আবার মা হচ্ছেন ঐশ্বরিয়া?

ASCOT, UNITED KINGDOM - JUNE 18: (EMBARGOED FOR PUBLICATION IN UK NEWSPAPERS UNTIL 48 HOURS AFTER CREATE DATE AND TIME) Aishwarya Rai attends Day 1 of Royal Ascot at Ascot Racecourse on June 18, 2013 in Ascot, England. (Photo by Max Mumby/Indigo/Getty Images)

দ্বিতীয় সন্তানের মা হচ্ছেন বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। চ‍ারদিকে কান পাতলে এখন এমনটাই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে টুইটারে এ খবরটি নিয়ে একটু বেশি আলোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। গত শুক্রবার (১৩ মে) কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৬৯তম আসরের তৃতীয় দিনে অ্যাশ দ্যুতি ছড়িয়েছেন লালগালিচায়। তারপর থেকেই এই প্রশ্নটির সৃষ্টি হয়।

কুয়েতের আলি ইউনিসের ডিজাইন করা গাউন পরে ও নিজের মোহময়ী রূপ দিয়ে দুনিয়াকে মাত করেছেন ৪২ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী। লালগালিচায় নিজেকে ফুটিয়ে তুলতে কোনো ত্রুটি রাখেননি ঐশ্বরিয়া।

তবে অনেকেই ঐশ্বরিয়ার ত্রুটি খোঁজার চেষ্টার করেছেন। আর সেই ত্রুটি খুঁজে পেয়েছেন ঐশ্বরিয়ার শারিরীক গঠনে। কারণ বলিউডের এই অভিনেত্রীর পেট দেখে অনেকেই মনে করছেন আবারও মা হতে যাচ্ছেন তিনি। এ বিষয়ে টুইটারে অনেকেই অনেক মন্তব্য করেছেন। তবে এ বিষটিকে মিথ্যা দাবি করে ঐশ্বরিয়ার একটি ঘনিষ্ঠসূত্র বলেন, এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা খবর। তবে তিনি (ঐশ্বরিয়া) কান চলচ্চিত্র উৎসব থেকে ফিরে এসে তার পরবর্তী ছবির ঘোষণা দেবেন।

বার্সেলোনার ‘দ্বিতীয়’ শিরোপা

74

ফেরারির গতিতে শুরু, শেষও ফেরারির গতিতে। মাঝপথে একটা ধাক্কাই যা ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বার্সেলোনাকে। লিগ শিরোপা তাতে হাত ফসকে যাওয়ার জোগাড়। তা হয়নি, পরশু গ্রানাডার মাঠে লিগের শেষ ম্যাচে লুইস সুয়ারেজের হ্যাটট্রিক শিরোপাটা রেখে দিল কাতালুনিয়াতেই। তবে মার্চের শেষ দিকে প্রায় নিশ্চিত শিরোপা নিয়ে যে রুদ্ধশ্বাস নাটকীয়তা হলো, তাতে এক মৌসুমে দুবার শিরোপা জয়ের স্বাদ পাচ্ছে যেন বার্সা।
নেইমারের পাস ধরে লুইস সুয়ারেজ পরশু তৃতীয়বারের মতো বলটা গ্রানাডার জালে জড়িয়ে দিতে বার্সাও বাঁচল হাঁফ ছেড়ে। আর কোনো সমীকরণ নেই, আর কোনো অনিশ্চয়তা নেই, এবার শুধুই উচ্ছ্বাসে ভেসে যাওয়া! আট মৌসুমে ষষ্ঠ শিরোপা জিতল বার্সা। তবে ক্লাবের ২৪তম এই শিরোপা জয়ের পথে শেষ দিকে যে চাপ নিয়ে খেলেছে বার্সা, জেরার্ড পিকের কাছে সেটি দারুণ এক গল্প, ‘আমরা দুবার লিগ জিতলাম। একসময় এতটাই এগিয়ে ছিলাম আমরা, ভেবেছিলাম শিরোপা জিতেই গেছি।’
মার্চের শেষ দিকে ১১ পয়েন্ট এগিয়ে থাকা বার্সেলোনাই কিনা শিরোপা জিতল শেষ দিনে এসে। এ জন্য মার্চের আন্তর্জাতিক বিরতিকে দুষতে পারে লুইস এনরিকের দল। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ৩৯ ম্যাচে অপরাজিত দলটিই তখন হঠাৎ হয়ে পড়ে বর্ণহীন, লিগে হেরে যায় টানা তিন ম্যাচে। সে সুযোগে পয়েন্ট তালিকায় ‘আলোকবর্ষ’ দূরত্ব ঘুচিয়ে দিয়ে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ও রিয়াল মাদ্রিদ তাকাল চোখ রাঙিয়ে। বার্সা তখনো শীর্ষেই ছিল, কিন্তু প্রতিটি ম্যাচেই ফাঁদ পেতে ছিল পা হড়কানোর ঝুঁকি।
শেষ পাঁচ ম্যাচে সেই ঝুঁকিটা বার্সেলোনা উড়িয়ে ফেলল ভূমধ্যসাগরে। পাঁচটিতেই জয়, তাতে গোল ব্যবধান ২৪-০! দলের এই হার না-মানা মানসিকতারই প্রশংসা ঝরেছে পিকের কণ্ঠে, ‘২০ বছর আগে হলে আমরা শিরোপাটা হারাতাম। হতাশা ঘিরে থাকত আমাদের। কিন্তু এই প্রজন্মের খেলোয়াড়েরা সব বদলে দিয়েছে। এই দল জিততে জানে। এমন একটা দল যারা ঘুরে দাঁড়াতে জানে, যাদের ওপর ভরসা করতে পারেন।’
মেসি-নেইমার-ইনিয়েস্তারা তো ছিলেনই, তবে মৌসুমে বার্সার সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে ছিলেন সুয়ারেজ। শেষ দিনে হ্যাটট্রিক করে তিনিই বার্সাকে শিরোপা এনে দেবেন, এটিও যেন ছিল ললাটলিখন। এই তিনটি গোল নিয়ে লিগে সর্বোচ্চ ৪০ গোল হলো উরুগুইয়ান স্ট্রাইকারের। ২০০৮-০৯ মৌসুমে উরুগুয়েরই ডিয়েগো ফোরলানের পর দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে মেসি-রোনালদোকে টপকে সর্বোচ্চ গোলদাতার পিচিচি ট্রফিটা জিতলেন সুয়ারেজ। নিজের অর্জনের আনন্দ আছে, তবে তাঁর কাছে শিরোপা জয়ই আসল, ‘আমরাই যোগ্য চ্যাম্পিয়ন। কিছুটা ভুগতে হয়েছে, শেষ কয়েকটা ম্যাচে আমাদের ওপর চাপ অনেক ছিল। তবে এই দলটা গড়েই উঠেছে জয়ের মানসিকতা নিয়ে।’
একটা শিরোপা জয় হয়ে গেছে, এখন বার্সা কোচ লুইস এনরিকের চোখ আরেকটি গৌরবে। ২৩ মে সেভিয়ার সঙ্গে কোপা ডেল রের ফাইনালে জিতলেই এই মৌসুমে ‘ডাবল’ হবে বার্সার। এনরিকের ইতিহাস গড়ার ইচ্ছা তো আছেই, ‘ইতিহাসে মাত্র দুটি দল টানা দুবার দ্বৈত শিরোপা জিতেছে। নিজেদের জন্য আমরা সব সময়ই উঁচু মান ঠিক করে রাখি আর সেটি অর্জনের চেষ্টা করি।’ এএফপি, রয়টার্স।
১১২
এই মৌসুমে বার্সেলোনার গোলসংখ্যা। কাতালান ক্লাবটির ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ, এর আগে ২০১২-১৩ মৌসুমে বার্সা করেছিল ১১৫ গোল, ২০১১-১২ মৌসুমে ১১৪টি
৪০
লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে স্প্যানিশ লিগের এক মৌসুমে ৪০ গোল করলেন লুইস সুয়ারেজ

