রোমাঞ্চকর জয়ে সেমিফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ডোয়াইন ব্রাভো আউট। বিদায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের চতুর্থ ব্যাটসম্যানের। জিততে ৩৬ বলে ৩৬ রান দরকার তাদের। ২৪ রানে থাকা মারলন স্যামুয়েলসের সাথে যোগ দিলেন আন্দ্রে রাসেল। দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচেই আছে। লেগি ইমরান তাহিরের তখনো দুই ওভার বাকি। দুটি ওভার ভালোয় ভালোয় কাটালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এরপরের হিসেবটা ২৪ বলে ২৪ রানের। ১৭তম ওভারে জোড়া আঘাত তাহিরের। তুলে নিলেন রাসেল (৪) ও অধিনায়ক ড্যারেন স্যামির (০) উইকেট। হিসেব তারপর ১৮ বলে ২৩ রানের। এই নাগপুরে ভারত-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে কি হয়েছিল? ১২৬ রান করেও জিতেছিল নিউজিল্যান্ড। ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচে কি হয়েছিল? শেষ ওভারের নাটকে শেষ ৩ বলে ৩ উইকেট হারিয়ে ১ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ। তাহলে ১২২ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকাও তো জিততে পারে! ১২ বলে ২০ রান কি হবে ক্যারিবিয়ানদের? টানটান উত্তেজনা নাগপুরে।

ক্রিস মরিসের ১৯তম ওভার। স্যামুয়েলস ২টি বাউন্ডারি মারলেন। প্রথম ৪ বলে ১০ রান। পঞ্চম বলে উড়িয়ে মেরে মাহমুদ উল্লাহ-মুশফিকুর রহিমের কথা মনে করিয়ে দিলেন স্যামুয়েলস। ৪৪ বলে ৪৪ রানের দারুণ সংগ্রামী ইনিংসের ওখানেই সমাপ্তী। ক্যারিবিয়ান শিবিরেও তখন হাসির বদলে টেনশন! শেষ ওভার কাগিসো রাবাদার। ৯ রান চাই ওয়েস্ট ইন্ডিজের। দ্বিতীয় বলে কার্লোস ব্রাথওয়েটের ছক্কায় বল গ্যালারিতে! ৪ বলে ৩ রান। ওয়াইড! ৪ বলে ২ রান। পরের বলে ১ রান। টাই! ৩ বলে ১ চাই। নতুন ব্যাটসম্যান দিনেশ রামদিন আলাপ করেন ব্রাথওয়েটের সাথে। যে আলাপটা মাহমুদ উল্লাহ-মুশফিক করেননি। পয়েন্টের ওপর দিয়ে মারলেন রামদিন। হাশিম আমলা ধরতে পারলেন না। ১ বলে ১ রানে অপরাজিত রামদিনের। ওটাই জয়সূচক রান। ব্রাথওয়েট অপরাজিত ১০ রানে। ২ বল হাতে রেখে ৩ উইকেটের জয় নিয়ে সেমিফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৩ ম্যাচের দুটিতে হেরে দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ চারে ওটা অনিশ্চয়তায়।

টস হেরে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১২২ রান করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। শঙ্কার পথ পেরিয়ে ১৯.৪ ওভারে ৭ উইকেটে ১২৩ রান ওয়েস্ট ইন্ডিজের। স্যামুয়েলস ম্যান অব দ্য ম্যাচ।

দারুণ বোলিং-ফিল্ডিংয়ে ক্যারিবিয়ানদের পথটাকে কঠিন করে তুলেছিল প্রোটিয়ারা। ইনিংসের পঞ্চম বলেই তো টি-টোয়েন্টির রাজা ক্রিস গেইলকে (৪) তুলে নিলেন রাবাদা। আগের ম্যাচের হিরো আন্দ্রে ফ্লেচারও (১১) ফিরলেন ৩৬ রানের সময়। এরপর কঠিন উইকেটে পরীক্ষা দিয়েছেন জনসন চার্লস ও স্যামুয়েলস। ৩২ রানের জুটি গড়েছেন তারা ৫.৪ ওভারে। ৩৫ বলে দারুণ মূল্যবান ৩২ রান দিয়ে গেছেন চার্লস। যেটা আসলে জয়ের ভিত। এরপর টেস্ট মেজাজের মতো খেলে স্যামুয়েলস দলকে জয়ের কিনারায় নিয়ে ফিরেছিলেন। তিনি ফিরলেও চরম নাটকীয়তার শিকার হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আসলেই ক্যারিবিয়ান দলের সবাই ম্যাচ উইনার!

