কারণগুলো অতি সাধারণ, কিন্তু সম্পর্কে ঘটায় বিচ্ছেদ

4

দাম্পত্য সম্পর্কে বিচ্ছেদ যেমন বড় কারণে ঘটে, তেমনি ছোটখাটো কারণেও ঘটতে পারে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন এমনই কিছু কারণ যা কিনা ফালতু। আর এসব কারণেও ভেঙে যেতে পারে।

১. আঙুল উঁচিয়ে কথা বলা : ছুটি কাটাতে দুজন ঘুরতে গেছেন বা কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। সেখানে কিছু বিগড়ে যেতেই পারে। সে জন্যে পরে একে অপরকে দোষারোপ করতে থাকেন। এ সময় একে অপরের প্রতি আঙুল উঁচিয়ে দোষারোপ করার কাজটি এড়িয়ে চলুন। এটা দুজনকেই উত্তেজিত করে দেয়। এ সময় নিয়্ন্ত্রণ হারালে দুর্ঘটনা ঘটে যেতেই পারে।

২. বাড়ির কাজের ক্ষেত্রে : খাবারের পর বাসনপত্র মাজা বা ঘল পরিষ্কার করার বিষয়ে দুজন কাজ ভাগ করে নিতে পারেন। কিন্তু এসব কাজে অকে অপরের বিরুদ্ধে কাজ না করার অভিযোগ করে থাকেন। বাড়ির কাজের ভাগাভাগি নিয়ে অগুরুত্বপূর্ণ বসচায় দুজনের সম্পর্ক খারাপের দিকে যেতে থাকে।

৩. শপিং নিয়ে ঝামেলা : দুজনের শপিং বিষয়ক অভ্যাস নিয়ে ঝামেলা হতে পারে। একজন হয়তো বিলাসী জিনিসপত্র কিনতে আগ্রহী। অপরজন বেশি খরচ করতে রাজি নন। তা ছাড়া দুজনের পয়সা একযোগ করে শপিংয়ের ক্ষেত্রেও ঝামেলা হতে পারে। এ কারণে দ্বন্দ্ব এবং সম্পর্কের বিচ্ছেদ খুবই দুঃখজনক ঘটনা।

৪. সমস্যা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা : দাম্পত্য জীবনে কলহ থাকবেই। এর সমাধান করতে হয়। কিন্তু সমাধানের পথ না খুঁজে তা এড়িয়ে গেলে আপাতত ঝামেলা এড়িয়ে যেতে পারলেও তা ভবিষ্যতের নেতিবাচক বিষয় হিসাবে থেকে যাবে। দ্বন্দ্ব হলে তা অবশ্যই মেটাতে হবে।

৫. যৌন জীবনে ভিন্ন আকাঙ্ক্ষা : বিশেষজ্ঞদের মতে, যৌন বিষয়ে দুজনের ভিন্ন ধারণা ও আকাঙ্ক্ষা থাকতে পারে। পার্থক্য ঘোঁচাতে আন্তরিক আলাপচারিতা প্রয়োজন। দুজনের মধ্যেই আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে। মনে কথা মনেই পুষে রাখলে যৌনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।

৬. নিজেকে বিশেষ কেউ মনে হয় না : সাধারণত স্ত্রীরা এ সমস্যায় ভোগেন। অনেকের অভিযোগ, স্বামীর ভাবভঙ্গী দেখলে মনেই হয় না যে তারা বিশেষ কেউ। এ নিয়ে মনপীড়ায় ভোগেন স্ত্রীরা। এ ক্ষেত্রেও আলোচনা ফলপ্রসু হতে পারে। আবার এ ভুল কিনা তাও দেখা উচিত স্ত্রীদের।

৭. মারমুখী আচরণ : দুই একটি আপত্তিকর ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এ সময় এক পক্ষকে সহনশীল হতে হবে। কারোরই উচিত না অপরের গায়ে হাত তোলা। কিন্তু কেউ ভুল করে করে ফেললে অপরজনের উচিত নয় পাল্টা আঘাত করা। বরং সময় দিন। দেখবেন যিনি এ কাজ করেছেন তিনি অনুতাপে ভুগতে শুরু করেছেন। আঘাত-পাল্টআঘাতে সম্পর্কে ফাটল ধরে।

৮. অন্য বিষয়ে মনোযোগ বেশি : হতে পারে স্বামী ক্রিকেট খেলা শুরু হলে জীবনের সবকিছু ভুলে যান। তখন টিভিটাই তার একমাত্র আপন হয়ে ওঠে। স্ত্রীর প্রতি হয়তো তার খেয়ালই নেই। কিন্তু এ বিষয়কে সিরিয়াসলি নিয়ে অভিযোগ উত্থাপন করাটা বোকামি। অনেক স্ত্রী ভাবেন তার প্রতি স্বামীর কোনো আগ্রহ নেই। এ ভুল ধারণা থেকে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে পারে।

৯. ‘তুমি কখনোই আমার কথা শোন না’ : প্রায়ই এক অপরকে এ অভিযোগ করেন দম্পতিরা। আসলেই কি তাই? একটি বিষয় নিয়ে ঝগড়া হলে এমনভাবে কথাটা বলা হয়, যেন অপরজন কথা শুনলেই এমনটা আর হয় না। অথবা যিনি অভিযোগ করছেন, তিনি সব সময় সঠিক উপায়েই কাজ করতে বলেন, কন্তিু অপরজন কানে কথা তোলেন না। এটা নিতান্তই অর্থহীন কথা। অথচ এর প্রভাব বিস্তর।

১০. মিথ্যাচার : আপনারা একে অপরকে ক্রমাগত মিথ্যা বলে চলেছেন। হয়তো ভাবছেন, মিথ্যাটা এতটাই ক্ষুদ্র যে তা কোনো বিরূপ প্রভাব ফেলবে না। এও ভাবতে পারেন যে, অপরজন কিছুই বুঝতে পারবেন না। এগুলো ভুল ধারণা। সত্য চাপা থাকবে না। মিথ্যা প্রকাশ পেলে দুজনেরই মনে ক্ষোভ জমা হবে। পরবর্তিতে তা বিচ্ছেদের কারণ হতে পারে। সূত্র : এমএসএন

দাম্পত্য জীবনে যৌন পরিতৃপ্তি দেয় বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক –

3

দাম্পত্য জীবনে বন্ধুত্ব না গড়ে উঠলে সম্পর্ক দীর্ঘমেয়াদি হয় না। শুধু তাই নয়। আমেরিকার এক দল বিশেষজ্ঞের গবেষণায় উঠে এসেছে যে, তৃপ্তিকর যৌনজীবন ও আবেগময় সম্পর্কের জন্যেও বন্ধুত্ব হওয়া চাই।

গবেষক ও মনোবিজ্ঞানী লরা ভ্যান্ডারড্রিফট জানান, জীবন সঙ্গী বা সঙ্গিনী এমন হওয়া উচিত যার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজ করে। দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা এবং উপভোগ্য যৌনজীবন তৈরিতে এ সম্পর্কই মূল ভূমিকা পালন করে। রোমান্টিক সম্পর্ককে পরিপূর্ণতা দিতে কেবল রোমান্টিকতা যথেষ্ট নয়। এখানে বন্ধুত্ব দরকার। এতে সময়ের সঙ্গে দুজনের মধ্যকার ভালোবাসা, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতা ক্রমেই বাড়তে থাকে।

এ গবেষণা সম্পন্ন করেন আমেরিকার ইন্ডিয়ানার পুর্দু ইউনিভার্সিটির বিশেষজ্ঞরা। জার্নাল অব সোশাল অ্যান্ড পারসোনাল রিলেশনশিপস-এ প্রকাশিত হয়েছে। এখানে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের সঙ্গে যৌন তৃপ্তির গভীর যোগাযোগের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

গবেষণায় ১৮৪ মানুষের ওপর জরিপ চালানো হয়। এরা সবাই কমপক্ষে ১৬ মাস ধরে দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করছেন। এ সম্পর্কের কোন বিষয়টিকে তারা সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন তা জানতে চাওয়া হয়।

তাদের জবাব বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দুজনের মাঝের বন্ধুত্ব গভীর পরিতৃপ্তি এনেছে। এমনকি যৌনজীবনটাকেও উপভোগ্য করে দেয় বন্ধুত্ব। কাজেই এ সম্পর্কে গড়ে তোলার মাধ্যমে বহু দাম্পত্য সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে মনে করেন ড. ভ্যান্ডারড্রিফট। এ কাজের দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ লেদ-দেন থাকা প্রয়োজন। অন্য বন্ধুর সঙ্গে যে সব বিষয় নিয়ে মানুষ আলোচনা করে বা সহায়তা চেয়ে থাকেন, তা সঙ্গী-সঙ্গিনীর মাঝে ঘটলে সম্পর্কের উন্নয়ন হবে।
সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট

জয়ে ফিরল পুনে

2

টানা দুই ম্যাচ হারের পর জয়ের পথে ফিরল রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টস। আইপিএলে গত রাতে মহেন্দ্র সিং ধোনির দল ৭ উইকেটে হারিয়েছে ফর্মে থাকা দিল্লি ডেয়ারডেভিলসকে। দিলি্লর ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে করা ১৬২ রান ৫ বল আগেই টপকে যায় পুনে।

টানা দুই ম্যাচ জিতে দারুণ সময় কাটানো দিলি্লর শুরুটা ভালো ছিল না। ১৩ রানে প্রথম উইকেট হারানো দিলি্ল শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে অবশ্য বড় সংগ্রহই দঁাড় করেছিল করুণ নায়ার (৩২), জেপি দুমিনি (৩৪) ও স্যান বিলিংসের (২৪) ব্যাটে। কিন্তু আজিঙ্কা রাহানের হাফসেঞ্চুরিতে (৬৩*) সেই লক্ষ্যে সহজেই পৌঁছে যায় পুনে। উসমান খাজা করেন ৩০ রান, ধোনির ব্যাট থেকে আসে ২৭ রান। ক্রিকইনফো

ব্রাজিলের কোপা আমেরিকার দল থেকে বাদ পড়লেন কাকা

1

তারকা মিডফিল্ডার কাকাকে বাদ দিয়ে কোপা আমেরিকার জন্য ২৩ সদস্যের দল দিয়েছেন ব্রাজিল কোচ দুঙ্গা। আগামী জুনে যুক্তরাষ্ট্রে কোপা আমেরিকার শতবর্ষী আসরে ব্রাজিল অধিনায়ক নেইমারের না থাকাটা আগেই নিশ্চিত ছিল। বার্সেলোনা আর ব্রাজিল কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমঝোতা অনুযায়ী তিনি কেবল আগামী আগস্টে রিও দে জেনেইরো অলিম্পিকে খেলবেন।

চেলসির তারকা মিডফিল্ডার অস্কার, পিএসজির লুকাস মউরা আর লাৎসিওর ফেলিপে আন্দেরসনের সঙ্গে দুঙ্গার দল থেকে বাদ পড়েন ইউভেন্তুসের ডিফেন্ডার আলেক্স সান্দ্রো। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের রবের্তো ফিরমিনো, গাব্রিয়েল আর ফের্নানদিনিয়োরও কোপা আমেরিকার ব্রাজিল দলে জায়গা হয়নি।

৩৪ বছর বয়সী কাকা অরল্যান্ডো সিটির মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) খেলা তিন ম্যাচে দুটি গোল করলেও দুঙ্গার মন কাড়তে পারেননি।

জেনিতের হাল্কসহ দুঙ্গার দলে আছেন তিনজন ফরোয়ার্ড। দলের আক্রমণে তিন মিডফিল্ডার উইলিয়ান, ফিলিপে কৌতিনিয়ো আর দগলাস কস্তার হয়ত বড় ভূমিকা থাকবে।

যুক্তরাষ্ট্রে হতে যাওয়া কোপা আমেরিকায় ৪ জুন ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে ব্রাজিলের অভিযান। ‘বি’ গ্রুপে ব্রাজিলের অন্য দুই প্রতিপক্ষ হাইতি ও পেরু।

কোপা আমেরিকার জন্য ব্রাজিলের ২৩ সদস্যের দল :
গোলরক্ষক : আলিসন (ইন্তেরনাসিওনাল), দিয়েগো আলভেস (ভালেন্সিয়া), এদেরসন (বেনফিকা)।

ডিফেন্ডার : দানি আলভেস (বার্সেলোনা), রদ্রিগো কাইয়ো (সাও পাওলো), ফাবিনিয়ো (মোনাকো), জিল (শানদং লুনেং), ফিলিপে লুইস (আতলেতিকো মাদ্রিদ), মারকুইনিয়োস (পিএসজি), মিরান্দা (ইন্টার মিলান), দগলাস সান্তোস (আতলেতিকো মিনেইরো)।

