দ্রুত ওজন কমাতে চান? তাহলে পড়ে নিন!

২৭

ওজন কমানোর জন্য কত কসরত্ই না করি আমরা। ডায়েট, এক্সারসাইজ তো রয়েছেই, সেই সঙ্গেই দ্রুত ওজন weight কমাতে সাহায্য নিতে পারেন অ্যাকুপ্রেশারেরও। শরীরের চারটি পয়েন্টে চাপ দিলে ওজন ঝরবে তা়ড়াতাড়ি। জেনে নেয়া যাক সেই চার পয়েন্ট—
কান –
কানের লতি মালিশ করলে হজম ক্ষমতা বাড়ে যা ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে। দিনে তিন বার অন্তত তিন মিনিট ধরে মাসাজ করুন।

মুখ –
নাক ও উপরের ঠোঁটের মাঝের অংশ। এই পয়েন্টে চাপ দিলে উত্কণ্ঠা ও খিদে কমবে। রোজ পাঁচ মিনিট এই পয়েন্ট মালিশ করলে স্ট্রেস কমে ওজন থাকবে বশে।

হাত –
কনুইয়ের ভিতর দিকের অংশে চাপ দিলে শরীর থেকে অতিরিক্ত গরম বেরিয়ে গিয়ে পেট পরিষ্কার থাকে। প্রতি দিন দুই থেকে তিন বার এক মিনিট করে মালিশ করুন এই পয়েন্ট।

পা –
এই পয়েন্টকে বলা হয় জু সান লি। অ্যাকুপ্রেশারে এই পয়েন্ট ব্যবহার করা হয়। হাঁটুর নিচে এই পয়েন্ট মালিশ করলে হজম ক্ষমতা বাড়ে ও শরীরের কোনো অংশের ফোলা ভাব কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সন্ধ্যাবেলা এই পয়েন্টে মালিশ করলে প্রতি সপ্তাহে অন্তত এক পাউন্ড পর্যন্ত ওজন কমাতে পারবেন। প্রতি হাঁটুর নিচে নয় বার করে পাঁচ মিনিট ধরে মালিশ করুন। তবে ঘুমোতে যাওয়ার ঠিক আগে করবেন না।

নখের হলদেটে ভাব দূর করার দারুন টিপস!

26

বাঙালীর রান্নায় অবধারিতভাবেই ব্যবহার করা হয় হলুদ। আর হলুদ দিয়ে এটা সেটা রান্না করতে গিয়ে গৃহিণীদের হাতের অবস্থাও হয় একেবারেই হলদেটে।

সাবান ঘষে হাতের ত্বক থেকে না হয় হলুদ দূর করলেন। নখের হলদেটে ভাব দূর করবেন কী করে? জেনে নিন!

নখের হলদেটে ভাব দূর করতে পারে লেবুর রস। একটু পানি মিশিয়ে লেবুর রস একটা বোলে নিন। এরপর এই রসে ১০-১৫ মিনিটের জন্য ডুবিয়ে রাখুন আপনার নখ। লেবুর রসের ব্লিচিং বৈশিষ্ট্য নখের হলদেটে ভাব দূর করে দিতে পারে। যাদের নখ nail নেইল পলিশের কারণে হলদেটে হয়ে গেছে তাদেরও কাজে আসবে এই পদ্ধতিটি।

একঢাল কালো চুল পেতে শ্যাম্পুর সময় যা করবেন না!

25

আসছে ভ্যাপসা গরম। গরমে শ্যাম্পু করার একদিন পরই চুল আঠা। প্রায় রোজ শ্যাম্পু করলে ভালো হয়। কিন্তু, শ্যাম্পু shampoo করার সময় আমরা অনেকেই এই ভুলগুলো করে থাকি। ফলে একঢাল কালো চুলের স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়।

শ্যাম্পুর সময় যে ভুলগুলো আমরা করে থাকি –

১. অনেকেই চুলের কোয়ালিটি অনুয়ায়ী সঠিক শ্যাম্পু shampoo বেছে উঠতে পারেন না। এক্সপার্টের পরামর্শ নিয়ে সঠিক শ্যাম্পু বাছুন।

২. খুব ফেনা হওয়া মানেই ভালো শ্যাম্পু নয়। হার্বাল শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।

৩. প্রতিদিন শ্যাম্পু নয়। চুল hair রুক্ষ হয়ে যাবে। শ্যাম্পু হোক ২-৩ দিন পর পর। মাঝের দিনগুলোতে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।

৪. শ্যাম্পুর করার পর মাথার স্কাল্পের পাশাপাশি ভালো করে ধুয়ে ফেলুন চুল।

৫. শ্যাম্পুর পর কন্ডিশনার মাস্ট।

নতুন চুল গজাতে ঔষধি আদার ব্যবহার ও পদ্ধতি?

24

আদা শুধু রান্নার স্বাদ বৃদ্ধি করে না, এর ঔষধি গুণও অনেক। ঠান্ডা, সর্দি কাশি, পেটের ব্যথা আরো অনেক রোগ নিরাময় করতে আদা ginger বেশ কার্যকরী। কিন্তু আপনি কি জানেন? আদা নতুন চুল গজাতে দারুন কাজ করে।

নতুন চুল গজাতে :
২ টেবিল চামচ আদার রস, ৬ টেবিল চামচ জোজোবা অয়েল মিশিয়ে মাথার তালুতে ভাল করে ম্যাসাজ করে নিন। এরপর এটি সারারাত অথবা ২০ মিনিট রাখুন। তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন। আদা ginger ত্বকের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

চুলের আগা ফাটা রোধে :
চুলের আগা ফাটা সমস্যায় প্রায় সব মেয়েদের পড়তে হয়, এই সমস্যা সমাধান করে দিবে আদা। শ্যম্পুর shampoo সাথে আদার তেল মিশিয়ে নিয়ে সেটি ব্যবহার করুন। এটি চুলের আগা ফাটা দূর করে চুলকে ময়েশ্চারাইজড করে তুলবে।

নতুন চুল গজাতে কীভাবে মাথায় পেঁয়াজের রস ব্যবহার করবেন?

23

আমরা সবাই জানি, পেঁয়াজের রস Onion Juice নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে, চুলপড়া কমায় এবং চুলের গোড়া শক্ত করে। কিন্তু অনেকেই জানি না কীভাবে মাথায় পেঁয়াজের রস ব্যবহার করবেন। এই রসের সঙ্গে অন্য প্রাকৃতিক উপাদান মেশালে এর কার্যকারিতা কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
১. পেঁয়াজ কেটে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এবার এর রস বের করে নিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। ৩০ থেকে ৪০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

২. পেঁয়জের রসের সঙ্গে হালকা গরম পানি মিশিয়ে নিন। গোসলের পর এই পানি দিয়ে মাথা ভালো করে ধুয়ে নিন। একদিন পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এতে মাথা head থেকে পেঁয়াজের গন্ধ আসতে পারে। তবে চুলের জন্য এই পানি বেশ উপকারী।

৩. পেঁয়াজের রসের সঙ্গে নারকেল তেল ও কয়েক ফোটা এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। এক ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।

৪. দুই চা চামচ পেঁয়াজের রসের সঙ্গে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত একদিন এই প্যাক মাথায় লাগান।

৫. পেঁয়াজ বেটে এর সঙ্গে অলিভ অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। এবার শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।

চুল রিবন্ডিং করেছেন? দীর্ঘদিন স্ট্রেইট রাখতে মেনে চলুন এই ১১টি নিয়ম

22

সুন্দর, সিল্কি ঝলমলে চুল সব মেয়েদের পছন্দ। কোঁকড়া চুলগুলো বিশেষভাবে স্ট্রেইট করে নেওয়াকে রিবন্ডিং বলা হয়। স্ট্রেইনার দিয়ে চুল স্ট্রেইট করাটা খুব সাময়িক এবং এটি চুলের ক্ষতি করে থাকে। স্ট্রেইনার দিয়ে চুল স্ট্রেইট করার চেয়ে রিবন্ডিং করা বেশ নিরাপদ। কিন্তু চুল রিবন্ডিং পর চুলের একটু বেশি যত্ন নিতে হয়। যত্ন না নেওয়ার কারণে রিবন্ডিং এর পর চুল অনেক বেশি পড়ে যায়।
চুল রিবন্ডিং করার পর মেনে চলতে হবে ১১টি নিয়ম –

