মাড়ির রক্তক্ষরণ

2uyiu

প্রকৃতিক উপাদান দিয়ে সমস্যা দূর করা যেতে পারে।

স্বাস্থবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে জানানো হয়, বিশেষ কোনো কারণ ছাড়া মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে ধরে নেওয়া যেতে পারে হয়ত জিনজিভাইটস বা মাড়ি ফোলো রোগ হয়েছে।

অনেকেই এই সমস্যায় ভুগলেও অনেক ক্ষেত্রেই খুব একটা গুরুত্ব দেওয়া হয় না। এ সমস্যা বেড়ে গেলে দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। তবে মাড়ির রক্তক্ষরণ রোধে ঘরোয়া কিছু উপাদান বেশ উপযোগী।

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে মাড়ির রক্তক্ষরণ রোধের ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি তুলে ধরা হয়।

অ্যালোভেরা: ত্বক ও চুলের যত্নে অ্যালোভেরার উপকারীতা সম্পর্কে জানে না এমন মানুষ নেহাত কম। তবে এই ভেষজ উপাদান মাড়ি সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে। মাড়ির ফোলা এবং জ্বালা ভাব কমিয়ে মাড়ি থেকে রক্ত পড়া রোধে সাহায্য করে।

একটি পাতার ভিতরের জেল খানিকটা আঙুলে নিয়ে মাড়িতে ভালোভাবে লাগিয়ে নিতে হবে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে কুলি করে মুখ ধুয়ে ফেলা যাবে। সামান্য মাড়ির সমস্যা সেরে উঠবে এই পদ্ধতিতে।

দাঁত মাজা এবং ফ্লসের ব্যবহার: যে কোনো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আগে প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়াই ভালো। তাই নিয়মিত দুবার অন্তত দাঁত মাজা এবং দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা ময়লা দূর করতে ফ্লস ব্যবহার করা উচিত। এতে পরিষ্কার ও ঝকঝকে থাকার পাশাপাশি দাঁতের অনেক সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।

তাজা ফল ও সবজি: শুধু সুস্বাস্থ্যের জন্য নয়, সুস্থ দাঁত ও মাড়ির জন্যেও দরকার। ভিটামিন, খনিজ উপাদান এবং স্বল্প পরিমানে ক্যালরি থাকে। তাই কাঁচাসবজি ও ফল চিবিয়ে খেলে দাঁত থেকে রক্ত পড়ার সমস্যা কমতে পারে।

লবণপানি দিয়ে গারগল করা:
মুখ ও দাঁতের সমস্যা সমাধানে দারুণ উপকারী একটি উপায়। গরম পানিতে লবণ গুলিয়ে দিনে তিনবার গারগল করলে দাঁত থেকে রক্ত ক্ষরণের সমস্যা কমে আসবে।

মুখের ভেতরের যত্ন

young beautiful mother teaching her daughter brushing teeth

মুখের দুর্গন্ধ বা হলুদ দাঁত নিয়ে যে শুধু বিব্রতকর অবস্থাতেই পড়তে হয় তা নয়, মুখের এই সমস্যাগুলো স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর।

মুখের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সচেতন না হলে মুখে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ বৃদ্ধি পায়, যা দাঁত ও মাড়ির ক্ষতি করে।

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের একটি প্রতিবেদনে মুখের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে পাঁচটি বিষয় উল্লেখ করা হয়। এ প্রতিবেদনে সেই ধাপগুলোই উল্লেখ করা হলো।

দাঁত ব্রাশ

মুখের যত্নে নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করার আর কোন বিকল্প নেই। ফ্লুরাইডসমৃদ্ধ টুথপেস্ট দিয়ে নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করলে দাঁত ও মুখ সুস্থ থাকে এবং জীবাণুর সংক্রমণ রোধ করা যায়। এতে করে মুখের দুর্গন্ধ কম হয় এবং দাঁতের হলদেটেভাবও দূর হয়। তাছাড়া দাঁত ক্ষয় বা ক্যাভিটি হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

পানি পান

মুখের দুর্গন্ধ ও দাঁতের ক্ষয় রোধে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পানের অভ্যাস তৈরি করতে হবে। বেশি করে পানি পান করার কারণে মুখে জীবানুর সংক্রমণ কম হয়। তাছাড়া পানি পান বা কুলিকুচি করার ফলে দাঁতের ফাঁকে লেগে থাকা খাদ্যকণা পরিষ্কার হয় এবং ক্ষতিকর ব্যকটেরিয়া দূর করে।

জিহ্বা পরিষ্কার করা

জিহ্বা মুখের স্বাস্থ্য ও দাঁতের জন্য ক্ষতিকর ব্যাক্টেরিয়ার আবাসস্থল। তাই নিয়মিত জিহ্বা পরিষ্কার না করলে জীবাণুর সংক্রমণ বাড়তে থাকবে। তাই নিয়মিত জিহ্বার উপরের আস্তরণ পরিষ্কার করতে হবে।

আপেল ও গাজর

আপেল মুখে লালারসের প্রবাহ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। যা মুখের ক্ষারভাব দূর করে এবং দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা খাদ্যকণা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। গাজরও ঠিক একইভাবে দাঁতের জন্য উপকারী।

বেকিং সোডা

বেকিং সোডা একটি ক্ষারীয় উপাদান। সপ্তাহে একদিন বেকিং সোডা দিয়ে দাঁত মাজলে দাঁতের উপর জমে থাকা আস্তরণ দূর হয়। তাছাড়া বেকিং সোডা দাঁতের হলদেটেভাব দূর করতে সাহায্য করে।

