গৌরির সঙ্গে মেয়ে কণ্ঠে কথা বলতেন শাহরুখ

ftgyu89

১৯৯১ সালের ২৫ অক্টোবর দিল্লির মেয়ে গৌরি খানকে বিয়ে করেন শাহরুখ খান। দেখতে দেখতে তাদের দাম্পত্য জীবন পড়েছে ২৫ বছরে। বিয়ের আগে গৌরির সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করেছেন শাহরুখ। শুধু তা-ই নয়, মেয়েলি কণ্ঠে কথা বলে প্রেমিকার পরিবারকে বোকাও বানিয়েছেন বলিউড বাদশা। কমেডিয়ান কপিল শর্মার নতুন অনুষ্ঠান দ্য কপিল শর্মা শোর প্রথম পর্বে ব্যক্তিগত জীবনের অনেক কিছু শেয়ার করেছেন শাহরুখ। গত ১১ এপ্রিল মুম্বাইয়ে এর দৃশ্যধারণ হয়েছে।

এতে সেলফি সংস্কৃতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ৫০ বছর বয়সী এই অভিনেতা বলেন, এখনকার যুগে সবার হাতেই মোবাইল ফোন, কিন্তু আমাদের সময় শুধু ল্যান্ডফোন ছিলো। গৌরির সঙ্গে কথা বলতে চাইলে আমাকে মেয়ের কণ্ঠে বলতে হতো, কারণ সবসময় ফোন রিসিভ করতো ওর ভাই বিক্রান্ত। মেয়েলি কণ্ঠে ওর ভাইকে বলতাম দয়া করে আমি কি গৌরির সঙ্গে কথা বলতে পারবো? ওর ভাই মনে করতো আমি হয়তো তার বোনের বান্ধবী! বিক্রান্ত এখনও জানে না, ওই মেয়েলি কণ্ঠের মানুষটি আমি নিজে। এই পর্বটি দেখার পর এটা জেনে যাবে ও।

এদিকে আগামী ১৫ এপ্রিল মুক্তি পাবে শাহরুখের নতুন ছবি ফ্যান। এতে দ্বৈত চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। ১৯৯৮ সালে সর্বশেষ ডুপ্লিকেট ছবিতে দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। যশরাজ ফিল্মসের প্রযোজনায় ফ্যান পরিচালনা করেছেন মনীষ শর্মা। এতে শাহরুখের বিপরীতে আছেন নবাগতা ওয়ালুশা ডিসুজা।

অভিষেকেই আলো ছড়ালেন মুস্তাফিজ

nbvgcdxf

আইপিএলেও : এবি ডি ভিলিয়ার্স-বিরাট কোহলির তাণ্ডবে বেসামাল অবস্থা সানরাইজারস হায়দরাবাদের। বেধড়ক পিটুনির পরও অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার বল দেননি মুস্তাফিজুর রহমানকে। প্রথম দুই ওভারে মাত্র ১০ রান দেওয়া বাংলাদেশি ‘কাটার’কে রেখে দিয়েছিলেন যে স্লগ ওভারের জন্য। অবশেষে এলেন তিনি ১৭তম ওভারে, আর বল হাতে তুলেই ফেরালেন বিধ্বংসী হয়ে ওঠা ডি ভিলিয়ার্সকে। পরের বলেই শেন ওয়াটসনকে আউট করে হ্যাটট্রিক সম্ভাবনা জাগানো মুস্তাফিজ সেটা করতে না পারলেও আইপিএল অভিষেকটা রাঙিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট নিয়ে। ছবি : এএফপি
অ- অ অ+

আইপিএলের মঞ্চটা একটু আলাদা। এখানে কোটি কোটি টাকা দিয়ে কেনা খেলোয়াড় যেমন হতাশায় লুকিয়েছেন মুখ, তেমনি আবার অখ্যাত কেউ তারকাখ্যাতি পেয়ে গেছেন রাতারাতি। মুস্তাফিজুর রহমানের জন্য কুড়ি ওভারের এই ক্রিকেট টুর্নামেন্টটি তাই ছিল কঠিন চ্যালেঞ্জের। সেই চ্যালেঞ্জ কি চমত্কারভাবেই না জিতে গেলেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অভিষেকে আলো ছড়ানো বাংলাদেশি পেসার আইপিএলের শুরুতেও যে করলেন বাজিমাত!

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অফিশিয়াল টুইটার পেজে পোস্ট হচ্ছে একের পর এক তাঁর ছবি। সতীর্থদের সঙ্গে অবকাশ যাপন কিংবা অনুশীলনে ঘাম ঝরানোর ছবিগুলো দেখে বোঝা যাচ্ছিল হায়দরাবাদে কতটা গুরুত্ব পাচ্ছেন বাংলাদেশি পেসার। তবু সংশয় ছিল, বিদেশি কোটায় সুযোগ মিলবে তো মুস্তাফিজের? সাকিব আল হাসানের মতো পরীক্ষিত বোলারকে যেখানে বসিয়ে রেখেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স, সেখানে আইপিএলে একেবারে অনভিজ্ঞ মুস্তাফিজের খেলা নিয়ে সংশয় তৈরি হওয়াটা অস্বাভাবিক ছিল না। এর ওপর আবার একাদশের লড়াইটা ছিল তাঁর ট্রেন্ট বোল্টের সঙ্গে। অবশ্য ২০১৫ বিশ্বকাপে আলো ছড়ানো কিংবা আইপিএল অভিজ্ঞতায় নিউজিল্যান্ড বোলার যতই এগিয়ে থাক, সদ্য শেষ হওয়া বিশ্ব টি-টোয়েন্টিতে একটি ম্যাচও যে খেলেননি তিনি। তাই মুস্তাফিজের খেলার সম্ভাবনা ছিল বেশি। আর সেটা নিশ্চিত হয় টস করতে এসে হায়দরাবাদ অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার যখন বললেন, ‘মুস্তাফিজের থাকাটা আমাদের বোলিংয়ে ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে।’ আইপিএল মঞ্চে নিজেকে মেলে ধরার সুযোগটাও তাতে পেয়ে যান বাংলাদেশি ‘কাটার’।

একাদশে তো সুযোগ মিলল, এবার নিজেকে প্রমাণের পালা মুস্তাফিজের। প্রথম দুই ওভারে সুযোগ পাননি, তৃতীয় ওভারে এসে তাঁর হাতে বল তুলে দিলেন ওয়ার্নার। ক্রিজে তখন এখনকার ক্রিকেটের সেরা দুই ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি ও এবি ডি ভিলিয়ার্স। বিশ্বসেরা দুই ব্যাটসম্যানের বিপক্ষে রান দিলেন মোটে ৪। দুই ওভার পর ফিরে দিলেন আরো ৬ রান, সব মিলিয়ে মুস্তাফিজের বোলিং ফিগারটা দাঁড়ায় এমন—২-০-১০-০। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে তিনিই কেবল পেরেছেন প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের শান্ত রাখতে। সতীর্থরা তো ‘মুক্তহস্তে’ খরচ করেছেন রান! স্পিনার কর্ণ শর্মা ৪ ওভারে দিয়েছেন মাত্র ৫৭ রান! রান খরচের প্রতিযোগিতায় একটুর জন্য তাঁর সঙ্গে পেরে ওঠেননি ভুবনেশ্বর কুমার। ভারতীয় পেসার দিয়েছেন ৫৫ রান।