১। চুল রিবন্ডিং করার ৩ দিন পর্যন্ত চুল শ্যাম্পু অথবা চুল ভেজাবেন না। এমনকি এইসময় কোন প্যাক ব্যবহার করবেন না।

২। রিবন্ডিং এর ব্যবহৃত পণ্যগুলো কোন ব্রান্ডের তা ভাল করে দেখে নিন। সম্ভব হলে পণ্যে ব্যবহৃত উপাদানগুলো একবার দেখে নিন।

৩। রোদ, বৃষ্টি, ঠান্ডা বাতাস থেকে চুলকে রক্ষা রাখুন। ছাতা, স্কার্ফ অথবা হ্যাট ব্যবহার করুন।

৪। হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

৫। চুলে যেকোন প্রকার রাসায়নিক পদার্থ যেমন হেয়ার কালার, হাইলাইটিং অথবা অন্য কোন রাসায়নিক পদার্থ দুই মাসের আগে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

৬। চুল রিবন্ডিং করার পর কমপক্ষে দুই সপ্তাহ সাঁতার কাটা থেকে বিরত থাকুন। সুইমিং পুলের ক্লোরিন চুলকে রুক্ষ করা তুলতে পারে।

৭। চুল শ্যাম্পু করার পর অবশ্যই চুলে কন্ডিশনার লাগাবেন।

৮। সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন চুলে তেল লাগাবেন। এতে রিবন্ডিং এর হিটের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ চুল ঠিক হবে।

৯। চওড়া দাঁতের চিরুনি চুল আঁচড়ানোর জন্য ব্যবহার করুন।

১০। চুল ধোয়ার জন্য ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন। চুল ময়লা হলে শ্যাম্পু করুন।

১১। চুল রিবন্ডিং উপযোগী শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। নিয়মিত হেয়ার সিরাম ব্যবহার করুন। এটি চুল ভেঙ্গে যাওয়া রোধ করবে।

রিবন্ডিং চুল সঠিক নিয়মে যত্ন করা গেলে দীর্ঘদিন পর্যন্ত চুল স্ট্রেইট থাকে।

চুল পড়া বন্ধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে যে উপাদানটি

21

চুল পড়া সমস্যা ছেলে মেয়ে উভয়েরই হয়ে থাকে। ঠিক কতটা চুল পড়লে আপনি একে চুল পড়া সমস্যা বলবেন? হেয়ার এক্সপার্টদের মতে প্রতিদিন ১০০ চুল পড়া স্বাভাবিক। ১০০ টার বেশি চুল পড়লে তখন দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। কী কী কারণে চুল পড়তে পারে? তা কি জানেন? চুল পড়া রোধ করার আগে এর কারণগুলো জেনে নেওয়া যাক।
কারণ:
মানসিক দুশ্চিন্তা
গর্ভবস্থায় অনেক সময় চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যায়
আয়রনের অভাব
বিভিন্ন অসুখের কারণে
বংশগতভাবে
আমিষের অভাবে
বিভিন্ন ঔষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
অতিরিক্ত ওজন হ্রাস ইত্যাদি

একটি মাত্র উপায়ে যদি এই চুল পড়া রোধ করা যায়, তবে কেমন হয় বলুন তো? দারুন না? আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক সেই জাদুকরী উপায়টি।

যা যা লাগবে:

– ১ লিটার পানি
– পেয়ারা পাতা

যেভাবে তৈরি করবেন:

১। এক লিটার পানিতে এক মুঠো পেয়ারা পাতা দিয়ে ২০ মিনিট সিদ্ধ করুন। ফুটে আসলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন

২। এবার এটি ঠান্ডা করতে রাখুন।

৩। ঠান্ডা হয়ে গেলে এটি মাথার তালুতে ম্যাসাজ করুন। এভাবে কয়েক ঘন্টা রাখুন।

৪। তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন।

৫। এছাড়া এটি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মাথার তালুতে ম্যাসাজ করুন। সারা রাত এভাবে রাখুন।

৬। পরের দিন সকালে চুল ধুয়ে ফেলুন।

৭। এটি প্রতিদিন ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।

কার্যকারণ:

প্রাকৃতিক উপায়ে চুল গজাতে এটি বেশ কার্যকর। পেয়ারা পাতায় ভিটামিন বি রয়েছে যা চুলের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এটি চুলের ফলিক অ্যাসিড তৈরি করে চুলের গোড়া মজবুত করে থাকে। এই একটি উপায় আপনার চুল পড়া রোধ করবে, নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে চুলের গোড়া মজবুত করে তুলবে।

প্রতিদিন ব্যবহৃত কসমেটিক্সগুলো ত্বক এবং স্বাস্থ্যের যেসব ক্ষতি করছে

20

নারীরা প্রায় প্রতিদিন কসমেটিক্স ব্যবহার করেন। সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে কসমেটিক্সের সাহায্য নিয়ে থাকেন প্রায় সকল নারীই। কিন্তু আপনি কি জানেন, এই কসমেটিক্স আপনার ত্বকের ক্ষতির কারণ? কসমেটিক্সে আছে ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান, যা আপনার ত্বক এবং স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে তিল তিল করে। প্রতিদিন যে কসমেটিক্স ব্যবহার করছেন তা ত্বকের জন্য কতটা ক্ষতিকর আজ আপনাদেরকে তা জানিয়ে দেয়ার ছোট্ট চেষ্টা থাকবে এই লেখায়।
১। লিপস্টিক
প্রায় প্রতিটি নারীর প্রতিদিন ঠোঁট রাঙাতে ব্যবহার করেন লিপস্টিক। লিপস্টিক ঠোঁটের ময়েশ্চারাইজ শুষে নেয়। এতে ব্যবহৃত কেমিক্যাল, ক্ষতিকর লেড ঠোঁটের লোমকূপ বন্ধ করে এবং কোষের স্থায়ী ক্ষতি করে।

২। কাজল
অনেকেই চোখের সাজ বলতে কাজল অথবা আইলাইনারকে বুঝিয়ে থাকেন। কাজল ব্যবহারে চোখের অনেক ক্ষতি হয়ে থাকে। কাজলের রাসায়নিক পর্দাথ চোখ শুষ্ক করে, কঞ্জাক্টিভাইটিস, ইউভাইটিস্ম গ্লুকোমাসহ চোখের নানা ইনফেকশনের কারণ হতে পারে। এছাড়া চোখের সার্জারি অথবা চোখের কোন সমস্যার সময় কোন প্রকার চোখের কসমেটিক্স ব্যবহার করা উচিত নয়।

৩। নেলপলিশ
নখ রাঙাতে নেলপলিশের জুড়ি নিই। অতিরিক্ত নেলপলিশের ব্যবহার নখ তার কোমলতা হারিয়ে ফেলে। নখের ভঙ্গুরতা বৃদ্ধি পায়, এবং হারিয়ে ফেলে তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য।

৪। ট্যালকম পাউডার
গরমে স্বস্তি পেতে প্রায় সবাই ব্যবহার করেন ট্যালকম পাউডার। বেশিরভাগ ট্যালকম পাউডারে কার্সিনোজেনিক নামক উপাদান রয়েছে যা ত্বকের ক্ষতিকর করে। অ্যালার্জি, ইনফেকশনসহ ত্বকের নানা ক্ষতি করে থাকে এই পাউডার। এটি অনেক সময় ওভারিন ক্যান্সারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়!

