স্বাধীনতার মাসে ! ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ জাতীয় শ্লোগান ঘোষণার দাবি ! আসুন এগিয়ে আসি আমরা

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধার হৃদয়ে ছিলেন। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু শ্লোগান ধারণ করেই সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন।
 স্থানীয় সময় রবিবার ১০ আগষ্ট, ২০১৫ ইং ১৪:৪৩ মিঃ  নিউইয়র্কে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও বইয়ের মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
 জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আব্দুল মোমেন অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য দেন।
 এইচ টি ইমাম বলেন, জাতির পিতা ১৯৪৮ সাল থেকে সব আন্দোলন-সংগ্রামে বাঙালি জাতিকে নেতৃত্ব দেন। গোটা জাতিকে ধাপে ধাপে বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ করেন। এভাবে ১৯৬৬, ৬৮ ও ৬৯ এর পথ বেয়ে সত্তরের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ বিজয় অর্জন করে।
 তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের পর পরই দেশের প্রশাসন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ শুরু করে। তখনকার বাঙালি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের বিষয়ে তিনি নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন।
 এইচ টি ইমাম তার লেখা দু’টি বই ‘বাংলাদেশ সরকার ১৯৭১’ এবং ‘বাংলাদেশ সরকার ১৯৭১-১৯৭৫’- এর বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আলোকপাত করেন। তখনকার প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার বিভিন্ন দিক ব্যাখ্যা করেন।
 তিনি বলেন, জাতির পিতা ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। যা ইপিআরের ট্রান্সমিটার, টেলিগ্রাম ও টেলিপ্রিন্টারের মাধ্যমে প্রচারিত হয়।
 এইচ টি ইমাম বলেন, জাতির পিতার স্বাধীনতা ঘোষণার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীনতা ঘোষণাপত্র জারির মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন করেন।
জাতির পিতাকে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি এবং সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি করে সরকার গঠিত হয়। স্বাধীনতার এই ঘোষণাপত্র ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকর দেখানো হয়। এই সরকারই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে।
 এইচ টি ইমাম জাতির পিতার নেতৃত্বে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে পুনর্গঠন এবং কৃষি ও শিল্প উৎপাদন ব্যবস্থা সচল করার ক্ষেত্রে সরকারের কর্মকাণ্ড বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও উত্তর দেন।

ব্রেকিং নিউজ !! এবার কলেজ ছাত্রী তনু হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চলছে !! অভিযোগ !

বাংলাদেশে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় একজন শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ তুলে কুমিল্লা এবং রাজধানী ঢাকায় আজ বিভিন্ন সংগঠন বিক্ষোভ করেছে। তাঁর পরিবারও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচার দাবি করেছে।গত রোববার কুমিল্লা সেনানিবাসেরই বাসিন্দা সোহাগী জাহান তনু নামের ঐ শিক্ষার্থীর মৃতদেহ পাওয়া যায় ।নারী অধিকার আন্দোলনকারীরা বলেছেন, আগে ধর্ষণের জন্য নারীদের পোশাক-আশাককে দায়ী করা হতো। এখন এই ঘটনার পর পোশাকের শালীনতার সঙ্গে ধর্ষণের যোগাযোগ কতটা সম্পর্কিত তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।সোহাগী জাহান তনুর বাবা কুমিল্লা সেনানিবাসে বোর্ডে একজন বেসামরিক কর্মচারী।সেই সুবাদে সেনানিবাসে কোয়াটারে তাদের বসবাস ।তিন ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট সোহাগী জাহান তনু কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে ইতিহাস বিভাগে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।তাঁকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ তুলে তাঁর কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বুধবার কুমিল্লায় বিক্ষোভ করেছে।ঢাকাতেও শাহবাগ এলাকায় গণজাগরণ মঞ্চ এবং ছাত্র ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সংগঠন বিক্ষোভ করেছে।সোহাগী জাহান তনু লেখাপড়ার পাশাপাশি তাঁর কলেজে নাটকসহ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথেও জড়িত ছিলেন।টানাটানির সংসারে তিনি কুমিল্লা সেনানিবাসের ভিতরেই টিউশনি করে নিজের খরচের কিছুটা যোগাতেন। তাঁর বড় ভাই নাজমুল হোসেন বলেছেন, গত রোববার ২০শে মার্চ বিকেলে তাঁর বোন টিউশনি করতে গিয়েছিল। কিন্তু রাত আটটাতেও না ফিরলে তাদের মা খুঁজতে রাস্তায় খুঁজতে যান।মি: হোসেন আরও জানিয়েছেন, তাঁর বোন যে বাসায় পড়াতে যেতেন, সেই বাসায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সন্ধ্যা সাতটাতেই তনু চলে গেছে। রাত দশটার দিকে তাদের বাবা বাসায় ফিরলে তখন আবার তারা খুঁজতে বের হন। যে পথ দিয়ে টিউশনির বাসায় যেতেন, সেই পথেই সেনানিবাসের ভিতরে একটি কালভার্টের নীচে মৃতদেহ পাওয়া যায়।ঢাকায় বিক্ষোভ থেকে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বিক্ষোভে অংশ নেয়া কয়েকজন বলছিলেন, ঘটনার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ পরিষ্কার করে কিছু বলছে না, সেজন্য তাদের সন্দেহ হচ্ছে।কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন বলেছেন,ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হত্যা করা হতে পারে ,পুলিশ প্রাথমিকভাবে এমন ধারণা করছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই তিনি বিস্তারিত বলতে রাজি নন।সোহাগী জাহান তনু হিজাব পড়তেন। এ ধরণের ছবি সামাজিক নেটওয়ার্কে প্রকাশ হয়েছে।নারী অধিকার নিয়ে আন্দোলনকারী সংগঠনগুলো বলছে, এর আগে কোনো নারী ধর্ষণের শিকার হলে তার পোশাক নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলতেন।এখন সেই প্রশ্ন অবান্তর বলে মনে করেন নারী আন্দোলনের অন্যতম একজন নেত্রী ফরিদা আকতার। তিনি বলেছেন, “যারা নারীদের ওপর শারীরিকভাবে আক্রমণ করে, পোশাক বা বয়স কোন কিছুই তাদের কাছে বিষয় নয়। এটা বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে”।ফরিদা আকতার আরও বলেছেন, “ধর্ষণের শিকার নারীর পোশাককে যারা দায়ী করতে চায়, তারা আসলে ক্ষতিগ্রস্ত নারীকে দোষী বানাতে চায়।তারা নারীর বিরুদ্ধেই কথা বলে”।ঘটনাটিকে ঘিরে সামাজিক নেটওয়ার্ক ফেসবুকে কিছু তৎপরতা দেখা যায়। মুল ধারার সংবাদমাধ্যমে এই ঘটনা নিয়ে সেভাবে খবর চোখে পড়েনি। সূত্র: বিবিসি বাংলা