মিডফিল্ডার : রেনাতো আগুস্তো (বেইজিং গুয়ান), কাসেমিরো (রিয়াল মাদ্রিদ), দগলাস কস্তা (বায়ার্ন মিউনিখ), ফিলিপে কৌতিনিয়ো (লিভারপুল), এলিয়াস (করিন্থিয়ান্স), লুইস গুস্তাভো (ভলফ্সবুর্গ), লুকাস লিমা (সান্তোস), রাফিনিয়া (বার্সেলোনা), উইলিয়ান (চেলসি)।

ফরোয়ার্ড : গাব্রিয়েল (সান্তোস), হাল্ক (জেনিত), রিকার্দো অলিভেইরা (সান্তোস)।

নিষিদ্ধ হতে পারেন কোহলি

fgyuhf

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) নবম আসরে বিরাট কোহলির দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু বাজে পারফরম্যান্সে ভুগছে। ৭টি ম্যাচের মধ্যে মাত্র ২টি ম্যাচে জয় পেয়েছে দল। একে তো পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতা নেই, তার ওপর আবার স্লো ওভার বোলিংয়ের কারণে দুই ম্যাচে জরিমানার কবলে পড়েছেন কোহলি। তবে একই ভুল তারা তৃতীয়বার করলে ১ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হতে হবে দলপতি কোহলিকে।

রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টসের বিপক্ষে ম্যাচে ধীরগতির বোলিংয়ের কারণে কোহলিকে ১২ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়। এরপর তারা সেই একই ভুল আবার করে বসে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ম্যাচেও। ফলে কোহলিকে সেবার দ্বিগুণ জরিমানা গুনতে হয়েছে। তৃতীয়বার যদি তারা এ ভুল করে তাহলে কিন্তু শুধু জরিমানাতেই শেষ হবে না শাস্তি। ১ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধও হতে পারেন কোহলি। এ আদেশ দিয়েছে স্বয়ং আইপিএল কর্তৃপক্ষ।

আইপিএলের আচরণবিধি অনুযায়ী ‘যদি কোনো দল এক মৌসুমে একই অপরাধ (স্লো ওভার রেট) তিনবার করে তবে দলটির অধিনায়ককে ৫০ হাজার ডলার জরিমানাসহ ১ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হবে।’

তাই কোহলির দল বেঙ্গালুরু যদি আবারও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বোলিং শেষ করতে না পারে তবে তাকে ১ ম্যাচ নিষিদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি গুনতে আরও ৩০ লাখ রুপি জরিমানা।

এবারের আসরে বেঙ্গালুরু পারফরম্যান্সহীনতায় ভুগলেও কোহলি কিন্তু দারুণ ফর্মে রয়েছেন। ৭ ম্যাচে খেলে ৪৪৩ রান সংগ্রহ করে আইপিএলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি।

চিকন মেয়েদের পোশাক যেমন হওয়া চাই

াচজ৬

যাদের দৈহিক গড়ন কৃশকায় তাদের অনেক সময় পোশাক বাছাইয়ে বিপাকে পড়তে হয়। গায়ের সঙ্গে আঁটসাঁট পোশাকে চিকনদের দেখতে কিছুটা বেমানানই লাগে।
মান্ত্রা লুকগুড অ্যাডভাইজর সোয়াতি দিওগিরে চিকন দৈহিক গঠনে কোন ধরনের পোশাক বেশি মানানসই তারই কিছু টিপস দেন।

– কামিজ, ফতুয়া বা টপসের সঙ্গে লেহিংস বেশ মানানসই এবং জনপ্রিয়। তবে বেশি চিকন যারা, তাদের লেগিংসের কারণে আরও শুকনা দেখায়। কারণ এই পোশাক গায়ের সঙ্গে এঁটে থাকে। এক্ষেত্রে জিন্সের প্যান্ট বেছে নেওয়া যেতে পারে।

– চাপা বা কোণ শেইপের পোশাকের তুলনায় ম্যাক্সি বা ঘের দেওয়া পোশাকে শুকনাদের ভালো মানায়।

– শিফন শাড়ির বদলে বেছে নেওয়া যেতে পারে সিল্ক শাড়ি। শিফন শাড়ি স্বচ্ছ এবং নরম হয়। তাই এটি গায়ের সঙ্গে লেপ্টে থাকে। আর চিকন স্বাস্থ্যের মেয়েদের আরও শুকনা দেখায়। অন্যদিকে সিল্কের শাড়িতে কিছুটা ফোলাভাব থাকে।

– গায়ের সঙ্গে আঁটসাঁট বা বেশি চাপা পোশাক না পরে বরং কিছুটা ঢোলা টপস বা শার্ট শুকনাদের জন্য বেশি মানানসই। কারণ যাদের কোমর বেশি চিকন তাদের ফিটিং পোশাকে দেখতে দৃষ্টিকটু লাগে। তাই কিছুটা ঢোলা বা ফ্লোয়ি টপসে তাদের বেশ ভালো লাগবে।

– খাড়া বা লম্বালম্বি নকশার পোশাক না পরে আড়াআড়ি নকশার পোশাক বেছে নেওয়া উচিত চিকন স্বাস্থ্যের অধিকারীদের। কারণ লম্বালম্বি স্ট্রাইপের কারণে দেখতে আরও শুকনা লাগে।