এর আগে ২০ রানে ৩ উইকেট, ৪৭ রানে ৫- শীর্ষ ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে হাবুডুবু খাচ্ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ভাগ্যিস তাদের ব্যাটিং লাইন আপে নিচের দিকে দুইজন অল রাউন্ডার ছিলেন। ওপেনার কুইন্টন ডি ককও এক প্রান্ত ধরে রাখতে পেরেছেন। তাতে শেষ পর্যন্ত এই উইকেটে লড়ার মতো কিছু পেয়েছে প্রোটিয়ারা।

প্রথম ৩ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তারা। প্রথমে রান আউটের খাড়ায় পড়ে বিদায় নিলেন আমলা। অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস (৯) ক্যাচ দিলেন। দীর্ঘদিন পর বল হাতে নিয়েই অফ স্পিনার গেইল তুলে নিলেন রাইলে রুসোকে (০)। ওপেনার কুইন্টন ডি কক এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে এই মড়ক লাগা দেখছিলেন। দলের সেরা ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্স এলে ভরসা পেলেন কক। ইনিংস মেরামতের কাজে লাগলেন দুজন। কিন্তু অষ্টম ওভারে ষষ্ঠ বোলার হিসেবে বল পেয়ে ডোয়াইন ব্রাভো শিকার করলেন এবি ডি ভিলিয়ার্সকে (১০)। ১ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়লো দক্ষিণ আফ্রিকা। নিজের দ্বিতীয় ওভার করতে এসে গেইল তুলে নিলেন ডেভিড মিলারকে (১)। তাকে বোল্ড করে গেইল ভাবুক ও নিরাবেগ চেহারা নিয়ে গালে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন! ক্যারিবিয়ানরা কতোভাবে যে বিনোদন করতে জানে!

ডি কক এরপর পেলেন ডেভিড উইজেকে। এই অল রাউন্ডারকে সঙ্গী করে লড়াইয়ে নামলেন। খুব সাবধানে খেলতে হয়েছে। তাতে খুব দ্রুত ছোটেনি রানের চাকা। অন্য প্রান্তে উইজেও ছিলেন সরব। ৭.২ ওভার ব্যাট করেছেন তারা। ষষ্ঠ উইকেটে এসেছে ৫০ রান। রাসেলের বলে বোল্ড হয়েছেন কক। ৪৬ বলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় করেছেন ৪৭ রান। শেষ ৫ ওভারেও তেমন রান তুলতে পারেনি প্রোটিয়ারা। এসেছে ৩১ রান। এই সময়ে ৩ উইকেট হারিয়েছে তারা। উইজে ২৬ বলে ২৮ রান করেছেন। ক্রিস মরিস ১৬ রানে ছিলেন অপরাজিত। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন রাসেল, গেইল ও ব্রাভো। আসলে ক্যারিবিয়ান বোলাররা প্রতিপক্ষকে বড় রান করতে দিলেন না বলেই শেষ রক্ষা হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের।

স্কলাসটিকায় ‘একাত্তরের ক্ষুদিরাম’ মঞ্চস্থ

স্বাধীনতার মাস উপলক্ষে স্কলাসটিকা স্কুলের উত্তরা সিনিয়র শাখায় দুই দিনব্যাপী বার্ষিক নাটক ‘একাত্তরের ক্ষুদিরাম’ মঞ্চস্থ হয়েছে। গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার স্কুলের এসটিএম মিলনায়তনে মান্নান হীরা রচিত নাটকটি মঞ্চস্থ হয়।

স্কলাসটিকা নাটক ও সঙ্গীত ক্লাব পরিবেশিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক আনোয়ারা সৈয়দ হক ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপচিালক লিয়াকত আলী লাকী। সভাপতিত্ব করেন স্কুলের প্রিন্সিপাল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল(অব) কায়সার আহমেদ।

আশফাকুল আশেকীন ও সুবল কুমার ঘোষের নির্দেশনায় পরিবেশিত নাটকে স্কুলের তৃতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীরা অংশ নেয়। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করে তানাফ নুর, ইফাজ আয়োজাদ রফিক, নুজহাত তাবাসসুম ইবনাত সিলভা, সাইফ আল ইমাম শোতা, ঋতুপর্ণা ঘোষ ও লামিয়া জাহিন।

