নিজের যত্ন

†ibv

সূর্যের তাপ এবং ধুলাবালির কারণে এ সময়ে ত্বকের জন্য প্রয়োজন বাড়তি যত্ন। মন উদাস করা এমন দিনে ত্বকের যত্নে উদাসীন হলে চলবে না।

বেশি করে পানি পান আর ফলমূল খাওয়ার পাশাপাশি, সপ্তাহে অন্তত দুবার মুখে ফেইসপ্যাক লাগানো অত্যন্ত জরুরি।

এই সময়ে কীভাবে ত্বকের চর্চা করবেন জেনে নিন নভীনস অ্যারোমা থেরাপি সেন্টারের কর্ণধার আমিনা হকের কাছ থেকে।

শুষ্ক ত্বক:
শীতের পরে ত্বকে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। বেশি সমস্যা হয় শুষ্ক ত্বকের জন্য। তাই দরকার ময়েশ্চারাইজার।

ঘরে এমন উপাদান দিয়ে মাস্ক তৈরি করতে হবে যাতে ময়েশ্চারাইজার থাকে। যেমন: তরমুজ, কমলা, মধু, দুধের সর ইত্যাদি। এ ধরনের উপাদান, বিশেষ করে মধু ত্বকের জন্য অনেক উপকারী। মধু দিয়ে মালিশের কাজ বা প্যাক তৈরি করে ত্বকে ব্যবহার করা যায়।

এজন্য মধুর সঙ্গে ময়দা ও দুধের সর মিলিয়ে পেস্ট তৈরি করে ব্যবহার করতে হবে। আবার বাদাম পেস্ট করে মধু ও ময়দা দিয়ে মিশিয়েও ব্যবহার করা যায়। ত্বকের জন্য পাকাপেঁপেও অনেক উপকারি। মধু, ময়দা ও পাকাপেঁপে একত্রে পেস্ট করে লাগানো যায়।

যত গরম বাড়তে থাকে, ত্বকে তত সমস্যা দেখা দিতে থাকে। তাই এই সময়ে করলার রসের সঙ্গে ময়দা বা শসার রসের সঙ্গে পেস্ট করে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

এ সময়ে রোদে পুড়ে ত্বক কালো হয়ে যায়। এর সমাধানে সাত, আটটি কাঠবাদাম সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে বেটে এতে এক চা-চামচ মধু এবং এক চা-চামচ অলিভ অয়েল দিয়ে পেস্ট তৈরি করে ১৫ মিনিটের জন্য মুখে লাগিয়ে রাখুন। ১৫ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে হালকা ঘষে তুলে ফেলতে হবে। এই ফেইসপ্যাক সপ্তাহে দুবার ব্যবহারে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে।

তৈলাক্ত ত্বক:

এ ধরনের ত্বকে ব্রণের আধিক্য দেখা যায়। এই সমস্যা সমাধানে একটি টমেটো টুকরা করে কেটে, চিপে রস বের করে, তিন চা-চামচ চালের গুঁড়া, এক চা-চামচ মধু দিয়ে ভালো করে মেশাতে হবে। এরপর মিশ্রণটি দিয়ে মুখে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ১৫ মিনিট টানা ম্যাসাজ করে ৫ মিনিট ত্বকে রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুতিন বার ব্যবহারে ত্বকের সকল সমস্যার সমাধান হবে।

সাধারণ ত্বক:
স্বাভাবিক বা মিশ্র ত্বকের এই সময়ের যত্ন নিতে, একটি বাটিতে তিন চা-চামচ চালের গুঁড়া, এক চিমটি হলুদ গুঁড়া, এক চা-চামচ মধু নিয়ে পেস্ট তৈরি করে, পরিমাণ মতো শসার রস নিন। এই ফেসপ্যাকে পেস্ট তৈরি করতে, পানির বদলে শসার রস ব্যবহার করতে হবে।

শসার রস নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে মসৃণ পেস্টের মতো তৈরি করে ১৫ মিনিটের জন্য ত্বকে লাগান। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে আলতো ঘষে তুলে ফেলুন। ভালো ফলাফলের জন্য সপ্তাহে দুবার ব্যবহার করুন।

ব্যস্ততার ফাঁকে নিজের যত্ন

BIe

সাধারণ কিছু বিষয় জানা থাকলেই হাজারও ব্যস্ততার ফাঁকে নিজের যত্ন নেওয়ার জন্য সময় বের করে নেওয়া সম্ভব।

যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে, বেশ প্রচলিত একটি প্রবাদ। তবে আধুনিক যুগে নারীরা শুধু রাঁধে না তাদের বাইরেও কাজ সামলাতে হয়। আর এই ব্যস্ততায় নিজের নিয়মিত যত্ন নেওয়ার সুযোগ পান না অনেকেই।

রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে ব্যস্ত নারীরা কীভাবে নিয়মিত নিজের যত্ন নেবেন তার কিছু পন্থা উল্লেখ করা হয়।

নিজের যত্ন নেওয়ার প্রথম ধাপ হল স্বাস্থ্যকর ও সব ধরনের পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। এতে স্বাস্থ্য ভালো থাকবে পাশাপাশি ত্বক ভিতর থেকে পুষ্টি পাবে। তাই ত্বক উজ্জ্বল হবে।

সুন্দর ও তারুণ্যদীপ্ত ত্বক চাইলে ক্যাফেইন গ্রহণের পরিমাণে লাগাম টানতে হবে। অতিরিক্ত ক্যাফেইন ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

আরও কিছু টিপস এখানে উল্লেখ করা হল:

– প্রচুর পরিমাণে সবজি ও ফলমূল খেতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে আঁশ সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে নিয়মিত।

– স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। পানি শরীরের কোষ গঠনে সহায়তা করে তাই ত্বক উজ্জ্বল ও তারুণ্যদীপ্ত হয়ে ওঠে।

– লবণ, চিনি, ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল গ্রহণের পরিমাণে লাগাম টানতে হবে।

– প্রচুর সামুদ্রিক মাছ এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।

রোমশ আভা দূর করতে

ZZ

পরিপাটি সাজের পরেও ঠোঁটের উপর মোচের আভাস থেকে গেলে পুরো সাজটাই বারোটা।

দিল্লির রূপবর্ধক চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ড. মেঘনা গুপ্তা সম্প্রতি ভারতীয় একটি লাইফস্টাইল ম্যাগাজিনে জানিয়েছেন ঠোঁটের উপরের কালো দাগের কারণ ও এর থেকে পরিত্রাণের উপায়।

কারণ:
ঠোঁটের উপরে কালো দাগের প্রথম এবং প্রধান কারণ হচ্ছে ঠোঁটের পাতলা লোমের স্তর। যে কারণে ঠোঁটের উপরের অংশকে চেহারার অন্য অংশের থেকে কালো দেখায়। তবে অনেকের ক্ষেত্রে এই গোঁফের মতো পাতলা লোমের স্তর ফেলে দিলেও দাগ দূর হয় না।

ড. মেঘনা গুপ্তা বলেন, “এর কারণ হতে পারে হরমোনের প্রভাব। বয়ঃসন্ধিতে এবং গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনের সময় ঠোঁটের উপরে কালো দাগ পড়তে পারে।”

এ ছাড়াও, ভিটামিন-ই এবং আয়রনের অভাবে কালো ছোপ পড়ে। কেউ যদি জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি ব্যবহার করেন বা অন্যান্য ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াতেও এমনটা হতে পারে।

আলকাতরার উপাদান আছে এমন উপকরণে সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহারে দাগ পড়াও বিরল নয়। এ ছাড়াও ত্বকের মেলালিন ঘটিত রোগ মেলানোসিস এবং সূর্যের আলোতে বেশি সময় কাটালে ঠোঁটের উপর কালো ছোপ পড়তে পারে বলে জানিয়েছেন ড. গুপ্তা।

যদিও ঠোঁটের উপরের লোম ফেলে দিলে কালো ভাবটা দূর হয় তবে বার বার ঠোঁটের উপরের লোম উপরে ফেলতে থাকলে স্থায়ীভাবে কালো দাগ পড়ে যায়।

পরিত্রাণের উপায়

১। কী খাচ্ছেন সেই বিষয়ে লক্ষ রাখুন। একজন মানুষের শরীরে প্রতিদিন ৭২ ধরনের ভিটামিন ও মিনারেলের প্রয়োজন হয়। এসব পুষ্টি উপাদান প্রতিদিনের খাবারে নিশ্চিত করতে নানান ধরনের ফল ও সবজি প্রতিদিন খেতে হবে জানিয়েছে মুম্বাইয়ের রেজিস্টার্ড পুষ্টিবিদ ড. স্মিতা নন্দা।