পরশু গ্রানাডার বিপক্ষে হ্যাটট্রিকের পর মৌসুমে সুয়ারেজের হ্যাটটিকসংখ্যা। ইউরোপের সেরা পাঁচ লিগে আর কোনো খেলোয়াড়েরই এই মৌসুমে তিনটির বেশি হ্যাটট্রিক নেই

স্প্যানিশ লিগে সপ্তম কোচ হিসেবে টানা দুবার শিরোপা জিতলেন লুইস এনরিকে

মারেকে ফ্রেঞ্চ ওপেনে ‘হুমকি’ মানছেন জোকোভিচ

73

নিজের ২৯তম জন্মদিনে এর চেয়ে বড় উপহার আর কী-ই বা পেতেন অ্যান্ডি মারে! সর্বশেষ ১৩ ম্যাচের ১২টিতেই যাঁর কাছে হেরেছেন, সেই নোভাক জোকোভিচকে হারিয়েই তিনি জিতে নিলেন রোম মাস্টার্সের শিরোপা। ফ্রেঞ্চ ওপেনের ঠিক আগ দিয়ে মারের কাছে এই জয়কে জোকোভিচ দেখছেন এক ধরনের হুমকি হিসেবেই।

ক্লে কোর্টের মৌসুম শুরু হয়েছে। রাফায়েল নাদাল আবারও সেই পুরোনো ফর্মে। বাকিরাও ঝালিয়ে নিচ্ছেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কোর্টে একক আধিপত্য ধরে রাখা জোকোভিচ যেন একটা বার্তাই পাচ্ছেন। মন্টে কার্লোয় জিতেছেন রাফায়েল নাদাল, মাদ্রিদে জোকোভিচ। এবার রোমে মারের জয় ফ্রেঞ্চ ওপেনের উত্তেজনাকে নিয়ে যাচ্ছে ওপরের দিকেই। ফ্রেঞ্চ ওপেনে লড়াইটা এবার বেশ হবে!
মাত্র এক ঘণ্টা ৩৫ মিনিটেই জোকোভিচকে হারের মুখে ঠেলে দেন মারে। জয়ের ব্যবধানটা ৬-৩, ৬-৩। রোমে এটি মারের প্রথম শিরোপা। ক্যারিয়ারের তৃতীয় ক্লে কোর্ট শিরোপা। গত বছর মিউনিখ ও মাদ্রিদে শিরোপা জয়ের পর ফ্রেঞ্চ ওপেনের ঠিক আগে আরও একটি লাল কোর্টের শিরোপা তাঁর আত্মবিশ্বাসকে বাড়িয়ে দিচ্ছে অনেকটাই।
ক্লে কোর্টে মারে প্রতিনিয়তই নিজেকে ছাপিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিমত জোকোভিচের, ‘আমার মনে হয় সে এই মুহূর্তে ক্লে কোর্টের রহস্যটা আগের চেয়ে অনেক ভালো করেই অনুধাবন করছে। সে তাঁর শটেও অনেক বৈচিত্র্য এনেছে। বিশেষ করে বেসলাইন থেকে নেওয়া শটগুলোতে তাঁর উন্নতি রীতিমতো চোখে পড়ার মতোই। সামনেই ফ্রেঞ্চ ওপেন। মারে ক্লে কোর্টে খুব ভালো করছে। সে দুর্দান্ত ফর্ম নিয়েই রোলাঁ গাঁরোয় নামবে। এই শিরোপা ফ্রেঞ্চ ওপেনেও ভালো করতে তাঁকে উৎসাহিত করবে।’ সূত্র: এএফপি।