৫। ব্লিচ ক্রিম
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে ব্লিচ ক্রিমের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয় নারীদের মাঝে। ব্লিচ ক্রিমে হাইড্রোকিউনোনি নামক উপাদান রয়েছে যা ত্বক শুষ্ক করে। ত্বকে র‍্যাশ, জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে থাকে। এছাড়া এটি অতিরিক্ত ব্যবহার ত্বকের স্থায়ী ক্ষতি করে থাকে।

৬। হেয়ার কালার
হেয়ার কালার ব্যবহার করার আগে এর প্রভাব সম্পর্কে জেনে নেওয়া উচিত। চুল রুক্ষ, প্রাণহীন, আগা ফাটা, ত্বকের জ্বালাপোড়া, মাথার তালু চুলকানি সহ নানা সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। হেয়ার কালারে P-Phenylenediamine নামক উপাদান ক্যান্সার, প্রজনন প্রজনন ক্ষমতায় সমস্যা, অ্যালার্জি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হওয়া, ত্বকের ইনফেকশন, ফুসফুসের ইনফেকশনের মত রোগের জন্য দায়ী।

ডার্ক সার্কেল দূর করার ৫টি ঘরোয়া উপায়

19

রাত জাগা, অতিরিক্ত চিন্তা ও কাজের চাপসহ অনেক কারণে চোখের আশেপাশের অংশ কালচে হয়ে যেতে পারে। ডার্ক সার্কেলের কারণে সৌন্দর্যহানি তো হয়ই, পাশাপাশি অসুস্থ ভাব চলে আসে চেহারায়। এই কালচে দাগ বা ডার্ক সার্কেল dark circles দূর করতে পারেন ঘরোয়া বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদানের সাহায্যে। জেনে নিন কীভাবে দূর করবেন-
শসাঃ
গরমে শরীর ঠাণ্ডা রাখে শসা। শসা স্লাইস করে ফ্রিজে রাখুন ১০ মিনিট। বাইরে থেকে ফিরে ঠাণ্ডা শসার টুকরা চোখের উপর দিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। ডার্ক সার্কেল চলে যাবে। পাশাপাশি কাটবে ।

আলুঃ
চোখের আশেপাশের কালো দাগ দূর করার জন্য আলু খুবই কার্যকর। আলু পাতলা স্লাইস করে কেটে চোখের উপর দিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। প্রতিদিন নিয়মিত করলে ধীরে ধীরে কমে যাবে ডার্ক সার্কেল।

গোলাপের পাপড়িঃ
গোলাপের পাপড়ি বেটে চোখের নিচে লাগান। শুকিয়ে গেলে গোলাপজল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কালো দাগ দূর হবে।

স্ট্রবেরিঃ
স্ট্রবেরিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। স্ট্রবেরি টুকরা করে চোখের উপর দিয়ে রাখুন। ডার্ক সার্কেল চলে যাবে দ্রুত।

তরমুজঃ
তরমুজ চটকে ত্বকসহ চোখের আশেপাশে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। ডার্ক সার্কেল দূর হওয়ার পাশাপাশি উজ্জ্বল হবে ত্বক।

⇒ ভালো লাগলে প্লিজ বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন শেয়ার করতে √ এখানে ক্লিক করুন

একটি ফেসপ্যাক আপনাকে দেবে উজ্জ্বল ও দাগহীন ত্বক!

18

গ্রীষ্মের রসালো ফল তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। এই গরমে পানির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি এ ফলটি আপনাকে সাহায্য করবে সুন্দর ও সুস্থ ত্বক পেতে।
তরমুজের সঙ্গে টক দই মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করে ত্বকে লাগান। টক দইয়ে রয়েছে ল্যাকটিক অ্যাসিড ও বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিগুণ যা ব্রণ ও বলিরেখা দূর করে। তরমুজের প্রায় ৯৩ ভাগই পানি। পানির পাশাপাশি এতে রয়েছে ভিটামিন-সি, ভিটামিন- এ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

তরমুজ ত্বকের প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে কাজ করে। রোদে পোড়া দাগ দূর করতেও জুড়ি নেই রসালো তরমুজের। এছাড়া তীব্র গরমে ত্বক ঠাণ্ডা রাখার পাশাপাশি তরমুজের ফেসপ্যাক Watermelon face pack আপনাকে দেবে উজ্জ্বল ও দাগহীন ত্বক। জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন ফেসপ্যাক-

– ২ চা চামচ তরমুজের রস ও ২ চা চামচ টক দই একসঙ্গে মেশান। মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। ২০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ত্বক ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই দিন ফেসপ্যাকটি ত্বকে লাগালে দ্রুত ফল পাবেন।

এটা রণবীরের বেফিক্রে ছবির পোস্টার

10

মুক্তি পেয়েছে বেফিক্রের নতুন পোস্টার। এই পোস্টারেও প্যাশনেট আক্রমণাত্মক চুম্বন। প্যারিসের একটি বাড়ির ছাদের ওপর লিপ লক অবস্থায় দেখা গেছে রণবীর সিং ও বাণী কাপুরকে।

রণবীর সিং ও বাণী কাপুর টুইটারে পোস্টারটি প্রকাশ করেছেন। ছবির প্রথম পোস্টারেও ঠোঁটে ঠোঁটে চুমু খেতে দেখা গিয়েছিল রণবীর ও বাণীকে। দ্বিতীয় পোস্টারেও তাই। ছবির প্লট প্যারিস। দ্বিতীয় পোস্টারে তার আন্দাজ মিলেছে। রণবীর আর বাণীর পিছনে, দূরে দেখা যাচ্ছে আইফেল টাওয়ার।

লাস্ট ট্যাঙ্গো ইন প্যারিস ছবির গল্প অবলম্বনে তৈরি হয়েছে বেফিক্রে । ছবিটি একটি প্যাশনেট লাভস্টোরি। বাঁধনছাড়া প্রেম নিয়েই গড়ি উঠেছে গল্প। শোনা গেছে ছবিতে নাকি রণবীর আর বাণীর অনেক রোম্যান্টিক সিন আছে। এ বছর ৯ ডিসেম্বর রিলিজ় করবে বেফিক্রে ।

২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত টিকবেন না ধোনি, সৌরভের বিশ্বাস –

9

২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপেও কি ভারতকে নেতৃত্ব দেবেন এমএস ধোনি? তেমনটা ঘটলে খুব অবাক হবেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী। তিনি মনে করেন, শিগগিরই সীমিত ওভারে দেশকে নেতৃত্ব দেয়ার দায়িত্ব বিরাট কোহলিকে দেয়া উচিৎ। নির্বাচকদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করার তাগাদা দিয়েছেন সৌরভ।

“ধোনি ৯ বছর ধরে নেতৃত্ব দিচ্ছে। এটা লম্বা সময়। অধিনায়কের কাজটা দারুণভাবে করেছে সে। কিন্তু ভারতকে আরো চার বছর ২০১৯ পর্যন্ত নেতৃত্ব দেয়ার সামর্থ্য কি তার আছে? টেস্ট ক্রিকেট ছেড়ে দিয়েছে সে। এখন খালি ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলে।” ধোনির আগে ভারতের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক ছিলেন সৌরভ। এখন ক্রিকেট প্রশাসক হয়ে যাওয়া সৌরভ বলেছেন, “ধোনিকে ২০১৯ পর্যন্ত ভারতের নেতৃত্বে দেখতে চায় কি না তার জবাব নির্বাচকদের খুঁজতে হবে। যদি জবাব না হয় তাহলে নতুন অধিনায়ক বেছে নিতে হবে। জবাব হ্যাঁ হলে ধোনি থাকুক। যদিও আমার তাতে খুব অবাক লাগবে।”

দেশের ভবিষ্যৎকে সামনে রেখে সৌরভ বলেছেন, “বিশ্বের সব দলই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করে। আমার প্রশ্ন হলো ৩/৪ বছর পরও নির্বাচকরা ভারতের অধিনায়ক হিসেবে এমএস ধোনিকে দেখে কি না?” সৌরভ অবশ্য ধোনিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতের জন্য এখনো প্রয়োজনীয় মানেন, “আমি বলছি না তাকে ক্রিকেট ছাড়তে হবে। আমার মনে হয় ছোটো সংস্করণের ক্রিকেট খেলে যাক সে। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ভারতের এখনো তাকে দরকার।”

টেস্টে অধিনায়ক হিসেবে সাফল্য পাওয়া কোহলির ব্যাপারে সৌরভ বলেছেন, “বিরাট কোহলি দিনে দিনে আরো ভালো হচ্ছে। ধারাবাহিকতায় এখন সম্ভবত সেই বিশ্বের সেরা। তার মানসিক শক্তি অকল্পনীয়। মাঠে তার চাল চলন অসাধারণ। টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে তার রেকর্ডও দারুণ। ধোনি কি করতে চায় তার ওপর নির্ভর করছে কোহলির হাতে নেতৃত্ব দেওয়ার ব্যাপারটি। তাকে (ধোনি) অসম্মান করা যাবে না। দেশের মহান অধিনায়কদের একজন সে।”

বরফশীতল রূপচর্চা!