তার মতে, “প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে। ফল চিবিয়ে খেতে হবে। তবে এর রস পান করা যাবে না। পাশাপাশি প্রতিদিন যেন প্রচুর পরিমাণে সবজি খাওয়া হয় সেই বিষয়েও যত্নশীল হতে হবে। যে সব খাবারে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি এসিড রয়েছে যেমন: ঘানিতে ভাঙা তেল, তোকমা দানা, আখরোট ইত্যাদি আপনাকে উপকৃত করতে পারে।

২। এই দাগ একটা সতর্ককারী সংকেত হতে পারে যে, আপনার দেহে হয়ত কিছু একটা ঠিক নেই। তাই একটি স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন আপনাকে অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে। চেষ্টা করতে হবে এমন সব ওষুধ সেবন করতে যেগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই অথবা তুলনামূলক কম।

কিছু খাবার আছে যেগুলো আপনার ক্ষতি করবে কিন্তু সেগুলোর লোভ সামলানো খুবই কষ্টসাধ্য, এই খাবারগুলো কম করে খাওয়ার চেষ্টা করুন। চর্বিযুক্ত খাবার, বেশি পরিমাণে খাবার, ক্যাফেইনযুক্ত খাবার আপনার ধারণার থেকে বেশি ক্ষতি করে থাকে।

অন্তত সাত ঘণ্টা ঘুমান, এই সাত ঘণ্টার বিষয়ে কোনো প্রকার আপোষ করবেন না।

মনে রাখবেন, প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ শ্রেয়। তাই, নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করা, শরীরচর্চা করা, ধ্যান করা, গান শোনা, নিজেকে প্রশ্রয় দেওয়া, ম্যাসেজ করার মতো কাজগুলো করবেন। এতে মন প্রফুল্ল থাকে এবং কাজ করতে ভালো লাগে।

৩। আপনার ত্বকের নিয়মিত যত্ন নিন। ত্বকে এসপিএফ ফিফটি মানের সানস্ক্রিন মাখুন, শুধু গরমে নয় শীতকালেও। ঘর থেকে বের হওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন মাখুন। ঠোঁটের উপরের লোম ওয়াক্স করার বদলে সুতা দিয়ে তুলুন।

৪। রূপ-ত্বক বিশেষজ্ঞরা বলেন, ত্বকের রং হালকা করার ক্রিম, পিল অফ মাস্ক, ত্বকের উপরের ত্রুটিপূর্ণ দাগ তুলে ফেলার জন্য করা কসমেটিক চিকিৎসা, লেজার দিয়ে করা চিকিৎসার সাহায্যেও ঠোঁটের উপরের কালো দাগ দূর করা যায়।

দেশীয় পোশাকে বৈশাখী আয়োজন

„why&

বাংলা নববর্ষ ১৪২৩ বরণ করার জন্য দেশের সব জায়গায় শুরু হয়েছে নানা আয়োজন। প্রতিষ্ঠিত দেশীয় পোশাক-ঘরগুলোর পাশাপাশি অন্যান্য দোকানও সেজেছে বৈশাখী সাজে।

বসুন্ধরা সিটির দেশীদশে দেখা যায় বৈশাখের জোরসোর আয়োজন। ৩০ মার্চ দেশীদশের দশটি ফ্যাশন ঘরের এবারের বৈশাখী আয়োজন নিয়ে আয়োজিত হয় একটি ফ্যাশন শো। যেখানে ফ্যাশনঘরগুলোর এবারের আয়োজন তুলে ধরে।

ফ্যাশন হাউজ বিবিয়ানায় তাসের নকশাকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছে সালোয়ার কামিজ, কুর্তি, শাড়ি ও পাঞ্জাবি। এইখানে পাঞ্জাবি পাওয়া যাবে ৮শ’ থেকে ১ হাজার টাকায়। কুর্তি সাড়ে ৯শ’ থেকে ১ হাজার ৫শ’ টাকা। সালোয়ার কামিজ ১ হাজার ৮শ’ থেকে ২ হাজার ৫শ’ টাকায় এবং শাড়ি ১ হাজার ৮শ’ ৫০ থেকে ১০ হাজার টাকা। এছাড়াও তাঁতের ও সুতি স্কার্ট পাওয়া যাবে সাড়ে ৮শ’ টাকায়।

নগরদোলায় ব্লকের কামিজ পাওয়া যাবে ১ হাজার ৮শ’ থেকে ২ হাজার টাকায়। টাইডাই ও সুতার কাজ করা শাড়ির দাম ২ হাজার ২শ’ টাকা। হাতের কাজের নকশি কাঁথার কাজ করা শাড়ির দাম ১৮ হাজার টাকা। নগরদোলায় ব্লক ও সুতার কাজ করা পাঞ্জাবি কিনতে গুনতে হবে ১ হাজার ৫শ’ থেকে ১ হাজার ৮শ’ টাকা।

পহেলা বৈশাখে অঞ্জন’সয়ের আয়োজন।

পহেলা বৈশাখে অঞ্জন’সয়ের আয়োজন।
ফ্যাশন ঘর কে ক্রাফটের বৈশাখী আয়োজনে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে শাড়িতে। তাদের আয়োজনে থাকছে নিজস্ব তাঁতে বোনা বিভিন্ন মোটিফের শাড়ি। লাল-সাদার পাশাপাশি অন্যান্য রংও প্রাধান্য পেয়েছে বৈশাখী আয়োজনে। ধরন, কাজ এবং কাপড়ের ভিত্তিতে এই শাড়িগুলোর দাম হতে পারে ২ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা বা আরও বেশি।

কে ক্রাফটের ব্লক বাটিকের সালোয়ার কামিজের দাম পড়বে ১ হাজার ৮শ’ টাকা। পাঞ্জাবির দাম শুরু ১ হাজার ৮শ’ টাকা থেকে।

অঞ্জন’সয়ের আয়োজনেও থাকছে বিভিন্ন ধরনের শাড়ি, পাঞ্জাবি, টপস, ফতুয়া এবং সালোয়ার-কামিজ। ব্লকের উপর পাড় বসানো শাড়ির দাম পড়বে ৪ হাজার টাকা। পাঞ্জাবির দাম ১ হাজার ৫শ’ টাকা। সালোয়ার কামিজের দাম শুরু ২ হাজার টাকা থেকে। এছাড়াও অ্যাপ্লিকের শাড়ি পাওয়া যাবে যার দাম ৩ হাজার ২শ’ টাকা।

দেশালের কামিজ ও ফতুয়ার নকশায় প্যাঁচা, মাছ, পাখি, ফুল ইত্যাদি মোটিফকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এইসব ফতুয়ার দাম ৬শ’ টাকা থেকে শুরু। পাঞ্জাবির দাম সাড়ে ৮শ’ টাকা। এছাড়াও আছে একরঙা ও জলছাপের শাড়ি। দাম ১ হাজার টাকা থেকে ১ হাজার ৪শ’ টাকার মতো।

পহেলা বৈশাখে বাংলার মেলা’র আয়োজন।

পহেলা বৈশাখে বাংলার মেলা’র আয়োজন।
পহেলা বৈশাখে বিবিয়ানা’র আয়োজন।

পহেলা বৈশাখে বিবিয়ানা’র আয়োজন।
প্রতিটি পোশাক-ঘরই ছোট-বড় ও নারী-পুরুষ সবার কথা বিবেচনা করে নানা রকমের আয়োজন করেছে।

স্মার্টেক্স, ইয়েলো, ক্যাট’স আই, এক্সটাসি, লা রিভ, আর্টিস্টি, ওয়েস্টেক্স, ইনফিনিটি ইত্যাদি দোকানগুলোতেও রয়েছে বৈশাখী আয়োজন। এসব দোকানে পাবেন ছেলেদের শার্ট, পাঞ্জাবি। মেয়েদের জন্য রয়েছে সিঙ্গেল কামিজ, থ্রি পিস, পশ্চিমা ধাঁচের টপস, স্কার্ট, গাউন ইত্যাদি।

আজিজ সুপার মার্কেটের ফ্যাশন ঘরগুলোও বৈশাখী আয়োজনের বেশ সরব।

এখানকার দোকানগুলোতে দামের খুব একটা পার্থক্য চোখে পড়েনি। প্রায় প্রতিটি দোকানেই ফতুয়া পাওয়া যাচ্ছে সাড়ে ৭শ’ থেকে ১ হাজার টাকার মধ্যে। সালোয়ার কামিজের দাম ১ হাজার ৪শ’ ৫০ থেকে ২ হাজার ১শ’ টাকা। পাঞ্জাবি সাড়ে ৮শ’ থেকে ১ হাজার ৫শ’ টাকা। মান ও কাজ ভেদে শাড়ির দাম ১ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে হতে পারে।