ব্রেকিং নিউজ ! চারদিকে ধর্ষণ ধর্ষণ !! কলেজ ছাত্রী তনুর পর এবার ফরিদপুরে প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ !!

ফরিদপুরের সদর উপজেলার ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের পূর্ব চরচাঁদপুর গ্রাম এক প্রতিবন্ধী শিশু কে ধর্ষন করেছে মাইনুদ্দীন প্রমানিক(৩৬)। ধর্ষনকারী ওই গ্রামের মৃত ওহিদ প্রমানিকের ছেলে।বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ওই গ্রামের মল্লিক পাড়ায় মাইনুদ্দীন আট বছরের প্রতিবন্ধী শিশুটিকে ধর্ষন করে। পরে শিশুটির পরিবার তাকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত ও মারাত্মক অসুস্থ্য অবস্থায় দুপুর তিনটার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
গরিব শিশুটির বাবা জানান, ২ সন্তানের পিতা প্রতিবেশী মাইনুদ্দীন প্রমানিক (৩৫) নামের এক নরপশু এমন ঘটনা ঘটিয়েছে।
তিনি বলেন, আমার দুই ছেলে-মেয়ের মধ্যে মেয়ে শিশুটি শারীরিক ও বাক প্রতিবন্ধী। মেয়েটি প্রতিবন্ধী হয়ে জন্ম নেওয়ায় ওকে স্কুলে ভর্তি করা যায়নি। ফরিদপুর শহরে ডাব বিক্রি করে জীবিকা চালাই। আমার ওই অবুঝ শিশুটির উপর এই নির্যাতনের বিচার চাই।
শিশুটির মা জানান, আজ দৌল পূজা দেখার জন্য দুপুর ১২টার দিকে তার মেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। মাইনুদ্দিন তাকে রাস্তা থেকে মিথ্যা কথা বলে ডাক দিয়ে আমাদের বাড়ি অদুরেই একটি স্যালো মেশিন ঘরে নিয়ে আমার মেয়েকে ধর্ষন করেছে।
হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার রুপা জানান, শিশুটিকে যখন হাসপাতালে আনা হয়। তখন তার যৌনাঙ্গ দিয়ে রক্ত বের হয়ে প্যান্ট ভিজে যাচ্ছিল। প্রাথমিক ভাবে শিশুটিকে ধর্ষন হয়েছে বলে ধারনা করা যায় বলেও তিনি জানান। আমরা তার পরবর্তী চিকিৎসা দিচ্ছি বলেও জানান ঐ চিকিৎসক।
ফরিদপুর কোতয়ালী থানার এস আই মিরাজ হোসেন বলেন, হাসপাতালে গিয়ে ঐ শিশুটির অবস্থা দেখেছি এবং তার পরিবারের কাছ থেকে ঘটনা জানার পর এই ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে। ধর্ষককে গ্রেফতার করতে অভিযান চালানো হচ্ছে। সূত্র: বিডি২৪লাইভ

তদন্তে ফেঁসে যাচ্ছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তা

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ চুরির ঘটনায় সিআইডির তদন্তে ফেঁসে যাচ্ছেন ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ে থাকা এক কর্মকর্তা।

সিআইড সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই কর্মকর্তার পরামর্শেই নিয়োগ দেয়া হয় রাকেশ আস্তানার নামের ওই আইটি প্রতিষ্ঠানকে। শুধু তাই নয়, তার ছত্রচ্ছায়াতেই সেখানে একটি দুর্নীতি পরায়ণ গোষ্ঠি সংঘবদ্ধ হয়েছে।