এই দুই বোলারের ওপর দিয়ে আক্ষরিক অর্থেই ঝড় তুলেছিলেন ডি ভিলিয়ার্স-কোহলি। তাঁদের বেধড়ক পিটুনির পরও মুস্তাফিজকে বোলিংয়ে আনেননি ওয়ার্নার। প্রথম ২ ওভারে মাত্র ১০ রান খরচ করা ‘কাটার’কে রেখে দিয়েছিলেন যে স্লগ ওভারের জন্য। অবশেষে বাংলাদেশি পেসার এলেন ১৭তম ওভারে। আর ফিরেই করলেন বাজিমাত। দ্বিতীয় বলেই ‘অফকাটার’-এ ফেরালেন বিধ্বংসী হয়ে ওঠা ডি ভিলিয়ার্সকে। প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান ৪২ বলে ৮২ রান করে আউট হন এউইন মরগানের মুঠোবন্দি হয়ে। পরের বলে আবার উইকেট-উৎসব মুস্তাফিজের। এবার শেন ওয়াটসনকে (১৯) উইকেটরক্ষক নামান ওঝার গ্লাভসবন্দি করে জাগালেন হ্যাটট্রিক সম্ভাবনাও। শেষ পর্যন্ত হ্যাটট্রিক করতে না পারলেও ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নিয়ে আইপিএল অভিষেকটা দারুণভাবে রাঙিয়ে নিয়েছেন মুস্তাফিজ।

ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে তিনি আলো ছড়ালেও তাঁর আনন্দটা ম্লান হয়ে গেছে দলের হারে। ডি ভিলিয়ার্স-কোহলি ঝড়ে ২০ ওভারে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর করা ২২৭ রানের কঠিন লক্ষ্য পেরোতে পারেনি হায়দরাবাদ। ৬ উইকেট হারিয়ে মুস্তাফিজের দল করতে পেরেছে ১৮২। তাই ৪৫ রানে হেরে আইপিএলের নবম আসর শুরু করেছে হায়দরাবাদ। ক্রিকইনফো

যে কারণে ব্রেকআপ যন্ত্রণাময়, ব্যাখ্যা করলেন গবেষকরা –

mnbvhjkl

সম্পর্ক গড়ে তোলার পর বিচ্ছেদ বহু মানুষের জন্যই প্রচণ্ড যন্ত্রণাময় অনুভূতি সৃষ্টি করে। কিন্তু কী কারণে এমনটা হয়? সম্প্রতি গবেষকরা এ বিষয়ে অনুসন্ধান করেছেন। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হাফিংটন পোস্ট।
ব্রেকআপ বা আপনি অন্যের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হন কিংবা কোনো কারণে আপনার সম্পর্কটি ভেঙে দিতে হয়, উভয় ক্ষেত্রেই তা যন্ত্রণাময় অনুভূতি তৈরি করে। তবে এটি শুধু আপনার ক্ষেত্রেই নয়, সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
কিন্তু কী কারণে এ যন্ত্রণাময় অনুভূতি? গবেষকরা বলছেন, সম্পর্ক বিচ্ছেদের পর যন্ত্রণাময় অনুভূতির জন্য দায়ী মস্তিষ্ক। মূলক মস্তিষ্কই সম্পর্ক বিচ্ছেদের পর পুরনো স্মৃতিগুলো বারবার মনে করিয়ে দেয়।
এ বিষয়ে মস্তিষ্ক গবেষক ড. লুসি ব্রাউন ও তার টিম ২০১০ সালে একটি গবেষণা করেন। সে গবেষণায় তারা সাম্প্রতিক বিচ্ছেদের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মস্তিষ্কের এমআরআই পরীক্ষা করেন। গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মস্তিষ্কের পরিবর্তন ধরার জন্য যার সঙ্গে সম্প্রতি সম্পর্ক বিচ্ছেদ হয়েছে তার ছবি ও অতীতে সম্পর্ক ছিল এমন কোনো ব্যক্তির ছবি দেখানো হয়। এতে মস্তিষ্ক যেভাবে সাড়া দেয় তা লিপিবদ্ধ করা হয়।
গবেষকরা জানান, মূলত সম্পর্ক বিচ্ছেদের পর মস্তিষ্কের পক্ষে সে বিষয়টি আত্মস্থ করতে কিছু সময় প্রয়োজন হয়। আর এ কারণেই সম্পর্ক বিচ্ছেদের পর এ প্রতিক্রিয়া হয়।
এ বিষয়ে ড. ব্রাউন জানান, ‘গবেষণায় দেখা গেছে, বিচ্ছেদের শিকার হওয়ার পর আমরা যদি তার ছবি আবার দেখি তখন যন্ত্রণাময় অনুভূতি হয়। এর মূল কারণ হলো, আপনার মস্তিষ্ক তখনও তার প্রতি ভালোবাসা অনুভব করে। এটি মস্তিষ্কের একটি বিশেষ পর্যায়।’
এ বিষয়ে একটি ভিডিওতে তুলে ধরা হয়েছে আরও তথ্য-

Auto Draft

xzzcv

কেভিন ডি ব্রুইনের ৭৬ মিনিটের গোলটিই গড়ে দিল ইতিহাস। প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে শামিল হলো ম্যানচেস্টার সিটি। গত চার মৌসুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দুটো শিরোপাজয়ী সিটি যেন নিজেদের নামটাকে নতুন করে প্রতিষ্ঠিত করল বিশ্ব ফুটবলে প্যারিস সেন্ট জার্মেইকে (পিএসজি) টপকে শেষ চারের টিকিট পেতে অবশ্য বেশি কিছুর দরকার ছিল না।

প্যারিসে আগের লেগে ২-২ গোলে ড্র করেই ইতিহাসযাত্রা অনেকটাই এগিয়ে রেখেছিল ম্যানুয়াল পেলেগ্রিনির দল। ড্র হলেও চলত। কিন্তু একটি গোল হলে আরও নিশ্চিত হয়। সেই হিসেবি ফুটবলটাই সিটিকে ইতিহাস লেখাল। ফরাসি ক্লাবটির বিরুদ্ধে হোম-অ্যাওয়ে মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই প্রথমবারের মতো বড় স্বপ্নের পথে ম্যানচেস্টার সিটি।

ডি ব্রুইনের গোলটির আগে ম্যাচটি অবশ্য ইতিহাদ স্টেডিয়ামে যথেষ্ট উত্তেজনাই ছড়িয়েছে। ৩০ মিনিটের মাথায় প্রাপ্ত পেনাল্টি কাজে লাগাতে পারেননি সিটির সার্জিও আগুয়েরো।

পিএসজির জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ বেশ কয়েকবার ভীতি ছড়িয়েছিলেন সিটির রক্ষণে, কিন্তু কাজের কাজটি করতে পারেননি। অফ সাইডের খাঁড়ায় গোলও বাতিল হয়েছে। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ লম্বা সময় পিএসজির কাছে থাকলেও পেলেগ্রিনির অভিজ্ঞতা আর কৌশলের কাছে বারবারই হোঁচট খেতে হয়েছে লঁরা ব্লাঁর দলকে।

৭৬তম মিনিটে ফার্নান্দোর পাস থেকে বল পেয়ে করা ডি ব্রুইনের গোলটির পরেও সিটি সমর্থকদের কেটেছে উৎকণ্ঠিত কিছু সময়। এডিনসন কাভানির একটি শট একটু বাদেই বুক কাঁপিয়ে দিয়েছিল তাদের। ম্যাচের ৮৫ মিনিটে ইব্রাহিমোভিচও বল জালে জড়িয়ে ​গ্যালারি ক্ষণিকের জন্য স্তব্ধ করে দিয়েছিলেন। পরে অবশ্য রিপ্লেতে দেখা গেছে, ইব্রা অফসাইডেই ছিলেন। শেষ পর্যন্ত অনেক স্নায়ু ক্ষরণের পরে প্রথমবারের মতো ফাইনাল থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে পৌঁছে গে​ল সিটিজেনরা। এত দিন শুধু ম্যানচেস্টার শহরের ওপর প্রান্তের প্রতিদ্বন্দ্বীদেরই ইউরোপ সেরার এই টুর্নামেন্ট নিয়ে হাসিকান্নায় মাততে দেখেছে। এবার তাদের পালা।