শিশু একাডেমির বইমেলার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন

জাতির জনকের ৯৭তম জন্মদিবস ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে ষষ্ঠবারের মতো শুরু হয়েছে ‘বাংলাদেশ শিশু একাডেমি বইমেলা ২০১৬’। আজ শুক্রবার সকাল ১১টায় মেলা উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত, এবং বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ওসমান গনি। সভাপতিত্ব করেন শিশু একাডেমির পরিচালক মোশাররফ হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিশুদের পরিবেশনায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও জাতীয় পতাকা হাতে নান্দনিক নৃত্য।

মেলা উদযাপন কমিটির সদস্যসচিব ও গ্রন্থাগারিক রেজিনা আক্তার কালের কণ্ঠকে জানান, মেলায় প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রয়েছে প্রথম থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক তিন বিভাগে প্রতিযোগিতা। বিষয় শনিবার চিত্রাংকন ও গণিতের ধাঁধা, রবিবার দেশের গান, সোমবার সাধারণ নৃত্য, মঙ্গলবার ধারাবাহিক গল্পবলা, রুবিক্স (পাজেল মিলানো) ও উপস্থিত রচনা লিখা, বুধবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক আবৃত্তি ও একক অভিনয় এবং বৃহস্পতিবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক একক অভিনয়। ২৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা চলবে বইমেলা। ছুটির দিনে মেলা শুরু হবে বেলা ১১টায়।

অগ্রণী ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সহযোগিতায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমি বইমেলায় ৫০টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত।

জেনে নিন, সফল নারী হতে কোন কোন গুণ থাকা প্রয়োজন

সাফল্যের সংজ্ঞা একেকজনের কাছে একেক রকমের। আমরা সবাই এক রকমের চিন্তা ভাবনা করি না। তাই আমাদের কাছে সাফল্যও আলাদা আলাদা ধরনের। কেউ মনে করেন মা হলেই নাকি সফল নারী হওয়া যায়। কেউ মনে করেন প্রচুর পড়াশোনা করলেই সফল নারী হওয়া যায়। আবার কেউ মনে করেন প্রচুর মানুষ যদি আমাদের পছন্দ করেন, তাহলেই সফল নারী হওয়া যায়। আপনি কি নিজেকে সফল নারী বলে মনে করেন? তাহলে আপনার কাছে সফল নারীর সংজ্ঞাটা কী? আর সঙ্গে এটাও জেনে নিন সফল নারী হতে গেলে কোন কোন গুণ থাকা প্রয়োজন।

১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী কর্মরতা মহিলাদের ওপর একটি সমীক্ষা করা হয়। সেই সমীক্ষা থেকে জানা গেছে, অনেকের মতে সফল নারী হতে গেলে মাসে ৪৯ হাজার টাকা স্যালারি, সুস্থ যৌন জীবন, ইনস্টাগ্রামে ৫০০ জন ফলোয়ার্স থাকলেই তাঁকে সফল নারী হিসেবে ধরা হবে। তবে এর পিছনে কিছু কারণও তাঁরা দিয়েছেন। যেহেতু টাকাই একটা সুন্দর সুস্থ জীবনের প্রধান অস্ত্র, তাই টাকা রোজগার করাটা খুবই দরকার।

