ইউটিউব ও ফেসবুকে আঁখি আলমগীরের পরকীয়ার গোপন ভিডিও নিয়ে তোলপাড় (দেখুন ভিডিওতে)

বিনোদন ডেস্কঃ বর্তমান সমাজে তারকা আর স্ক্যান্ডাল দুইটি একে অপরের পরিপূরক শব্দে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই কোন না কোন তারকাদের স্ক্যান্ডালের মুখরোচক খবর ছাপা হচ্ছে সংবাদ মাধ্যমগুলোতে। তার কতগুলো হয়তো বা সত্যি আর কতগুলো হয়তো বা শুধুমাত্র কারো শত্রুতার জেরে কারো চরিত্র হরনের জন্যই করা হচ্ছে।

এরজন্য ব্যবহার করা হচ্ছে বিভিন্ন ‘লুক এলাইক’ ভিডিও বা ছবি। ইন্টারনেটের অপব্যবহার করে খুব সহজেই মিলছে তারকাদের চেহারা সাদৃশ্য বা কাছাকাছি কারো ভিডিও বা ছবি। আর তারপরেই সেইসব ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করে বানানো হচ্ছে কিছু মনগড়া কাহিনী বা গপ্পো, আর তাতেই বাজিমাত হয়ে যায় । তবে কি লাক্সতারকা মেহজাবিন, অভিনেত্রী তিসার পর এবার সেইরকম এক প্রতিহিংসার শিকার হলেন গায়িকা আঁখি আলমগীর?

সানি লিওনকেও হার মানানো ১৮ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডের ভিডিওটি আঁখির জ্ঞাতসারেই করা হয়েছে-এটি বুঝা যায় শুরুতে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে টা টা করতে দেখে। এরপরেই খবরটিতে পর্নো ভিডিওর সকল খুঁটিনাঁটি সম্পর্কে রগরগে কিছু বর্ননা দেওয়া হয়েছে।তবে দাবী করা হয়েছে ভিডিওটি প্রকৃতপক্ষে আঁখি আলমগীরের নয়।বর্তমানে ইউটিউব থেকে ভিডিওটি মুছে দেয়া হয়েছে।

Details

বলিউডের সবচেয়ে যৌন উত্তেজক সিনেমা “Single X” (ভিডিওসহ)

ডেস্ক: তিনি ভগবান আর খেলার উপর কোনওদিন সিনেমা করবেন না বলে আগেই ঘোষণা করে দিয়েছেন। শোলের রিমেক করে বলিউডের সবচেয়ে জঘন্য সিনেমার অ্যাখা পেয়েছেন। তাই হয়তো রিমেক করার সাহসও দেখাবেন না। তা হলে রামগোপাল ভার্মা করবেনটা কী? কেন! রামু বলছেন, তিনি এবার অনেক বেশি করে ইরোটিক থ্রিলার, আর ভয়ের সিনেমা বানাবেন।
সেন্সর বোর্ডকে কার্যত একহাত নিয়ে রামু রিলিজ করলেন তার শর্ট ফিল্ম “Single X”-এর পোস্টার। যা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। রামগোপাল ভর্মা অনলাইনে এক চ্যানেল খুলছেন। তার নাম #RGVtalkies। অনলাইন থিয়েটারে #RGVtalkies-এর প্রথম সিনেমা হল সিঙ্গল এক্স। রামুর দাবি এটাই নাকি বলিউডের সবচেয়ে যৌন উত্তেজক সিনেমা হতে চলেছে। তবে রামু সব দাবি সত্যি বলে ভাবলে ভুল হবে। রামগোপাল ভার্মা-কে আগ বানিয়ে তাঁর দাবি ছিল, শোলের মত এই সিনেমাও দারুণ হিট হবে।

Details

ভ্যালেন্টাইনে পার্কে গাছের আড়ালে তরুন তরুনীর অশ্লীলতা..গোপন ক্যমেরায় ! (ভিডিওসহ দেখুন)