২০১১-১২ মৌসুমে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগে নাম লেখালেও গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় হয়েছিল সিটির। পরের দুইবার শেষ ষোলোর গণ্ডি পেরোনো হয়নি। এবার নতুন কিছু করার প্রতিজ্ঞা নিয়ে ইউরোপ-সেরা লড়াইয়ে অবতীর্ণ সিটি শেষ চারে উঠে রুপালি ট্রফিতে চোখ রাখার সাহস কিন্তু দেখাতেই পারে। গার্দিওলার হাতে কি আরেকটি ইউরোপ-চ্যাম্পিয়ন দলই উঠতে যাচ্ছে? সময়ই বলে দেবে। সূত্র: রয়টার্স।

এখন কেমন ফেসপ্যাক

desdrftgyu

বাতাসের হিম ছোঁয়ায় প্রকৃতির সঙ্গে ত্বকও হয়ে পড়ে প্রাণহীন নির্জীব। ধুলাবালু, শুষ্ক বাতাস, কখনো মাথার ওপরের কড়া রোদ ত্বককে করে তোলে প্রাণহীন ও মলিন। অতিরিক্ত রুক্ষতা থেকে বাঁচতে এ সময় ত্বকের চাই বিশেষ যত্ন। বাড়িতে নিয়মিত যত্ন তো চাই-ই; পারলারে মাসে অন্তত একবার ফেসিয়াল করান অনেকে। তবে এই আবহাওয়ায় কোন ধরনের ফেসিয়াল উপযুক্ত হবে ত্বকের জন্য, তা বোঝেন না কেউ কেউ। আবার বাড়িতেও কেমন ফেসপ্যাক ব্যবহার করা চাই, তা জেনে রাখা ভালো। কোনো কোনো উপাদান এই আবহাওয়ায় ত্বকের শুষ্কতা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। গরমের সময় যেসব উপকরণ দিব্যি ব্যবহার করতেন, তা হয়তো এই সময় উপযোগী না-ও হতে পারে।
ফেসিয়ালের মূল কাজ হলো ভালো করে ত্বক পরিষ্কার করা এবং আর্দ্রতা জোগানো, জানালেন রূপ বিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা। শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বকের লোমকূপগুলো বন্ধ হয়ে যায়। এ কারণে ত্বকে খসখসে অমসৃণ একটা ভাব চলে আসে, হাত-পা ফেটে যায়। তাই শীতে ত্বকের যত্নে ফেসিয়াল করা অনেক বেশি প্রয়োজন হয়ে পড়ে। ফেসিয়ালে ম্যাসাজ করার ফলে ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। তাই ত্বকে বয়েসের ছাপ পড়ে না সহজে। এর ফলে মরা কোষ উঠে যায়, ব্ল্যাক হেডস দূর হয়, ত্বকের গভীর থেকে ময়লা পরিষ্কার করে প্রাণহীন মলিন ত্বকে এনে দেয় সতেজতা।
* ত্বক সুন্দর ও প্রাণবন্ত রাখতে সপ্তাহে দুই দিন মৃদু স্ক্রাব করতে পারেন। যাঁদের ত্বক স্বাভাবিক, তাঁরা টকদই, মধু ও চালের গুঁড়া একত্রে মিশিয়ে নিন। ত্বকে হালকা করে ঘষে নিয়ে কুসুম গরম পানিতে ত্বক ধুয়ে নিন।
* তৈলাক্ত ত্বক হলে মধু, লেবুর রস, ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে পুরো মুখ ও গলায় লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
* যাঁদের ত্বক শুষ্ক, তাঁরা টকদই, মধু, দুধ, চালের গুঁড়ার সঙ্গে কাঠবাদামের তেল ব্যবহার করতে পারেন। এতে শুষ্ক ভাব চলে গিয়ে ত্বকে উজ্জ্বলতা ফিরে আসবে।
* শুষ্ক ত্বকে ফেসপ্যাক হিসেবে দুধের সর, মধু, টমেটো, লাল আটার একটি পেস্ট তৈরি করে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। পরে ধুয়ে নিন। শুষ্ক ভাব চলে গিয়ে ত্বক মসৃণ ও কোমল হবে।
* তৈলাক্ত ত্বকে খানিকটা শসা, লাল আটা ও কাঁচা হলুদ মিশিয়ে ত্বকে লাগালে তৈলাক্ত ভাব চলে যাবে। যাঁদের ব্রণ আছে, তাঁরা একটু নিমপাতা লাগালে উপকার পাবেন।
এ ছাড়া রাতের বেলা হাত-পা ভালো করে ধুয়ে গ্লিসারিন, গোলাপজল ও অলিভ অয়েল সমপরিমাণ নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে হাতে-পায়ে বা পুরো শরীরে লাগিয়ে ঘুমালে শুষ্ক ভাব আর থাকবে না। আর যাঁদের হাত-পা একটু বেশি শুষ্ক বা ফেটে গিয়েছে, তাঁরা পেট্রোলিয়াম জেলির সঙ্গে খানিকটা লোশন মিশিয়ে হাতে-পায়ে লাগাতে পারেন। রাহিমা সুলতানা জানান, সকালবেলা এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক চা-চামচ মধু আর আধা চা-চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খেলে ত্বক সজীব থাকবে এবং উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে। ত্বক ভালো রাখতে শাকসবজি, স্যুপ বা পানি-জাতীয় খাবার প্রতিদিন খেতে হবে।

নববর্ষে ভালো থাকুন

ডyuaiu

বাঙালির প্রাণের উৎসব পয়লা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষে বৈশাখে বাইরে যাবেন না, তা কি হয়? রমনা বটমূল, চারুকলা, টিএসসি, ঢাকা শহরের পথে পথে বৈশাখী মেলা ছাড়াও এই বিশেষ দিনে বন্ধুবান্ধব, স্বজন, ভাইবোন নিয়ে অকারণে ঘোরাঘুরি, খাওয়াদাওয়া আর উৎসবে শামিল হতে চান সবাই। যুক্ত হতে চান উৎসব-আনন্দে। তবে মনে রাখবেন, উৎসব-পার্বণেও সুস্থ থাকা চাই। কোনো কারণে অুসস্থ হয়ে পড়লে আনন্দটাই মাটি।

বৈশাখের আগেই কিন্তু এবার বেশ গরম পড়ে গেছে। আকাশে এখন গনগনে রোদ। এই গরমে আর রোদে বেশিক্ষণ বাইরে ঘোরাঘুরি করলে পানিশূন্যতা হয়ে যেতে পারে। অতিরিক্ত ঘামের কারণে হতে পারে লবণশূন্যতাও। তাই ঘুরবেন তো নিশ্চয়, তবে যথেষ্ট পানিও পান করবেন। বিশুদ্ধ পানির বোতল সঙ্গে নিয়ে বেরোনোই ভালো। সব জায়গায় বিশুদ্ধ পানি নাও পাওয়া যেতে পারে।

রাস্তাঘাটে দেখবেন, এদিন আখের রস, শরবত, লেবু-পানি ইত্যাদি দেদার বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু সাবধান! ওগুলো স্বাস্থ্যকর নয়। এই মৌসুমেই কিন্তু ডায়রিয়া, টাইফয়েড আর জন্ডিসের প্রকোপ বাড়ে, বাড়ে পানিবাহিত রোগের আক্রমণ। তাই বোতলজাত পানিই ভালো। একইভাবে পথেঘাটে বিক্রি হতে থাকা শসা, আমড়া, কাঁচা ফলমূল—এগুলোও এড়িয়ে চলুন।