8

ফ্রিজের ভেতরেই যদি থাকতে পারতাম! গরমে এর চেয়ে আরাম আর কোথায় পাওয়া যাবে? গরমের সময় ঠান্ডা যেকোনো কিছুই ভালো লাগে। এ সময় জীবনযাপনে শীতল স্পর্শ এনে দেয় কিছুটা আরাম। রূপচর্চাতেও নিয়ে আসতে পারেন এই শীতলতা। বরফের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন ত্বকের লাবণ্য। জানালেন আয়ুর্বেদ রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা।
বিভিন্ন ফলের রস অথবা অন্য কোনো উপাদান দিয়ে বরফের কিউব বানিয়ে সেটা রূপচর্চায় ব্যবহার করা যায়। বিষয়টি সহজ, সময়ও বাঁচায়। কিশোরী বয়স থেকে যেকোনো ত্বকের অধিকারী বরফ কিউবের মাধ্যমে রূপচর্চা করতে পারবেন। যাঁরা মাথা ব্যথায় ভোগেন সাইনাস কিংবা মাইগ্রেনের কারণে, তাঁদের বেলায় শুধু নিষেধাজ্ঞা। বাইরে রোদ থেকে এসে ব্যবহার করা যাবে। আইস কিউব ব্যবহারে মেকআপ অনেকক্ষণ স্থায়ী হয়।
বিভিন্ন ধরনের আইস কিউব
* কাঁচা দুধ ও মধু মিশিয়ে বানানো আইস কিউব রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে এবং বলিরেখা ও ত্বকের দাগ কমাতে সাহায্য করে। ভালো ফলের জন্য রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আইস কিউবটি পুরো মুখে মেখে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। এটা ত্বক ময়েশ্চারাইজার করবে, দূষণ ও সূর্যের ক্ষতিকর বেগুনি রশ্মি থেকে ত্বকের পোড়া ভাব কমাবে। তবে তৈলাক্ত ত্বকে এই কিউবটি ব্যবহার করা যাবে না। এই শুষ্ক ত্বকের জন্য উপযোগী।

* ব্রণ ও রোদে পোড়া দাগের জন্য ব্যবহার করুন গ্রিন টি দিয়ে তৈরি আইস কিউব।
* তরমুজের রস ও পুদিনা পাতা আইস কিউব ব্যবহারে ত্বক কোমল করে এবং ত্বকের ক্লান্তি ভাব দূর করে। এই গরমের জন্য খুবই উপকারী।
.* লেবুর রস, মধু ও পুদিনা পাতা রস দিয়েও তৈরি করা যায় আইস কিউব। এই আইস কিউব সূর্যের পোড়া ভাবের জন্য খুবই উপকার। এটি তৈলাক্ত ত্বক এবং সেনসিটিভ ত্বকের জন্য দারুণভাবে কাজ করে।
* শসার রসের আইস কিউব আপনার ত্বকে আনবে সজীবতা।
* নিমপাতা ও হলুদ জ্বাল দিতে হবে। ঠান্ডা করে সেই পানি আইস কিউব বাক্সে ঢেলে এবার ডিপফ্রিজে জমিয়ে নিন। এই আইস কিউব অসাধারণভাবে কাজ করে ব্রণ ও ব্ল্যাক হেডস দূর করতে। এটি যেকোনো ত্বকের অ্যালাজি এবং জ্বালা পোড়ার জন্যও কাজ করবে।
* বাঙ্গির রস দিয়েও বানিয়ে নিতে পারেন আইস কিউব। এটা শুষ্ক ও মিশ্র ত্বকের জন্য উপকারী।
* গোলাপ পানি ত্বকের জন্য উপকারী। এটা ত্বককে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন বাইরে থেকে এসে গোলাপ পানির কিউব ব্যবহার করতে পারেন। ত্বকে আনবে সতেজ ভাব। এটি সব রকম ত্বকের জন্যই উপযোগী।
আইস কিউব ব্যবহারের পর মুখ ধুয়ে ফেলুন।
আপনি দিনের যে সময়েই আইস কিউব ব্যবহার করুন না কেন, মুখ ধোয়ার পর অবশ্যই ক্রিম লাগাতে হবে।

নোটিশ বোর্ড

7

রকমারি খাদ্য উৎসব
রান্না ও পুষ্টিবিদ প্রয়াত সিদ্দিকা কবীরের ৮৫তম জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে সিদ্দিকা কবীর রিসার্চ ফাউন্ডেশন আয়োজন করেছিল রকমারি খাদ্য উৎসবের। রাজধানীর নিউ বেইলি রোডের মহিলা সমিতি মিলনায়তনে ৭ মে সকাল ১০টায় এ উৎসবের উদ্বোধন হয়। উদ্বোধন করেন রোটারি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রথম নারী ডিস্ট্রিক গভর্নর (সদ্য সাবেক) সাফিনা রহমান। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ মহিলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক তানিয়া বখত এবং জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম। সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের সহসভানেত্রী সিতারা আহসানউল্লাহ। তিনি বলেন, ‘সিদ্দিকা কবীরের অভাব আমরা সব সময় বোধ করছি। এটাই তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ সঞ্চয়।’ দুই দিন ধরে চলে এ উৎসব। সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ছিল এই আয়োজন। উৎসবে ১২ জন রন্ধনশিল্পী তাঁদের হাতে তৈরি খাবার প্রদর্শন করেন। উৎসব আয়োজনে সহযোগিতায় ছিল এসিআই লিমিটেড ও প্রাণ-আরএফএল লিমিটেড।
খাবারের উৎসব
পেপসিকোর স্ন্যাক্স ব্র্যান্ড কুড়কুড়ের আয়োজনে চলছে ‘চাট ফেস্ট ২০১৬’। রাজধানীতে স্বপ্ন ডিপার্টমেন্ট স্টোরের পাঁচটি শাখায় (বনানী বাজার, গোপীবাগ, মিরপুর ৬, উত্তরা ১১ ও মণিপুরিপাড়া) পাওয়া যাবে এই চাটের স্বাদ। কুড়কুড়ে দিয়ে তৈরি মজাদার নানা ধরনের চাট মিলবে এখানে। ৬ মে থেকে শুরু হওয়া এই উৎসব শেষ হবে ১২ মে।

.ঈদ ফ্যাশন ক্যাটালগ
প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদের আগে ঈদ ফ্যাশন ম্যাগাজিন প্রকাশ করছে শীর্ষস্থানীয় ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার। ঈদের ফ্যাশন ক্যাটালগধর্মী এই ম্যাগাজিনে ফ্যাশন হাউসগুলোর ঈদ পোশাকের ছবি ছাপানোর সুযোগ রয়েছে। ছবি ছাপাতে হলে পোশাক জমা দিতে হবে ১৯ মের মধ্যে। পোশাক হবে দেশি উপাদানে তৈরি। পোশাকের সঙ্গে থাকবে ডিজাইনারের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, দাম এবং বাংলা বা ইংরেজিতে পোশাকের সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও দিতে হবে। পোশাকের ডিজাইন হতে হবে নিজস্ব ও আবহাওয়া উপযোগী। জমা দেওয়া পোশাক ও অনুষঙ্গ ফেরতযোগ্য। কমপক্ষে ছয়টি পোশাক জমা দিতে হবে। আর জমা দেওয়ার সময় প্রতিটি পোশাকের জন্য ৫০০ টাকা করে এন্ট্রি ফি দিতে হবে। পোশাক জমা ও বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য যোগাযোগ—সৈয়দ আহমেদ চৌধুরী (০১৭১১৬২৩৯০৫), কামাল হোসেন (০১৭১৬২৩২৫৩৪)।
গরমের জুতা
গরমে আরামদায়ক জুতা মিলবে ক্যাটস আইতে। অফিস, পার্টি বা দাওয়াতের জন্য থাকছে বিভিন্ন নকশার জুতা।
নতুন শাখা
উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরের ২৯ নম্বর বাড়িতে নতুন শাখা চালু করল মি অ্যান্ড মম। মা ও শিশুদের নানা ধরনের পণ্য মিলবে এখানে।
নতুন খাবার