পহেলা বৈশাখে কে ক্র্যাফট’য়ের আয়োজন।

পহেলা বৈশাখে কে ক্র্যাফট’য়ের আয়োজন।
একটু সস্তায় পরিবারের সবার জন্য কেনাকাটা করতে চাইলে চলে যেতে পারেন গাউছিয়া বা নিউমার্কেটে। এখানে ব্লকের শাড়ি পাওয়া যাবে ৫শ’ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে। অ্যাপ্লিকের শাড়ির দাম ১ হাজার থেকে ৩ হাজার ২শ’ টাকা। তাছাড়া জামদানি বা কাতানের শাড়ি কিনতে চাইলে গুনতে হবে আড়াই হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা।

সালোয়ার কামিজ পাওয়া যাবে ৫শ’ থেকে ৩ হাজার টাকায়। ছোটদের পোশাকের দাম ৩শ’ থেকে ১ হাজার ৫শ’ টাকার মধ্যে। নিউমার্কেট এবং গাউছিয়া থেকে সুলভ মূল্যে কিনতে পারবেন ছেলেদের পাঞ্জাবি ও ফতুয়া।

তবে এখানে কেনাকাটা করার সময় জিনিসের মান বিবেচনা করে দরদাম করে কিনতে হবে। দোকানিরা একটু বেশিই দাম চেয়ে থাকেন, বিশেষত উৎসব উপলক্ষ্যে দাম কিছুটা বেশিই চেয়ে থাকেন তারা।

চিরসবুজ আলমগীর

c5vwc

আশি ও নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে দর্শকদের প্রিয় মুখ এবং নির্মাতাদের কাছে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য শিল্পী ছিলেন আলমগীর। কেবল অভিনয় নয়, দৈহিক সৌষ্ঠব, গ্ল্যামার এবং পোশাকরুচির কারণেও আজও দর্শকনন্দিত তিনি।

আলমগীরের জন্ম ঢাকায়। ১৯৫০ সালের ৩ এপ্রিল। তাদের আদিবাড়ি ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। তার পুরো নাম আলমগীর হোসেন। তার বাবা কলিম উদ্দিন আহম্মেদ ছিলেন পুরান ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তিনি সংস্কৃতিমনা ছিলেন। আবদুল জব্বার খান যখন ঢাকার প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোস’ নির্মাণ করেন সে সময় ছবিটি প্রযোজনার জন্য তাকে আর্থিক সাহায্য প্রদান করেন কলিম উদ্দিন আহম্মেদ। সেই সূত্রে চলচ্চিত্র জগতের সাথে ছোটবেলা থেকেই আলমগীরের যোগাযোগ গড়ে ওঠে।

১৯৭৩ সালে আলমগীর কুমকুম পরিচালিত ‘আমার জন্মভূমি’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে রূপালি ভুবনে তার যাত্রা শুরু হয়। এরপর ‘দস্যুরাণী’, ‘চাষীর মেয়ে’, ‘গুণ্ডা’, ‘মাটির মায়া’ ইত্যাদি বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি। ১৯৭৮ সালে দিলিপ বিশ্বাস পরিচালিত ‘জিঞ্জির’ ছবিতে কাজ করার সুযোগ পান। এ ছবিতে রাজ্জাক ও সোহেল রানার সঙ্গে অন্যতম নায়ক হিসেবে তার অভিনয় দর্শকদের নজর কাড়ে। ১৯৮০ সালে আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘কসাই’ ছবিতে কেন্দ্রীয় পুরুষ চরিত্রে অভিনয় করে খ্যাতি পান আলমগীর। এ ছবিতে কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে ছিলেন কবরী।

সুদর্শন ও সুঅভিনেতা আলমগীর দর্শকদের মন জয় করে নেন। সামাজিক ছবিতে তিনি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পান। শাবানার সঙ্গে তার জুটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ১৯৮৫ সালে কামাল আহমেদ পরিচালিত ‘মা ও ছেলে’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুবাদে প্রথমবারের মতো সেরা অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয় করেন আলমগীর। শাবানার বিপরীতে ‘ভাত দে’, ‘সত্যমিথ্যা’, ‘স্বামী স্ত্রী’, ‘সখিনার যুদ্ধ’, ‘রজনীগন্ধা’, ‘রাঙাভাবী’, ‘মরণের পরে’, ‘পিতা মাতা সন্তান’, ‘অচেনা’, ‘অন্ধবিশ্বাস’ ইত্যাদি ব্যবসাসফল ছবিতে অভিনয় করেন আলমগীর। শাবানার বিপরীতে তার জুটি এক সময় এতটাই জনপ্রিয় ছিল যে পর্দার বাইরেও তাদের রোমান্স চলছে এমন গুঞ্জন প্রকাশিত হয় চিত্রালী, পূর্বাণী ইত্যাদি সিনে পত্রিকাগুলোতে। দর্শকরাও এ গুজব উপভোগ করতেন তাদের প্রিয় জুটি সম্পর্কে। যদিও আলমগীর ও শাবানা দুজনেই তখন ছিলেন বিবাহিত। ১৯৭৩ সালে চলচ্চিত্রে আসার আগে গীতিকার ও কবি খোশনূরকে বিয়ে করেন তিনি। এই দম্পতির সন্তান আঁখি আলমগীর বাংলাদেশের বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী।

রোজিনার বিপরীতেও আলমগীরের পর্দা রোমান্স ছিল দর্শকপ্রিয়। ১৯৮৯ সালে মালেক আফসারি পরিচালিত ‘ক্ষতিপূরণ’ ছবিতে রোজিনার বিপরীতে তার জুটি বেশ জনপ্রিয়তা পায়। ছবিটি ব্যবসাসফলও হয়েছিল। এ ছবিতে অভিনয়ের জন্য আলমগীর সেরা অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।

১৯৯০ সালে রোজিনার বিপরীতে তার অভিনীত ‘দোলনা’ ছবিটিও দারুণ জনপ্রিয়তা পায়। শিবলি সাদিক পরিচালিত ব্যবসাসফল এ ছবিটিতে অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছিলেন রোজিনা।

১৯৯০ সালে আজহারুল ইসলাম খান পরিচালিত ‘মরণের পরে’ ছবিতে অভিনয়ের সুবাদে আলমগীর আবার জয় করেন সেরা অভিনেতার জাতীয় পুরস্কার।

পরের বছর এজে মিন্টু পরিচালিত ‘পিতা মাতা সন্তান’ ছবির জন্য সেরা অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। ১৯৯২ সালে মতিন রহমানের ‘অন্ধবিশ্বাস’ ছবিতে অভিনয়ের জন্যও পান সেরা অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ১৯৯৪ সালে কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘দেশপ্রেমিক’ ছবিতে অভিনয়ের জন্যও সেরা অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয় করেন। তিনি সেরা অভিনেতা হিসেবে সাতবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। আর পার্শ্ব-চরিত্রে সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন দুবার। সে দু’টি ছবি হলো ‘জীবন মরণের সাথী’(২০১০) এবং ‘কে আপন কে পর’(২০১১)।

১৯৯৬ সালে তিনি অভিনয় করেন ‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি’ ছবিতে। সেলিনা হোসেনের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত আখতারুজ্জামান পরিচালিত এ ছবিতে তিনি ববিতার বিপরীতে অভিনয় করেন। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠির জীবনসংগামের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে ছবিটির কাহিনি। এ ছবিতে নেতিবাচক বং সম্পূর্ণ নন গ্ল্যামারাস চরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয় করেন আলমগীর। শিল্পধারার ছবিটি সমালোচকদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়।

১৯৯৫ সালে ‘শিল্পী’ ছবিতে অভিনয় করার সময় তার ব্যক্তিগত জীবনের মোড় ঘুরে যায়। চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত ‘শিল্পী’ ছবিটি ছিল এদেশের কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লার জীবনের ঘটনাভিত্তিক। এ ছবিতে রুনা লায়লা নিজেই তার চরিত্রে অভিনয় করেন। রুনা লায়লার বিপরীতে নায়ক ছিলেন আলমগীর। অভিনয়ের সময় পর্দার বাইরেও ভালোবাসার সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তারা দুজন। ১৯৯৯ সালে খোশনূরের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় আলমগীরের। রুনা লায়লা ও আলমগীর জুটি এরপর বিয়ে করেন।

আলমগীর নিজেও সুগায়ক। টিভিতে অনেক গান পরিবেশন করেছেন তিনি। ‘আগুনের আলো’ চলচ্চিত্রে তিনি প্লেব্যাক শিল্পী হিসেবে গান পরিবেশন করেন। ‘কার পাপে’, ‘ঝুমকা’, ‘নিষ্পাপ’ ইত্যাদি চলচ্চিত্রে তিনি গানে কণ্ঠ দিযেছেন। পরিচালক হিসেবে আলমগীর সফল। তার পরিচলিত প্রথম ছবি হলো ‘নিষ্পাপ। এ ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৮৬ সালে।