মঙ্গলবার মতিঝিল থানায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে অর্থচুরির মামলা করার পরপরই শীর্ষ ওই কর্মকর্তার ছত্রচ্ছায়ায় থাকা ৪ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে গোয়েন্দারা।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, অনেকেই বিস্মিত হলেও সদ্য নিয়োগ পাওয়া ওই আইটি কনসালটেন্টের মৌখিক পরামর্শে সব বিভাগ, সেল, ইউনিট, উইং এবং শাখা অফিসের কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও সার্ভারের সরবরাহকৃত সিকিউরিটি প্যাচ নামের সার্ভার ইনস্টল করা হয়। এর মাধ্যমেই বাংলাদেশ ব্যাংকের সব তথ্য ফাঁস হওয়ার আশংকা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিয়ম অনুযায়ী, রিজার্ভ থেকে যে কোনো লেনদেনের তথ্যের ম্যাসেজ জেনারেট করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ফ্রন্ট অফিসের এক কর্মকর্তা। ভেরিফাই করেন একই অফিসের আরেক কর্মকর্তা। আবার মেসেজ ট্রান্সশিপমেন্ট করেন একই বিভাগের আরেক কর্মকর্তা। আর মিডল অফিসের দুই কর্মকর্তা ফ্রন্ট অফিসের মেসেজ যথাযথ হয়েছে কিনা, তা তদারকি করে থাকেন।

রিজার্ভ ম্যানেজমেন্টের জন্য এ দুই অফিস নিয়ন্ত্রণ করে ফরেক্স রিজার্ভ ও ট্রেজারি ম্যানেজমেন্টের বিভাগ। অপরদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগ নিয়ন্ত্রণ করে ব্যাক অফিস। এ ব্যাক অফিস ফ্রন্ট ও মিডল অফিসের কাজগুলো ঠিকমতো হচ্ছে কিনা বা পাঠানো বার্তা অনুযায়ী ঠিকমতো রিজার্ভ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা কেটে রাখা হয়েছে কিনা, দেশের রিজার্ভ কী পরিমাণে রয়েছে এগুলো দেখাশোনা করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কের ব্যাংক হিসাবে রক্ষিত বাংলাদেশের হিসাব থেকে ১০১ মিলিয়ন ডলার চুরি করা হয়েছে। এর একটি অংশ (২০ মিলিয়ন) গেছে শ্রীলঙ্কায়, আরেকটি অংশ (৮১ মিলিয়ন) গেছে ফিলিপাইনে। সম্প্রতি ফিলিপাইনের একটি ইংরেজি দৈনিকে এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। তাতে বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ফিলিপাইনে পাচার হওয়ার কথা উল্লেখ ছিল।

প্রশ্ন উঠেছে, চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার আগে থেকেই কেন ব্যাংকের ফরেক্স রিজার্ভ ও ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট ডিভিশনের ডিলিং রুমের দুটি ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা বিকল ছিল? যার ফলে ওই ঘটনার সময় ডিলিং রুমে কারা ছিল, সুইফট কোড ব্যবহার করে কারা কাজ করছিল- তা নির্ণয় করা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানান সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (অর্গানাইজড ক্রাইম) মির্জা আব্দুল্লাহেল বাকী।

তিনি বলেন, ‘আমরা এখনও কাউকে সন্দেহভাজন হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদ করিনি। শুধু তথ্য সংগ্রহের জন্য কথা বলেছি। যে কর্মকর্তাকে মনে হচ্ছে যে উনি কিছু হলেও জানেন, তার সঙ্গেই আমরা কথা বলছি।’ সার্ভারের কম্পিউটারগুলো থেকেও তথ্য সংগ্রহ করার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘সিআইডির ডিআইজি সাইফুল আলম তদন্তের কাযক্রম পযবেক্ষণ করছেন। তদন্ত কমিটিতে কতজন রয়েছেন তা সঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না। একেকজন তদন্ত কর্মকর্তা একেকটি বিষয় তদন্ত করবেন। তার অংশটুকু শেষ হলে তাকে আমরা তদন্ত কাজ থেকে অব্যাহতি দেব। তদন্তের স্বার্থে নতুন কাউকেও সংযোজন করা হতে পারে। আনুমানিক ২০ জন কর্মকর্তা মামলাটি নিয়ে কাজ করছেন। এর মধ্যে উপ-কমিটিও রয়েছে। চুরির ঘটনায় কোথায় দুর্বলতা রয়েছে সেটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের টাকা চুরির ঘটনাটিতে বাংলাদেশসহ চারটি দেশের সম্পৃক্ততা রয়েছে, সেহেতু তদন্তের স্বার্থে সে সকল দেশেও আমাদের তদন্ত কর্মকর্তারা যেতে পারেন। প্রয়োজনে ইন্টারপোলসহ অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় বিধান মেনে ফরমাল-ইনফরমাল যোগাযোগ করা হবে।’

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০১ মিলিয়ন ডলার চুরির পর প্রায় দেড় মাস বিষয়টি গোপন রাখে বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে ফিলিপাইন মিডিয়ায় এ সম্পর্কিত সংবাদ প্রকাশিত হলে তা ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশ মিডিয়ায়ও। এ ঘটনায় বেশ বিব্রতকর অবস্থার মুখোমুখি হয় সরকার। অবশেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে পদত্যাগ করতে হয়। দেশের মিডিয়ায় আসার চারদিন পর মতিঝিল থানায় মামলা করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ফেসবুকের ভুল ধরে পুরস্কার পেলেন তরুণ