নির্দয় হলিউড!

72

সবাই বাইরের চাকচিক্যই দেখে। প্রাচুর্য দেখে। ভেতরের রক্তক্ষরণ দেখে না। হলিউড তারকাদের জীবনের স্বপ্ন দেখে কতজনই। কিন্তু হলিউড যে স্বর্গোদ্যান নয়; কখনো কখনো কী ভীষণ নরক, সেটাই মনে করিয়ে দিয়েছেন কেট হাডসন। বলেছেন, হলিউড পারলে ছিঁড়েখুঁড়ে একেবারে নিংড়ে সবটুকু বের করে নেয়।
নিউইয়র্কে মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস-এর নারী সম্মেলনে বক্তব্য দিতে এসে এই অভিনেত্রী নিজের মায়ের অভিজ্ঞতার কথাও বললেন। হাডসনের মা গোল্ডি হন নিজেও তারকা। ছোটবেলা থেকেই রুপালিজগতের নারীদের কষ্টের জীবন দেখে এসেছেন। কখনো কখনো এই জগৎটাকে ছোট্ট হাডসন ভীষণ ঘৃণাও করতেন।
৩৭ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী বলেছেন, ‘হলিউড এমন এক জায়গা, যেখানে সবাই আপনাকে মাথায় তুলে নেবে; আবার পরে ঠিকই একেবারে ধুলোর সঙ্গে মিশিয়ে দেবে।’ নিজের শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করে বলেছেন, তাঁর মাকে কাজে নিয়ে যাওয়ার জন্য যখন গাড়ির চালক আসত, তিনি তো আর অতশত বুঝতেন না। এতটুকু বুঝতেন, এই গাড়িচালক লোকটা মাকে কোথায় যেন নিয়ে যাচ্ছে! যেখান থেকে ফিরতে ফিরতে অনেক দেরি হয় মায়ের। কখনো কখনো রাত পেরিয়ে ভোর। এ কারণে সেই চালককে ভীষণ ঘৃণা করতেন হাডসন।
তবে তাঁকে শেখানো হয়েছে, মা এমন একটা কাজ করছেন, যেটা নারীদের কাজের সুযোগ আর পথ তৈরি করে দেবে। বলা বাহুল্য, এরপর জেনেবুঝেই সেই কাঁটা বিছানো পথে এসেছেন হাডসনও। তবে মনে করিয়ে দিয়েছেন, হলিউডে পুরুষদের চেয়ে নারী কর্মীদের আত্মত্যাগ কত গুণ বেশি। ফিমেল ফার্স্ট।

সুচিত্রা সেন হবেন মৌটুসি বিশ্বাস?

71

ওপরের ছবিগুলো নিশ্চয় কৌতূহল তৈরি করেছে পাঠকমনে। পঞ্চাশের দশকের ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্রের স্বপ্নকন্যা সুচিত্রা সেনের ছবির মতো করে কেন সেজেছেন অভিনেত্রী মৌটুসি বিশ্বাস? মেকআপ, পোশাক, কেশসজ্জা—সবই প্রায় মিলে গেছে সুচিত্রা সেনের সঙ্গে। তাহলে কি নতুন করে সুচিত্রা সেন জীবন্ত হচ্ছেন পর্দায়? এর জবাব দিলেন নির্মাতা সত্যজিত রায়। তরুণ এই নির্মাতা তৈরি করছেন নাটক আমি সুচিত্রা নই। নির্মাণের আগে পরীক্ষামূলকভাবে সুচিত্রা সেনের সাজে ছবি তুলতে হয়েছে মৌটুসিকে। নির্মাতা সেই ছবি দেখে সন্তুষ্ট হওয়ার পরই নাটকে অভিনয়টা নিশ্চিত হয়ে গেছে মৌটুসির।
নির্মাতা সত্যজিত রায় বলেন, ‘আমরা পরীক্ষামূলকভাবে মৌটুসিকে ওই সাজে সাজিয়ে কিছু ছবি তুলি। তাঁকে সাজানোর দায়িত্ব নেন মিহির মমন। আর ছবি তোলেন তাহের মানিক।’
তাঁকে সাজানো প্রসঙ্গে মিহির মমন বললেন, ‘আমি ছোটবেলা থেকেই উত্তম-সুচিত্রার ভক্ত। এই জুটির প্রচুর ছবি দেখেছি। আর সুচিত্রার সঙ্গে মৌটুসি বিশ্বাসের চেহারার অনেকটা মিল আছে। এটা মেকআপের সময় বেশ কাজে লেগেছে। বাকিটা মেকআপ দিয়ে মেলানোর চেষ্টা করেছি। শেষ পর্যন্ত হুবহু না হলেও অনেকটা মিলে গেছে।’
অভিনেত্রী মৌটুসি বললেন, ‘সুচিত্রা সেনের মতো অভিনেত্রীর আদলে নিজেকে সাজাতে পেরে ভালো লাগছে। তবে খানিকটা ভয়ে আছি। জানি না দর্শকেরা কীভাবে নেবেন!’
িদপান্বিতা রায়ের গল্পে আমি সুচিত্রা নই নাটকের চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন মাহমুদ দিদার। পরিচালক সত্যজিত বললেন, ‘আগামী মাসে কিশোরগঞ্জে নাটকটির শুটিং হবে। নাটকটির জন্য সুচিত্রা সেন অভিনীত জনপ্রিয় চলচ্চিত্রের দুটি গানও নতুন করে রেকর্ড করা হবে।’