এবার একঝলকে দেখে নিন সফল নারী হতে গেলে কোন কোন গুণগুলি থাকা বাধ্যতামূলক।

১) অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন।
২) বেশিরভাগ সময় খুশিতে থাকা।
৩) বন্ধুদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য।
৪) সংগঠিত এবং দক্ষ।
৫) ভালো মা।
৬) সঙ্গীর বিশ্বাসযোগ্য।
৭) মানুষকে হাসাতে পারা।
৮) কাজের জায়গায় উচ্চপদে থাকা।
৯) জীবনে কোনো রকম নাটকীয়তা না রাখা।
১০) সারাবিশ্বে ঘুরতে পারা।
১১) বন্ধুদের দরকারে অর্থ সাহায্য করা।
১২) ভালো রান্না করতে পারা।
১৩) প্রশংশনীয় স্টাইল করা।
১৪) সুস্থ যৌন জীবন।
১৫) বছরে অন্তত দুইবার বিদেশ ভ্রমণ।
১৬) বন্ধু-বান্ধব বা পরিবারের সঙ্গে বাইরে খেতে গেলে বিল পেমেন্ট করা।
১৭) মাঝে মধ্যেই ডিনার পার্টি দেওয়া।
১৮) ব্র্যান্ডেড জিনিসপত্র কেনা।
১৯) সঙ্গীর থেকে বেশি টাকা রোজগার করা।
২০) বন্ধু-বান্ধবের মধ্যেও সবচেয়ে বেশি রোজগার করা।
২১) ডিজাইনিং জুতা এবং পোশাক ব্যবহার করা।
২২) সপ্তাহে অন্তত দুইদিন বাইরে খেতে যাওয়া।
২৩) বন্ধু-বান্ধবের তুলনায় দামী গাড়ি ব্যবহার করা।
২৪) এমন পোশাক পরা, যাতে আপনার পোশাকের কালেকশন সম্পর্কে মানুষ জানতে চায়।
২৫) ইনস্টাগ্রামে ৫০০ জন ফলোয়ার্স।
২৬) ফেসবুক পোস্টে অন্তত ৫০ লাইক।
২৭) লেটেস্ট ফ্যাশন ফলো করা।
২৮) ফেসবুকে ৩০০-র বেশি বন্ধু থাকা।

জেনে নিন, আবেগপ্রবণ পুরুষরাই প্রেমিক হিসেবে সেরা

জীবনে কীরকম পুরুষ চাইছেন আপনি? চিরাচরিত রীতি মেনে strong ও silent? সমীক্ষা কিন্তু বলছে জীবনে সুখী হতে চাইলে মার্কামারা ‘ম্যাচো’ ইমেজ ছেড়ে বেড়িয়ে একটু অন্যরকম পুরুষ বেছে নিন। সংবেদনশীল পুরুষরাই কিন্তু সবচেয়ে ভালো জীবনসঙ্গী হতে পারেন।

কী করে বুঝবেন আপনার জীবনের পুরুষটি যথেষ্ট সংবেদনশীল কিনা, তা জেনে নিন এখানে।

* সাধারণত ছেলেরা যেসব বিষয় ভালোবাসে, যেমন রাজনীতির কচকচি বা খেলা, আপনার পুরুষসঙ্গীটি যদি তার বাইরেও ছোট ছেলেমেয়েদের সঙ্গে সময় কাটাতে পছন্দ করে বা পাড়ার কুকুর-বেড়ালদের সঙ্গেও অবসর সময়ে খেলে বেড়ায়, তবে বুঝবেন যে তিনি যথেষ্ট সংবেদনশীল। তাঁর এই ভালোবাসায় বিরক্ত না হয়ে শ্রদ্ধা করুন।

* আপনার হাবি বা বয়ফ্রেন্ড যদি সংবেদনশীল হন, তবে আপনার সঙ্গে অল্প ঝগড়াতেই তিনি ভেঙে পড়বেন। সমালোচনা সহজেই তাঁর মন ছুঁয়ে যায়। সামান্য মন কষাকষিতেই কি তিনি আপনাকে টেক্স্ট করা বন্ধ করে দেন? সেই সময়ে খারাপ লাগলেও বুঝবেন আপনাকে সহজে আঘাত করতে কিন্তু ইনি পারবেন না।

* আপনার পার্টনার যদি সংবেদনশীল হন, তাহলে অল্প মন কষাকষিতেই আঘাত পেলেও সহজে তিনি নিজের মনের কথা অন্যের সঙ্গে শেয়ার করেন না। ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা মারলেও নিজের মনের কথা মনেই রাখতে ভালোবাসেন ইনি।

* শিক্ষকতা বা এনজিও’র মতো কোনো পেশায় সাধারণত সংবেদনশীল পুরুষরা যুক্ত থাকতে ভালোবাসেন। অন্যকে সাহায্য করার ইচ্ছা থেকেই এই ধরনের পুরুষরা এই ধরনের পেশা বেছে নেন।

* যদি আপনার পার্টনারের নীতিবোধ ও আদর্শের প্রতি নিষ্ঠা থাকে, তাহলে বুঝবেন তিনি অত্যন্ত সংবেদনশীল। তিনি রাজনীতির বিষয়ে সচেতন? সমানাধিকারে বিশ্বাসী? তাহলে নিশ্চিন্তে ভরসা করতে পারেন। এমন ছেলে আপনাকে ধোঁকা দেবে না।