চোখ সাজাতে ঠোঁট রাঙাতে

চিআ

কেউ চোখ সাজাতে পছন্দ করেন, কেউ পছন্দ করেন ঠোঁট রাঙাতে। চোখ ও ঠোঁটের সঠিক সাজ চেহারায় নিয়ে আসে ভিন্নতা। বেঠিকভাবে ব্যবহার নিয়ে আসবে উল্টো ফল। লিপস্টিক ও কাজল লাগানোর ক্ষেত্রে অনেকে অনেক রকম সমস্যায় পড়ে থাকেন। সমস্যাগুলো এড়িয়ে সুন্দর করে ঠোঁট রাঙানো, চোখ সাজানোর পরামর্শ দিলেন রূপবিশেষজ্ঞ ফারজানা শাকিল।
চোখ ও ঠোঁট সাজাতে দরকার ভালো মানের প্রসাধনী মডেল: মাহি ছবি: নকশামুখের ত্বকের মতো ঠোঁটেরও চাই বিশেষ যত্ন। অনেক সময় ঠোঁট ফেটে যায়, মরা চামড়া হয়, ঠোঁটের উপরিভাগ খসখসে হয়ে যায়। ঠোঁটের মরা চামড়া পরিষ্কার রাখতে হবে এবং ময়েশ্চারাইজার বা লিপবাম ব্যবহার করে নরম রাখতে হবে। পরিষ্কার নরম ঠোঁটে ইচ্ছেমতো লিপস্টিক পরা যায়। লিপস্টিক পরার আগে চারপাশটা ভালো করে লিপলাইনার দিয়ে এঁকে নিতে হবে। তারপর লাইনের ভেতরের অংশে মাঝখান থেকে একটু একটু করে পুরো ঠোঁটে লিপস্টিক লাগিয়ে নিন। এবার পাউডার হালকাভাবে চেপে চেপে লাগিয়ে নিলে আর ছড়িয়ে যাওয়ার ভয় থাকে না। দীর্ঘ সময় ধরে এটি স্থায়ী হবে।
গ্লসি বা ক্রিমি লিপস্টিক লাগানোর আগে ঠোঁটে একটু প্রাইমার, শ্যাডো বা ব্লাশনে লাল শেড তুলির মাথা দিয়ে চেপে চেপে লাগিয়ে নিলে ছড়িয়ে যাবে না। থাকবেও অনেকটা সময় ধরে। গাঢ় লিপস্টিক পরার ক্ষেত্রে ব্রাশ দিয়ে ঠোঁটে লাগালে নিখুঁত করে পরা যাবে। লিপস্টিক ব্যবহারের পর যদি তা গাঢ় হয়ে যায়, তাহলে ঠোঁটে একটা টিস্যু হালকা করে চেপে বাড়তি লিপস্টিক তুলে নিতে পারেন। প্রয়োজনে পরে আরেক টোন লিপস্টিক হালকা করে লাগিয়ে নেওয়া যেতে পারে।
লিপস্টিক পরার সময় মুখ ও ঠোঁটের আকৃতির ওপর খেয়াল রাখুন। তার ওপর নির্ভর করেই লিপস্টিক লাগাতে হবে। কারও ঠোঁট যদি চিকন বা পাতলা হয়, তাহলে লিপলাইনার দিয়ে একটু বড় করে এঁকে নিয়ে লিপস্টিক পরলে ভালো দেখাবে। আবার যদি কারও বড় বা মোটা হয়, সে ক্ষেত্রে ঠোঁট আঁকার সময় ছোট করে ও গোল আকারে এঁকে নিতে পারেন।
অনেকেই দিনের অনেকটা সময় লিপস্টিক পরে থাকেন। হতে পারে শখের বশে অথবা প্রয়োজনে। ফারজানা শাকিলের পরামর্শ হলো, বাড়িতে থাকার সময় বা প্রয়োজনের বাইরে ঠোঁটকে বিশ্রাম দিতে হবে। সারা দিন শেষে বাসায় ফিরে যত্নসহকারে লিপস্টিক তুলে ফেলতে হবে। সম্ভব হলে একটু বাড়তি যত্ন নিতে হবে। গোলাপ ফুলের পাপড়ি, দুধের সর আর মধু দিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করে ১০ মিনিট ঠোঁটে রেখে তারপর ধুয়ে নিলে ঠোঁট কোমল ও মসৃণ থাকবে।

চোখের সাজে
চোখ সাজাতে কাজলের কোনো বিকল্প নেই। চোখে একটুখানি কাজলের ছোঁয়ায় সাজটা হয়ে ওঠে অনন্য। কিন্তু এখানেও রয়েছে ছড়িয়ে যাওয়ার ভয়। চোখের পাতা তৈলাক্ত হলে অথবা আইলাইনার ও কাজল পরার পরে পলক বেশি পড়লে কাজল ছড়িয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে কাজল দেওয়ার আগে ডার্ক ব্রাউন আইশ্যাডো লাগিয়ে নিয়ে কাজল পরলে ছড়িয়ে যাওয়ার ভয় থাকে না। কাজল দেওয়ার পর সামান্য পাউডার আইশ্যাডো ব্রাশে নিয়ে কাজলের ওপর চেপে লাগিয়ে নিলে চোখের পাতার অতিরিক্ত তেল শুষে নিয়ে ঝরঝরে রাখবে এবং কাজলকে দীর্ঘস্থায়ী করবে। খেয়াল রাখতে হবে কাজলটি তৈলাক্ত কি না। তৈলাক্ত কাজল দ্রুত ছড়ায়। এমন হলে কালো আইশ্যাডো লাগিয়ে নিলে তৈলাক্ত ভাব কেটে গিয়ে কাজলকে অনেক সময় ধরে রাখবে। সারা দিন শেষে চোখেরও চাই বিশেষ যত্ন। দিন শেষে ভালো করে তুলে ফেলতে হবে কাজল। তুলায় করে ভ্যাসিলিন, জলপাই তেল, জোজোবা তেলের যেকোনো একটির সাহায্যে কাজল পরিষ্কার করে নিতে পারেন। চোখের আরামের জন্য তুলা ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে চোখের ওপর রাখতে পারেন। চোখ সতেজ ও প্রাণবন্ত থাকবে।
ফারজানা শাকিল মনে করেন, ভালো মানের পণ্য ব্যবহার করা উচিত। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, এসব পণ্যে কিছু না কিছু কেমিক্যাল থাকে। ভালো পণ্য না হলে ত্বকে নানা রকম সমস্যা তৈরি হতে পারে। র্যাশ, ফুসকুড়ি, ইনফেকশনসহ নানা প্রকার ঘা হতে পারে। তাই বুঝেশুনে এসব পণ্য ব্যবহার করা উচিত।

বিবাহিত জীবন যেভাবে সুখী হবে

টচ৬া

বিবাহিত জীবনের ছোট ছোট চাপা অভিমান, অভিযোগ থেকেই জন্ম হয় অনেক ভুল-বোঝাবুঝির। সংসারও ভেঙে যায় অনেক সময়। অন্য দম্পতিদের দেখে মনে হয়, ‘বাহ্, কী চমৎকার সম্পর্ক!’ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিনের জীবনে ছোটখাটো কিছু পদক্ষেপই অনেক ভুল-বোঝাবুঝির অবসান করতে পারে। শুধু দরকার একটু চেষ্টা। জেনে নেওয়া যাক তেমনই কয়েকটি পদক্ষেপ।

শুনুন ও বলুন

একে অপরের সঙ্গে কথা বলুন। নিজের পছন্দ-অপছন্দের বিষয়গুলো খুলে বলুন। অপরের কথাও শুনতে হবে। সঙ্গীকে বুঝতে দিন, কোন পদ্ধতিতে বেছে নিলে ভুল-বোঝাবুঝি বেশি হবে। কারণ, সবার বুঝে নেওয়ার ক্ষমতা সমান নয়। চাপা স্বভাবের মানুষেরা কথা বলতে স্বচ্ছন্দবোধ করে না সাধারণত। নিজের পছন্দ-অপছন্দের বিষয়গুলো খুলে বলতে চান না। অভিযোগ না করে প্রশংসা করুন। অন্যের দোষ ধরার আগে নিজের দোষটা স্বীকার করুন। অনেক কিছুই সহজ হয়ে যাবে।
কত কিছু করি
আমিই সব করছি—এই মনোভাব থেকে বের হয়ে আসতে হবে। আপনার স্ত্রী কিংবা স্বামীর স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য কিছু করে থাকলে বারবার সেটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখানো রুচিশীল নয়। তবে এই ‘করাটা’ শুধু একতরফা হয়ে গেলে আবার সমস্যা তৈরি করবে। তখন সেটা ‘আমরা করছি’ থেকে শুধু ‘আমি করছি’তে চলে যাবে।
পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস
বিষয়টি সবারই জানা, কিন্তু কিছু কিছু সম্পর্কে সেটা মানা হয় না। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক অনেকটাই নির্ভর করে এ দুটি বিষয়ের ওপর। বাইরের মানুষের সামনে বদনাম করাও শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস না থাকার কারণেই করেন অনেকে। তবে এই দুটি বিষয়ই অর্জন করে নিতে হয়। জোর করে চাপিয়ে দেওয়া যায় না।
জোর করে ঝগড়া নয়
সাংসারিক জীবনে ছোটখাটো ঝগড়া হওয়া স্বাভাবিক। ঝগড়া না হলে সেটাই বরং বেমানান। ঝগড়ার পরে ভালোবাসাও নাকি বেড়ে যায়। পুরোনো কোনো বিষয় যদি আগে মিটমাট হয়ে যায়, বর্তমান সময়ে সেটা না মনে করিয়ে দেওয়াই ভালো। জোর করে কোনো বিষয়ে ঝগড়া না করার পরামর্শ দেন অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা।
ভুল স্বীকার করুন
আপনি যা ভাবছেন, যা করছেন—সেটাই ঠিক। এমনটাই যদি হয় আপনার মনোভাব, তাহলে আপনার সঙ্গী কিন্তু ক্রমাগতভাবে কষ্ট পাবেন। ‘ইগো’, অহংকার নানা কিছুর কারণেই অনেক সময় নিজের ভুল স্বীকার করা হয় না জীবনসঙ্গীর কাছে। এই সম্পর্কটা এমন যে এখানে ছোট হওয়ার কিছু নেই। বরং নিজের ভুলটা স্বীকার করে নিলে অনেক সমস্যাই সহজে সমাধান হয়ে যাবে।
একসঙ্গে কিছুক্ষণ
পেশাগত কাজের চাপে দুজনই কি দৌড়াচ্ছেন? একসঙ্গে গল্প করা হয় না অনেক দিন? অবসরের সময়টুকু হয়তো কেটে যায় টেলিভিশন কিংবা মুঠোফোনের স্ক্রিনে। অনেকেই ভাবেন, ‘পাশেই তো আছে, এটাই তো সময় কাটানো।’ এই ধারণা পোষণ করলে ভুল করছেন। কত ঘণ্টা সময় কাটাচ্ছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়; বরং সময় কীভাবে কাটাচ্ছেন, সেটার ওপর প্রাধান্য দেওয়াই ভালো। মাঝেমধ্যে সন্তান, বাড়ির কাজ থেকে বিরতি নিয়ে একসঙ্গে কিছুটা মুহূর্ত কাটান। শুধু নিজেদের নিয়ে গল্প করুন।
একলা কিছুক্ষণ
বিবাহিত জীবনে মাঝেমধ্যে কিছুক্ষণ একলা সময় কাটানোও দরকার। নিজের পছন্দের কাজটি করা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া, ঘুরে বেড়ানো—এমন অনেক কিছুই করতে পারেন। এতে মনমেজাজ সতেজ থাকবে। নিজের স্বাধীনতাটুকুও বজায় থাকবে।
ভালো দিকটি দেখুন
পরস্পরের খারাপ দিকগুলো দেখা বন্ধ করুন কিছুক্ষণের জন্য। পৃথিবীতে কেউই ‘পারফেক্ট’ নন। একটি সম্পর্ক দুজনে মিলে ত্রুটিহীন বানাতে হয়। ভালো দিকগুলোর প্রশংসা করুন। সঙ্গীর কোনো কিছু পছন্দ না হলে সেটা তাকে বুঝিয়ে বলুন। তবে তাকে বদলে যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়াও উচিত হবে না। খারাপ দিকগুলো নিয়ে অহেতুক অভিযোগ না করে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করুন।
ভালোবাসার প্রকাশ
‘ভালোবাসি তোমাকে’ কথাটি মুখ দিয়ে বলতে হবে। পছন্দের ফুল বা যেকোনো ছোট উপহার দিয়েও কথাটি প্রকাশ করতে পারেন। অনুভব করে নেওয়ার বিষয়টি তো আছেই। তবে কে না চাইবে ভালোবাসার মানুষটির কাছ থেকে এই তিনটি শব্দ শুনতে।
ভালোবাসার ছোঁয়ায়
শারীরিক সম্পর্ক বৈবাহিক জীবনের অন্যতম অংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ বৈবাহিক জীবনে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক থাকতে হবে। শুধু যৌনতা নয়, হাত ধরে থাকাও কিন্তু স্পর্শ। শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে দূরত্ব সৃষ্টি হলে অনেক সময় মানসিক সম্পর্কের বেলায়ও সেটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
সূত্র: বাস্টল, কসমোপলিটন, এলিট ডেইলি ও ফিজিকসেন্ট্রাল

বাকৃবির শিক্ষার্থীদের টেলিছবি ‘জেড ফ্যাক্টর’

আচটে

টেলিছবিটির নাম ‘জেড ফ্যাক্টর’। এই টেলিছবিটি নির্মাণ করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী সামস সুমন। আর ছবিতে অভিনয় করেছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই। সম্প্রতি টেলিছবিটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী হয়ে গেল বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে।

‘জেড ফ্যাক্টর’ টেলিছবির চিত্রনাট্যও লিখেছেন পরিচালক সামস সুমন। এ ছবির মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন হাসান, জেরিন ও রকিব। টেলিছবিটির অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীসহ সবাই নতুন।
‘জেড ফ্যাক্টর’-এর গল্প প্রসঙ্গে পরিচালক সামস সুমন জানিয়েছেন, ক্যাম্পাসের দুজন শিক্ষার্থীর প্রেম ও এর পেছনের নানা ধরনের ঘটনা নিয়েই এগিয়েছে এ ছবির গল্প।
পরিচালক আরও জানান, টেলিছবিটিতে ব্যবহৃত ‘অবেলায় বড় ভালোবাসি’ গানটি লিখেছেন কৃষি অনুষদের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নাবিল তাহমিদ। কণ্ঠ দিয়েছেন কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থী আজহিয়াত হিয়া, মত্স্য-বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থী প্রমি এবং কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি অনুষদের শিক্ষার্থী রিক্তা।
এরই মধ্যে গানটি ইউটিউবে আপলোড করা হয়েছে বলেই জানিয়েছেন নির্মাতা সামস সুমন।

সুশান্তের নতুন প্রেম!

vgc

অভিনয়ে অভিষেক ছোট পর্দায়; এরপর নাচের রিয়েলিটি শো ঘুরে বড় পর্দায় এসেছিলেন সুশান্ত সিং রাজপুত। বছর না ঘুরতেই তারকার তকমা। কিন্তু এই খ্যাতির আড়ালে হারিয়েছেন পুরোনো প্রেম অঙ্কিতা লোখান্ডকে। সম্প্রতি বুদাপেস্টে শুটিংয়ে গিয়েছিলেন সুশান্ত সিং রাজপুত। ছবির নাম ‘রাবতা’। এ ছবিতে সুশান্তের সঙ্গে আছেন কৃতি শ্যাননও। এক প্রতিবেদনে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, সুশান্ত সিং রাজপুত এখন প্রেম করছেন কৃতি শ্যাননের সঙ্গে।

‘কাই পো চে’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয়েছিল ছোট পর্দায় জনপ্রিয়তা পাওয়া অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের। সে সময়েও তাঁর সঙ্গেই ছিলেন প্রেমিকা অঙ্কিতা লোখান্ড। অন্তত শুটিংয়ের বাইরে আর হৃদয়ে।
যা হোক, এর পরের কাহিনি দ্রুত ভিন্নদিকে মোড় নিয়েছিল। অঙ্কিতার সঙ্গে ছাড়াছাড়ির বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুশান্তই প্রথম তুলে এনেছিলেন। এরপর অঙ্কিতা বিষয়টি নিয়ে যখন খানিকটা আড়াল খুঁজেছিলেন; সে সময়ে সুশান্তই তাঁদের বিচ্ছেদের বিষয়টি স্পষ্ট করে জানান দেন। আর যে সময়ে অঙ্কিতা ও সুশান্ত সিং রাজপুতের বিয়ের দিনক্ষণ প্রায় ঠিকঠাক হয়ে গিয়েছিল, ঠিক সেই সময়েই এই দুজনের বিচ্ছেদের খবর প্রকাশিত হয়।
যদিও অঙ্কিতা টুইটারে বিষয়টি অস্বীকার করেছিলেন। কিন্তু টুইটারে এক বিস্ফোরক মন্তব্য করে সুশান্ত জানিয়ে দিয়েছিলেন, ‘যে তাঁর নীরবতাকে বুঝতে পারবে না; সে তাঁর কথা বুঝতেও অসমর্থ।’
দীর্ঘ ছয় বছর প্রেম করেছেন সুশান্ত সিং ও অঙ্কিতা লোখান্ড। ছোট পর্দার ধারাবাহিক কিংবা রিয়েলিটি শোর অনুষ্ঠানগুলোতে সবারই প্রিয় হয়ে উঠেছিলেন এই জুটি। কেউ ভাবতেও পারেনি দুজনের এই হঠাৎ বিচ্ছেদের বিষয়টি। অবশ্য সুশান্ত সিং রাজপুত বলিউডে পা রাখার পর থেকেই এই দুজনের সম্পর্কের মধ্যে যে একধরনের দূরত্ব তৈরি হচ্ছিল, সে বিষয়ে কিছুটা আভাস দিয়েছিল বলিউডের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম।
‘সিনেমাপাড়ার গুজব’ বলে সে খবর উড়িয়ে দিলেও এখন দুজনের বিচ্ছেদের বিষয়টি নিয়ে অনেকেই প্রায় নিশ্চিত। কারণ, সুশান্তের হৃদয় সম্ভবত এবার অঙ্কিতার কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছেন কৃতি শ্যানন।
টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ‘রাবতা’ ছবির শুটিং শেষ হওয়ার পর যখন সবার গোছগাছ করে বাড়ি ফেরার পালা, সেই রাতে এক অনুষ্ঠানে তুমুল স্ফূর্তি করেছেন দুজনে।
এদিকে ছবিসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, সুশান্ত-কৃতির মধ্যকার সম্পর্কটি এখন আর নিছক বন্ধুত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। প্রেম করছেন দুজনে।

আইপিএলের গ্যালারিতে শাহরুখ-আবরামের নাচ

kojh

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর) খেলা থাকলে সচরাচর ‘কিং খান’ শাহরুখ মাঠে হাজির থেকে দলের ক্রিকেটারদের উৎসাহ জোগান। অবশ্য তিনি ঠিক একা থাকেন না। বেশির ভাগ সময়ই তাঁর সঙ্গে থাকে শাহরুখের ছোট্ট ছেলে আবরামও। বুধবার কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের সঙ্গে কেকেআরের খেলার সময় ছেলে আবরামের নাচের সঙ্গে তাল মেলানোর কথা বলেছিলেন বাবা শাহরুখ।
বুধবার টুইটারে ‘কিং খান’ জানিয়েছেন, ‘ছোট্ট আবরাম আর আমি নাচের মুদ্রা শিখে নিচ্ছি। কারণ কলকাতায় আমাদের দলের (কেকেআর) প্রথম ম্যাচ এটি। দেখা হচ্ছে ইডেন গার্ডেনে।’
মাঠে আবরাম হাজির হলে দর্শকদের আগ্রহ আর শুধু খেলাতেই সীমাবদ্ধ থাকে না। ‘শাহরুখ জুনিয়র’-এর মজার কাণ্ডকীর্তিও তখন দর্শকদের বিনোদনের খোরাক জোগায়। এনডিটিভি।

শুধুই সহপাঠী?

ty
বলিউডের তারকা অভিনেতা ‘কিং খান’ শাহরুখের ছেলে আরিয়ান খান আর ‘বিগ বি’ অমিতাভ বচ্চনের নাতনি নব্য নাভেলি বিলেতে একই স্কুলে পড়াশোনা করেন। দুজনের মধ্যে আবার দারুণ ভাব। অন্তত তাঁদের তোলা সেলফিগুলো তো সে কথাই বলে।
আর কদিন বাদেই স্কুলের পাঠ চুকিয়ে ফেলবেন দুজনে। স্কুলজীবনের শেষ দিনটা দুজন একসঙ্গে খুব মজা করে উদ্‌যাপন করেছেন। সেদিনের কয়েকটি ছবি তাঁরা পোস্টও করেছেন ইনস্টাগ্রামে।
গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল, আরিয়ান আর নব্য প্রেম করে বেড়াচ্ছেন। তাঁদের তোলা ঘনিষ্ঠ ছবি দেখে এমনটা ভাবা অবশ্য খুব একটা অস্বাভাবিকও নয়। তবে তাঁরা সহপাঠী নাকি তাঁর থেকেও বেশি কিছু; সেটা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। সবে তো স্কুলের পাট শেষ হচ্ছে। এই দুজনের বলিউডে নাম লেখানোর সম্ভাবনাও প্রবল। কে জানে! আর কদিন বাদে হয়তো সহপাঠী থেকে সহশিল্পীও হয়ে উঠতে পারেন তাঁরা।
এরই মধ্যে ‘কিং খান’ শাহরুখ আর ‘বিগ বি’ অমিতাভের সম্পর্ক আত্মীয়তার দিকে মোড় নেয় কি না কে জানে? বলিউডের দুনিয়ায় অবশ্য কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। এনডিটিভি।

নতুন দেশে বাড়ি খুঁজছেন প্রিয়াঙ্কা!

yfd

একবার শুটিংয়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দিচ্ছেন তো আরেকবার পুরস্কার নিতে আসছেন ভারতে। এভাবেই আজ এক দেশ তো কাল আরেক দেশে থাকতে হচ্ছে প্রিয়াঙ্কাকে। সম্প্রতি পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ঘুরে এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নৈশভোজের দাওয়াতে। কানাডায় ‘কোয়ান্টিকো’ সিরিয়ালের শুটিং শেষ করে এখন হলিউডের ছবি ‘বেওয়াচ’-এর শুটিং করতে মিয়ামিতে আছেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নতুন বাড়ি খুঁজছেন এখন এই তারকা।
এত দিন একটি বাংলোবাড়িতে দুই হলিউডের সহশিল্পী জ্যাজ মার্সি ও জোহানা ব্র্যাড্ডির সঙ্গে ভাগাভাগি করে ছিলেন। কিন্তু এভাবে আর ভালো লাগছে না প্রিয়াঙ্কার। টাইম পত্রিকার বিচারে বছরের অন্যতম ক্ষমতাধর ব্যক্তি প্রিয়াঙ্কা এখন নিউইয়র্কে নতুন বাড়ির খোঁজ চালাচ্ছেন।
হলিউডে যেভাবে তাঁর কাজের ব্যাপ্তি বাড়ছে, কে জানে হয়তো অদূর ভবিষ্যতে ওখানেই থিতু হতে পারেন এ অভিনেত্রী। পিংক ভিলা।

ত্বকের যৌবন ধরে রাখুন ৭টি পদ্ধতিতে

৬িট

আপনারা তো জানেন বয়স ধরে রাখা না গেলেও বয়সের ছাপ কিন্তু কিছুটা হলেও ধরে রাখা সম্ভব। একটু চেষ্টা করলেই আপনি আপনার চেহারার বয়স অন্তত ১০ বছর কমিয়ে রাখতে পারবেন। আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক ত্বকে বয়সের ছাপ রোধ করার উপায় গুলো।

প্রচুর পানি পান করুন:
ত্বকের যৌবন ধরে রাখার জন্য প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়ার বিকল্প নেই। শরীরে প্রয়োজন অনুযায়ী সব সময় পর্যাপ্ত পরিমানে পানি খেলে ত্বক সজীব থাকে এবং বয়সের ছাপ কম দেখা যায়।

ময়েশ্চারাইজার:
প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর কোনো ভালো ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন সারা মুখে। ত্বক তৈলাক্ত হলে অয়েল ফ্রি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এভাবে প্রতিদিন রাতে ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে ঘুমালে ত্বক দীর্ঘদিন সজীব ও সতেজ থাকবে।

তিলের তেল:
ত্বকে বয়সের বলিরেখা রোধ করতে এক বোতল তিলের তেল কিনে ফেলুন। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে তিলের তেল ম্যাসাজ করুন মুখে। এরপর ফেস ওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। তিলের তেলের ম্যাসাজ মুখে রক্ত চলাচল বাড়াবে এবং ত্বক স্বাস্থ্যজ্জ্বল করে তুলবে। তিলের তেল প্রাকৃতিক ভাবেই ত্বকের মরা চামড়া তুলে ফেলবে এবং ত্বকে যৌবন ধরে রাখতে সহায়তা করবে।

চিনি ত্যাগ:
বেশি বেশি মিষ্টি খাবার ও চিনি খেলে ত্বক তাড়াতাড়ি বুড়িয়ে যায়। অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার গ্রহণ করলে ত্বকে বলিরেখা পরে যায় সময়ের আগেই। তাই ত্বকের সতেজতা ধরে রাখতে চিনি জাতীয় খাবার পরিত্যাগ করুন। বরং ত্বকের স্ক্র্যাবার হিসেবে চিনি ব্যবহার করতে পারেন।

ঘুম:
নিয়মিত অন্তত ৮ ঘন্টা ঘুমালে ত্বকে বয়সের ছাপ দেরীতে পরবে। ঘুমের অভাব হলে ত্বক ক্লান্ত দেখায় এবং বয়সের ছাপ বেশি বোঝা যায়। নিয়মিত নিদ্রাহীনতার ফলে বয়সের আগেই ত্বকে বলিরেখা পরে যায়। তাই সতেজ ও বলিরেখা মুক্ত ত্বকের জন্য ঘুমের বিকল্প নেই।

আই ক্রিম:
বয়সের ছাপ সবার আগে পরে চোখের আশেপাশের ত্বকে। চোখের কোনায় কুঁচকে যাওয়া, চোখের নিচে কালি ও ভাঁজ ইত্যাদি সমস্যার কারণে ত্বকের বয়স বেশি দেখায়। তাই প্রতিদিন চোখের মেকআপ ভালো করে তুলে ফেলুন আই মেকআপ রিমুভার দিয়ে। আর প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে ভালো ব্রান্ডের আই ক্রিম ব্যবহার করুন। তাহলে চোখের আশে পাশের ত্বকে বয়সের ছাপ দেরীতে পরবে।

ফল:
প্রতিদিন খাবার তালিকায় অন্তত একটি করে ফল রাখুন। ফলে প্রচুর ভিটামিন আছে যা আপনার ত্বককে পুষ্টি যোগাবে এবং যৌবন ধরে রাখবে দীর্ঘদিন।

তথ্য সুত্রঃ প্রিয়.কম

নখকুনি নিরাময়ের ঘরোয়া উপায়!

ওা্র

পায়ের নখ ভেতরের দিকে বৃদ্ধি পাওয়াকে ওনাইকোক্রিপ্টোসিস বলে যা খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। একে নখকুনিও বলা হয়। যখন পায়ের নখের কোনার অংশ বা প্রান্তের অংশ নরম মাংসের ভেতরের দিকে প্রবেশ করে তখন খুবই অস্বস্তি ও ব্যথার সৃষ্টি করে। সাধারণত নখকুনি পায়ের আঙ্গুলেই হয়ে থাকে কিন্তু হাতের আঙ্গুলেও হতে পারে তবে তা খুবই বিরল।
নখকুনি হওয়ার কারণ খুব বেশি টাইট-ফিটিং জুতা পরলে, নখ সঠিক ভাবে না কাটলে, নখে ব্যথা পেলে এবং অস্বাভাবিক বাঁকানো নখ থাকলে। ডায়াবেটিস ও অন্য স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকলে পায়ের রক্ত সংবহন কমে যায় ফলে পায়ের নখের এই সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

নখে খুব বেশি ব্যথা হওয়া, লাল হওয়া এবং ফুলে যাওয়ার মত উপসর্গগুলো দেখা যায় নখকুনি হলে। যদি এর চিকিৎসা করা না হয় তাহলে ইনফেকশন হয়ে যেতে পারে। ইনফেকশন হলে নখের চারপাশ লাল হয়ে ফুলে যায়, পুঁজ ও রক্ত বাহির হয়। যদি শুরুতেই বুঝতে পারা যায় তাহলে ঘরেই এর যত্ন নেয়া যায়। যদি ইনফেকশন হয়ে যায় তাহলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিৎ। নখকুনির ঘরোয়া প্রতিকারগুলো জেনে নেই আসুন।

১। উষ্ণ জলে ভিজানো –
উষ্ণ জলে কিছুক্ষণ পা ডুবিয়ে রাখলে নখকুনির ব্যথা ও ফোলা কমে যায়। এজন্য একটি ছোট বোলে উষ্ণ গরম পানি নিন। এই পানিতে পা ডুবিয়ে বসে থাকুন ১৫-২০ মিনিট। দিনে ৩-৪ বার এটি করতে পারেন।

২। নখের নীচে গজ দিয়ে রাখুন –
গরম জলে পা ডুবানোর পরে আক্রান্ত নখের নীচে তুলা বা গজ বা সুতির নরম কাপড় ঢুকিয়ে দিলে নখটি উপরের দিকে উঠে আসবে। উষ্ণ গরম পানিতে কিছুক্ষণ পা ডুবিয়ে রাখার পরে ভালো করে পা মুছে নিন। তারপর ভোঁতা চিমটা দিয়ে আক্রান্ত নখটি সাবধানে উপরে উঠান এবং ত্বক ও নখের মাঝখানে সুতির কাপড়ের টুকরাটি ঢুকিয়ে দিন। ইনফেকশন প্রতিরোধের জন্য প্রতিবার পা ভেজানোর পরে কাপড়টি পরিবর্তন করে নিন।

৩। ইপসম লবণ –
ইপসম লবণের বৈজ্ঞানিক নাম ম্যাগনেসিয়াম সালফেট যা নখের অন্তরবৃদ্ধির চিকিৎসায় কার্যকরী। এটি আক্রান্ত নখের ত্বককে নরম হতে সাহায্য করে। যার ফলে মাংসের ভেতরে ঢুকে যাওয়া নখকে বের করা সহজ হয় এবং প্রদাহ ও কমে। এর জন্য উষ্ণ গরম পানিতে পূর্ণ একটি বোলে ১ টেবিলচামচ ইপসম লবণ মিশান। এই মিশ্রণে ২০ মিনিট পা ডুবিয়ে বসে থাকুন। তারপর মিশ্রণটি থেকে পা উঠিয়ে ভালো করে পা মুছে নিন। সপ্তাহে ৩/৪ বার এই প্রক্রিয়াটির পুনরাবৃত্তি করুন।

এছাড়াও হাইড্রোজেন পারওক্সাইড, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান, লেবু, টি ট্রি ওয়েল, আপেল সাইডার ভিনেগার ও হলুদ ব্যবহার করা যায়। তবে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ করাই শ্রেয়। তাই নখ সোজা ভাবে কাটুন, পায়ের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, বাহির থেকে আসার পর পা ভালো করে ধুয়ে মুছে নিন, আরামদায়ক ও পায়ের মাপ মত জুতা পরুন, প্রতিদিন গোসলের সময় ঝামা পাথর দিয়ে পা ঘষুন যাতে পায়ের ত্বক শক্ত হয়ে না যায় এবং প্রতিদিন পরিষ্কার মোজা পড়ুন।