কানে ফরাসি সৌরভ

70

জঙ্গলের ভেতর দিয়ে উদ্‌ভ্রান্তের মতো ছুটছে গাব্রিয়েল। হৃদয় ভেঙে খান খান হয়ে গেছে মেয়েটার। গাব্রিয়েল ভাবেনি, এমন জঘন্যভাবে তাকে প্রত্যাখ্যান করতে পারে কেউ। ভাবেনি, সমস্ত আবেগ উজাড় করে লেখা তার প্রেমের চিঠিটা এমনভাবে ভেস্তে যাবে। হৃদয়ভাঙা বেদনা নিয়ে ছুটতে ছুটতে জঙ্গলে হারিয়ে যায় গাব্রিয়েল। অচেতন মেয়েটিকে পরদিন খুঁজে পাওয়া যায় জঙ্গলের ভেতরে একটা খাদের কিনারায়। কদিন পর সে সুস্থ হয় বটে, কিন্তু চারদিকে ততক্ষণে ঢি ঢি পড়ে গেছে। মাথায় ভালো রকমের গন্ডগোল আছে মেয়েটার!

এটি এক চলচ্চিত্রের গল্প। ছবিটার নাম ফ্রম দ্য ল্যান্ড অব দ্য মুন। গাব্রিয়েলের চরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন ফরাসি অভিনেত্রী মারিয়ন কোতিয়াহ।

গতকাল কান সময় সকাল আটটায় গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে ছবিটার প্রথম প্রদর্শনী দেখতে ঢুকি। ছবি শেষ করেই ছুট। ততক্ষণে উৎসব ভেন্যুতে চলে এসেছেন মারিয়ন কোতিয়াহ স্বয়ং। একই চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ফ্রান্সের সম্মানজনক সিজার ও অস্কার জয়ের মতো অসাধারণ রেকর্ড জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর দখলে। তাঁকে প্রশ্ন করার সুযোগ হেলায় হারানো বোকামি ছাড়া আর কী!

সংবাদ সম্মেলনে দেখা পেতেই মারিয়নকে জানিয়ে দিলাম, অসাধারণ লেগেছে তাঁর অভিনয়। শুনে মারিয়ন খুব উচ্ছ্বসিত হলেন বলে মনে হলো না। অতএব পরের প্রসঙ্গ।

গাব্রিয়েল নামের ডাকাবুকো, স্বাধীনচেতা আর অন্যদের চোখে খুব স্বার্থপর মেয়েটি সম্পর্কে আপনার ভাবনা কী? মেয়েটি কেনইবা বা মনে ব্যথা পেলেই উদ্‌ভ্রান্তের মতো ছুটে যায় জঙ্গলে?

প্রশ্ন করেছি ইংরেজিতে। মারিয়ন উত্তর দিলেন ফরাসিতে। ভাগ্যিস, সময়মতো কানে অনুবাদযন্ত্রটা ছিল!

‘আমার মনে হয়, গাব্রিয়েলের মধ্যে একটা বুনো প্রবৃত্তি আছে। আর সেটাই ওকে টেনে নিয়ে যায় জঙ্গলে। উত্তরটা হয়তো আরও ভালো দিতে পারত নিকোল।’ নিকোল গার্সিয়া এ ছবির পরিচালক। কথাটা বলেই মারিয়ন তাকালেন পাশে বসা নিকোলের দিকে। নিকোল হেসে উত্তরটা আবার ঘুরিয়ে দিলেন মারিয়নের দিকেই। মারিয়ন খানিক ভেবেচিন্তে আবার শুরু করলেন, ‘আমার মনে হয় সে হয়তো জঙ্গল ভালোবাসে। জঙ্গল এমন একটা ব্যাপার যার কোনো সীমা নেই। গাব্রিয়েলের ভেতরকার বুনো প্রবৃত্তিই হয়তো ওকে টেনে নিয়ে যায় সেখানে। জঙ্গল কিন্তু খুব ভয়ংকরও হতে পারে। আর বিপজ্জনক আচরণের ব্যাপারটা গাব্রিয়েলের মধ্যে সব সময় আছে।’