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের পাসওয়ার্ড বিষয়ক একটি ভুল ধরিয়ে দিয়েছেন ভারতের বেঙ্গালুরুর এক তরুণ। বিষয়টির গুরুত্ব বুঝতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে ভুলটি দূর করেছে ফেসবুক। আর ওই তরুণকে পুরস্কার হিসেকে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পুরস্কার দিয়েছে, যা বাংলাদেশি টাকায় ১১ লাখ ৭৬ হাজার ৮৩১।

ভারতের সংবাদমাধ্যম ‘ডেকান ক্রনিকল’ জানিয়েছে, ২৩ বছর বয়সী আনন্দ প্রকাশ ফেসবুকের খুবই সাধারণ একটি ভুল ধরেছেন। তবে এই সাধারণ ভুলের সুযোগ কারো অ্যাকাউন্টে ঢুকে যেতে পারত অন্য কেউ। আর ভুল শোধরানোর আগেই বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে সমূহ বিপদের মুখে পড়ত ফেসবুক।

ফেসবুকের নিরাপত্তাব্যবস্থার একটি হলো একজনের অ্যাকাউন্টে তাঁর পছন্দ করা পাসওয়ার্ড দিয়ে ঢুকতে হয়। আনন্দ প্রকাশ ফেসবুক ঘেঁটে দেখতে পান, কারো ফেসবুক অ্যাকাউন্টের রিসেট পাসওয়ার্ড অপশন ব্যবহার করে তা পরিবর্তন করে দেওয়া যায়। পরে ওই পরিবর্তন পাসওয়ার্ড দিয়ে অন্য কেউ ওই নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারে।

ডেকান ক্রনিকল জানায়, ফেসবুকের ভুল ধরার বিশেষ একটি দলের সদস্য প্রকাশ। ওই বিশেষ দলের সদস্যরা স্বপ্রণোদিত হয়ে ফেসবুকের বিভিন্ন ভুল ধরে এবং নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানায়। ফেসবুক বিষয়টি জানতে পেরে এর ত্রুটি দূর করে। ভুল ধরার বিনিময়ে বিশেষ দলের সদস্যরা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা পায়।

আনন্দ প্রকাশ বলেন, তিনি এমন একটি ভুল ধরিয়ে দিয়েছেন, যা ব্যবহার করে হ্যাকাররা অন্যের বার্তা, ছবি এবং ক্রেডিট কার্ডের তথ্য হাতিয়ে নিতে পারত।

সিম নিবন্ধন না করলে যে সমস্যার সম্মুখীন হবেন?

জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে নিজের সিম বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিতে নিবন্ধনের মাধ্যমে এমপিদের সিম-রিম নিবন্ধন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

দশম জাতীয় সংসদের এমপিরা নবম অধিবেশন চলাকালীন সময় সংসদেই বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিতে নিজেদের সিম বা রিম নিবন্ধন করতে পারবেন বলে জানানো হয়। এমপিদের সিম-নিবন্ধন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট তারানা হালিম। ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া, হুইপ মাহবুব আরা গিনি, ডাক ও টেলিযোগ বিভাগের সচিব ফয়েজুর রহমান চৌধুরী, বিটিআরসির চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ প্রমুখ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

এ সময় ডাক ও টেলিযোগায়োগ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে জনগণের সিম-রিম নিবন্ধনের জন্য সারা দেশে এক লাখ ডিভাইস সরবরাহ করা হয়েছে। সম্পূর্ণ বিনা পয়সায় সিম-রিম নিবন্ধন কার্যক্রম চলছে। যদি কেউ এই কাজের জন্য টাকা নিয়ে থাকে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে টেলিটক থেকে ‘৯৮৭২’ নাম্বারের একটি কোড চালু করা হয়েছে। যে কেউ এখানে অভিযোগ করতে পারবেন। এছাড়া বিটিআরসি’র মাধ্যমে একটি মোবাইল টিম অভিযোগ তদন্তে মাঠে নেমেছে।

বিটিআরসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত বছরের নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১ কোটি মানুষ বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিতে সিম-রিম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছেন। এরমধ্যে মাত্র ৮৫ লাখ সিম-রিম পুন:নিবন্ধন হয়েছে। আগামী এপ্রিল মাসে শেষ হবে সিম-রিম নিবন্ধনের কাজ। এরপর অনিবন্ধিত সিম-রিম বন্ধ করে দেওয়ার জন্য নির্দেশনা রয়েছে। দেশে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী সংখ্যা ১৩ কোটির বেশী।

মোটকথা আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যে সিম নিবন্ধন না করলে তা বন্ধ করে দেয়া হবে।

আশরাফুলের জন্য প্রাণ দিলো ৭ বছরের শিশু!

খেলার মাঠে না থাকলেও আশরাফুলের প্রতি সকলের ভালোবাসা কিন্তু আগের মতোই আছে। প্রিয় খেলোয়াড়কে এক নজর দেখার জন্য ভক্তরা কতো কিছুই না করে। আশরাফুলকে দেখতে গিয়ে বাসচাপায় প্রাণ হারালেন স্কুলছাত্রী পলি আক্তার নামের ৭ বছরের এক শিশু। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা এলাকায় শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বাসচাপায় নিহত স্কুলছাত্রী বড়কান্দি গ্রামের কামাল মিয়ার মেয়ে এবং স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে প্রায় একঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সকালে স্থানীয় একটি মাঠে ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা চলছিল। যেখানে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আশরাফুল আসবেন এমন খবরে বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার ক্রিকেট প্রেমির ঢল নামে। আশরাফুলকে দেখার জন্য স্কুলছাত্রী পলি আক্তারও ওই মাঠে যাচ্ছিল। আর যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

এবার সানি-তাসকিন কে নিয়ে একি বললেন অমিতাভ বচ্চন!