কে কার কড়ি ধরে, কে কাকে সামলায়! প্রতিহারিরাও ধাঁ মওকা বুঝে। সল্ট লেকের সেন্ট্রাল পার্কের ঝোপে-ঝাড়ে আড়ি পাতল গূহ্যক্যাম বসন্ত  এসে গেছে মামু! শক্তি চাটুজ্যের পদ্য মাথায় রেখেই বোধ হয় বসন্তে বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা শুনিয়ে রেখেছে হাওয়া-আপিস। ‘কাপেল’-কোম্পানির পোয়া বারো।ছাতা  খুলে তার তলায় বসত করে কয়জনা জানতে গূহ্যক্যামেরা পকেটসই করে প্রবেশ করা গিয়েছিল সল্ট লেকের সেন্ট্রাল পার্কে। ভি ফর ভ্যালেন্টাইন-ওয়ালাদের দাপটে মনে হতেই পারে জ্যান্ত খাজুরাহোকে কার  কড়ি ধরে, কে কাকে সামলায়! প্রতিহারিরাও ধাঁ মওকা বুঝে। ঝোপে-ঝাড়ে আড়ি পাতল গূহ্যক্যাম। ফুটে উ‌ঠল প্রেমের

Details

অভিনব নৃত্যশৈলী: নাচ করতে করতেই পোশাক বদল (ভিডিওতে দেখুন )

ডেস্ক ::: গ্রুপ ডান্স তো আগেও অনেক দেখেছেন। কিন্তু এরকম নাচ কি আগে দেখেছেন, যেখানে নাচ করতে করতে পোশাক পরিবর্তন করছেন নৃত্যশিল্পীরা? মাহোমেট-সেইমউর-এর এই ডান্স টিম অসাধারণ এই নাচের দক্ষতা দেখিয়েছেন

Details

সানি লিওন: দেখালেন তিনি দেখালেন

হ্যালোটুডে ডটকম: সানি লিওনের নাম আমি প্রথম শুনি ২০১০ সালে। একটি পর্ন ফিল্মে তিনি অভিনয় করেছিলেন যার নাম ছিল ‘পোর্ট্রেইট অফ আ পর্ন স্টার’। ফিল্মটি বেশ কয়েকটি এভিএন পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়।

প্রসঙ্গত, এই পুরস্কারটি পর্নের দুনিয়াতে অস্কারের সমতুল্য। সেই পুরস্কারের লিস্টে চোখ রাখার সূত্রেই প্রথম সানির সিনেমার সঙ্গে পরিচয় এবং যথারীতি দেখে ছিটকে গিয়েছিলাম। তাঁর বিভঙ্গ, শরীরী লীলা, তাঁর উন্মুক্ত আকাঙ্ক্ষার প্রদর্শনী আরও অনেকের মতোই আমার রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিল। তবে তখন তিনি আমার কাছে শুধুই এক পর্ন-অভিনেত্রী ছিলেন।

কিছুদিন বাদে শুনলাম সানি লিওন পর্ন-কেরিয়ারের সমাপ্তি ঘোষণা করে বলিউডে পাকাপাকি ঘাঁটি গাড়তে চলেছেন। তার পর তো ইতিহাস। বলিউডে একটার পর একটা হিট সিনেমা, বিতর্কিত অ্যাড, দেশের রাজনীতিবিদদের সানি সম্বন্ধে কটূক্তি, আবারও হিট, নামীদামি এনডোর্সমেন্ট ইত্যাদি পেরিয়ে এসে সানি আবার খবরের শিরোনামে। যখন তিনি মুখোমুখি অন-স্ক্রিন সাক্ষাৎকারে তাঁর অতীত জীবন নিয়ে অ্যাঙ্করের বাঁকা বাঁকা প্রশ্নের জবাবে মাথা ঠান্ডা করে গ্রেসফুলি উত্তর দিয়ে আমাদের লিবারাল আমজনতার মন জয় করে নিলেন। আমি মনে মনে টুপি খুলেছিলাম। পর্ন সিনেমা থেকে বেরিয়ে এসে কঠিন লড়াই করে একজন নারী মূলস্রোতে নিজের জায়গা করে নিচ্ছেন, দৃপ্ত সাহসিকতায় নিজেকে প্রতিষ্ঠা করছেন এবং ফুৎকারে উড়িয়ে দিচ্ছেন তাঁকে ঘিরে যাবতীয় ইনহিবিশন তথা পুরুষতান্ত্রিক বিদ্বেষ- এগুলো দেখে মনে হয়েছিল আমি নিজের আধুনিক প্রগতিশীল চিন্তা দিয়ে মনে মনে যে স্বপ্নের নারীপ্রতিমা তৈরি করেছি সানি লিওন তার একেবারে খাপে খাপ। নিশ্চিন্ত হয়ে ঘুমোতে গিয়েছিলাম এই ভেবে যে, আমাদের মেয়েরা আর পিছিয়ে নেই, তারাও জাগছে। আমার ঘুম নিশ্চিন্ত এবং নিশ্ছিদ্র রেখেছিল এই বিশ্বাস যে আধুনিক ভারতের মেয়েরা নিজেদের প্রতিষ্ঠা করবে ঠিক যেমন সানি লিওন করেছেন। ঠিক সেই পথে যে পথে আমি চাই।