অপরিচ্ছন্ন কাঁচা ও খোলা খাবার থেকে নানা রোগ ছড়ায়। খুব ঘেমে গেলে বা পিপাসা পেলে অবশ্য ডাবের পানি খাওয়া যায়। ডাবের পানিতে যথেষ্ট পরিমাণে লবণ রয়েছে, যা লবণশূন্যতা রোধ করবে। পিপাসা পেলে অনেকে চটজলদি কোমল পানীয় বা আইসক্রিম কিনে খান। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না যে এগুলো আরও পিপাসা বাড়িয়ে দিতে পারে। আর খুব গরমের মধ্যে ঠান্ডা পানীয় বা আইসক্রিম খেলে ঠান্ডা লেগে যেতে পারে।

সকালবেলা পান্তা-ইলিশ বা ভর্তা দিয়ে খিচুড়ি ইত্যাদি হলো নববর্ষের খাবার। কিন্তু সবাই এতে অভ্যস্ত নাও হতে পারেন। খুব ঝাল, অনেক কাঁচা মরিচ বা লাল মরিচ খেতে অভ্যস্ত না হলে না হয় এড়িয়েই গেলেন; বন্ধুদের চাপে পড়ে খেতেই হবে, এমন যেন না হয়। পরে দেখা যাবে, সারা দিন এ নিয়ে গলা জ্বলা, টক ঢেকুর বা অস্বস্তি ভাব চলছে। উৎসবটাই তখন মাটি।

নববর্ষে সাজগোজ তো থাকবেই, কিন্তু হালকা সুতির জামাকাপড় পরাই ভালো এই গরমে। হাঁটতে হবে অনেক, তাই পায়ে উঁচু হিলের জুতা না পরে বরং ফ্ল্যাট স্যান্ডেল বা আরামদায়ক জুতাই বেছে নিন। প্রখর রোদ ও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের জন্য খারাপ। তাই রোদ থেকে বাঁচতে রোদচশমা ও ছাতা ব্যবহার করুন। সারা দিনের জন্য বেরোলে একটা বড়সড় ব্যাগ সঙ্গে নিন, যাতে পানির বোতল, ছাতা, রুমাল, ভেজা টিস্যু ইত্যাদি সঙ্গে নিতে পারেন। এদিন একটু বিশেষভাবে সাজতে চান সবাই, কিন্তু ভারী মেকআপ এই গরমে আরামদায়ক নাও হতে পারে। বরং গরমে ঘেমে-নেয়ে এই প্রসাধনী গলে গিয়ে ত্বকের লোমকূপ দেবে বন্ধ করে। তাই স্বাভাবিক ও সহজাত প্রসাধনই যথেষ্ট। তার আগে ত্বকে সানস্ক্রিন তো লাগাতেই হবে। কেবল মুখে নয়, হাত-পায়ের খোলা অংশেও সানস্ক্রিন লাগানো উচিত। আর বাইরে থেকে ফিরে এসে ভালো করে প্রসাধনী তুলে ত্বক পরিষ্কার করবেন।

শিশুদের নিয়ে ঘোরাঘুরির সময় একটু বাড়তি সাবধানতা জরুরি। শিশুরা দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে, তাই বারবার পানি খাওয়ান। শিশুকেও রোদ থেকে আগলে রাখুন। খুব ভিড়ের মধ্যে শিশুকে নিয়ে না ঢোকাই ভালো। অপেক্ষা করুন, ভিড় কমলে উপভোগ করবেন। আর অবশ্যই শিশুদের চোখে চোখে রাখুন বা হাত ধরে রাখুন, যাতে হারিয়ে না যায়। সঙ্গে বাড়তি পোশাক রাখতে পারেন, যাতে খুব ঘেমে গেলে পাল্টে দেওয়া যায়।

খুব রোদে বা গরমে বেশি হাঁটাহাঁটি করলে হিটস্ট্রোক হতে পারে। এমন হলে আক্রান্ত ব্যক্তি চোখে ঝাপসা দেখেন, শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বেড়ে যায়, ভুল বকতে পারেন বা খিঁচুনি হতে পারে। এমনটা হলে দ্রুত আক্রান্ত ব্যক্তিকে অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা জায়গায় বা ছায়ায় নিয়ে যেতে হবে, জামাকাপড় ঢিলে করে দিয়ে পানি দিয়ে ত্বক স্পঞ্জ করে দিতে হবে, সেই সঙ্গে ভেজা শরীরে ফ্যানের বা হাতপাখার বাতাস করলে ভালো হয়। দেহের তাপমাত্রা কমানোর জন্য বগলের নিচে, ঘাড়ের পেছনে বা কুঁচকিতে বরফ বা আইসপ্যাক দেওয়া যায়। ভিড়ের মধ্যে অনেকেই এ রকম অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। সুনাগরিক হিসেবে আমাদের কর্তব্য হচ্ছে যে-কারও সমস্যায় দ্রুত এগিয়ে যাওয়া ও সাহাঘ্য করা। অন্তত প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা বা হাসপাতালে নিতে সাহাঘ্য করা। উৎসবটা তো সবার, সবাই মিলেই হাসি-আনন্দে পার করতে চাই দিনটা, তাই পরিবারের দেখভাল করাও দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। সবাইকে শুভ নববর্ষ।

আবার মোনালিসা

yuuy

সাগর জাহানের ধারাবাহিক নাটক সিকান্দার বক্স-এর প্রথম কিস্তি সিকান্দার বক্স এখন বিরাট মডেল-এ অভিনয় করেছিলেন মোনালিসা। তাতে তাঁর সহ-অভিনেতা ছিলেন মোশাররফ করিম। সময়টা ২০১২-এর শেষের দিকের। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান তিনি। লম্বা সময় পর ১ এপ্রিল আবার দেশে ফিরেছেন এই মডেল ও অভিনেত্রী। ফিরেই আবার অভিনয়ে ফেরার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। মোনালিসা জানিয়েছেন একই পরিচালক, একই সহশিল্পীর বিপরীতে আগামী ঈদের জন্য একটি খণ্ড ধারাবাহিকে অভিনয় করবেন তিনি।
মোনালিসা বলেন, ধারাবাহিকটির নাম এখনো ঠিক হয়নি। তবে শুটিং শুরু হবে ১৬ এপ্রিল থেকে উত্তরার লোকেশনে। এ জন্য পরিচালককে ছয় দিন শিডিউলও দেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘদিন পর আবার নাটকে অভিনয়। কেমন লাগছে? মোনালিসা বলেন, ‘অভিনয়টা বড় কথা নয়, আমি যে কর্মক্ষেত্রে, যে মানুষগুলোর সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করেছি, তাঁদের সবার সঙ্গে আবার দেখা হবে—এটাই আমার কাছে বেশি আনন্দের মনে হচ্ছে। কত মধুর স্মৃতিই না সবার সঙ্গে জড়িয়ে আছে। আবার নতুন করে সেসব ফিরে পাব!’
খণ্ড ধারাবাহিকটির পরিচালক সাগর জাহান জানিয়েছেন, নাটকটির চিত্রনাট্য, শুটিং তারিখ—সবই চূড়ান্ত হয়েছে। তবে নাটকটির নাম এখনো ঠিক করা হয়নি।