গান আর কবিতায় মাতালেন ফারহান

hlnknbbi

দয়া করে সবাই যে যাঁর আসন গ্রহণ করুন, এরপরই অতিথি মঞ্চে উঠবেন।’ এমন নির্দেশনা প্রায় প্রতিটি অনুষ্ঠানেই দেওয়া হয়। কিন্তু গতকাল বৃহস্পতিবার ঘটল ভিন্ন ঘটনা। অনুষ্ঠান সঞ্চালক বললেন, ‘আপনারা আসন ছেড়ে উঠলেই মঞ্চে আসবেন ফারহান!’ এই ঘোষণা দিয়েই গতকাল রাত সাড়ে আটটায় শুরু হলো ‘ফারহান লাইভ ইন ঢাকা কনসার্ট’। বলিউড তারকা ফারহান আখতার ঠিক তখনই মঞ্চে উঠলেন, যখন সত্যিই আসন ছেড়ে সবাই উঠে গেলেন মঞ্চের সামনে।
চৈত্র মাস। তবে দাবদাহ ছিল না। বরং বেরসিক ঝড়-বৃষ্টির কারণে পুরোটা দিনই মন ভার ছিল আকাশের। তবে যাঁরা ফারহান আখতার আসবেন বলে অপেক্ষায় ছিলেন, তাঁদের কিন্তু উচ্ছ্বাসের কমতি ছিল না। বৃষ্টি ভেজাতে পারেনি তাঁদের ফারহান-প্রীতিকে। বলিউডের ‘সর্বগুণসম্পন্ন’ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত এই তারকা গতকাল আসেন ঢাকায়, ‘ফারহান লাইভ ইন ঢাকা’ নামের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। ব্লুজ কমিউনিকেশনস আয়োজিত এ কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটির নবরাত্রি হলে গতকাল সন্ধ্যায়।
বৃষ্টিভেজা ঢাকার রাস্তা আর ট্রাফিক জ্যাম উতরে ফারহান আসেন। তিনি ঢাকায় এসেছেন তাঁর গানের দল ‘ফারহান লাইভ’ নিয়ে। দলের সদস্য, শব্দ প্রকৌশলী আর ব্যবস্থাপকসহ দলে মোট ১৭ জন।
গান, অভিনয়, পরিচালনা, লেখালেখিসহ সর্বেসর্বা এই ফারহান মূলত তাঁর গানের প্রতিভা দেখাতেই এবার এসেছেন এই শহরে।
গুণী গীতিকার ও লেখক জাবেদ আখতার ও হানি ইরানির ছেলে ফারহান মাত্র ১৭ বছর বয়সে সহকারী পরিচালক হিসেবে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করেন। তাঁর পরিচালিত ছবির মধ্যে আছে দিল চাহতা হ্যায়, ডন ও ডন-২। ফারহান আখতার অভিনীত আলোচিত ছবির মধ্যে আছে রক অন, জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা, ভাগ মিলখা ভাগ। ফারহানের সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ওয়াজির। মুক্তির অপেক্ষায় আছে প্রযোজক ফারহানের ছবি শাহরুখ খান অভিনীত রাইজ। আর অভিনেতা ফারহানকে শিগগিরই দেখা যাবে রক অন টু ছবিতে।
ফারহান তাঁর কবিতা ‘জিন্দা হো তুম’ দিয়ে শুরু করেন তাঁর পরিবেশনা। মঞ্চের পেছন থেকে কবিতার লাইনগুলো আবৃত্তি করে শ্রোতা-দর্শকদের আরও উদ্গ্রীব করে তোলেন তিনি। কবিতা শেষে মঞ্চে উঠেই নিজের জনপ্রিয় কিছু গান করেন তিনি। বলেন, ‘প্রথমবার এলাম বাংলাদেশে। একটাই চাওয়া, আপনাদের এই উচ্ছ্বাসটাই দেখতে চাই প্রতিটি গানের সময়। এরপর একে একে গেয়ে যান তাঁর পরিচালিত লক্ষ ছবির গান ‘ম্যায় অ্যায়সা কিউ হু’, ‘টেনশন কিউ লেতে হো’, ‘সেনোরিটা’, ‘রক অন’সহ আরও অনেক। গানের মাঝে মাঝে কবিতা আবৃত্তিও চলতে থাকে। গান থামিয়ে একসময় শ্রোতাদের জানান তাঁর নিজের উদ্যোগে চালু করা ক্যাম্পেইন ‘মার্দ—ম্যান অ্যাগেইনস্ট রেপ অ্যান্ড ডিসক্রিমিনেশন’ (MARD—Man Against Rape and Discrimination)। ‘হি ফর সি’-এর উদ্যোগে নিজের সম্পৃক্ততার কথা শ্রোতাদের জানিয়ে এ বিষয়ে লেখা নিজের একটি কবিতা শোনান তিনি। এ রকম গান আর কবিতায় বাড়তে থাকে রাত।

ক্লাব স্বার্থে আবার বলি ক্রিকেটাররা

idfhoyp

প্রত্যেক মৌসুমেই ঢাকার প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছ থেকে ৭ লাখ টাকা অনুদান পেয়ে থাকে। এবার সেই অঙ্কটি বাড়ছে। গতকাল গুলশানের এক রেস্তোরাঁয় ওয়ার্কিং কমিটির সভাশেষে বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস তা কেমন এবং কেন বাড়ছে, জানাতে গিয়ে বলছিলেন, ‘অনুদানের অঙ্কটা শতকরা ২৫ ভাগ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বাড়ানোর কারণ বৃষ্টির মৌসুমে লিগ হচ্ছে বলে এবার ক্লাবগুলোর খরচও তো বেড়ে যাচ্ছে অনেক।’

বাড়তি খরচ নির্বাহের জন্য ক্লাবগুলোর বড় অঙ্কের ‘বৈশাখী বোনাস’ প্রাপ্তিও নিশ্চিত হয়েছে এনায়েত হোসেন সিরাজের নেতৃত্বাধীন ওয়ার্কিং কমিটির সভায়। ঠিক হয়েছে, ২০ এপ্রিল থেকে প্রস্তাবিত প্রিমিয়ার লিগের খেলা বৃষ্টির মৌসুমে বলে প্রতিটা ম্যাচের জন্যই এবার ‘রিজার্ভ ডে’ থাকবে। কিন্তু তাহলে যে আবার অনুশীলন শিবিরে রেখে ক্রিকেটারদের খাওয়ানোর খরচ বেড়ে যায় ক্লাবগুলোর! সেজন্য তারা এবার ‘ঝোপ বুঝে কোপ’ মেরে রাখতেও বিলম্ব করেনি! বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) প্রথম আসরের লভ্যাংশ থেকে অর্থের দাবি যখন আগেও পূরণ করা হয়েছে, তখন আবার নয় কেন! এবারও তারা সবশেষ বিপিএলের লভ্যাংশ থেকে একই হারে টাকা চেয়ে রেখেছে। অঙ্কটা সুপার লিগের ছয়টি দলের জন্য ৩৫ লাখ হলেও অন্যান্য দলগুলোর ২৫ লাখ টাকা। এই অঙ্কই দেওয়া হবে কি না, তা চূড়ান্ত না হলেও এ সিদ্ধান্ত ঠিকই হয়ে গেছে বলে নিশ্চিত করলেন জালাল, ‘তৃতীয় বিপিএলে তো আয়ও কমে এসেছে বিসিবির। কাজেই সেটিও বিবেচনায় রাখতে হবে। তাই ক্লাবগুলো কত করে পাবে, তা একটু ভেবেচিন্তেই ঠিক করা হবে। তবে সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে যে বিপিএলের লভ্যাংশ থেকে টাকা দেওয়া হবে ক্লাবগুলোকে।’