* তিনি কি খোলা মনে সবকিছুর প্রশংসা করতে ভালোবাসেন? সৌন্দর্য, জীবন, আপনি – সবেতেই তিনি মুগ্ধ হয়ে যান? সংবেদনশীল পুরুষ আপনার জন্মদিন মনে রাখেন, আপনাকে বিছানায় সন্তুষ্ট করতে চান এবং শুধু আপনার শরীর নয়, আপনার মন নিয়েও তাঁর আগ্রহ যথেষ্ট।

তাই নিশ্চিন্তে থাকুন। আপনার মিস্টার সংবেদনশীল আপনার মিস্টার রাইট। এঁরা বেশি বুদ্ধিদীপ্ত, বেশি কেয়ারিং হন। এদের হাত ধরে সারাজীবন হাঁটাই যায়।

সূত্র: এই সময়

পরের বছর এনগেজমেন্ট সারবেন হৃত্বিক-আশা!

বিয়ে করতে এখনও দুই থেকে তিন বছর। কিন্তু পরের বছরের মধ্যে এনগেজমেন্ট সেরে ফেলতে পারেন। এমনটাই জানিয়েছেন আশা নেগি। পাঁচ বছর ধরে সম্পর্কে আছেন হৃত্বিক ধনজানি ও আশা নেগি। সম্পর্কের কথা কখনও লুকোননি তাঁরা। নাচ বলিয়েতে তাঁরা একসঙ্গে পারফর্মও করেন। আশা জানিয়েছেন, এখন তাঁরা যেমন আছেন, ভালো আছেন। পরিস্থিতিটা উপভোগ করছেন। বিয়ের এখনও বছর দুই-তিন দেরি। কিন্তু সব ঠিক থাকলে পরের বছরই বাগদানপর্ব সেরে ফেলতে পারেন।

এখন তিনি ও হৃত্বিক, দুজনই ক্যারিয়ারের দিকে নজর দিতে চান বলে জানিয়েছেন আশা। তিনি আরও জানিয়েছেন, বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করার পরিকল্পনা করছেন হৃত্বিক। ফিল্ম সম্পর্কে তিনি খুব অ্যাম্বিশাস ও প্যাশনেট। তাঁর মনে হয় সুশান্ত সিং রাজপুতের মতোই একদিন বলিউডে সফল হবেন হৃত্বিক ধনজানিও।

দীপিকার টানে লস অ্যাঞ্জেলসে রণবীর!

হলিউডে এন্ট্রি নিতে চলেছে দীপিকা। লস অ্যাঞ্জেলস-এ চলছে জমিয়ে ‘ট্রিপল এক্স’-এর শুটিং। টাইট শিডিউলের মাঝে রণবীরের জন্য সময় বার করলেন দীপিকা। একসঙ্গে কাটালেন কিছু সময়।

বন্ধুর বিয়ে উপলক্ষে দীপিকা রয়েছে শ্রীলঙ্কা। তাই বুঝতেই পারছেন ঘটনাটি সাম্প্রতিক নয়। শ্রীলঙ্কা যাওয়ার আগে মুম্বাইতে রণবীরের ফ্ল্যাটে একান্তে সময় কাটান রণ-দীপি। এ খবর আমার সবাই জানি। যেটা জানতাম না, সেটা দীপিকার মুম্বাই আসার আগে লস অ্যাঞ্জেলসে নায়িকার কাছে উড়ে গিয়েছিলেন রকস্টার। যদিও পুরোটাই গুঞ্জন।

নিন্দুকেরা বলছেন। কিছুদিন আগে মুম্বাইয়ের খাবার মিস করছেন বলে টুইটারে একটি পোস্ট করেছিলেন নায়িকা। এক্স গার্লফ্রেন্ডকে সারপ্রাইজ দিতেই নাকি কলার চিপস, চাকলি নিয়ে লস অ্যাঞ্জেলসে হাজির হয়েছিলেন রণবীর।

জানেন কি চুইংগাম স্বাস্থ্যের জন্য কতোটা ক্ষতিকর

মানসিক চাপ হচ্ছে? একটু চুইংগাম চিবিয়ে নিন।  ক্ষুধা লাগছে? দ্রুত ক্ষুধা কমাতে চুইংগাম চিবান।  চুইংগামের এরকম অনেক ব্যবহারের কথাই হয়তো আমরা জানি।  তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন, চুইংগাম উপকারের চেয়ে অপকারই করে বেশি। যদি অতিরিক্ত খাওয়া হয়, এটি স্বাস্থ্যের জন্য খুব ক্ষতির কারণ হতে পারে।