আর এই পর্যন্ত এসেই এই গল্পটা আর সানির অথবা আমার গল্প থাকল না। হয়ে গেল কোটি কোটি পুরুষের গল্প। আমরা সেই পুরুষেরা যারা নিজেদের লিবারাল ভাবি। আমরা যারা নারীমুক্তির হয়ে গলা ফাটাই এবং পর্ন দেখে আইডেন্টিফাই করি এসব আসলে নারীকে ভোগ্যবস্তু করে তোলার হাতিয়ার। আমরা যারা নিজেরাই আমাদের মেয়েদের জন্য একটা গণ্ডি বেঁধে দিয়েছি, যার মধ্যে থাকলে সে আমাদের মনের মতো হবে। আমি এবং আমরা, যারা ভেবে এসেছি যে নারীমুক্তি ঘটানোটা আসলে আমাদের পুরুষদেরই দায়িত্ব।

যখন সানি লিওন বলিউডে এলেন আমি আনন্দ পেয়েছিলাম। কারণ, আমার শিক্ষিত বিদগ্ধ মনে কাঁটার মতন বিঁধে থাকত এই বাস্তবটা যে সানি আসলে পর্নস্টার। বার বার এটাই মনে করে এসেছি যে ও পথ আসলে ঠিক নয়। ঠিক নয় কারণ আমি ওটাকে ঠিক মনে করি না। তাই তথাকথিত মূলস্রোতে ফেরার জন্য সানির লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়েছি। যখন ইন্টারভিউয়ারের বাঁকা প্রশ্নে সানি বিব্রত, আমি নিজের মনে চেঁচিয়ে উঠেছি, ‘আরে সানি ওকে দেখিয়ে দে তুই কতখানি কষ্ট করে আজ মেনস্ট্রিমে এসেছিস। দেখিয়ে দে যে পর্নস্টার হলেও তোর শিক্ষা মেধা আর বুদ্ধি আমাদের থেকে কিছু কম নয়।’ ক্ষিদ্দার মতন চেঁচিয়ে গেছি, ‘ফাইট সানি ফাইট!’

এই যে আমাদের তৈরি করে দেওয়া সমীকরণ- এক মহিলা অপমানিত হবেন, অপমানের যথাযোগ্য জবাব দেবেন এবং লড়াই করে মূলস্রোতে নিজের সম্মান অর্জন করে নেবেন- সানি লিওন আমাদের সেই বেঁধে দেওয়া গন্ডিতেই খেলে যান। আমরা তাঁকে হাততালি দিই তাঁর রুচি বা বৈদগ্ধের জন্য নয়! সানি আমার এত প্রিয় এবং শ্রদ্ধেয়ও কারণ তিনি আমার লিবারাল পুরুষমনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করে গেছেন খাপে খাপ। নিজের অতীতকে ডিঙিয়ে এতটা এগিয়ে গেছেন। নারীত্বকে মর্যাদার আসনে বসিয়েছেন। নিজের ডিগনিটি বজায় রেখেছেন আগাগোড়া। সানির জয় তাই একা সানির জয় নয়। এক প্রাক্তন পর্নস্টারের-ও জয় নয়। সানির জয় আসলে আমার লিবারাল পৌরুষের অতৃপ্ত ইন্টেলেকচুয়াল অর্গাজমের জয়।