বৈশাখী গান নিয়ে তারকারা

কহগচ

বৈশাখ এলেই শহর-গ্রামগঞ্জ বৈশাখী গানে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। অন্যান্য উৎসবের মতো এই দিনটি ঘিরে শিল্পীরাও বেশ ব্যস্ত থাকেন নতুন গান নিয়ে। এবারের বৈশাখে সংগীতশিল্পীদের উল্লেখযোগ্য কিছু গান ও গানের ভিডিও নিয়ে এই প্রতিবেদন।
‘বৃষ্টিবিহীন’ শিরোনামে গাওয়া জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ন্যান্সির গানের ভিডিও নির্মাণ করেছেন চন্দন রায় চৌধুরী। গানটি প্রসঙ্গে ন্যান্সি বললেন, ‘এটি আমার নতুন একক অ্যালবামের গান। কাজ শুরুর পর থেকে আমি এই অ্যালবামের গানগুলো নিয়ে আশাবাদের কথা বলেছিলাম। বৃষ্টিবিহীন তার একটি। অসাধারণ কথা, চমৎকার সুর আর সংগীতায়োজনের গানটি এই বৈশাখে শ্রোতাদের কিছুটা হলেও ভালো লাগবে।’
বৈশাখের উৎসবকে রাঙাতে পিছিয়ে নেই আসিফ আকবর আর আঁখি আলমগীরও। ‘বেসামাল মন’ শিরোনামের নতুন একটি গানের ভিডিও তাঁরা প্রকাশ করেছেন। এটি নির্মাণ করেছেন ইয়ামিন এলান। আঁখি আলমগীর বললেন, ‘আসিফ ভাইয়ের সঙ্গে প্রথম কোনো পূর্ণাঙ্গ কাজ। নিখাদ প্রেমের এই গানটি এবারের বৈশাখে শ্রোতাদের জন্য আমাদের উপহার।’
‘ঢুলি বাজায় ঢোল আহা বৈশাখেরই বোল’ গানে কণ্ঠ দিয়েছেন দিনাত জাহান মুন্নী, সাব্বির, ঐশী ও প্রতীক। সিহদ রাহমানের কথায় গানটির সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন মকসুদ জামিল মিন্টু।
বর্তমান সময়ের আলোচিত গায়ক ও সংগীত পরিচালক ইমরান এবারের বৈশাখে নতুন একটি গান নিয়ে দর্শক-শ্রোতাদের সামনে হাজির হয়েছেন। ‘বৈশাখী রং’ শিরোনামের এই গানে তাঁর সহশিল্পী হিসেবে আছেন মিলন। সৈকত রেজার পরিচালনায় গানটিতে মডেল হয়েছেন চিত্রনায়িকা তমা মির্জা ও সাঞ্জু।
ঘুড়িখ্যাত গায়ক লুৎফর হাসান এই ‘বৈশাখে আনন্দে যাবে আমার দিন’ শিরোনামের নতুন একটি গানের ভিডিও প্রকাশ করছেন। গানচিলের ব্যানারে এটি প্রকাশিত হবে। একই ব্যানার থেকে শোয়েবের ‘আকাশ দেখো’ আর কাজী শুভর ‘ও জীবন’ নামে নতুন দুটি গানের ভিডিও এবারের বৈশাখে প্রকাশিত হবে। এই তিনটি গানের ভিডিও নির্মাণ করেছেন রেজওয়ান আলম। এদিকে পয়লা বৈশাখের শুরুতে সংগীতশিল্পী কনা বাজারে ছাড়েন তাঁর নতুন গান ‘রেশমি চুড়ি’। প্রিয় চট্টোপাধ্যায়ের লেখা এই গানটির ভিডিও নির্মাণ করেছেন শিবরাম শর্মা। এ ছাড়া এবারের পয়লা বৈশাখে সালমার ‘বৃষ্টি ভাইঙা পড়ে’, জয় শাহ্রিয়ারের ‘আমি নেই’, রন্টির ‘রং’ ও আনিকার ‘ইচ্ছেরা’ গানগুলোর ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। আসছে আরও কয়েকজন শিল্পীর গানের ভিডিও।

পদ্মশ্রী প্রিয়াঙ্কা

uyhy

ভারতের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘পদ্মশ্রী’ পুরস্কার পেয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সাবেক এই বিশ্বসুন্দরী দেশ ও দেশের বাইরের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অবদান রাখার জন্য এই সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে গতকাল মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির হাত থেকে এই পুরস্কার গ্রহণ করেন তিনি। এ ছাড়া এ অনুষ্ঠানে পুরস্কার গ্রহণ করেন তামিল তারকা রজনীকান্ত, সংগীতশিল্পী উদিত নারায়ণ ও বাহুবলী ছবির পরিচালক এস এস রাজমৌলি।
এনডিটিভি।

ঠোঁট বাঁচাতে ঠোঁট সাজাতে

fdxzr

বাইরে হিমেল হাওয়া বইছে, কদিন পর শীত জেঁকে বসলেই ধোঁয়া ওঠানো ভাপা পিঠা খাওয়ার মজা জমবে। কিন্তু গরম-গরম পিঠায় কামড় বসাতে গিয়েই বিপত্তি! ফেটে গেছে ঠোঁট। তার চেয়ে বরং শীতে ঠোঁট সুরক্ষিত রাখতে এখন থেকেই শুরু হোক পরিচর্যা। এ সময় ঠোঁট রাঙাতে কোন রংগুলো বেছে নেবেন, তা-ও জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই প্রসঙ্গে কথা হলো আয়ুর্বেদিক রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানার সঙ্গে। তিনি জানিয়েছেন, আবহাওয়ায় আর্দ্রতার অভাব ও শরীরে পানিশূন্যতার জন্যই ঠোঁট শুকিয়ে যায়। আর ঠোঁটের রুক্ষতা বেড়ে গিয়ে একসময় ঠোঁট ফাটতে শুরু করে। ঠোঁট সতেজ ও কোমল রাখতে কীভাবে যত্ন নেবেন, সেই পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
সব সময় লিপবাম ব্যবহার করুনঠোঁটে আর্দ্রতাযুক্ত লিপবাম বা পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে হবে। কেবল ঠোঁট ফেটে যাওয়ার পর নয়, বরং আগে থেকেই এটির ব্যবহার শুরু করতে হবে, তাহলে আর ঠোঁট ফাটার ভয় থাকবে না।
ঠোঁট শুকিয়ে গেলে জিব দিয়ে ঠোঁট ভেজান অনেকে, এটি একেবারেই করা যাবে না। সব সময় সঙ্গে লিপবাম রাখতে পারেন। বাজারে এসপিএফ ১৫ যুক্ত লিপবাম কিনতে পাওয়া যায়। এটি ঠোঁটকে সূর্যের তাপ থেকেও রক্ষা করে।
সপ্তাহে এক দিন সমপরিমাণ মধু ও পেট্রোলিয়াম জেলি মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর পরিষ্কার তুলা দিয়ে আস্তে আস্তে তুলে ফেলুন, এতে ঠোঁট কোমল হবে।
ঠোঁট মোলায়েম রাখতে তিলের তেলও ব্যবহার করা যেতে পারে।
সমপরিমাণ গ্লিসারিন ও অলিভ ওয়েল একসঙ্গে মিশিয়ে ঠোঁটে লাগালেও তা ময়েশ্চারাইজারের কাজ করবে।
যাঁদের অতিরিক্ত ঠোঁট ফাটার প্রবণতা আছে, তাঁরা চালের গুঁড়ার সঙ্গে অল্প পানি মিশিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট এই মিশ্রণটি ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। এতে ঠোঁটের মরা চামড়াগুলো সহজেই উঠে আসবে।
এ ছাড়া অতিরিক্ত ঠান্ডায় ঠোঁট অনেক সময় কালচে হয়ে যেতে পারে। রাহিমা সুলতানা জানান, অতিরিক্ত চা, কফি, পান ও ধূমপানের ফলেও ঠোঁট কালো হয়ে যেতে পারে।
.ঠোঁটের স্বাভাবিক রং ও গোলাপি আভা বজায় রাখার কিছু উপায় বাতলে দিয়েছেন রাহিমা সুলতানা।
গোলাপ ফুলের পাপড়ি বেটে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে ২০ মিনিট ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন, ঠোঁটের গোলাপি ভাব ফুটে উঠবে।
কাঁচা দুধ তুলায় ভিজিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট ধরে ঘষুন।
ঠোঁটের কালচে ভাব ঠেকাতে কাঠবাদামের তেলও বেশ উপকারী।
কথা হলো হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের চর্মরোগ বিভাগের অধ্যাপক আফজালুল করিমের সঙ্গে। তিনিও জানিয়েছেন, এই সময়ে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে বলেই হাত-পায়ের মতো ঠোঁটের ত্বকও শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যায়। এই সময় বাইরে বের হলেই ঠোঁটে লিপজেল বা ক্রিম-জাতীয় কিছু ব্যবহার করতে বলেন তিনি। তবে এ সময় ধুলাবালুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় জেল বা আঠালো-জাতীয় প্রসাধনীতে ধুলা আরও বেশি আটকে যেতে পারে। তাই বাইরে থেকে এসেই প্রথমে তুলা বা পাতলা কাপড় ভিজিয়ে ঠোঁট পরিষ্কার করে নিতে পারেন। পানি লাগানোর পরপর আবারও পেট্রোলিয়াম জেলি বা ভালো মানের গ্লিসারিন লাগিয়ে নিতে হবে।
এ ছাড়া শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে শীতে প্রচুর পরিমাণে পানি, গরম স্যুপ, তাজা ফলের শরবত খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