চুইংগামের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনেক। চুইংগাম দাঁতে ক্ষত তৈরি করে। তাই দন্ত বিশেষজ্ঞরা চিনিহীন চুইংগাম খাওয়ার পরামর্শ দেন। আবার যে চুইংগামগুলোতে চিনি ব্যবহার করা হয় না সেগুলোতে এক ধরনের সুইটনার এক্সিটোল ব্যবহার করা হয়। যেটি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

মাথা ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে অনেকে চুইংগাম চিবিয়ে থাকেন। এটি একপর্যায়ে মস্তিষ্কে বাজে প্রভাব ফেলে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, চুইংগাম চিবানোর অভ্যাস নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ডায়াবেটিস অথবা ওজন বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।  লাইফস্টাইল বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে অতিরিক্ত চুইংগাম খাওয়ার কিছু অপকারিতার কথা।

দাঁতকে ক্ষতিগ্রস্ত করে

চুইংগাম খুব বেশি চিবানো দাঁতকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এর মধ্যে থাকা চিনি দাঁতের ক্ষয় করতে পারে। অন্যদিকে এর মধ্যে থাকা অম্ল জাতীয় উপাদান ও প্রিজারভেটিভ দাঁতের ভাঙন ও ক্ষয় করে।

মাথা ব্যথা বাড়ায়

বেশি চুইংগাম চিবানো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।  চোয়ালের ধারাবাহিক নড়াচড়া মাথায় চাপ তৈরি করে  এবং  ব্যথা তৈরি করে।  মাইগ্রেনের ব্যথার সঙ্গেও এর যোগ রয়েছে।

পেটে সমস্যা তৈরি করে

চুইংগাম চিবানোর মাধ্যমে কিছুটা বাতাস গেলা হয়।  এটি পেটের ব্যথা এবং পেট ফোলাভাব তৈরি করে। এটি ইরিটেবল বাউল সিনড্রমের (আইবিএস) কারণ হতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, চুইংগাম চিবানোর সময় মুখ বেশি খোলা রাখবেন না।

চোয়ালের সমস্যা করে

দীর্ঘক্ষণ ধরে চুইংগাম চিবালে চোয়ালে সমস্যা হয়। এতে টেমপোরোমেন্ডিবুলার জয়েন্ট ডিজঅর্ডার (টিএমজে) হতে পারে। এ ছাড়া টানা চুইংগাম চিবালে চোয়ালের পেশি ভারসাম্যহীন হয়ে যায়। এটি কান ও মাথা ব্যথা তৈরি করে।

ওজন বাড়িয়ে দেয়

চুইংগাম ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে। মানুষ ক্ষুধা দূরে রাখার জন্য চু্ইংগাম চিবায়। তবে গবেষণায় বলা হয়, চুইংগামে যে ধরনের উপাদান থাকে সেটি ক্ষুধা আরো বাড়িয়ে দেয়। এটি চিপস বা ফাস্টফুড খাওয়ার প্রতি আগ্রহ বাড়ায়। আর বেশি খাওয়া তো ওজন বাড়িয়েই দেয়। তাই না?

বিপাক ব্যাহত করে

চুইংগাম স্যালিভা উৎপাদন বাড়িয়ে দিতে উদ্দীপকের ভূমিকা পালন করে। এটি একপর্যায়ে বিপাক কার্যক্রমকে ব্যাহত করে। এটি আরেকটি স্বাস্থ্যগত ক্ষতির কারণ।

ভ্রূণের ক্ষতি করে

গর্ভাবস্থায় চুইংগাম খাওয়া খুবই অস্বাস্থ্যকর। এর মধ্যে রয়েছে সিনথেটিক উপাদান। এটি ভ্রূণের বৃদ্ধিতে বাজে প্রভাব ফেলে।

আধুনিক নোংরামির মাঝেও ভদ্র মেয়েদের কিছু সুন্দর বৈশিষ্ট্য

বর্তমান আধুনিক যুগে প্রায় সব মেয়েই নিজেকে অত্যাধুনিক মনে করে থাকেন। মূলত সে কারণেই অনেকেই বিভিন্ন ধরণের কুরুচিপূর্ণ পোশাক পরে নিজেকে অত্যাধুনিক হিসেবে উপস্থাপনের নোংরা খেলায় মেতে রয়েছে। ভদ্র মেয়ে মানুষ চিনে রাখা সবার জন্যেই দরকার। তাই ভদ্র মেয়েদের কিছু কমন বৈশিষ্ট্য নিচে তুলে ধরা হলো:

১) ভদ্র মেয়েরা সর্বপ্রথম তাদের পোশাক নিয়ে খুব সচেতন থাকে। এমন কিছু পরে না যাতে করে বাহিরের কেউ চোখ তুলে তাকাতে সাহস করে। অনেকে বোরখা পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

২) ভদ্র মেয়েরা প্রেমের ব্যাপার নিয়ে খুব সিরিয়াস থাকে। তারা সচারচর প্রেমে জড়াতে চাই না, কিন্তু যদি কারো সাথে প্রেমে জড়িয়ে যায়, তাহলে মন প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করে তা টিকিয়ে রাখতে।

৩) ভদ্র মেয়েরা সবসময় বন্ধু, পরিবার এবং বয়ফ্রেন্ডকে আলাদাভাবে গুরুত্ব দেয়। একটির জন্য অপরটির উপর প্রভাব পরুক তা তারা চাই না। যার জন্য তাদের ঝামেলা পোহাতে হয় বেশি।

৪) ভদ্র মেয়েদের রাগ একটু বেশি। যার উপর রেগে যায় তাকে মুখের উপর সব বলে দেয়। মনে কোনও রকম রাগ, হিংসে লুকিয়ে রাখে না। এতে অনেকের কাছে ঝগড়াটে উপাধিও পেয়ে বসে।

৫) ভদ্র মেয়েদের রাগের ঝামেলা পোহাতে হয় বিশেষ করে তাদের বয়ফ্রেন্ডকে। এরা রেগে থাকলে অযথা বয়ফ্রেন্ডকে ঝাড়ে। পরবর্তীতে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে সরি বলে। যে মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ডকে সরি বলে তাহলে বুঝতে হবে সে তার বয়ফ্রেন্ডকে খুব বেশি ভালোবাসে।

৬) ভদ্র মেয়েরা সাধারণত ফেসবুকে ছবি আপলোড দেয় না। যদি দেয় তাহলে প্রাইভেসি দিয়ে রাখে। ফেসবুকে কতিপয় লুলু পুরুষ থেকে তারা ১০০ হাত দূরে থাকে।

৭) ভদ্র মেয়েদের বন্ধু/বান্ধবের সংখ্যা খুব সীমিত থাকে।

৮) ভদ্র মেয়েরা আড্ডা বাজিতে খুব একটা যেতে চায় না। যার জন্য তাদের বন্ধু/বান্ধব থেকে ভাব্বায়ালি/আনকালচার খেতাব পেতে হয়।

৯) ভদ্র মেয়েদের কবিতা লেখার প্রতি আগ্রহ বেশি। তারা তাদের লেখা কবিতা সচরাচর কাছের মানুষ ছাড়া কাউকে দেখাতে চায় না।

১০) ভদ্র মেয়েরা সাধারণ ঘর কুনো স্বভাবের বেশি হয়।

১১) ভদ্র মেয়েদের কাছে পরিবারের সম্মানটুকু সবার আগে। তারা পরিবারের সম্মানের বিরুদ্ধে কোনও কাজ কখনও করে না।

শাকিব খানের অভিনয়ের প্রশংসা করে যা বললেন শ্রাবন্তী

কলকাতা থেকে মুঠোফোনে শ্রাবন্তী বলেন, ‘বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খান’। তার নাম আগেই শুনেছি। আশা করছি দুজন মিলে ভালো কাজ হবে। ছবিটির নায়িকা নির্বাচনের শুরুর দিকে শ্রাবন্তীকে সম্ভাব্য নায়িকাকে হিসেবে বলা হয়েছিল। পাশিপাশি আরও নায়িকা দেখা হচ্ছে বলে এসকে মুভিজ থেকে সেই সময় জানানো হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শ্রাবন্তীই কেন?