রাসেল ক্রো আর শিয়া লেবফ: গতকাল কান উৎসবে ফ্রম দ্য ল্যান্ড অব দ্য মুন ছবির প্রচারণায় আসা তারকাদের তালিকায় আরও ছিলেন রাসেল ক্রো, রায়ান গসলিং এবং শিয়া লেবফের মতো অভিনেতারা। দিনের শেষভাগে রাসেল ক্রো মাত করেছেন উৎসব। তাঁর দ্য নাইস গাইজ ছবির প্রচারণায় কান উৎসবে এসেছেন গ্ল্যাডিয়েটর এবং এ বিউটিফুল মাইন্ড-এর মতো অবিস্মরণীয় ছবির এই তারকা অভিনেতা। ১৯৭০-এর দশকের লস অ্যাঞ্জেলেসের পটভূমিতে তৈরি দ্য নাইস গাইজ ছবির কাহিনি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া এক মেয়েকে নিয়ে।

ট্রান্সফরমারস ছবির তারকা শিয়া লেবফ এসেছেন তাঁর প্রতিযোগিতা বিভাগের ছবি আমেরিকান হানির প্রচারণায়।

কান ক্লাসিকসে বাংলাদেশ: গতকাল কান ক্লাসিকস বিভাগে প্রদর্শিত হয়েছে জাগো হুয়া সাভেরা (ডে শ্যাল ডন)। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ১৯৫৮ সালের এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় আছেন খান আতা। এ জে কারদারের এই ছবিটি মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কার জিতেছিল।

উৎসবে পাকিস্তানের ছবি হিসেবে প্রদর্শিত হলেও এটি জুড়ে আছে বাংলাদেশ। ছবিটির শুটিং হয়েছে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, মানে আমাদের বাংলাদেশে। এর সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন জহির রায়হান। জাগো হুয়া সাভেরা নতুনভাবে প্রদর্শন উপযোগী করে তুলেছে লন্ডনের ডিলাক্স রিস্টোরেশন।

‘আমি কি শাকিবের ঘরের বউ?’

৬৮

অপু বিশ্বাস। যেন নেটওয়ার্কের বাইরে। মুঠোফোন বন্ধ, নেই ফেসবুকেও। আগে চুক্তিবদ্ধ হওয়া দুটি ছবির শুটিং হচ্ছে তাঁকে ছাড়াই। কোথায় অপু বিশ্বাস? অবশেষে কৌশলেই পাওয়া গেল বাংলা চলচ্চিত্রের আলোচিত এই অভিনেত্রীকে।

কেন দূরে?এমনকি শাকিব খানও তো আজকাল আপনার সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে পারছেন না, এমন প্রশ্নের জবাবে অপু উত্তর দিতে সময় নেননি। তিনি বলেন, সহকর্মীদের সঙ্গে এখন যোগাযোগটা কম। হাতে থাকা ছবির বেশির ভাগ শুটিং শেষ। ফলে কাউকে আর বিরক্ত করি না। আরেকটা কথা, শাকিব কেন আমার খবর রাখবে? আমি কি তাঁর ঘরের বউ? আমরা শুধু পর্দাজুটি, ঘরের জুটি নই। ‘বসগিরি’ ও ‘শুটার’ ছবি দুটি ছেড়ে দেওয়ার কারণ নাকি শাকিব খান? এমন প্রশ্নের জবাবে অপু বলেন, কে বলেছে এই সব বাজে কথা! বরং শাকিবই তো আমাকে কাজ করার কথা বলেছে।

অভিনয় ছাড়া আর কি করছেন? অপু বলেন, অভিনয়টা আমার মূল পেশা। তবে ব্যবসাটাও বেশ উপভোগ করছি। দেখি, জিমের পর পার্লার ও রেস্টুরেন্টের ব্যবসা করা যায় কি না।

সংবাদ পাঠিকা থেকে শাকিবের নায়িকা

৬৬

বসগিরি’ ছবিতে শাকিব খানের নায়িকা নবগতা শবনম বুবলি। প্রায় একবছর আগে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসকে নিয়ে ‘বসগিরি’ চলচ্চিত্রের ঘোষণা দেওয়া হয়। আজ্ঞাত কারণে সরে দাঁড়ালেন অপু বিশ্বাস। এ সুযোগে ছবিটির পরিচালক শামীম আহমেদ রনি নায়িকা খোঁজার মিশনে নামেন। চমক হিসেবে সম্ভাব্য তালিকায় রাখেন পূর্ণিমা, মাহি, শ্রাবন্তী, কোয়েলের নাম। অবশেষে জানা গেল শবনম বুবলি হচ্ছেন শাকিবের নায়িকা। পূর্বনির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী শনিবার সন্ধ্যায় গুলশানের একটি হোটেলে ‘বসগিরি’র নায়িকা হিসেবে শবনম বুবলির নাম ঘোষণা করে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান খান ফিল্মস।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করা বুবলি মিডিয়ায় সংবাদ পাঠিকা হিসেবে যাত্রা শুরু করেন। বেসরকারি টেলিভিশন বাংলাভিশনের একজন সংবাদ পাঠিকা হিসেবে তাঁর দর্শকপ্রিয়তা রয়েছে। ৫ মে থেকে শাকিব একাই ‘বসগিরি’র শুটিং করছিলেন। এবার তার সঙ্গে ক্যামেরায় দাঁড়াবেন বুবলি। সামাজিক অ্যাকশনধর্মী ‘বসগিরি’ ছবিতে নবাগতা এই নায়িকাকে দেখা যাবে চিকিৎসকের চরিত্রে।

সায়েশাতে মনোযোগী সালমান?