ঠোঁটে গাঢ় লিপস্টিক ব্যবহারের চল এখনঠোঁট রাঙাব যে রঙে
পারসোনার পরিচালক নুজহাত খান জানালেন, কিছুদিন ধরে শকিং বা খুব চড়া রঙের লিপস্টিকগুলো বেশ চলেছে, ইদানীং একটু কালচে শেডের রংগুলোই বেশি চলছে। গাঢ় বেগুনি, জাম রং, ইট লাল, কফি, বেরি রং এখন খুব চলছে। এ ছাড়া ওমব্রে ঢঙে লিপস্টিক দেওয়ার চলও এখন জনপ্রিয়। ঠোঁটের চারদিকে গাঢ় রং লাগিয়ে মাঝের অংশে একই রঙের অপেক্ষাকৃত হালকা শেডের লিপস্টিক দেওয়াটা ওমব্রে স্টাইল। নুজহাত জানালেন, দুটি রং সুন্দর মতো মিশিয়ে দিতে পারলে এটি দেখতে খুব ভালো লাগে।
এই ঋতুতে ম্যাট লিপস্টিকে ঠোঁট আরও বেশি শুষ্ক বোধ হতে পারে। তাই লিপস্টিক লাগানোর আগে পেট্রোলিয়াম জেলি দিয়ে ঠোঁট আর্দ্র ও কোমল করে নিতে পারেন। তবে এমন আবহাওয়ায় গ্লসি বা ক্রিমি লিপস্টিক লাগানোই ভালো।
বাইরে থেকে এসে তুলায় অলিভ ওয়েল লাগিয়ে লিপস্টিক সম্পূর্ণ তুলে ফেলতে যেন ভুলবেন না। ঠোঁটের চামড়া অনেক নাজুক থাকে, তাই জোরে ঘষা উচিত নয়, আস্তে আস্তে ঘষেই ভালোমতো তুলে ফেলুন।

আমাদের রং মিলান্তি

7r65e

শিশুকে বাঙালির ঐতিহ্য চেনানোর প্রথম পাঠ মানেই বাংলা নববর্ষের শুভ দিনটি। তাই বর্ষবরণ সামনে রেখে দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলো ঐতিহ্য, ঋতু আর সমসাময়িক নকশার সমন্বয়ে সাজায় ছোটদের পোশাকের পসরা। ভাইবোন হোক আর কাছের আত্মীয়, অনেকেই রং মিলিয়ে শিশুদের জন্য কিনে নেন পোশাক।

বরাবরের মতোই ছোটদের পোশাক বেশ গুরুত্ব দিয়েই তৈরি করছে ফ্যাশন হাউসগুলো। আড়ং, মায়াসির, বিশ্বরঙ, রঙ বাংলাদেশ, অঞ্জন’স, যাত্রা, সাদাকালো, নগরদোলা, শৈশব প্রভৃতি ফ্যাশন হাউস এবং নিউমার্কেট, চাঁদনী চক, শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেট থেকে শুরু করে রাজধানীর পিংক সিটি, বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্স, মেট্রোর মতো শপিং মলের দোকানিরাও শিশুদের জন্য নিয়ে এসেছেন বৈশাখের পোশাক।
.ডিজাইনার মাহিন খান জানান, এবার মায়াসিরের ছোটদের পোশাকগুলোতে বড় পরিবর্তন আসবে হেমলাইন আর নেকলাইনে। লেয়ার থাকবে, হাই-লো কাট থাকবে, পাশাপাশি পোশাকে পছন্দের খেলনার মতো অনুষঙ্গগুলোও যোগ হতে পারে। পোশাকে বেশি থাকবে নীল, হলুদ, কালো, রানি কমলার মতো উজ্জ্বল রং। মেয়েদের সিঙ্গেল ও টু পিসের পাশাপাশি ছেলেদের জন্য থাকছে আফগানি প্যান্ট, ফতুয়া, বডি ফিটেড পাঞ্জাবি।
.এদিকে অঞ্জন’সের প্রধান নির্বাহী শাহীন আহমেদ বলেন, বৈশাখী পোশাকের রঙে লাল-সাদার খুব একটা পরিবর্তন হবে না। ফুলের প্রিন্টকে প্রাধান্য দিলেও এবার জ্যামিতিক নকশা দেখা যাবে। আর প্রিন্টের কাজ থাকবে বেশি, পাশাপাশি এমব্রয়ডারিও বেশ দেখা যাবে এবার।
.আজকাল পয়লা বৈশাখেও অনেক জমকালো পার্টি থাকে, যেখানে অনেক শিশুই সুতির পোশাক পরতে চায় না। তাদের জন্য ভয়েল, জয় সিল্ক, সিল্ক, হাফ সিল্কের কাপড় ব্যবহার হয়েছে প্রচুর। ছেলেশিশুদের জন্য পাঞ্জাবি, শার্ট, ফতুয়া তো থাকছেই। মেয়েশিশুদের জন্যও শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, টপ রাখা হয়েছে দেশীয় পোশাকের দোকানগুলোয়।
ফ্যাশন হাউস যাত্রা দেশি মোটিফ আর রং নিয়ে কাজ করছে অনেক দিন ধরেই। যাত্রার ফ্যাশন ডিজাইনার দলের পক্ষ থেকে ফারহানা হামিদ বললেন, ‘কয়েক মাস ধরেই আমরা বর্ণমালা নিয়ে কাজ করছি। পয়লা বৈশাখে পুরো স্বরবর্ণের সম্ভার পাওয়া যাবে। অ-তে অজগর হলে সেটি ধরে টি-শার্ট, ফতুয়া থাকছে। আবার আ-তে আম—সেখানো আমের রঙে জামা। রং হিসেবে আমরা বেছে নিয়েছি গ্রীষ্মের কৃষ্ণচূড়া, নতুন পাতার উজ্জ্বল রং, যেমন : কমলা, লাল, সবুজ, নীল, হলুদ। টাইডাই আর ব্লক প্রিন্টের কাজই থাকবে বেশি। ব্লকের ক্ষেত্রে সাত রঙের ফুল ও পাতাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। মেয়েদের রেডিমেড শাড়ি থাকবে প্রচুর। কাপড় হিসেবে আমরা বেছে নিয়েছি তাঁতে বোনা সুতি।’
নিউমার্কেটে পয়লা বৈশাখে শিশুদের একটি বিশাল সম্ভার থাকে প্রতিবছর। কথা হচ্ছিল বিক্রেতা নাহিদ হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমরা “লট” ধরে কাপড় নিয়ে আসি। সেখানে আধুনিক সব ডিজাইনেরই কাপড় থাকে। শিশুদের ফ্রক, শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, শার্ট, ফতুয়া আর রেডিমেড ধুতির চাহিদাই সব সময় থাকে। আর হাতাছাড়া ফ্রক ও ফতুয়াই বেশি পছন্দ করেন মায়েরা।’
বসন্তের শেষ আর গ্রীষ্মের শুরু। পয়লা বৈশাখের দিন তাই গরম ও ধুলোর প্রভাব থাকে চারদিকে। এদিন শিশুর পোশাক যতই আধুনিক হোক, টেকসই রং আর আরামের কথা মাথায় রেখে পোশাক বেছে নেওয়ার পরামর্শ দিলেন ডিজাইনাররা।

