মৃতি হিসেবে আরো বলেছিলেন, ‘আমি ছোটবেলা থেকেই অনেক প্রেম করেছি। কালো ছেলে আমার পছন্দ। কালো ছেলে দেখলেই প্রেমে পড়ে যাই। আমি প্রথম যে কালো ছেলেটির প্রেমে পরেছিলাম, সে একটি চিঠি দিয়েছিলো আমাকে। আমি তার হ্যান্ড রাইটিংয়ে এমন মুগ্ধ হয়েছিলাম যে, তার হ্যান্ড রাইটিং ফলো করা শুরু করি। এখন আমার যে হ্যান্ড রাইটিং তা অবিকল সেই ছেলেটির মতো।’

এ তো গেল পুরান খবর। এবার হলো নতুন খবর। সত্যিই মাহি প্রেম করছেন সেই কালো ছেলের সঙ্গে। ছেলেটির নাম শাওন শাহরিয়ার। মাহির ফেসবুকে যার ছবি ঝুলছে। আজ সকালে তিনি ছবিটি প্রকাশ করেন। তিনিই মাহির প্রেমিক। কিন্তু এখনও একটি প্রশ্ন উঠেছে পারিবারিক ভাবে নাকি মাহি ও শাওন বিয়ে করেছেন ময়মনসিংহে। কারন শাওনের গ্রামের বাড়ী ময়মনসিংহে। তাছাড়া শাওন মাহির জন্মদিনে মাহিকে তাঁর বউ বলে আখ্যায়িত করেছেন। প্রেম করছেন বোঝা গেল কিন্তু বিয়ে করেছেন কিনা তা মাহি স্বীকার করেননি।

তবে মাহির গোপন সূত্রে জানা গেছে, সত্যি বিয়েটা করে ফেলেছেন তাঁরা।

যেখানে বিয়ের আগে মেয়েদের সাথে ১ বছর গোপন মিলন করা বাধ্যতামূলক!

অদ্ভুত নিয়ম চালু রয়েছে পশ্চিম বঙ্গের মাদারিহাটে। যেখানে মেয়েদের বিয়ের আগে মা হওয়াটা বাধ্যতামূলক। অর্থাৎআগে মেয়েদের সাথে ১ বছর গোপন মিলন করা বাধ্যতামূলক! বিয়ের সমাজে নারী পুরুষের যৌন সম্পর্কের বৈধতা দিয়ে থাকে বিবাহ। এটা সামাজিক ও ধর্মীয় রীতি। তবে এর ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা যায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদুয়ারের বীরপাড়া-মাদারিহাট।

সেখানে মাতৃত্বই দেয় পছন্দের সেই পুরুষকে বিয়ের অধিকার। এটাই রেওয়াজ ‘টোটো’দের। সেখানে সবমিলিয়ে ১ হাজার ৫৮৪ টোটোর বাস। এখনো নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছেন এই উপজাতিরা।টোটো সমাজের পুরুষদের কোনো মেয়েকে বেছে নেয়ার অধিকার রয়েছে। ছেলেটির পছন্দ হলে মেয়েটিকে তার সঙ্গে ১ বছর সহবাস করতে হবে। তার মধ্যে মেয়েটি গর্ভবতী হলে তবেই বিয়ে করার উপযুক্ত হয়ে উঠবেন।তবে বিয়ে করতে হলে আগে ২ পরিবারের অনুমতি নিতে হবে

বড়দিন উপলক্ষে ভক্তদের জন্য পুনমের উত্তেজিত ভিডিও উপহার নিয়ে তোলপাড়! (ভিডিওসহ)

ভক্তরাই তাঁর সব। আর সেই ভক্তদের জন্য উত্সবের মওশুমে কিছু করবেন না তা কি হয় ? তাও আবার ক্রিসমাস বলে কথা। তাই এবার ক্রিসমাস উপলক্ষে ‘হট’ ফটোশুট করলেন পুনম পান্ডে। ফটোর সঙ্গে শেয়ার করলেন একটি ভিডিও।

পুনম জানালেন, বেশ কিছুদিন ধরেই নাকি তাঁর ভক্তরা অভিযোগ করছিলেন, তিনি কেন নতুন কোনও ভিডিও শেয়ার করছেন না সোশাল সাইটে। তাই, ভক্তদের আবদার মেটাতেই ২৫ ডিসেম্বরের আগে যেন টুইটারে উপহার সাজিয়ে দিলেন পুনম। ‘কন্ট্রোভার্সি কুইন’ পুনম পান্ডের ‘হট’ ফটো এবং ভিডিও ইতিমধ্যে টুইটারে ট্রেন্ড করছে।

সান্তার টুপি পরে ‘পুনম পান্ডে সেক্সি সান্তা’ ক্যাপশন দিয়ে ওই ফটোগুলি টুইটারে শেয়ার করেন পুনম। যা দেখে বেজায় খুশি তাঁর ভক্তরা। ইতিমধ্যেই পুনম পান্ডের ওই ছবিগুলি সোশাল সাইটে ভাইরাল হয়ে গেছে।

ভিডিও দেখতে এখানে নিচে ক্লিক করুন

মধ্যবয়সী যুবতীরা বিয়েতে নাচার নামে এমন অশ্লীলতা কিভাবে করতে পারছে ! (ভিডিওতে দেখে নিন)

মধ্যবয়সী যুবতীরা বিয়েতে নাচার নামে এমন অশ্লীলতা কিভাবে করতে পারছে ! (ভিডিওতে দেখে নিন)