67
বলিউডে অনেক শিল্পীর আগমন ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ সালমান খানের হাত ধরে। ‘দাবাং-কন্যা’ সোনাক্ষী সিনহার বলিউড যাত্রাও কিন্তু সালমানের মাধ্যমে। এ ছাড়া জেরিন খান, ডেইজি শাহ, সুরুজ পাঞ্চোলির মতো নবাগতদের তিনি শুধু ভারতীয় সিনেমায়ই নিয়ে আসেননি, চলচ্চিত্র জগতে তাঁদের অভিভাবকত্বও করছেন ৫০ বছর বয়সী এই অভিনেতা। এই কাজটি করে সালমান আনন্দই পান। এবার তিনি আরেক নবাগতার দিকে মনোযোগী হয়েছেন। নাম তাঁর সায়েশা সাইগাল।

সায়েশার কোনো হিন্দি ছবি এখনো মুক্তি পায়নি। অজয় দেবগনের সঙ্গে ‘শিভে’ ছবিতে কাজ করেছেন। ছবিটি মুক্তির অপেক্ষায়। এর আগে ‘আখিল : দ্য পাওয়ার অব জুয়া’ নামের একটি তেলেগু ছবির মাধ্যমে সিনেমা অঙ্গনে তাঁর অভিষেক ঘটে। তবে, সায়েশার বড় পরিচয় সে বলিউডের প্রবীণ অভিনেত্রী সায়রা বানুর নাতনি। ১৮ বছর বয়সী এই নায়িকার মধ্যে সম্ভাবনা দেখেছেন সালমান খান। আর সায়রা বানু ও তাঁর স্বামী অভিনেতা দিলীপ কুমারের সঙ্গে সালমানের অনেক আগে থেকেই দারুণ সম্পর্ক। তাই সায়েশার প্রতি সালমানের বাড়তি মনোযোগ দেওয়াটাই স্বাভাবিক। যদিও এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য এখনো সালমান বা সায়েশা কারও কাছ থেকেই পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনা সত্যি হলে ভালোই হবে। নবাগতা সায়েশাও বলিউডে একজন দায়িত্ববান অভিভাবক পাবেন। আর সালমানও পাবেন নতুন এক শিষ্য।
সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।

সানি লিওনের আসল কান্না

65

সানি লিওনের কান্না কি কেউ শুনতে পাচ্ছেন? বেচারির প্রতি কি একটু সদয় হবেন সমালোচকেরা? সানির কান্না কি কেউ শুনতে পাচ্ছেন?

সানি লিওনের চোখে পানি। সিনেমার শুটিংয়ের মধ্যে হঠাৎ​ই দেখা গেল কাঁদছেন সানি। কিন্তু কেন? কারণটা হলো সানি লিওন এখন কাজ নিয়ে এতটাই সিরিয়াস। ‘বেইমান লাভ’ সিনেমার শুটিংয়ে সহ–অভিনেতা রজনীশ দুগ্গলের এক সংলাপের পর সানিকে কাঁদতে দেখা যায়।
সেদিন ছবির পরিচালক রাজীব চৌধুরী তো অবাক। কোনো গ্লিসারিন ছাড়াই অভিনেত্রীর চোখে সত্যি সত্যি চোখে জল দেখে কিছুটা অবাকও হয়ে যান পরিচালক। আরও শোনা যাচ্ছে ‘কাট’ বলার পর বেশ কিছুক্ষণ পরেও নাকি সেটের এক কোণে গিয়ে কাঁদতে থাকেন তিনি। পরে সানি নাকি বলেন, ওই দৃশ্যে অভিনয়ের জন্য তিনি চরিত্রের মধ্যে এতটাই ঢুকেছিলেন যে ভুলেই গিয়েছিলেন এটা তাঁর জীবন নয়। এই বিষয়ে ছবির পরিচালক বলেন, ‘বেইমান লাভ’ সিনেমায় সানিকে কখনো কাঁদতে দেখলে বুঝবেন সেটা তাঁর আসল কান্না, মোটেও অভিনয় নয়।

‘থর’ এর পরবর্তী সিরিজে থাকছেন না নাটালি

64

হলিউডের ‘থর’ সিরিজের আগের দুটি সিরিজে অভিনয় করেছিলেন নাটালি পোর্টম্যান। সেখানে দেখানো হয়েছে পৃথিবীর এক মানবী হয়েও অ্যাসগার্ডের দেবতার প্রেমে পড়েন। সেই দেবতার চরিত্রে অভিনয় করেছেন ক্রিস হেমসওর্থ। তবে, ‘থর’ এর পরবর্তী সিরিজে আর থাকছেন না নাটালি। এর কারণও জানিয়েছেন ছবিটির প্রযোজক কেভিন ফিজ।
‘এই ছবিতে নাটালি পোর্টম্যানের কাজ না করার অনেক কারণ আছে। তাঁর মধ্যে কিছু কারণ ছবিটি দেখলেই পরিষ্কার হবে। ‘থর’ সিরিজের নতুন ছবি ‘থরঃ র‍্যাংনারক’- এ পৃথিবীর বিষয় থাকবে খুব অল্পই। ছবির প্রায় পুরো কাহিনীই মহাশূন্যকে ঘিরে। তাছাড়া তিনটি কিস্তি মুক্তির পর পরবর্তী ছবিতে কিছু পরিবর্তন আনারও দরকার ছিল।’ এভাবেই এই ছবিতে অস্কারজয়ী অভিনেত্রী নাটালি পোর্টম্যানের না থাকার কারণ ব্যাখ্যা করেন কেভিন।