অনেকেই বলিউড সুপার স্টার অমিতাভ বচ্চন কে চিনেন চলচ্চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য কিন্তু এই বলিউড সুপার স্টার যে ক্রিকেটের চরম ভক্ত সেটা হয়তো অনেকেই জানেন না,যারা জানেন না তারা এবার একটু নতুনভাবে চিনে নিন এই সুপার স্টার কে,সমগ্র বিশ্বের ক্রিকেট প্রেমীদের মুখে এখন একই আলোচনা তাসকিন এবং সানি কে নিয়ে.

এবার এই আলোচনায় এবার একটু নতুনমাত্রা যোগ করলেন বলিউড কিংবদন্তী অমিতাভ বচ্চন. ইডেনে পাক ভারত ম্যাচের সময় পুরো সময় ধরে গ্যালারিতে বসে খেলে উপভোগ করেছেন.

দলকে করতালি বিভিন্ন সময় অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন. খেলা শেষে ডিএনএ কে দেওয়া সাক্ষাৎকার নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন দিয়েছেন হিন্দি দিনেমার পত্রিকা,আর এই সাক্ষাৎকারে অমিতাভ তাসকিন এবং সানিকে নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ সহকারে মন্তব্য করেছেন,তাসকিন এবং সানিকে নিয়ে অমিতাভের মন্তব্যটি এবার রেজাল্ট বিডি এবং ভিন্ন ডট কমের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলোঃ

যারা শিল্প কে ধারন করে তারাই শিল্পী,আমি চলচ্চিত্র শিল্প কে মনেপ্রাণে আঁকড়ে ধরেছি বলেই আজ আমি দর্শকের কাছে চলচ্চিত্র শিল্পী হিসেবে ব্যাপক ভাবে সমাদৃত হয়েছি. চলচ্চিত্র শিল্পের মতো আমিও ক্রিকেট শিল্প কে ভালবাসি তাই নিজ দেশ ভারতের সমর্থক হলেও এই শিল্পের সাথে যারা জড়িত এবং সবসময় ভালো কিছু উপহার দিয়ে আসছে আমি তাদেরও একজন ভক্ত.ইমরান খান,সাঈদ আনোয়ার,ইওয়ানের চ্যাপেল,রিকি পন্টিং,স্টেফিন ফ্লেমিং এর খেলা আমি দারুণভাবে উপলব্ধি করতাম.

শুধু এখানেই শেষ নয় ক্রিকেটের জন্য অমিতাভের খরচের হাত যে ব্যাপক সে বিষয়ে সৌরভের কথা শুনুন. এই খেলায় প্রতিপক্ষ বিবেচনা করে কোন দলের বিরুদ্ধে কোনরূপ কার্পণ্য তা দেখানো উচিত নয়. ভারত পাকিস্তান ম্যাচ বরাবরই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীতার কিন্তু গতদিন পাকিস্তান বনাম বাংলাদেশের মধ্যকার খেলায় ভারতের দর্শকদের বিবেচনা দেখে আমি নিজেই বিষ্মিত,পুরো ইডেন জুড়ে মনে হয় পাকিস্তান কে সাপোর্ট দিয়েছে এটা কোন ভাবেন নৈতিক শিল্প মানসিকতার পরিচায়ক নয়.

সানি এবং তাসকিন দীর্ঘ দিন ধরেই জাতীয় দলে খেলছেন হঠাৎ করেই এদের বিরুদ্ধে সন্দেহ এবং সাময়িক নিষিদ্ধ কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় তাছাড়া এই বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় মিডিয়ার অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি কোনভাবেই কাম্য নয়.

এই দুই উদীয়মান তারকার বিষয়ে আমার মনে হয় আইসিসি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত দিতে পারেনি,তাসকিন নিয়ে লুকোচুরি কিছুতেই ক্রিকেট ভক্তরা মেনে নিতে পারেনা. আমি কোন ভাবেই লুকোচুরি পছন্দ করিনা তাই বলছি ভারতীয় ক্রিকেট দলের কিছু বোলারদের ব্যাপারে অনেকেই বিরুপ মন্তব্য করছেন,সত্যতা যাচাইয়ের স্বার্থে এদেরকেও পরিক্ষার মুখোমুখি করা হউক,তাহলে অবশ্যই যথার্থ যাচাই হবে. আমি অমিতাভ আবারো বলছি আমি শিল্পকে ভালোবাসি বিশেষ কোন গোষ্ঠী কে নয়.

কিভাবে মারা গিয়েছিলেন কিংবদন্তী নায়ক সালমান শাহ্?