দ্য ওয়েস্টিন ঢাকা নতুন স্বাদের খাবার যোগ করেছে তাদের তালিকায়। অস্ট্রেলিয়া থেকে আনা বিফ স্টেক ও সামুদ্রিক মাছের গ্রিলের স্বাদ প্রতিদিন নিতে পারবেন হোটেলের প্রেগো রেস্তোরাঁয়।

তারায় তারায় সাজপোশাক

6

খোঁপায় পরা বেলিতে কেউ স্নিগ্ধ, জামদানিতে কেউ অভিজাত, কারও গয়না ছড়াচ্ছে আলাদা দ্যুতি, লাল বা কালোয় কেউ জমকালো—আবার স্যুট-বুটে কেউ কেতাদুরস্ত, কেউবা একেবারেই ক্যাজুয়াল। সেদিন সন্ধ্যায় তারকারা এসেছিলেন নানা রঙের নানা ছন্দের সাজপোশাকে। ২৯ এপ্রিল রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে উপলক্ষটা ছিল মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ২০১৫ অনুষ্ঠান৷ কোন তারকা কী পরেছিলেন, কীভাবে সেজেছিলেন—এ নিয়ে আগ্রহ ছিল দর্শকদের। সেই অনুষ্ঠানে তারকাদের সাজপোশাক নিয়েই নকশার এই আয়োজন৷

জয়া,মিম,মাহি* জমকালো জয়া
লেসের কাজ করা নেটের শাড়িতে জয়া আহসানকে বেশ জমকালো লাগছিল। সঙ্গে ছিল আকাশি রঙের পাথর বসানো ঝোলানো ধাতব দুল। এক হাতে ব্রেসলেট, আরেক হাতে ঘড়ি। ম্যাচিং করে কালো রঙের ক্লাচ নিয়েছিলেন।

* টুকটুকে মিম
দেশি কাপড় দিয়ে বানানো মিমের জমকালো পোশাকটা ফিউশনধর্মী। পরেছিলেন লাল লেহেঙ্গা। জামদানি ব্যবহার করা হয়েছে লেহেঙ্গায়। ব্লাউজটা ছিল নেটের। সব মিলিয়ে লাল টুকটুকে সাজে সেজেছিলেন মিম।

* অন্য মাহি
মিষ্টি গোলাপি কাতানে চওড়া জরির পাড়, পেছনে পনিটেইল বাঁধা চুলে বেলির মালা, আর কপালে গোল টিপ। চিরায়ত বাঙালি সাজে এ যেন এক অন্য মাহি।

হাবিব* ব্যাক ব্রাশে হাবিব
সাদা টি-শার্ট আর নরম কাপড়ের ক্যাজুয়াল ব্লেজার বেছে নিয়েছিলেন হাবিব ওয়াহিদ। চুল ব্যাক ব্রাশে উল্টে নিয়েছিলেন পরিপাটি করে। খোঁচা খোঁচা দাড়িতে বাড়তি সুবিধা এনে দিয়েছিল হাবিবের ক্যাজুয়াল স্টাইলে। আর হ্যাঁ, কানের দুলটাও নজরে আসছিল অনেকের।

জাহিদ হাসান* শুভ্রতায় জাহিদ হাসান
সাদা পাঞ্জাবি-পায়জামার ওপর এই সময়ের ট্রেন্ডি কটি পরে এসেছিলেন জাহিদ হাসান। এক হাতে ঘড়ি—এটুকুতেই নজর
কাড়েন তিনি।
তিশা* স্নিগ্ধ তিশা
আড়ংয়ের সাদা জামদানি শাড়ি। খোঁপায় বেলি ফুল, হাতে লাল চুড়ি আর কপালে লাল টিপ। দারুণ স্নিগ্ধ তিশা।

অপি* লাল–কালোয় জমকালো অপি
লাল শাড়িতে সুতার ভরাট কাজ। উঁচু গলার কালো ব্লাউজটার সঙ্গে মিলিয়ে হাতের ক্লাচ ব্যাগ। এক হাতে চুড়ি, অন্য হাতে কালো বেল্টের ঘড়ি। সব মিলিয়ে লাল–কালোয় জমকালো অপি করিম।

* কালো টিপে শাহীন সামাদ
পরনের শাড়ি ও ব্লাউজের সঙ্গে মিলিয়ে কপালে কালো টিপ পরেছিলেন শাহীন সামাদ। গলায় চিকন মালা আর চুলে ছিল বেলি ফুলের সুবাস।
* কালো ছাইয়ে অভিজাত
কালো আর ছাই রঙা শাড়িতে সেজেছিলেন সংগীতশিল্পী সাদিয়া আফরিন মল্লিক। শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে গলায় পরেছিলেন মালা।
শাহীন সামাদ,ফরিদা পারভীন,অদিতি মহসিন* হলুদ রঙে
লেবু–হলুদ রঙা শাড়ির সঙ্গে কপালে লাল টিপ দিয়েছিলেন ফরিদা পারভীন। আঁকা চোখ, ঠোঁটে দিয়েছিলেন গাঢ় রঙের লিপস্টিক।

* মুক্তার গয়নায় অদিতি
সুতির শাড়ির ওপরে অদিতি মহসিন পরেছিলেন ছাই রঙের মুক্তার গয়না। ছোট্ট একটা টিপ দিয়েছিলেন কপালে।

স্বাগতা, সভ্যতা ও সন্ধি* তিন তারা
দুদিকে সাদা, মাঝখানে চোখজুড়ানো সবুজ। স্বাগতা, সভ্যতা আর সন্ধি—তিন ভাইবোনের সাজপোশাকে তারুণ্যের উচ্ছলতা। স্বাগতার হাতা কাটা ব্লাউজের বর্ডারে শাড়ির পাড়ের গোলাপি পাইপিং, চুলের পুঁতির ব্যবহার। সভ্যতা পরেছিলেন ব্যান্ড গলার সবুজ টপ আর সন্ধির সাদা পাঞ্জাবি।

বিন্দু* স্টাইলিশ বিন্দু
গাউনটির কাটে স্কার্ট-টপের ছাঁট৷ কালো-ছাইরঙা পোশাকে সিকোয়েন্সের কাজ এনেছে জমকালো আমেজ৷ মেসি স্টাইলে উঁচু করে বাঁধা চুলে স্টাইলিশ বিন্দু৷

বরী* মিষ্টি সাজে কবরী
ড্রেসিডেল থেকে কেনা শাড়ি পরেছিলেন কবরী। কানে-গলায় ছিল শেলের গয়না, হাতে মুক্তার চুড়ি। কপালে টিপ, নাকে নাকফুল আর ছাড়া চুলের সাদামাটা সাজে বরাবরের মতোই ‘মিষ্টি মেয়ে’ কবরী।

মেহজাবিন,আরিফিন শুভ ও নুসরাত ফারিয়া* সোনালি মেহজাবিন
মেহজাবিনের আনারকলিতে ছিল সোনালি সুতায় পেটানো জরির কাজ। ন্যাচারাল মেকআপের সঙ্গে খোলা চুল। কপালে ছোট কালো টিপ, বেশ মিষ্টি দেখাচ্ছিল এই তারকাকে৷

মাহফুজ* স্মার্ট ক্যাজুয়াল মাহফুজ
ফুলহাতা শার্ট হালকা নীল রঙের। সঙ্গে কালো গ্যাবার্ডিন প্যান্ট, কালো জুতায় স্মার্ট মাহফুজ আহমেদ।

* নায়কের সাজে আরিফিন শুভ
অনুষ্ঠানজুড়ে তাঁকে অভিনয় করতে হয়েছিল সিনেমার নায়ক হিসেবে। সে অনুযায়ী ছিল পোশাক। পরনে ছিল লাল রঙের শার্ট, ভেতরে ছাপা গেঞ্জি। এর সঙ্গে হালকা নীল রঙের জিনস, পায়ে এডিডাস কনভার্স।
* লেহেঙ্গায় ফারিয়া
অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া পরেছিলেন বোন মারিয়া ফয়সালের নকশা করা লেহেঙ্গা। কালচে খয়েরি টপের সঙ্গে নিচের দিকে পরেছিলেন সোনালি জরির কাপড়ে তৈরি অনেক ঘেরওয়ালা লেহেঙ্গা। গলায় ভারী পাথরের মালা।