সানিকে দেখে আমার স্লামডগ মিলিওনেয়ারের বাচ্চা ছেলেটির কথা মনে পড়ে। ক্যুইজের আসনে তার উল্টো দিকে প্রতিকূল পরিবেশ এবং বিরূপ মনোভাবাসম্পন্ন ক্যুইজ মাস্টার। কিন্তু সে মাথা ঠান্ডা রেখে একটার পর একটা প্রশ্নের সঠিক জবাব দিয়ে যায়। তার জয় আসলে এক নতুন ইন্ডিয়া ইন মেকিং-এর জয় ছিল যা এই মতবাদ প্রতিষ্ঠা করেছিল যে ‘জীবনে লড়াই করে সব কিছু ছিনিয়ে নিতে হয়’। সানি লিওন সেই নতুন ইন্ডিয়ার আধুনিকতাকেই ভিন্ডিকেট করে দিলেন। আমাদের শহুরে মধ্যবিত্ত লিবারাল পুরুষদের চোখ নারীর প্রতিষ্ঠার যে যে সমীকরণগুলো সযত্নে নির্মাণ করেছি- লড়াই, ডিগনিটি, পঙ্কিল অতীত এবং বিরূপ বর্তমান জয় করে সগর্বে মাথা তুলে দাঁড়ানো, বুদ্ধিমত্তা, সৌন্দর্য্য, মর্যাদাপূর্ণ আচরণ, আধুনিকা দৃষ্টিভঙ্গি- সানি লিওন সেগুলোর একদম বাস্তব রূপ। তাই সানিকে আমি এত পছন্দ করি। কারণ জানি সানি লিওনের যে আর্কেটাইপ তা যতই নারীমুক্তি এবং আধুনিকতার কথা বলুক না কেন সেটাও হবে আমার বেঁধে দেওয়া নিয়মাবলী অনুসারেই। আমার আধিপত্যের নন্দন ওটুকুই পারমিট করে। সেই গণ্ডির বাইরে একচুলও যদি পা রাখে কেউ, সানি লিওন যদি আবার পর্ন ফিল্মে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন অথবা কাল থেকে এমন আচরণ করেন যা আমাদের বেঁধে দেওয়া ডিগনিটির সঙ্গে যায় না, তা হলেই আমার এই সফট আধিপত্য চূড়ান্ত ঝাঁকুনি খাবে। ওলটপালট হয়ে যাবে সব সমীকরণ। কিন্তু আমি জানি যে তা ঘটবে না। সানি অত বোকা নন যে বহু কষ্টে অর্জিত নিজের ইমেজ ছুড়ে ফেলে দেবেন। তিনিও জানেন যে দিনের পর দিন প্রতিকূল পরিবেশের সঙ্গে কুস্তি করেই তাঁকে ইঞ্চি ইঞ্চি ইমেজ নির্মাণ করে যেতে হবে যাতে আমরা ভারতীয় সমাজ রিং-এর ভেতর তাঁর এই রক্তাক্ত লড়াইকে হাততালি দিয়ে গ্লোরিফাই করতে পারি।

তাই দিনের শেষে সানি লিওন আসলে একটা আইডিয়ার বাইরে আর কিছু থাকেন না। যখন তিনি পর্ন ফিল্মে অভিনয় করে গেছেন তখন সমবেত পুরুষদের কামনার অবজেক্ট হয়ে থেকেছেন। যখন তিনি বলিউডে আসলেন তখন থেকে গেলেন লিবারাল ভারতীয় পেট্রিয়ার্কির ইচ্ছেপূরণের অবজেক্ট হয়ে। তিনি ততটুকুই দেখালেন যতটুকু দেখলে আমাদের আধিপত্যের নন্দনে অন্তর্ঘাত ঘটবে না। তাই আজকাল আমার ঘুম আরও নিশ্ছিদ্র এবং গভীর হচ্ছে। কারণ, আমি জানি যে মেয়েরা জাগছে কিন্তু তাতে আমার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটবে না।

Details

অল্পবয়সী তরুনীকে বিয়ে করার জ্বালা যেভাবে মেটাচ্ছেন ৭০ বছর বয়সী মুরুব্বী! (দেখুন ভিডিওতে)

বয়সে সব কিছু মানায় না। অনেক পুরুষ মানিয়ে নিতে চেষ্টা করেন, কিন্তু পরিবেশ পরিস্থিতি সব যেন বেমানান করে তোলে। তেমনি একজন, বউ ছেলে মেয়ের অনুপস্থিতিতে নিজের একাকীত্ব দূর করতে ৭০ বছরে কাউকে না জানিয়ে ঘরে তোলেন ১৬ বছরের তরুণীকে। সুখেই যাচ্ছিলো তাদের সংসার। কিন্তু কিছু দিন যেতেই আর বুড়ো মিয়াকে ভালো লাগছেনা টিনেজ কন্যার। সে…