এ ব্যাপারে হিমাংশু ধানুকা বলেন, ‘চরিত্রটি একজন বাঙালী ঘরের সাধারণ মেয়ে’। শ্রাবন্তীর বিকল্প আর পাওয়া গেল না। তার সঙ্গে চরিত্রটি ভালো মানিয়ে যায়। এসকে মুভিজের সঙ্গে যৌথভাবে ছবিটি প্রযোজনা করছে বাংলাদেশের জাজ মাল্টিমিডিয়া। ছবিটি পরিচালনা করছেন বাংলাদেশ থেকে সীমান্ত ও কলকাতা থেকে জয়দীপ।

জাজ মাল্টিমিডিয়া​র কর্ণধার আবদুল আজিজ জানিয়েছেন, ১ মার্চ থেকে ছবিটির শুটিং শুরু হয়েছে। কলকাতার লোকেশন দিয়ে ছবিটির শুটিং শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে শাকিব খানের অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন শ্রাবন্তী। তার ভাষায় শাকিব খান দূর্দান্ত অভিনেতা। আরো জানিয়েছেন তিনি আরো অনেক ছবিতে কাজ করতে চান শাকিব খানের সাথে।

জান্নাতি পুরুষেরা পাবে ৭০ টি হুর,,, কিন্তু নারীরা কি পাবে ? (ভিডিও সহ)

জান্নাতে পুরুষেরা ৭০ জন হুর পাবে। কিন্তু নারীর জন্য কি আছে? বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই এই প্রশ্নের উত্তরে যেটা পাওয়া যায় তা হল, নারীরা তার (দুনিয়ার) স্বামীকে পাবে। পুরুষের জন্য ৭০ জন হুর আর নারীর জন্য দুনিয়ার স্বামী। নারীদের ভাগে তো কম দেওয়া হয়ে গেল। এর চেয়ে বড় প্রশ্ন হল, ৭০ জন হুরের কাছে নিজের স্বামী যাচ্ছে, এটা একজন নারী কিভাবে মেনে নিবে? দুনিয়াতে নারীরা তো বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই বঞ্চিত। জান্নাতেও কি তারা বঞ্চিত হবে?

বিষয়টি বুঝতে গেলে প্রথমে বুঝতে হবে, কোন চরিত্রের লোকেরা জান্নাতে যাবে। যখন আদম-হাওয়াকে দুনিয়াতে পাঠানো হয়েছিল তখন দুনিয়াটা স্বর্গের মতনই ছিল। কোলাহল, পরিবেশ দুষন, রোগ বালাই, হিংসা, চুরি, ডাকাতি, মারামারী, খুন, ধর্ষন এসব কিছুই ছিল না। ধীরে ধীরে মানুষ দুনিয়াকে আজকের মতন বানিয়ে ফেলেছে। দুনিয়া তো ক্ষনস্থায়ী, জান্নাত অনন্তকালের জন্য। দুনিয়ার সব মানুষকে যদি একসাথে জান্নাতে ঢোকানো হয় তাহলে ওখানের পরিবেশ নস্ট করে ফেলতে বেশীদিন লাগবে না। একজন আরেকজনের জমি দখল করবে, একজন আরেকজনের হুরকে ধর্ষন করবে, ইত্যাদি। কে কি করবে এটা দেখানোর জন্যই আমাদের দুনিয়ার জীবন। দুনিয়াতে যাদের আকাম করে অভ্যাস আছে তারা জান্নাতে গেলেও আকামই করবে। এজন্যই বাছাই করা , সৎ চরিত্রের, আকাম-কুকাম মুক্ত লোকই জান্নাতে প্রবেশ করবে। যদিও জান্নাতে প্রবেশের প্রথম শর্ত হল ঈমান। আর ঈমানদার লোক অসত চরিত্রের হয় না। জান্নাতের নারী পুরুষ উভয়েই হবে উত্তম চরিত্রের অধিকার।

ভারতী চ্যানেল গুলো যুবক-যুবতীদের নষ্ট করছে,, বিনোদনের নামে এ কেমন যৌনতা ! (ভিডিওসহ দেখুন)

ভারতী চ্যানেল গুলো যুবক-যুবতীদের নষ্ট করছে,, বিনোদনের নামে এ কেমন যৌনতা ! (ভিডিওসহ দেখুন)

সানি লিওন নেই,,! কিন্তু এই যুবতী ভাবী অভাব টা বুঝতেই দিচ্ছে না,, পুরাই মাথা নষ্ট ! (ভিডিওসহ দেখুন)

সানি লিওন নেই,,! কিন্তু এই যুবতী ভাবী অভাব টা বুঝতেই দিচ্ছে না,, পুরাই মাথা নষ্ট ! (ভিডিওসহ দেখুন)