বাংলাদেশে সালমান শাহ অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার শেষ দৃশ্যের মত তার জীবনের রথও থেমে গিয়েছিল ওই ছবি করার ঠিক চারবছর পর ১৯৯৬ সালের ৬ ই সেপ্টেম্বর। সেদিন ছিল শুক্রবার।

সকাল ১১টা দিকে একটা ফোন আসে তার মা নীলা চৌধুরীর বাসায়। বলা হয় সালমানকে দেখতে চাইলে তখুনি যেতে হবে। এ কথার পরেই তারা যান সালমানের বাসায়।

সালমানের ইস্কাটনের বাসায় তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের ডাক্তাররা তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের ময়নাতদন্তে বের হয়ে আসে সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছেন।

সম্পূর্ণ আকস্মিক এই ঘটনায় হতবিহ্বল হয়ে পড়ে তার পরিবার এবং পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় সালমানকে হত্যা করা হয়েছে।

সারা দেশ জুড়ে সালমানের অসংখ্য ভক্ত তার মৃত্যু মেনে নিতে না পারায় বেশ কয়েকজন তরুণীর আত্মহত্যার খবরও আসে পত্রিকায়।

পরিবারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দ্বিতীয়বারের মত ময়নাতদন্ত করা হয়।

মৃত্যুর আটদিন পর সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে তিন সদস্য বিশিষ্ট মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। সেই বোর্ডের প্রধান ছিলেন ডাক্তার নারগিস বাহার চৌধুরী, যিনি বলেছেন আত্মহত্যার স্পষ্ট প্রমাণ তারা পেয়েছিলেন।

সালমানের পারিবারিক বন্ধু পরিচালক শাহ আলম কিরণ বলেছেন শেষের দিকে বেশ মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন সালমান। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েন ও প্রযোজকদের সঙ্গে বোঝাপড়ায় ঘাটতি দেখা দিয়েছিল সেসময়।

এদিকে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে আবার আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে মামলার কাজ সেখানেই থেমে যায়।

তবে সালমান শাহকে নিয়ে আলোচনা থামে না। মাত্র চার বছরে ২৭ টি সিনেমায় অভিনয় করে সালমান শাহ বাংলা সিনেমায় নিজের যে স্থানটি করে নিয়েছিলেন তার অভাব এখনো অনুভব করেন দর্শক, পরিচালক, প্রযোজক সবাই।

দিতিকে নিয়ে আলমগীরের যে মন্তব্য নিয়ে অনলাইনে তোলপাড়!

চলচ্চিত্র অভিনেত্রী পারভীন সুলতানা দিতির সঙ্গে কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেছেন গুণী অভিনেতা আলমগীর। এর মধ্যে ‘স্বামী-স্ত্রী’ ও ‘অমর সঙ্গী’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ‘স্বামী-স্ত্রী’র জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছিলেন দিতি।

সোমবার (২১ মার্চ) সকাল সোয়া ১০টায় এফডিসির জহির রায়হান কালার ল্যাবের চত্বরে দিতির জানাজায় অংশ নেন আলমগীর। এরপর দিতি সম্পর্কে বেশ কিছু কথা বলেন তিনি।

আলমগীর জানান, ক্যারিয়ারের শুরু থেকে দিতি তাকে ‘ড্যাড’ বলে সম্বোধন করতেন। দিতির শোকে মূহ্যমান আলমগীর বলেন, ‘আমিও ওকে মেয়ের মতো জ্ঞান করতাম। খুব বেশি ছবিতে আমরা অভিনয় করিনি। এর অবশ্য একটা কারণও ছিলো। দিতির সঙ্গে আমার রোমান্টিক সিন বা গান করতে সমস্যা হতো। বাবা-মেয়ের সম্পর্ক থেকেই এমনটি হতো।’

কিন্তু দেশের একটি গনমাধ্যম ‘দিতির সঙ্গে আমার রোমান্টিক সিন বা গান করতে সমস্যা হতো’ এ অংশটি শিরোনাম করে। এনিয়েই মূলত শোরগোল পড়ে যায় অনলাইনে। যা দেখতে অনেকটা দৃষ্টিকটুও ছিলো। অনেক পাঠককে এ নিউজের নিচে ফেসবুকের মন্তব্যে অনেক বাজে মন্তব্য করতেও দেখা গেছে, যা মোটেও কাম্য ছিলো না।

পুরুষদের যে ছ’টি বিষয়ে পাগল মেয়েরা ..(কয়েকজন মেয়ের মুখের কথা)

বহু নারীই আছেন, যারা ভালো কথা বলতে পারা পুরুষদের প্রেমে পড়ে যান। রেডিও জকি বা অভিনেতাদের প্রেমে পড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা আকছার ঘটে টিন এজারদের মধ্যে। মহিলারা চান, তাদের সঙ্গী পুরুষটি দিনের মধ্যে অন্তত একবার তাঁর সঙ্গে ভালোবেসে কথা বলুক। তা সে একান্তে হাঁটতে হাঁটতেই হোক, বা নেহাত ব্যস্ততার মধ্যে টেলিফোনে

মহিলারা নিজেদের ‘লুকস’ নিয়ে বেশ খুঁতখুঁতে। প্রেমিকা বা স্ত্রীয়ের মুখে ‘আমাকে কেমন লাগছে’, এই প্রশ্ন শোনেননি, এমন পুরুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর বটে। মহিলারা এই প্রশ্ন করে জেনে নিতে চান, যে তাঁর মনের মানুষটি প্রথম দিনের মতোই তাঁকে আজও ভালোবাসেন কি না।

দৈনন্দিন জীবন থেকে রতিক্রিয়াকে আলাদা করে দেখতে চান না মহিলারা। পুরুষদের মধ্যে সেক্স নিয়ে যেমন তীব্র ফ্যান্টাসি থাকে, মহিলাদেরও মধ্যেও অনেকক্ষেত্রেই তা থাকে। কিন্তু মিলিত না হতে পারলে পুরুষেরা যত অভিযোগ করেন, মহিলারা তা করেন না সাধারণত। সহজ কথায়, মহিলারা তাদের পুরুষসঙ্গীর অনুভূতিপ্রবণতা ও ভালো ব্যবহারকে বেশি প্রাধান্য দেন।