আলমগীর অনেক টিভিনাটকে অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত টিভি সিরিয়াল ‘কাছের মানুষ’ বিপুল জনপ্রিয়তা পায়। তিনি বিভিন্ন টিভিতে ঈদের অনুষ্ঠানসহ অনেক বিশেষ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানও সফলভাবে উপস্থাপনা করেছেন।

নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে এবং নতুন শতকে তিনি চরিত্রাভিনয়ে খ্যাতি পান। ‘কন্যাদান’, ‘টাকা’, ‘জীবনমরণের সাথী’, ‘কে আপন কে পর’ ইত্যাদি ছবিতে সফল চরিত্রাভিনেতা হিসেবে তাকে দেখা যায়। ২০১৩ সালে রাজ্জাক, সোহেল রানা ও শাকিব খানের সঙ্গে তিনি ‘জজ ব্যরিস্টার পুলিশ কমিশনার’ ছবিতে অভিনয় করেন। ‘দুই পৃথিবী’ ছবিতেও পার্শ্ব-চরিত্রে তার অভিনয় দর্শকপ্রিয়তা পায়।

কয়েক বছর অভিনয় থেকে দূরে থাকলেও চলতি বছর শোনা গেছে তিনি ‘বিজলী’ নামে একটি ছবিতে অভিনয় করছেন। ইফতেখার চৌধুরী পরিচালিত এ ছবিতে কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে আছেন ববি। আলমগীর এ ছবিতে নায়িকার বাবার চরিত্রে অভিনয় করছেন।

আলমগীরকে বলা হয় বাংলাদেশের চিরসবুজ নায়ক। মানানসই ছিলেন সব ধরনের চরিত্রে। ছাত্র, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, ডাক্তার, গায়ক, গ্রামের যুবক, শহুরে প্রতিবাদী তরুণ, আইনজীবী, বিচারক, মাস্তান, পুলিশ, ধনী, গরীব বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে তিনি সাফল্যের সঙ্গে অভিনয় করেছেন। তিনি এদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের অন্যতম শক্তিশালী অভিনেতা। দুশর বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করা এই শিল্পী বাংলাদেশের অভিনয়জগতকে আরো সমৃদ্ধ করবেন সেই কামনাই রইলো।

অদ্ভুত যত রূপচর্চা!

PR„h

যদিও অনেকে বলছেন রূপচর্চা বলে কথা। তাই বলে সে চর্চায় শামুক! আচ্ছা শামুক না হয় মানা গেল তাই বলে শুঁয়োপোকা? আরও আছে, ইদানিং রূপচর্চায় নাকি আগুন, সাপের বিষ সবই ব্যবহূত হচ্ছে! বলা যেতে পারে কি নেই সেখানে!
সেই প্রাচীনকাল থেকেই নানা ধরনের উপাদান ব্যবহূত হয়ে আসছে রূপচর্চায়। তবে ইদানিং রূপচর্চার ক্ষেত্রে যুক্ত হয়েছে এমনই সব অদ্ভুত উপাদান। সৌন্দর্য-সচেতনরা অবশ্য জোর দাবি করছেন, সৌন্দর্যের সাধনায় নাকি মনের জোরও থাকতে হয়! ভয় পেলে রূপচর্চা হয় না। যাঁরা সুন্দর ত্বকের পূজারি তাঁদের কাছে গা ছমছম করার অনুভূতির চেয়ে সজীব, পেলব ত্বকই মুখ্য। ফেসিয়ালের ক্ষেত্রে বিশ্বজুড়েই যেসব অদ্ভুত পদ্ধতিগুলো রয়েছে তা নিয়ে সম্প্রতি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জিনিউজ।

মুখের ওপর শুঁয়োপোকার বাসা
শুঁয়োপোকা! নাম শুনলেই অনেকের গা শিরশির করে! প্রজাপতিতে পরিণত হওয়ার আগে যে কচি কলা পাতা রঙের মিল্কউইডে এ শুঁয়োপোকা বাসা বাঁধে তা দিয়েই রূপচর্চা করা হয়। মিল্কউইডের সঙ্গে ইয়োগার্ট মিশিয়ে যে উপাদান তৈরি হয় তা ফেসিয়াল হিসেবে ব্যবহূত হয়। বিকট গন্ধের ফেসিয়ালের উপাদানটি মুখে মাখার পর এক ঘণ্টা বিশ্রামে থাকতে হয়। গন্ধ যতই কটু হোক না কেনো ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে এবং মসৃণ ত্বক পেতে অনেকেই এ ফেসিয়াল করান। এর নাম মিল্কউইড ফেসিয়াল।

মুখের ওপর আগুনমুখের ওপর আগুন

মুখের ওপর আগুন জ্বালানোর এ পদ্ধতিটির নাম ফায়ার ফেসিয়াল। এ ফেসিয়ালটি চীনে ব্যাপক জনপ্রিয়। চামড়া কুচকে যাওয়া, বলিরেখা প্রভৃতি সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চীনে ‘হুয়ো লিয়াউ’ নামের এই ফেসিয়াল করান সৌন্দর্য-সচেতন অনেকেই। তোয়ালেতে বিশেষ ধরনের রাসায়নিকের সঙ্গে অ্যালকোহল মিশিয়ে ত্বকের ওপর বসানো হয় এবং তাতে আগুন জ্বালানো হয়। ত্বক পুড়ে যাওয়ার আগে আবার আগুন নিভিয়ে ফেলাও হয়। আগুন আর রাসায়নিকের বিশেষ এই ফেসিয়ালে ত্বকে আগুনের মতো আভা দেখা যায় বলেই মনে করেন অনেকে।

মুখের ওপর সাপের বিষমুখের ওপর সাপের বিষ
ইদানিং সাপের বিষের ফেসিয়ালও অনেক সৌন্দর্য-সচেতন ফ্যাশনপ্রেমীদের আগ্রহ বাড়াচ্ছে। এটি বোটক্সের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এতে যে বিশেষ উপাদান রয়েছে তা নাকি ত্বকের বলিরেখা ঠেকাতে সক্ষম। সাপের কামড়ে যেমন দেহ অচল হয়ে পড়ে, সাপের বিষের ফেসিয়ালে ত্বকের ওপর সেরকম প্রভাব পড়ে। মুখের ওপর বয়সের ছাপ দূর করতে অনেকেই সাপের বিষের এই ফেসিয়াল করান যাতে তাঁদে মুখের বলিরেখা দূরে থাকে।

রক্ত-স্নানরক্ত-স্নান!
এই ফেসিয়াল পদ্ধতিটি মোটেও দুর্বলচিত্তের জন্য নয়। তারকা অভিনেত্রীদের মধ্যে এ ধরনের ফেসিয়াল করা প্রবণতা রয়েছে। এ পদ্ধতিটি অনেকটাই চলচ্চিত্রে দেখানো ড্রাকুলা চরিত্রগুলোর রক্ত শোষণ করার মতো। এ পদ্ধতিতে প্রথমে লেজার চিকিত্সা করা হয় পরে ব্যক্তির শরীর থেকে প্লাটিলেট সমৃদ্ধ প্লাজমা (পিআরপি) ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সুঁই ব্যবহার করে মুখে যোগ করা হয়। মুখে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ফুটো করে এ ফেসিয়াল করা হয়। এই ফেসিয়াল করা হলে সহজে বলিরেখা পড়ে না এবং ত্বক টানটান থাকে বলে দাবি করা হয়।

সজীব ত্বকের জন্য বিড়ালের মল!