কিন্তু কালকের সভায় ক্লাব স্বার্থরক্ষায় যতটা মনোযোগী ছিলেন বিসিবি কর্মকর্তারা, ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে কিছুতেই তা নন। হলে ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েস’ নামের লটারিভিত্তিক দলবদল পদ্ধতির মাধ্যমে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিকের অঙ্কে লাগাম পরানোর পরও কাল আরেক দফা কমিয়ে দিত না! আইকন ও ‘এ প্লাস’ ক্যাটাগরির ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিকে অবশ্য হাত দেওয়া হয়নি, ৩০ এবং ২৫ লাখই আছে। ঠিক আছে ‘ই’ ক্যাটাগরির সাড়ে ৩ লাখ টাকাও। কিন্তু ‘এ’ ২২ লাখ থেকে ২০, ‘বি প্লাস’ ১৮ লাখ থেকে ১৫, ‘বি’ ১৫ লাখ থেকে ১২, ‘সি’ ১০ লাখ থেকে ৮ এবং ‘ডি’ ৬ লাখ থেকে ৫ লাখে নামিয়ে আনা হয়েছে ওয়ার্কিং কমিটির সভায়। এই কমানোর কারণ ব্যাখ্যায় জালাল বললেন, ‘কমিয়ে দেওয়া হয়েছে কারণ এবার তো ক্লাবগুলোর খরচ বেড়ে যাচ্ছে। সিসিডিএম আমাদের কাছে এরকম প্রস্তাবই রেখেছিল।’

সিসিডিএম (ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিশ) হয়ে ক্লাবগুলোর দাবি নিয়ে ওয়ার্কিং কমিটির সভায় যাঁরা বসেছিলেন, তাঁরা নিজেরাও অবশ্য কোনো না কোনো ক্লাবেরই প্রতিনিধি। তাই তাঁদের কাছে ক্রিকেটারদের স্বার্থ উপেক্ষিত হওয়াটা খুব অস্বাভাবিক কিছু নয়। নানাভাবে ক্লাবের অনুদান বাড়িয়েও খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক কমানোটা কোন ‘নীতি’র মধ্যে পড়ে, এ প্রশ্ন তবু থাকছেই। ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ঠিক হয়েছে ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েস’ নামের দলবদল হবে আগামী ১০ এপ্রিল। এবার কিছু নতুনত্বও থাকছে বলে জানিয়েছেন জালাল, ‘প্রতিটা দল তাদের আগের মৌসুমের খেলোয়াড় তালিকা থেকে দুজনকে রেখে দিতে পারবে। ওই দুজনের নাম আগেই জানিয়ে দিলে লটারিতে আর ওদের নাম তোলা হবে না। ক্যাটাগরি অনুযায়ী পারিশ্রমিক বুঝিয়ে দেওয়া হবে ওদের।’ প্রথম বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ হয়ে আসা দুই দলের তো সে উপায় নেই। তাই ব্যবস্থা আছে তাঁদের জন্যও, ‘লটারিতে প্রথম খেলোয়াড় ডাকার সুযোগ পাবে তারা।’ দেশীয় ক্রিকেটারদের কথা ভেবে বিদেশি কমানোর একটি সিদ্ধান্তের কথাও বললেন জালাল, ‘‘আগের প্লেয়ার্স বাই চয়েসে তিনজন বিদেশি খেলানোর সুযোগ ছিল। কিন্তু এবার প্রত্যেক ম্যাচে একজন বিদেশিই খেলানো যাবে। এতে করে বিদেশি কমে যাওয়ায় আমাদের দেশি খেলোয়াড়দের খেলার সুযোগ কিন্তু বাড়ছে।’

আর যে আসরের লভ্যাংশের দিকে বরাবরই চোখ ক্লাবগুলোর, সেই বিপিএলের চতুর্থ আসর আগামী নভেম্বরেই করার সিদ্ধান্তও কাল পাকা করেছে ওয়ার্কিং কমিটি।

উড়ে এসেই ফাইনাল-ভাগ্য লিখলেন সিমন্স

m,ol

বিরাট কোহলি পারলেন, পারল না তাঁর দল। ক্রিস গেইল পারলেন না, পারল তাঁর দল। ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেমিফাইনাল দ্বৈরথে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিলেন এই দুই ব্যাটসম্যান। কিন্তু ক্রিকেট দেবতা একজনকে ব্যক্তিগতভাবে খুশি করেও পোড়ালেন হতাশার আগুনে। আর আরেকজনের ব্যক্তিগত ব্যর্থতা জুড়িয়ে দিলেন ফাইনালে ওঠার আনন্দে। মুম্বাইয়ে তাই ক্যারিবীয়দের উৎসবে গ্যালারিতে লজ্জায় মুখ লুকালেন শচীন টেন্ডুলকার থেকে শুরু করে বলিউড অভিনেতা অনিল কাপুর।

ক্যারিবিয়ানদের উল্লাস একটু বেশিই যেন। ছেলেদের আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ মেয়েরাও যে নাম লিখিয়েছে মহিলা বিশ্ব টি-টোয়েন্টির ফাইনালে। ম্যাচ শেষে ধারাভাষ্যকার সঞ্জয় মাঞ্জেরেকারের সঙ্গে সেই আনন্দটাও ভাগাভাগি করে গেলেন অধিনায়ক ড্যারেন সামি।

একেই বলে ভাগ্য। একাদশে তো দূরে থাক, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশ্ব টি-টোয়েন্টির স্কোয়াডেও জায়গা হয়নি লেন্ডল সিমন্সের। সেই তিনিই কিনা উড়ে এসে ছুড়ি বসিয়ে দিলেন ভারতীয়দের হৃদয়ে! ভারতীয়দের অনেকের এখন মনে হতেই পারে কেন চোটে পড়লেন আন্দ্রে ফ্লেচার! এই ব্যাটসম্যানের চোটের কারণেই যে ডাক পড়ে সিমন্সের। ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে মুম্বাইয়ে উড়ে এসে একাদশেও মিলে যায় সুযোগ। আর সেটা কি চমত্কারভাবেই না কাজে লাগালেন এই ব্যাটসম্যান। ৫১ বলে হার না মানা ৮২ রানের ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে ছাড়লেন মাঠ। ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে না উঠলে কী হয়! সেই পুরস্কার নিতে এসেই তিনি অনুভূতি ভাগাভাগি করলেন এভাবে, ‘ফ্লাইটের পুরোটা সময় ঘুমে কাটিয়েছি। আফগানিস্তানের ম্যাচের পর ফোন পেয়েছিলাম। আমাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, আমি ফিট কি না…বললাম, হ্যাঁ, ওরা (টিম ম্যানেজমেন্ট) বলল, চলে এসো।’