Details

যে গোপন ভিডিও নিয়ে বিব্রত মেহজাবিন! (ভিডিওসহ) দেখুন

যে গোপন ভিডিও নিয়ে বিব্রত মেহজাবিন সেটি দেখুন খবরের শেষে।
তার আগে জেনে নিন লাক্স সুন্দরী মেহজাবিন ফের বিব্রত হয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে মেহজাবিনকে জড়িয়ে উঠতি মডেল ফারিয়া শবনম ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য ছুড়েছে।

এ নিয়ে মেহজাবিন ও ফারিয়ার মধ্যে ফেসবুকে বাকবিতন্ডা হয়। তাদের এ দ্বন্দ্ব নিয়ে অনেকে নানা ধরনের পোস্ট শেয়ার করেছেন ফেসবুকে। এ বিষয়ে মেহজাবিন বলেন, ‘মডেল ফারিয়া শবনম আমাকে নিয়ে আপত্তিজনক স্ট্যাটাস দিয়েছেন ফেসবুকে। কেন দিয়েছেন তা আমি জানি না। তার সঙ্গে আমার তেমন কোনো পরিচয়ও নেই। কার প্ররোচনায় তিনি এ ধরনের কাজ করেছেন সেটা আমার বোধগম্য নয়। এ ঘটনায় আমি দারুণ বিব্রত হচ্ছি।’

মেহজাবিন আরও বলেন, “গতকাল ফারিয়া এ বিষয়টি নিয়ে ‘সরি’ বলে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। আমিও তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি।” শবনম ফারিয়া লাক্স সুন্দরী মেহজাবিনকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে মিডিয়ায় আলোচনায় আসতে এ ধরনের কাজ করেছেন বলে ধারণা করছেন মিডিয়াকর্মীরা।

Details

প্রবাসী স্বামী ও বাচ্চা রেখে পালিয়ে বিয়ে..অবশেষে প্রেমিকের সাথে যে ভিডিও আপলোড করলো ফেসবুকে ! (ভিডিওসহ দেখুন)

মিম নামের এই প্রবাশীর স্ত্রী…দুধের বাচ্ছা ফেলে পরকীয়ার টানে প্রমিকের সাথে পালিয়ে যে ভিডিও প্রকাশ করল ( ভিডিওসহ দেখুন)

Details

জেনে নিন কিভাবে পর্ণ ছবি নির্মাণ করা হয় (ভিডিও সহ)

পর্ণ বা নীল ছবি নিয়ে বিশুদ্ধবাদীরা যতই নাক উঁচু করেন না কেন এই ইন্ডাস্ট্রি যে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় সেটা তথ্যই প্রমাণ করে। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের একটা বৃহৎ অংশ সুযোগ পেলেই পর্ণ সাইটে ঢু মারেন তা নানা গবেষণায়ই উঠে এসেছে। মানুষ নীল ছবির হাতছানিতে মাঝেমাঝেই ধরা দেয়, কিন্তু পর্দার ওপারে ঠিক কী ঘটে? সেই পর্ণ ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে আসুন জেনে নিই অবাক করা কিছু তথ্য।

পর্ণ রোজগার- সাধারণ পুরুষ পর্ণ অভিনেতারা ছবি প্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ ডলার বা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩৫ হাজার টাকা রোজগার করেন। মহিলাদের ক্ষেত্রে রোজগারের অঙ্কটা দ্বিগুণ হয়। আর সমকামী পর্ণের ক্ষেত্রে রোজগারটা সাধারণ ক্ষেত্রের তিন গুণ হয়। তবে পর্ণস্টার বা পর্ণ তারকারা ঘণ্টায় এক হাজার থেকে ৫ হাজার ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় চার লক্ষ টাকা রোজগার করেন।

পর্ন তৈরি- বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পর্ণ সিনেমা তৈরি হয় আমেরিকায়। দু’নম্বরে জার্মানি। আমেরিকায় সপ্তাহে গড়ে ৫০০টি ও জার্মানিতে ৪০০টি পর্ণ সিনেমা তৈরি হয়। পর্ণ আসক্তি- এক সমীক্ষায় প্রকাশ ১০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ অনলাইনে পর্ণ দেখাটা তাদের যে কোনও নেশাকে হার মানিয়েছে। পর্ণ ও যৌন অপরাধ- সমীক্ষায় প্রকাশ যে দেশে পর্ণোগ্রাফিক সিনেমা দেখার বিষয়ে কোনও বাধা নিষেধ নেই সেখানে যৌন হিংসা বা অপরাধের সংখ্যা কম হয়। যদিও অন্য এক সমীক্ষায় প্রকাশ পর্ণ সিনেমা বেশি দেখা দেশে, যৌন অপরাধের সংখ্যা তুলনায় বেশি।

