গরমে ঝলমলে চুলের জন্য মেনে চলুন এই টিপস্

rtd7d

সুন্দর ও ঝলমলে চুল নারীর সৌন্দর্য। কিন্তু গরমে চুলের সৌন্দর্য হারিয়ে যায়। কেমন একটা রুক্ষ দেখায়। গরমে শরীরে তো ঘাম হয়ই। সেইসঙ্গে মাথাও খুব ঘামে। সারাক্ষণ চিপচিপে ভাব। রোদ, গরম, ঘামে চুল একেবারে নষ্ট হয়ে যায়। উজ্জ্বলতা হারিয়ে যায়। এই গরমে আপনার চুলের স্বাস্থ্য ও উজ্জ্বলতা কীভাবে বজায় রাখবেন, তার জন্য রইল কিছু টিপস্-

১. গরম থেকে বাঁচতে অনেকেই সুমিং পুলে ডুব মারেন। কিন্তু সুমিং পুলের জলে থাকে ক্লোরিন, এই রাসায়নিকটি চুলের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। চুলের ক্ষতি এড়াতে সুমিং পুলে যাওয়ার আগে চুলে লাগান নারকেল তেল বা কন্ডিশনার। সুমিং ক্যাপও পরে নিন। তাতে জলে থাকা রাসায়নিক চুলের ক্ষতি করতে পারবে না। সুমিং সেরে কখনওই শ্যাম্পু করা উচিত নয়। তবে জল দিয়ে চুল ভালো করে পরিষ্কার করে নিন।

২. তৈলাক্ত চুল হলে কন্ডিশনার ব্যবহার করা উচিত নয়। তাতে চুলের তৈলাক্ত ভাব আরও বেড়ে যেতে পারে। প্রয়োজনে ওয়াটার বেসড্ কন্ডিশনার ব্যবহার করতে পারেন। তা চুলকে রোদের তাপ থেকেও রক্ষা করবে আবার তেলতেলে ভাবও কমাবে।

৩. গরমের সময় চুলের আদ্রতা হারিয়ে যেতে শুরু করে। তার ফলে চুল রুক্ষ ও শুষ্ক দেখায়। এর থেকে বাঁচতে ব্যবহার করুন হেয়ার সিরাম। সিরাম লাগানোর পর চুল ভালো করে আঁচড়ে নিতে হবে। একইভাবে হেড বাথ নেওয়ার আগে চুলে তেল দেওয়া প্রয়োজন। তেল সামান্য গরম করেও লাগাতে পারেন।

৪. গরমে ও ঘামে চুলের যে চিপচিপে ভাব দেখা দেয়, তা দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন ড্রাই শ্যাম্পু। ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহারে চুলে পাবেন ঝলমলে ভাব।

৫. গরমকালে চুলের সুস্বাস্থ্য ও উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে ব্যবহার করতে পারেন ডিমের সাদা অংশ ও লেবুর রসের মিশ্রণ। মিশ্রণটি চুলে লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। তারপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চুল মখমলের মতো রেশমি হয়ে যাবে।

গরমের বড় বিপদ হিটস্ট্রোক

DR5

শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বেড়ে গেলে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট। এটি বাড়তে বাড়তে ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পেরিয়ে গেলেই হিটস্ট্রোক হতে পারে। এটি একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি। দ্রুত চিকিৎসা না দিলে রোগীর মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে।
হিটস্ট্রোকের প্রধান কারণ পানিশূন্যতা। হিটস্ট্রোকের লক্ষণগুলো হলো: মাথা ঝিমঝিম করা, বমি, অবসাদ ও দুর্বলতা, মাথাব্যথা, মাংসপেশির খিঁচুনি, চোখে ঝাপসা দেখা ইত্যাদি। হিটস্ট্রোকের রোগীর ত্বকে ঘাম থাকে না, ত্বক খসখসে, শুষ্ক ও লাল দেখায়, পাশাপাশি হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়। শ্বাসকষ্টও হতে পারে। ছোট শিশু, বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তি, দিনমজুরদের হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি।
প্রাথমিক চিকিৎসা
প্রচণ্ড গরমে বাইরে কেউ হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত বলে সন্দেহ হলে প্রথমেই তাকে দ্রুত ছায়ায় বা শীতল জায়গায় নিয়ে যান। পরনের ভারী জামাকাপড় খুলে দিন। গায়ে ঠান্ডা পানি ঢালুন বা স্পঞ্জ করে দিন। বগল ও ঊরুর ভাঁজে বরফ বা ঠান্ডা পানিতে ভেজানো কাপড় দিন। থার্মোমিটার দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা মেপে দেখুন এবং ১০১-১০২ ডিগ্রি ফারেনহাইটে নেমে আসার আগ পর্যন্ত প্রাথমিক চিকিৎসার পর যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান।
প্রতিরোধে করণীয়
* পানিশূন্যতা যেন না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখুন, গরমে ও রোদে প্রচুর পরিমাণ পানি, ডাবের পানি, স্যালাইন খান। বিদ্যালয়ে বা খেলার মাঠে শিশুদের দিকে খেয়াল রাখুন ও পর্যাপ্ত পানি তাদের সঙ্গে দিন।
* দুপুরের প্রচণ্ড রোদে ভারী কাজ বা শারীরিক ব্যায়াম করবেন না। প্রয়োজন ছাড়া বাইরেও যাবেন না।
* গরমে বাইরে বেরোলে সাদা বা হালকা রঙের কাপড় পরুন। ছাতা ব্যবহার করুন ও পানি সঙ্গে নিন।
অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ
ডিন, মেডিসিন অনুষদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
স্বাস্থ্যবটিকা ® ব্রোন স্মিথ
মাছের তেল খেলে কি রক্তচাপ কমে?
মাছ এবং মাছের তেলে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এটি রক্তচাপ কমায় এবং হৃদ্যন্ত্রের জন্য উপকারী। একাধিক গবেষণায় দেখা যায়, মাছের তেল মানুষের রক্তচাপ ১০ মাত্রা পর্যন্ত কমাতে পারে।
‘স্বাস্থ্যবটিকা’র লক্ষ্য রোগনির্ণয় গোছের কিছু নয়
প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: জ্বর হলে কি পানি বেশি পান করা উচিত?
উত্তর: জ্বর হলে শরীরের তাপমাত্রা বেশি থাকার ফলে ত্বক পানি হারায়। এতে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই জ্বর হলে বেশি করে পানি পান করা ভালো।
ডা. আ ফ ম হেলালউদ্দিন
মেডিসিন বিভাগ, স্যার সলিমুল্লাহ
মেডিকেল কলেজ

প্রেম করছেন কারিশমা!

VBYU

কারিশমা কাপুর বলিউড ছাড়লেও সংবাদমাধ্যম তাঁর পিছু নেওয়া আজও ছাড়েনি। মাঝে বেশ কিছুদিন বিবাহবিচ্ছেদের বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের নজরদারিতে ছিলেন কারিশমা। আর এবার ভিন্ন এক বিষয়ে তাঁর পিছু নিয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলো। প্রেম করছেন কারিশমা কাপুর!
এ সপ্তাহের শুরুর দিকে সাইফ আলী খানের সঙ্গে ব্যাংকক গিয়েছেন কারিনা কাপুর খান। সেখানে সাইফের ছবির শুটিং রয়েছে। শুটিংয়ের কাজের ফাঁকে সাইফের সঙ্গে খানিকটা অবকাশযাপনের সুযোগ করে নিতে কারিনা যেতেই পারেন সঙ্গী হয়ে। কিন্তু কারিশমা?
এ সফরে কারিশমা কাপুরও সঙ্গী হয়েছেন একই বিমানে। পাশাপাশি যে খবরটি জেনে সবার ভ্রু খানিকটা ওপরে উঠেছে, তা হলো একই বিমানে চেপে ব্যাংকক গিয়েছেন কারিশমার কথিত ‘বন্ধু’ (সংবাদমাধ্যমে লেখা হয়েছে, গোপন প্রেমিক) সন্দীপ তসনিওয়ালও। এই সন্দীপ আর কারিশমার সম্পর্কটি নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই বলিউডে কানাঘুষা চলছে। গুরুত্বপূর্ণ এই তথ্য প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
সংবাদমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, সন্দীপের ৩৭তম জন্মদিন সামনেই। কাজেই অনেকে এটুকু শুনে বলে উঠতেই পারেন, ওহো, এবার বুঝেছি।
এই খবরের সঙ্গে যখন বিমানবন্দরে কারিশমা, কারিনা, সাইফ আর সন্দীপের বিমানে ওঠার লুকোচুরির বিষয়টি ধরে ফেলেন সেখানে উপস্থিত পাপারাজ্জিরা, তখন দুইয়ে দুইয়ে চার মিলিয়ে নেওয়াটা বেশ সহজই হয়ে যায়।

বিমানবন্দরে প্রথমে কারিনা ও কারিশমা বিমানে ওঠার জন্য একসঙ্গে ঢোকেন। এরপর আলাদাভাবে যান সাইফ। তৃতীয় একটি গাড়িতে বাইরে অপেক্ষা করছিলেন সন্দীপ। সবাই যাওয়ার পর নজরদারি এড়িয়ে কোনো এক ফাঁকে সন্দীপও উঠে পড়েন বিমানে। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এই চারজনের একত্রে ব্যাংকক সফরের একটি উদ্দেশ্য অন্তত এই যে তাঁরা সবাই মিলে ব্যাংককে সন্দীপের জন্মদিনটি উদ্‌যাপন করবেন।
যা হোক, গুঞ্জন কিংবা কানাঘুষা যেটাই হোক না কেন, সাইফ-কারিনা জুটির পাশাপাশি কারিশমা-সন্দীপের জন্যও যে এবারের এই ব্যাংকক সফর আনন্দময় হবে, তা বলাই বাহুল্য।

হৃতিকের সঙ্গে সন্ধি চাইছেন কঙ্গনা!

WE5

বিবাদ যখন চরমে, আলোচনার ঝড়-ছবি ফাঁস, যখন একে একে সংবাদমাধ্যমে উঠে আসছে হৃতিকের সঙ্গে তাঁর প্রেমের নানা গোপন খুঁটিনাটি, ঠিক সেই সময়ে কঙ্গনা রনৌত জানালেন, হৃতিকের সঙ্গে এই বিবাদে সন্ধি চাইছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার কঙ্গনা রনৌত জানিয়েছেন, হৃতিকের সঙ্গে তাঁর চলমান বিবাদ-বিষয়ক আর কোনো বিবৃতি দেবেন না তিনি। কঙ্গনা আরও জানিয়েছেন, দুজনের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন এই বিবাদ মেটানো, মিটমাট বা আপস-রফার ক্ষেত্রে উদ্যোগ নিয়েছেন। অর্থাৎ হৃতিকের সঙ্গে এই বিবাদ আর বাড়াতে চান না তিনি। সে ক্ষেত্রে একধরনের সন্ধিই চাইছেন কঙ্গনা।
এক বিবৃতিতে কঙ্গনা উল্লেখ করেছেন, ‘যেকোনোভাবেই হোক সবাইকে এটা জানাতে চাই যে আমাদের দুজনের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন মানুষ এরই মধ্যে আমাদের (হৃতিক-কঙ্গনা) মধ্যকার চলমান এই বিবাদ নিষ্পত্তির ব্যাপারে কাজ করছেন। সংবাদমাধ্যমের কাছে এই বিবাদ-বিষয়ক আর কোনো বিবৃতি আমরা ভবিষ্যতে দেব না।’
অবশ্য সম্প্রতি হৃতিক-কঙ্গনার ফাঁস হওয়া ছবি প্রসঙ্গে হৃতিক পক্ষকে একহাত নিয়েছেন কঙ্গনার আইনজীবী রিজওয়ান সিদ্দিক। তিনি বলেছেন, ‘ছবি ফটোশপ করা বলতে কী বুঝিয়েছেন তাঁরা? ছবির মানুষটি কি কঙ্গনা বা হৃতিক নন!’
দিন কয়েক আগে ২০১০ সালের এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হৃতিক-কঙ্গনার অন্তরঙ্গ একটি ছবি সংবাদমাধ্যমে তোলপাড় তুলেছিল। এই ছবির বিষয়টিকে নিয়ে রিজওয়ান আরও জানিয়েছেন, হৃতিক যে জানিয়েছেন তিনি কঙ্গনার সঙ্গে সামাজিকভাবে কোনোভাবেই সম্পর্কিত ছিলেন না। এই ছবি সেটা মিথ্যা প্রমাণ করেছে।
যা হোক, সর্বশেষ যে পরিস্থিতি তাতে বোঝা যাচ্ছে বিষয়টাকে আর জটিল না করে কঙ্গনা চাইছেন দ্রুত এর নিষ্পত্তি করতে। পিটিআই।

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামের ভূমিকা

R

ইসলাম মানবতার ধর্ম। মানবজাতির মধ্যে প্রচলিত সব ধরনের অন্যায়-অনাচার, অনিয়ম, হিংসা-বিদ্বেষ, সংঘাত ও রক্তপাত বন্ধের জন্য এবং মানবজাতির মধ্যে শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য পৃথিবীতে ইসলামের আবির্ভাব হয়েছে। পৃথিবীতে মানবজাতির আগমনের পর থেকে বিভিন্ন সময় তারা এক সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ পাককে ভুলে নানা প্রকার অন্যায় কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ে। মানবজাতির মধ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যুগে যুগে পথভ্রষ্ট জাতির মধ্যে আল্লাহর প্রেরিত পুরুষ বা নবী-রাসুলগণ আগমন করেন।

সর্বশেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় যেসব দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, তা মানবজাতির জন্য অনুকরণীয়। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এমন একটি সময় আরব ভূমিতে আগমন করেছিলেন, যখন সেখানে কোনো আইনের শাসন ছিল না এবং অজ্ঞতা, বর্বরতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ছিল নিত্যমৈত্তিক ব্যাপার। সমাজে নারীদের অবস্থা আরো খারাপ ছিল। দারিদ্র্যের ভয়ে কন্যা সন্তানকে তারা জীবন্ত কবর দিত। আরবের এমন অজ্ঞতা ও অন্ধকার যুগে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ইসলামের মহান বাণী প্রচার করেন এবং আরব ভূমির সব নিপীড়িত মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় আত্মনিয়োগ করেন।

মানবাধিকার সম্পর্কিত কয়েকটি আয়াত

► নরহত্যা অথবা পৃথিবীতে ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপের অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি ব্যতিরেকে কেউ কাউকে হত্যা করলে সে যেন পৃথিবীর মানবগোষ্ঠীকে হত্যা করল। (সুরা মায়েদা : ৩২)

► তোমরা পরস্পরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস কোরো না। (সুরা বাকারা : ১২৮)

► তোমরা যখন মানুষের মধ্যে বিচারকার্য করবে তখন ন্যায়পরায়ণতার সঙ্গে করবে। (সুরা নিসা : ৫৮)

► নারীদের তেমনি ন্যায়সংগত অধিকার আছে, যেমনি আছে তাদের পুরুষদের। (সুরা বাকারা : ২২৮)

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সা.)

মহানবী (সা.) তাঁর জীবনে কয়েকটি কর্মের মাধ্যমে জাতি, ধর্মবর্ণনির্বিশেষে সবার ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় যে সফলতার পরিচয় দিয়েছেন, তার কোনো তুলনা হয় না। এ-সংক্রান্ত কয়েকটি দৃষ্টান্ত তুলে ধরা হলো।

হিলফুল ফুযুল : জাহেলি যুগের রক্তপাত, অন্যায় ও অনাচার বালক মুহাম্মদ (সা.)-এর মনে গভীর রেখাপাত করে। তিনি সমাজের সব অন্যায়, অবিচার ও নির্যাতন বন্ধের উপায় খুঁজে বের করার জন্য সর্বদা চিন্তায় মগ্ন থাকতেন। অবশেষে তাঁর মনে একটি অভিনব চিন্তার উদয় হলো। ৫৯৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি সমমনা নিঃস্বার্থ কিছু উৎসাহী যুবক ও পিতৃব্য যুবাইরকে নিয়ে একটি শান্তিসঙ্ঘ গঠন করেন। এ সংগঠন ‘হিলফুল ফুজুল’ নামে পরিচিত। এ সংগঠন সমাজের সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। এর কর্মসূচিগুলো ছিল নিম্নরূপ—দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা; বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে সদ্ভাব ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধ করা; অত্যাচারিতকে অত্যাচারীর হাত থেকে রক্ষা করা; দুর্বল, অসহায় ও এতিমদের সাহায্য করা; বিদেশি বণিকদের জান ও মালের নিরাপত্তা বিধান করা—সর্বোপরি সব ধরনের অন্যায় ও অবিচার অবসানের চেষ্টা করা।

মদিনা সনদ : মহানবী (সা.) ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করলে সেখানকার অধিবাসীরা তাঁকে মদিনা প্রজাতন্ত্রের সভাপতি নির্বাচিত করেন। মদিনায় তখন মুসলমান, ইহুদি, খ্রিস্টান, পৌত্তলিকসহ অসংখ্য সম্প্রদায় ও গোত্রের লোক বাস করত। এসব জাতি ও সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তি, সম্প্রীতি ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি মদিনা সনদ নামে একটি সংবিধান প্রণয়ন করেন। এ সনদের প্রতিটি ধারায় মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার গ্যারান্টি ছিল। এর উল্লেখযোগ্য ধারাগুলো হচ্ছে—

► মদিনা সনদে স্বাক্ষরকারী মুসলমান, ইহুদি, খ্রিস্টান, পৌত্তলিকসহ সব সম্প্রদায় একটি সাধারণ জাতি গঠন করবে এবং সব সম্প্রদায় সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করবে।

► হজরত মুহাম্মদ (সা.) নবগঠিত মদিনা প্রজাতন্ত্রের সভাপতি হবেন এবং পদাধিকারবলে তিনি মদিনার সর্বোচ্চ বিচারালয়ের প্রধান কর্তা হবেন।

► এ সনদে স্বাক্ষরকারী কোনো সম্প্রদায় শত্রুর দ্বারা আক্রান্ত হলে সমবেত শক্তি দিয়ে তা প্রতিহত করা হবে।

► প্রত্যেকের পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা থাকবে। মুসলমান ও অমুসলমান সম্প্রদায় নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে। কেউ কারো ধর্মে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।

► সনদে স্বাক্ষরকারী সম্প্রদায়ের কোনো ব্যক্তি অপরাধ করলে তা ব্যক্তিগত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। এ জন্য তাঁর সম্প্রদায়কে দায়ী করা যাবে না।

► মদিনা নগরী আক্রান্ত হলে দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য সবাই যুদ্ধ করবে এবং প্রত্যেক সম্প্রদায় নিজ নিজ ব্যয়ভার বহন করবে।

► মদিনা নগরীকে পবিত্র বলে ঘোষণা করা হলো এবং এখানে রক্তপাত, হত্যা, বলাত্কার ও অপরাধমূলক কাজ নিষিদ্ধ করা হলো।

► দুর্বল ও অসহায়কে সাহায্য ও রক্ষা করতে হবে।

► অপরাধীকে উপযুক্ত শাস্তি ভোগ করতে হবে এবং সব ধরনের পাপী ও অপরাধীকে ঘৃণার চোখে দেখতে হবে।

► নিজেদের মধ্যে অন্তর্বিরোধ দেখা দিলে হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর বিধান অনুযায়ী তা মীমাংসা করে দেবেন।

বিদায় হজের ভাষণ : মহানবী (সা.)-এর ইন্তেকালের আগে তিনি সর্বশেষ যে হজ পালন করেন (৬৩২ খ্রিস্টাব্দে) সেটি বিদায় হজ নামে পরিচিত। এ হজের সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে আরাফাতের পাহাড়ের ওপর দাঁড়িয়ে সমবেত মুসলমানদের উদ্দেশে তিনি একটি ভাষণ দিয়েছিলেন। এ ভাষণ মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে বিবেচিত। মহানবী (সা.)-এর এ ঐতিহাসিক ভাষণের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বাণী তুলে ধরা হলো—

► হে ভক্তগণ, তোমাদের সহধর্মিণীদের ওপর তোমাদের যেরূপ অধিকার রয়েছে, তোমাদের ওপরও তাদের অধিকার তদ্রূপ। আল্লাহকে সাক্ষী রেখে তোমরা তাদের গ্রহণ করেছ এবং তাঁর আদেশমতো তাদের তোমাদের জন্য বৈধ করে নিয়েছ। তাদের প্রতি সদয় ব্যবহার করবে।

► সর্বদা অন্যের আমানত হেফাজত করবে ও পাপকার্য এড়িয়ে চলবে।

► আইয়ামে জাহেলিয়া যুগ বা কুসংস্কারাচ্ছন্ন আরব জাতির ‘রক্তের বদলে রক্ত’নীতি এখন থেকে নিষিদ্ধ হলো।

► আইয়ামে জাহেলিয়াতের কুসিদপ্রথা বা সুদ নেওয়া রহিত হলো।

► দাস-দাসিদের সঙ্গে তোমরা হূদ্যতাপূর্ণ ব্যবহার করবে। তাদের নির্যাতন করার কোনো অধিকার তোমাদের নেই। তোমরা যা আহার করো, যে বস্ত্র পরিধান করো, তাদেরও অনুরূপ খাদ্য ও বস্ত্র দান করবে। তারা যদি ক্ষমার অযোগ্য কোনো ব্যবহার করে, তা হলেও তাদের মুক্তি দান করবে। স্মরণ রেখো, তারাও আল্লাহর সৃষ্ট ও তোমাদের মতো।

► হুঁশিয়ার, তোমরা আল্লাহর সঙ্গে কাউকেও অংশীদার করবে না, অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করবে না এবং কখনো ব্যভিচারে লিপ্ত হবে না।

► হে মানুষগণ, আমার বাণী মনোযোগসহকারে অনুধাবন করতে চেষ্টা করো। স্মরণ রেখো, সব মুসলমান পরস্পরের ভাই ভাই এবং তোমরা একই ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ। সমগ্র দুনিয়ার সব মুসলিম একই অবিচ্ছেদ্য ভ্রাতৃসমাজ। অনুমতি বাদে কেউ কারো কোনো কিছু জোর করে কেড়ে নিতে পারবে না।

► স্মরণ রেখো, বাসভূমি ও বর্ণনির্বিশেষে প্রত্যেক মুসলমান সমপর্যায়ভুক্ত। আজ থেকে বংশগত কৌলীন্যপ্রথা বিলু্প্ত হলো। সে-ই তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে কুলীন, যে স্বীয় কাজের দ্বারা শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করবে।

► সাবধান! ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি কোরো না। এ বাড়াবাড়ির ফলে অতীতে বহু জাতি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে।

► হুঁশিয়ার! নেতৃত্বের আদেশ কখনো লঙ্ঘন কোরো না। যদি কোনো ক্রীতদাসকেও তোমাদের আমির করে দেওয়া হয় এবং সে যদি আল্লাহর কিতাব অনুসারে তোমাদের চালনা করে, তবে অবনত মস্তকে তার আদেশ মেনে চলবে।

কুসংস্কার দূরীকরণ ও শিশুর মর্যাদা

প্রতিষ্ঠা : ইসলামের আবির্ভাবের আগে আরবে দারিদ্র্য ও লজ্জার ভয়ে শিশু কন্যা হত্যার প্রচলন ছিল। মুহাম্মদ (সা.) শিশু কন্যা হত্যার এ জঘন্য প্রথা বন্ধ করেন। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তোমরা দারিদ্র্যের ভয়ে তোমাদের শিশুদের হত্যা কোরো না।’ তিনি নারীদের সামাজিক মর্যাদা দানের জন্য কন্যা সন্তানের জন্মকে অভিশাপ হিসেবে না দেখার জন্য আরববাসীর উদ্দেশে বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম, যার প্রথম সন্তান মেয়ে।’ আজকের শিশু আগামী দিনের দেশ গঠনের সুনাগরিক। তিনি সব শিশুকে উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

আধুনিক যুগে মানবাধিকার : পাশ্চাত্য সভ্যতায় মানবাধিকারের ধারণাটি প্রথম জন্ম হয় ১৮ শতকের মাঝামাঝি সময়ে। এর ফলে ১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দে ফ্রান্সে সর্বপ্রথম ঘোষিত হয় Declaration of the People’s Right এবং ১৭৯১ খ্রিস্টাব্দে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে সংযোজিত হয় The Bill of Rights. এর পর থেকে মানবাধিকারের ধারণাটি সমগ্র পাশ্চাত্য দেশে বিকশিত হয় এবং ধীরে ধীরে তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মানবাধিকার প্রসঙ্গটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপকভাবে আলোচিত হতে থাকে। এর ফলে ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ কর্তৃক ৩০টি ধারাসংবলিত সর্বজনীন মানবাধিকার সনদ ঘোষিত হয়। এ ঘোষণায় বিশ্ববাসীর মৌলিক অধিকারগুলো নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। জাতিসংঘের মানবাধিকার সনদটি কোনো রাষ্ট্রের ওপর বাধ্যতামূলক করা না হলেও ক্রমান্বয়ে তা বিভিন্ন দেশে অনুসৃত হতে থাকে। আজ পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই গঠিত হয়েছে মানবাধিকার কমিশন। এসব কমিশন নিজ নিজ দেশে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছে। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি আজ সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। কিন্তু মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা যেন ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পৃথিবীর সর্বত্র ক্রমাগত ঘটেই চলছে। আজকের আধুনিক সভ্য যুগে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে বিভিন্ন দেশের সরকারকে যেখানে হিমশিম খেতে হচ্ছে, সেখানে মহানবী (সা.) অজ্ঞতা ও অন্ধকার যুগে কলুষিত সমাজে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় শতভাগ সফল হয়েছিলেন।

মুসলমানরা উত্তর আফ্রিকায় সাম্রাজ্য বিস্তার করলে সেখানকার বারবার জাতির মতো দুর্ধর্ষ ও হিংস্র জাতির মধ্যেও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন। ৭১১ খ্রিস্টাব্দে মুসলমানরা স্পেন বিজয় করলে ইউরোপ ভূখণ্ডে প্রতিষ্ঠিত সামন্ত রাজাদের দুঃশাসন ও অত্যাচারের হাত থেকে সেখানকার সাধারণ মানুষ মুক্ত হয়। তারা ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে এসে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে।

এ ছাড়া মধ্য এশিয়া ও ভারতীয় উপমহাদেশের বিশৃঙ্খল রাজনৈতিক অবস্থা, ধর্মীয় গোঁড়ামি, বর্ণবাদ ও কুসংস্কার দূরীকরণেও ইসলামের ভূমিকা অপরিসীম। অর্থাৎ ইসলাম ধর্ম যখন যেখানে বিস্তৃত হয়েছে, সেখানেই সব অনাচার, কুসংস্কার, বৈষম্য ইত্যাদি দূরীভূত হয়েছে এবং মানুষ তাঁর ন্যায্য অধিকার ভোগ করেছে। ইসলামই মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি সফলতা লাভ করেছে। আজও ইসলামী রীতিনীতি অনুসরণ ও পালনের মাধ্যমেই পৃথিবীর বুকে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ,সরকারি বাঙ্লা কলেজ, ঢাকা

নভ্য নাভেলিকে নিয়ে জয়া-ঐশ্বর্যর মধ্যে অশান্তি চরমে?

FCTDR5

বলিউডে বচ্চন পরিবার বলতেই মানুষের মনে একনজরে ঝলসে ওঠে অমিতাভ বচ্চন ও তাঁর পরিবারের ছবি। সেই পরিবারের সদস্য তালিকায় রয়েছেন যেমন বিগ বি-র জায়া জয়া বচ্চন। তেমনই এই প্রজন্মে নজর দিলেও চলে আসে ঐশ্বর্য-অভিষেক-এর মুখ। তবে ইদানিং চর্চায় রয়েছে বিগ বি-র বড় নাতনি, মেয়ে শ্বেতার কন্যা নভ্য নাভেলিও।

সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন সময় সে তার যৌন উত্তেজক ছবি পোস্ট করে। কখনও আবার বাথরুম সেলফি বা বন্ধুদের সঙ্গে উদ্দাম পার্টির ছবিও পোস্ট করে থাকে। তবে সম্প্রতি নকল বক্ষ যুগল লাগিয়ে সেছবিও পোস্ট করে নভ্য। যা নিমেষে ভাইরালও হয় যায়।

এই ধরনের ছবিতেই আপত্তি দিদা জয়ার। তাঁদের পরিবারের ঐতিহ্যের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া যায় না এই ধরনের উত্তেজক কর্মকাণ্ডকে। সেপ্রসঙ্গে নাতনিকে একটু বকাবকিও করেন দিদা। শোনা যাচ্ছে তাতেই আপত্তি তুলেছেন জুনিয়র বচ্চনের বউ অ্যাশ। তাঁর দাবি নভ্যকে কেয়ার-ফ্রি জীবনযাপন করতে দেওয়াই উচিত্। পরিবারের ঐতিহ্যের দোহাই দিয়ে কখনওই তাকে আটকে দেওয়া উচিত্ নয়। সেখান থেকেই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত। শোনা যায় ননদের থেকে তাঁর মেয়ের সঙ্গেই বেশি ঘনিষ্ঠ অ্যাশ। তবে নভ্যর জন্যে বচ্চন বাড়ির অন্দরে শাশুড়ি-বউয়ের এই ঝগড়া কী আদও থামাতে পারবেন বিগ বি?

– সূত্র : এবিপি

সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে আয়নাবাজি

u

বিজ্ঞাপন নির্মাতা অমিতাভ রেজার প্রথম চলচ্চিত্র আয়নাবাজি সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে। বুধবার অমিতাভ রেজা এই খবর জানান। এই চলচ্চিত্রে প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী ও উপস্থাপিকা মাসুমা রহমান নাবিলা।

সিনেমাটির মূল কাহিনী ও ভাবনা গাউসুল আলম শাওনের। চিত্রনাট্য লিখেছেন অনম বিশ্বাস ও গাউসুল আলম শাওন। আয়নাবাজিতে আরও অভিনয় করছেন লুত্ফর রহমান জর্জ, শওকত ওসমান, গাউসুল আলম শাওন, এজাজ বারী প্রমুখ।

কনটেন্ট ম্যাটার লিমিটেড প্রযোজিত এবং হাফ স্টপ ডাউন লিমিটেড নিবেদিত আয়নাবাজির নির্বাহী প্রযোজক এশা ইউসুফ। গানগুলো তৈরি করেছেন ফুয়াদ, অর্ণব, হাবিব ও চিরকুট ব্যান্ডের সদস্যরা।

‘সর্বজিৎ’-এ ঐশ্বরিয়ার কিছু দৃশ্য মনে করিয়ে দেবে ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’-র সালমানকে –

রর

চিত্রনাট্য থেকে বাদ দিলেও, ‘সর্বজিৎ’ ছবির কিছু দৃশ্য দেখলে দর্শকের সালমান খান অভিনীত ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’-র কথা মনে পরতে বাধ্য। ছবির বেশ কিছু দৃশ্যে পায়রা হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাবে ঐশ্বর্যকে। যা চোখ বুজলে ১৯৮৯ সালের ব্লকবাস্টার হিট ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’-র ‘কবুতর যা যা যা’ গানটির দৃশ্য মনে করিয়ে দেবে দর্শকদের, দাবি নির্মাতাদের।

উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই সংবাদমাধ্যমে একটি খবর করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, বাস্তবে সর্বজিৎ সিংহকে পাকিস্তানের জেল থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনার বিষয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলিউড অভিনেতা সলমন খান। কিন্তু তাঁকে ছবির চিত্রনাট্য থেকে পরিকল্পিতভাবেই বাদ দিয়েছেন ছবির অন্যতম মুখ্য চরিত্র ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। এনিয়ে কম জল্পনাও হয়নি।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার ছবির নির্মাতারা ‘সর্বজিৎ’-এর বেশ কিছু নতুন দৃশ্য প্রকাশ করেন। প্রতিটি দৃশ্যেই ছবিতে ‘সর্বজিৎ’-এর বোনের ভূমিকায় অভিনয় করা ঐশ্বর্য অর্থাৎ দলবীর কৌরকে অসাধারণ লেগেছে। সেখানেই পায়রা হাতে একটি দৃশ্য দেখলেও এক নিমেষে নস্টালজিক হবেনই দর্শকরা। এই মিল থেকে একটাই প্রশ্ন সামনে এনে দেয়, দুই প্রাক্তন প্রেমিক-প্রেমিকা কী দূরত্ব বজায় রেখেও এখনও পর্যন্ত একে অপরকে সম্পূর্ণ মুছে দিতে পারেন না?

– সূত্র : এবিপি

বিজ্ঞাপনে শাহরুখের নায়িকা গৌরী! (ভিডিও)

ট৬াত

ঠিক ক’জন নায়িকার সঙ্গে অভিনয় করেছেন শাহরুখ খান? তালিকায় কে নেই, সেটা বলা সম্ভবত সহজ। জানেন, স্ত্রী গৌরীর সঙ্গেও তিনি অভিনয় করেছিলেন? নায়ক-নায়িকার ভূমিকায়? প্রচুর বিতর্ক, প্রচুর জল্পনা। তা-ও একদিনের জন্য তাঁদের সম্পর্কে চিড় ধরেনি।

শাহরুখ ও গৌরী খান নিঃসন্দেহে বলিউডের আদর্শ কাপল। আজ বলিউডে যখন একের পর এক ব্রেক-আপ চতুর্দিকে, তখন এই দুজন অনায়াসে হয়ে উঠতে পারেন সকলের আদর্শ। গত শতকের ৯০-এর দশকে এই দুজনকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল পর্দায়। মনে আছে সেই সাবানের বিজ্ঞাপন? যারা দেখেছিলেন, তাদের জন্য আরও একবার রইল সেই ভিডিও। যারা দেখেননি, তারা দেখে নিন।

ওবামার নিমন্ত্রণ রাখছেন প্রিয়াঙ্কা

yuata

আমেরিকান টিভি সিরিজ কোয়ান্টিকোতে দারুণ অভিনয় ও অস্কার মঞ্চে উঠে পশ্চিমাদের মুগ্ধ করেছেন ভারতীয় অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। কিছুদিন আগে খবরের শিরোনামে এসেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে নৈশভোজ করবেন তিনি। এ আয়োজনে প্রিয়াঙ্কার অংশ নেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত ছিল না। এবার কেটেছে সে সংশয়। বুধবার আমজাদ নামে একজন টুইটারে প্রিয়াঙ্কার কাছে জানতে চান আগামী ৩০ এপ্রিল তিনি হোয়াইট হাউসে যাচ্ছেন কি-না? উত্তরে ৩৩ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী লিখেছেন, হ্যা, আমি যাবো।

এটাই হোয়াইট হাউসের প্রতিনিধিদের সম্মানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা আয়োজিত শেষ নৈশভোজ অনুষ্ঠান। এখানে প্রিয়াঙ্কার পাশাপাশি অংশ নেবেন হলিউড অভিনেতা ব্র্যাডলি কুপার, অভিনেত্রী জেন ফন্ডা, লুসি লিউ ও গায়ক গ্লাডিস নাইট।

হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক এই নৈশভোজ মূলত আয়োজন করা হয় সাংবাদিকতায় দৃষ্টান্তমূলক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বৃত্তি প্রদানের জন্য তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্যে। এখানে প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডির পাশাপাশি থাকবেন সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা ও সংবাদ সংস্থার সদস্যরা।

সলের গোলে বায়ার্নকে হারাল আতলেতিকো

্রিওটিপ্র

ছেলেবেলা থেকে আতলেতিকো মাদ্রিদের ফ্যান। বেড়ে উঠেছেন এই ক্লাবেরই সাথে। স্পেনের বয়সভিত্তিক দলে খেলতে খেলতে এখন ২১ এ পা। আর এই সল নিগুয়েজই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে জিতিয়ে দিলেন আতলেতিকোকে। দারুণ ড্রিবলিং ও অসাধারণ ফিনিশিংয়ে লক্ষ্যভেদ করেছেন সল। তাতে গেল রাতে পেপ গার্দিওলার বায়ার্ন মিউনিখকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে এক পা দিয়ে রাখল আতলেতিকো।

গার্দিওলা বার্সেলোনার কোচ থাকতে অনেকবার সামলেছেন আতলেতিকোকে। তবে দিয়েগো সিমিওনের কোচিংয়ে এখন দলটি ভিন্ন রূপ নিয়েছে। গত দুই মৌসুমে জার্মান ক্লাব বায়ার্ন স্পেনের রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার কাছে সেমিফাইনালে হেরে বিদায় নেয়। এবারও সেই শঙ্কা চেপে ধরল। যদিও নিজেদের মাঠ আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় দ্বিতীয় লেগে ফিরে আসার সুযোগ থাকবে।

মাদ্রিদের ভিসেন্তে কালদেরনে ৫৩ হাজার নিজেদের সমর্থকের সামনে ১১ মিনিটে লিড নিয়ে নেয় আতলেতিকো। ওটাই তাদের তিন বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বার ফাইনালে খেলার স্বপ্ন দেখাচ্ছে। মাঝমাঠে থিয়াগো আলকান্তারার কাছ থেকে বল নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকেন সল। সামনে হুয়ান বার্নেট ও জাবি আলনসোর চ্যালেঞ্জ সামলান। ঢুকে পড়েন পেনাল্টি এরিয়ায়। সেখান থেকে ঠাণ্ডা মাথায় বাঁ পায়ের শটে ম্যানুয়েল নুয়ারকে পরাস্ত করেন।

বায়ার্ন এর পরই জবাব দিচ্ছিল। আরতুরো ভিদালের হেডে পাঠানো বল বাঁচিয়েছেন সেন্টার ব্যাক হোসে গিমিনেজ। দগলাস কস্তার ফ্রি কিকে বল গিয়ে নেটের পাশে জড়ায়। বিরতির আগেই অবশ্য ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারতো আতলেতিকো। আন্তোইন গ্রিজমানের চেষ্টাটা নুয়ারের বাঁ পায়ে লেগে নষ্ট হয়েছে।

৫৪ মিনিটে ডাভিদ আলাবা সলের মতো একক চেষ্টার গোল করে ফেলেছিলেন প্রায়! তার ৩৫ গজ দূর থেকে নেওয়া শট বারে হাওয়া দিয়ে যায়। ৬৪ মিনিটে স্ট্রাইকার রবার্ট লেভানদোস্কির চেষ্টাও বিফলে গেল। ফ্রাঙ্ক রিবেরি ও থমাস মুলার নেমেছেন পরে। কিন্তু বড় সুযোগটা পেয়েছিল আতলেতিকো। গ্রিজমানের দেওয়া বলে শট নিয়েছিলেন ফার্নান্দো তরেস। কিন্তু বল গিয়ে লেগেছে পোস্টে। তাতেও ক্ষতি হয়নি আতলেতিকোর। সলের গোলই ইউরোপ সেরা ক্লাব শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ের ফাইনালের দিকে এক ধাপ এগিয়ে দিয়েছে দলকে।

লিগে সেঞ্চুরি করলেন মুশফিক

s65d

আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি মিস করেছেন। আউট হয়েছিলেন ৭২ রানে। কিন্তু এবার সুযোগ হারালেন না মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক এবারের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে দ্বিতীয় ম্যাচেই সেঞ্চুরি তুলে নিলেন। মোহামেডানের অধিনায়ক অবশ্য ১০৪ রান করেই আউট হয়ে গেছেন। গত বছরের নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করেছিলেন। এরপর আবার তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারের দেখা পেলেন ঘরোয়া লিগে।

বিকেএসপিতে মোহামেডান খেলছে ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে। টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামে মুশফিকের দল। ৩৫ রানে ২ উইকেট হারানোর পর মুশফিক নামেন। এরপর ৬২ রানে ৪ উইকেট হারানো দল হয়ে যায় দল। একটু সময় নিয়ে হাত খুলেছেন মুশফিক। প্রথম বাউন্ডারির শটটি সোহরাওয়ার্দি শুভকে মারা তার ছক্কা। অভিজ্ঞ ও বর্ষীয়ান ফয়সাল হোসেন ডিকেন্সের (২৬) সাথে পঞ্চম উইকেটে ১০১ রানের জুটি গড়েছেন মুশফিক। জুটির বেশির ভাগ রানই তার।

৫৭ বলে ফিফটি করেছেন মুশফিক। ছিল ৪টি ছক্কা। এরপর ৭০ বলে ৭০ ও হলো। ওটা ২৯তম ওভারের কথা। কিন্তু তারপর থেকে সেঞ্চুরির জন্যই হয়তো শটে লাগাম দিলেন মুশফিক। সেঞ্চুরি করেছেন ৪৩তম ওভারে। মাঝের সময়টাতে কোনো চার ছয়ের মার নেই মুশফিকের। দারুণ সতর্ক ছিলেন তিনি। ১০৫ বলে সেঞ্চুরি করেছেন ৪টি চার ও ৫টি ছক্কায়। এরপর হয়তো রানের গতি বাড়াতে চেয়েছিলেন। কিন্তু লঙ্কান বাঁ হাতি স্পিনার চতুরঙ্গা ডি সিলভার বলে প্রতিপক্ষ অধিনায়ক নাদিফ চৌধুরীকে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন। শেষ হয়েছে ১০৮ বলে মুশফিকের ১০৪ রানের ইনিংস। ৪৪তম ওভারে মোহামেডানের রান তখন ৬ উইকেটে ১৮৮।

ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে ‘গজল সন্ধ্যা’

টাএ৬

২৯ এপ্রিল ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র আয়োজন করেছে ‘গজল সন্ধ্যা’। যেখানে গজল পরিবেশন করবেন মুস্তাফা জামান আব্বাসী ও তার মেয়ে সামিরা। সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে এই ‘গজল সন্ধ্যা’।

মুস্তাফা জামান আব্বাসী প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী ও লেখক। এছাড়া তিনি জাতীয় সঙ্গীত কমিটিতে ১১ বছর চেয়ারম্যান পদে দায়িত্বরত ছিলেন এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

অন্যদিকে, তার মেয়ে সামিরা সিকাগো’র ‘আব্বাস উদ্দিন মিউজিক একাডেমি’র প্রতিষ্ঠাতা। এছাড়া তিনি দেশ ও দেশের বাইরে প্রায় ২০০টি কনসার্টেও অংশগ্রহণ করেছেন

বাহুবলীকে মরণকামড় দিতে তৈরি হচ্ছেন ভাল্লালা দেবা!

র কটও

বাহুবলীর সামনে আরও বড় বিপদ আসতে চলেছে। যে বাহুবলীর পেশিশক্তিতে ভর করে দুষ্টের দমন হওয়ার কথা ছিল, তাঁকে হত্যা করেছেন কাটাপ্পা। কিন্তু…বাহুবলী ফিরে এসেছেন। প্রথম পর্ব মোক্ষম রহস্য রেখে শেষ হয়েছিল। কেন বাহুবলী-কে হত্যা করলেন কাটাপ্পা? সে প্রশ্নের উত্তর বাহুবলী ২-তে পাওয়া যাবে। কিন্তু এইটুকু বলে দেওয়াই যায়, ভাল্লালা দেবার উপর প্রতিশোধ নিতে এইবারে ঝাঁপিয়ে পড়বেন নতুন বাহুবলী। কিন্তু তাঁর এই কাজ কি সহজ হবে?

উত্তর, মোটেই না। বরং আরও কঠিন হতে চলেছে বাহুবলীর কাজ। ছবির সিকোয়েলে আরও ধূর্ত, নৃশংস হয়ে ফিরছেন ভাল্লালা দেবা। সঙ্গে আরও শক্তিশালী। মারণ শক্তি থাকবে তাঁর শরীরে। সেই জন্য নিজেকে গড়েপিটে নিচ্ছেন পুরোদস্তুর।

আসল খবর এবারে ফাঁস করা যাক। বাহুবলী ২-এর জন্য তৈরি হচ্ছেন ভাল্লালা দেবা-রূপী রানা ডগ্গুবত্তি। আরও বাড়িয়ে নিচ্ছেন তাঁর পেশী। জিমে তাঁর সেই প্রস্তুতির ছবি প্রকাশ করেছেন ইনস্টাগ্রামে।

তামিম-মুশফিকদের ভিড়ে ওঁদের ব্যাটেই ৬ সেঞ্চুরি

xdr

মেহেদী হাসান একবার বেশ আফসোস করেই জানিয়েছিলেন, অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটের আলোচিত অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে তাঁর নাম নাকি অনেকেই গুলিয়ে ফেলেন! এবার অবশ্য তাঁকে খুব একটা নাম-বিভ্রাটে পড়তে হয়নি। এই মৌসুমে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে প্রথম সেঞ্চুরি করা মেহেদীকে নিয়ে বড় বড় খবর ছাপা হয়েছে, সঙ্গে ছবিও। নিজেকে চেনানোর এই তো ‘সহজ’ উপায়!

সেঞ্চুরি দিয়ে লিগ শুরুর ইমতিয়াজের। ছবি: প্রথম আলোমজার ব্যাপার হলো, এবারের প্রিমিয়ার লিগটাকে যেন চেনানোর সুযোগ হিসেবে নিয়েছেন অনেকে। এ পর্যন্ত হওয়া ৯ ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছেন ছয়জন। ছয় ব্যাটসম্যানের কারও নেই তারকা-তকমা। এঁদের কেউ পেয়েছেন লিস্ট ‘এ’-তে প্রথমবারের মতো সেঞ্চুরির স্বাদ, কেউ-বা দীর্ঘদিন পর।
২২ এপ্রিল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন প্রাইম ব্যাংকের বিপক্ষে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের মেহেদী খেললেন ৮৯ বলে ১০৩ রানের ঝকঝকে এক ইনিংস। লিস্ট ‘এ’-তে অভিষেকেই মাত! ম্যাচ শেষে মেহেদী বলেছিলেন, প্রথম শ্রেণিতে দুটি সেঞ্চুরির অভিজ্ঞতা বেশ কাজে দিয়েছে, ‘প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অনেক বড় বোলারদের বল খেলেছি। ভালো ভালো ব্যাটসম্যানের সঙ্গে খেলেছি। সে জন্য চাপ কিছুটা কমে গেছে। ম্যাচে ও রকম চাপ অনুভব করিনি।’

সেঞ্চুরি দেখা পেয়েছেন আল আমিনও। ছবি: প্রথম আলোএকই দিনে বিকেএসপিতে ক্রিকেট কোচিং স্কুলের (সিসিএস) সঙ্গে নিখুঁত ব্যাটিংয়ে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন প্রাইম দোলেশ্বরের ইমতিয়াজ হোসেন। আট বছর পর লিগে সেঞ্চুরি করে ইমতিয়াজের আত্মবিশ্বাস ঊর্ধ্বমুখী, ‘এবার শুরুটা ভালো হয়েছে। এটা ধরে রাখতে চাই। আসলে ভালো না খেললে ঘরোয়া ক্রিকেটেও সুযোগ পাওয়া কঠিন।’ ফতুল্লায় পরের ম্যাচে কলবাগানের বিপক্ষে ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন ইমতিয়াজ, করেছেন ৭৩ রান।

সেঞ্চুরির পর মাহবুবুল করিমের উচ্ছ্বাস। ছবি: প্রথম আলো২৪ এপ্রিল বিকেএসপিতে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বিপক্ষে ভিক্টোরিয়ার শ্বাসরুদ্ধকর ‘টাই’ ম্যাচে আল আমিন জুনিয়র করেছেন ১০২ রান। লিস্ট ‘এ’–তে তাঁর প্রথম সেঞ্চুরি। ম্যাচসেরাও তিনি। তবে শেষ বলে দুর্দান্ত ছক্কায় ‘টাই’ করে আল আমিনের আনন্দ কেড়ে নিয়েছেন রূপগঞ্জের তাইজুল ইসলাম।
সেঞ্চুরি বিফলে গেছে সাইফ-সালমানের। ছবি: প্রথম আলোকাল মিরপুরে আবাহনীর দেওয়া ২৮৮ রান তাড়া করতে নেমে শেখ জামাল ধানমন্ডির ওপেনার মাহবুবুল করিম ১১০ বলে ১৩০ রান করে দলকে এনে দিয়েছেন দারুণ সূচনা। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে তিনি সর্বশেষ সেঞ্চুরি করেছিলেন ২০০৪-০৫ মৌসুমে কলাবাগানের হয়ে। যদিও মাহবুবুল সেঞ্চুরির চেয়েও এখন আলোচনায় মুক্তার আলীর শেষ বলে জয় এনে দেওয়া ছক্কা।
এই সেঞ্চুরিয়ানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আফসোস হতে পারে সিসিএসের সাইফ হাসান ও সালমান হোসেনের। বিকেএসপিতে কাল প্রাইম ব্যাংকের বিপক্ষে দুজনের সেঞ্চুরি গেছে বিফলে। ম্যাচসেরা হওয়ার আনন্দ তাই উপভোগ করতে পারেননি সালমান, ‘প্রতিপক্ষ অনেক শক্তিশালী আর লিস্ট ‘‘এ’’-তে আমার প্রথম সেঞ্চুরি। ভালোই লাগছে। তবে জিততে না পারায় কষ্টটা বেশি লাগছে।’
তারকা খেলোয়াড়দের মধ্যে কলবাগান ক্রীড়া চক্রের বিপক্ষে নাসির হোসেনের ৯৭, শেখ জামালের সঙ্গে তামিম ইকবাল আউট হয়েছেন ৯০ রান করে। তারকাদের ভিড়ে আলো কেড়ে নেওয়ার সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন প্রচারের আলোর বাইরে থাকা ব্যাটসম্যানরা। ঢাকা লিগের গুরুত্ব তো এখানেই।