সিমন্সের ডাক পাওয়ার বড় কারণ সম্ভবত মুম্বাইয়ের মাঠে খেলা বলে। আইপিএলে ওয়াংখেড়ে যে তাঁর ঘরের মাঠ। সেই মাঠেই নিজেকে প্রমাণ করতে পেরে ভীষণ খুশি এই ব্যাটসম্যান, ‘মুম্বাইয়ের হয়ে যেহেতু খেলি তাই এই মাঠটা আমার পছন্দের। খুব উপভোগ করি এখানকার খেলা। আমার মনে হয় এটা আমার অন্যতম সেরা ইনিংস। ভীষণ খুশি ভক্তদের কাছে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ পেয়ে।’ শুধু হঠাৎ করে দলে সুযোগ পাওয়াই নয়, সেমিফাইনালে দু-দুবার জীবন পেয়েছেন নো বল ভাগ্যে। আরেকবার বেঁচে গেছেন রবীন্দ্র জাদেজার পা সীমানা ছুঁয়ে যাওয়ায়। নিজেকে তাই সৌভাগ্যবান মনে করাটা স্বাভাবিক সিমন্সের, ‘তিনটি সুযোগ পেয়েছিলাম। দুটো নো বল এবং একবার ছক্কা হয়ে যাওয়ায়। সেটা পুরোপুরি তুলে নিয়েছি। অবশ্যই ভাগ্যের ছোঁয়া ছিল।’

১৯২ রান, সেমিফাইনালের উত্তাপ ছড়ানো ম্যাচে নিঃসন্দেহে বড় স্কোর। এর পরও কিনা সামি বলছেন ভারত ১০ রান কম করেছিল, ‘ভারতের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে জয় পাওয়ায় অবশ্যই বিশাল এক ধাপ ফেললাম। দলের সবার প্রশংসা করতে হবে। বিরতির সময় আমরা জানতাম ওরা ১০ রান কম করেছে।’ ভারতের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি হারের কারণ হিসেবে ‘১০ রান কম’ করার বিষয়টি এড়িয়ে গেলেন প্রসঙ্গ একটু অন্য দিকে ঘুরিয়ে, ‘স্পিনাররা সুবিধা করতে পারেনি। কন্ডিশন খুব কঠিন ছিল। গোটা ম্যাচে একমাত্র যে বিষয়টি নিয়ে আমি হতাশ, সেটা হলো দুটো নো বল। নইলে ছেলেরা সবাই নিজেদের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করেছে।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশংসার জোয়ারে ভাসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলটির কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান ব্রায়ান লারা টুইটারে লিখেছেন, ‘অসাধারণ, অসাধারণ, অসাধারণ! শাবাশ ওয়েস্ট ইন্ডিজ।’ গ্লেন ম্যাকগ্রা আবার লিখেছেন, ‘কী খেলাটাই না হলো! এমনটা আমি কখনো দেখিনি।’ আর গ্যালারিতে বসে ভারতের হতাশাজনক হার দেখা টেন্ডুলকারের টুইট, ‘দুর্ভাগ্য ছেলেদের। ভালো একটা ম্যাচ ছিল, দারুণ লড়াই হয়েছে। ফাইনালের জন্য শুভকামনা রইল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ডের।’

৫টি সহজ উপায়ে রাগ কমান

jiub

রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন। অনেকেরই হিতাহিত জ্ঞান থাকে না রেগে গেলে৷ জিনিস ছুঁড়ে ফেলা , রাগের মাথায় ভালোমন্দ বলা , গায়ে হাত তোলার ঘটনাও ঘটে৷ সময়ে -অসময়ে আমরা সবাই একটু-আধটু রেগে যাই৷ তবে রাগ যদি বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে যায় , তা মোটেই ভালো নয়৷ তবে রাগ নিয়ন্ত্রণ করাও খুব একটা কঠিন নয়৷ কারণ পুরোটাই আপনার হাতে৷ এবার থেকে রেগে গেলে কয়েকটা কথা মাথায় রাখুন৷

১) রাগের মাথায় কাউকে কোনও কথা বলার আগে একবার ভাবুন৷ রাগের মাথায় খারাপ কথা বলে পরে অনুশোচনা করবেন না তো ? অনেক সময় এর ফলে আমাদের প্রিয়জনের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যেতে পারে৷ তাই কিছু বলে ফেলার আগেই রাগ নিয়ন্ত্রণ করুন৷ হয় মাথা ঠাণ্ডা রেখে , ধৈর্য ধরে কথা বলুন , না হলে এই বিষয়ে পাল্টা কিছু বলতে হলে একটু সময় নিন | আপনার রাগ হয়েছে , সেই ব্যাপারটা শান্ত ভাবে থেকেও বুঝিয়ে দেওয়া যায়৷

২) কোনও সমস্যা দেখা দিলে , যদি তা সহজে সমাধান না হয় , তাহলে সবার আগে মাথা ঠাণ্ডা রাখার চেষ্টা করুন৷ রাগের মাথায় ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলতে পারেন৷ তাতে সমস্যা আরও বাড়তে পারে৷ বরং ঠাণ্ডা মাথায় সমস্যার সমাধানের রাস্তাগুলো ভাবুন৷ বা কারও সঙ্গে কোনও বিষয়ে মতের অমিল হলেও , তাঁর উপর রেগে ভালোমন্দ কথা না বলে , তাঁর সঙ্গে মনোমালিন্যের বিষয় নিয়ে আলোচনা করুন৷

৩) আপনার রাগ যদি বাড়াবাড়ির পর্যায়ে চলে যায় , তবে কাউন্সেলিং -এর কথা ভাবতে পারেন৷ সঠিক কাউন্সেলিং -এর সাহায্যে অ্যাঙ্গার ম্যানেজমেন্ট করতে সুবিধা হবে৷ তাছাড়া নিয়মিত ওয়ার্ক আউট করুন৷ খেয়াল করে দেখুন আমাদের রাগের কারণ আসলে স্ট্রেস৷ নিয়মিত শরীর চর্চা করলে সহজেই স্ট্রেসড হয়ে পড়ার আশঙ্কা কম৷ তাই এবার থেকে যখনই রেগে যাবেন , একটু রাস্তায় বেরিয়ে হেঁটে আসুন৷ খানিক পরে দেখবেন , রাগ অনেকটাই কমে গিয়েছে৷ মিউজিকও রাগ কমিয়ে দিতে পারে৷

৪) রাগ হলে , অন্যের দোষ না দেখে একটু বিষয়টি নিরপেক্ষ ভাবে দেখার চেষ্টা করুন৷ আপনার নিজের দোষটা চোখে পড়বে তাহলে৷ তাতে অপর ব্যক্তির প্রতি আর ততটা রাগ হবে না৷ কারোর সঙ্গে কোনও সমস্যা হলে , তা মিটিয়ে নিন৷ রাগ পুষে রাখলে আপনারই ক্ষতি৷

৫) যদি কারও উপর রাগ হয় , নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করুন৷ কথা কাটাকাটির কোনও পরিবেশ তৈরি হওয়ার আগেই , হালকা ঠাট্টা বা প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে দিন৷ তাতে পরিস্থিতি অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে৷

বফর্স বিতর্ক : ২৫ বছরের ‘যন্ত্রণা’র কথা বিগ বি’র ব্লগে

ko7yl

কোনো অপরাধ না করেও বফর্স বিতর্কে নিজের ও পরিবারের নাম ওঠায় ২৫টি বছর ধরে যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়েছে, বললেন অমিতাভ বচ্চন। তাঁর অস্তিত্বই সঙ্কটে পড়েছিল বলে অভিমত জানিয়েছেন তিনি।

নিজের ব্লগে তিনি লিখেছেন, আমার পরিবার, আমাকে যখন বফর্স কেলেঙ্কারিতে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছিল, আমাদের বেঁচে থাকার প্রতিটি মূহূর্ত ঘিরেছিল সবচেয়ে অন্ধকারের রং। ২৫ বছর বাদে আদালত সত্যটা প্রকাশ্যে আনলেন…বচ্চনদের নাম ‘জড়ানো হয়েছিল’!! ২৫ বছর পর!!

৭৩ বছর বয়সি অমিতাভের মত, প্রযুক্তির যুগে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা খুবই সহজ এবং লোকে প্রকৃত ঘটনা খতিয়ে, যাচাই করে দেখার প্রয়োজনও বোধ করে না।

তিনি লিখেছেন, বিতর্ক সবচেয়ে দ্রুত ছড়ায়। আর তাতেই বিশ্বাস করে লোকে, সমুদ্রগর্ভে সূক্ষ্ম তারের মধ্য দিয়ে বা আকাশপথে স্যাটেলাইটে সঞ্চারিত তথ্যের বানে। এক অপ্রতিহত মরুঝড়ে শুধু যুক্তি, বিচারবোধের দৃষ্টিই আচ্ছন্ন হয় না, সভ্য মানসিকতার ভিতটাই ধ্বংস হয়ে যায়।

ঘটনাচক্রে ২০১২ সালে অমিতাভ ক্লিনচিট পান। তাঁকে দীর্ঘ সময় ‘মিথ্যা, প্রতারণা’-র বোঝা মাথায় নিতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

লিখেছেন, যখন ব্যাপারটা সামনে এল, আমার প্রতিক্রিয়া চাওয়া হল। কী বলা যায়, কী বলা উচিত তখন? ২৫ বছরের কষ্ট কি মুছে দেওয়া যায়? অসম্মানের কালি কি তুলে দিতে পারবে ওরা!

এক ফোঁটা পানির জন্য আমিরের বাড়িতে এলাে বলিউড

tglbh,j.buh

পারফেকশনিস্ট হিসেবে বলিউডে যেমন তাঁর সুনাম রয়েছে, তেমনই নামডাক রয়েছে সেরা বিজনেস স্ট্র্যাটেজি বের করার জন্যও!
তবে, স্ট্র্যাটেজি-সংক্রান্ত সেই সব পুরনো রেকর্ড সম্প্রতি নিজেই ভেঙে গুঁড়িয়ে দিলেন আমির খান। তৈরি করলেন এক নতুন নজির।
কিন্তু, কোনও ছবির জন্য নয়। এক ফোঁটা পানির জন্য।

কঙ্গনা রানাউত
মুম্বাই যে এই সময়ে তীব্র খরায় ধুঁকছে, সে আর কোনও নতুন খবর নয়। খরা, ফসল উৎপন্ন না হওয়া, তার জেরে ঋণশোধ করতে না পারা- সব মিলিয়ে কৃষকদের মৃত্যুমিছিল চলছেই। তারই মাঝে মহারাষ্ট্রের সাহায্যের জন্য আমির খান নিয়ে এলেন জল সংরক্ষণের জন্য নিজস্ব উদ্যোগ- পানি ফাউন্ডেশন। মাস খানেক আগেই।

কিরণ আর সাইফ
এবার, সেই পানি ফাউন্ডেশনের তরফে পানি সংরক্ষণ নিয়ে মহারাষ্ট্রবাসীকে সচেতন করতে এক অভিনব উদ্যোগ দেখা গেল আমির খানের দিক থেকে। জনসচেতনতা বাড়াতে বলিউড এবং মরাঠি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির তারাদের কাছে সাহায্য চেয়ে আবেদন জানালেন তিনি। একটি বৈঠক ডাকলেন তাঁর বাড়িতে।

রীতেশ দেশমুখ
উদ্দেশ্য তো সহজ- জনপ্রিয় তারকারা যদি ভক্তদের জল সংরক্ষণের ডাক দেন, তবে কিছুটা হলেও সচেতনতা বাড়বে।

শ্রেয়স তলপড়ে
এবং, আমিরের আবেদনে সাড়াও দিলেন তারকারা। সম্প্রতি তাঁর বাড়িতে দেখা গেল এক চোখধাঁধানো তারকা সমাবেশ। সইফ আলি খান, কঙ্গনা রানাউত, রীতেশ দেশমুখ, শ্রেয়স তলপড়ে, অতুল কুলকার্নি, রাজকুমার হিরানি, আশুতোষ গোয়াড়েকর, রীমা লাগু- অতিথি সমাগমের তালিকাটি ছিল নিঃসন্দেহে অভিনব।

অতুল কুলকার্নি
সবাইকে চমকে দিয়ে সেই বৈঠক পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য অংশ নিয়েছেন আমিরের প্রাক্তন স্ত্রী রীনা এবং বর্তমান স্ত্রী কিরণ। এবং, তখনই জানা গেল, পানি ফাউন্ডেশন-এর অংশীদার হিসেবে নাম রয়েছে রীনারও!

রীমা লাগু
আর ছিলেন পানি সংরক্ষণের কাজে অভ্যস্ত এমন এক পেশাদার বিশেষজ্ঞ দল।
দেখা গেল, বৈঠকে সবাই বেশ মনোযোগ নিয়েই অংশ নিয়েছেন। অতুল কুলকার্নি এর আগে যুক্ত ছিলেন এমন প্রোজেক্টে, ফলে সবার সঙ্গে তিনি ভাগ করে নিলেন তাঁর পুরনো অভিজ্ঞতার কথা।

আমিরের প্রাক্তন স্ত্রী রীনা
রীতেশ দেশমুখকে দেখা গেল সমস্যা কী ভাবে নিয়ে যাওয়া যায় সমাধানের দিকে- তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের খুঁটিয়ে প্রশ্ন করতে! রীমা লাগুর মতো বর্ষীয়ান অভিনেত্রীও মতামত দিলেন জল সংরক্ষণের অসুবিধের দিকটা নিয়ে।

রাজকুমার হিরানি
না-ই বা রইলেন তিনি মুখপাত্র, কিন্তু অতুল্য এই ভারতের উন্নতি নিয়ে আমির খানের চিন্তাভাবনা যে থামছে না- তা প্রমাণ করে দিল এই বৈঠক।

কঙ্গনাকে সমন পাঠালাে মুম্বাই পুলিশ

gfthp

অভিনেতা ঋত্বিক রোশনের অভিযোগের ভিত্তিতে তিন-‌তিনবার জাতীয় পুরস্কার জয়ী অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত ও তাঁর বোনকে সমন পাঠালো মুম্বাই পুলিশ। ঋত্বিকের অভিযোগ ছিল, অজ্ঞাতপরিচয় কেউ ভুয়ো আইডি খুলে তাঁদের ব্যক্তিগত বিষয় জনসমক্ষে নিয়ে আসছেন। মুম্বাইয়ের বান্দ্রা কুরলা কমপ্লেক্স থানায় ঋত্বিকের দায়ের করা সেই এফ আই আরের ভিত্তিতে পুলিশ কঙ্গনার কাছে এ বিষয়ে তাঁর কী বক্তব্য জানতে চেয়েছে। কঙ্গনা আগে জানিয়েছিলেন, তিনি ও ঋত্বিক পরস্পরকে আইনি নোটিশ পাঠানোর পরেও ই-‌মেলের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করছিলেন ঋত্বিক। তা নিয়ে ঋত্বিকের সাফাই- ওই ই-‌মেলটি তাঁর নয়, ওটি ভুয়া। সমন পাঠানো নিয়ে কঙ্গনার আইনজীবীর বক্তব্য, বান্দ্রা কুরলা কমপ্লেক্স থানার সাইবার ক্রাইম শাখা থেকে কঙ্গনা ও তাঁর বোন রঙ্গলিকে এক সপ্তাহের মধ্যেই থানায় হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানেই ওঁরা নিজেদের বক্তব্য পুলিশকে জানাতে পারবেন। পাশাপাশি তিনি এটাও জানিয়েছেন, ভারতীয় অপরাধ আইনের ১৬০ ধারার ভিত্তিতে এই ধরনের কোনো সমন পুলিশ পাঠাতে পারে না।‌

নতুন ছবির নতুন লুকে শহীদ কাপুর

nmyutk

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের নতুন লুকের একটি সেলফি পোস্ট করলেন বলিউড অভিনেতা শহীদ কাপুর। শার্ট ছাড়া, লম্বা চুলের এই লুক নাকি তার আসন্ন ‘উড়তা পাঞ্জাব ছবির। আর ছবিটি প্রকাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাতে হিট পড়েছে অসংখ্য।

ইনস্ট্রাগ্রামে ছবিটি পোস্ট করে শহীদ লিখেছেন, ‘শিগগিরই আসছে।’ এই এক লাইন বাক্যের বেশি কিছু জানাননি তিনি। তাই ছবিটি ‘উড়তা পাঞ্জাব’এর হতে পারে বলে অনুমান করা ভুল নয়। আর এটাই শহীদের নতুন ছবির নতুন লুক।

আসন্ন এই ছবিটি একটি থ্রিলার ড্রামা। ‘মিলেঙ্গে মিলেঙ্গে’, ‘জাব উই মেট’ ছবির পর এই ছবিতে আবার দেখা যাবে শহীদ-কারিনা জুটিকে। তবে তারা একে অপরের বিপরীতে অভিনয় করছেন না। শহীদের বিপরীতে আছেন আলিয়া ভাট।

ওদিকে কারিনা কোন চরিত্রে অভিনয় করছেন, তা এখনও সামনে আসেনি। ছবিটি পরিচালনা করছেন অভিষেক চৌবে।

একই রকম দেখতে ভক্তের সঙ্গে মঞ্চে সেলফি তুললেন অ্যাডেলে

vopf[

ইংল্যান্ডের বার্মিংহামে কনসার্ট চলছে পপ তারকা অ্যাডেলের। সেখানে এক দর্শককে বেছে নিলেন তারকা। সেই ভাগ্যবতী দর্শকের একটাই গুণ। এমিলি বামফোর্থ নামের সেই নারী পুরোপুরি অ্যাডেলের মতো দেখতে।

এমিলির স্বামী টম উইঙ্কলার টুইটারে অ্যাডেলে এবং তার স্ত্রীর চেহারার মিলের বিষয়টি সোশাল মিডিয়ায় তুলে দেন। তখনই তা সবার নজরে পড়ে। এর আগেও টম তার স্ত্রীর সঙ্গে অ্যাডেলের চেহারার মিল তুলে ধরে একটি ভিডিও তৈরি করে ইউটিউবে।

বিষয়টি অ্যাডেলেরও নজর এড়ায়নি। এই গ্র্যামি বিজয়ী তার মতোই দেখতে ভক্তের সঙ্গে সেলফি তুললেন। এতে বেজায় খুশি এমিলি এবং তার স্বামী।

শিশুর ঘুমের সময় পরিবর্তন করতে

fcgyiuyk7gf

নবজাতক শিশু দিন ও রাতের পার্থক্য বোঝে না। এমনিতে যদিও তারা দিনের বেশিরভাগ সময় ঘুমিয়ে কাটায়। তবে যখন বাবা মায়েরা বিশ্রাম নেন তখন দেখা যায় সন্তান জেগে বসে আছে।

সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুকে কীভাবে ঘুমের সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে তাই জানিয়েছে অভিভাবকত্ব নিয়ে পরামর্শ দেয় এমন একটি ওয়েবসাইট—

দিন ও রাতের পার্থক্য বুঝতে পারা: শিশুদের ঘুমের সময়টা লম্বা হলেও তারা দিন রাতে পার্থক্য করতে পারে না। একটা শিশুর ঘুমের ধরণ ঠিক করার প্রথম ধাপ হচ্ছে তাকে দিন ও রাতের মধ্যের পার্থক্য তৈরি করতে সাহায্য করা। শিশুকে বোঝাতে হবে দিনের সঙ্গে জেগে থাকার এবং রাতের সঙ্গে ঘুমানোর একটি সম্পর্ক রয়েছে।

সারাদিন শিশুকে কিছুটা ব্যস্ততার অনুভব দিতে হবে, কথা বলে, হাত পা নাড়িয়ে দিয়ে দিনের জাগরণের অনুভূতি বোঝানো যেতে পারে।

রাত হলে এসব ব্যস্ততা কমিয়ে আনতে হবে, চোখে চোখ রেখে বা জোরে শব্দ করে কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। ঘরের আলো ও শব্দ কমিয়ে শিশুর মনে এই প্রভাব দিতে হবে যে এখন শান্ত হয়ে ঘুমানোর সময়।

ছোট ছোট ঘুম: শিশুরা বেশি ক্লান্ত হয়ে গেলে তাদের শান্ত করা কষ্টকর। শিশু যখন ক্লান্ত হয়, একটু বিশ্রাম নিতে চায় তখন তারা কিছু সংকেত দেয়। এই সংকেত বোঝা খুব জরুরি।

এই সংকেত নানান রকম হতে পারে, নাক ঘষে, চোখ রগড়ে, চিৎকার করে বা কান্না করে সাধারণত শিশুরা বুঝিয়ে থাকে যে তাদের এখন বিশ্রাম দরকার। এরকম সংকেত দেখলে সঙ্গে সঙ্গে শিশুকে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিতে হবে।

প্রথম মাসেই শিশু তার ঘুমের একটি নিয়মিত রুটিন তৈরি করে নেয়। সাধারণত প্রতিবার ঘুম থেকে ওঠার দেড় ঘণ্টা পরে শিশু আবার ঘুমাতে চায়। এই ধরন বোঝার জন্য একটা ডায়েরিতেও ঘুম এবং জাগার সময়টা লিখে রাখা যায়। কিছু দিনের সূচি মিলিয়ে দেখলে দেখা যাবে- ঘুম ও জাগরণের নিয়মিত চক্র সে তৈরি করে ফেলেছে।

ঘুমের সূচির সঙ্গে পরিচয় ঘটানো:
প্রতিদিন ঘুমের আগে নির্দিষ্ট কিছু অভ্যাস ঘুমের সময়কে বোঝতে সাহায্য করে। যেমন ঘুমের আগে পেট ভরে খাওয়া, পোশাক বদলানো, গা মুছে দেওয়া, প্রতিদিন নির্দিষ্ট একটা ঘুমের পোশাক পরা ইত্যাদি শিশুর মস্তিষ্কে সংকেত দেবে যে এখন ঘুমানোর সময় হয়েছে, এখন ঘুমাতে হবে।

দুধ খাওয়া এবং ঘুমানো আলাদা বিষয়: অধিকাংশ মা শিশুকে দুধ খাওয়াতে খাওয়াতে ঘুম পাড়ান। এই অভ্যাস বেশ অস্বাস্থ্যকর। কারণ শিশুর ঘুমের সঙ্গে কিছু চোষার একটা সম্পর্ক বের করে ফেলে এবং ঘুমানোর জন্য কিছু না কিছু চোষার আশ্রয় নিতে চায়।

এ থেকে রক্ষা পেতে শিশুকে দুধ খাওয়ানো এবং ঘুমের মধ্যে অন্য কিছু একটা করতে হবে যেন দুধ খাওয়া ও ঘুমের মধ্যকার সম্পর্কটা ভেঙে যায়।

যেমন- খাওয়ানোর পরে গা ধুয়ে দেওয়া যায়, অথবা বই পড়ে শোনানো যায়। এতে শিশু চোষার উপরে নির্ভর হওয়া বাদ দিবে।

ঘুমের জায়গা চেনা: শিশুকে ঘুম পাড়াতে সবাই কম বেশি দোল দেওয়া, কোলে নিয়ে হাঁটা ইত্যাদি করেন। চেষ্টা করতে হবে এটা যেন শিশুর অভ্যাসে পরিণত না হয়।

তাই যখন শিশু ঘুম ও জাগরণের মাঝামাঝি অবস্থায় থাকবে তখনই তাকে নিজের শোবার জায়গায় পাঠিয়ে দিতে হবে। এতে শিশু নিজের শোবার জায়গা চিনতে এবং বুঝতে শুরু করবে। আর সেই জায়গায় নিজেকে অভ্যস্ত করে ফেলবে।

ঘুমের জায়গায় শোবার পরে শিশুর তন্দ্রা যেন টুটে না যায় সে জন্য হালকা আওয়াজে নরম শব্দের সুর শোনানো যেতে পারে। ঘুম পাড়ানি গান, হালকা গুনগুন আওয়াজও একই রকম উপকারী।

শিশুকে নিজের বিছানায় স্থায়ী করা খুব জরুরি। কেননা রাতে নানান কারণে শিশুর ঘুম ভেঙে যেতে পারে। হঠাৎ ঘুম থেকে উঠে অচেনা একটি জায়গায় নিজেকে আবিষ্কার করলে শিশু ঘাবড়ে যেতে পারে।

নিরবিচ্ছিন্ন ঘুমে সাহায্য করা:
ঘুম এবং জাগরণের মধ্যের চক্র একটা নবজাতক শিশুর ক্ষেত্রে হয় সর্বোচ্চ ৬০ মিনিটের। অর্থাৎ ৬০ মিনিট পরে নবজাতকের ঘুম ভেঙে যায়।

তিন মাসে গিয়ে এই চক্র হয় ৯০ মিনিটের। এই ঘুম ভাঙার পরে তাদের নিজেদেরকে আবার নিজে থেকে ঘুমিয়ে পড়ার মতো সাহায্য করতে হবে।

এই সাহায্যই তাকে সারা রাত নিরবিচ্ছিন্ন ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তুলবে।

এত কিছুর পরেও যদি মনে হয় ঘুমের সূচিতে পরিবর্তন আসছে এবং শিশু কিছুতেই সঠিক সময়ে ঘুমাচ্ছে না অথবা ঘুমালেও ক্ষণে ক্ষণে জেগে উঠছে তাহলে দেখতে হবে শিশুর কোনো সমস্যা হচ্ছে কি-না।

সে পেট ভরে খেয়েছে কি-না, ডায়পার পরিচ্ছন্ন আছে কি-না অথবা তার খুব বেশি গরম বা ঠাণ্ডা লাগছে কি-না।

সব কিছু ঠিক থাকলে শিশুকে আবার ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করতে হবে, হালকা নাড়িয়ে চাড়িয়ে, দোল দিয়ে শিশুকে আবার ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া যায়।

‘বাদশা’র সেটে জিৎ

jui9[

জাজ মাল্টিমিডিয়া ও এসকে মুভিজের যৌথ প্রযোজনার নিমর্িতব্য ‘বাদশা’ সিনেমায় অভিনয় করছেন টালিগঞ্জের সুপারস্টার জিতেন্দ্র মদনানী জিৎ। সম্প্রতি উত্তরা, পানাম নগরী ও ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে সম্পন্ন হলো সিনেমাটির দৃশ্য ধারণের কাজ। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন কলকাতার বাবা যাদব।

‘বাদশা’ সিনেমার সেটে টালিগঞ্জের নায়ক জিৎ। সিনেমায় তার বিপরীতে অভিনয় করছেন বাংলাদেশের নায়িকা নুসরাত ফারিয়া মাযহার।

মেয়ের সঙ্গে শেষ গানে দিতি

fdflp

“এত বড় পৃথিবীটা দেখা হতো না, জীবনের মানে কি বোঝা হত না মা গো, তুমি বিনে দেখা হত না……”– মায়ের কারণে পৃথিবীটা দেখেছেন ঠিকই, কিন্তু মায়ের সঙ্গে বেশি দিন কাটানোর সুযোগ পেলেন না লামিয়া চৌধুরী। ৫১তম জন্মদিনের মাত্র কয়েক দিন আগেই পৃথিবীকে বিদায় জানিয়েছেন তার মা পারভিন সুলতানা দিতি।
মৃত্যুর আগে মেয়ের সঙ্গে এই গানে শেষবারের মতো গলা মিলিয়েছিলেন চিত্রনায়িকা ও গায়িকা দিতি। ২৮ মার্চ ফেইসবুকে মায়ের সঙ্গে গাওয়া শেষ গানটির ভিডিও পোস্ট করেন লামিয়া। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে হেরে যাওয়ার আগে শূন্য দৃষ্টি নিয়ে নিথর দেহে শুধু ঠোঁট মেলাতেই দেখা গেছে লামিয়ার মাকে। শরীরে আগের মতো শক্তি না থাকলেও গানের প্রতিটি লাইন তার তখনও মনে ছিল, তা বোঝা গেছে তার ঠোঁট মেলানো দেখে।

মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ার পর বছর খানেক চিকিৎসা শেষে ২০ মার্চ মৃত্যু হয় বাংলা চলচ্চিত্রের এই বর্ষীয়ান অভিনেত্রীর। একাধিক অস্ত্রোপচারের পরও সুস্থ হওয়া সম্ভব ছিল না তার।

ভাগ্যের নির্মম পরিহাস এই যে, ঠিক ১১ দিন পর ৩১ মার্চ ছিল দিতির জন্মদিন। কিন্তু জন্মের আরেকটি বছর পার করার আগেই সন্তানদের রেখে পৃথিবীকে বিদায় জানাতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।

রূপচর্চায় ফল ও সবজি

drs6u

ত্বক কালো হয়ে যাওয়া, কালো ছোপ পড়া, ত্বকের রংয়ের অসমতা ইত্যাদি সমস্যাগুলোতে কমবেশি সবাই ভুগছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সমস্যা সমাধানে আলু ও পেঁপে অনেক উপকারী। কারণ এতে থাকে ত্বকের কোষ পুণর্গঠনকারী এবং স্কিন এক্সফোলিয়েশন উপাদান।

ত্বকের এসব সমস্যা সমাধানের উপায় জানিয়েছেন ভারতের সোহাম ওয়েলনেস ক্লিনিকের কর্ণধার ও রূপবিশেষজ্ঞ দিভিয়া অরি।

আলু

bhvbujy

এই সবজিকে তুলনা করা যেতে পারে ভিটামিনের গুপ্তধনের সঙ্গে। ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, দস্তা, ফসফরাস সবই মিলবে। আলুতে থাকে ত্বকের রং ফর্সা করার ‘বিল্ট-ইন’ উপাদান। আলুর ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স কোষ পুণর্গঠক হিসেবে পরিচিত। বিশেষত ‘নিয়াসিনামাইড’, ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স থেকে উৎপন্ন হওয়া এই উপাদান একটি গুরত্বপূর্ণ রং ফর্সাকারী উপাদান।

ব্যবহার পদ্ধতি: আলু পাতলা করে কেটে টুকরোগুলো নিয়ে ১০ মিনিট ধরে ত্বকে আলতোভাবে ঘষতে হবে। কাটা টুকরোগুলো শুকিরে গেলে পরিবর্তন করে নিতে হবে।

লেবু
dsrjkrfr5jh

ভিটামিন সি-তে টইটম্বুর একটি ফল লেবু। এটি ত্বকের মেলানিন কমাতে কার্যকর প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্টধারী হিসেবেও সুপরিচিত। লেবুতে থাকা সিট্রিক অ্যাসিড উৎকৃষ্ট মানের ‘এক্সফোলিয়েটিং’ উপাদান। সিট্রিক অ্যাসিড ত্বকের মৃতকোষ অপসারণ করে। ফলে ত্বকের রং হালকা ও উজ্জ্বল হয়।

ব্যবহার পদ্ধতি: এক টেবিল-চামচ বাদামি চিনির সঙ্গে ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে নিন। এত যোগ করুন এক টেবিল-চামচ লেবুর রস। এই মিশ্রণ ত্বকে আলতো মাখিয়ে নিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

পেঁপে

,lbypivo

‘পাপাইন’ বা ‘পাপায়া প্রোটেইনিজ’ হল পেঁপেতে থাকা এক ধরনে এনজাইম যা ত্বকের উপরে জমে থাকা ময়লা ও মৃতকোষের আস্তর অপসারণে সহায়ক। ত্বকের চিকিৎসায় পেঁপে ব্যবহারে চামড়ায় নতুন কোষের উৎপাদনের প্রক্রিয়া চালু হয়।

ব্যবহার পদ্ধতি: পাকাপেঁপের রস তৈরি করে ত্বকের কালো হয়ে যাওয়া অংশে ১০ মিনিট মাখিয়ে রাখতে হবে। আবরণটি শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলতে হবে। এক মাস এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে ভালো ফল মিলবে।

ছবি: দীপ্ত।