তাহসানমম* জেমস বন্ড তাহসান
একদিকে উপস্থাপক, অন্যদিকে জেমস বন্ড। প্রথমে তাহসানের পরনে ছিল পুরো কালো রঙের স্যুট। ফেরদৌস টেইলার্স থেকে বানানো স্যুটের সঙ্গে টাইও পরেছিলেন। পরে পোশাক পাল্টে হালকা রঙের স্যুট পরেন, যেটা রেলুসে থেকে কেনা। হাতে র্যা ডোর ঘড়ি। পরনে ছিল সাদা শার্ট।

* অনন্য মম
সাধারণ সাজেও মম হয়ে উঠেছিলেন অনন্য। পরে এসেছিলেন জরির বর্ডার দেওয়া একরঙা শিফনের শাড়ি।
কানে ঝোলানো দুল। হাতে ছিল ঘড়ি ও ব্রেসলেট।

মিথিলা,মোহনা মিম* শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে
সোনালি বর্ডারের লাল শিফনের শাড়ি পরেছিলেন মিথিলা। শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে গলায় ছিল লাল মালা আর হাতে সোনালি চুড়ি।

* কালোতেই উজ্জ্বল মোহনা মিম
অনুষ্ঠান উপলক্ষেই পোশাকটি বানিয়েছেন মোহনা মিম। লম্বা কুর্তা কাটের কালো কামিজেই ছিলেন উজ্জ্বল।

নোবেল* নোবেল স্টাইল
শার্টটাই ছিল নজরকাড়া। নোবেলের সাদা রঙের শার্টের হাতাটা ছিল প্রিন্টের। ইতালির ব্র্যান্ড ভার্সাচের শার্টটা তিনি উপহার পেয়েছিলেন এক বন্ধুর কাছ থেকে। বেল্ট ও বুট ছিল ডিজেল ব্র্যান্ডের। আর নোডি ব্র্যান্ডের হালকা নীল রঙের জিনস। শার্টের সঙ্গে বেশ মানিয়ে ছিল।
হৃদয় খান* স্পাইক চুলে হৃদয় খান
হৃদয় খান পোশাকে বেছে নিয়েছিলেন সাদা-কালো রং। সাদা টি-শার্ট আর কালো ব্লেজার। তবে চুলগুলো ছিল অন্য রকম। সামারকাট চুলে স্পাইক করে এসেছিলেন হৃদয় খান।

সামিয়া আফরীন,শবনম ফারিয়া* চাপা সাদায় সামিয়া
চাপা সাদা শাড়িতে সোনালি নকশা করা। সামিয়া আফরীনের ব্লাউজও ছিল নজরকাড়া। খোলা চুলে এক হাতে ঘড়ি, অন্য হাতে ব্রেসলেট পরেছিলেন।

* শাড়িতে শবনম
শবনম ফারিয়া পরেছিলেন সাদা শিফনের শাড়ি। পাড়ের দিকে গোলাপি ও সবুজ কুঁচির কাজ। তার সঙ্গে মিলিয়ে হাতাকাটা ব্লাউজ।

* সাবিলা নূর
লম্বা লেইসের কটি পরে এসেছিলেন সাবিলা নূর। গলা, হাত আর কানে পরেছিলেন সেটের গয়না।

* গাউনে ভাবনা ও বেনজির
সিঙ্গাপুর থেকে ক্রিশ্চিয়ান ডিওরের গাউনটি কিনেছেন ভাবনা। হাতের ঘড়িটা ছিল ওমেগার।
মেঝে ছোঁয়ানো গাউন পরেছিলেন মডেল বেনজির। এক হাতে ঘড়ি, অন্য হাতে ক্লাচ।

সাবিলা নূর,ভাবনা, বেনজির,বাপ্পি* রাঙামাটির সাজে টয়া
রেড কার্পেটে পিনন-খাদি পরা টয়াকে দেখে অনেকেই অবাক হয়েছিলেন সেদিন৷ এই তারকা জানালেন, মেরিল-প্রথম আলো অনুষ্ঠানের জন্যই তাঁর জন্মস্থান রাঙামাটি থেকে আনিয়েছেন এই পিনন-খাদি৷

* লাভার বয় বাপ্পি
চলচ্চিত্র অভিনেতা বাপ্পি এদিনও ছিলেন ‘লাভার বয়’ ইমেজে। ক্রিম কালার শার্টের ওপর চাপিয়ে এসেছিলেন ব্লেজার। ট্রিম করা দাড়ি আর হাতে সাজানো চুলের সামনের দিকটা লালচে রং করা।

রুমা, টুম্পা ও ইমি* শাড়ি গাউনে তিন কন্যা
মডেল রুমা পরেছিলেন গাউন। চোখে স্মোকি সাজ।
কালো শাড়িতে টুম্পার ব্লাউজটি ছিল কালো-সোনালি রং।
মডেল ইমি এসেছিলেন স্টাইলিশ টপের সঙ্গে কায়দা করে পরা শাড়িতে। এক হাতে চুড়ি পরেছিলেন তিনি।

অপর্ণা,বাঁধন,সাজু খাদেম,ঈশিতা,রিচি* অপর্ণার নজরকাড়া দুল
পরনের শাড়ির রংটা আরামদায়ক। তবে অপর্ণার বাহারি কানের দুলটাই বেশি নজর কেড়েছে। জয়পুর থেকে আনা এই দুল জোড়ায় ছিল মুক্তার কাজ।

* কাতানে বাঁধন
উজ্জ্বল কাতান শাড়ি পরেছিলেন বাঁধন। সোনার গয়নার সঙ্গে গাঢ় লিপস্টিক ছিল ঠোঁটে। হাতে ছিল সোনালি ক্লাচ।

* ছোট ঝুমকা কানে ঈশিতা
হালকা সাজের সঙ্গে সবুজ সুতার শাড়ি পরেছিলেন ঈশিতা। কানে ছিল ছোট ঝুমকা।

* রোদচশমায় সাজু খাদেম
ছোট ডটের কালচে নীল শার্ট আর গ্যাবার্ডিন প্যান্ট। পায়ে ক্যাজুয়াল লোফার। এক হাতে ঘড়ি অন্য হাতে দুটি বালা। চোখে বরাবরের মতো একটি কালো রোদচশমায় ক্যাজুয়াল সাজু খাদেম।

উদয়, নাজিফা ও রাজ, তানিশা ও দিহান, অমৃতা* দুই বোনের দুই সাজ
দুই বোনের মধ্যে তানিশা পরেছিলেন হাঁটু ঝুলের লেইসের ড্রেস। পাথরের কোমরবন্ধনীতে ভিন্ন ফ্যাশন। দিহানের পরনে ছিল সবুজ শাড়ি। সঙ্গে একই রঙের হাতাকাটা ব্লাউজ।

* মখমল গাউনে অমৃতা
কালো রঙের মখমল গাউনের সঙ্গে অভিনেত্রী অমৃতা নিয়েছিলেন লম্বা চেইনের ঝোলানো ব্যাগ। গয়না পরেছিলেন হাতে।

.* পার্টি সাজে রিচি
কালো শিফনের শাড়ি পরেছিলেন রিচি সোলাইমান। ঢাকা থেকেই ফরমাশ দিয়ে বিশেষভাবে তৈরি করা। তার সঙ্গে মিলিয়ে ব্লাউজ। আর চেহারায় পার্টি লুক রেখেছিলেন রিচি। গরমের কারণে চুলটা উল্টে আঁচড়ে ব্রাশ করে খোঁপা বেঁধে নিয়েছিলেন।

* গরমে আইসক্রিম
এসেছিলেন আইসক্রিম ছবির তিন অভিনয়শিল্পী—উদয়, নাজিফা ও রাজ। সাদা শার্ট আর স্যুট-বুটের সঙ্গে ব্যান্ডে প্যাঁচানো চুলে ছিলেন উদয়। নাজিফা তুষি কালো শাড়ির সঙ্গে পরেছিলেন হাতা কাটা ব্লাউজ। আরেক অভিনেতা শরিফুল রাজের ক্যাজুয়াল শার্ট ও ব্লেজার গরমেও জমে গিয়েছিল আইসক্রিমের মতো।