‘থরঃ র‍্যাংনারক’ মুক্তি পাবে সামনের বছর নভেম্বরে।
দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

সম্পর্কে ঝগড়া এড়িয়ে চলার ৬টি কৌশল

62

সম্পর্কে ঝগড়া, মনোমালিন্য হয় না, এমন সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া ভার। একটু মনোমালিন্য সম্পর্ককে আরও মধুর করে তোলে। কিন্তু প্রতিদিন যদি ঝগড়া-ঝাঁটি লেগে থাকে, তবে তা সম্পর্কের জন্য মোটেও ভাল নয়। প্রতিদিনের একটু একটু ঝগড়া থেকে সৃষ্টি হয় দূরত্ব। আর এই দূরত্ব থেকে এক সময় ভেঙে যায় ভালোবাসার সম্পর্কটি। তাই ঝগড়া শুরু আগেই মিটিয়ে ফেলুন ঝগড়ার বিষয়টি। কিছু কৌশল অবলম্বন করে এড়িয়ে যেতে পারেন সম্পর্কের ঝগড়া।১। কান ব্যবহার করুন, মুখ নয়
ঝগড়ার সূত্রপাত হয় দুইপক্ষের বাকবিতন্ডা থেকেই। ঝগড়া এড়াতে চাইলে কিছুক্ষণ চুপ থাকুন। মুখ বন্ধ রাখুন। শুনুন অপরপক্ষ কী বলে। কিছু সময় পর বিষয়টি বুঝিয়ে বলুন। Benjamin Karney, পিএচডি, সম্বনয়কারী রিলেশনশিপ ইনসেটেটিউট অফ ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালফোনিয়া বলেন “রাগান্বিত অবস্থায় মানুষ কথার চেয়ে ঝগড়া বেশি করে থাকেন”।

২। কৌতুক করুন
আপনার সেন্স অব হিউমার ব্যবহার করুন ঝগড়া এড়ানোর জন্য। ছোট একটি কৌতুক আপনাদের মনকে ভাল করে দিয়ে পরিবেশকে হালকা করে দেবে।

৩। ঝগড়ার বিষয় এড়িয়ে যাবেন না
সম্পর্কে যে কোন বিষয় নিয়ে ঝগড়া হতে পারে। কিন্তু প্রায় সময় দেখা যায় যে বিষয়টি নিয়ে ঝগড়া হচ্ছে, তা সমাধান না করে, অন্য বিষয়ে নিয়ে ঝগড়া শুরু করে দেয়। পরবর্তী সময়ে দেখা যায় একই বিষয়ে আবার ঝগড়া হচ্ছে। তাই ঝগড়ার বিষয়টি সমাধান করে নিন।

৪। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি খুঁজে বের করুন
সম্পর্কে ঝগড়ার চেয়ে ভালোবাসা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই কথাটি মনে রাখুন। রাগের সময় নিজেদের মধ্যে কাটানো সুন্দর সময়গুলোর কথা চিন্তা করুন। এই চিন্তাগুলো আপনাকে রাগ কমাতে সাহায্য করবে।

৫। অতীতকে টেনে আনবেন না
ঝগড়ার সময় বেশিরভাগ নারী-পুরুষেরা অতীতের বিষয় টেনে নিয়ে আসেন। সবচেয়ে বড় ভুলটি তখনই করা হয়। অতীতের বিষয় ঝগড়াকে আরও বাড়িয়ে দেবে। তাই ঝগড়া সময় অতীতের বিষয় এড়িয়ে চলুন।

৬। নিজেকে শান্ত রাখুন
ঝগড়ার সময়টিতে নিজেকে শান্ত রাখুন। সঙ্গী যত রাগারাগি করুক না কেন,নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করুন। দুইপক্ষের একজনকে শান্ত থাকাটা জরুরি।

ডান হাত চুলকোলে টাকা আসে R বাম হাত চুলকোলে বিয়ে হয়!

61

ছোটবেলা থেকে সবার জানা একথা। ডান হাত চুলকোলে নাকি টাকা আসে ৷ মোটামুটি এই ধরণের কুসংস্কারে বদ্ধ আমরা সব্বাই।দুনিয়া ছুটেছে ফোরজিতে, তবুও ডান হাত চুলকোলেই মনে মনে ভেবে উঠি, তাহলে কি টাকা আসবে ? কিন্তু এই টাকা আসার গল্পটা শুধু ডান হাতের ক্ষেত্রেই, জানেনি কি বা হাত চুলকোলে হয় কি?