‘বাংলাদেশ আর পশ্চিমবঙ্গ আমার কাছে ভিন্ন নয়’

esrrs

সংবাদ সম্মেলনে শঙ্খচিল ছবির অভিনয়শিল্পী ও কণ্ঠশিল্পীরাপ্রসেনজিতের কলকাতার বাড়ি থেকে গাড়িতে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা মাত্র তিন ঘণ্টা। সেখানে ‘শঙ্খচিল’ ছবির শুটিং হয়েছে। প্রস্তুতি নিতে অনেক ভোরে ঘুম থেকে তুলে দিতেন পরিচালক গৌতম ঘোষ। প্রসেনজিৎ খেয়াল করতেন, রাত সাড়ে তিনটায়ও সেখানকার নারীরা তাঁকে এক নজর দেখতে বেনারসি পরে দাঁড়িয়ে থাকতেন। ‘শঙ্খচিল’ ছবির শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করতে গিয়ে কথাগুলো বলেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ আর বাংলাদেশ আমার কাছে ভিন্ন কিছু নয়। ওখানকার লোকেরা যেভাবে আমাকে “বুম্বা দা” বলে ডাকে, এখানকার লোকেরাও তেমন করে ডাকে।’
আজ সন্ধ্যায় বসুন্ধরার সিনেপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘শঙ্খচিল’ ছবির প্রিমিয়ার। শুক্রবার বাংলাদেশে ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পয়লা বৈশাখে মুক্তি পাচ্ছে দুই বাংলার যৌথ প্রযোজনার এই ছবিটি। বেলা দেড়টায় চ্যানেল আই কার্যালয়ে এ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা মামুনুর রশীদ, কণ্ঠশিল্পী ফেরদৌস আরা, অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, অভিনেত্রী কুসুম শিকদার ও সাঁঝবাতি। তাঁরা প্রত্যেকেই ছবি নিয়ে তাঁদের নানা অনুভূতির কথা প্রকাশ করেন।
মামুনুর রশীদ বলেন, ‘দুই দেশেই বাংলা বছরের শুরুতে ছবিটি মুক্তি পাবে, এটা ভীষণ আনন্দের। ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সেরা বাংলা ছবি হিসেবে ভারতের জাতীয় পুরস্কার পেয়েছে “শঙ্খচিল”। এই সাফল্যের সহযাত্রী আমরাও।’
ছবির একটা গান খালি গলায় গেয়ে শোনান শিল্পী ফেরদৌস আরা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, প্রযোজক হাবিবুর রহমান খান, আনন্দ আলোর সম্পাদক রেজানুর রহমান প্রমুখ। শারীরিকভাবে ভালো বোধ না করায় থাকতে পারেননি পরিচালক গৌতম ঘোষ। ‘শঙ্খচিল’ নিয়ে আনন্দ আলোর একটি বিশেষ সংখ্যা অভিনয়শিল্পী ও সাংবাদিকদের হাতে তুলে দেন এর সম্পাদক।

তাঁদের রূপকথন

67rtr

রান্নাঘর থেকেই আসে রূপচর্চার উপকরণ
শারমিন লাকি, উপস্থাপক, টিভি ব্যক্তিত্ব
স্বাস্থ্য এবং রূপসচেতন শারমিন লাকি ত্বকের যত্নে ভেষজ উপাদানের ওপরেই বেশি নির্ভরশীল বলে জানালেন। রাসায়নিক প্রসাধনীর মধ্যে খুব ভালো মানের একটি রাতের ক্রিম ব্যবহার করেন, যা বাড়তি আর্দ্রতাযুক্ত। শীত হোক বা গ্রীষ্ম—প্রতি মাসে একবার আয়ুর্বেদিক স্কিন কেয়ার ক্লিনিকে গিয়ে মুখ এবং হাত–পায়ের ত্বকের যত্ন নেন তিনি, এর কোনো ব্যতিক্রম হয় না কখনো। আবহাওয়া এবং ত্বকের ধরন বুঝে প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে এই ফেসিয়ালটি করানো হয়। ‘আমার ত্বক মিশ্র। শুধু মুখের টি জোনটা (কপাল ও নাক) সামান্য তৈলাক্ত। আমার ত্বকের জন্য ভালো—এমন সব ভেষজ উপাদান দিয়েই প্রতি মাসে এই ফেসিয়ালটি করিয়ে থাকি। এখন শীত পড়তে আরম্ভ করেছে বলে ফেসিয়ালের উপাদানেও কিছু পার্থক্য আসবে।’ বললেন শারমিন লাকি। আরও জানালেন, এটি ছাড়াও প্রতি মাসে দুবার ভালো কোনো পারলারে গিয়ে সাধারণ ফেসিয়াল করিয়ে থাকেন। শারমিক লাকি মনে করেন, ৩৫ পেরিয়ে গেলে ত্বকের প্রতি বেশি যত্নশীল হওয়া উচিত। আর ঋতু পরিবর্তনের এই সময়টা এবং পরবর্তীকালে শীতের সময়ে ত্বক ভালো রাখার জন্য নিয়মিত মুখ পরিষ্কার করে ময়েশ্চারাইজার ক্রিম ব্যবহার করা উচিত। তিনি এই নিয়মই মেনে থাকেন। রান্নায় পটু শারমিন লাকি তাঁর রূপচর্চার অনেক উপাদান নাকি রান্নাঘর থেকেই জোগাড় করে ফেলেন। নিজের ব্যবহৃত ঘরোয়া একটি ফেসপ্যাকের প্রণালিও জানিয়েছেন পাঠকদের। বললেন, ‘হাতের কাছে থাকা জিনিসপত্র দিয়ে চট করেই একটা ফেস প্যাক বানিয়ে ফেলা যায়। যেকোনো ঋতুতে শসা, টমেটো, কলা একটু চটকে নিয়ে বেসন ও মধু দিয়ে ১০-১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখা যেতে পারে। এ ছাড়া দুধ খুব ভালো ক্লেনজারের কাজ করে। চিনি, মধু, ডিমের সাদা অংশ ও লেবুর রসের মিশ্রণ খুব ভালো ক্লেনজার এবং স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করে। আমি এই প্যাকটি বানিয়ে শরীর এবং মুখে মাঝে মাঝে ব্যবহার করি। মুখের ত্বক নাজুক বলে মৃদু মালিশ করি, শরীরে একটু জোরে ঘষলেও ক্ষতি নেই।’ এ ছাড়া প্রচণ্ড শীতে হাত–পা যখন খসখসে হয়ে যায় তখন পেট্রোলিয়াম জেলি এবং পানির সঙ্গে মিশিয়ে গ্লিসারিন ব্যবহার করেন। ত্বক ভালো রাখার জন্য মেকআপ খুব ভালোমতো তোলা জরুরি বলে মনে করেন তিনি। বাদামের তেল দিয়ে প্রথমে ভারী মেকআপ তুলে ফেলেন। এরপর ভালো কোনো বেবি লোশন, স্ক্রাবার এবং ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে মালিশ করে মেকআপ সম্পূর্ণভাবে তুলে ফেলেন। শীতের সময় প্রচুর টাটকা ফল, শাকসবজি খান তিনি। আর এ সময় পানি কম খাওয়া হয় বলে পারলে কুসুম কুসুম গরম করে পানি খাওয়ার পরামর্শ দেন, তবু কোনোমতে পানি খাওয়া কমানো যাবে না এ সময়।
ত্বক শুষ্ক বলে নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেন মিম, ছবি: নকশাসঠিক উপায়ে মেকআপ তোলা জরুরি
বিদ্যা সিনহা মিম অভিনেত্রী, মডেল