অবিশ্বাস্য শোনালেও বিড়ালের মলকে পাউডার বানিয়ে তা বিশুদ্ধ পানির সঙ্গে মিশিয়ে ফেসিয়াল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশ্রী গন্ধ দূর করতে এর সঙ্গে গোলাপ জলও যোগ করা হয়। দাবি করা হয়, অদ্ভুত এ ফেসিয়াল নরম ও পেলব ত্বক পেতে সহায়ক।

মুখের ওপর ভেড়ার গর্ভফুলমুখের ওপর ভেড়ার গর্ভফুল
ভেড়ার প্ল্যাসেন্টা বা গর্ভফুলকেও ফেসিয়ালের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এ পদ্ধতিটি নাকি ব্যবহার করেন ভিক্টোরিয়া বেকহাম। শুনতে যতই বিদঘুটে শোনাক, এ সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভেড়ার গর্ভফুল ব্যবহার করে ত্বকে আর্দ্রতা আনা যায় ফলে ত্বক সজীব ও পেলব থাকে।

শামুক থেরাপি

রূপচর্চার উপাদান জীবন্ত শামুক! মুখের ওপর জীবন্ত শামুক ছেড়ে, এক ঘণ্টার পরিপূর্ণ বিশ্রাম! এতে ত্বক হবে সতেজ। জাপানে ব্যবহূত হচ্ছে এই শামুক থেরাপি। শামুক থেকে নির্গত বিশেষ আঠালো উপাদানই মুখের ত্বকের কোষগুলোকে সতেজ করে তোলে। শামুক থেকে নির্গত বিশেষ আঠালো পদার্থে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধির উপাদান হিসেবে রয়েছে প্রোটিন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও হায়ালিউরনিক অ্যাসিডের মিশ্রণ। এ রাসায়নিক উপাদানগুলো ত্বকের আর্দ্রতা বাড়ায়, প্রদাহ কমায় ও মৃত কোষগুলো সরিয়ে ফেলে।

মাড থেরাপি বা কাদা চিকিৎসা

সৌন্দর্যচর্চাতেও মাটির ব্যবহার দীর্ঘদিনের। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই মাটি দিয়ে রূপচর্চা করার চল রয়েছে। মাটিতে যেসব খনিজ উপাদান রয়েছে, তা ত্বকে মৃত কোষ পরিষ্কারের পাশাপাশি ময়েশ্চারাইজারের কাজ করে। মুলতানি মাটি, লাল আঠালো এঁটেল মাটির ব্যবহার দেখা যায়।

সংখ্যায় সংখ্যায়

nWhP4

১ম
প্রথম দল হিসেবে দুবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
২৪
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে রান তাড়ায় ২০তম ওভারে সবচেয়ে বেশি রান করে জিতল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পেছনে পড়ল ২০১০ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ২৩।
১৬১/৬
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে সর্বোচ্চ দলীয় ইনিংস খেলে জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ২০০৭ বিশ্বকাপে প্রথমে ব্যাট করে ১৫৭ রান করেছিল ভারত।
৮৫*
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে সর্বোচ্চ রানের নিজের রেকর্ডটা নতুন করে লিখলেন মারলন স্যামুয়েলস। ২০১২ ফাইনালে করেছিলেন ৭৮ রান।

ম্যাচের দ্বিতীয় বলেই আউট ইংল্যান্ডের ওপেনার জেসন রয়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে সবচেয়ে দ্রুত উইকেট পড়ল কালই। এর আগে ২০১০ সালের ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় বলে আউট হয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ওয়াটসন।

কাল দুই দলের চার ওপেনার মিলে করেছেন ৬ রান। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সর্বনিম্ন। এর আগে চার ওপেনার মিলে সর্বনিম্ন ৭ রান করেছিলেন দুবার।
১০
টানা ১০ ম্যাচে টস জিতলেন ড্যারেন স্যামি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে যা টানা টস জয়ের রেকর্ড।

রাগ-জেদ থেকেই এই উইন্ডিজ-ভয়ংকর!

w45c

এই দলের সঙ্গেই আছেন কার্টলি অ্যামব্রোস। খেলোয়াড়ি জীবনে যাঁর প্রিয় একটা কথা ছিল, ‘সাবধান, আমাকে রাগিও না। রেগে যাওয়া কার্টলি অ্যামব্রোস খুব ভয়ংকর।’
এখন তো দেখা যাচ্ছে শুধু কার্টলি অ্যামব্রোসই নন, রেগে যাওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান মাত্রই ভয়ংকর। বিশেষ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের টি-টোয়েন্টি দল! সবাইকে দেখিয়ে দেওয়ার রাগ-জেদ ড্যারেন স্যামির এই ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলকে এমনই অদম্য বানিয়ে দিয়েছে যে, শেষ ওভারে ১৯ রান দরকার থাকলে মাত্র অষ্টম টি-টোয়েন্টিতে পঞ্চম ইনিংস খেলতে নামা অনভিজ্ঞ এক তরুণ পরপর চার বলে ছক্কা মেরে দেন!
ম্যাচসেরার ট্রফি নিতে গিয়ে মারলন স্যামুয়েলস সোজা বলে দিলেন, এই ট্রফিটা শেন ওয়ার্নের জন্য। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকেই দেখছিলাম, লোকটা বকবক করেই যাচ্ছে।
অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানেই আবার তোপ দাগলেন মার্ক নিকোলাসের দিকে। ফাইনালের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনেও এ-সংক্রান্ত প্রশ্নেই সবচেয়ে বড় উত্তর দিয়েছেন। তবে নামটা উল্লেখ করেননি। এবার আর রাখঢাক নেই। সরাসরি নাম বলেই জানিয়ে দিলেন, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ানদের মাথায় মস্তিষ্কের অস্তিত্ব সম্পর্কে নিকোলাসের ওই মন্তব্যই এই দলকে একতাবদ্ধ করায় সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে।
এই টুর্নামেন্ট খেলতে আসার আগে স্যামির ভাষায় ‘তথাকথিত’ বিশেষজ্ঞ, সাংবাদিক এমনকি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডও তাঁর দলের প্রতি যে তাচ্ছিল্য দেখিয়েছে, সেটিই নাকি তাতিয়ে দিয়েছিল সবাইকে। প্রধানমন্ত্রীর ফোন পেয়েছেন, কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড থেকে কোনো ফোন না পাওয়ার কথাও জানিয়ে দিলেন প্রকাশ্যে। পরে সংবাদ সম্মেলনেও যেভাবে বোর্ডের সমালোচনা করলেন, তাতে মনে হতেই পারে স্যামি ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে শেষ ম্যাচ খেলে ফেললেন না তো!
এই প্রশ্নের উত্তর এখনই জানার উপায় নেই। তবে স্যামি এই বলে দুঃখ করলেন, দলের বাকি খেলোয়াড়দের আবার কবে এক ড্রেসিংরুমে পাবেন, সেটি তিনি জানেন না। এ বছর সামনে কোনো টি-টোয়েন্টি নেই, ভবিষ্যতে এই ‘পনেরো ম্যাচ উইনার’ আবার কবে একসঙ্গে মাঠে নামবেন, আদৌ নামবেন কি না কে জানে!
প্রথম অধিনায়ক হিসেবে দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ তাঁর। এবারের টুর্নামেন্ট-পূর্ব পরিস্থিতির কারণে অনায়াসে পেছনে পড়ে যাচ্ছে ২০১২। ছেলেদের আগে ফাইনাল জিতেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের মেয়েরা। ‘ডাবল’ তো সবার চোখের সামনেই ঘটল। স্যামি এর সঙ্গে বাংলাদেশে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপকেও যোগ করে ‘ট্রেবল’ বানিয়ে দিলেন। পনেরো ম্যাচ উইনারের ব্যাখ্যায় বললেন, ‘সবাই তো বলছিল আমরা নাকি একজনের দল। তা প্রথম ম্যাচে সেঞ্চুরির পর ক্রিস (গেইল) তো আর কিছু করতে পারেনি। তারপরও আমরা ঠিকই এগিয়ে গেলাম। কারণ, আমাদের মধ্যে বিশ্বাস ছিল।’
সেই বিশ্বাস এমনই যে, ম্যাচ যখন শেষ ওভারের অনিশ্চয়তায় এসে দাঁড়াল, তখনো নাকি স্যামির মনে হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ হারতে পারে! বোর্ডের সঙ্গে বিরোধ, এতজনের এত কথা—এসব অনুপ্রেরণার জ্বালানি হয়েছে। আরেকটা জ্বালা মেটানোরও ছিল। দুদিন পরপর টাকাপয়সা নিয়ে বোর্ডের বিরোধের কারণে একটা ধারণা ছড়িয়ে পড়েছিল বা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল-ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান খেলোয়াড়েরা শুধুই টাকার কথা ভাবেন, ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের মানুষের ভালোবাসার প্রতি তাঁদের কোনো দায় নেই। স্যামির আগে স্যামুয়েলসও বলে গেছেন, শিরোপা জিতেই এর জবাব দিতে চেয়েছিলেন তাঁরা। এই সাফল্যের সবচেয়ে বড় তাৎপর্য, এটি ক্যারিবীয়দের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। ক্রিকেট খেলে এর চেয়ে বড় কিছু পাওয়ার নেই তাঁদের।
এমন আবেগ, এমন মনপ্রাণ দিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এই টুর্নামেন্টটা খেলল যে, কথাটা বিশ্বাস করতেই হচ্ছে।