সম্পর্ক মধুর করতে সেক্সই চাবিকাঠি, একথা মানতে চান না মহিলারা। তাদের কাছে সঙ্গীর ‘গুড টাচ’ই যথেষ্ট সুখদায়ক হতে পারে।

মিলনের পরও সঙ্গীর কাছ থেকে গুরুত্ব পাওয়াটা মহিলাদের অন্যতম চাহিদা। বিবাহিত পুরুষেরা রতিক্রিয়া শেষ করেই যদি ঘুমিয়ে পড়েন, তাহলে তাঁর সঙ্গিনী অপমানিতও বোধ করতে পারেন।

কিছু কিছু পুরুষ মিলন নিয়ে তীব্রমাত্রায় সংবেদনশীল। মহিলারা ততটা নন। পুরুষেরা মিলন কামোদ্দীপক না হলে রাগ দেখান অনেকসময়। মহিলারা কিন্তু এমনটা করেন না। মহিলারা চান তাদের পুরুষসঙ্গীও মিলনকে সহজভাবে নিক। কোনও কারণে রতিক্রিয়া চরমে না পৌঁছলেও বিশেষ অসন্তোষ প্রকাশ করেন না মহিলারা।

যে জিনিসটি সপ্তাহে ১বার ব্যবহার করলে থাকবে আজীবন যৌবনের নিশ্চয়তা !

সৌন্দর্যের দিক থেকে জাপানিজ নারীরা সবসময়েই অনবদ্য। বিশেষ করে তাঁদের ঝলমলে চুল এবং নিখুঁত ত্বকের কারণে। এমন অনেক জাপানিজ চিত্রনায়িকা ও মডেলরা আছেন যাঁদের সত্যিকারের বয়স অনেক বেশি, কিন্তু দেখলে মনে হয় এখনও তরুণী! বিশ্বজুড়েই জাপানিজ নারীদের এই চিরতারুণ্য একটা রহস্যের বিষয় বৈকি। মজার ব্যাপার হচ্ছে, তাঁদের এই তারুণ্যের পেছনে যে উপাদানটি সবচেয়ে বেশি কাজ করে তা হল ‘ভাত’। কি, অবাক হচ্ছেন? হ্যাঁ, জাপানিজদের বয়স ধরে রাখে ভাতের তৈরি একটি ফেস প্যাক। আসুন তাহলে জেনে নিই সেই জাদুকরী ফেসপ্যাকটির কথা,যে জিনিসটি সপ্তাহে ১বার ব্যবহার করলে থাকবে আজীবন যৌবনের নিশ্চয়তা।

উপকরণ
৩ টেবিল চামচ ভাত
১ টেবিল চামচ মধু
১ টেবিল চামচ গরম দুধ

-চাল সিদ্ধ করুন। অর্থাৎ ভাত রান্না করুন। এবার চাল থেকে পানি আলাদা করে ফেলুন বা মাড় ফেলে দিন।

-গরম ভাত চটকে নিন, নাহলে পরে শক্ত হয়ে যাবে। এর সাথে হালকা গরম বা উষ্ণ দুধ এবং মধু দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন।

-প্রথমে মুখ ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। সম্ভব হলে কোন হালকা ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
-মুখ শুকিয়ে গেলে ভাতের প্যাকটি মুখ ও ঘাড়ে ভাল করে লাগান।

-প্যাকটি শুকিয়ে গেলে ভাত সিদ্ধ পানি বা মাড় দিয়ে মুখ ও ঘাড় ধুয়ে ফেলুন।
-সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।

যেভাবে কাজ করে
ভাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই যা ত্বককে ক্ষতিকর উপাদান থেকে রক্ষা করে থাকে ও তারুণ্য ধরে রাখে। তার সাথে সাথে সানবার্নও প্রতিরোধ করে। এছাড়া এতে লিনোলিক এসিড যা ত্বকের বলিরেখা দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। ভাতের মাড়ে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান আছে যা ত্বকের পানির পরিমাণ বজায় রাখার পাশপাশি রক্ত চলাচল ঠিক রাখে।

জেনে নিন বিশ্বের সেরা পর্ণ স্টারদের কার আয় কত ?

জানতে চান প্রতি দৃশ্যের জন্য একজন পর্ণ তারকা কত টাকা আয় করেন? আর্টিস্ট রন জেরেমী এর মতে, পুরুষ পর্ণস্টাররা প্রতি দৃশ্যের জন্য গড়ে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ ডলার করে আয় করেন অথবা ১০০ থেকে ২০০ ডলার পর্যন্ত আয় করেন যদি সে পর্ণ জগতে নতুন হয়।কিন্তু এটা তো গেলো পুরুষদের কথা,মহিলা পর্ণ স্টার দের ক্ষেত্রে?

আর্টিস্ট রন জেরেমী এর মতে,একজন ভালো মহিলা পর্ণস্টার বছরে প্রায় এক লক্ষ থেকে দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার পর্যন্ত আয় করে থাকেন।জানতে চান সেরা মহিলা পর্ণস্টার দের আয় কত?

হিলারী স্কটঃ-

এই সুন্দরী পর্ণতারকা হাওয়ার্ড স্টেম রেডিও শো এর মাধ্যমে এক মিলিয়ন ডলার এর কন্ট্রাক্ট করেছিলো সেক্সজ পিকচার এর সাথে, যা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পর্ণ কন্ট্রাক্ট ছিলো। এই কন্ট্রাক্টটি চার বছর পর্যন্ত ছিল। তার মানে সে বছরে দুই লাখ পঞ্চাশ হাজারের মত আয় করেছিলো।

হাউসটনঃ-

হাউসটন বিখ্যাত একনাগাড়ে ৬২০ জন পুরুষের সাথে পর পর সেক্স করার জন্য।তার ভাষ্য অনুযায়ী ১৯৯১ সালে তার আয় ছিলো প্রায় এক মিলিয়ন ডলার,একই বছরে সে বিশ্বরেকর্ড gang bang ভেঙ্গেছিলো।সে সপ্তাহে আরো প্রায় বিশ হাজার ডলারের মত আয় করে বারে নাচ প্রদর্শন করে।সে আরো দশ হাজার ডলার আয় করে তার লেবিয়া বিক্রয় করার মাধ্যমে যা কেটে ফেলা হয়েছিলো,সে অনলাইনে এটি বিক্রি করেছিলো।

“Sluttiest woman in the world” এই হিসেবে গিনেস বুকে হাউসটন বিশ্বরেকর্ড গড়ে। একজন পুরুষ যদি গড়ে প্রায় ৪ সিসি শুক্রানু নিক্ষেপ করে তার শরীরে তাহলে ৬২০ জন (৬২০ x ৪)=২৪৮০ সিসি শুক্রানু নিক্ষেপ করে। অর্থাৎ হাউসটনের শরীরে ২.৪৮ লিটারের শুক্রানু পাওয়া যাবে।

জেন্না জামেসনঃ-

পর্নো জগতের একজন মিলিওনিয়ার হলেন এই জেন্না। সে এই শতকের একজন বিখ্যাত মহিলা পর্ণ তারকা।বর্তমানে সে ক্যামেরার সামনে অভিনয় করা থেকে বিরতি নিয়েছে,কিন্তু তবুও ক্যামেরার পেছনে এই তারকা পর্ণ ইন্ডাষ্ট্রিতে এখনও একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে প্লাষ্টিক সার্জারীর কারণে তার চেহারা দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে।

অপ্রাপ্তবয়স্কদের না দেখার অনুরোধ রইল। বিস্তারিত ভিডিওসহ দেখুন !

দেহ ব্যবসা নতুন কোন পেশা নয়। সমাজের যতগুলো আদি পেশা আছে তার মধ্যে এটি একটি। সমাজ যতই সভ্য হোক না কেন এই জঘন্য পেশার অভিশাপ থেকে সমাজ আজও মুক্ত হতে পারেনি। কিন্তু বর্তমান আধুনিক সমাজে এর ভয়াবহতা দিনকে দিন বেড়েই চলছে। যার প্রভাবে সামাজিক অবক্ষয় এখন চরমে। আগে দেহ ব্যবসা সীমাবদ্ধ ছিল বিভিন্ন নিষিদ্ধ পল্লীতে কিন্তু এখন দেহ ব্যবসা চলে তথাকথিত সভ্য সমাজের মধ্যে। ঢাকার শহরের বিভিন্ন এলাকায় ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা। প্রশাসনের নাকের ডগায় অবাধে চলছে অবাধ যৌনাচার। আমাদের আজকের ভিডিওসহ প্রতিবেদন ঢাকার অভিজাত অ্যাপার্টমেন্টে কীভাবে অবাধে দেহ ব্যবসা চলছে তার উপর।
দেহ ব্যবসা ও তার পরিনাম
ঢাকার উত্তরা অনেক ফ্ল্যাটে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা। এসব বিভিন্ন অভিজাত অ্যাপার্টমেন্টে চলছে অবাধ দেহ ব্যবসা। বাহির থেকে দেখে বোঝার কোন সাধ্য নেই যে এসব অ্যাপার্টমেন্টে দেহ ব্যবসা চলে। অভিযোগ আছে উত্তরার এসব অ্যাপার্টমেন্টে কলেজপড়ুয়া মেয়েরা নিয়মিত আসা যাওয়া করে, যাদের খদ্দের প্রতিষ্ঠিত ব্যাবসায়ী, উচ্চপদস্থ সরকারী বেসরকারী কর্মকর্তা কিংবা বখে যাওয়া ধনীর দুলালরা। উত্তরার পাশে খিলক্ষেতেও বেশকিছু বাড়িতেও চলে এমন অনৈতিক কাজ। রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী কলেজের এক শ্রেনীর মেয়েদের আনাগোনা আছে এসব অ্যাপার্টমেন্টগুলোতে। এদের কেউ বিলাসী জীবন, কেউ বা পেটের তাড়নায় কেউ আবার কেবল জীবন উপভোগের নামে জড়িয়ে পড়ছে অনৈতিক কাজে। আর সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যবসা পেতে ফায়দা লুটছে কতিপয় অসাধু ব্যাবসায়ী। যে ফায়দার দাম বাড়াতে অনেক সময় পেশাদার যৌনকর্মীদেরও চালিয়ে দেওয়া হয় কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী পরিচয়ে। ফ্ল্যাটে দেহ ব্যবসার ভিডিও দেখুনঃ