পর্ণ হিসেব- আমেরিকায় প্রতি ৩৯ মিনিটে একটি পর্ণ ছবি তৈরি হয়। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র দুটি রাজ্যে পর্ণ ছবি তৈরিতে অনুমতি আছে। পর্ণ সাইট- গোটা বিশ্বে সাড়ে চার কোটি পর্ন ওয়েবসাইট আছে। দুনিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েবসাইটের প্রতি মাসে পেজ ভিউজ সিএনএন, ইএসপিএনের তিন গুণ।

পর্ণ ব্যয়- প্রতি সেকেন্ড পর্ণগ্রাফির পিছনে খরচ হয় প্রায় ৩ হাজার ডলার বা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। চাইল্ড পর্ণোগ্রাফি- দুনিয়ার সেরা ২০টি উন্নত দেশ বলেছে তাদের দেশের সেরা দশটা বড় সমস্যার মধ্যে প্রথমের দিকে আছে শিশু বা চাইল্ড পর্ণোগ্রাফি। কোন উপায়েই তারা এটা রোধ করতে পারছে না। ভারত শিশু পর্ণোগ্রাফি রুখতে ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হচ্ছে। পর্ন দেখা- যে কোনও মুহূর্তে বিশ্বের অন্তত ৩০ হাজার মানুষ পর্ণোগ্রাফিক সিনেমা দেখছেন। প্রতি মুহূর্তে অন্তত ৩৭২ জন মানুষ গুগল সার্চে লিখছেন অ্যাডাল্ট বা পর্ণ জাতীয় সিনেমা বা ছবি। শরীরী ব্যবসা- পর্ন ইন্ডাস্ট্রি হলিউড, গুগল, এনএফএল, ইয়াহু, ইবে, আমাজনের থেকেও অনেক বেশি বড় ও লাভবান। সেক্স ইন্ডাস্ট্রি (পর্ন সিনেমা, দেহব্যবসা, স্ট্রিপ ক্লাব, নারী পাচার) হল বিশ্বের সবচেয়ে লাভজনক ‘ব্যবসা’।

পর্ণ নিয়ে শঙ্কা- সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয় হলো মানুষ যখন পর্ণ দেখে বা কিছু সময়ের মধ্যেই দেখবে এমন চিন্তায় থাকে তখনই তার রক্তের চাপ বাড়তে শুরু করে। পর্ণ দেখার সময় তার হৃদস্পন্দন কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে দুর্বল হৃদয়ের মানুষের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকাংশে বেড়ে যায়।

Details

প্রভা নিজেই জানালেন তাকে পেতে কত বাজেট লাগবে!

আলোচিত মডেল অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা মূলত বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেই ড্রইং রুম মিডিয়ার দর্শকের নজর কেড়েছেন তিনি। এরপর অসংখ্য টিভি নাটকে অভিনয় সুবাদে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন প্রভা। গত কয়েক বছর ধরে টিভি নাটকে নিয়মিত দেখা গেলেও বিজ্ঞাপনচিত্রে তাকে এখন দর্শক দেখছেনই না। এ নিয়ে তাদের মনে উঠেছে নানা প্রশ্ন। প্রভা কি বিজ্ঞাপনে আর কাজ করবেন না

এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রভা বলেন, একটা কথা বরাবর বলে আসছি। আমি মেরিলের মতো বিগ বাজেটের বিজ্ঞাপনের অপেক্ষায় আছি। যদি সেরকম কিছু না পাই প্রয়োজনে এ জায়গাটিতে কাজ করবই না। কারণ একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে যখন ভালো বাজেট থাকে তখন কাজটি ভাল হয়। সে জায়গায় অনেক প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও ভালো বাজেট না থাকার কারণে কাজ করছি না।

আমি চলচ্চিত্রে সত্যিই আসতে চাই। তবে সেটা অবশ্যই বিগ বাজেটের ছবি হতে হবে। আর আমি নিজেকে প্রস্তুত করেছি। এখন আর কোন সমস্যা নেই। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য যা যা করণীয় সব করছি। সব মিলিয়ে এখন ব্যাটে বলে শতভাগ মিলে গেলেই চলচ্চিত্রে নাম লেখাতে পারবো বলে আশা করছি।

Details