কিডনির চিকিৎসা নিয়ে বিভ্রান্তি নয়

78W79

কিডনি অকার্যকর হয়ে গেলে বেঁচে থাকার পথ দুটি: ডায়ালাইসিস করা অথবা কিডনি প্রতিস্থাপন। দুটি বিষয় নিয়েই রয়েছে নানা বিভ্রান্তি, আতঙ্ক ও ভুল ধারণা। কিডনির চূড়ান্ত পর্যায়ের অকার্যকারিতা বা এন্ড স্টেজ রেনাল ডিজিজ হলে তবেই বিকল্প উপায়ে কিডনির কাজ চালানোর কথা ভাবা হয়।
নানা কারণে কিডনি নিষ্ক্রিয় বা অকার্যকর হতে পারে। এ জন্য অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ এবং কিডনির নানা রকম রোগ দায়ী। কিডনির প্রধান কাজ হচ্ছে রক্ত শোধন করা ও অনাকাঙ্ক্ষিত বর্জ্য প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেওয়া। না হলে রক্তে দূষিত পদার্থ জমে মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ডায়ালাইসিস বা বিকল্প উপায়ে তখন ওই বর্জ্য নিষ্কাশনের চেষ্টা করা হয়। এখন প্রশ্ন ওঠে, কোনটা ভালো? ডায়ালাইসিস নাকি কিডনি সংযোজন?
কিডনি প্রতিস্থাপন করাটাই তুলনামূলক ভালো পন্থা, কেননা সফলভাবে কিডনি সংযোজনের পর রোগীর জীবনের গুণগত মান ডায়ালাইসিস করানো রোগীর চেয়ে ভালো হয়। কিন্তু কিডনি পাওয়াটাই বড় সমস্যা। আত্মীয়স্বজন বা অন্য কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে কিডনি সংগ্রহ করাটা সহজ ব্যাপার নয়। অনেক সময় দাতা পাওয়া গেলেও সেটা রোগীর শরীরের উপযোগী হয় না বা সঠিক ম্যাচিং হয় না।
কিডনি বিক্রি নিয়ে বিভ্রান্তিকর অনেক কথার প্রচলন রয়েছে। আইনত কাউকে কিডনি দান করা যায়, কিন্তু বিক্রি করা যায় না। কিডনি প্রতিস্থাপনের আগে দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষা, সঠিক ম্যাচিং ও প্রস্ততির ব্যাপার রয়েছে। সবকিছু মিলে গেলে তবেই কিডনি দাতা ও গ্রহীতা দুজনের অস্ত্রোপচার একই সঙ্গে শুরু হয়। এই অস্ত্রোপচার জটিল এবং যেকোনো জায়গায় যে কেউ করতে পারেন না।
আইন অনুযায়ী জীবিত দাতার কাছ থেকে কিডনি নিয়ে সংযোজন করা যায়। এ ক্ষেত্রে মা-বাবা, ভাই-বোন, চাচা, মামা, খালা, ফুফু ও স্বামী-স্ত্রী কিডনি দান করতে পারেন। কেউ যদি মৃত্যুর আগে কিডনি দান করে যান, তাঁর আত্মীয়স্বজনের অনুমতি সাপেক্ষে সেই কিডনি অন্য কারও শরীরে সংযোজন করা যায়।
অধ্যাপক জামানুল ইসলাম ভুঁইয়া

প্রাক্তন পরিচালক, জাতীয় কিডনি ও ইউরোলজি ইনস্টিটিউট

স্বাস্থ্যবটিকা ® ব্রোন স্মিথ
‘হোয়াইট টি’ কী?
‘হোয়াইট টি’ বা সাদা চা নামটি এসেছে চা গাছের রুপালি-সাদা কুঁড়ি থেকে

‘গ্রিন টি’, ‘ব্ল্যাক টি’ বা ‘ওলং টির’ মতো একই রকম চা পাতা থেকে হোয়াইট টি তৈরি করা হয়। সব রকমের চায়ের মধ্যে এটি সবচেয়ে কম প্রক্রিয়াজাত চা। ঘূর্ণনের মাধ্যমে চূর্ণ করা হয় না বলেই হোয়াইট টির স্বাদ অন্য রকম। এই চায়ের অধিকাংশ সরবরাহ আসে চীনের ফুজিয়ান প্রদেশ থেকে।
‘স্বাস্থ্যবটিকা’র লক্ষ্য রোগনির্ণয় গোছের কিছু নয়

প্রশ্নোত্তর

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে রয়েছে নানা রকম স্বাস্থ্যসমস্যা। অনেক সময় ঘরে বসেই কিংবা জীবনধারা পরিবর্তনের মাধ্যমে এসব সমস্যার সমাধান সম্ভব। আপনার সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন পাঠান। উত্তর দেবেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা। বয়স লিখতে ভুলবেন না।
স্বাস্থ্যসমস্যা নিয়ে প্রশ্ন পাঠাতে পারেন এই ঠিকানায়: ভালো থাকুন
প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউ, কারওয়ান বাজার ঢাকা-১২১৫

‘সবার সামনে বিব্রত হলাম’

gt6[

আমরা একটি চলচ্চিত্র দিবস পেয়ে অনেক আনন্দিত হয়েছি। কিন্তু আজ যা ঘটল, তা রীতিমতো দুঃখজনক। এমন একটি দিবসের আনুষ্ঠানিকতায় এই সময়ের জনপ্রিয় তারকাদের কারও দেখা পেলাম না!’ এভাবেই চলচ্চিত্র দিবসে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করলেন অভিনেতা রাজ্জাক। গতকাল রোববার ছিল জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস।
দিনজুড়ে এফডিসিতে নানা আয়োজন থাকলেও সেখানে তারকার উপস্থিতি ছিল কম। চলচ্চিত্র দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে এসেছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তাঁদের সামনেই নিজের ক্ষোভের কথা জানালেন রাজ্জাক। তিনি বলেন, ‘দুই মন্ত্রী আমাকে বললেন, ব্যাপার কী রাজ্জাক সাহেব? আপনার শিল্পীরা কোথায়? আমি সবার সামনে বিব্রত হলাম।’
রাজ্জাক আরও বলেন, ‘কী বলব! এখানে তো পরামর্শ নেওয়ার লোকই নাই। এখন যাঁরা চলচ্চিত্রের কাজ করছেন, তাঁদের অবস্থা এমন—চলচ্চিত্রে কয় দিন কাজ করেই চলে যাবেন। এভাবে চললে তাঁদের কেউ মনে রাখবে না।’
উল্লেখ, এবারের জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস উদ্যাপন পরিষদের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন রাজ্জাক।
ঝরনা স্পটের সামনের অস্থায়ী মঞ্চে উদ্বোধন শেষে ছিল শোভাযাত্রার আয়োজন। অতিথিসহ সেই শোভাযাত্রায় বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে ছিল হাতি আর ঘোড়ার গাড়ি। শোভাযাত্রা শেষে ছিল সেমিনারের আয়োজন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল সন্ধ্যায়।

ত্রিশোর্ধ্ব নারীদের করণীয়

tfy

ত্রিশের পর নারীদের ত্বকে পরিবর্তন আসতে শুরু করে। এ সময় প্রয়োজন হয় কিছু অতিরিক্ত যত্ন। নতুবা খুব দ্রুত ত্বকে পড়তে পারে বয়সের ছাপ।
তবে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। কিছুটা সময় আলাদা করে নিজের যত্ন নিলেই ধরে রাখা যাবে ত্বকের তারুণ্য।

রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে বয়সের সঙ্গে কীভাবে ত্বকের যত্ন নিলে তারুণ্য বজায় থাকবে দীর্ঘদিন তারই কিছু উপায় জানানো হয়।

এখানে ত্রিশোর্ধ্ব নারীদের ত্বকের কিছু বিশেষ যত্নের বিষয় উল্লেখ করা হল।

– ক্লিনজিং, টোনিং এবং ময়েশ্চারাইজিং, ত্বকের সুরক্ষায় যে কোনো বয়সের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়া। ত্রিশের পর এই ধাপগুলো আরও ভালোভাবে অনুসরণ করা উচিত। কারণ এই প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে ত্বক ভেতর থেকে পরিষ্কার করা হয়, যাতে করে ত্বক সুস্থ থাকবে।

– প্রসাধনী কেনার আগে তাতে থাকা উপাদানগুলো ত্বকের জন্য কতটা উপকারী তা যাচাই করে নিন। হারবাল হোক বা বাজারে প্রচলিত কেমিকেলে তৈরি প্রসাধনী, প্রতিটি পণ্য কেনার আগে ভালোভাবে যাচাই করে ত্বকের জন্য উপযোগী প্রসাধনী বেছে নিতে হবে। এতে করে অবাঞ্ছিত র‌্যাশ বা ত্বকের সমস্যা এড়ানো সম্ভব হবে। বিশেষত প্রসাধনীতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি, গ্লাইকোলিক ইত্যাদি উপাদান থাকলে তা বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।

– পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করবে দীর্ঘদিন পর্যন্ত। বাইরের যত্ন ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করলেও সুন্দর ত্বকের জন্য চাই ভিতর থেকে যত্ন। তাই সুস্থ ও সুন্দর ত্বক পেতে প্রচুর শাকসবজি ও ফলমূল খেতে হবে এবং পাশাপাশি প্রচুর পানি পান করতে হবে।