প্রবাদ পুস্তিকা অনুযায়ী, বাম হাতে চুলকোলে বিয়ে ফুল ফুটবেই শীঘ্রই ৷ আবার লেখা আছে একথাও, বাম হাত চুলকোলে নাকি পুরনো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ হবেই। রয়েছে এমনও লেখা, ডান হাত চুলকোলে আসবে টাকা, আর বাম হাতে চুলকোলে সেই টাকাই হবে ফুড়ুৎ!

তবে কুসংস্কারে ছেড়ে দিলে, ডাক্তাররা বলছেন, ওইসব টাকা আসা কিছু নয়, হাত চুলকোনো মানে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ ৷ তাই হাত পরিষ্কার করা অত্যন্ত জরুরী। এতে ত্বকের সমস্যা বাড়তে পারে!

চুলে তেল দেওয়া ভালো না খারাপ? জেনে রাখুন

60

সেই আদিযুগ থেকে নারীরা চুলে তেল ব্যবহার করে আসছে। আমরা সবাই জানি, চুল ঘন ও ঝলমলে করতে তেল বেশ কার্যকর। কিন্তু সত্যিই কী তেল চুলের জন্য উপকারী? এ বিষয়ে চুল বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ তুলে ধরা হয়েছে আইডিভা ওয়েবসাইটে।
ভালো না খারাপ?
বেঙ্গালুরুর অ্যাপোলো হসপিটালের ড. কেভি হারিশ বলেন, ‘খারাপ আবহাওয়া, তাপ ও সূর্যের রশ্মির বিকিরণ থেকে চুলকে রক্ষা করে তেল।’ তিনি মনে করেন, ‘তেল হচ্ছে এমন একটি পিচ্ছিল পদার্থ যা ময়লা-ধুলাবালি ও রোদ থেকে প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যকর উপায়ে চুল ভালো রাখে।’ তাই ড. হারিশের মতে, তেল চুলের জন্য খুবই উপকারী।

তেল আসলে চুলে কী করে?
তেল মূলত চুলের আবরণ হিসেবে কাজ করে, যাতে চুল নষ্ট না হয় এবং তেল চুলের গোড়া শক্ত করে। এ ছাড়া চুল ভেঙে যাওয়ার সমস্যারও সমাধান করে তেল’, বললেন চুল বিশেষজ্ঞ জাওয়েদ হাবিব।

বাজারে অনেক ধরনের তেল কিনতে পাওয়া যায়। একেকটি তেল একেক ধরনের চুলের জন্য কার্যকর। এই যেমন- শুষ্ক তুলের জন্য আমন্ড অয়েল উপকারী, আবার নারকেল তেল চুলের রুক্ষতা দূর করতে বেশ কার্যকর। এ ক্ষেত্রে আপনাকে বেছে নিতে হবে কোনটি আপনার চুলের জন্য ভালো।

কীভাবে চুলে তেল ব্যবহার করবেন?
“চুলে তেল দেওয়া কোনো দীর্ঘ বা ব্যয়বহুল পদ্ধতি না। সপ্তাহের যেকোনো একদিন রুটিন করে চুলে তেল দিন যা আপনার জন্য খুব বেশি ঝামেলার হবে না’, বললেন ড. হারিশ। চুলে তেল মেখে সারারাতও রেখে দিতে পারেন আবার শ্যাম্পু করার ৩০ মিনিট আগেও তেল লাগাতে পারেন। দুটি পদ্ধতিই সমান উপকারী।

তেল ব্যবহারের সময় খুব বেশি গরম না করাই ভালো। হালকা গরম অথবা কক্ষ তাপমাত্রায় গরম থাকলে তেল বেশি কার্যকর হয়। ‘অতিরিক্ত গরম তেল মাথার তালুর জন্য ক্ষতিকর এবং এই তেল ব্যবহারে চুলের গোড়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই এটি এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

⇒ ভালো লাগলে প্লিজ ব

প্রাকৃতিক মধুর জাদুতে সুন্দর ও কোমল ত্বক

59
মধু এক ধরনের প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার। এটি ত্বকের গভীরে নমনীয়তা ধরে রাখতে সাহায্য করে। দীর্ঘসময় ত্বকের নমনীয়তা ধরে রাখতে মধু দারুণ উপকারী। বিশেষ করে গরমের দিনে ত্বকে জমে থাকা ঘাম, ময়লা, জীবানুতে সৃষ্টি করা ব্রণ আর র‌্যাশের থাকে আধিপত্য। এসব তাড়িয়ে সুন্দর ও কোমল ত্বক পেতে সাহায্য করবে মধু। খাওয়ার পাশাপাশি ত্বকচর্চায় এর জুড়ি নেই। তাই আপনার ত্বকের যত্নে দেখে নিতে পারেন মধুর কয়েকটি অসাধারণ ব্যবহার।
⇒ নিয়মিত ১ টেবিল-চামচ পরিমাণ মধু Honey পরিষ্কার ও শুষ্ক ত্বকে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রাখুন। এরপর কুসুমগরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেললে ত্বকে ফিরে আসবে কোমলতা ও মসৃণতা।

⇒ মধুতে আছে এনজাইম যা ত্বক ও লোমকূপের গভীরে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করে। এছাড়াও মধুতে বিদ্যমান অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে। মধু দিয়ে ত্বক ম্যাসাজ করলে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।