পেশাজীবনে এখন খুব ব্যস্ত সময় কাটাতে হচ্ছে মিমকে। ছোট এবং বড় পর্দায় নিত্য উপস্থিতি তাঁর, নিজের জন্য তেমনভাবে সময় বের করতে পারছেন না এই অভিনেত্রী। প্রকৃতিপ্রদত্তভাবেই সুন্দর ত্বকের অধিকারী বলেই হয়তো ত্বকের যত্নে খানিকটা হেলাফেলা করার পরও সতেজ আছেন। তবে যত যা–ই হোক, ত্বক সব সময় পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করেন। মিমের কথায়, ‘মানুষ হিসেবে আমি খুব অলস প্রকৃতির। তার ওপর কাজের চাপ। এ জন্য প্রতি মাসে নিয়মমাফিক ফেসিয়াল করার সময়ও হয়ে ওঠে না। এক–দেড় মাস পরপর ভালো পারলারে গিয়ে ফেসিয়াল করাই। ভেষজ ফেসিয়ালটাই সাধারণত করা হয়। পারলারে গেলেই ফেসপ্যাক ব্যবহার করি। অন্য সময় বাড়িতে কোনো ফেসপ্যাক ব্যবহার করা হয় না।’ আরও জানালেন, তাঁর ত্বক খুব শুষ্ক। দেশের বাইরে থেকে নিয়ে আসা একটি ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার মুখে ব্যবহার করেন তিনি। এটি নিয়মিত ব্যবহার করেই ত্বক অনেক ভালো আছে তাঁর। সূর্যের আলো থেকে ত্বক রক্ষা করতে সানস্ক্রিন লোশন মাখেন। আর শীতের এই সময়টা হাত–পায়ে ত্বক খুব শুষ্ক ও খসখসে হয়ে যায় বলে একটু পরপর লোশন মালিশ করেন। লোশনের বোতল তাই সব সময় নিজের সঙ্গেই রাখেন বলে জানালেন। প্রয়োজন ছাড়া খুব চড়া মেকআপ কখনোই নেন না। মেকআপ করার পর আলসেমি বোধ করলেও সঠিক উপায়ে তা তুলে ফেলা জরুরি বলে মনে করেন তিনি। নিয়মিত মেকআপ করার ফলে মুখে মেকআপ জমে জমে ব্ল্যাক হেডস দেখা দেয়, তাই স্ক্রাবার দিয়ে মুখ এবং নাকের চারপাশে আলতো ঘষে তা তুলে ফেলেন। আর যদি মেকআপ না করা হয়, তাহলে স্ক্রাবিং ছয়–সাত দিন পরপর করেন। শীতে ত্বকের বাড়তি যত্ন বলতে, অয়েল বেজড একটি ময়েশ্চারাইজার ও লোশন ব্যবহার করেন। এর বেশি কিছু নয়। ত্বক সুন্দর রাখতে মিম কি কোনো বিশেষ খাবার খেয়ে থাকেন—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘রূপ লাবণ্যের জন্য আলাদাভাবে তেমন কিছু খাওয়া হয় না, তবে আমি এমনিতেই নিয়মিত সবুজ চা (গ্রিন টি), মালটার রস, নারকেল—এসব খেয়ে থাকি, এগুলোই আমার ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে।’

চোখের পাতায় গোটা

fxcdzedf

চোখের ওপরের পাতা বা নিচের পাতার কোনো অংশ ফুসকুড়ির মতো কিছুটা ফুলে ওঠা মূলত দুটি ভিন্ন সমস্যার কারণে হয়ে থাকে। এগুলোর মধ্যে একটির নাম ক্যালাজিয়ন, অন্যটি স্টাই। একটির জন্য দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন, অন্যটির জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা না করালেও ক্ষতি নেই। তবে এগুলোর লক্ষণ জেনে রাখা ভালো।
ক্যালাজিয়ন হলে সাধারণত চোখের পাতার ধার থেকে একটু দূরের অংশে ছোট একটি গোটা হতে বা কিছুটা ফুলে উঠতে দেখা যায়। এতে ব্যথা থাকে না। চোখে লালচে ভাবও থাকে না। স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তিরও কোনো সমস্যা হয় না। এ রকম হলে কুসুম গরম পানিতে পরিষ্কার তুলা ভিজিয়ে নিয়ে চোখের ফুলে যাওয়া অংশে কয়েকবার হালকা চাপ দিন। চোখের পাতা এবং এর চারপাশে ময়লা জমে থাকলেও তা এভাবে পরিষ্কার করে নেওয়া যায়। সারা দিনে দুবার এভাবে কুসুম গরম পানির সেঁক দিতে পারেন।
কারও কারও এক চোখের পাতার ফোলা অংশ সেরে যাওয়ার পরে অন্য চোখেও এ ধরনের ফোলা অংশ দেখা দিতে পারে। তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে এ ধরনের ফোলা সেরে যায়। তা না সারলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এ ধরনের ফোলা অংশ বড় হতে থাকলে বা ব্যথা হলে ওই অংশটি বা চোখ লালচে হয়ে যায়। এ অবস্থায় দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার।
স্টাই নামের অন্য যে সমস্যাটি চোখের পাতায় হয়, সেটিতে চোখের পাতার কিনারায় ছোট একটি গোটা বা ফুলে ওঠা অংশ দেখা যায়। এতে ব্যথা থাকে, লালচে ভাবও থাকে। এমন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ এবং নির্দেশনা অনুযায়ী ওষুধ খেতে হবে।

অধ্যাপক সৈয়দ আবুল কালাম আজাদ
বিভাগীয় প্রধান, চক্ষু বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

রাজবধূর সামনে দেবদাস, পার্বতী ও চন্দ্রমুখী!

tyf

তাঁদের একজন ব্রিটিশ রাজবধূ কেট মিডলটন। আর বাকিদের মধ্যে একজন ‘বলিউড বাদশাহ’ শাহরুখ খান, অন্য দুজন বলিউডের দুই সুন্দরী মাধুরী দীক্ষিত ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। গত রোববার, ভারতের মুম্বাইয়ে একটি নৈশভোজের আয়োজনে এই তিন দেবদাস তারকা ডাচেস অব ক্যামব্রিজের সঙ্গে একই ফ্রেমে বাঁধা পড়েন। রাজবধূর সামনে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসের সেই ‘বলিউড সংস্করণ’ দীর্ঘ সময় পর আবারও হয়ে ওঠে জীবন্ত!
ব্রিটিশ রাজদম্পতি প্রিন্স উইলিয়াম ও কেট মিডলটন রোববার ভারত সফরে এসেছেন। সেদিন রাতেই মুম্বাইয়ের হোটেল তাজ মহল প্যালেসে তাঁদের সৌজন্যে একটি দাতব্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে বলিউডের সব নামী তারকা ছুটে আসেন রাজদম্পতির সঙ্গে একটুখানি সময় কাটাতে। তোলেন সেলফি, করেন টুইট।
সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অনিল কাপুর, সোনম কাপুর, অর্জুন কাপুর, ঋষি কাপুর, নিতু সিং, জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ, আলিয়া ভাট, পরিণীতি চোপড়া ও হুমা কুরায়েশির মতো তারকারা।

গায়ক ও সংগীত পরিচালক শংকর মহাদেবন অনুষ্ঠানে গান গেয়ে শোনান। নৃত্য পরিবেশন করেন কোরিওগ্রাফার শাম্যাক দাভার। শুরুতেই প্রিন্স উইলিয়ামের সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা ছিল অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ। বলিউড সদস্যদের পক্ষ থেকে সেখানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন শাহরুখ ও ঐশ্বরিয়া। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস