টেন্ডুলকার বললেন তাঁর বোকামির কাহিনি!

fxc

খুব ছোটবেলার একটা কাহিনি! শচীন টেন্ডুলকারের সেই ঘটনা মনে হলেই হাসি পায়। কী বোকাই না ছিলেন তখন। মুম্বাই অনূর্ধ্ব-১৫ দলের হয়ে পুনেতে খেলতে গিয়ে কপর্দকশূন্য হয়ে ফিরেছিলেন তিনি। কেবল পকেটের টাকার ব্যবস্থাপনাটা ঠিকমতো না হওয়ার কারণেই অমন অভিজ্ঞতা মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি।
টেন্ডুলকারের তখন ১২ বছর বয়স। মুম্বাই অনূর্ধ্ব-১৫ দলের হয়ে পুনেতে গিয়ে খেলার সুযোগ পেলেন। বাড়ি থেকে টাকাপয়সা নিয়েই পুনে গিয়েছিলেন, কিন্তু সে টাকা তো নামমাত্র! একেবারে হিসেব কষা। কিন্তু গোল বাধাল খেলার মধ্যে একদিনের অপ্রত্যাশিত বৃষ্টি। মাঠের পারফরম্যান্সটা সে সফরে একেবারেই ভালো হয়নি তাঁর। প্রথম ইনিংসে মাত্র ৪ রানে আউট হয়ে গিয়েছিলেন। বেরসিক বৃষ্টি দ্বিতীয় ইনিংসে মাঠে নামারই সুযোগ দিল না। বৃষ্টির কারণে খেলা না হওয়া ফাঁকা দিনটির কারণেই পকেট ফাঁকা হয়ে গিয়েছিল টেন্ডুলকারের।
অজ্ঞানতাবশতই টেন্ডুলকার সেদিন টাকার টানাটানিতে পড়ে গিয়েছিলেন , ‘বৃষ্টির কারণে যে দিনটা হাতে পেয়েছিলাম, সবাই এদিক-ওদিক ঘুরে, সিনেমা দেখে, খেয়ে সময় কাটিয়েছিলাম। বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়া পয়সার পুরোটাই সেদিন শেষ করে এসেছিলাম। স্রেফ আর্থিক ব্যবস্থাপনাটা না জানার কারণেই এমনটা হয়েছিল। খুব ছোট ছিলাম বলেই তখন জানতাম না পকেটের পয়সা কীভাবে বাঁচিয়ে চলতে হয়!’
সেদিনের কথা মনে করেই আজকের ব্যাংকিং–ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধা তাঁর, ‘পুনের সেই দিনটিতে যদি এখনকার মতো ব্যাংকিং সুবিধা থাকত, তাহলে কত ভালো হতো, ভাবি! আমার পকেটের মোবাইল ফোনটা দিয়েই আর্থিক সমস্যার সমাধান করে ফেলতাম। বাড়িতে ফোন করে সমস্যার কথা বলতেই হয়তো বাড়ি থেকে এসএমএস ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা চলে আসত!’ সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।

মুস্তাফিজকে দেখে আকরামকে মনে পড়ে স্টেইনের

cdf

মুস্তাফিজুর রহমানের ভক্তের তালিকাটা দিন দিন লম্বাই হচ্ছে। অভিষেকের পর থেকেই ক্রিকেট দুনিয়াকে চমকে দিতে থাকা এই পেসারের ভক্তের তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন ডেল স্টেইন। প্রোটিয়া ফাস্ট বোলারের মতে, মুস্তাফিজের সামর্থ্য আর প্রতিভা দেখে তাঁর ওয়াসিম আকরামের কথাই মনে পড়ে যাচ্ছে।
মুস্তাফিজের বোলিং দারুণ উপভোগ করেন স্টেইন, ‘মুস্তাফিজ হয়তো আকরামের মতো অত বেশি সুইং করাতে পারে না। কিন্তু তার বোলিং দেখাটাও দারুণ উপভোগ্য।’ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মুস্তাফিজকে বিরল এক প্রতিভা বলেই মানেন স্টেইন।
মুস্তাফিজের বোলিং বিশ্বের বাঘা বাঘা সব ব্যাটসম্যানের পরীক্ষা নিচ্ছে। বাংলাদেশের এই বাঁ হাতি বোলারকে দেখে স্টেইন এর কারণটাও ধরতে পেরেছেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ডান হাতি ফাস্ট বোলারদের অফ কাটার দিতে দেখে ব্যাটসম্যানরা। তারা এটাতে অভ্যস্ত। কিন্তু বাঁ হাতি মুস্তাফিজ কাটারের সঙ্গে বলের গতিও পরিবর্তন করছে—যা ব্যাটসম্যানরা আগে দেখেনি।’
গত বিশ্বকাপে ট্রেন্ট বোল্ট আর মিচেল স্টার্কের বোলিং মুগ্ধ করেছিল স্টেইনকে। এই দুই বোলারের পর মুস্তাফিজের আবির্ভাবকে আন্তরিকভাবেই স্বাগত জানিয়েছেন স্টেইন। একই সঙ্গে তাঁর জন্য শুভ কামনাও জানিয়েছেন, ‘গত বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের ট্রেন্ট বোল্ট আর অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্ক নজর কেড়েছিলেন সবার। বোল্ট তো সাদা বলে দারুণভাবে সুইং করিয়েছিল। স্টার্ক তার গতি দিয়ে আনন্দ দিয়েছিল সবাইকে। এবার বাংলাদেশ থেকে এসেছে মুস্তাফিজ। আমি ওর সাফল্য কামনা করি। আমি মনে করি, সময়ের সঙ্গে সে আরও বেশি পরিণত হয়ে উঠবে।’ সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে।

স্মৃতিতে নাসরীন হক

zer

তাঁকে নিয়ে তাঁর মা কবি জাহেদা খানম লিখেছেন কবিতা ‘আমার মেয়ে আছে সারা আকাশ জুড়ে’। মেয়ে তো সত্যিই উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে আলো ছড়িয়ে যাচ্ছেন। তিনি নাসরীন হক। নারীর প্রতি অন্যায়-অবিচার থেকে শুরু করে সমাজের পিছিয়ে পড়া অধিকারবঞ্চিত মানুষের প্রাপ্য অধিকার ও সুবিচার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি কাজ করে গেছেন।
২৪ এপ্রিল ছিল নাসরীন হকের দশম মৃত্যুবার্ষিকী। অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় নিজের বাসায় নিজের ব্যবহৃত গাড়ির নিচে পিষ্ট হন। তিনি ছিলেন নারীপক্ষের সদস্য।
নারীপক্ষ ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় ঢাকার জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে তাঁর স্মরণে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের নাম ছিল ‘রয়েছো আকাশ জুড়ে’। গান, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্যাবৃত্তির ফাঁকে ফাঁকে জীবনী পাঠের মাধ্যমে ৪৮ বছরে পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়া নাসরীন হককে স্মরণ করা হলো।
নাসরীন হকের মায়ের লেখা ‘আমার মেয়ে আছে সারা আকাশ জুড়ে’ কবিতা আবৃত্তির মধ্য দিয়ে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। নাসরীন হকের প্রিয় কিছু গান ‘মধুর আমার মায়ের হাসি’, ‘সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে’, ‘চির বন্ধু চির নির্ভয়’ পরিবেশিত হয়। অ্যাসিড আক্রান্ত নারীদের জন্য প্রতিষ্ঠা করা তাঁর গানের স্কুল ‘পঞ্চম সুর’ ‘ভালো আছি ভালো থেকো’ গানটি পরিবেশনের মাধ্যমে নাসরীন হককে সম্মান প্রদর্শন করে। অনুষ্ঠানে নারীপক্ষের সভানেত্রী রেহানা সামদানী ছাড়াও তাঁর কথা মনে করলেন অনেকেই।

প্রথম দেখায় কী করবেন?

হয় না, হয় না করে হয়েছে প্রেম। কত নির্ঘুম রাত, কান্নাকাটি, জল্পনা-কল্পনা। সবকিছুর ইতি টেনে প্রথম দেখা করতে যাচ্ছেন। দুশ্চিন্তায় আরও একটি রাতের ঘুম শেষ। যাওয়ার আগে ভুলে ফেলে গেলেন মানিব্যাগ। হাত ঘেমে, জিহ্বা শুকিয়ে অবস্থা বেশ খারাপ। যাক শেষ অবধি যখন পৌঁছালেন প্রেমিকার কাছে, তখন বলতে চাননি এমন একটি বেফাঁস কথা বলে ফেললেন। ব্যস,…

সময়মতো খাবার না খেলে কী হয়?

ডুৃব্ও

সকালে ঘুম থেকে উঠেই অফিসে দৌড়। তাড়াহুড়োয় খাবার খাওয়ার সময় পেলেন না। অফিসে গিয়েই মিটিং। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে গেল। তখনো খাবার খাওয়া হলো না। আবার রাতের খাবার যে কখন খাওয়া হয় তার কোনো সঠিক সময় নেই! সময়মতো খাবার না খেলে তৎক্ষণাৎ কোনো সমস্যা হয় না বলে অনেকে গুরুত্ব দেন না। কিন্তু জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে অসুস্থ হতেই হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শারমিন রুমী আলীম জানালেন, সময়মতো না খাবার খাওয়ার কারণে সবচেয়ে বেশি হয় গ্যাসট্রিকের সমস্যা। বদহজম, গ্যাস ও অম্বল হওয়ার আশঙ্কা তো আছেই। সঠিক সময়ে সঠিক খাবার না খাওয়ার কারণে বয়স যখন ৪০ পেরিয়ে যায়, তখন তাঁদের শরীর খুব দ্রুত ভেঙে পড়ে। তাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুব কমে যায়। দ্রুত বৃদ্ধ হয়ে
পড়েন তাঁরা।
অনিয়মিত খাবারদাবার ও বেশি রাত করে রাতের খাবার খাওয়া প্রভাব ফেলে আপনার নিত্যদিনের কাজেও। কারণ, সঠিক সময়ে খাবার না খেলে শরীর খুব দ্রুত পরিশ্রান্ত হয়ে পড়ে। লো প্রেশারের সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু খাবার সময়মতো খেয়ে ফেললে শরীর তরতাজা থাকে। মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বজায় থাকে। বেশির ভাগ তরুণ সকালবেলা খাবার খেতে আগ্রহী হন না। কিন্তু দিন যত গড়ায় শরীরের পরিপাক হারও তত বেড়ে যায়। সূর্য ডুবে যাওয়ার পর পরিপাক হারও কমতে থাকে। ফলে দুপুর বা রাতের চেয়ে সকালে খাবারদাবার অনেক বেশি প্রয়োজনীয়। সকালে নাশতা কখনোই বাদ দেওয়া উচিত নয়। সকালের খাবার যেমন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে বিরত রাখে, তেমনি সারা দিন কাজ করার শক্তি প্রদান করে। ছোট বয়স থেকেই সঠিক সময়ে খাবার খেলে ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঠিকমতো হয়।
গবেষণা থেকে পাওয়া
* অক্সফোর্ড জার্নাল অনুসারে, কোনো অন্তঃসত্ত্বা নারী যদি তাঁর খাবার নিয়ম অনুসারে না খান, তাহলে তাঁর অনাগত সন্তানের ওপর এর নানা
প্রভাব পড়ে।
* চীনের মেডিসিন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক তাঁর গবেষণায় জানিয়েছেন, কখনোই একসঙ্গে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া ঠিক নয়৷ প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খাওয়া উচিত৷ সময়মতো খাবার খেলে হজম-প্রক্রিয়া ভালো হয়, যা স্বাস্থের জন্য ভালো৷
* যুক্তরাষ্ট্রের জীববিজ্ঞানী গিরিশ মেলকানি তাঁর এক গবেষণাপত্রে লিখেছেন, সময়মতো খাবার গ্রহণ করার ফলে কম বয়সে বৃদ্ধ হয়ে যাওয়া ও হার্টের যে সমস্যা হয় তাও দূর হয়।
* বোস্টনের ব্রড ইনস্টিটিউটের এক গবেষণায় দেখা গেছে, সময়মতো খাবার খাওয়া আপনাকে গ্যাস্ট্রিক, আলসার, ওজনহীনতাসহ মারাত্মক কিছু রোগ থেকে রক্ষা করে আপনাকে রাখবে সুস্থ, সবল ও সতেজ।
বিষয়:
অধুনা পরামর্শ

ননদ–ভাবির টানাপোড়েন

hbjuy

শাশুড়ি ও ননদের সঙ্গে আমার কোনো সমস্যাই ছিল না। কারণ অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বসে আমাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তো বারো বছর পর্যন্ত তাঁদের সঙ্গে আমার সামনাসামনি দেখাই হয় না। স্বামীর অ্যালবামে ছবি দেখেছি। ফোনে কথা হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু দেশে এসে গোলমাল হলো। স্বামীর টাকা-পয়সার সবই দেওয়া হতো তাঁদের। আমি ভুলেও কখনো না করতাম না, কিংবা কম দেওয়ার কথা বলতাম না। তাঁদের মন পেতে চাইলাম আমি—কিন্তু সন্দেহ-অবিশ্বাস কিছুতেই কাটছে না। তাঁদের ধারণা, আমার স্বামীর কাছে তাঁদের আরও অনেক পাওনা। সেসব থেকে আমি তাঁদের খুব ঠকাচ্ছি।’
অস্ট্রেলিয়ায় বেড়ে ওঠা এই বাঙালি বউটি আক্ষরিক অর্থেই কেঁদে ফেললেন। তাঁর প্রশ্ন, ‘এটা কি আমাদের মানসিক সমস্যা! ছেলের বউ বা ভাবিকে বিশ্বাস করা যাবে না! কিংবা আমিও ননদকে বিশ্বাস করতে পারব না?’
এমন চিত্র নিশ্চয় সমাজের সব জায়গায় এক রকম নয়; বরং একজন নারীর তো অবশ্যই আরেকজন নারীর পাশে দাঁড়ানোর কথা। একজন মেয়ে নতুন কোনো সংসারে গিয়ে যদি সেই পরিবারের নারীদের পাশে না পান—তিনি কেমন করে মানিয়ে চলবেন?
ননদ-ভাবি টানাপোড়েন ও জটিলতা নিয়ে কম ঘটনা নেই। দোষ কার! কাকে দুষব। ননদকে নাকি ভাইয়ের বউকে।
অভিযোগ থাকে দুই তরফেই। এক পক্ষ বলছে, ননদ কেন যেন প্রথম থেকেই শত্রুভাবাপন্ন মনোভাব নিয়ে সংসারে কুটিল পরিবেশ তৈরিতে তৎপর। ননদের ধারণা, তাঁর এলাকায় ভাগ বসানোর লোক এসেছে। তাঁর বা তাঁদের আধিপত্য আর থাকবে না। ভাবির মত হলো, বাড়ির বউয়ের পছন্দ-অপছন্দের গুরুত্ব কম দেওয়া হচ্ছে। ননদের ধারণা, ভাবি হঠাৎ এসে জুড়ে বসে ভাইকে বশ করে। যে ভাইকে ছোটবেলা থেকে চিনি-জানি, তার ভাবখানা এমন যে ভাইকে সে আমাদের চেয়েও বেশি চেনে।
ননদের ধারণা, ভাবি হঠাৎ এসে জুড়ে বসে ভাইকে বশ করে। যে ভাইকে ছোটবেলা থেকে চিনি-জানি, তার ভাবখানা এমন যে ভাইকে সে আমাদের চেয়েও বেশি চেনে।

আর তাতেই যত যন্ত্রণার শুরু। একাধিক সংসার বিশেষজ্ঞ শ্বশুর-শাশুড়ির কাছে শুনেছি সুখের সংসারের নিগূঢ় তত্ত্ব, ‘মেয়ে বিয়ে দাও বড় ঘরে আর ছেলের বউ আনো গরিব ঘর থেকে।’ উদ্দেশ্য একটাই ঘরের বউ যেন সব সময় আতঙ্কে থাকে। গরিবের মেয়েকে ‘টাইট’ দেওয়া সহজ।

কেন এই ঈর্ষাকাতরতা?
এমন নারীর মধ্যে গভীরে কাজ করে—নিরাপত্তাহীনতা। তাই ননদ মনের অজান্তে ভাবতে থাকেন তাঁর বাড়ি আর নিজের নেই। সব ভাবির দখলে চলে যাচ্ছে। হিংসা, কূটকাচালি বাড়তে থাকে। শাশুড়ি কখনো দেখেও না দেখার ভান করেন। তবে বলা দরকার, কিছু পরিবার দেখেছি, যেখানে শাশুড়ি নিজগুণে পুত্রবধূর জন্য মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান নিশ্চিত করেন। সেসব সংসারে চমৎকার ভারসাম্য রক্ষা হয়। সুখেরও হয়।
অন্যদিকে ভাবিদের নিয়ে অভিযোগ কম নয়। স্বামীর মন জুগিয়ে অনেক সময় ননদদের হিস্যাবঞ্চিত করায় তাঁরা ভূমিকা রাখেন। নতুন সম্পর্ক গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে শুরুতে ঠেলাঠেলি হবেই। আর সেটাই স্বাভাবিক। ফলে উভয় পক্ষের ঠোকাঠুকি থাকবেই।

এই সমস্যার সমাধান কী?
পরিবারে সবার যদি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকে, তবে এই সমস্যা থেকে বের হয়ে আসা সম্ভব। এখানে মায়ের দায়িত্ব কিছুটা হলেও বেশি। তিনি তাঁর মেয়েকে মদদ দেন। কারণ বাড়িতে বউ আসায় তাঁর জায়গাটাও যে কিছুটা হলেও হেলে পড়েছে। সেটা উনি টের পান। কখনো প্রকাশ করেন আবার কখনো ভিন্নভাবে ঘুঁটি চালান দেন। এই মনোভাব বদলাতে হবে। সবার আপন জায়গাটা চিনতে ও জানতে হবে। নিজের অধিকার আদায় আর ননদ বা ভাবির প্রতি বিদ্বেষ এক কথা নয়। সচেতন মানুষকে কেউ ঠকাতে পারে না। একটা পরিবারে একজন স্ত্রীর অধিকার, সম্মান, মর্যাদা, সংসার পরিচালনায় নেতৃত্ব কখনোই ননদের অধিকারকে খর্ব করে না। দুপক্ষের মধ্যে সহনশীলতা, সমঝোতা সংসারকে মাধুর্যপূর্ণ করে তোলে।
তাই শুরুতেই যদি নিজেদের চাহিদা, দায়িত্ব-কর্তব্য সুষ্ঠুভাবে বুঝে নেওয়া যায় তাতে সবার লাভ। এখানে শাশুড়ির মনে রাখতে হবে তাঁর মেয়েও একদিন অন্যের বাড়ি যাবেন। তাঁর মেয়ের সঙ্গে কী ধরনের আচরণ হওয়া উচিত। সেই আচরণটাই যদি নিজের পরিবারে শুরু করেন, তবে ঝামেলা শুরুতেই শেষ হয়ে যাবে। ভালো ব্যবহার করলে অবশ্যই ভালো ব্যবহার তিনি আশা করতে পারেন। যেমন অনুশীলন; তেমনই ফল।
অন্যের কন্যাকে নিজের কন্যা বলে আপন করে নিলে তাঁর কন্যাও অন্য পরিবারে কন্যার মর্যাদা পাবেন। একটি শুভ কাজ আরেকটি শুভ কাজের জন্ম দেয়।

সহযোগী অধ্যাপক
মনোরোগবিদ্যা বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

আর্থিক প্রাপ্তির চেয়ে আত্মিক তৃপ্তিই গুরুত্বপূর্ণ

করবা

আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস সামনে রেখে শিল্পকলা একাডেমিতে আজ বুধবার শুরু হচ্ছে ‘নৃত্যাঞ্চল উৎসব’। তিন দিনের এই উৎসবে আজ সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় শিবলী মহম্মদের পরিচালনায় থাকবে কত্থক নাচ। আগামীকাল সৃষ্টি কালচারাল সেন্টারের প্রযোজনায় নৃত্যনাট্য বাঁদী-বান্দার রূপকথা। নৃত্য দিবসের এই উৎসব ও পরিবেশনা নিয়ে কথা বললেন নৃত্যাঞ্চলের অন্যতম পরিচালক ও শিল্পী শামীম আরা নীপা।

শামীম আরা নীপানাচ নিয়ে আমাদের উদ্যোগগুলোতে আপনি আশাবাদী?

হ্যাঁ, উদ্যোগগুলোকে সাধুবাদ জানাতেই হয়। সারা দেশে নাচ নিয়ে কাজ হচ্ছে, এটা ইতিবাচক। তবে এখন দরকার আরও মানসম্মত ও সুন্দর কিছু কাজ। কাজের পরিমাণের থেকে মানটা জরুরি। তা না হলে দর্শকেরা হতাশ হবেন। আমাদের নাচ একটা সুন্দর জায়গায় পৌঁছেছে। এ জন্য আগের প্রজন্মকে শ্রদ্ধা জানাই। নৃত্যশিল্পী সংস্থার কাজটা উল্লেখযোগ্য। নতুন প্রজন্মের অনেকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।
নৃত্যাঞ্চল উৎসবের আকর্ষণীয় নৃত্যনাট্যটি নিয়ে বলবেন?
বাঁদী-বান্দার রূপকথা নৃত্যনাট্যটি ‘আলীবাবা চল্লিশ চোর’ গল্প থেকে তৈরি। এতে দর্শক সহজে যুক্ত হতে পারেন। এর নৃত্যভাবনা ও পরিচালনা সুকল্যাণ ভট্টাচার্যের, প্রযোজনা সৃষ্টি কালচারাল সেন্টারের।
উৎসবে বিশেষ শিশুদের অংশ রাখলেন কেন?
এটা করা হয়েছে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে। তাদের শিক্ষার সুযোগ নেই, হয়তো নিয়মিত খেতেও পায় না। কিন্তু তাদের শৈল্পিক তৃষ্ণা আছে। এদের মধ্যে যারা ভালো করবে, আমাদের দলের নিয়মিত শিল্পী হিসেবে তাদের নিয়ে নেব। নাচ শুধু আর্থিকভাবে স্বাবলম্বীদের জন্য নয়। শুক্রবার বিকেলে শিল্পকলা একাডেমির নন্দন মঞ্চে নাচ করবে সুবিধাবঞ্চিত ও বিশেষ (প্রতিবন্ধী) শিশুরা। এদের মধ্যে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশুদের দলটি লালমনিরহাটের।
শুধু নৃত্যপ্রীতি কি এই শিল্পকে এগিয়ে নিতে পারবে?
‘নৃত্যের ছন্দে জীবন স্পন্দিত হোক সত্যের সন্ধানে’—এই উপলব্ধিটাই পথচলাকে সহজ করে। শিল্পীরা পথ চলছেন নিজেদের পাগলামি আর ভালো লাগা থেকে। মানুষের উৎসাহ পেলে তাঁদের কাজের আগ্রহ বাড়ে। আর্থিক প্রাপ্তির চেয়ে তাঁরা আত্মিক তৃপ্তিকেই বেশি গুরুত্ব দেন।
সাক্ষাৎকার: রাসেল মাহ্‌মুদ

জায়েদ খান গ্রামছাড়া !