– ত্রিশের পর ভিটামিন সি ও ই সাপ্লিমেন্ট ত্বক সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। এ উপাদানগুলো ত্বকের নমনীয়তা ধরে রাখে যা তরুণ ত্বকের মূল শর্ত।

– ত্বকের যত্নে ফেইস মাস্ক ব্যবহারের গুরুত্ব নতুন করে বলার কিছু নেই। ত্বকের বাইরের আস্তরণ সুস্থ রাখতে ফেইস মাস্ক জরুরি।

তবে কেমিকলযুক্ত মাস্ক ব্যবহার না করে ঘরোয়া উপাদানে তৈরি মাস্ক ব্যবহার ত্বকের জন্য বেশি উপকারী। যেমন, ত্বকে টক দই লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলতে পারেন। এছাড়া মধু, লেবু, বেসন, পাকাকলা, পেঁপে ইত্যাদিও ত্বকে মাস্ক হিসেবে ব্যবহারে উপকার পাওয়া যাবে।

– ত্রিশের পর ত্বকের যত্নে নিয়ম করে ফেইশল করানো বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এতে ত্বকের বাড়তি যত্ন নেওয়া হবে এবং নিজেই পরিবর্তণ লক্ষ করবেন।

– ওজন কমাতে এবং সুন্দর স্বাস্থ্যের জন্য যেমন ব্যায়াম গুরুত্বপূর্ণ একইভাবে ত্বকের জন্য উপকারী অভ্যাস এটি। নিয়মিত ৩০ মিনিটের ব্যায়াম ত্বক পরিষ্কার করে ত্বকে পুষ্টি যোগায় এবং রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে। যা ত্বকের বয়সের কাটাকে ধীর করে দিতে কার্যকর।

– ত্বকের উপরের স্তরে জমে থাকা মৃত কোষের স্তর পরিষ্কার করতে এক্সফলিয়েট করা অত্যন্ত জরুরি। এতে মৃত কোষ ও জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার হয় এবং ত্বক উজ্জ্বল হয়।

– সুন্দর ত্বকের জন্য আর্দ্রতা ধরে রাখা জরুরি। তাই প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিত। দিনে ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পানের পরামর্শ দিয়ে থাকের বিশেষজ্ঞরা।

– সুন্দর ত্বক ও তারুণ্য ধরে রাখতে ত্যাগ করতে হবে কিছু বদভ্যাস। মদ্যপান এবং ধূমপানের কারণে শরীরে বিষাক্ত পদার্থ জমতে থাকে, যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। তাই নিজের জন্য এই অভ্যাসগুলো বাদ দিতে হবে।

– ত্রিশের পর রাতে ঘুমানের আগে অবশ্যই একটি ভালো এবং ত্বক উপযোগী নাইট ক্রিম ব্যবহার করা উচিত। নাইট ক্রিম সারাদিনে ক্ষতি পুষিয়ে ত্বক ময়েশ্চারাইজ রাখতে সাহায্য করবে।

– বয়সের রেখা পড়তে শুরু করে চোখের আশপাশেই। এর মূল কারণ হতে পারে চোখের আশপাশের ত্বকের শুষ্কতা। তাই চোখের চারপাশের ত্বক সুন্দর রাখতে ভালো মানের আই ক্রিম ব্যবহার করা উচিত।

– শুধু মুখের ত্বকের নয়, যত্ন প্রয়োজন পুরো শরীরের। সারা শরীরের ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রেখে ময়েশ্চারাইজ রাখতে দিনে অন্তত দুবার লোশন ব্যবহার করা উচিত।

– যে কোনো বয়সেই সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মির প্রভাব থেকে ত্বক সুরক্ষিত রাখতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি। আর ত্রিশের পর এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি মাত্রার সানস্ক্রিন বেছে নেওয়া উচিত। তাছাড়া মেইকআপের ক্ষেত্রেও এসপিএফ যুক্ত ফাউন্ডেশন বেছে নিতে হবে।

বিয়ে নিয়ে যত কথা, ‘বৌকথা’য়

kiw8e

প্রকাশিত হল বিয়ে বিষয়ক সাময়িকী ‘বৌকথা’র প্রথম সংখ্যা। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রকাশনা এই ম্যাগাজিনে নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরা হয়েছে বিয়ের প্রস্তুতি ও নব-দাম্পত্য বিষয়ক নানান বিষয়।

“বিয়ে করতে গেলে মধ্যবিত্তকে ভাবতে হয় নানা ভাবনা, মেলাতে হয় নানা হিসাব। এতে ‘বৌকথা’ সহায়ক হতে চায়”, বলেন, ম্যাগাজিনটির নির্বাহী সম্পাদক নাজিয়া আফরিন।

বিয়ে নিয়ে বাজারে আরও কিছু ম্যাগাজিন রয়েছে। তাহলে ‘বৌকথা’ কেনো? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আমাদের উদ্দেশ্য একটু আলাদা। আমরা বিয়ের আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ থাকছি না। আমরা গুরুত্ব দিয়েছি বিয়ের পরের দিনগুলিকেও।”

বিয়ের পর সংসার গোছানোর নানা পরামর্শ রয়েছে ম্যাগাজিনটিতে।

‘বৌকথা’র প্রথম সংখ্যার প্রচ্ছদ কাহিনি বেনারসি শাড়ির ওপর। বেনারসি নিয়ে কয়েকটি নিবন্ধ রয়েছে এতে। বেনারসি কেনার টিপস থেকে শুরু করে বেনারসির আদি ইতিহাস পর্যন্ত সবই তুলে ধরা হয়েছে।

শাড়ি ছাড়াও শেরওয়ানি, গয়না, জুতা ইত্যাদি অনুষঙ্গ নিয়ে লেখা রয়েছে। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সাংবাদিকরা ছাড়াও এতে লিখেছেন তরুণ লেখক, গবেষক, ওয়েডিং প্ল্যানার, মনোবিজ্ঞানী, পুষ্টিতত্ত্ববিদেরা।

বাংলাদেশের প্রধান ইন্টারনেট পত্রিকার ম্যাগাজিন ছাপায় এলো কেনো এই প্রশ্নের জবাবে প্রতিষ্ঠানটির উপ-ব্যবস্থাপনা সম্পাদক অনিন্দ্য রহমান বলেন, “আমরা আমাদের উৎকর্ষের প্রকাশ নানা মিডিয়ামে ঘটাতে চাই। বই তো আমরা ছেপেই থাকি। আর এই ম্যাগাজিন নিয়ে অনলাইনেও আমারদের বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। শিগগিরই সেটা পাঠকের জন্য উন্মুক্ত হবে।”

‘বৌকথা’য় প্রধান আলোকচিত্রী হিসেবে কাজ করেছেন আসাদুজ্জামান প্রামানিক। সহযোগী সম্পাদক তৃষা সামীরা। প্রথম সংখ্যায় প্রচ্ছদে জায়গা করে নিয়েছেন প্রতিশ্রুতিশীল অভিনেত্রী শায়লা সাবি।

ম্যাগাজিনটি দেশজুড়ে পত্রিকা স্ট্যান্ডে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়াও বিশেষ মূল্যে পাওয়া যাবে একুশে বই মেলায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর পাবলিশিং লিমিটেডের স্টলে (স্টল ৬২-৬৩, বাংলা একাডেমি পুকুর পাড়)। অনলাইনের অর্ডার করুন এখানে

স্বপ্নে বিভোর নতুন ইংল্যান্ড

yusei

ভারতীয় উপমহাদেশে এসে তাদের তালগোল পাকিয়ে ফেলার নজির খুঁজতে খুব বেশি পেছনে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ২০১৪ সালে বাংলাদেশে হওয়া আগের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে যথেষ্ট। সেবার সন্ধ্যার শিশিরে যাতে নাকাল হতে না হয়, সেজন্য ইংল্যান্ডের অনুশীলন মানেই ছিল ভেজা বলে ব্যাটিং অনুশীলন। বালতিভর্তি পানিতে ভিজিয়ে রাখা বলে অনুশীলন নজর কাড়লেও সুফল দিতে পারেনি। এমনকি নেদারল্যান্ডসের কাছেও হারা স্টুয়ার্ট ব্রডের দল সুপার টেন পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল। তবে উপমহাদেশের কন্ডিশন এবং এখানকার স্পিন উপযোগী উইকেটে অনভ্যস্ত এউইন মরগানের দলও এবার ভারতে খুব ভালো কিছু করবে বলে অনুমান ছিল না। কিন্তু আগেরবারের তুমুল ব্যর্থ দলটিই এবার চরম সাফল্যের সিঁড়ির শেষ ধাপে এসে দাঁড়িয়েছে।

ক্রিকেট বিশ্বের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে একেবারে নতুন এক ইংল্যান্ড। যাদের পারফরম্যান্সে এই কিছুদিন আগেও আশাবাদী হওয়ার কোনো কারণ ছিল না। বিশ্বকাপের আগেই তারা গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়। সেখানে ওয়ানডে সিরিজে হারা দলটি দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল। এর চেয়েও বড় কথা প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ঘূর্ণিবলে খাবি খাওয়া দলটির পক্ষে ভারতে এসে এভাবে নিজেদের মেলে ধরার ব্যাপারটি কষ্ট-কল্পনাই ছিল। এ জন্য টুর্নামেন্ট পূর্ব আলোচনায় ইংল্যান্ডকে কেউ হিসাবের মধ্যে রাখার ক্ষেত্রেও ছিলেন দ্বিধাহীন।

ফলে ফাইনালে পৌঁছে যাওয়া ইংল্যান্ড চমক হিসেবেই আবির্ভূত হয়েছে যেন। অবশ্য এই টুর্নামেন্টের একমাত্র চমক তারাই নয়, নিউজিল্যান্ডও ছিল। ভারতের স্পিন সহায়ক উইকেটে বাজিমাত কিউইরাও করেছিল। এখানে অনেকের মতেই তাদের ইতিহাসের সেরা পেস জুটিকে বসিয়ে স্পিনার বাড়িয়ে নামা নিউজিল্যান্ড এমনকি স্পিন বিষে নীল করেছে স্বাগতিক ভারতকেও। আর স্পিন চমকেই সেমিফাইনালে পৌঁছে যাওয়া কিউইদের দৌড়ও শেষ হয়েছে ইংল্যান্ডের সামনে পড়েই। যাদের কাছে এমনকি কোনো বাধাই বাধা বলেও মনে হওয়ার কথা নয়।

টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ১৮৩ রান করেও ক্রিস গেইলের ৪৭ বলে করা সেঞ্চুরিতে শেষ পর্যন্ত হারের বিষাদেই ডুবেছিল। কিন্তু পরের ম্যাচেই দক্ষিণ আফ্রিকার ২৩০ তাড়া করে জেতা এমন ছন্দ ধরিয়ে দিয়েছে যে এর পর থেকেই বিপুল বেগে এগোতে থাকা নতুন এক ইংল্যান্ডকেই দেখা গেছে। গত বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকেও বিদায় নেওয়া ইংলিশদের সামনে এবার দ্বিতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টির বিশ্বজয় করার সুযোগ। দলের সেরা ব্যাটসম্যান জো রুটের কাছে তো এটি স্বপ্নপূরণের মতো একটি ব্যাপারই, ‘শৈশব থেকে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলার সুযোগ পাওয়ার স্বপ্নই তো দেখে এসেছি!’

সেই স্বপ্ন আজ পূরণ হচ্ছে। তবে স্বপ্নটি চ্যাম্পিয়ন হওয়া পর্যন্তও নিশ্চিতভাবেই বিস্তৃতি পেয়েছে। রুট সতীর্থদের চোখেমুখে সেই সাফল্য-তৃষ্ণাও মূর্ত হয়ে উঠতে দেখেছেন, ‘গত কয়েক দিন থেকেই ড্রেসিংরুম থেকে শুরু করে টিম বাস—সবখানেই আমি ছেলেদের লক্ষ করেছি। সবার চোখমুখই বলে দিচ্ছিল যে ওরা কতটা রোমাঞ্চিত। রবিবারের ফাইনাল খেলতে মাঠে নেমে পড়তে যেন আর তরই সইছে না ওদের।’ নতুন ইংল্যান্ড শেষটাও শিরোপা দিয়েই টানতে চাইবে।

বিটিআই ওপেন জিতলেন সিদ্দিক

ygu

বহুদিন শিরোপার দেখা নেই। পারফরম্যান্সও ভালো না। কিন্তু কুর্মিটোলা গলফ কোর্সে শনিবার বিটিআই ওপেনের শেষ হাসি হাসলেন বাংলাদেশের সেরা গলফার সিদ্দিকুর রহমান। শিরোপা খরায় ভুগতে থাকা সিদ্দিক হয়েছেন চ্যাম্পিয়ন। এটি তার পঞ্চম পিজিটিআই শিরোপা।

খেলাটা গড়িয়েছিল প্লে-অফে। সেখানে সজীব আলি পারেননি সিদ্দিকের সাথে। আসরে তৃতীয় হয়েছেন ভারতের সুজান সিং। শেষ রাউন্ডে লড়াইটা চলে যায় প্লে-অফে। শেষ দিনে সিদ্দিক পারের চেয়ে ১ শট কম খেলেছেন। সজীব খেলেছেন পারের চেয়ে ৬ শট কম। চার রাউন্ড মিলিয়ে তাতে দুজনার স্কোর সমান হয়ে যায়। দুজনই মোট ১৫ আন্ডার পার খেলেছেন। প্লে-অফে ১ হোলের খেলা। সেখানে সিদ্দিক করেন বার্ডি। পারের সমান খেলেন সজীব। চ্যাম্পিয়ন হয়ে যান সিদ্দিক। ২০১৩ সালে শেষ ট্রফিটা সিদ্দিক জিতেছিলেন দিল্লির এশিয়ান ট্যুরে।

মেয়েদের মুখে এক আর মনে এক

uygfyuk

অধিকাংশ পুরুষের অভিযোগ, তাঁরা নাকি নারীদের মন বোঝেন না। কেউ কেউ তো আবার এই অপবাদও দেন, নারীদের নাকি বোঝাই যায় না। এই কথাটা পুরোটা না হলেও, কিছুটা সত্যি। নারীরা তো আসলে একটু বেশি আবেগপ্রবণ, তাই তাঁদের কথায়বার্তায় একটা চাপা অনুভূতি লুকিয়ে থাকে। “হ্যাঁ”কে না বলেন, “না”কে বলেন হ্যাঁ। ফলে কোন কথার কী মানে, সেটাই বোঝা কঠিন। তাঁদের মুখের কথায় চলতে গিয়ে হোঁচট খান অনেক পুরুষ। সেই সব কথার আসল অর্থ জানতে উঁকি দিন নারীমনে। জেনে নিন কোন নারীর কোন কথার কী মানে :

১) ‘ওয়াও’
– নারীদের সব ওয়াও কিন্তু ওয়াও হয় না। অনেকসময় তিরস্কার জানাতেও তাঁরা ওয়াও বলে থাকেন। শুধু ওয়াও বলার ধরনটা লক্ষ্য করতে হবে। তা হলেই বুঝে যাবেন পুরস্কার না তিরস্কার।

২) বাদ দাও – ছেড়ে দাও
– এই বাদ দেওয়া বা ছেড়ে দেওয়া কিন্তু একেবারেই বাদ দেওয়া বা ছেড়ে দেওয়া নয়। কোনও মহিলা যদি এমন কথা বলেন, জানবেন সেই বিষয়টি তিনি কোনওদিনই ছেড়ে দেবেন না বা বাদ দেবেন না।

৩) ‘আমার কিছু হয়নি’
– কোনও মহিলা যদি বলেন তাঁর কিছু হয়নি, জানবেন অনেক কিছু হয়েছে। মহিলারা এমন কথা তখনই বলেন, যখন তাঁরা অসম্ভব রেগে থাকেন। তাই প্রথমেই কারণ জানতে চাইবেন না। আগে তাঁকে ঠান্ডা হতে দিন। তারপর জিজ্ঞেস করুন মাথা গরমের কারণ।

৪) ‘আমার কথা আছে’
– কোনও মহিলা যদি এই কথা বলেন, সতর্ক হয়ে যান। আপনার সঙ্গে অনেক পুরোনো হিসেবে নিকেশ করতে চান সে।

৫)“গো অ্যাহেড”
– এই গো অ্যাহেডের অর্থ কিন্তু গো অ্যাহেড নয়। এর মানে, স্টপ। থেমে যান। মনঃপূত না হলে এমন উলটো কথাই বলেন মহিলারা। পুরুষের উচিত থেমে যাওয়া। এর কারণ একটাই। পছন্দসই কাজ হলে মহিলারা নিজে থেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেন, বারবার প্রশ্ন করে অনেককিছু জানতে চান।

৬)“ভালো”
– তর্কবিতর্কের সময় মহিলারা বলেন ভালো। এই ভালোর অর্থ “দারুণ” নয়, এর অর্থ “এবার থামো”।

৭) “না”
– রাগের মুখে নারীদের “না” মানেই হ্যাঁ।
“আইসক্রিম খাবে?”
“না।”
“ফুচকা খাবে?”
“না।”
– এমন সময় প্রশ্ন না করে সোজা কিনে আনুন ফুচকা, আইসক্রিম। রাগের মাথায় হাত থেকে কেড়ে নিয়ে খেয়ে নেবেন।