* রাহিমা সুলতানা
রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানার সাদা শাড়িতে ছিল ফুলেল নকশার কাজ। আলতো করে বাঁধা ছিল চুল।

* রূপ ও নকশার দুজন
ডিজাইনার লিপি খন্দকার পরেছিলেন খাদির তৈরি লম্বা কামিজ। পায়ে পরেছিলেন সোনালি ও তামাটে রঙের চুড়ি।
পিচ কালারের শাড়ির সঙ্গে পুরোনো ধাঁচের রুপার গয়না পরেছিলেন রূপবিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভীন। চোখে সোনালি আইশ্যাডো আর চুলটা ব্লো ডাই করে ছাড়া।

নুজহাত* রুপার গয়নায় নুজহাত
পুরো অনুষ্ঠানের শিল্পী, কলাকুশলীদের সাজিয়েছিল পারসোনা। পারসোনার পক্ষ থেকে এ কাজটা সামলেছেন নুজহাত খান। খোলা চুলের নুজহাত পরেছিলেন বাহারি রুপার গয়না। নাকে নাকছাবি। স্মোকি কালো চোখ আর ঠোঁটে হালকা লিপস্টিক।

মেহরিন,কর্ণিয়া* পোশাকে নজরকাড়া মেহরিন
লম্বা কাটের প্রিন্টের পোশাক বেছে নিয়েছিলেন মেহরিন। ওপরে চাপিয়েছিলেন থ্রি কোয়ার্টার হাতার কটি। গয়না বলতে এক হাতে চুড় পরেছিলেন।

* কালোতে কর্ণিয়া
লেইসের কালো টপ, কালো প্যান্ট লম্বা ফিতায় ঝোলানো ব্যাগ আর কালো বুট পরেছিলেন কর্ণিয়া। বড় কানের দুল আর স্মোকি চোখের সাজে জমকালো লাগছিল তাঁকে।

দিলারা জামান ও শর্মিলী আহমেদ* চেনা দুজন
দিলারা জামান পরেছিলেন চাপা সাদা জমিনের কালো ছাপের নকশা করা শাড়ি। ঠোঁটে হালকা লিপস্টিক আর গলায় কালো পুঁতির মালা। শর্মিলী আহমেদ শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে পরেছিলেন মালা। হাতে ব্রেসলেট ও চুড়। কপালে লাল টিপ। দুজনেই সঙ্গে নিয়েছিলেন বড় ব্যাগ।

মৌসুমী হামিদ* শুভ্রতায় মৌসুমী হামিদ
ভারী অ্যামব্রয়ডারির কাজ করা চাপা সাদা রঙের শাড়ি। পাড়ে পাথর এবং সোনালি স্প্রিংয়ের কাজ করা। মেকআপ তিনি নিজেই করেছেন, কেবল চুলটা আঁচড়ে নিয়েছেন ফারজানা শাকিলস থেকে। খোঁপা করা চুলে মুক্তা ও সাদা গ্লাডিওলাস। কানে সোনার ঝুমকা আর হাতে বালা। সঙ্গে ছিল লাল রঙের ক্লাচ।

তারা দম্পতি
সারা যাকের ও আলী যাকের* শাড়ি–পাঞ্জাবিতে যুগলবন্দী
সারা যাকের এসেছিলেন ডিজাইনার মায়া রহমানের নকশা করা পিচ জামদানি পরে। শাড়িতে নতুনত্ব আনতে ব্যবহার করা হয়েছে গোলাপি মুক্তা ও বেনারসি। গয়না ছিল পুঁতি, কাঠ ও সোনালি ধাতবে মেশানো। আর কালো পাঞ্জাবির ওপরে ভিন্ন রঙের কটি পরেছিলেন আলী যাকের।
রফিকুল আলম ও আবিদা সুলতানা* নীল-গোলাপির রফিকুল-আবিদা
সুতি কাপড়ের আকাশি নীল শার্টে জামদানির নকশা, সঙ্গে কালো প্যান্ট পরেছিলেন রফিকুল আলম। আর গোলাপি শাড়ির সোনালি আঁচলের সঙ্গে মিলিয়ে কানের দুল আর গলাজোড়া মালায় স্টাইলিশ আবিদা সুলতানা।

জুঁই ও মোশাররফ করিম* ক্যাজুয়াল মোশাররফ মিষ্টি জুুঁই
কােলা শার্ট আর ঘিয়ে রঙের গ্যাবার্ডিন প্যান্টে এসেছিলেন মোশাররফ করিম। চাঁপা সাদা সিল্কের শাড়ির সঙ্গে গলায় ভরাট মালা। মালাটা ভারী বলেই কানের দুলটা একটু ছোট পরেছিলেন জুঁই।

দীপা–শাহেদ* সবুজ-কালোতে দীপা–শাহেদ
হালকা সবুজ শিফন শাড়ির পাড়টা ছিল সোনালি। কালো টিস্যু কাপড়ে অ্যামব্রয়ডারি করা ব্লাউজের নকশাটা নিজেই করেছেন। কানে ছিল ঐতিহ্যবাহী মাকড়ি। শাহেদ আলী ছিলেন কালো টি–শার্ট আর জিনসের প্যান্টে ক্যাজুয়াল লুকে।

চিত্রলেখা–উত্তম* উজ্জ্বল চিত্রলেখা–উত্তম
দেিশ সাজে চিত্রলেখা গুহ ছিলেন দারুণ প্রাণবন্ত। পরেছিলেন দেশালের সুতি শাড়ি। সঙ্গে কমলা ব্লাউজ। শাড়ি-ব্লাউজ দুটোতেই ব্লক প্রিন্টের ছাপ। কানে-গলায় ছিল শান্তিনিকেতন থেকে কেনা কাঠ ও বিডসের গয়না, হাতে ডোকরার গয়না। আঙুলে শাখার আংটি। অক্সিডাইজড, অষ্টধাতুর ওপর পাথর বসানো আংটিও ছিল। গরম—তাই চুল বেঁধে তাতে গুঁজেছিলেন হলুদ রঙের কাপড়ের ফুল। আর কপালে বড় লাল গোল টিপ। গরমে আরাম পেতে সুতি পাঞ্জাবির সঙ্গে চোস্ত পায়জামায় উজ্জ্বল উত্তম গুহ।

নাঈম ও নাদিয়া* নাদিয়া ও নাঈম দুজনে দুজনার
বিশ্বরং বাই বিপ্লব সাহার লাল মসলিনের শাড়িতে দারুণ দেখাচ্ছিল নাদিয়াকে। লাল শাড়িতে সোনালি কারচুপি জরির কাজ। গলায় ও কানে ছিল কুন্দনের কাজ করা সোনার গয়না। এক হাতে সোনার চুড়ি, আরেক হাতে মাইকেল করসের সোনালি ঘড়ি। সঙ্গে সোনালি পার্স। নাঈম পরে এসেছিলেন রেড অ্যান্ড টেইলরের স্যুট। ভেতরে কালো রঙের ভি-নেক ইনার।

শাওন বাশার ও হাবিবুল বাশার* ক্রিকেটীয় তারা
ক্রিকেটার হাবিবুল বাশার এসেছিলেন সাদা শার্টের সঙ্গে ব্লেজার পরে। স্ত্রী শাওন বাশার গাঢ় নীল শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে পরেছিলেন মালা ও কানের দুল।

শাওন ও ফিমা* প্রিন্টের পোশাকে
তারকা দম্পতি শাওন ও ফিমা দুজনেই বেছে নেন প্রিন্টের নকশা। শাওনের ফুলহাতা নীল শার্ট আর ফিমা পরেছিলেন লাল ব্লাউজ দিয়ে ফুল ফুল প্রিন্টের শাড়ি।

মীর সাব্বির ও চুমকি* দুজনে একই পথে
দুজনে পরিকল্পনা করেই বেছে নিয়েছিলেন কালো রং। কালো টি-শার্ট আর প্যান্টের মীর সাব্বিরের পাশে তাই কালো শাড়ির চুমকি ছিলেন ফুরফুরে। সবুজ পেড়ে শাড়ির আঁচলজুড়ে ছিল ফুলতোলা নকশা। চুমকি কানে পরেছিলেন বড় দুল আর খোঁপা করা চুল। লালে রাঙানো ঠোঁটের সঙ্গে স্মোকি চোখ।

অনন্ত-বর্ষা* ব্র্যান্ডেড অনন্ত-বর্ষা
বর্ষার বেবে ব্র্যান্ডের কালো গাউনের ওপর সাদা ফুলের নকশা নেমে গেছে গলা থেকে নিচ পর্যন্ত। জমকালো পোশাকের সঙ্গে গয়না পরেছেন খুব কম। কানে হীরার দুল, হাতে আংটি আর নাকে ছোট্ট নাকফুল। লম্বা চুলগুলো ব্যান্ডে প্যাঁচানো। অনন্ত জলিল বেছে নিয়েছিলেন গাঢ় নীল। ভি-গলার নীল টি-শার্টের ওপর পরেছিলেন ইতালীয় ব্র্যান্ড গুচির স্যুট। পায়ে কালো জুতা আর কবজিতে হাবলট ব্র্যান্ডের ঘড়িতে ফিটফাট নায়ক।

ফুলে ফুলে
সামিনা চৌধুরী ও ফাহমিদা নবী* খোলা চুলে কৃষ্ণচূড়া
সামিনা চৌধুরী ও ফাহমিদা নবী দুই বোনই সেদিন চুলে গুঁজেছিলেন আগুনরঙা কৃষ্ণচূড়া। একজন পরেছিলেন সাদা–কালো শাড়ি, অন্যজন সমুদ্রের নীল রঙা জমিনের ওপরে জরির কাজ করা শাড়ি।

নন্দিনী।* স্নিগ্ধ নন্দিনী
চাপা সাদা রঙের কোটা শাড়িটি ছিল সিল্কের। তামারঙা পাড়ে সুতার কাজ। হাতাকাটা ব্লাউজে ফুলেল নকশা আর খোঁপায় জড়ানো বেলির মালায় স্নিগ্ধ মডেল নন্দিনী।

শানু* বেলি ফুলে শানু
তাঁতের শাড়ির সঙ্গে অভিনেত্রী শানু চুলে পরেছিলেন বেলি ফুলের ছড়া। গলায় ও কানে পরেছিলেন ভারী গয়না।

* চিরায়ত শারমীন লাকি
সাদা জামদানির সঙ্গে মেরুন ব্লাউজ, কানের দুলের টানায় জড়ানো খোঁপা—চিরায়ত সাজে শারমীন লাকি৷ জানালেন শাড়িটা ছিল তাঁর বিয়ের স্যুটকেসের৷ হাতে জড়ানো বেলির সুবাস ছড়িয়েছে পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে৷

পূর্ণিমালম্বা ধাঁচের পোশাকে
* জমকালো পূর্ণিমা
এ পোশাকেই পূর্ণিমাকে দেখা গেছে মঞ্চে। রামিম রাজের ডিজাইন করা দুই পার্টের লেয়ার ফ্লোরটাচ এই পোশাকটির নিচের অংশ জারদৌসির ময়ূর থিমে করা। সামনে শিমার জর্জেট, পেছনে আয়নার কাজ।

কোনাল ও কনা* গাউনে কোনাল ও কনা
উইন্ডোজ বুটিকের নকশা করা ধূসর রঙের সিল্কের হাতাকাটা গাউন পরেছিলেন কোনাল। ওপরে গাঢ় নীল রঙে গ্লিটারস দেওয়া ফুলহাতা নেটের লম্বা কটি। চুলটা ব্লো ড্রাই করে ছেড়ে রেখেছিলেন আর সেজেছিলেন কিউবেলা থেকে। কনার ক্রেপ কাপড়ে ধূসর রঙের লং ড্রেসটিও উইন্ডোজ বুটিকের। কানে ছিল রুপালি পাথরের গয়না, হাতে ব্রেসলেট।

পরীমনি* সাদা পরি
অভিনয়শিল্পী পরীমনি এসেছিলেন পরির বেশে। সাদা অফশোল্ডার গাউনের সঙ্গে মিলিয়ে মুক্তার মালা। চুলটা বেঁধেছিলেন ওপরের দিকে বেণি করে।

* বেগুনি সাফা
মডেল ও অভিনেত্রী সাফা কবির পরেছিলেন বেগুনি গাউন। আর খোলা চুলটা কার্ল করে নিয়েছিলেন।

সারিকা* খোলা চুলে সারিকা
সারিকা পরেছিলেন গাউন। গাউনটি দেখতে আবার শাড়ির মতো। পোশাকে ছিল কালো, সোনালি, নীল ও গাঢ় গোলাপি রং। মেসি স্টাইলে খোলা রেখেছিলেন চুল।

এলভিন ও শ্রাবণ্য* দুই বান্ধবী
মডেল এলভিন ও শ্রাবণ্য পরেছিলেন লম্বা কাটের পোশাক। এলভিন কালো পোশাকটির ওপরে পরেছিলেন সাদা মুক্তার মালা আর শ্রাবণ্যর নীল পোশাকে সোনালি সুতার কাজ। দুজনের হাতেই ছিল নকশা করা ব্যাগ।

ফুলেল নকশায়
শাকিলা* মসলিনে শাকিলা
হাতে রং করা বাংলাদেশি যে মসলিন শাড়িটা পরেছিলেন শাকিলা জাফর, সেটির নকশা করেছেন কুহু প্লামানডন। শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে পরেছিলেন জড়োয়া হাউস থেকে বানানো হীরা, মুক্তো আর সোনার নকশা করা গয়না।

ফেরদৌসী রহমান* ফুলে ফুলে ফেরদৌসী রহমান
সাদা জমিনের শাড়িজুড়ে উজ্জ্বল রঙের ফুলের নকশা। গলায় মোটা নকশা করা সোনার চেইন, কানেও সোনা। শাড়ির ফুল থেকে রং নিয়ে কপালের টিপ আর ঠোঁট রাঙান ফেরদৌসী রহমান।

শান্তা ইসলাম ও শিরীন বকুল* ঐতিহ্যের টানে
প্রচণ্ড গরমের কারণে তিনি বেছে নিয়েছিলেন সাদা রং। শান্তা ইসলাম যে শাড়িটা পরেছিলেন, সেটাকে বলে মেখলা। হাতে বোনা আসাম অঞ্চলের শাড়ি। নাকে নথ, কানে সনাতনী রিং, গলায় লম্বা বিছা হার আর চুলে উঁচু করে খোঁপা।
শিরীন বকুলের পরনে ছিল রাজশাহী সিল্কের সোনালি কাজ করা চাপা সাদা রঙের শাড়ি। সঙ্গে হাই-নেক ব্লাউজ। কপালে বড় লাল টিপ। কানে মিনা করা সোনার কানপাশা।

মুনমুনসুজানা* হালকা সাজে মুনমুন
চাপা সাদা শাড়ির ওপরে একই রঙের ফুলের নকশা ছিল উপস্থাপক মুনমুনের শাড়িতে। চোখে কাজল আর ঠোঁটে লিপস্টিক। কানে মুক্তার দুল।

* অন্য রকম সুজানা
গেস ব্র্যান্ডের লং ফ্রক, সঙ্গে মুক্তার গয়না আর হাতে ক্লাচ ব্যাগ—এই ছিল সুজানার সাজপোশাক।

আঁখি* ফুলেল আঁখি
লম্বা ঘেরওয়ালা কামিজের পুরোটা জুড়ে ফুলেল ছাপ। ওড়নাতেও একই রঙের ছটা। গাঢ় লিপস্টিক আর কাজল টানা চোখ, মেকআপে খানিকটা গোলাপি আভা। আঁখি আলমগীরের বাঁধা চুলে ছিল সোনালি ব্যান্ড।
তারকাদের সাজ নিয়ে লিখেছেন—বিপাশা রায়, হাসান ইমাম ও মারুফা ইসহাক

ছবি: কবির হোসেন, খালেদ সরকার, সুমন ইউসুফ, জাহিদুল করিম ও সাবিনা ইয়াসমীন