্রর

ছবির মানুষটিকে দেখলে চেনা যায় কি! পাঠক নিশ্চয়ই চিনেছেন তাঁকে। আরে, এ যে দেখছি জায়েদ খান! কিন্তু চেহারার এ কী হাল তাঁর! ছবিটি ঢাকাই চলচ্চিত্রের নায়ক জায়েদ খানেরই বটে। তবে চুরির অভিযোগে সোজা একেবারে গ্রামছাড়া হওয়ার এই মুহূর্তটি বাস্তবের কোনো ঘটনা নয়। মালেক আফসারি পরিচালিত ‘অন্তর জ্বালা’ ছবির কাহিনির দৃশ্য এটি। সম্প্রতি পিরোজপুরের লোকেশনে ছবির এমনই একটি দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে।

চরিত্রটি সম্পর্কে জায়েদ খান জানিয়েছেন, গ্রামের বেকার যুবক আলাল। বাংলা সিনেমা দেখার পোকা। মান্নার ভক্ত। নিজের নামটিও বদলে মান্না রেখেছে। একদিন সিনেমা দেখার টাকা জোগাড় করতে মায়ের গয়না চুরি করে সে। পরে বাবা তাকে মারধর করে গ্রাম থেকে বের করে দেয়। এমনই একটি দৃশ্য।
জায়েদ খান বলেছেন, ছবিতে আলাল চরিত্রটির মধ্যে বাংলা চলচ্চিত্রের একটি ইতিবাচক দিক তুলে আনার চেষ্টা করা হয়েছে।

এদিকে ছবির পরিচালক জানিয়েছেন, পিরোজপুরের বিভিন্ন লোকেশনে এ ছবির ৯০ ভাগ শুটিং শেষ হয়েছে। বাকি ১০ ভাগ শুটিং হবে ঢাকার লোকেশনে।
ছবিতে জায়েদ খানের বিপরীতে অভিনয় করছেন পরীমনি। আরও অভিনয় করছেন অমিত হাসান, বড়দা মিঠু, রেবেকা জলি, জয়, মৌমিতা প্রমুখ।

বিতর্কই তাঁর সঙ্গী

৭গচট

সালমান খানের সঙ্গিনী বদলায়। তবে যে সঙ্গী তাঁর সঙ্গ কখনোই ছাড়ে না, তার নাম হলো ‘বিতর্ক’। সম্প্রতি শুরু হয়েছে নতুন এক বিতর্ক, ভারতে এত এত কিংবদন্তি ক্রীড়াব্যক্তিত্ব থাকতে সালমানকে কিনা বানানো হলো অলিম্পিকের দূত! এ নিয়ে সালমানের দিকে একের পর এক তির ধেয়ে যাচ্ছে। এ সুযোগে সালমানের সাবেক দুই সঙ্গিনীও কিন্তু খোঁচা মেরেছেন। ক্যাটরিনা কাইফ বলেছেন, ‘সালমান আর বিতর্ক? এ আর নতুন কী!’ বলিউডের অনেকেই মনে করছেন, সালমানের সঙ্গে অলিম্পিকের কোনো যোগসূত্র নেই। একটি অনলাইন পিটিশনও খোলা হয়েছে, যেখানে সবাই এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। শোনা যাচ্ছে, সেই পিটিশনে নাকি সই করেছেন তাঁর আরেক সাবেক প্রেমিকা ঐশ্বরিয়া রাইও!
এসব দেখেই সালমানের বাবা সেলিম খান লম্বা ফিরিস্তিই দিলেন ছেলের ক্রীড়া-প্রতিভার। জানালেন, তাঁর ছেলে একই সঙ্গে সাইক্লিস্ট, সাঁতারু, কুস্তিগীর আর ভারোত্তোলক। কোন খেলাটা সালমান পারেন না! সালমানও এক সাক্ষাৎকারে বললেন, ‘জীবনে অনেক খেলাই খেলেছি। কোনোটাই খারাপ খেলিনি। সমস্যা হলো, যখনই কোনো খেলায় সাফল্য পেয়েছি, সঙ্গে সঙ্গে ওটার ব্যাপারে আগ্রহ চলে গেছে। অন্য কিছু নিয়ে মেতেছি।’
কোনো একটা খেলায় মন দিলে হয়তো বড় কোনো ক্রীড়াবিদ হতে পারতেন এই অভিনেতা। কিন্তু এই পরিচয় নিয়েই তিনি অলিম্পিকের দূত হচ্ছেন না। সালমানের কথা, তিনি তো আর মাঠে নেমে খেলবেন না যে তাঁকে দূত হওয়ার জন্য ক্রীড়াবিদ হতেই হবে। দূত হিসেবে তাঁর দুটি কাজ—ভারতের অলিম্পিক দলের খেলোয়াড়দের উজ্জীবিত করা, আর এই আসরটি নিয়ে মানুষের মধ্যে আগ্রহ বাড়ানো। আসলে অন্য অনেক দেশের মতো ভারতে অলিম্পিকটা খুব বেশি আগ্রহ নিয়ে দেখা হয় না।
দ্বিতীয় উদ্দেশ্যটা তো এরই মধ্যে প্রায় সফল। অলিম্পিক এরই মধ্যে ভারতের ‘হট ইস্যু’! টিওআই।

‘বসগিরি’তে থাকছেন না অপু

া৬৭

প্রায় দেড় মাস আড়ালে থাকার পর সামনে এলেন অপু বিশ্বাস। লম্বা সময় ধরে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হচ্ছিল না। অবশেষে অপু দিলেন নতুন খবর। জানালেন, বসগিরি ছবিতে অভিনয় করছেন না তিনি। এই ছবিতে চরিত্রের প্রয়োজনে যে নতুনরূপে আসতে চেয়েছিলেন, অল্প সময়ের মধ্যে নিজেকে সেভাবে প্রস্তুত করতে পারেননি তিনি। তাই ছবি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন এই অভিনেত্রী।
আগামী ৫ মে থেকে শামীম আহমেদ রনির বসগিরি ছবির শুটিং শুরুর কথা। ছবিতে শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করবেন অপু—এমন কথাই ছিল। হঠাৎ করেই গতকাল মঙ্গলবার অপু নীরবতা ভেঙে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বললেন, ‘সত্যিকার অর্থে আমি দর্শকদের ধোঁকা দিতে চাইনি। চরিত্রটির জন্য শরীরের ওজন আরও কমাতে হবে। সব দিক দিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করতে আরও দু-তিন মাস সময় লাগবে। ছবির শুটিংয়ের সবকিছু এখন প্রস্তুত। শুধু আমার জন্য এত দীর্ঘ সময় শুটিং পিছিয়ে যাক, আমি তা চাইনি। তাই নিজ থেকেই সরে দাঁড়াচ্ছি।’
এ ব্যাপারে রনি বলেন, ‘অপুর এ ধরনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। আমাদের চলচ্চিত্রে এ ধরনের চর্চা নেই।’ নতুন নায়িকার ব্যাপারে জানতে চাইলে পরিচালক বলেন, শিগগিরই নায়িকার নাম ঘোষণা করা হবে।

‘প্রথম আমিই অফার করেছি’

া্জত

আর দুদিন বাদেই বিবাহোত্তর সংবর্ধনা লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার নাদিয়া মিমের। এরই মধ্যে অবশ্য সংবাদমাধ্যমের কল্যাণে কমবেশি সবাই জেনে গেছেন পাত্র বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা সাফায়াত আলী। ডাকনাম চয়ন। যদিও বিয়ের কাজটা বছর খানেক আগেই সেরেছেন নাদিয়া ও চয়ন। প্রথম আলোকে নাদিয়া মিম জানিয়েছেন, লাক্স চ্যানেল আই প্রতিযোগিতার সময়ই তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয়েছে সাফায়াতের। কিন্তু ঘনিষ্ঠতা বা প্রেম হয়েছে প্রতিযোগিতা থেকে বের হওয়ার পর।

বর সাফায়াত আলীর সঙ্গে নাদিয়া মিমএ প্রসঙ্গে নাদিয়া মিম বলেন, ‘লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার পর বিভিন্ন কারণে আয়োজক প্রতিষ্ঠানের অফিসে যাতায়াত করতে হয়েছে। টিভিসিসহ বেশ কিছু কাজও করতে হয়েছে। কাজের সূত্রেই তার সঙ্গে জড়িয়ে যাই। তারপর তো সবকিছু জানেনই।’
কে আগে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিল? এ প্রশ্নে উত্তরে হাসতে হাসতে নাদিয়া মিম বলেন, ‘আমিই দিয়েছি। কারণ, আমার কাছে মনে হয়েছে এই ছেলেটি আমাকে বোঝে। আমরা একসঙ্গে সারা জীবন কাটাতে পারব। তখনই অফার করেছি।’
নাদিয়া মিম আরও বলেন, ‘জানেন, বিয়ের ব্যাপারটি কিন্তু আমারই পরিকল্পনা। এটা বলে আমি কিন্তু ক্রেডিট নিই।’
নাদিয়া মিম জানিয়েছেন, বিয়ের পরেও তিনি নিয়মিত অভিনয় করবেন। তিনি জানান, শ্বশুরবাড়ি আর তাঁর পরিবারের সবারই চাওয়া, তিনি যেন অভিনয়ে নিয়মিত থাকেন। এর সঙ্গে আছে মিমের নিজের ইচ্ছেও। সবদিক সামলে অভিনয়ে নিয়মিতই থাকবেন তিনি।
৩০ এপ্রিল বিবাহোত্তর সংবর্ধনা নাদিয়া ও চয়নের। এই দুজন তাঁদের নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

হৃতিক-কঙ্গনার ফাঁস হওয়া ছবি নিয়ে ধুন্ধুমার কাণ্ড

f6

বলিউডের তারকা হৃতিক রোশন আর কঙ্গনা রনৌতের প্রণয় ও বিচ্ছেদ আর এরপর তাঁদের বিবাদ নিয়ে তোলপাড় যেন থামছেই না। এর সঙ্গে সম্প্রতি অনলাইনে প্রকাশিত এই দুজনের একটি অন্তরঙ্গ ছবি যেন আগুনে ঘি ঢেলেছে। অনেকে অবশ্য বলছেন, এ ছবি ফটোশপ করা। সম্প্রতি টাইমস অব ইন্ডিয়া হৃতিক, কঙ্গনা, অর্জুন রামপাল ও নন্দিতা মাহতানির আরও একটি ছবি প্রকাশ করেছে। সে ছবি বলছে অন্য কথা।

একসময় ভালো ‘বন্ধু’ ছিলেন হৃতিক কঙ্গনাহৃতিক কঙ্গনার এই ছবি ২০১০ সালের এক অনুষ্ঠানের। বলিউডের আরেক অভিনেতা অর্জুন রামপাল আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হৃতিকের সাবেক স্ত্রী সুজানেও।
অনুষ্ঠানের অনেক ছবিই তোলা হয়েছিল। অনুষ্ঠানের বেশ কয়েকটি গ্রুপ ছবির মধ্যে যে ছবিতে হৃতিক, কঙ্গনা, অর্জুন রামপাল ও নন্দিতা আছেন, সেই ছবিতে কঙ্গনার পোশাকের রং ও নকশা হুবহু ফাঁস হওয়া ছবির সঙ্গে মিলে যায়। আর এই নতুন ছবিটি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই আগের ফাঁস হওয়া ছবিটি যে ফটোশপ করা বা বানানো, তা নিয়ে তুমুল বিতর্ক চলছে।
অনেকেই বলছেন, এই ফাঁস হওয়া ছবিটি আরেকটি গ্রুপ ছবি থেকে কেটে নেওয়া। আর এরপর বড় করে ফটোশপ করা। ছবির গ্রেন বা রঙের বিন্দুগুলোও স্বাভাবিকের ​চেয়ে অনেক বড়। যাঁরা বলছেন আগের ছবিটি বানানো, তাঁরা এটিকে স্পষ্ট প্রমাণ মানছেন।

ফাঁস হওয়া এই ছবি যে অনুষ্ঠানে তোলা, তারই কোনো গ্রুপ ছবির কেটে নেওয়া অংশ বলেই মনে করছেন অনেকেআর এদিকে প্রকাশিত ছবিগুলো নিয়ে নানা প্রশ্ন সবার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। যেসব প্রশ্ন বলিউডের বাতাসে ভাসছে, সে প্রশ্নগুলোর মধ্যে রয়েছে, কঙ্গনা কেন সেই অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন? তিনি আমন্ত্রিত ছিলেন নিশ্চয়ই! হৃতিকের সঙ্গে কঙ্গনার যে গ্রুপ ছবি, তাতে দুজনের দাঁড়ানোর ভঙ্গি অনেক ঘনিষ্ঠ। নিশ্চয়ই এ দুজনের মধ্যে তখন সুসম্পর্ক ছিল। এমনকি হৃতিকের সাবেক স্ত্রী সুজানের সঙ্গেও! অনেকগুলো ছবির মধ্যে হৃতিক কঙ্গনার কোনো আলাদা ছবি কি তোলা হয়েছিল? নাকি এই ছবি গ্রুপ ছবি থেকে নেওয়া!

যা হোক, এসব প্রশ্নের উত্তর যাঁরা দিতে পারবেন, তাঁরা এখন পর্যন্ত নিশ্চুপই আছেন। আর যে দুজন এ বিষয়ে সবচেয়ে ভালো জানেন, সেই হৃতিক আর কঙ্গনা এখন যুযুধান, পরস্পরের বৈরী! কাজেই আগুনের ফুলকি আর ধোঁয়ায় এখনো সব প্রশ্নের উত্তর সবার কাছে ধোঁয়াশাতেই রয়ে গেছে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

সম্পর্কে প্রতারণা কি খুবই সাধারণ ঘটনা?

yudf

সম্পর্কে প্রতারণার ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে। এ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা নানা অভিযোগ পেয়ে থাকেন। পরামর্শ চান ভুক্তভোগীরা। এমই এক মানুষ প্রশ্ন রাখেন, সম্পর্কে প্রতারণার ঘটনা কতটা সাধারণ বা এটা কি খুব সহজেই ঘটে থাকে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রশ্নটির জবাব দারুণ কঠিন। এটা যার যার মানসিকতার ওপর নির্ভর করে। প্রতারণার সংজ্ঞা একেক মানুষের কাছে একেক ধরনের হতে পারে। তবে সাধারণ অর্থে মানুষ আবেগ বা যৌনতার ক্ষেত্রে বিশ্বাসঘাতকতার কথাই বলে থাকে।

বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা নিয়ে গবেষণা করেন। বিচিত্র ফলাফল বেরিয়ে আসে। ২০১০ সালের এক বিশ্লেষণমূলক গবেষণায় ৩১টি ভিন্ন ভিন্ন গবেষণার ফলাফল পর্যবেক্ষণ করা হয়। এই বিশ্লেষণী গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয় ‘পারসোনালিটি অ্যান্ড ইন্ডিভিজুয়াল ডিফারেন্সেস’-এ। গবেষণায় দেখা গেছে, ১.২ শতাংশ থেকে ৮৫.৫ শতাংশ পর্যন্ত মানুষের জীবনে প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে।

সংকীর্ণ অর্থে প্রতারণাকে যৌনতার ক্ষেত্রে ব্যাখ্যা কর হয়। আর ব্যাপক অর্থে আবেগ ও যৌনতা উভয় ক্ষেত্রে প্রতারণার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৫.৫ শতাংশ মানুষ প্রতারণাকে ব্যাপক অর্থে ব্যাখ্যা করছেন। এর মধ্যে সঙ্গী-সঙ্গিনীকে এড়িয়ে অন্যের সঙ্গে ভাব জমানোর মতো বিষয়ও রয়েছে।

মানুষের চরিত্রগত বৈশিষ্ট্য এবং সম্পর্কের ধরনের ওপর ভর করে প্রতারণার নানা ধরন গড়ে ওঠে। গবেষণায় বলা হয়, নারী অপেক্ষা পুরুষের মধ্যে প্রতারণার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। এ ছাড়া বিবাহিতদের চেয়ে অবিবাহিত জুটিদের মধ্যে প্রতারণার ঘটনা বেশি বলে তুলে ধরা হয়।

২০১০ সালের গবেষণাপত্রে বলা হয়, বিবাহিতদের প্রতি ৪-৫ জনের মধ্যে একজন তার সঙ্গী ছাড়াও অন্য মানুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। আবার কলেজপড়ুয়া প্রেমিক জুটিদের মধ্যে প্রতি ২-৩ জনের মধ্যে একজন সঙ্গী-সঙ্গিনীর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন।

তবে যারা প্রতারণা করেন তারা যে বিষয়টিকে সমর্থন দেন তা নয়। সংক্ষেপে বলা যায়, প্রতারণা অতি সাধারণ একটি ঘটনা। এ প্রশ্নের জবাব ব্যক্তিভেদে ভিন্নরকম হতে পারে, জবাবটা তার মানসিকতার ওপর নির্ভর করবে।
সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার

প্রবাসে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন শাহানা কাজী

86r

শাহানা কাজী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন কানাডিয়ান কণ্ঠশিল্পী। কানাডার টরেন্টো থেকে গত বছর পহেলা বৈশাখে তিনি তার প্রথম বাংলা গানের অ্যালবাম প্রকাশ করেন। ‘ভালোবাসার কথা’ নামের এ অ্যালবামে গান ছিল মোট নয়টি। সবগুলো গান লিখেছেন কবির বকুল।

শাহেদ কাজীর প্রযোজনায় কানাডার ব্লুসম মিউজিক থেকে প্রকাশিত এ অ্যালবামটি বর্তমানে আই টিউনস, অ্যাপল মিউজিক, আমাজন, স্পটিফাইসহ সব জনপ্রিয় অনলাইন মিউজিক স্টোরে অডিও সিডি, এমপিথ্রি ডিজিটাল ফরম্যাটে এবং স্ট্রিমিং এ বিশ্বব্যাপী পাওয়া যাচ্ছে। এখন প্রবাসে বেশ জনপ্রিয় এই সঙ্গীতশিল্পী। এবার তিনি তার দ্বিতীয় একক অ্যালবাম নিয়ে হাজির হচ্ছেন যার কাজ নিয়ে দারুণ ব্যস্ত সময় পার করছেন।
প্রথম অ্যালবাম প্রসঙ্গে শাহানা কাজী বলেন, ‘ভালোবাসার কথা’ অ্যালবামটি রেকর্ড এবং মাস্টারিং করা হয়েছে কানাডার অন্যতম একটি রেকর্ডিং স্টুডিওতে। যেখানে অনেক বিশ্ব বিখ্যাত কণ্ঠ শিল্পীরা তাদের গান রেকর্ড করেন যাদের মধ্যে রয়েছেন জাস্টিন বিবার এর মতো অনেক খ্যাতিমান শিল্পীরা। তিনি আরও বলেন, আমার প্রথম অ্যালবামটি মুক্তির পর উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ এবং বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশের শ্রোতাদের কাছ থেকে বেশ ভালো সাড়া পেয়েছি। ফেসবুক ফ্যান পেজে ফ্যানদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬.৫ লাখের উপর। এছাড়াও ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবেও ফলোয়ার আর সাবস্ক্রাইবার এর সংখ্যা বাড়ছে।
শ্রোতা-ভক্তদের এই ব্যাপক সাড়া পেয়ে দ্বিতীয় অ্যালবামের কাজ শুরু করেছি। তার ভক্তদের অনেকেই তাকে বাংলার জেনিফার লোপেজ হিসাবে মন্তব্য করেন।
উল্লেখ্য, শাহানা কাজী কানাডার টরেন্টোতে একজন প্রবাসী জনপ্রিয় শিল্পী। তিনি টরেন্টোর ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে পড়াশুনা করেছেন। এছাড়া কানাডার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ সঙ্গীত প্রতিষ্ঠান ‘মেরিয়াম স্কুল অফ মিউজিক’ থেকে সঙ্গীতের ওপর শিক্ষা নিয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনে সঙ্গীত অনুশীলনের পাশাপাশি তিনি বর্তমানে টরেন্টোর একটি আইটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল অবস্থানে নিযুক্ত আছেন।

কেন সালমান অলিম্পিকের মুখ?

ট্চি

ক্রীড়াবিদ কি কম পড়িয়াছেন! রিও অলিম্পিকে সালমান খানকে ভারতের গুডউইল অ্যাম্বাস্যাডর করায় অনেকটা এমনই অভিব্যক্তি ক্রীড়াবিদদের। বেজায় ক্ষেপেছেন যোগেশ্বর দত্ত ও মিলখা সিং-এর মতো ক্রীড়া ব্যক্তিত্বরা। তাঁদের প্রশ্ন, রিয়েল লাইফে কোনও ক্রীড়াবিদকে এই গুরুদায়িত্ব না দিয়ে কেন রিলের রেসলার চরিত্র ‘সুলতান’ সালমানকে অলিম্পিকের দূত করা হল।

শনিবার বক্সার মেরি কম, হকি দলের অধিনায়ক সর্দার সিং ও শ্যুটার অপুর্বী চান্ডেলার উপস্থিতিতে রি অলিম্পিকে সালমান খানের নাম ভারতের গুডউইল অ্যাম্বাস্যাডার হিসেবে ঘোষণা করে ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থা। এই সিদ্ধান্তে বেজায় চটে লন্ডন অলিম্পিকের ব্রোঞ্জজয়ী রেসলার যোগেশ্বর দত্ত টুইটে লেখেন, ‘ভারতের সিনেমার প্রচারের অধিকার প্রত্যেকেরই আছে। তবে, অলিম্পিকের আসর ছবির প্রচারের জায়গা নয়। কেউ আমাকে বলবেন, গুডউইল অ্যাম্বাস্যাডারের ভূমিকাটা ঠিক কী? কেন আপনারা জনতাকে বোকা বানাচ্ছেন?’

যোগেশ্বরের মতে, ‘কঠিন সময়ে দেশের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছেন পিটি ঊষা, মিলখা সিং-এর মতো ক্রীড়াবিদরা। তবে, এই দূত খেলাধূলার জন্য কী করেছেন? আপনাদের যদি এই নাটকটা করারই ছিল, তবে কেন ওই জায়গায় একজন ক্রীড়াবিদকে নিয়োগ করা হল না? দেশের পদক চাই, স্পনসর নয়।’

সালমানের প্রতি কোনও ব্যক্তিগত রোষ নেই বলে জানিয়ে ৮৫ বছরের উড়ন্ত শিখ মিলখা সিং বলেছেন, ‘পিটি ঊষা, রাজ্যবর্ধন রাঠৌর, অজিত পালের মতো অনেক ক্রীড়াবিদ তৈরি করেছে ভারত। তাঁদের মধ্যে কারওকে গুডউইল অ্যাম্বাস্যাডর করা যেত। বলিউড থেকে একজনকে আমদানি করার কী প্রয়োজন ছিল?’ সরকার এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করুক, এই দাবি জানিয়ে মিলখা সিং-এর কটাক্ষ, ‘বলিউডের কোনও মেগা ইভেন্টে কি কোনও ক্রীড়াবিদকে দূত করা হয়েছে?’